সুনান নাসাঈ > আলকামা ইব্ন ওয়ায়লের থেকে বর্ণনাকারীদের পার্থক্য

সুনান নাসাঈ ৪৭২৪

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن عوف بن أبي جميلة، قال: حدثني حمزة أبو عمر العائذي قال: حدثنا علقمة بن وائل، عن وائل قال: شهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم حين جيء بالقاتل يقوده ولي المقتول في نسعة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولي المقتول: «أتعفو؟» قال: لا، قال: «أتأخذ الدية؟» قال: لا، قال: «فتقتله؟» قال: نعم قال: «اذهب به». فلما ذهب به فولى من عنده دعاه، فقال له: «أتعفو؟» قال: لا، قال: «أتأخذ الدية؟» قال: لا، قال: «فتقتله؟» قال: نعم، قال: «اذهب به». فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم عند ذلك: «أما إنك إن عفوت عنه يبوء بإثمه وإثم صاحبك» فعفا عنه وتركه، فأنا رأيته يجر نسعته

হামযা আবু ‘আমর ‘আইযী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, যখন নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস এক হত্যাকারীকে রশিতে বেঁধে টেনে আনে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি তাকে ক্ষমা করে দেবে ? সে বললোঃ না। এরপর তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ দিয়াত নেবে ? সে বললোঃ না। তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি তাকে হত্যা করবে ? সে বললোঃ হ্যা। তিনি বললেনঃ তা হলে তাকে নিয়ে যাও। যখন সে তাকে নিয়ে চললোঃ তখন তিনি তাকে বললেনঃ তুমি তাকে ক্ষমা করে দেবে ? সে বললোঃ না। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ দিয়াত নেবে ? সে বললোঃ না। আবার জিজ্ঞাসা করলেনঃ তাকে হত্যা করবে ? সে বললোঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তাকে নিয়ে যাও। পরে তিনি বললেনঃ যদি তুমি তাকে ক্ষমা কর, তবে সে তোমার পাপ এবং নিহত ব্যক্তির পাপ বহন করবে। তখন সে তাকে ক্ষমা করে ছেড়ে দিল। (রাবী বলেন) আমি দেখলাম, সে রশি টানতে টানতে যাচ্ছে।

হামযা আবু ‘আমর ‘আইযী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, যখন নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস এক হত্যাকারীকে রশিতে বেঁধে টেনে আনে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি তাকে ক্ষমা করে দেবে ? সে বললোঃ না। এরপর তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ দিয়াত নেবে ? সে বললোঃ না। তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি তাকে হত্যা করবে ? সে বললোঃ হ্যা। তিনি বললেনঃ তা হলে তাকে নিয়ে যাও। যখন সে তাকে নিয়ে চললোঃ তখন তিনি তাকে বললেনঃ তুমি তাকে ক্ষমা করে দেবে ? সে বললোঃ না। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ দিয়াত নেবে ? সে বললোঃ না। আবার জিজ্ঞাসা করলেনঃ তাকে হত্যা করবে ? সে বললোঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তাকে নিয়ে যাও। পরে তিনি বললেনঃ যদি তুমি তাকে ক্ষমা কর, তবে সে তোমার পাপ এবং নিহত ব্যক্তির পাপ বহন করবে। তখন সে তাকে ক্ষমা করে ছেড়ে দিল। (রাবী বলেন) আমি দেখলাম, সে রশি টানতে টানতে যাচ্ছে।

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن عوف بن أبي جميلة، قال: حدثني حمزة أبو عمر العائذي قال: حدثنا علقمة بن وائل، عن وائل قال: شهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم حين جيء بالقاتل يقوده ولي المقتول في نسعة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولي المقتول: «أتعفو؟» قال: لا، قال: «أتأخذ الدية؟» قال: لا، قال: «فتقتله؟» قال: نعم قال: «اذهب به». فلما ذهب به فولى من عنده دعاه، فقال له: «أتعفو؟» قال: لا، قال: «أتأخذ الدية؟» قال: لا، قال: «فتقتله؟» قال: نعم، قال: «اذهب به». فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم عند ذلك: «أما إنك إن عفوت عنه يبوء بإثمه وإثم صاحبك» فعفا عنه وتركه، فأنا رأيته يجر نسعته


সুনান নাসাঈ ৪৭২৫

أخبرنا محمد بن بشار قال: حدثنا يحيى قال: حدثنا جامع بن مطر الحبطي، عن علقمة بن وائل، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله، قال يحيى وهو أحسن منه

জামি’ ইবন মাতার হাবাতী আলকামা ইবন ওয়ায়ল (রাঃ) থেকে এবং তিনি তার পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

জামি’ ইবন মাতার হাবাতী আলকামা ইবন ওয়ায়ল (রাঃ) থেকে এবং তিনি তার পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

أخبرنا محمد بن بشار قال: حدثنا يحيى قال: حدثنا جامع بن مطر الحبطي، عن علقمة بن وائل، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله، قال يحيى وهو أحسن منه


সুনান নাসাঈ ৪৭২৬

أخبرنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا حفص بن عمر وهو الحوضي قال: حدثنا جامع بن مطر، عن علقمة بن وائل، عن أبيه قال: كنت قاعدا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم جاء رجل في عنقه نسعة. فقال: يا رسول الله، إن هذا وأخي كانا في جب يحفرانها، فرفع المنقار فضرب به رأس صاحبه فقتله. فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «اعف عنه» فأبى وقال: يا نبي الله، إن هذا وأخي كانا في جب يحفرانها، فرفع المنقار فضرب به رأس صاحبه فقتله، فقال: «اعف عنه» فأبى ثم قام. فقال: يا رسول الله، إن هذا وأخي كانا في جب يحفرانها، فرفع المنقار - أراه قال: - فضرب رأس صاحبه فقتله. فقال: «اعف عنه» فأبى، قال: «اذهب إن قتلته كنت مثله» فخرج به حتى جاوز، فناديناه، أما تسمع ما يقول رسول الله صلى الله عليه وسلم فرجع. فقال: «إن قتلته كنت مثله» قال: نعم أعف، فخرج يجر نسعته حتى خفي علينا

জামি‘ ইবন মাতার ‘আলকামা ইবন ওয়ায়ল থেকে এবং ওয়ায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একদা আমি রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি অন্য একজনকে নিয়ে আসে। সে বলেঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! এই ব্যক্তি এবং আমার ভাই উভয়ে কুয়ায় কাজ করতো, হঠাৎ সে কোদাল উঠিয়ে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করল এবং তাকে হত্যা করল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে ক্ষমা করে দাও। সে ব্যক্তি অস্বীকার করলো এবং বলল, হে আল্লাহর নবী! এই ব্যক্তি এবং আমার ভাই কুয়া খনন করছিল। হঠাৎ সে কোদাল তুলে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করল এবং হত্যা করল। তিনি বললেনঃ তাকে ক্ষমা কর, কিন্তু সে অস্বীকার করল, তারপর দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র নবী ! এই ব্যক্তি এবং আমার ভাই কুয়া খনন করছিল। হঠাৎ সে কোদাল তুলে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করল এবং তাকে হত্যা করল। তিনি বললেন, তাকে ক্ষমা কর। কিন্তু সে অস্বীকার করল। শেষে তিনি বললেনঃ যাও, যদি তুমি তাকে হত্যা কর, তবে তুমিও তার মত হবে। সে তাকে নিয়ে দূরে যাওয়ার পর আমরা চিৎকার করে বললামঃ তুমি কি শুনছ না রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলছেন। সে ফিরে এসে বললোঃ যদি আমি তাকে হত্যা করি তবে কি আমিও ঐরূপ হবো ? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তাকে ক্ষমা কর। এরপর সে রশি টানতে টানতে বের হল এবং আমাদের দৃষ্টির বাইরে চলে গেল।

জামি‘ ইবন মাতার ‘আলকামা ইবন ওয়ায়ল থেকে এবং ওয়ায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একদা আমি রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি অন্য একজনকে নিয়ে আসে। সে বলেঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! এই ব্যক্তি এবং আমার ভাই উভয়ে কুয়ায় কাজ করতো, হঠাৎ সে কোদাল উঠিয়ে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করল এবং তাকে হত্যা করল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে ক্ষমা করে দাও। সে ব্যক্তি অস্বীকার করলো এবং বলল, হে আল্লাহর নবী! এই ব্যক্তি এবং আমার ভাই কুয়া খনন করছিল। হঠাৎ সে কোদাল তুলে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করল এবং হত্যা করল। তিনি বললেনঃ তাকে ক্ষমা কর, কিন্তু সে অস্বীকার করল, তারপর দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র নবী ! এই ব্যক্তি এবং আমার ভাই কুয়া খনন করছিল। হঠাৎ সে কোদাল তুলে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করল এবং তাকে হত্যা করল। তিনি বললেন, তাকে ক্ষমা কর। কিন্তু সে অস্বীকার করল। শেষে তিনি বললেনঃ যাও, যদি তুমি তাকে হত্যা কর, তবে তুমিও তার মত হবে। সে তাকে নিয়ে দূরে যাওয়ার পর আমরা চিৎকার করে বললামঃ তুমি কি শুনছ না রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলছেন। সে ফিরে এসে বললোঃ যদি আমি তাকে হত্যা করি তবে কি আমিও ঐরূপ হবো ? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তাকে ক্ষমা কর। এরপর সে রশি টানতে টানতে বের হল এবং আমাদের দৃষ্টির বাইরে চলে গেল।

أخبرنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا حفص بن عمر وهو الحوضي قال: حدثنا جامع بن مطر، عن علقمة بن وائل، عن أبيه قال: كنت قاعدا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم جاء رجل في عنقه نسعة. فقال: يا رسول الله، إن هذا وأخي كانا في جب يحفرانها، فرفع المنقار فضرب به رأس صاحبه فقتله. فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «اعف عنه» فأبى وقال: يا نبي الله، إن هذا وأخي كانا في جب يحفرانها، فرفع المنقار فضرب به رأس صاحبه فقتله، فقال: «اعف عنه» فأبى ثم قام. فقال: يا رسول الله، إن هذا وأخي كانا في جب يحفرانها، فرفع المنقار - أراه قال: - فضرب رأس صاحبه فقتله. فقال: «اعف عنه» فأبى، قال: «اذهب إن قتلته كنت مثله» فخرج به حتى جاوز، فناديناه، أما تسمع ما يقول رسول الله صلى الله عليه وسلم فرجع. فقال: «إن قتلته كنت مثله» قال: نعم أعف، فخرج يجر نسعته حتى خفي علينا


সুনান নাসাঈ ৪৭২৭

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا حاتم، عن سماك، ذكر أن علقمة بن وائل، أخبره، عن أبيه: أنه كان قاعدا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاء رجل يقود آخر بنسعة فقال: يا رسول الله، قتل هذا أخي. فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أقتلته؟» قال: يا رسول الله، لو لم يعترف، أقمت عليه البينة؟ قال: نعم قتلته. قال: «كيف قتلته؟» قال: كنت أنا وهو نحتطب من شجرة، فسبني، فأغضبني، فضربت بالفأس على قرنه، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «هل لك من مال تؤديه عن نفسك؟» قال: يا رسول الله، مالي إلا فأسي وكسائي، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أترى قومك يشترونك؟» قال: أنا أهون على قومي من ذاك، فرمى بالنسعة إلى الرجل. فقال: «دونك صاحبك». فلما ولى قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن قتله فهو مثله»، فأدركوا الرجل فقالوا: ويلك إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «إن قتله فهو مثله» فرجع إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، حدثت أنك قلت إن قتله فهو مثله، وهل أخذته إلا بأمرك. فقال: «ما تريد أن يبوء بإثمك، وإثم صاحبك» قال: بلى. قال: «فإن ذاك». قال: ذلك كذلك

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আলকামা ইব্ন ওয়ায়ল তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, একদা তিনি রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসা ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে রশিতে বেঁধে টেনে নিয়ে আসল এবং বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! এই ব্যক্তি আমার ভাইকে হত্যা করেছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি তাকে হত্যা করেছ ? বাদী বললো, যদি সে স্বীকার না করে তা হলে আমি সাক্ষী আনবো। তখন সে ব্যক্তি বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! আমি হত্যা করেছি। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ কিভাবে হত্যা করেছ ? সে বললো, আমি এবং তার ভাই এক গাছের লাকড়ি কুড়াচ্ছিলাম। তখন সে আমাকে গালি দিল এবং আমাকে রাগিয়ে দিল। ফলে আমি তার মাথায় কুড়াল দিয়ে আঘাত করি। রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমার নিকট কি অর্থ-সম্পদ আছে, যা তুমি তোমার প্রাণের বিনিময়ে দিতে পার ? সে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! আমার নিকট একটা কম্বল এবং কুড়াল ছাড়া আর কিছুই নেই। তিনি বললেনঃ তুমি কি মনে কর, তোমার লোক তোমাকে দিয়াতের টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে নেবে। সে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আমার গোত্রের নিকট আমার এত মর্যাদা নেই যে, তারা আমাকে মালের বিনিময়ে ছড়িয়ে নেবে। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়ারিসের দিকে রশি নিক্ষেপ করলেন এবং বললেন, তাকে নিয়ে যাও। যখন সে যেতে লাগলোঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি সে তাকে হত্যা করে, তবে সেও তার মত হবে। লোক গিয়ে তাকে বললোঃ তোমার সর্বনাশ হোক, রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি সে তাকে হত্যা করে তবে সেও এইরূপ হবে। তখন সে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফিরে আসল এবং বললোঃ লোক বলছে, আপনি নাকি বলেছেনঃ আমি তাকে হত্যা করলে আমিও তার মত হবো ? আমি তো তাকে আপনার আদেশেই নিয়ে গিয়েছিলাম। তিনি বললেনঃ তুমি কি চাও যে, সে তোমার এবং তোমার এই পাপ নিজের উপর নিয়ে যাক। সে বললোঃ অবশ্যই। তিনি বললেনঃ তাই হবে। সে বললোঃ তবে তাই হোক।

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আলকামা ইব্ন ওয়ায়ল তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, একদা তিনি রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসা ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে রশিতে বেঁধে টেনে নিয়ে আসল এবং বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! এই ব্যক্তি আমার ভাইকে হত্যা করেছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি তাকে হত্যা করেছ ? বাদী বললো, যদি সে স্বীকার না করে তা হলে আমি সাক্ষী আনবো। তখন সে ব্যক্তি বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! আমি হত্যা করেছি। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ কিভাবে হত্যা করেছ ? সে বললো, আমি এবং তার ভাই এক গাছের লাকড়ি কুড়াচ্ছিলাম। তখন সে আমাকে গালি দিল এবং আমাকে রাগিয়ে দিল। ফলে আমি তার মাথায় কুড়াল দিয়ে আঘাত করি। রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমার নিকট কি অর্থ-সম্পদ আছে, যা তুমি তোমার প্রাণের বিনিময়ে দিতে পার ? সে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! আমার নিকট একটা কম্বল এবং কুড়াল ছাড়া আর কিছুই নেই। তিনি বললেনঃ তুমি কি মনে কর, তোমার লোক তোমাকে দিয়াতের টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে নেবে। সে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আমার গোত্রের নিকট আমার এত মর্যাদা নেই যে, তারা আমাকে মালের বিনিময়ে ছড়িয়ে নেবে। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়ারিসের দিকে রশি নিক্ষেপ করলেন এবং বললেন, তাকে নিয়ে যাও। যখন সে যেতে লাগলোঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি সে তাকে হত্যা করে, তবে সেও তার মত হবে। লোক গিয়ে তাকে বললোঃ তোমার সর্বনাশ হোক, রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি সে তাকে হত্যা করে তবে সেও এইরূপ হবে। তখন সে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফিরে আসল এবং বললোঃ লোক বলছে, আপনি নাকি বলেছেনঃ আমি তাকে হত্যা করলে আমিও তার মত হবো ? আমি তো তাকে আপনার আদেশেই নিয়ে গিয়েছিলাম। তিনি বললেনঃ তুমি কি চাও যে, সে তোমার এবং তোমার এই পাপ নিজের উপর নিয়ে যাক। সে বললোঃ অবশ্যই। তিনি বললেনঃ তাই হবে। সে বললোঃ তবে তাই হোক।

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا حاتم، عن سماك، ذكر أن علقمة بن وائل، أخبره، عن أبيه: أنه كان قاعدا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاء رجل يقود آخر بنسعة فقال: يا رسول الله، قتل هذا أخي. فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أقتلته؟» قال: يا رسول الله، لو لم يعترف، أقمت عليه البينة؟ قال: نعم قتلته. قال: «كيف قتلته؟» قال: كنت أنا وهو نحتطب من شجرة، فسبني، فأغضبني، فضربت بالفأس على قرنه، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «هل لك من مال تؤديه عن نفسك؟» قال: يا رسول الله، مالي إلا فأسي وكسائي، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أترى قومك يشترونك؟» قال: أنا أهون على قومي من ذاك، فرمى بالنسعة إلى الرجل. فقال: «دونك صاحبك». فلما ولى قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن قتله فهو مثله»، فأدركوا الرجل فقالوا: ويلك إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «إن قتله فهو مثله» فرجع إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، حدثت أنك قلت إن قتله فهو مثله، وهل أخذته إلا بأمرك. فقال: «ما تريد أن يبوء بإثمك، وإثم صاحبك» قال: بلى. قال: «فإن ذاك». قال: ذلك كذلك


সুনান নাসাঈ ৪৭২৮

أخبرنا زكريا بن يحيى قال: حدثنا عبيد الله بن معاذ قال: حدثنا أبي قال: حدثنا أبو يونس، عن سماك بن حرب أن علقمة بن وائل حدثه، أن أباه حدثه قال: إني لقاعد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاء رجل يقود آخر نحوه

সিমাক ইবন হারব থেকে বর্নিতঃ

‘আলকামা ইব্ন ওয়ায়ল তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম, এমন সময় এক ব্যক্তি আর এক ব্যক্তিকে টেনে আনে ............... অতঃপর তিনি পূর্বের অনুরূপ বর্ণনা করেন।

সিমাক ইবন হারব থেকে বর্নিতঃ

‘আলকামা ইব্ন ওয়ায়ল তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম, এমন সময় এক ব্যক্তি আর এক ব্যক্তিকে টেনে আনে ............... অতঃপর তিনি পূর্বের অনুরূপ বর্ণনা করেন।

أخبرنا زكريا بن يحيى قال: حدثنا عبيد الله بن معاذ قال: حدثنا أبي قال: حدثنا أبو يونس، عن سماك بن حرب أن علقمة بن وائل حدثه، أن أباه حدثه قال: إني لقاعد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاء رجل يقود آخر نحوه


সুনান নাসাঈ ৪৭২৯

أخبرنا محمد بن معمر، قال: حدثنا يحيى بن حماد، عن أبي عوانة، عن إسمعيل بن سالم، عن علقمة بن وائل، أن أباه حدثهم، أن النبي صلى الله عليه وسلم أتي برجل قد قتل رجلا، فدفعه إلى ولي المقتول يقتله، فقال النبي صلى الله عليه وسلم لجلسائه: «القاتل والمقتول في النار» قال: فاتبعه رجل، فأخبره، فلما أخبره تركه. قال: فلقد رأيته يجر نسعته حين تركه يذهب فذكرت ذلك لحبيب فقال: حدثني سعيد بن أشوع قال: وذكر أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر الرجل بالعفو

ইসমাঈল ইবন সালিম থেকে বর্নিতঃ

‘আলকামা ইব্ন ওয়ায়ল থেকে বর্ণনা করেন যে, তার পিতা তাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তিকে আনা হলো, যে অন্য এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। তিনি হত্যাকারীকে নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসের কাছে সোপর্দ করে দিলেন যাতে সে তাকে হত্যা করে। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীগণকে বললেনঃ নিহত ব্যক্তি এবং হত্যাকারী উভয়ে জাহান্নামে যাবে। এক ব্যক্তি ওয়ারিসকে এই সংবাদ দিল। যখন তাকে এ সংবাদ দেওয়া হলো, সে হত্যাকারীকে ছেড়ে দিল। বর্ণনাকারী বলেনঃ আমি দেখলাম, তাকে ছেড়ে দেয়ার পর সে রশি টানতে টানতে প্রস্থান করল। রাবী ইসমাঈল বলেনঃ আমি হাবীবের নিকট এই হাদীস বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ আমার নিকট সাঈদ ইব্ন আশওয়া বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই ব্যক্তিকে ক্ষমা করার আদেশ দেন।

ইসমাঈল ইবন সালিম থেকে বর্নিতঃ

‘আলকামা ইব্ন ওয়ায়ল থেকে বর্ণনা করেন যে, তার পিতা তাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তিকে আনা হলো, যে অন্য এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। তিনি হত্যাকারীকে নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসের কাছে সোপর্দ করে দিলেন যাতে সে তাকে হত্যা করে। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীগণকে বললেনঃ নিহত ব্যক্তি এবং হত্যাকারী উভয়ে জাহান্নামে যাবে। এক ব্যক্তি ওয়ারিসকে এই সংবাদ দিল। যখন তাকে এ সংবাদ দেওয়া হলো, সে হত্যাকারীকে ছেড়ে দিল। বর্ণনাকারী বলেনঃ আমি দেখলাম, তাকে ছেড়ে দেয়ার পর সে রশি টানতে টানতে প্রস্থান করল। রাবী ইসমাঈল বলেনঃ আমি হাবীবের নিকট এই হাদীস বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ আমার নিকট সাঈদ ইব্ন আশওয়া বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই ব্যক্তিকে ক্ষমা করার আদেশ দেন।

أخبرنا محمد بن معمر، قال: حدثنا يحيى بن حماد، عن أبي عوانة، عن إسمعيل بن سالم، عن علقمة بن وائل، أن أباه حدثهم، أن النبي صلى الله عليه وسلم أتي برجل قد قتل رجلا، فدفعه إلى ولي المقتول يقتله، فقال النبي صلى الله عليه وسلم لجلسائه: «القاتل والمقتول في النار» قال: فاتبعه رجل، فأخبره، فلما أخبره تركه. قال: فلقد رأيته يجر نسعته حين تركه يذهب فذكرت ذلك لحبيب فقال: حدثني سعيد بن أشوع قال: وذكر أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر الرجل بالعفو


সুনান নাসাঈ ৪৭৩০

أخبرنا عيسى بن يونس، قال: حدثنا ضمرة، عن عبد الله بن شوذب، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أن رجلا أتى بقاتل وليه رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «اعف عنه» فأبى. فقال: «خذ الدية» فأبى. قال: «اذهب فاقتله، فإنك مثله» فذهب فلحق الرجل، فقيل له: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «اقتله فإنك مثله» فخلى سبيله، فمر بي الرجل وهو يجر نسعته

আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি তার এক ঘনিষ্ঠজনের হত্যাকারীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তাকে ক্ষমা করে দাও। সে ব্যক্তি তা অস্বীকার করল। তিনি বললেনঃ যাও তাকে হত্যা কর, আর তুমিও তার মত হবে। সে চলে গেল। এক ব্যক্তি তার সাথে মিলিত হয়ে বললোঃ রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি তুমি তাকে হত্যা কর তবে তুমিও তার মত হবে। একথা শুনে ঐ ব্যক্তি তাকে ক্ষমা করে দিল। তখন সে আমার সামনে দিয়ে রশি টেনে নিয়ে চলে গেল।

আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি তার এক ঘনিষ্ঠজনের হত্যাকারীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তাকে ক্ষমা করে দাও। সে ব্যক্তি তা অস্বীকার করল। তিনি বললেনঃ যাও তাকে হত্যা কর, আর তুমিও তার মত হবে। সে চলে গেল। এক ব্যক্তি তার সাথে মিলিত হয়ে বললোঃ রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি তুমি তাকে হত্যা কর তবে তুমিও তার মত হবে। একথা শুনে ঐ ব্যক্তি তাকে ক্ষমা করে দিল। তখন সে আমার সামনে দিয়ে রশি টেনে নিয়ে চলে গেল।

أخبرنا عيسى بن يونس، قال: حدثنا ضمرة، عن عبد الله بن شوذب، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أن رجلا أتى بقاتل وليه رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «اعف عنه» فأبى. فقال: «خذ الدية» فأبى. قال: «اذهب فاقتله، فإنك مثله» فذهب فلحق الرجل، فقيل له: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «اقتله فإنك مثله» فخلى سبيله، فمر بي الرجل وهو يجر نسعته


সুনান নাসাঈ ৪৭৩১

أخبرنا الحسن بن إسحق المروزي، قال: حدثني خالد بن خداش، قال: حدثنا حاتم بن إسمعيل، عن بشير بن المهاجر، عن عبد الله بن بريدة، عن أبيه، أن رجلا جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: إن هذا الرجل قتل أخي، قال: «اذهب فاقتله كما قتل أخاك». فقال له الرجل: اتق الله، واعف عني، فإنه أعظم لأجرك، وخير لك ولأخيك يوم القيامة، قال: فخلى عنه. قال: فأخبر النبي صلى الله عليه وسلم، فسأله، فأخبره بما قال له، قال: " فأعنفه أما إنه كان خيرا مما هو صانع بك يوم القيامة، يقول: يا رب، سل هذا فيم قتلني " ... [حكم الألباني] ضعيف الإسناد

বুরায়দা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! এ ব্যক্তি আমার ভাইকে হত্যা করেছে। তখন রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যাও, তুমিও তাকে হত্যা কর, যেমন সে তোমার ভাইকে হত্যা করেছে। সেই ব্যক্তি বললোঃ আল্লাহকে ভয় কর এবং আমাকে ক্ষমা করে দাও, তোমার অনেক সওয়াব হবে, আর কিয়ামতের দিন তোমার এবং তোমার ভাই-এর জন্য উত্তম হবে। একথা শুনে সে হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দিল। পরে রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একথা জানতে পেরে তাকে জিজ্ঞাসা করলে, সে যা করেছিল, তা বর্ণনা করলো। তখন রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে [হত্যাকারীকে] তিরস্কার করে বললেনঃ কিয়ামতের দিন সে অর্থাৎ নিহত ব্যক্তি তোমার সাথে যা করবে, তার চেয়ে এটাই [অর্থাৎ শান্তি গ্রহণই] তোমার পক্ষে শ্রেয় ছিল। সে বলবে, হে আল্লাহ ! তাকে জিজ্ঞাসা করুন, সে আমাকে কেন হত্যা করেছিল ?

বুরায়দা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! এ ব্যক্তি আমার ভাইকে হত্যা করেছে। তখন রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যাও, তুমিও তাকে হত্যা কর, যেমন সে তোমার ভাইকে হত্যা করেছে। সেই ব্যক্তি বললোঃ আল্লাহকে ভয় কর এবং আমাকে ক্ষমা করে দাও, তোমার অনেক সওয়াব হবে, আর কিয়ামতের দিন তোমার এবং তোমার ভাই-এর জন্য উত্তম হবে। একথা শুনে সে হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দিল। পরে রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একথা জানতে পেরে তাকে জিজ্ঞাসা করলে, সে যা করেছিল, তা বর্ণনা করলো। তখন রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে [হত্যাকারীকে] তিরস্কার করে বললেনঃ কিয়ামতের দিন সে অর্থাৎ নিহত ব্যক্তি তোমার সাথে যা করবে, তার চেয়ে এটাই [অর্থাৎ শান্তি গ্রহণই] তোমার পক্ষে শ্রেয় ছিল। সে বলবে, হে আল্লাহ ! তাকে জিজ্ঞাসা করুন, সে আমাকে কেন হত্যা করেছিল ?

أخبرنا الحسن بن إسحق المروزي، قال: حدثني خالد بن خداش، قال: حدثنا حاتم بن إسمعيل، عن بشير بن المهاجر، عن عبد الله بن بريدة، عن أبيه، أن رجلا جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: إن هذا الرجل قتل أخي، قال: «اذهب فاقتله كما قتل أخاك». فقال له الرجل: اتق الله، واعف عني، فإنه أعظم لأجرك، وخير لك ولأخيك يوم القيامة، قال: فخلى عنه. قال: فأخبر النبي صلى الله عليه وسلم، فسأله، فأخبره بما قال له، قال: " فأعنفه أما إنه كان خيرا مما هو صانع بك يوم القيامة، يقول: يا رب، سل هذا فيم قتلني " ... [حكم الألباني] ضعيف الإسناد


সুনান নাসাঈ > উল্লিখিত আয়াতের[১] ব্যাখ্যা এবং এ সম্পর্কে ইকরিমা থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে বর্ণনাগত পার্থক্য

সুনান নাসাঈ ৪৭৩২

أخبرنا القاسم بن زكريا بن دينار، قال: حدثنا عبيد الله بن موسى، قال: أنبأنا علي وهو بن صالح عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس قال: كان قريظة والنضير وكان النضير أشرف من قريظة وكان إذا قتل رجل من قريظة رجلا من النضير قتل به، وإذا قتل رجل من النضير رجلا من قريظة أدى مائة وسق من تمر، فلما بعث النبي صلى الله عليه وسلم قتل رجل من النضير رجلا من قريظة فقالوا: ادفعوه إلينا نقتله. فقالوا: بيننا وبينكم النبي صلى الله عليه وسلم، فأتوه فنزلت: " {وإن حكمت فاحكم بينهم بالقسط} [المائدة: 42] " والقسط: النفس بالنفس، ثم نزلت: " {أفحكم الجاهلية يبغون} [المائدة: 50] "

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিম (রহঃ) হতে এবং তিনি হযরত ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ কুরায়যা ও নষীর ইয়াহূদীদের দুটি গোত্র। এদের মধ্যে বনূ নযীর গোত্র বনূ কুরায়যা গোত্র থেকে মযাদাশালী ছিল। বনূ কুরায়যার কোন ব্যক্তি বনূ নয়ীরের কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে তাকে হত্যা করা হতো। কিন্তু বনূ নযীরের কোন ব্যক্তি বনূ কুরায়যার কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে রক্তপণ স্বরূপ সে একশত ওসাক খেজুর আদায় করতো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নবূয়তের পর বনূ নযীরের এক ব্যক্তি কুরায়যার এক ব্যক্তিকে হত্যা করল। তখন বনূ কুরায়যার লোকেরা বললঃ হত্যাকারীকে আমাদের হাওলা কর, আমরা তাকে হত্য করবো। বনূ নযীরের লোকেরা বললোঃ তোমাদের এবং আমাদের মধ্যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রয়েছেন। তারা তাঁর নিকট আসলে, তখন আয়াত নাযিল হলোঃ “যদি আপনি কফিরদের মধ্যে মীমাংসা করেন, তবে ইনসাফের সাথে মীমাংসা করবেন,” আর ইনসাফ হলো প্রাণের পরিবর্তে প্রাণ নেয়া। এরপর নাযিল হলোঃ “তারা কি অজ্ঞতার যুগের রেওয়াজ পছন্দ করছে ?”

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিম (রহঃ) হতে এবং তিনি হযরত ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ কুরায়যা ও নষীর ইয়াহূদীদের দুটি গোত্র। এদের মধ্যে বনূ নযীর গোত্র বনূ কুরায়যা গোত্র থেকে মযাদাশালী ছিল। বনূ কুরায়যার কোন ব্যক্তি বনূ নয়ীরের কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে তাকে হত্যা করা হতো। কিন্তু বনূ নযীরের কোন ব্যক্তি বনূ কুরায়যার কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে রক্তপণ স্বরূপ সে একশত ওসাক খেজুর আদায় করতো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নবূয়তের পর বনূ নযীরের এক ব্যক্তি কুরায়যার এক ব্যক্তিকে হত্যা করল। তখন বনূ কুরায়যার লোকেরা বললঃ হত্যাকারীকে আমাদের হাওলা কর, আমরা তাকে হত্য করবো। বনূ নযীরের লোকেরা বললোঃ তোমাদের এবং আমাদের মধ্যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রয়েছেন। তারা তাঁর নিকট আসলে, তখন আয়াত নাযিল হলোঃ “যদি আপনি কফিরদের মধ্যে মীমাংসা করেন, তবে ইনসাফের সাথে মীমাংসা করবেন,” আর ইনসাফ হলো প্রাণের পরিবর্তে প্রাণ নেয়া। এরপর নাযিল হলোঃ “তারা কি অজ্ঞতার যুগের রেওয়াজ পছন্দ করছে ?”

أخبرنا القاسم بن زكريا بن دينار، قال: حدثنا عبيد الله بن موسى، قال: أنبأنا علي وهو بن صالح عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس قال: كان قريظة والنضير وكان النضير أشرف من قريظة وكان إذا قتل رجل من قريظة رجلا من النضير قتل به، وإذا قتل رجل من النضير رجلا من قريظة أدى مائة وسق من تمر، فلما بعث النبي صلى الله عليه وسلم قتل رجل من النضير رجلا من قريظة فقالوا: ادفعوه إلينا نقتله. فقالوا: بيننا وبينكم النبي صلى الله عليه وسلم، فأتوه فنزلت: " {وإن حكمت فاحكم بينهم بالقسط} [المائدة: 42] " والقسط: النفس بالنفس، ثم نزلت: " {أفحكم الجاهلية يبغون} [المائدة: 50] "


সুনান নাসাঈ ৪৭৩৩

أخبرنا عبيد الله بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، أخبرني داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس: «أن الآيات التي في المائدة التي قالها الله عز وجل»: {فاحكم بينهم أو أعرض عنهم} [المائدة: 42] إلى {المقسطين} [المائدة: 42] «إنما نزلت في الدية بين النضير وبين قريظة وذلك أن قتلى النضير كان لهم شرف يودون الدية كاملة، وأن بني قريظة كانوا يودون نصف الدية فتحاكموا في ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأنزل الله عز وجل ذلك فيهم، فحملهم رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحق في ذلك فجعل الدية سواء» ... [حكم الألباني] حسن صحيح الإسناد

দাঊদ ইবন হুসায়ন থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিমা থেকে এবং তিনি ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সূরা মায়িদার আয়াতঃ “তারা যদি তোমার কাছে আসে, তবে তাদের বিচার নিষ্পত্তি করো, অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করো। তুমি যদি তাদেরকে উপেক্ষা কর, তবে তারা তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি বিচার-নিষ্পত্তি কর তবে ন্যায়বিচার করো। আল্লাহ্ ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।” (৫ : ৪২) বনূ নয়ীর এবং বনূ কুরায়যার রক্তপণের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। যেহেতু বনূ নযীর গোত্র ছিল মর্যাদাশালী, তাই তাদের কোন ব্যক্তি নিহত হলে তারা পূর্ণ রক্তপণ আদায় করতো, আর যদি কুরায়যার কোন ব্যক্তি নিহত হতো তবে তারা অর্ধ রক্তপণ পেত। এরপর তারা এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মীমাংসা –প্রার্থী হয়। এমতাবস্থায় আল্লাহ্ তাআলা তাদের ব্যাপারে এই আয়াত নাযিল করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং দিয়াত সমান করে দেন।

দাঊদ ইবন হুসায়ন থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিমা থেকে এবং তিনি ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সূরা মায়িদার আয়াতঃ “তারা যদি তোমার কাছে আসে, তবে তাদের বিচার নিষ্পত্তি করো, অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করো। তুমি যদি তাদেরকে উপেক্ষা কর, তবে তারা তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি বিচার-নিষ্পত্তি কর তবে ন্যায়বিচার করো। আল্লাহ্ ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।” (৫ : ৪২) বনূ নয়ীর এবং বনূ কুরায়যার রক্তপণের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। যেহেতু বনূ নযীর গোত্র ছিল মর্যাদাশালী, তাই তাদের কোন ব্যক্তি নিহত হলে তারা পূর্ণ রক্তপণ আদায় করতো, আর যদি কুরায়যার কোন ব্যক্তি নিহত হতো তবে তারা অর্ধ রক্তপণ পেত। এরপর তারা এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মীমাংসা –প্রার্থী হয়। এমতাবস্থায় আল্লাহ্ তাআলা তাদের ব্যাপারে এই আয়াত নাযিল করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং দিয়াত সমান করে দেন।

أخبرنا عبيد الله بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، أخبرني داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس: «أن الآيات التي في المائدة التي قالها الله عز وجل»: {فاحكم بينهم أو أعرض عنهم} [المائدة: 42] إلى {المقسطين} [المائدة: 42] «إنما نزلت في الدية بين النضير وبين قريظة وذلك أن قتلى النضير كان لهم شرف يودون الدية كاملة، وأن بني قريظة كانوا يودون نصف الدية فتحاكموا في ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأنزل الله عز وجل ذلك فيهم، فحملهم رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحق في ذلك فجعل الدية سواء» ... [حكم الألباني] حسن صحيح الإسناد


সুনান নাসাঈ ৪৭৩৩

أخبرنا عبيد الله بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، أخبرني داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس: «أن الآيات التي في المائدة التي قالها الله عز وجل»: {فاحكم بينهم أو أعرض عنهم} [المائدة: 42] إلى {المقسطين} [المائدة: 42] «إنما نزلت في الدية بين النضير وبين قريظة وذلك أن قتلى النضير كان لهم شرف يودون الدية كاملة، وأن بني قريظة كانوا يودون نصف الدية فتحاكموا في ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأنزل الله عز وجل ذلك فيهم، فحملهم رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحق في ذلك فجعل الدية سواء» ... [حكم الألباني] حسن صحيح الإسناد

দাঊদ ইবন হুসায়ন থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিমা থেকে এবং তিনি ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সূরা মায়িদার আয়াতঃ “তারা যদি তোমার কাছে আসে, তবে তাদের বিচার নিষ্পত্তি করো, অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করো। তুমি যদি তাদেরকে উপেক্ষা কর, তবে তারা তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি বিচার-নিষ্পত্তি কর তবে ন্যায়বিচার করো। আল্লাহ্ ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।” (৫ : ৪২) বনূ নয়ীর এবং বনূ কুরায়যার রক্তপণের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। যেহেতু বনূ নযীর গোত্র ছিল মর্যাদাশালী, তাই তাদের কোন ব্যক্তি নিহত হলে তারা পূর্ণ রক্তপণ আদায় করতো, আর যদি কুরায়যার কোন ব্যক্তি নিহত হতো তবে তারা অর্ধ রক্তপণ পেত। এরপর তারা এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মীমাংসা –প্রার্থী হয়। এমতাবস্থায় আল্লাহ্ তাআলা তাদের ব্যাপারে এই আয়াত নাযিল করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং দিয়াত সমান করে দেন।

দাঊদ ইবন হুসায়ন থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিমা থেকে এবং তিনি ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সূরা মায়িদার আয়াতঃ “তারা যদি তোমার কাছে আসে, তবে তাদের বিচার নিষ্পত্তি করো, অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করো। তুমি যদি তাদেরকে উপেক্ষা কর, তবে তারা তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি বিচার-নিষ্পত্তি কর তবে ন্যায়বিচার করো। আল্লাহ্ ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।” (৫ : ৪২) বনূ নয়ীর এবং বনূ কুরায়যার রক্তপণের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। যেহেতু বনূ নযীর গোত্র ছিল মর্যাদাশালী, তাই তাদের কোন ব্যক্তি নিহত হলে তারা পূর্ণ রক্তপণ আদায় করতো, আর যদি কুরায়যার কোন ব্যক্তি নিহত হতো তবে তারা অর্ধ রক্তপণ পেত। এরপর তারা এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মীমাংসা –প্রার্থী হয়। এমতাবস্থায় আল্লাহ্ তাআলা তাদের ব্যাপারে এই আয়াত নাযিল করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং দিয়াত সমান করে দেন।

أخبرنا عبيد الله بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، أخبرني داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس: «أن الآيات التي في المائدة التي قالها الله عز وجل»: {فاحكم بينهم أو أعرض عنهم} [المائدة: 42] إلى {المقسطين} [المائدة: 42] «إنما نزلت في الدية بين النضير وبين قريظة وذلك أن قتلى النضير كان لهم شرف يودون الدية كاملة، وأن بني قريظة كانوا يودون نصف الدية فتحاكموا في ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأنزل الله عز وجل ذلك فيهم، فحملهم رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحق في ذلك فجعل الدية سواء» ... [حكم الألباني] حسن صحيح الإسناد


সুনান নাসাঈ ৪৭৩৩

أخبرنا عبيد الله بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، أخبرني داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس: «أن الآيات التي في المائدة التي قالها الله عز وجل»: {فاحكم بينهم أو أعرض عنهم} [المائدة: 42] إلى {المقسطين} [المائدة: 42] «إنما نزلت في الدية بين النضير وبين قريظة وذلك أن قتلى النضير كان لهم شرف يودون الدية كاملة، وأن بني قريظة كانوا يودون نصف الدية فتحاكموا في ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأنزل الله عز وجل ذلك فيهم، فحملهم رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحق في ذلك فجعل الدية سواء» ... [حكم الألباني] حسن صحيح الإسناد

দাঊদ ইবন হুসায়ন থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিমা থেকে এবং তিনি ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সূরা মায়িদার আয়াতঃ “তারা যদি তোমার কাছে আসে, তবে তাদের বিচার নিষ্পত্তি করো, অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করো। তুমি যদি তাদেরকে উপেক্ষা কর, তবে তারা তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি বিচার-নিষ্পত্তি কর তবে ন্যায়বিচার করো। আল্লাহ্ ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।” (৫ : ৪২) বনূ নয়ীর এবং বনূ কুরায়যার রক্তপণের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। যেহেতু বনূ নযীর গোত্র ছিল মর্যাদাশালী, তাই তাদের কোন ব্যক্তি নিহত হলে তারা পূর্ণ রক্তপণ আদায় করতো, আর যদি কুরায়যার কোন ব্যক্তি নিহত হতো তবে তারা অর্ধ রক্তপণ পেত। এরপর তারা এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মীমাংসা –প্রার্থী হয়। এমতাবস্থায় আল্লাহ্ তাআলা তাদের ব্যাপারে এই আয়াত নাযিল করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং দিয়াত সমান করে দেন।

দাঊদ ইবন হুসায়ন থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিমা থেকে এবং তিনি ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সূরা মায়িদার আয়াতঃ “তারা যদি তোমার কাছে আসে, তবে তাদের বিচার নিষ্পত্তি করো, অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করো। তুমি যদি তাদেরকে উপেক্ষা কর, তবে তারা তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি বিচার-নিষ্পত্তি কর তবে ন্যায়বিচার করো। আল্লাহ্ ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।” (৫ : ৪২) বনূ নয়ীর এবং বনূ কুরায়যার রক্তপণের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। যেহেতু বনূ নযীর গোত্র ছিল মর্যাদাশালী, তাই তাদের কোন ব্যক্তি নিহত হলে তারা পূর্ণ রক্তপণ আদায় করতো, আর যদি কুরায়যার কোন ব্যক্তি নিহত হতো তবে তারা অর্ধ রক্তপণ পেত। এরপর তারা এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মীমাংসা –প্রার্থী হয়। এমতাবস্থায় আল্লাহ্ তাআলা তাদের ব্যাপারে এই আয়াত নাযিল করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং দিয়াত সমান করে দেন।

أخبرنا عبيد الله بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، أخبرني داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس: «أن الآيات التي في المائدة التي قالها الله عز وجل»: {فاحكم بينهم أو أعرض عنهم} [المائدة: 42] إلى {المقسطين} [المائدة: 42] «إنما نزلت في الدية بين النضير وبين قريظة وذلك أن قتلى النضير كان لهم شرف يودون الدية كاملة، وأن بني قريظة كانوا يودون نصف الدية فتحاكموا في ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأنزل الله عز وجل ذلك فيهم، فحملهم رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحق في ذلك فجعل الدية سواء» ... [حكم الألباني] حسن صحيح الإسناد


সুনান নাসাঈ > আযাদ ও দাসের মধ্যে হত্যার কিসাস

সুনান নাসাঈ ৪৭৩৪

أخبرني محمد بن المثنى، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، قال: حدثنا سعيد، عن قتادة، عن الحسن، عن قيس بن عباد، قال: انطلقت أنا والأشتر إلى علي رضي الله عنه فقلنا: هل عهد إليك نبي الله صلى الله عليه وسلم شيئا لم يعهده إلى الناس عامة؟ قال: لا، إلا ما كان في كتابي هذا، فأخرج كتابا من قراب سيفه، فإذا فيه «المؤمنون تكافأ دماؤهم وهم يد على من سواهم، ويسعى بذمتهم أدناهم ألا لا يقتل مؤمن بكافر، ولا ذو عهد بعهده، من أحدث حدثا فعلى نفسه أو آوى محدثا، فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين»

কায়স ইবন উবাদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং আশতার (রহঃ) আলী (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে, জিজ্ঞাস করলামঃ রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি এমন কিছু আপনাকে বলেছেন, যা সাধারণভাবে কাউকে বলেননি ? তিনি বললেনঃ না, আমার এই কাগজে যা লিখিত আছে, তা ব্যতীত আর কিছুই তিনি বলেননি। একথা বলে তিনি তাঁর তলোয়ারের খাপ হতে লিখিত এক টুকরা কাগজ বের করেন। তাতে লেখা ছিলঃ মুসলমানের রক্ত সমমর্যাদাসম্পন্ন, আর তারা অমুসলমানদের ব্যাপারে একটি হাতের মত। মুসলমানদের পক্ষ হতে একজন সাধারণ লোকও কাউকে আশ্রয় দান করতে পারে যা সকলের জন্য রক্ষা করা বাধ্যতামূলক। জেনে রাখ, কোন মুসলমানকে কোন কফিরের পরিবর্তে হত্যা করা যাবে না, আর মুসলিম রাষ্ট্রের প্রতি যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তাকে তার প্রতিশ্রুতিতে বিদ্যমান থাকা অবস্থায় হত্যা করা যাবে না। যে ব্যক্তি ধর্মে কোন প্রকার বিদ‘আত প্রতিষ্ঠা করবে, এর পাপ তার উপর বর্তাবে। যদি কোন ব্যক্তি কোন বিদ‘আতীকে আশ্ৰয় দেয়, তার উপর আল্লাহ, ফেরেশতা এবং সকল লোকের অভিসম্পাত।

কায়স ইবন উবাদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং আশতার (রহঃ) আলী (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে, জিজ্ঞাস করলামঃ রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি এমন কিছু আপনাকে বলেছেন, যা সাধারণভাবে কাউকে বলেননি ? তিনি বললেনঃ না, আমার এই কাগজে যা লিখিত আছে, তা ব্যতীত আর কিছুই তিনি বলেননি। একথা বলে তিনি তাঁর তলোয়ারের খাপ হতে লিখিত এক টুকরা কাগজ বের করেন। তাতে লেখা ছিলঃ মুসলমানের রক্ত সমমর্যাদাসম্পন্ন, আর তারা অমুসলমানদের ব্যাপারে একটি হাতের মত। মুসলমানদের পক্ষ হতে একজন সাধারণ লোকও কাউকে আশ্রয় দান করতে পারে যা সকলের জন্য রক্ষা করা বাধ্যতামূলক। জেনে রাখ, কোন মুসলমানকে কোন কফিরের পরিবর্তে হত্যা করা যাবে না, আর মুসলিম রাষ্ট্রের প্রতি যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তাকে তার প্রতিশ্রুতিতে বিদ্যমান থাকা অবস্থায় হত্যা করা যাবে না। যে ব্যক্তি ধর্মে কোন প্রকার বিদ‘আত প্রতিষ্ঠা করবে, এর পাপ তার উপর বর্তাবে। যদি কোন ব্যক্তি কোন বিদ‘আতীকে আশ্ৰয় দেয়, তার উপর আল্লাহ, ফেরেশতা এবং সকল লোকের অভিসম্পাত।

أخبرني محمد بن المثنى، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، قال: حدثنا سعيد، عن قتادة، عن الحسن، عن قيس بن عباد، قال: انطلقت أنا والأشتر إلى علي رضي الله عنه فقلنا: هل عهد إليك نبي الله صلى الله عليه وسلم شيئا لم يعهده إلى الناس عامة؟ قال: لا، إلا ما كان في كتابي هذا، فأخرج كتابا من قراب سيفه، فإذا فيه «المؤمنون تكافأ دماؤهم وهم يد على من سواهم، ويسعى بذمتهم أدناهم ألا لا يقتل مؤمن بكافر، ولا ذو عهد بعهده، من أحدث حدثا فعلى نفسه أو آوى محدثا، فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين»


সুনান নাসাঈ ৪৭৩৫

أخبرني أبو بكر بن علي، قال: حدثنا القواريري، قال: حدثنا محمد بن عبد الواحد، قال: حدثنا عمرو بن عامر، عن قتادة، عن أبي حسان، عن علي رضي الله عنه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «المؤمنون تكافأ دماؤهم وهم يد على من سواهم، يسعى بذمتهم أدناهم، لا يقتل مؤمن بكافر، ولا ذو عهد في عهده»

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলমানদের রক্ত সমমর্যাদাসম্পন্ন, অমুসলমানদের ব্যাপারে তারা একটি হাতের ন্যায়। তাদের পক্ষ হতে একজন সাধারণ মুসলিমও কাউকে আশ্রয়দানের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে (যা রক্ষা করা সকলের জন্য বাধ্যতামূলক হবে। জেনে রাখ, কোন মুসলমানকে কোন কাফিরের পরিবর্তে হত্যা করা যাবে না, আর মুসলম রাষ্ট্রের সাথে যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তাকেও তার প্রতিশ্রুতিতে বিদ্যমান থাকা অবস্থায় হত্য করা যাবে না।

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলমানদের রক্ত সমমর্যাদাসম্পন্ন, অমুসলমানদের ব্যাপারে তারা একটি হাতের ন্যায়। তাদের পক্ষ হতে একজন সাধারণ মুসলিমও কাউকে আশ্রয়দানের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে (যা রক্ষা করা সকলের জন্য বাধ্যতামূলক হবে। জেনে রাখ, কোন মুসলমানকে কোন কাফিরের পরিবর্তে হত্যা করা যাবে না, আর মুসলম রাষ্ট্রের সাথে যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তাকেও তার প্রতিশ্রুতিতে বিদ্যমান থাকা অবস্থায় হত্য করা যাবে না।

أخبرني أبو بكر بن علي، قال: حدثنا القواريري، قال: حدثنا محمد بن عبد الواحد، قال: حدثنا عمرو بن عامر، عن قتادة، عن أبي حسان، عن علي رضي الله عنه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «المؤمنون تكافأ دماؤهم وهم يد على من سواهم، يسعى بذمتهم أدناهم، لا يقتل مؤمن بكافر، ولا ذو عهد في عهده»


সুনান নাসাঈ > দাসের জন্য মনিবের থেকে কিসাস

সুনান নাসাঈ ৪৭৩৬

أخبرنا محمود بن غيلان هو المروزي قال: حدثنا أبو داود الطيالسي، قال: حدثنا هشام، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من قتل عبده قتلناه، ومن جدعه جدعناه ومن أخصاه أخصيناه»

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি তার দাসকে হত্যা করলে আমরা তাকে হত্যা করবো। আর যদি কোন ব্যক্তি তার দাসের নাক-কান কেটে দেয়, আমরা তার নাক-কান কেটে দেব। যদি কোন ব্যক্তি তার দাসকে খাসি করে দেয়, তবে আমরা তাকে খাসি করে দেব।

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি তার দাসকে হত্যা করলে আমরা তাকে হত্যা করবো। আর যদি কোন ব্যক্তি তার দাসের নাক-কান কেটে দেয়, আমরা তার নাক-কান কেটে দেব। যদি কোন ব্যক্তি তার দাসকে খাসি করে দেয়, তবে আমরা তাকে খাসি করে দেব।

أخبرنا محمود بن غيلان هو المروزي قال: حدثنا أبو داود الطيالسي، قال: حدثنا هشام، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من قتل عبده قتلناه، ومن جدعه جدعناه ومن أخصاه أخصيناه»


সুনান নাসাঈ ৪৭৩৭

أخبرنا نصر بن علي، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا سعيد، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من قتل عبده قتلناه، ومن جدع عبده جدعناه»

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যাক্তি তার দাসকে হত্যা করলে আমরা তাকে হত্যা করবো। আর যদি দাসের নাক-কান কাটে, আমরা তার নাক-কান কেটে দেব।

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যাক্তি তার দাসকে হত্যা করলে আমরা তাকে হত্যা করবো। আর যদি দাসের নাক-কান কাটে, আমরা তার নাক-কান কেটে দেব।

أخبرنا نصر بن علي، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا سعيد، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من قتل عبده قتلناه، ومن جدع عبده جدعناه»


সুনান নাসাঈ ৪৭৩৮

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قتل عبده قتلناه، ومن جدع عبده جدعناه»

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ তার দাসকে হত্যা করলে, আমরা তাকে হত্যা করবো, আর কেউ তার দাসের নাক কান কাটলে, আমরা তার নাক কান কেটে দেব।

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ তার দাসকে হত্যা করলে, আমরা তাকে হত্যা করবো, আর কেউ তার দাসের নাক কান কাটলে, আমরা তার নাক কান কেটে দেব।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قتل عبده قتلناه، ومن جدع عبده جدعناه»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00