সুনান নাসাঈ > নারীকে নারীর পরিবর্তে হত্যা করা

সুনান নাসাঈ ৪৭৩৯

أخبرنا يوسف بن سعيد، قال: حدثنا حجاج بن محمد، عن ابن جريج، قال: أخبرني عمرو بن دينار، أنه سمع طاوسا، يحدث، عن ابن عباس، عن عمر رضي الله عنه أنه: " نشد قضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك، فقام حمل بن مالك فقال: «كنت بين حجرتي امرأتين، فضربت إحداهما الأخرى بمسطح، فقتلتها وجنينها، فقضى النبي صلى الله عليه وسلم في جنينها بغرة وأن تقتل بها»

উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মীমাংসা কী ছিল, তিনি তা জানতে চাইলেন। তখন হামল ইব্‌ন মালিক দাঁড়িয়ে বলেনঃ আমি দুই নারীর বাসস্থানের মধ্যস্থলে ছিলাম। এমন সময় একজন নারী অন্যজনকে তার তাঁবুর ডাণ্ডা দিয়ে আঘাত করে হত্যা করলো এবং তার পেটের সন্তানকেও হত্যা করল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সন্তানের বদলে এক দাস অথবা দাসী দেওয়ার আদেশ করেন এবং নারীর পরিবর্তে ঐ নারীকে হত্যা করার আদেশ দেন।

উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মীমাংসা কী ছিল, তিনি তা জানতে চাইলেন। তখন হামল ইব্‌ন মালিক দাঁড়িয়ে বলেনঃ আমি দুই নারীর বাসস্থানের মধ্যস্থলে ছিলাম। এমন সময় একজন নারী অন্যজনকে তার তাঁবুর ডাণ্ডা দিয়ে আঘাত করে হত্যা করলো এবং তার পেটের সন্তানকেও হত্যা করল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সন্তানের বদলে এক দাস অথবা দাসী দেওয়ার আদেশ করেন এবং নারীর পরিবর্তে ঐ নারীকে হত্যা করার আদেশ দেন।

أخبرنا يوسف بن سعيد، قال: حدثنا حجاج بن محمد، عن ابن جريج، قال: أخبرني عمرو بن دينار، أنه سمع طاوسا، يحدث، عن ابن عباس، عن عمر رضي الله عنه أنه: " نشد قضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك، فقام حمل بن مالك فقال: «كنت بين حجرتي امرأتين، فضربت إحداهما الأخرى بمسطح، فقتلتها وجنينها، فقضى النبي صلى الله عليه وسلم في جنينها بغرة وأن تقتل بها»


সুনান নাসাঈ > নারীর পরিবর্তে পুরুষকে হত্যা করা

সুনান নাসাঈ ৪৭৪০

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا عبدة، عن سعيد، عن قتادة، عن أنس، رضي الله عنه: «أن يهوديا قتل جارية على أوضاح لها، فأقاده رسول الله صلى الله عليه وسلم بها»

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ইয়াহূদী একটি বালিকাকে তার রূপার অলঙ্কারের জন্য হত্যা করে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ বালিকার কিসাস স্বরূপ ইয়াহূদীকে হত্যার আদেশ দেন।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ইয়াহূদী একটি বালিকাকে তার রূপার অলঙ্কারের জন্য হত্যা করে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ বালিকার কিসাস স্বরূপ ইয়াহূদীকে হত্যার আদেশ দেন।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا عبدة، عن سعيد، عن قتادة، عن أنس، رضي الله عنه: «أن يهوديا قتل جارية على أوضاح لها، فأقاده رسول الله صلى الله عليه وسلم بها»


সুনান নাসাঈ ৪৭৪১

أخبرنا محمد بن عبد الله بن المبارك، قال: حدثنا أبو هشام، قال: حدثنا أبان بن يزيد، عن قتادة، عن أنس بن مالك: " أن يهوديا أخذ أوضاحا من جارية، ثم رضخ رأسها بين حجرين، فأدركوها وبها رمق، فجعلوا يتبعون بها الناس، هو هذا، هو هذا، قالت: نعم، فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فرضخ رأسه بين حجرين "

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ইয়াহূদী এক বালিকার রূপার অলঙ্কার কেড়ে নিল এবং পরে তাকে দুইটি পাথরের মাঝে রেখে তার মাথা চূর্ণ করলো। লোকজন এসে দেখলো, তার নিঃশ্বাস তখনও অবশিষ্ট রয়েছে। লোকজন তাকে জিজ্ঞাসা করতে লাগলোঃ তোমাকে কি ঐ ব্যক্তি মেরেছে? ঐ ব্যক্তি মেরেছে? অবশেষে ঐ ইয়াহূদীর নাম আসতেই সে বললোঃ হ্যাঁ। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আদেশে তার মাথা দুটি পাথরের মাঝখান রেখে চূর্ণ করে দেওয়া হয়।

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ইয়াহূদী এক বালিকার রূপার অলঙ্কার কেড়ে নিল এবং পরে তাকে দুইটি পাথরের মাঝে রেখে তার মাথা চূর্ণ করলো। লোকজন এসে দেখলো, তার নিঃশ্বাস তখনও অবশিষ্ট রয়েছে। লোকজন তাকে জিজ্ঞাসা করতে লাগলোঃ তোমাকে কি ঐ ব্যক্তি মেরেছে? ঐ ব্যক্তি মেরেছে? অবশেষে ঐ ইয়াহূদীর নাম আসতেই সে বললোঃ হ্যাঁ। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আদেশে তার মাথা দুটি পাথরের মাঝখান রেখে চূর্ণ করে দেওয়া হয়।

أخبرنا محمد بن عبد الله بن المبارك، قال: حدثنا أبو هشام، قال: حدثنا أبان بن يزيد، عن قتادة، عن أنس بن مالك: " أن يهوديا أخذ أوضاحا من جارية، ثم رضخ رأسها بين حجرين، فأدركوها وبها رمق، فجعلوا يتبعون بها الناس، هو هذا، هو هذا، قالت: نعم، فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فرضخ رأسه بين حجرين "


সুনান নাসাঈ ৪৭৪২

أخبرنا علي بن حجر، قال: أنبأنا يزيد بن هارون، عن همام، عن قتادة، عن أنس بن مالك قال: خرجت جارية عليها أوضاح، فأخذها يهودي فرضخ رأسها، وأخذ ما عليها من الحلي، فأدركت وبها رمق، فأتي بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «من قتلك فلان؟» قالت برأسها: لا. قال: «فلان؟» قال: حتى سمى اليهودي، قالت برأسها: نعم. فأخذ فاعترف فأمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم فرضخ رأسه بين حجرين

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ এক বালিকা রূপার অলঙ্কার পরিহিত অবস্থায় বের হলে এক ইয়াহূদী তাকে ধরল। তার মাথা দু’টি পাথরের মাঝে রেখে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলে এবং তার শরীরের অলঙ্কার ছিনিয়ে নিয়ে গেল। লোকজন এসে তাকে এমন অবস্থায় পেল যে, তখনও তার নিঃশ্বাস অবশিষ্ট আছে। তারা তাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে গেলে তিনি বললেনঃ তোমাকে কে আঘাত করেছে ? অমুক ব্যক্তি ? সে বললোঃ না, আল্লাহর কসম! তিনি বললেনঃ অমুক ব্যক্তি ? শেষ পর্যন্ত তিনি আঘাতকারী ইয়াহূদীর নাম নিয়ে জিজ্ঞাসা করলে, সে তার মাথার ইশারায় বললোঃ হ্যাঁ। ঐ লোকটি ধৃত হলে তা সে স্বীকার করলো। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদেশ করলে দুই প্রস্তরের মধ্যে রেখে তার মাথা চূর্ণ করা হয়।

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ এক বালিকা রূপার অলঙ্কার পরিহিত অবস্থায় বের হলে এক ইয়াহূদী তাকে ধরল। তার মাথা দু’টি পাথরের মাঝে রেখে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলে এবং তার শরীরের অলঙ্কার ছিনিয়ে নিয়ে গেল। লোকজন এসে তাকে এমন অবস্থায় পেল যে, তখনও তার নিঃশ্বাস অবশিষ্ট আছে। তারা তাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে গেলে তিনি বললেনঃ তোমাকে কে আঘাত করেছে ? অমুক ব্যক্তি ? সে বললোঃ না, আল্লাহর কসম! তিনি বললেনঃ অমুক ব্যক্তি ? শেষ পর্যন্ত তিনি আঘাতকারী ইয়াহূদীর নাম নিয়ে জিজ্ঞাসা করলে, সে তার মাথার ইশারায় বললোঃ হ্যাঁ। ঐ লোকটি ধৃত হলে তা সে স্বীকার করলো। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদেশ করলে দুই প্রস্তরের মধ্যে রেখে তার মাথা চূর্ণ করা হয়।

أخبرنا علي بن حجر، قال: أنبأنا يزيد بن هارون، عن همام، عن قتادة، عن أنس بن مالك قال: خرجت جارية عليها أوضاح، فأخذها يهودي فرضخ رأسها، وأخذ ما عليها من الحلي، فأدركت وبها رمق، فأتي بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «من قتلك فلان؟» قالت برأسها: لا. قال: «فلان؟» قال: حتى سمى اليهودي، قالت برأسها: نعم. فأخذ فاعترف فأمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم فرضخ رأسه بين حجرين


সুনান নাসাঈ > মুসলমান হতে কাফিরের কিসাস রহিত হওয়া

সুনান নাসাঈ ৪৭৪৩

أخبرنا أحمد بن حفص بن عبد الله، قال: حدثني أبي، قال: حدثني إبراهيم، عن عبد العزيز بن رفيع، عن عبيد بن عمير، عن عائشة أم المؤمنين، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: " لا يحل قتل مسلم إلا في إحدى ثلاث خصال: زان محصن فيرجم، ورجل يقتل مسلما متعمدا، ورجل يخرج من الإسلام فيحارب الله عز وجل ورسوله، فيقتل أو يصلب، أو ينفى من الأرض "

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ তিন অবস্থার যে কোন একটি ব্যতীত কোন মুসলমানকে হত্যা করা বৈধ নয়। প্রথমতঃ বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও যদি সে ব্যভিচার করে, তখন তাকে প্রস্তর নিক্ষেপে হত্যা করা হবে, দ্বিতীয়ত ঐ ব্যক্তি, যে কোন মুসলমানকে স্বেচ্ছায় হত্যা করে, তৃতীয়ত ঐ ব্যক্তি যে ইসলাম হতে বের হয়ে যায়, এবং পরে আল্লাহ্ তা‘আলা এবং আল্লাহ্‌র রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। তাকে হত্যা করা হবে বা শূলীতে চড়ানো হবে অথবা দেশান্তর করা হবে।

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ তিন অবস্থার যে কোন একটি ব্যতীত কোন মুসলমানকে হত্যা করা বৈধ নয়। প্রথমতঃ বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও যদি সে ব্যভিচার করে, তখন তাকে প্রস্তর নিক্ষেপে হত্যা করা হবে, দ্বিতীয়ত ঐ ব্যক্তি, যে কোন মুসলমানকে স্বেচ্ছায় হত্যা করে, তৃতীয়ত ঐ ব্যক্তি যে ইসলাম হতে বের হয়ে যায়, এবং পরে আল্লাহ্ তা‘আলা এবং আল্লাহ্‌র রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। তাকে হত্যা করা হবে বা শূলীতে চড়ানো হবে অথবা দেশান্তর করা হবে।

أخبرنا أحمد بن حفص بن عبد الله، قال: حدثني أبي، قال: حدثني إبراهيم، عن عبد العزيز بن رفيع، عن عبيد بن عمير، عن عائشة أم المؤمنين، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: " لا يحل قتل مسلم إلا في إحدى ثلاث خصال: زان محصن فيرجم، ورجل يقتل مسلما متعمدا، ورجل يخرج من الإسلام فيحارب الله عز وجل ورسوله، فيقتل أو يصلب، أو ينفى من الأرض "


সুনান নাসাঈ ৪৭৪৪

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، عن مطرف بن طريف، عن الشعبي، قال: سمعت أبا جحيفة يقول: سألنا عليا فقلنا: هل عندكم من رسول الله صلى الله عليه وسلم شيء سوى القرآن؟ فقال: «لا، والذي فلق الحبة وبرأ النسمة، إلا أن يعطي الله عز وجل عبدا فهما في كتابه أو ما في هذه الصحيفة» قلت: وما في الصحيفة؟ قال: «فيها العقل، وفكاك الأسير، وأن لا يقتل مسلم بكافر»

আবূ জুহায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা আমরা আলী (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলামঃ আপনার নিকট কি কুরআন ব্যতীত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন অন্য বাণী রয়েছে? তিনি বললেনঃ না, আল্লাহ্ তা‘আলার শপথ! যিনি বীজ বিদীর্ণ করে অঙ্কুর বের করে থাকেন, এবং জীবন দান করেন। তবে হ্যাঁ, আল্লাহ্ তা‘আলা কোন বান্দাকে তাঁর কিতাবের যে বুঝ-সমঝ দান করেন অথবা যা সহীফায় রয়েছে সেটা ভিন্ন। আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ ঐ সহীফায় কী রয়েছে। তিনি বললেনঃ তাতে রয়েছে দিয়াতের আহকাম, দাসমুক্ত করার বর্ণনা এবং আরো রয়েছে, কোন মুসলমানকে কোন কাফিরের পরিবর্তে হত্যা করা যাবে না।

আবূ জুহায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা আমরা আলী (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলামঃ আপনার নিকট কি কুরআন ব্যতীত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন অন্য বাণী রয়েছে? তিনি বললেনঃ না, আল্লাহ্ তা‘আলার শপথ! যিনি বীজ বিদীর্ণ করে অঙ্কুর বের করে থাকেন, এবং জীবন দান করেন। তবে হ্যাঁ, আল্লাহ্ তা‘আলা কোন বান্দাকে তাঁর কিতাবের যে বুঝ-সমঝ দান করেন অথবা যা সহীফায় রয়েছে সেটা ভিন্ন। আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ ঐ সহীফায় কী রয়েছে। তিনি বললেনঃ তাতে রয়েছে দিয়াতের আহকাম, দাসমুক্ত করার বর্ণনা এবং আরো রয়েছে, কোন মুসলমানকে কোন কাফিরের পরিবর্তে হত্যা করা যাবে না।

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، عن مطرف بن طريف، عن الشعبي، قال: سمعت أبا جحيفة يقول: سألنا عليا فقلنا: هل عندكم من رسول الله صلى الله عليه وسلم شيء سوى القرآن؟ فقال: «لا، والذي فلق الحبة وبرأ النسمة، إلا أن يعطي الله عز وجل عبدا فهما في كتابه أو ما في هذه الصحيفة» قلت: وما في الصحيفة؟ قال: «فيها العقل، وفكاك الأسير، وأن لا يقتل مسلم بكافر»


সুনান নাসাঈ ৪৭৪৫

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا الحجاج بن منهال، قال: حدثنا همام، عن قتادة، عن أبي حسان قال: قال علي: ما عهد إلي رسول الله صلى الله عليه وسلم بشيء دون الناس، إلا في صحيفة في قراب سيفي، فلم يزالوا به حتى أخرج الصحيفة، فإذا فيها: «المؤمنون تكافأ دماؤهم يسعى بذمتهم أدناهم، وهم يد على من سواهم، لا يقتل مؤمن بكافر، ولا ذو عهد في عهده»

আবূ হাস্‌সান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আলী (রাঃ) বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এমন কিছু বলেন নি যা তিনি অন্যান্য লোকের নিকট বলেন নি; তবে আমার তলোয়ারের খাপে যে এক কিতাব রয়েছে তা ব্যতীত। জনগণ তার পিছু ছাড়লেন না। পরে তিনি সেই লিখা বের করলেন। দেখা গেল, তাতে লিখিত রয়েছে যে, মুসলমানদের রক্ত সমমর্যাদাসম্পন্ন। একজন সাধারণ মুসলমানও কাউকে আশ্রয় দিতে পারে, মুসলিমগণ অমুসলিমদের ব্যাপারে এক হাতের ন্যায়, আর কোন মুসলমানকে কাফিরের পরিবর্তে হত্যা করা যাবে না, আর নিজের ওয়াদার উপর স্থির কোন যিম্মিকে হত্যা করা যাবে না।

আবূ হাস্‌সান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আলী (রাঃ) বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এমন কিছু বলেন নি যা তিনি অন্যান্য লোকের নিকট বলেন নি; তবে আমার তলোয়ারের খাপে যে এক কিতাব রয়েছে তা ব্যতীত। জনগণ তার পিছু ছাড়লেন না। পরে তিনি সেই লিখা বের করলেন। দেখা গেল, তাতে লিখিত রয়েছে যে, মুসলমানদের রক্ত সমমর্যাদাসম্পন্ন। একজন সাধারণ মুসলমানও কাউকে আশ্রয় দিতে পারে, মুসলিমগণ অমুসলিমদের ব্যাপারে এক হাতের ন্যায়, আর কোন মুসলমানকে কাফিরের পরিবর্তে হত্যা করা যাবে না, আর নিজের ওয়াদার উপর স্থির কোন যিম্মিকে হত্যা করা যাবে না।

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا الحجاج بن منهال، قال: حدثنا همام، عن قتادة، عن أبي حسان قال: قال علي: ما عهد إلي رسول الله صلى الله عليه وسلم بشيء دون الناس، إلا في صحيفة في قراب سيفي، فلم يزالوا به حتى أخرج الصحيفة، فإذا فيها: «المؤمنون تكافأ دماؤهم يسعى بذمتهم أدناهم، وهم يد على من سواهم، لا يقتل مؤمن بكافر، ولا ذو عهد في عهده»


সুনান নাসাঈ ৪৭৪৬

أخبرنا أحمد بن حفص، قال: حدثني أبي، قال: حدثني إبراهيم بن طهمان، عن الحجاج بن الحجاج، عن قتادة، عن أبي حسان الأعرج، عن الأشتر، أنه قال لعلي: إن الناس قد تفشغ بهم ما يسمعون، فإن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم عهد إليك عهدا، فحدثنا به، قال: «ما عهد إلي رسول الله صلى الله عليه وسلم عهدا لم يعهده إلى الناس، غير أن في قراب سيفي صحيفة، فإذا فيها المؤمنون تتكافأ دماؤهم، يسعى بذمتهم أدناهم، لا يقتل مؤمن بكافر، ولا ذو عهد في عهده مختصر»

মালিক আশতার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আলী (রাঃ)-কে বললেনঃ মানুষ (আপনার কাছ থেকে জ্ঞান-প্রজ্ঞার) বিপুল কথা শুনে থাকে। যদি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাকে খাস কিছু বলে থাকেন, তা আমাদের নিকট বর্ণনা করুন। তখন আলী (রাঃ) বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এমন কিছু বলেন নি, যা তিনি অন্যান্য লোককে বলেন নি। তবে আমার তলোয়ারের খাপে যা রয়েছে তা ব্যতীত। এরপর দেখা গেল, তাতে রয়েছেঃ মুসলমানদের রক্ত সমমর্যাদাসম্পন্ন, একজন সাধারণ মুসলমান একজন কাফিরকে আশ্রয় দিতে পারে, আর কোন মুসলমানকে কাফিরের পরিবর্তে হত্যা করা যাবে না, আর না ঐ যিম্মিকে হত্যা করা যাবে, যে তার ওয়াদার উপর স্থির রয়েছে।

মালিক আশতার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আলী (রাঃ)-কে বললেনঃ মানুষ (আপনার কাছ থেকে জ্ঞান-প্রজ্ঞার) বিপুল কথা শুনে থাকে। যদি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাকে খাস কিছু বলে থাকেন, তা আমাদের নিকট বর্ণনা করুন। তখন আলী (রাঃ) বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এমন কিছু বলেন নি, যা তিনি অন্যান্য লোককে বলেন নি। তবে আমার তলোয়ারের খাপে যা রয়েছে তা ব্যতীত। এরপর দেখা গেল, তাতে রয়েছেঃ মুসলমানদের রক্ত সমমর্যাদাসম্পন্ন, একজন সাধারণ মুসলমান একজন কাফিরকে আশ্রয় দিতে পারে, আর কোন মুসলমানকে কাফিরের পরিবর্তে হত্যা করা যাবে না, আর না ঐ যিম্মিকে হত্যা করা যাবে, যে তার ওয়াদার উপর স্থির রয়েছে।

أخبرنا أحمد بن حفص، قال: حدثني أبي، قال: حدثني إبراهيم بن طهمان، عن الحجاج بن الحجاج، عن قتادة، عن أبي حسان الأعرج، عن الأشتر، أنه قال لعلي: إن الناس قد تفشغ بهم ما يسمعون، فإن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم عهد إليك عهدا، فحدثنا به، قال: «ما عهد إلي رسول الله صلى الله عليه وسلم عهدا لم يعهده إلى الناس، غير أن في قراب سيفي صحيفة، فإذا فيها المؤمنون تتكافأ دماؤهم، يسعى بذمتهم أدناهم، لا يقتل مؤمن بكافر، ولا ذو عهد في عهده مختصر»


সুনান নাসাঈ > যিম্মিকে [১] হত্যা করা গুরুতর পাপ

সুনান নাসাঈ ৪৭৪৭

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، عن عيينة، قال: أخبرني أبي قال: قال أبو بكرة: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قتل معاهدا في غير كنهه حرم الله عليه الجنة»

আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন যিম্মিকে অন্যায়ভাবে হত্যা করবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন।

আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন যিম্মিকে অন্যায়ভাবে হত্যা করবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন।

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، عن عيينة، قال: أخبرني أبي قال: قال أبو بكرة: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قتل معاهدا في غير كنهه حرم الله عليه الجنة»


সুনান নাসাঈ ৪৭৪৮

أخبرنا الحسين بن حريث، قال: حدثنا إسمعيل، عن يونس، عن الحكم بن الأعرج، عن الأشعث بن ثرملة، عن أبي بكرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قتل نفسا معاهدة بغير حلها، حرم الله عليه الجنة أن يشم ريحها»

আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন যিম্মিকে হত্যা করবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতের সুবাস গ্রহণও হারাম করে দেবেন।

আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন যিম্মিকে হত্যা করবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতের সুবাস গ্রহণও হারাম করে দেবেন।

أخبرنا الحسين بن حريث، قال: حدثنا إسمعيل، عن يونس، عن الحكم بن الأعرج، عن الأشعث بن ثرملة، عن أبي بكرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قتل نفسا معاهدة بغير حلها، حرم الله عليه الجنة أن يشم ريحها»


সুনান নাসাঈ ৪৭৪৯

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا النضر، قال: حدثنا شعبة، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن القاسم بن مخيمرة، عن رجل، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من قتل رجلا من أهل الذمة لم يجد ريح الجنة، وإن ريحها ليوجد من مسيرة سبعين عاما»

কাসিম ইব্‌ন মুখায়মারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈক সাহাবী থেকে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি কোন যিম্মিকে হত্যা করবে, সে জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না। অথচ তার সুগন্ধ সত্তর বছরের দূরত্ব থেকে পাওয়া যাবে।

কাসিম ইব্‌ন মুখায়মারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈক সাহাবী থেকে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি কোন যিম্মিকে হত্যা করবে, সে জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না। অথচ তার সুগন্ধ সত্তর বছরের দূরত্ব থেকে পাওয়া যাবে।

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا النضر، قال: حدثنا شعبة، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن القاسم بن مخيمرة، عن رجل، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من قتل رجلا من أهل الذمة لم يجد ريح الجنة، وإن ريحها ليوجد من مسيرة سبعين عاما»


সুনান নাসাঈ ৪৭৫০

أخبرنا عبد الرحمن بن إبراهيم دحيم قال: حدثنا مروان، قال: حدثنا الحسن وهو ابن عمرو عن مجاهد، عن جنادة بن أبي أمية، عن عبد الله بن عمرو قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قتل قتيلا من أهل الذمة، لم يجد ريح الجنة، وإن ريحها ليوجد من مسيرة أربعين عاما»

আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন যিম্মিকে হত্যা করবে, সে জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না। অথচ তার সুগন্ধ চল্লিশ বছরের দূরত্ব থেকে পাওয়া যাবে।

আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন যিম্মিকে হত্যা করবে, সে জান্নাতের সুগন্ধও পাবে না। অথচ তার সুগন্ধ চল্লিশ বছরের দূরত্ব থেকে পাওয়া যাবে।

أخبرنا عبد الرحمن بن إبراهيم دحيم قال: حدثنا مروان، قال: حدثنا الحسن وهو ابن عمرو عن مجاهد، عن جنادة بن أبي أمية، عن عبد الله بن عمرو قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قتل قتيلا من أهل الذمة، لم يجد ريح الجنة، وإن ريحها ليوجد من مسيرة أربعين عاما»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00