সুনান নাসাঈ > নিহতের অভিভাবকদের প্রথমে শপথ করানো

সুনান নাসাঈ ৪৭১০

أخبرنا أحمد بن عمرو بن السرح، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني مالك بن أنس، عن أبي ليلى بن عبد الله بن عبد الرحمن الأنصاري، أن سهل بن أبي حثمة أخبره، أن عبد الله بن سهل، ومحيصة خرجا إلى خيبر من جهد أصابهما، فأتي محيصة فأخبر: أن عبد الله بن سهل قد قتل وطرح في فقير أو عين، فأتى يهود فقال: أنتم والله قتلتموه، فقالوا: والله ما قتلناه، ثم أقبل حتى قدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذكر ذلك له، ثم أقبل هو وحويصة وهو أخوه أكبر منه وعبد الرحمن بن سهل فذهب محيصة ليتكلم وهو الذي كان بخيبر، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كبر كبر» وتكلم حويصة، ثم تكلم محيصة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إما أن يدوا صاحبكم، وإما أن يؤذنوا بحرب» فكتب النبي صلى الله عليه وسلم في ذلك، فكتبوا: إنا والله ما قتلناه. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لحويصة ومحيصة وعبد الرحمن: «تحلفون وتستحقون دم صاحبكم؟» قالوا: لا، قال: «فتحلف لكم يهود؟» قالوا: ليسوا مسلمين. فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده فبعث إليهم بمائة ناقة حتى أدخلت عليهم الدار، قال سهل: لقد ركضتني منها ناقة حمراء

সাহ্‌ল ইব্‌ন আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন সাহ্‌ল এবং মুহায়্যিসা তাঁদের অর্থ-কষ্টের দরুন খায়বরের দিকে রওয়ানা হন। পরে মুহায়্যিসার নিকট এক ব্যক্তি এসে বললঃ আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন সাহ্‌ল নিহত হয়েছে। আর তাকে এক অতি অন্ধকার কূপে ফেলে দেয়া হয়েছে। একথা শুনে মুহায়্যিসা ইয়াহূদীদের নিকট গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেনঃ আল্লাহ্‌র শপথ! তোমরা তাকে হত্যা করেছ। তারা বললোঃ আল্লাহ্‌র শপথ! আমরা তাকে হত্যা করিনি। মুহায়্যিসা সেখান থেকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে পূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করলেন। এরপর মুহায়্যিসা, তার বড় ভাই হুয়ায়্যিসা এবং আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলেন। মুহায়্যিসা, যিনি খায়বারে ছিলেন। আগে কথা বলতে চাইলে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বড়কে আগে কথা বলতে দাও। এরপর হুয়ায়্যিসা কথা বললেন, তারপর বললেন, মুহায়্যিসা। সব শুনে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ইয়াহূদীদের উচিত তোমার ভাইয়ের দিয়াত আদায় করা, অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দেওয়া হবে। তারপর তিনি ইয়াহূদীদেরকে এ ব্যপারে লিখলে তারা উত্তর দিল, আল্লাহ্‌র শপথ! আমরা হত্যা করিনি। এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুয়ায়্যিসা,মুহায়্যিসা এবং আবদূর রহমানকে বললেনঃ আচ্ছা, এখন তোমরা শপথ করে তোমাদের ভাইয়ের হত্যার প্রমাণ দাও। তখন তাঁরা বললেনঃ না, আমরা শপথ করবো না। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে ইয়াহূদীরা কসম করে বলবে যে, আমারা হত্যা করিনি, তারা বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! ইয়াহূদীরা তো মুসলমান নয় (তারা মিথ্যা কসম করবে)। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে তাদেরকে দিয়াত স্বরূপ একশত উট দিয়ে দেন। তারা উট নিয়ে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করেন। সাহ্‌ল (রাঃ) বলেনঃ এর একটি লাল উটনী আমাকে পদাঘাত করেছিল।

সাহ্‌ল ইব্‌ন আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন সাহ্‌ল এবং মুহায়্যিসা তাঁদের অর্থ-কষ্টের দরুন খায়বরের দিকে রওয়ানা হন। পরে মুহায়্যিসার নিকট এক ব্যক্তি এসে বললঃ আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন সাহ্‌ল নিহত হয়েছে। আর তাকে এক অতি অন্ধকার কূপে ফেলে দেয়া হয়েছে। একথা শুনে মুহায়্যিসা ইয়াহূদীদের নিকট গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেনঃ আল্লাহ্‌র শপথ! তোমরা তাকে হত্যা করেছ। তারা বললোঃ আল্লাহ্‌র শপথ! আমরা তাকে হত্যা করিনি। মুহায়্যিসা সেখান থেকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে পূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করলেন। এরপর মুহায়্যিসা, তার বড় ভাই হুয়ায়্যিসা এবং আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলেন। মুহায়্যিসা, যিনি খায়বারে ছিলেন। আগে কথা বলতে চাইলে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বড়কে আগে কথা বলতে দাও। এরপর হুয়ায়্যিসা কথা বললেন, তারপর বললেন, মুহায়্যিসা। সব শুনে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ইয়াহূদীদের উচিত তোমার ভাইয়ের দিয়াত আদায় করা, অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দেওয়া হবে। তারপর তিনি ইয়াহূদীদেরকে এ ব্যপারে লিখলে তারা উত্তর দিল, আল্লাহ্‌র শপথ! আমরা হত্যা করিনি। এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুয়ায়্যিসা,মুহায়্যিসা এবং আবদূর রহমানকে বললেনঃ আচ্ছা, এখন তোমরা শপথ করে তোমাদের ভাইয়ের হত্যার প্রমাণ দাও। তখন তাঁরা বললেনঃ না, আমরা শপথ করবো না। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে ইয়াহূদীরা কসম করে বলবে যে, আমারা হত্যা করিনি, তারা বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! ইয়াহূদীরা তো মুসলমান নয় (তারা মিথ্যা কসম করবে)। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে তাদেরকে দিয়াত স্বরূপ একশত উট দিয়ে দেন। তারা উট নিয়ে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করেন। সাহ্‌ল (রাঃ) বলেনঃ এর একটি লাল উটনী আমাকে পদাঘাত করেছিল।

أخبرنا أحمد بن عمرو بن السرح، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني مالك بن أنس، عن أبي ليلى بن عبد الله بن عبد الرحمن الأنصاري، أن سهل بن أبي حثمة أخبره، أن عبد الله بن سهل، ومحيصة خرجا إلى خيبر من جهد أصابهما، فأتي محيصة فأخبر: أن عبد الله بن سهل قد قتل وطرح في فقير أو عين، فأتى يهود فقال: أنتم والله قتلتموه، فقالوا: والله ما قتلناه، ثم أقبل حتى قدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذكر ذلك له، ثم أقبل هو وحويصة وهو أخوه أكبر منه وعبد الرحمن بن سهل فذهب محيصة ليتكلم وهو الذي كان بخيبر، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كبر كبر» وتكلم حويصة، ثم تكلم محيصة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إما أن يدوا صاحبكم، وإما أن يؤذنوا بحرب» فكتب النبي صلى الله عليه وسلم في ذلك، فكتبوا: إنا والله ما قتلناه. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لحويصة ومحيصة وعبد الرحمن: «تحلفون وتستحقون دم صاحبكم؟» قالوا: لا، قال: «فتحلف لكم يهود؟» قالوا: ليسوا مسلمين. فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده فبعث إليهم بمائة ناقة حتى أدخلت عليهم الدار، قال سهل: لقد ركضتني منها ناقة حمراء


সুনান নাসাঈ ৪৭১১

أخبرنا محمد بن سلمة، قال: أنبأنا ابن القاسم، قال: حدثني مالك، عن أبي ليلى بن عبد الله بن عبد الرحمن بن سهل، عن سهل بن أبي حثمة، أنه أخبره ورجال كبراء من قومه، أن عبد الله بن سهل ومحيصة خرجا إلى خيبر من جهد أصابهم، فأتى محيصة فأخبر، أن عبد الله بن سهل قد قتل وطرح في فقير أو عين، فأتى يهود. وقال: أنتم والله قتلتموه، قالوا: والله ما قتلناه. فأقبل حتى قدم على قومه، فذكر لهم، ثم أقبل هو وأخوه حويصة وهو أكبر منه وعبد الرحمن بن سهل، فذهب محيصة ليتكلم وهو الذي كان بخيبر، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لمحيصة: «كبر كبر» يريد السن فتكلم حويصة، ثم تكلم محيصة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إما أن يدوا صاحبكم، وإما أن يؤذنوا بحرب»، فكتب إليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك، فكتبوا إنا والله ما قتلناه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لحويصة ومحيصة وعبد الرحمن: «أتحلفون وتستحقون دم صاحبكم؟» قالوا: لا. قال: «فتحلف لكم يهود» قالوا: ليسوا بمسلمين فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده فبعث إليهم بمائة ناقة حتى أدخلت عليهم الدار، قال سهل: لقد ركضتني منها ناقة حمراء

সাহ্‌ল ইব্‌ন আবু হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল এবং মুহায়্যিসা (রাঃ) তাঁদের অভাবের দরুন খায়বরের যান। এরপর মুহায়্যিসা-এর নিকট এক ব্যক্তি এসে বললঃ আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন সাহ্‌লকে হত্যা করা হয়েছে এবং একটি অন্ধকার কূপে তাকে নিক্ষেপ করা হয়েছে। একথা শুনে মুহায়্যিসা ইয়াহূদীদের নিকট গিয়ে বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! তোমরা তাকে হত্যা করেছ। তারা বললোঃ আল্লাহ্‌র শপথ! আমরা তাকে হত্যা করিনি। মুহায়্যিসা সেখান থেকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে সকল ঘটনা তাঁকে অবহিত করেন। এরপর মুহায়্যিসা, তার বড় ভাই হুওয়ায়্যিসাহ এবং আবদুর রহমান ইব্‌ন সাহ্‌ল মিলিত হয়ে আসলেন। মুহায়্যিসা (রাঃ) খায়বরে প্রথম গমন করেন বিধায় তিনি প্রথমে কথা বলতে চাইলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বড় ভাইকে সম্মান কর। পরে হুয়ায়্যিসা সকল ঘটনা বর্ণনা করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের ভাইয়ের দিয়াত দিয়ে দেওয়া ইয়াহূদীদের কর্তব্য, অন্যথায় তাদেরকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হবে। এরপর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যপারে ইয়াহূদীদের লিখলে তারা জবাব দেয় যে, আল্লাহ্‌র কসম! আমরা তাঁকে হত্যা করি নাই। এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুয়ায়্যিসা, মুহায়্যিসা এবং আবদূর রহমানকে বললেনঃ এখন তোমরা শপথ করে তোমাদের ভাইয়ের হত্যা প্রমাণিত কর। তাঁরা বললেনঃ আমরা শপথ করতে পারি না (কারণ আমরা চাক্ষুষ দেখিনি)। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হলে ইয়াহুদীরা তোমাদের বিপক্ষে শপথ করবে। তারা বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! তারা তো মুসলমান নয়। পরে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দিয়াত নিজেই আদায় করেন এবং একশত উট তাদের নিকট পাঠিয়ে দেন। যা নিয়ে তারা তাদের ঘরে প্রবেশ করেন। সাহ্‌ল বলেনঃ এর একটি লাল উটনী আমাকে পদাঘাত করেছিল।

সাহ্‌ল ইব্‌ন আবু হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল এবং মুহায়্যিসা (রাঃ) তাঁদের অভাবের দরুন খায়বরের যান। এরপর মুহায়্যিসা-এর নিকট এক ব্যক্তি এসে বললঃ আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন সাহ্‌লকে হত্যা করা হয়েছে এবং একটি অন্ধকার কূপে তাকে নিক্ষেপ করা হয়েছে। একথা শুনে মুহায়্যিসা ইয়াহূদীদের নিকট গিয়ে বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! তোমরা তাকে হত্যা করেছ। তারা বললোঃ আল্লাহ্‌র শপথ! আমরা তাকে হত্যা করিনি। মুহায়্যিসা সেখান থেকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে সকল ঘটনা তাঁকে অবহিত করেন। এরপর মুহায়্যিসা, তার বড় ভাই হুওয়ায়্যিসাহ এবং আবদুর রহমান ইব্‌ন সাহ্‌ল মিলিত হয়ে আসলেন। মুহায়্যিসা (রাঃ) খায়বরে প্রথম গমন করেন বিধায় তিনি প্রথমে কথা বলতে চাইলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বড় ভাইকে সম্মান কর। পরে হুয়ায়্যিসা সকল ঘটনা বর্ণনা করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের ভাইয়ের দিয়াত দিয়ে দেওয়া ইয়াহূদীদের কর্তব্য, অন্যথায় তাদেরকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হবে। এরপর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যপারে ইয়াহূদীদের লিখলে তারা জবাব দেয় যে, আল্লাহ্‌র কসম! আমরা তাঁকে হত্যা করি নাই। এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুয়ায়্যিসা, মুহায়্যিসা এবং আবদূর রহমানকে বললেনঃ এখন তোমরা শপথ করে তোমাদের ভাইয়ের হত্যা প্রমাণিত কর। তাঁরা বললেনঃ আমরা শপথ করতে পারি না (কারণ আমরা চাক্ষুষ দেখিনি)। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হলে ইয়াহুদীরা তোমাদের বিপক্ষে শপথ করবে। তারা বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! তারা তো মুসলমান নয়। পরে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দিয়াত নিজেই আদায় করেন এবং একশত উট তাদের নিকট পাঠিয়ে দেন। যা নিয়ে তারা তাদের ঘরে প্রবেশ করেন। সাহ্‌ল বলেনঃ এর একটি লাল উটনী আমাকে পদাঘাত করেছিল।

أخبرنا محمد بن سلمة، قال: أنبأنا ابن القاسم، قال: حدثني مالك، عن أبي ليلى بن عبد الله بن عبد الرحمن بن سهل، عن سهل بن أبي حثمة، أنه أخبره ورجال كبراء من قومه، أن عبد الله بن سهل ومحيصة خرجا إلى خيبر من جهد أصابهم، فأتى محيصة فأخبر، أن عبد الله بن سهل قد قتل وطرح في فقير أو عين، فأتى يهود. وقال: أنتم والله قتلتموه، قالوا: والله ما قتلناه. فأقبل حتى قدم على قومه، فذكر لهم، ثم أقبل هو وأخوه حويصة وهو أكبر منه وعبد الرحمن بن سهل، فذهب محيصة ليتكلم وهو الذي كان بخيبر، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لمحيصة: «كبر كبر» يريد السن فتكلم حويصة، ثم تكلم محيصة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إما أن يدوا صاحبكم، وإما أن يؤذنوا بحرب»، فكتب إليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك، فكتبوا إنا والله ما قتلناه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لحويصة ومحيصة وعبد الرحمن: «أتحلفون وتستحقون دم صاحبكم؟» قالوا: لا. قال: «فتحلف لكم يهود» قالوا: ليسوا بمسلمين فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده فبعث إليهم بمائة ناقة حتى أدخلت عليهم الدار، قال سهل: لقد ركضتني منها ناقة حمراء


সুনান নাসাঈ ৪৭১২

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن يحيى، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، قال: وحسبت قال: وعن رافع بن خديج، أنهما قالا: خرج عبد الله بن سهل بن زيد ومحيصة بن مسعود حتى إذا كانا بخيبر تفرقا في بعض ما هنالك، ثم إذا بمحيصة يجد عبد الله بن سهل قتيلا فدفنه، ثم أقبل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم هو وحويصة بن مسعود وعبد الرحمن بن سهل وكان أصغر القوم، فذهب عبد الرحمن يتكلم قبل صاحبيه. فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كبر الكبر في السن» فصمت وتكلم صاحباه، ثم تكلم معهما، فذكروا لرسول الله صلى الله عليه وسلم مقتل عبد الله بن سهل، فقال لهم: «أتحلفون خمسين يمينا وتستحقون صاحبكم أو قاتلكم؟» قالوا: كيف نحلف ولم نشهد؟ قال: «فتبرئكم يهود بخمسين يمينا» قالوا: وكيف نقبل أيمان قوم كفار؟ فلما رأى ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطاه عقله

বুশায়র ইব্‌ন ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সাহ্‌ল ইব্‌ন আবু হাসমা এবং রাফি ইব্‌ন খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁরা বলেনঃ আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল এবং মুহায়্যিসা ইব্‌ন মাসউদ একত্রে বের হন। খায়বরের পৌঁছলে কোন এক স্থানে তারা পরস্পর পৃথক হয়ে যান। এরপর মুহায়্যিসা (রাঃ) আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন সাহ্‌লকে দেখলেন যে, তিনি মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। তিনি তাকে দাফন করলেন। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হন। তিনি নিজে, হুওয়ায়্যিসা ইব্‌ন মাসউদ এবং আবদুর রহমান ইব্‌ন সাহ্‌ল। আবদুর রহমান সকলের মধ্যে বয়সে ছোট ছিলেন। তিনি প্রথমে কথা বলতে আরম্ভ করলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যারা বয়সে বড় তাদের সম্মানের প্রতি লক্ষ্য রাখ। তখন তিনি চুপ হয়ে যান। তখন তার সাথীদ্বয় কথা বলতে থাকেন এবং তিনিও তাদের সাথে কথা বলছিলেন। তারা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ঐ স্থানের কথা বললেনঃ যেখানে আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল নিহত হন। তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ তোমরা পঞ্চাশ ব্যক্তি কি শপথ করতে পারবে যা দ্বারা তোমরা তোমাদের অভিযুক্ত ব্যক্তি কিংবা বললেন, তোমাদের লোকের হত্যাকারীর বিচার লাভের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে? তারা বললেনঃ যখন আমরা দেখিনি এবং আমরা উপস্থিতও ছিলাম না, তখন আমরা কী করে শপথ করতে পারি। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হলে ইয়াহূদীদের পঞ্চাশ ব্যক্তি শপথ করে তোমাদের অভিযোগ থেকে মুক্ত হয়ে যাক? তারা বললেনঃ আমরা কাফিরদের কসম কীরূপে বিশ্বাস করবো? রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ অবস্থা দেখে নিজে দিয়াত আদায় করে দেন।

বুশায়র ইব্‌ন ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সাহ্‌ল ইব্‌ন আবু হাসমা এবং রাফি ইব্‌ন খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁরা বলেনঃ আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল এবং মুহায়্যিসা ইব্‌ন মাসউদ একত্রে বের হন। খায়বরের পৌঁছলে কোন এক স্থানে তারা পরস্পর পৃথক হয়ে যান। এরপর মুহায়্যিসা (রাঃ) আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন সাহ্‌লকে দেখলেন যে, তিনি মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। তিনি তাকে দাফন করলেন। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হন। তিনি নিজে, হুওয়ায়্যিসা ইব্‌ন মাসউদ এবং আবদুর রহমান ইব্‌ন সাহ্‌ল। আবদুর রহমান সকলের মধ্যে বয়সে ছোট ছিলেন। তিনি প্রথমে কথা বলতে আরম্ভ করলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যারা বয়সে বড় তাদের সম্মানের প্রতি লক্ষ্য রাখ। তখন তিনি চুপ হয়ে যান। তখন তার সাথীদ্বয় কথা বলতে থাকেন এবং তিনিও তাদের সাথে কথা বলছিলেন। তারা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ঐ স্থানের কথা বললেনঃ যেখানে আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল নিহত হন। তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ তোমরা পঞ্চাশ ব্যক্তি কি শপথ করতে পারবে যা দ্বারা তোমরা তোমাদের অভিযুক্ত ব্যক্তি কিংবা বললেন, তোমাদের লোকের হত্যাকারীর বিচার লাভের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে? তারা বললেনঃ যখন আমরা দেখিনি এবং আমরা উপস্থিতও ছিলাম না, তখন আমরা কী করে শপথ করতে পারি। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হলে ইয়াহূদীদের পঞ্চাশ ব্যক্তি শপথ করে তোমাদের অভিযোগ থেকে মুক্ত হয়ে যাক? তারা বললেনঃ আমরা কাফিরদের কসম কীরূপে বিশ্বাস করবো? রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ অবস্থা দেখে নিজে দিয়াত আদায় করে দেন।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن يحيى، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، قال: وحسبت قال: وعن رافع بن خديج، أنهما قالا: خرج عبد الله بن سهل بن زيد ومحيصة بن مسعود حتى إذا كانا بخيبر تفرقا في بعض ما هنالك، ثم إذا بمحيصة يجد عبد الله بن سهل قتيلا فدفنه، ثم أقبل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم هو وحويصة بن مسعود وعبد الرحمن بن سهل وكان أصغر القوم، فذهب عبد الرحمن يتكلم قبل صاحبيه. فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كبر الكبر في السن» فصمت وتكلم صاحباه، ثم تكلم معهما، فذكروا لرسول الله صلى الله عليه وسلم مقتل عبد الله بن سهل، فقال لهم: «أتحلفون خمسين يمينا وتستحقون صاحبكم أو قاتلكم؟» قالوا: كيف نحلف ولم نشهد؟ قال: «فتبرئكم يهود بخمسين يمينا» قالوا: وكيف نقبل أيمان قوم كفار؟ فلما رأى ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطاه عقله


সুনান নাসাঈ > এই হাদীসে সাহ্‌ল হতে বর্ণনাকারীর বর্ণনাগত পার্থক্য

সুনান নাসাঈ ৪৭১৩

أخبرنا أحمد بن عبدة، قال: أنبأنا حماد، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، ورافع بن خديج، أنهما حدثاه، أن محيصة بن مسعود وعبد الله بن سهل أتيا خيبر في حاجة لهما، فتفرقا في النخل، فقتل عبد الله بن سهل، فجاء أخوه عبد الرحمن بن سهل وحويصة ومحيصة ابنا عمه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فتكلم عبد الرحمن في أمر أخيه، وهو أصغر منهم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الكبر» ليبدأ الأكبر فتكلما في أمر صاحبهما. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وذكر كلمة معناها: «يقسم خمسون منكم» فقالوا: يا رسول الله، أمر لم نشهده كيف نحلف؟ قال: «فتبرئكم يهود بأيمان خمسين منهم» قالوا: يا رسول الله، قوم كفار، فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من قبله، قال: سهل فدخلت مربدا لهم فركضتني ناقة من تلك الإبل

বুশায়র ইব্‌ন ইয়াসার (রহঃ) সাহ্‌ল ইব্‌ন আবূ হাসমা এবং রাফি’ ইব্‌ন খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা বলেনঃ মুহায়্যিসা ইব্‌ন মাসউদ এবং আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল তাদের কোন প্রয়োজনে খায়বর গমন করেন। সেখানে তারা খেজুর বাগানে পৃথক হয়ে যান। অতঃপর আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন সাহ্‌ল নিহত হন। সুতরাং তার ভাই আবদুর রহমান ইব্‌ন সাহ্‌ল এবং তার দুই চাচাতো ভাই হুওয়ায়্যিসাহ ও মুহায়্যিসা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলেন। আবদুর রহমান তার ভাই সম্পর্কে কথা বলা শুরু করেন। আর তিনি ছিলেন তাঁদের মধ্যে বয়সে ছোট। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ যারা বয়সে বড় তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন কর। পরে তারা দুইজন তাদের সাথীর ব্যাপারে কথা বললেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটা কথা বললেন, যার অর্থ হল, তোমদের মধ্য হতে পঞ্চাশজন লোক কসম করবে। তখন তারা বললেনঃ আমরা যা প্রত্যক্ষ করিনি তার উপর আমরা কিরূপ শপথ করবো? তিনি বলেনঃ তা হলে ইয়াহূদীরা পঞ্চাশজন শপথ করে তোমাদের দাবি হতে রেহাই পেয়ে যাবে। তারা বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! তারা তো কাফির। এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতে দিয়াত আদায় করে দেন। সাহ্‌ল (রাঃ) বলেনঃ আমি উট রাখার স্থানে গেলে যে উট আমাদেরকে দেওয়া হয়েছিল তার একাটি আমাকে পদাঘাত করেছিল।

বুশায়র ইব্‌ন ইয়াসার (রহঃ) সাহ্‌ল ইব্‌ন আবূ হাসমা এবং রাফি’ ইব্‌ন খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা বলেনঃ মুহায়্যিসা ইব্‌ন মাসউদ এবং আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল তাদের কোন প্রয়োজনে খায়বর গমন করেন। সেখানে তারা খেজুর বাগানে পৃথক হয়ে যান। অতঃপর আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন সাহ্‌ল নিহত হন। সুতরাং তার ভাই আবদুর রহমান ইব্‌ন সাহ্‌ল এবং তার দুই চাচাতো ভাই হুওয়ায়্যিসাহ ও মুহায়্যিসা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলেন। আবদুর রহমান তার ভাই সম্পর্কে কথা বলা শুরু করেন। আর তিনি ছিলেন তাঁদের মধ্যে বয়সে ছোট। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ যারা বয়সে বড় তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন কর। পরে তারা দুইজন তাদের সাথীর ব্যাপারে কথা বললেন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটা কথা বললেন, যার অর্থ হল, তোমদের মধ্য হতে পঞ্চাশজন লোক কসম করবে। তখন তারা বললেনঃ আমরা যা প্রত্যক্ষ করিনি তার উপর আমরা কিরূপ শপথ করবো? তিনি বলেনঃ তা হলে ইয়াহূদীরা পঞ্চাশজন শপথ করে তোমাদের দাবি হতে রেহাই পেয়ে যাবে। তারা বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! তারা তো কাফির। এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতে দিয়াত আদায় করে দেন। সাহ্‌ল (রাঃ) বলেনঃ আমি উট রাখার স্থানে গেলে যে উট আমাদেরকে দেওয়া হয়েছিল তার একাটি আমাকে পদাঘাত করেছিল।

أخبرنا أحمد بن عبدة، قال: أنبأنا حماد، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، ورافع بن خديج، أنهما حدثاه، أن محيصة بن مسعود وعبد الله بن سهل أتيا خيبر في حاجة لهما، فتفرقا في النخل، فقتل عبد الله بن سهل، فجاء أخوه عبد الرحمن بن سهل وحويصة ومحيصة ابنا عمه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فتكلم عبد الرحمن في أمر أخيه، وهو أصغر منهم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الكبر» ليبدأ الأكبر فتكلما في أمر صاحبهما. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وذكر كلمة معناها: «يقسم خمسون منكم» فقالوا: يا رسول الله، أمر لم نشهده كيف نحلف؟ قال: «فتبرئكم يهود بأيمان خمسين منهم» قالوا: يا رسول الله، قوم كفار، فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من قبله، قال: سهل فدخلت مربدا لهم فركضتني ناقة من تلك الإبل


সুনান নাসাঈ ৪৭১৪

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا بشر وهو ابن المفضل قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، أن عبد الله بن سهل، ومحيصة بن مسعود بن زيد، أنهما أتيا خيبر وهو يومئذ صلح، فتفرقا لحوائجهما، فأتى محيصة على عبد الله بن سهل وهو يتشحط في دمه قتيلا، فدفنه ثم قدم المدينة، فانطلق عبد الرحمن بن سهل وحويصة ومحيصة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذهب عبد الرحمن يتكلم وهو أحدث القوم سنا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كبر الكبر» فسكت، فتكلما، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أتحلفون بخمسين يمينا منكم، فتستحقون دم صاحبكم أو قاتلكم؟» قالوا: يا رسول الله، كيف نحلف ولم نشهد ولم نر؟ قال: «تبرئكم يهود بخمسين يمينا» قالوا: يا رسول الله، كيف نأخذ أيمان قوم كفار؟ فعقله رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده

বুশায়র ইব্‌ন ইয়াসার সাহ্‌ল ইব্‌ন আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল এবং মুহায়্যিসা ইব্‌ন মাসউদ ইব্‌ন যায়দ খায়বর গেলেন। এটা সেই সময়, যখন সেখানে সন্ধি স্থাপিত হয়ে গিয়েছিল। তারা তাদের কাজে সেখানে পরস্পর পৃথক হয়ে যান। এরপর মুহায়্যিসা আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন সাহ্‌লের নিকট গিয়ে দেখতে পান যে, তিনি নিহত হয়েছেন এবং তার দেহ রক্তে গড়াগড়ি খাচ্ছে। তিনি তাকে সেখানে দাফন করে মদীনায় ফিরে আসলেন। তারপর আবদুর রহমান ইব্‌ন সাহ্‌ল হুওয়ায়্যিসা ও মুহায়্যিসা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলেন। আবদুর রহমান ছিলেন সকলের ছোট। তিনি প্রথমে কথা বলতে আরম্ভ করলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে বয়সে বড় তাকে সম্মান কর। সুতরাং তিনি চুপ হয়ে গেলেন। তারপর অন্য দু’জন কথা বললেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের পঞ্চাশজন কি শপথ করতে পারবে যে, যা দ্বারা তোমরা তোমাদের অভিযুক্ত ব্যক্তির কিংবা বললেন, তোমাদের লোকের হত্যাকারীকে হত্যা করার অধিকার লাভ করবে? তারা বললেনঃ আমরা সেখানে ছিলাম না এবং আমরা যখন দেখিনি, তখন আমারা কিভাবে তা করতে পারি? রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে ইয়াহূদীদের মধ্য হতে পঞ্চাশজন শপথ করবে। তারা বললেনঃ কাফিরদের শপথ আমরা কিরূপে মেনে নিতে পারি? এ অবস্থায় রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে তাদের দিয়াত আদায় করে দেন।

বুশায়র ইব্‌ন ইয়াসার সাহ্‌ল ইব্‌ন আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল এবং মুহায়্যিসা ইব্‌ন মাসউদ ইব্‌ন যায়দ খায়বর গেলেন। এটা সেই সময়, যখন সেখানে সন্ধি স্থাপিত হয়ে গিয়েছিল। তারা তাদের কাজে সেখানে পরস্পর পৃথক হয়ে যান। এরপর মুহায়্যিসা আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন সাহ্‌লের নিকট গিয়ে দেখতে পান যে, তিনি নিহত হয়েছেন এবং তার দেহ রক্তে গড়াগড়ি খাচ্ছে। তিনি তাকে সেখানে দাফন করে মদীনায় ফিরে আসলেন। তারপর আবদুর রহমান ইব্‌ন সাহ্‌ল হুওয়ায়্যিসা ও মুহায়্যিসা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলেন। আবদুর রহমান ছিলেন সকলের ছোট। তিনি প্রথমে কথা বলতে আরম্ভ করলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে বয়সে বড় তাকে সম্মান কর। সুতরাং তিনি চুপ হয়ে গেলেন। তারপর অন্য দু’জন কথা বললেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের পঞ্চাশজন কি শপথ করতে পারবে যে, যা দ্বারা তোমরা তোমাদের অভিযুক্ত ব্যক্তির কিংবা বললেন, তোমাদের লোকের হত্যাকারীকে হত্যা করার অধিকার লাভ করবে? তারা বললেনঃ আমরা সেখানে ছিলাম না এবং আমরা যখন দেখিনি, তখন আমারা কিভাবে তা করতে পারি? রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে ইয়াহূদীদের মধ্য হতে পঞ্চাশজন শপথ করবে। তারা বললেনঃ কাফিরদের শপথ আমরা কিরূপে মেনে নিতে পারি? এ অবস্থায় রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে তাদের দিয়াত আদায় করে দেন।

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا بشر وهو ابن المفضل قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، أن عبد الله بن سهل، ومحيصة بن مسعود بن زيد، أنهما أتيا خيبر وهو يومئذ صلح، فتفرقا لحوائجهما، فأتى محيصة على عبد الله بن سهل وهو يتشحط في دمه قتيلا، فدفنه ثم قدم المدينة، فانطلق عبد الرحمن بن سهل وحويصة ومحيصة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذهب عبد الرحمن يتكلم وهو أحدث القوم سنا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كبر الكبر» فسكت، فتكلما، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أتحلفون بخمسين يمينا منكم، فتستحقون دم صاحبكم أو قاتلكم؟» قالوا: يا رسول الله، كيف نحلف ولم نشهد ولم نر؟ قال: «تبرئكم يهود بخمسين يمينا» قالوا: يا رسول الله، كيف نأخذ أيمان قوم كفار؟ فعقله رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده


সুনান নাসাঈ ৪৭১৫

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا بشر بن المفضل، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة قال: انطلق عبد الله بن سهل ومحيصة بن مسعود بن زيد إلى خيبر وهي يومئذ صلح، فتفرقا في حوائجهما، فأتى محيصة على عبد الله بن سهل وهو يتشحط في دمه قتيلا، فدفنه، ثم قدم المدينة، فانطلق عبد الرحمن بن سهل وحويصة ومحيصة ابنا مسعود إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذهب عبد الرحمن يتكلم، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كبر الكبر» وهو أحدث القوم، فسكت، فتكلما، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أتحلفون بخمسين يمينا منكم، وتستحقون قاتلكم أو صاحبكم؟» فقالوا: يا رسول الله، كيف نحلف، ولم نشهد، ولم نر؟ فقال: «أتبرئكم يهود بخمسين؟» فقالوا: يا رسول الله، كيف نأخذ أيمان قوم كفار؟ فعقله رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده

বুশায়র ইব্‌ন ইয়াসার সাহ্‌ল ইব্‌ন আবু হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল এবং মুহায়্যিসা ইব্‌ন মাসউদ ইব্‌ন যায়দ খায়বর গমন করেন। খায়বরে তখন সন্ধি স্থাপিত হয়ে গেছে। সেখানে যাওয়ার পর তারা কাজে পৃথক হয়ে যান। এরপর মুহায়্যিসা আবদুল্লাহ্‌র নিকট যান। দেখেন কি তিনি নিহত অবস্থায় রক্তের মধ্য গড়াগড়ি খাচ্ছেন। তিনি তাকে দাফন করে মদীনায় ফিরে আসেন। এরপর আবদুর রহমান ইব্‌ন সাহ্‌ল, হুওয়ায়্যিসা মুহায়্যিসা এবং ইব্‌ন মাসউদ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হন। প্রথমে আবদুর রহমান কথা বলতে শুরু করেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে বয়সে বড়, তাকে সম্মান কর। তিনি ছিলেন বয়সে ছোট। তিনি চুপ করলেন। এরপর তারা দু’জন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কথা বললেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা পঞ্চাশজন কি শপথ করবে যা দ্বারা তোমরা তোমাদের লোকের হত্যাকারীর বিচার করার অধিকার লাভ করবে? তারা বললেনঃ আমরা যখন দেখিনি, তখন আমরা কি করে শপথ করবো? তিনি বললেনঃ তাহলে ইয়াহূদীদের পঞ্চাশজন কসম করে তোমাদের দাবি মিথ্যা প্রমাণ করবে। তারা বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! কাফিরদের শপথ আমরা কি করে বিশ্বাস করবো? তখন তিনি নিজে তাদের দিয়াত আদায় করে দেন।

বুশায়র ইব্‌ন ইয়াসার সাহ্‌ল ইব্‌ন আবু হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল এবং মুহায়্যিসা ইব্‌ন মাসউদ ইব্‌ন যায়দ খায়বর গমন করেন। খায়বরে তখন সন্ধি স্থাপিত হয়ে গেছে। সেখানে যাওয়ার পর তারা কাজে পৃথক হয়ে যান। এরপর মুহায়্যিসা আবদুল্লাহ্‌র নিকট যান। দেখেন কি তিনি নিহত অবস্থায় রক্তের মধ্য গড়াগড়ি খাচ্ছেন। তিনি তাকে দাফন করে মদীনায় ফিরে আসেন। এরপর আবদুর রহমান ইব্‌ন সাহ্‌ল, হুওয়ায়্যিসা মুহায়্যিসা এবং ইব্‌ন মাসউদ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হন। প্রথমে আবদুর রহমান কথা বলতে শুরু করেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে বয়সে বড়, তাকে সম্মান কর। তিনি ছিলেন বয়সে ছোট। তিনি চুপ করলেন। এরপর তারা দু’জন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে কথা বললেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা পঞ্চাশজন কি শপথ করবে যা দ্বারা তোমরা তোমাদের লোকের হত্যাকারীর বিচার করার অধিকার লাভ করবে? তারা বললেনঃ আমরা যখন দেখিনি, তখন আমরা কি করে শপথ করবো? তিনি বললেনঃ তাহলে ইয়াহূদীদের পঞ্চাশজন কসম করে তোমাদের দাবি মিথ্যা প্রমাণ করবে। তারা বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! কাফিরদের শপথ আমরা কি করে বিশ্বাস করবো? তখন তিনি নিজে তাদের দিয়াত আদায় করে দেন।

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا بشر بن المفضل، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة قال: انطلق عبد الله بن سهل ومحيصة بن مسعود بن زيد إلى خيبر وهي يومئذ صلح، فتفرقا في حوائجهما، فأتى محيصة على عبد الله بن سهل وهو يتشحط في دمه قتيلا، فدفنه، ثم قدم المدينة، فانطلق عبد الرحمن بن سهل وحويصة ومحيصة ابنا مسعود إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذهب عبد الرحمن يتكلم، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كبر الكبر» وهو أحدث القوم، فسكت، فتكلما، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أتحلفون بخمسين يمينا منكم، وتستحقون قاتلكم أو صاحبكم؟» فقالوا: يا رسول الله، كيف نحلف، ولم نشهد، ولم نر؟ فقال: «أتبرئكم يهود بخمسين؟» فقالوا: يا رسول الله، كيف نأخذ أيمان قوم كفار؟ فعقله رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده


সুনান নাসাঈ ৪৭১৬

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا عبد الوهاب، قال: سمعت يحيى بن سعيد، يقول: أخبرني بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، أن عبد الله بن سهل الأنصاري، ومحيصة بن مسعود، خرجا إلى خيبر، فتفرقا في حاجتهما، فقتل عبد الله بن سهل الأنصاري، فجاء محيصة وعبد الرحمن أخو المقتول وحويصة بن مسعود حتى أتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذهب عبد الرحمن يتكلم، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: «الكبر الكبر» فتكلم محيصة وحويصة، فذكروا شأن عبد الله بن سهل، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «تحلفون خمسين يمينا، فتستحقون قاتلكم؟» قالوا: كيف نحلف، ولم نشهد، ولم نحضر؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فتبرئكم يهود بخمسين يمينا» قالوا: يا رسول الله، كيف نقبل أيمان قوم كفار؟ قال: فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: بشير قال لي سهل بن أبي حثمة: لقد ركضتني فريضة من تلك الفرائض في مربد لنا

সাহ্‌ল ইব্‌ন আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল আনসারী এবং মুহায়্যিসা ইব্‌ন মাসউদ খায়বার গমন করেন। পরে তারা উভয়ে তাদের কাজে পৃথক হয়ে যান এবং আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল আনসারী নিহত হন। এরপর মুহায়্যিসা ও আবদুর রহমান, নিহত ব্যক্তির ভাই এবং হুওয়ায়্যিসা ইব্‌ন মাসউদ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হন। আবদুর রহমান কথা বলতে উদ্যত হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ বয়সে যে বড় তার সম্মান কর। তখন মুহায়্যিসা ও হুওয়ায়্যিসা আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌লের ঘটনা বর্ণনা করলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা পঞ্চাশ ব্যক্তি শপথ কর এবং তোমাদের লোকের ঘাতকের বিচার লাভের অধিকার প্রমাণ কর। তারা বলেনঃ আমরা যখন দেখিনি এবং উপস্থিতও ছিলাম না, তখন আমরা কী করে শপথ করতে পারি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তবে তো তারা পঞ্চাশজন শপথ করে তোমাদের অভিযোগ থেকে মুক্ত হয়ে যাবে। তখন তারা বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! কাফিরদের শপথ আমরা কিভাবে মেনে নিতে পারি? রাবী বলেনঃ এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে দিয়াত আদায় করে দেন। সাহ্‌ল ইব্‌ন আবূ হাসমা (রাঃ) বলেনঃ ঐ সকল উটের একাটি আমাকে আমাদের উট রাখার স্থানে পদাঘাত করেছিল।

সাহ্‌ল ইব্‌ন আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল আনসারী এবং মুহায়্যিসা ইব্‌ন মাসউদ খায়বার গমন করেন। পরে তারা উভয়ে তাদের কাজে পৃথক হয়ে যান এবং আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌ল আনসারী নিহত হন। এরপর মুহায়্যিসা ও আবদুর রহমান, নিহত ব্যক্তির ভাই এবং হুওয়ায়্যিসা ইব্‌ন মাসউদ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হন। আবদুর রহমান কথা বলতে উদ্যত হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ বয়সে যে বড় তার সম্মান কর। তখন মুহায়্যিসা ও হুওয়ায়্যিসা আবদুল্লাহ ইব্‌ন সাহ্‌লের ঘটনা বর্ণনা করলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা পঞ্চাশ ব্যক্তি শপথ কর এবং তোমাদের লোকের ঘাতকের বিচার লাভের অধিকার প্রমাণ কর। তারা বলেনঃ আমরা যখন দেখিনি এবং উপস্থিতও ছিলাম না, তখন আমরা কী করে শপথ করতে পারি? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তবে তো তারা পঞ্চাশজন শপথ করে তোমাদের অভিযোগ থেকে মুক্ত হয়ে যাবে। তখন তারা বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! কাফিরদের শপথ আমরা কিভাবে মেনে নিতে পারি? রাবী বলেনঃ এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে দিয়াত আদায় করে দেন। সাহ্‌ল ইব্‌ন আবূ হাসমা (রাঃ) বলেনঃ ঐ সকল উটের একাটি আমাকে আমাদের উট রাখার স্থানে পদাঘাত করেছিল।

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا عبد الوهاب، قال: سمعت يحيى بن سعيد، يقول: أخبرني بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، أن عبد الله بن سهل الأنصاري، ومحيصة بن مسعود، خرجا إلى خيبر، فتفرقا في حاجتهما، فقتل عبد الله بن سهل الأنصاري، فجاء محيصة وعبد الرحمن أخو المقتول وحويصة بن مسعود حتى أتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذهب عبد الرحمن يتكلم، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: «الكبر الكبر» فتكلم محيصة وحويصة، فذكروا شأن عبد الله بن سهل، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «تحلفون خمسين يمينا، فتستحقون قاتلكم؟» قالوا: كيف نحلف، ولم نشهد، ولم نحضر؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فتبرئكم يهود بخمسين يمينا» قالوا: يا رسول الله، كيف نقبل أيمان قوم كفار؟ قال: فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: بشير قال لي سهل بن أبي حثمة: لقد ركضتني فريضة من تلك الفرائض في مربد لنا


সুনান নাসাঈ ৪৭১৭

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة قال: وجد عبد الله بن سهل قتيلا، فجاء أخوه وعماه حويصة ومحيصة وهما عما عبد الله بن سهل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذهب عبد الرحمن يتكلم. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الكبر الكبر» قالا: يا رسول الله، إنا وجدنا عبد الله بن سهل قتيلا في قليب من بعض قلب خيبر، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «من تتهمون؟» قالوا: نتهم اليهود. قال: «أفتقسمون خمسين يمينا أن اليهود قتلته؟» قالوا: وكيف نقسم على ما لم نر؟ قال: «فتبرئكم اليهود بخمسين أنهم لم يقتلوه» قالوا: وكيف نرضى بأيمانهم وهم مشركون؟ فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده أرسله مالك بن أنس

সাহ্ল ইব্‌ন আবু হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইব্ন সাহ্লকে মৃতাবস্থায় পাওয়া গেল, তখন তার ভাই এবং দুই চাচা হুওয়াইয়্যিসা এবং মুহাইয়্যিসা, যারা আবদুল্লাহ (রাঃ)-এরও চাচা ছিলেন, রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হলেন। আবদুর রহমান প্রথমে কথা বলতে শুরু করলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বয়সে যে বড় তাকে সম্মান কর। তারা বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা আবদুল্লাহ্ ইব্ন সাহ্লকে মৃতাবস্থায় পেয়েছি। আর তাকে হত্যা করে ইয়াহূদীদের এক কূপে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমরা কাকে সন্দেহ কর? তারা বললেনঃ ইয়াহূদীদের উপরই আমাদের সন্দেহ হয়। তিনি বললেনঃ তোমরা কি কসম করে বলতে পার যে, ইয়াহূদীরা তাকে হত্যা করেছে। তারা বললেনঃ আমরা যখন চোখে দেখিনি তখন আমরা কিরূপে কসম করতে পারি। তিনি বলেনঃ তা হলে ইয়াহূদীরা পঞ্চাশজন শপথ করে দায়মুক্ত হয়ে যাবে। তখন তারা বললেনঃ আমরা তাদের শপথ কিরূপে বিশ্বাস করবো ? কেননা তারা তো মুশরিক। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে তাদের দিয়াত আদায় করে দেন।

সাহ্ল ইব্‌ন আবু হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইব্ন সাহ্লকে মৃতাবস্থায় পাওয়া গেল, তখন তার ভাই এবং দুই চাচা হুওয়াইয়্যিসা এবং মুহাইয়্যিসা, যারা আবদুল্লাহ (রাঃ)-এরও চাচা ছিলেন, রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হলেন। আবদুর রহমান প্রথমে কথা বলতে শুরু করলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বয়সে যে বড় তাকে সম্মান কর। তারা বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা আবদুল্লাহ্ ইব্ন সাহ্লকে মৃতাবস্থায় পেয়েছি। আর তাকে হত্যা করে ইয়াহূদীদের এক কূপে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমরা কাকে সন্দেহ কর? তারা বললেনঃ ইয়াহূদীদের উপরই আমাদের সন্দেহ হয়। তিনি বললেনঃ তোমরা কি কসম করে বলতে পার যে, ইয়াহূদীরা তাকে হত্যা করেছে। তারা বললেনঃ আমরা যখন চোখে দেখিনি তখন আমরা কিরূপে কসম করতে পারি। তিনি বলেনঃ তা হলে ইয়াহূদীরা পঞ্চাশজন শপথ করে দায়মুক্ত হয়ে যাবে। তখন তারা বললেনঃ আমরা তাদের শপথ কিরূপে বিশ্বাস করবো ? কেননা তারা তো মুশরিক। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে তাদের দিয়াত আদায় করে দেন।

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة قال: وجد عبد الله بن سهل قتيلا، فجاء أخوه وعماه حويصة ومحيصة وهما عما عبد الله بن سهل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذهب عبد الرحمن يتكلم. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الكبر الكبر» قالا: يا رسول الله، إنا وجدنا عبد الله بن سهل قتيلا في قليب من بعض قلب خيبر، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «من تتهمون؟» قالوا: نتهم اليهود. قال: «أفتقسمون خمسين يمينا أن اليهود قتلته؟» قالوا: وكيف نقسم على ما لم نر؟ قال: «فتبرئكم اليهود بخمسين أنهم لم يقتلوه» قالوا: وكيف نرضى بأيمانهم وهم مشركون؟ فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده أرسله مالك بن أنس


সুনান নাসাঈ ৪৭১৮

قال الحارث بن مسكين قراءة عليه وأنا أسمع عن ابن القاسم، حدثني مالك، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، أنه أخبره، أن عبد الله بن سهل الأنصاري ومحيصة بن مسعود خرجا إلى خيبر، فتفرقا في حوائجهما، فقتل عبد الله بن سهل، فقدم محيصة، فأتى هو وأخوه حويصة وعبد الرحمن بن سهل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذهب عبد الرحمن ليتكلم لمكانه من أخيه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كبر كبر» فتكلم حويصة ومحيصة، فذكروا شأن عبد الله بن سهل، فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أتحلفون خمسين يمينا، وتستحقون دم صاحبكم أو قاتلكم؟» قال مالك: قال يحيى: فزعم بشير، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وداه من عنده «خالفهم سعيد بن عبيد الطائي»

বুশায়র ইবন ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইব্ন সাহ্ল আনসারী এবং মুহায়্যিসা ইব্ন মাসউদ খায়বর গমন করার পর নিজ নিজ কাজের জন্য পৃথক হয়ে যান। তারপর আবদুল্লাহ ইব্ন সাহ্ল নিহত হন। মুহায়্যিসা সেখান থেকে ফিরে আসেন। এরপর তিনি, তাঁর ভাই হুওয়ায়্যিসা এবং আবদুর রহমান ইব্ন সাহ্ল রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হন। আবদুর রহমান তাঁর ভাই হিসাবে প্রথমে কথা শুরু করেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বয়সে যে বড়, তাকে সম্মান কর। তখন হওয়ায়্যিসা এবং মুহায়্যিসা কথা বলতে শুরু করেন। তারা আবদুল্লাহ ইব্ন সাহলের অবস্থা বর্ণনা করলে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেনঃ তোমরা পঞ্চাশজন শপথ করে কি তোমাদের লোকের হত্যাকারীর বিচার লাভের অধিকার সাব্যস্ত করতে পারবে? ইমাম মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইয়াহ্ইয়া বলেছেনঃ বুশায়র মনে করেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে দিয়াত আদায় করে দেন।

বুশায়র ইবন ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইব্ন সাহ্ল আনসারী এবং মুহায়্যিসা ইব্ন মাসউদ খায়বর গমন করার পর নিজ নিজ কাজের জন্য পৃথক হয়ে যান। তারপর আবদুল্লাহ ইব্ন সাহ্ল নিহত হন। মুহায়্যিসা সেখান থেকে ফিরে আসেন। এরপর তিনি, তাঁর ভাই হুওয়ায়্যিসা এবং আবদুর রহমান ইব্ন সাহ্ল রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হন। আবদুর রহমান তাঁর ভাই হিসাবে প্রথমে কথা শুরু করেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বয়সে যে বড়, তাকে সম্মান কর। তখন হওয়ায়্যিসা এবং মুহায়্যিসা কথা বলতে শুরু করেন। তারা আবদুল্লাহ ইব্ন সাহলের অবস্থা বর্ণনা করলে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেনঃ তোমরা পঞ্চাশজন শপথ করে কি তোমাদের লোকের হত্যাকারীর বিচার লাভের অধিকার সাব্যস্ত করতে পারবে? ইমাম মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইয়াহ্ইয়া বলেছেনঃ বুশায়র মনে করেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে দিয়াত আদায় করে দেন।

قال الحارث بن مسكين قراءة عليه وأنا أسمع عن ابن القاسم، حدثني مالك، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، أنه أخبره، أن عبد الله بن سهل الأنصاري ومحيصة بن مسعود خرجا إلى خيبر، فتفرقا في حوائجهما، فقتل عبد الله بن سهل، فقدم محيصة، فأتى هو وأخوه حويصة وعبد الرحمن بن سهل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذهب عبد الرحمن ليتكلم لمكانه من أخيه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كبر كبر» فتكلم حويصة ومحيصة، فذكروا شأن عبد الله بن سهل، فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أتحلفون خمسين يمينا، وتستحقون دم صاحبكم أو قاتلكم؟» قال مالك: قال يحيى: فزعم بشير، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وداه من عنده «خالفهم سعيد بن عبيد الطائي»


সুনান নাসাঈ ৪৭১৯

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا أبو نعيم، قال: حدثنا سعيد بن عبيد الطائي، عن بشير بن يسار، زعم أن رجلا من الأنصار يقال له: سهل بن أبي حثمة أخبره، أن نفرا من قومه انطلقوا إلى خيبر، فتفرقوا فيها فوجدوا أحدهم قتيلا، فقالوا للذين وجدوه عندهم: قتلتم صاحبنا. قالوا: ما قتلناه، ولا علمنا قاتلا. فانطلقوا إلى نبي الله صلى الله عليه وسلم فقالوا: يا نبي الله، انطلقنا إلى خيبر فوجدنا أحدنا قتيلا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الكبر الكبر» فقال لهم: «تأتون بالبينة على من قتل؟». قالوا: ما لنا بينة. قال: «فيحلفون لكم». قالوا: لا نرضى بأيمان اليهود، وكره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يبطل دمه فوداه مائة من إبل الصدقة «خالفهم عمرو بن شعيب»

বুশায়র ইবন ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সাহ্ল ইব্ন আবূ হাসমা নামক এক আনসারী তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তার গোত্রের কয়েকজন খায়বরে গমন করেন। সেখানে তারা পৃথক হয়ে যান পরে তারা তাদের একজনকে নিহত অবস্থায় পেলেন। তারা যে স্থানে নিহত ব্যক্তিকে পেলেন, সেখানকার লোকজনকে বললেন, তোমরা আমাদের লোককে হত্যা করেছ। তারা বললোঃ না, আমরা তাকে হত্যা করিনি এবং হত্যাকারীকে আমরা চিনিও না। এরপর তারা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমরা খায়বার গিয়েছিলাম, সেখানে আমরা আমাদের এক ব্যক্তিকে নিহত পেয়েছি। তিনি বললেনঃ বয়সে বড় ব্যক্তির সম্মান কর। তিনি বললেনঃ তোমরা কি সাক্ষী উপস্থিত করতে পারবে যে, কে হত্যা করেছে? তারা বললেনঃ আমাদের কোন সাক্ষী নেই। তিনি বললেনঃ তা হলে ইয়াহূদীরা তোমাদের সামনে শপথ করবে। তারা বললেন, আমরা ইয়াহূদীর শপথ বিশ্বাস করি না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ঐ ব্যক্তির রক্ত বৃথা যাওয়া পছন্দ হলো না। কাজেই তিনি সাদকার উট থেকে একশত উট দিয়াত স্বরূপ তাদের দিয়ে দেন।

বুশায়র ইবন ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সাহ্ল ইব্ন আবূ হাসমা নামক এক আনসারী তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তার গোত্রের কয়েকজন খায়বরে গমন করেন। সেখানে তারা পৃথক হয়ে যান পরে তারা তাদের একজনকে নিহত অবস্থায় পেলেন। তারা যে স্থানে নিহত ব্যক্তিকে পেলেন, সেখানকার লোকজনকে বললেন, তোমরা আমাদের লোককে হত্যা করেছ। তারা বললোঃ না, আমরা তাকে হত্যা করিনি এবং হত্যাকারীকে আমরা চিনিও না। এরপর তারা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমরা খায়বার গিয়েছিলাম, সেখানে আমরা আমাদের এক ব্যক্তিকে নিহত পেয়েছি। তিনি বললেনঃ বয়সে বড় ব্যক্তির সম্মান কর। তিনি বললেনঃ তোমরা কি সাক্ষী উপস্থিত করতে পারবে যে, কে হত্যা করেছে? তারা বললেনঃ আমাদের কোন সাক্ষী নেই। তিনি বললেনঃ তা হলে ইয়াহূদীরা তোমাদের সামনে শপথ করবে। তারা বললেন, আমরা ইয়াহূদীর শপথ বিশ্বাস করি না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ঐ ব্যক্তির রক্ত বৃথা যাওয়া পছন্দ হলো না। কাজেই তিনি সাদকার উট থেকে একশত উট দিয়াত স্বরূপ তাদের দিয়ে দেন।

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا أبو نعيم، قال: حدثنا سعيد بن عبيد الطائي، عن بشير بن يسار، زعم أن رجلا من الأنصار يقال له: سهل بن أبي حثمة أخبره، أن نفرا من قومه انطلقوا إلى خيبر، فتفرقوا فيها فوجدوا أحدهم قتيلا، فقالوا للذين وجدوه عندهم: قتلتم صاحبنا. قالوا: ما قتلناه، ولا علمنا قاتلا. فانطلقوا إلى نبي الله صلى الله عليه وسلم فقالوا: يا نبي الله، انطلقنا إلى خيبر فوجدنا أحدنا قتيلا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الكبر الكبر» فقال لهم: «تأتون بالبينة على من قتل؟». قالوا: ما لنا بينة. قال: «فيحلفون لكم». قالوا: لا نرضى بأيمان اليهود، وكره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يبطل دمه فوداه مائة من إبل الصدقة «خالفهم عمرو بن شعيب»


সুনান নাসাঈ ৪৭২০

أخبرنا محمد بن معمر، قال: حدثنا روح بن عبادة، قال: حدثنا عبيد الله بن الأخنس، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن ابن محيصة الأصغر أصبح قتيلا على أبواب خيبر، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أقم شاهدين على من قتله، أدفعه إليكم برمته» قال: يا رسول الله، ومن أين أصيب شاهدين، وإنما أصبح قتيلا على أبوابهم؟ قال: «فتحلف خمسين قسامة» قال: يا رسول الله، وكيف أحلف على ما لا أعلم؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فنستحلف منهم خمسين قسامة» فقال: يا رسول الله، كيف نستحلفهم وهم اليهود؟ فقسم رسول الله صلى الله عليه وسلم ديته عليهم وأعانهم بنصفها

আমর ইবন শুআয়ব তার পিতার সূত্রে তার দাদা থেকে থেকে বর্নিতঃ

মুহায়্যিসার ছোট ছেলে খায়বারের লোকালয়ের সামনে নিহত হন। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি হত্যাকারী সম্পর্কে দুইজন সাক্ষী পেশ কর; আমি তাকে তার রশিসহ তোমাদের নিকট সোপর্দ করবো। তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! আমি দুইজন সাক্ষী কোথা হতে আনবো ? এতো তাদের দুয়ারে মৃতাবস্থায় পতিত ছিল। তিনি বললেনঃ তবে তুমি পঞ্চাশবার শপথ করবে। তিনি বললেনঃ আমি যা জানি না, তার কসম আমি কি করে করবো ? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হলে ইয়াহূদীদের মধ্য হতে পঞ্চাশজন থেকে আমরা শপথ নিই ? তিনি বললেনঃ আমরা তাদের থেকে শপথ নেব, যখন তারা ইয়াহূদী ? তখন রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিয়াত তাদের মধ্যে ভাগ করে দেন; আর অর্ধেক দিয়াত নিজের পক্ষ হতে দিয়ে তাদের সাহায্য করেন।[১]

আমর ইবন শুআয়ব তার পিতার সূত্রে তার দাদা থেকে থেকে বর্নিতঃ

মুহায়্যিসার ছোট ছেলে খায়বারের লোকালয়ের সামনে নিহত হন। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি হত্যাকারী সম্পর্কে দুইজন সাক্ষী পেশ কর; আমি তাকে তার রশিসহ তোমাদের নিকট সোপর্দ করবো। তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! আমি দুইজন সাক্ষী কোথা হতে আনবো ? এতো তাদের দুয়ারে মৃতাবস্থায় পতিত ছিল। তিনি বললেনঃ তবে তুমি পঞ্চাশবার শপথ করবে। তিনি বললেনঃ আমি যা জানি না, তার কসম আমি কি করে করবো ? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা হলে ইয়াহূদীদের মধ্য হতে পঞ্চাশজন থেকে আমরা শপথ নিই ? তিনি বললেনঃ আমরা তাদের থেকে শপথ নেব, যখন তারা ইয়াহূদী ? তখন রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিয়াত তাদের মধ্যে ভাগ করে দেন; আর অর্ধেক দিয়াত নিজের পক্ষ হতে দিয়ে তাদের সাহায্য করেন।[১]

أخبرنا محمد بن معمر، قال: حدثنا روح بن عبادة، قال: حدثنا عبيد الله بن الأخنس، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن ابن محيصة الأصغر أصبح قتيلا على أبواب خيبر، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أقم شاهدين على من قتله، أدفعه إليكم برمته» قال: يا رسول الله، ومن أين أصيب شاهدين، وإنما أصبح قتيلا على أبوابهم؟ قال: «فتحلف خمسين قسامة» قال: يا رسول الله، وكيف أحلف على ما لا أعلم؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فنستحلف منهم خمسين قسامة» فقال: يا رسول الله، كيف نستحلفهم وهم اليهود؟ فقسم رسول الله صلى الله عليه وسلم ديته عليهم وأعانهم بنصفها


সুনান নাসাঈ ৪৭২১

أخبرنا بشر بن خالد، قال: حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن سليمان، قال: سمعت عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد الله، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا يحل دم امرئ مسلم إلا بإحدى ثلاث، النفس بالنفس، والثيب الزاني، والتارك دينه المفارق»

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কোন মুসলমানকে হত্যা করা বৈধ নয়, তিনটি কারণ ব্যতীত ; প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ, যে ব্যক্তি বিবাহের পরও ব্যভিচার করে এবং ঐ ব্যক্তি যে দ্বীন ইসলাম পরিত্যাগ করে মুসলিম সমষ্টি হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কোন মুসলমানকে হত্যা করা বৈধ নয়, তিনটি কারণ ব্যতীত ; প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ, যে ব্যক্তি বিবাহের পরও ব্যভিচার করে এবং ঐ ব্যক্তি যে দ্বীন ইসলাম পরিত্যাগ করে মুসলিম সমষ্টি হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

أخبرنا بشر بن خالد، قال: حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن سليمان، قال: سمعت عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد الله، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا يحل دم امرئ مسلم إلا بإحدى ثلاث، النفس بالنفس، والثيب الزاني، والتارك دينه المفارق»


সুনান নাসাঈ ৪৭২২

أخبرنا محمد بن العلاء، وأحمد بن حرب، واللفظ لأحمد قالا: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة قال: قتل رجل على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، فرفع القاتل إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فدفعه إلى ولي المقتول. فقال القاتل: يا رسول الله، لا والله ما أردت قتله. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولي المقتول: «أما إنه إن كان صادقا، ثم قتلته، دخلت النار فخلى سبيله» قال: وكان مكتوفا بنسعة، فخرج يجر نسعته، فسمي ذا النسعة

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময়ে এক ব্যক্তি এক ব্যক্তিকে হত্যা করলে, হত্যাকারীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আনা হয়। তিনি তাকে নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসের নিকট দিয়ে দেন। তখন হত্যাকারী বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহু! আল্লাহর কসম! আমি তাকে হত্যা করার ইচ্ছা করিনি। তিনি নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসকে বললেনঃ যদি এই ব্যক্তি সত্যবাদী হয়, অতঃপর তুমি তাকে হত্যা কর, তবে তুমি জাহান্নামী হবে। তখন সেই ব্যক্তি তাকে ছেড়ে দিল। ঐ ব্যক্তি রশিতে বাঁধা ছিল, সে তার রশি টানতে টানতে চলে গেল। সেদিন হতে তাকে রশিওয়ালা ব্যক্তি বলা হতো।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময়ে এক ব্যক্তি এক ব্যক্তিকে হত্যা করলে, হত্যাকারীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আনা হয়। তিনি তাকে নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসের নিকট দিয়ে দেন। তখন হত্যাকারী বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহু! আল্লাহর কসম! আমি তাকে হত্যা করার ইচ্ছা করিনি। তিনি নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসকে বললেনঃ যদি এই ব্যক্তি সত্যবাদী হয়, অতঃপর তুমি তাকে হত্যা কর, তবে তুমি জাহান্নামী হবে। তখন সেই ব্যক্তি তাকে ছেড়ে দিল। ঐ ব্যক্তি রশিতে বাঁধা ছিল, সে তার রশি টানতে টানতে চলে গেল। সেদিন হতে তাকে রশিওয়ালা ব্যক্তি বলা হতো।

أخبرنا محمد بن العلاء، وأحمد بن حرب، واللفظ لأحمد قالا: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة قال: قتل رجل على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، فرفع القاتل إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فدفعه إلى ولي المقتول. فقال القاتل: يا رسول الله، لا والله ما أردت قتله. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولي المقتول: «أما إنه إن كان صادقا، ثم قتلته، دخلت النار فخلى سبيله» قال: وكان مكتوفا بنسعة، فخرج يجر نسعته، فسمي ذا النسعة


সুনান নাসাঈ ৪৭২৩

أخبرنا محمد بن إسمعيل بن إبراهيم، قال: حدثنا إسحق، عن عوف الأعرابي، عن علقمة بن وائل الحضرمي، عن أبيه قال: جيء بالقاتل الذي قتل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، جاء به ولي المقتول، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أتعفو؟» قال: لا، قال: «أتقتل؟» قال: نعم. قال: «اذهب» فلما ذهب دعاه، قال: «أتعفو؟» قال: لا. قال: «أتأخذ الدية؟» قال: لا. قال: «أتقتل؟» قال: نعم. قال: «اذهب» فلما ذهب قال: «أما إنك إن عفوت عنه، فإنه يبوء بإثمك وإثم صاحبك» فعفا عنه، فأرسله قال: فرأيته يجر نسعته

ওয়ায়ল হায্‌রামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ যে ঘাতক কাউকে হত্যা করেছিল, তাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসা হল। নিহত ব্যক্তির অভিভাবকই তাকে উপস্থিত করলো। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কি তাকে ক্ষমা করে দেবে ? সে বললোঃ না। তিনি বললেনঃ তাকে হত্যা করবে ? সে বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ যাও, তাকে হত্যা কর। সে রওয়ান হলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, যদি তুমি তাকে ক্ষমা কর, তবে সে তোমার গুনাহ এবং তোমার বন্ধুর গুনাহ বহন করবে। তখন সে তাকে ক্ষমা করলো এবং তাকে ছেড়ে দিল। সে ব্যক্তি তার রশি টানতে টানতে চলে গেল।

ওয়ায়ল হায্‌রামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ যে ঘাতক কাউকে হত্যা করেছিল, তাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসা হল। নিহত ব্যক্তির অভিভাবকই তাকে উপস্থিত করলো। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কি তাকে ক্ষমা করে দেবে ? সে বললোঃ না। তিনি বললেনঃ তাকে হত্যা করবে ? সে বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ যাও, তাকে হত্যা কর। সে রওয়ান হলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, যদি তুমি তাকে ক্ষমা কর, তবে সে তোমার গুনাহ এবং তোমার বন্ধুর গুনাহ বহন করবে। তখন সে তাকে ক্ষমা করলো এবং তাকে ছেড়ে দিল। সে ব্যক্তি তার রশি টানতে টানতে চলে গেল।

أخبرنا محمد بن إسمعيل بن إبراهيم، قال: حدثنا إسحق، عن عوف الأعرابي، عن علقمة بن وائل الحضرمي، عن أبيه قال: جيء بالقاتل الذي قتل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، جاء به ولي المقتول، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أتعفو؟» قال: لا، قال: «أتقتل؟» قال: نعم. قال: «اذهب» فلما ذهب دعاه، قال: «أتعفو؟» قال: لا. قال: «أتأخذ الدية؟» قال: لا. قال: «أتقتل؟» قال: نعم. قال: «اذهب» فلما ذهب قال: «أما إنك إن عفوت عنه، فإنه يبوء بإثمك وإثم صاحبك» فعفا عنه، فأرسله قال: فرأيته يجر نسعته


সুনান নাসাঈ > আলকামা ইব্ন ওয়ায়লের থেকে বর্ণনাকারীদের পার্থক্য

সুনান নাসাঈ ৪৭২৪

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن عوف بن أبي جميلة، قال: حدثني حمزة أبو عمر العائذي قال: حدثنا علقمة بن وائل، عن وائل قال: شهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم حين جيء بالقاتل يقوده ولي المقتول في نسعة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولي المقتول: «أتعفو؟» قال: لا، قال: «أتأخذ الدية؟» قال: لا، قال: «فتقتله؟» قال: نعم قال: «اذهب به». فلما ذهب به فولى من عنده دعاه، فقال له: «أتعفو؟» قال: لا، قال: «أتأخذ الدية؟» قال: لا، قال: «فتقتله؟» قال: نعم، قال: «اذهب به». فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم عند ذلك: «أما إنك إن عفوت عنه يبوء بإثمه وإثم صاحبك» فعفا عنه وتركه، فأنا رأيته يجر نسعته

হামযা আবু ‘আমর ‘আইযী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, যখন নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস এক হত্যাকারীকে রশিতে বেঁধে টেনে আনে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি তাকে ক্ষমা করে দেবে ? সে বললোঃ না। এরপর তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ দিয়াত নেবে ? সে বললোঃ না। তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি তাকে হত্যা করবে ? সে বললোঃ হ্যা। তিনি বললেনঃ তা হলে তাকে নিয়ে যাও। যখন সে তাকে নিয়ে চললোঃ তখন তিনি তাকে বললেনঃ তুমি তাকে ক্ষমা করে দেবে ? সে বললোঃ না। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ দিয়াত নেবে ? সে বললোঃ না। আবার জিজ্ঞাসা করলেনঃ তাকে হত্যা করবে ? সে বললোঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তাকে নিয়ে যাও। পরে তিনি বললেনঃ যদি তুমি তাকে ক্ষমা কর, তবে সে তোমার পাপ এবং নিহত ব্যক্তির পাপ বহন করবে। তখন সে তাকে ক্ষমা করে ছেড়ে দিল। (রাবী বলেন) আমি দেখলাম, সে রশি টানতে টানতে যাচ্ছে।

হামযা আবু ‘আমর ‘আইযী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, যখন নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস এক হত্যাকারীকে রশিতে বেঁধে টেনে আনে। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি তাকে ক্ষমা করে দেবে ? সে বললোঃ না। এরপর তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ দিয়াত নেবে ? সে বললোঃ না। তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি তাকে হত্যা করবে ? সে বললোঃ হ্যা। তিনি বললেনঃ তা হলে তাকে নিয়ে যাও। যখন সে তাকে নিয়ে চললোঃ তখন তিনি তাকে বললেনঃ তুমি তাকে ক্ষমা করে দেবে ? সে বললোঃ না। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ দিয়াত নেবে ? সে বললোঃ না। আবার জিজ্ঞাসা করলেনঃ তাকে হত্যা করবে ? সে বললোঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তাকে নিয়ে যাও। পরে তিনি বললেনঃ যদি তুমি তাকে ক্ষমা কর, তবে সে তোমার পাপ এবং নিহত ব্যক্তির পাপ বহন করবে। তখন সে তাকে ক্ষমা করে ছেড়ে দিল। (রাবী বলেন) আমি দেখলাম, সে রশি টানতে টানতে যাচ্ছে।

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن عوف بن أبي جميلة، قال: حدثني حمزة أبو عمر العائذي قال: حدثنا علقمة بن وائل، عن وائل قال: شهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم حين جيء بالقاتل يقوده ولي المقتول في نسعة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولي المقتول: «أتعفو؟» قال: لا، قال: «أتأخذ الدية؟» قال: لا، قال: «فتقتله؟» قال: نعم قال: «اذهب به». فلما ذهب به فولى من عنده دعاه، فقال له: «أتعفو؟» قال: لا، قال: «أتأخذ الدية؟» قال: لا، قال: «فتقتله؟» قال: نعم، قال: «اذهب به». فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم عند ذلك: «أما إنك إن عفوت عنه يبوء بإثمه وإثم صاحبك» فعفا عنه وتركه، فأنا رأيته يجر نسعته


সুনান নাসাঈ ৪৭২৫

أخبرنا محمد بن بشار قال: حدثنا يحيى قال: حدثنا جامع بن مطر الحبطي، عن علقمة بن وائل، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله، قال يحيى وهو أحسن منه

জামি’ ইবন মাতার হাবাতী আলকামা ইবন ওয়ায়ল (রাঃ) থেকে এবং তিনি তার পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

জামি’ ইবন মাতার হাবাতী আলকামা ইবন ওয়ায়ল (রাঃ) থেকে এবং তিনি তার পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

أخبرنا محمد بن بشار قال: حدثنا يحيى قال: حدثنا جامع بن مطر الحبطي، عن علقمة بن وائل، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله، قال يحيى وهو أحسن منه


সুনান নাসাঈ ৪৭২৬

أخبرنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا حفص بن عمر وهو الحوضي قال: حدثنا جامع بن مطر، عن علقمة بن وائل، عن أبيه قال: كنت قاعدا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم جاء رجل في عنقه نسعة. فقال: يا رسول الله، إن هذا وأخي كانا في جب يحفرانها، فرفع المنقار فضرب به رأس صاحبه فقتله. فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «اعف عنه» فأبى وقال: يا نبي الله، إن هذا وأخي كانا في جب يحفرانها، فرفع المنقار فضرب به رأس صاحبه فقتله، فقال: «اعف عنه» فأبى ثم قام. فقال: يا رسول الله، إن هذا وأخي كانا في جب يحفرانها، فرفع المنقار - أراه قال: - فضرب رأس صاحبه فقتله. فقال: «اعف عنه» فأبى، قال: «اذهب إن قتلته كنت مثله» فخرج به حتى جاوز، فناديناه، أما تسمع ما يقول رسول الله صلى الله عليه وسلم فرجع. فقال: «إن قتلته كنت مثله» قال: نعم أعف، فخرج يجر نسعته حتى خفي علينا

জামি‘ ইবন মাতার ‘আলকামা ইবন ওয়ায়ল থেকে এবং ওয়ায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একদা আমি রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি অন্য একজনকে নিয়ে আসে। সে বলেঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! এই ব্যক্তি এবং আমার ভাই উভয়ে কুয়ায় কাজ করতো, হঠাৎ সে কোদাল উঠিয়ে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করল এবং তাকে হত্যা করল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে ক্ষমা করে দাও। সে ব্যক্তি অস্বীকার করলো এবং বলল, হে আল্লাহর নবী! এই ব্যক্তি এবং আমার ভাই কুয়া খনন করছিল। হঠাৎ সে কোদাল তুলে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করল এবং হত্যা করল। তিনি বললেনঃ তাকে ক্ষমা কর, কিন্তু সে অস্বীকার করল, তারপর দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র নবী ! এই ব্যক্তি এবং আমার ভাই কুয়া খনন করছিল। হঠাৎ সে কোদাল তুলে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করল এবং তাকে হত্যা করল। তিনি বললেন, তাকে ক্ষমা কর। কিন্তু সে অস্বীকার করল। শেষে তিনি বললেনঃ যাও, যদি তুমি তাকে হত্যা কর, তবে তুমিও তার মত হবে। সে তাকে নিয়ে দূরে যাওয়ার পর আমরা চিৎকার করে বললামঃ তুমি কি শুনছ না রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলছেন। সে ফিরে এসে বললোঃ যদি আমি তাকে হত্যা করি তবে কি আমিও ঐরূপ হবো ? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তাকে ক্ষমা কর। এরপর সে রশি টানতে টানতে বের হল এবং আমাদের দৃষ্টির বাইরে চলে গেল।

জামি‘ ইবন মাতার ‘আলকামা ইবন ওয়ায়ল থেকে এবং ওয়ায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ একদা আমি রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি অন্য একজনকে নিয়ে আসে। সে বলেঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! এই ব্যক্তি এবং আমার ভাই উভয়ে কুয়ায় কাজ করতো, হঠাৎ সে কোদাল উঠিয়ে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করল এবং তাকে হত্যা করল। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে ক্ষমা করে দাও। সে ব্যক্তি অস্বীকার করলো এবং বলল, হে আল্লাহর নবী! এই ব্যক্তি এবং আমার ভাই কুয়া খনন করছিল। হঠাৎ সে কোদাল তুলে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করল এবং হত্যা করল। তিনি বললেনঃ তাকে ক্ষমা কর, কিন্তু সে অস্বীকার করল, তারপর দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র নবী ! এই ব্যক্তি এবং আমার ভাই কুয়া খনন করছিল। হঠাৎ সে কোদাল তুলে আমার ভাইয়ের মাথায় আঘাত করল এবং তাকে হত্যা করল। তিনি বললেন, তাকে ক্ষমা কর। কিন্তু সে অস্বীকার করল। শেষে তিনি বললেনঃ যাও, যদি তুমি তাকে হত্যা কর, তবে তুমিও তার মত হবে। সে তাকে নিয়ে দূরে যাওয়ার পর আমরা চিৎকার করে বললামঃ তুমি কি শুনছ না রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলছেন। সে ফিরে এসে বললোঃ যদি আমি তাকে হত্যা করি তবে কি আমিও ঐরূপ হবো ? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তাকে ক্ষমা কর। এরপর সে রশি টানতে টানতে বের হল এবং আমাদের দৃষ্টির বাইরে চলে গেল।

أخبرنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا حفص بن عمر وهو الحوضي قال: حدثنا جامع بن مطر، عن علقمة بن وائل، عن أبيه قال: كنت قاعدا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم جاء رجل في عنقه نسعة. فقال: يا رسول الله، إن هذا وأخي كانا في جب يحفرانها، فرفع المنقار فضرب به رأس صاحبه فقتله. فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «اعف عنه» فأبى وقال: يا نبي الله، إن هذا وأخي كانا في جب يحفرانها، فرفع المنقار فضرب به رأس صاحبه فقتله، فقال: «اعف عنه» فأبى ثم قام. فقال: يا رسول الله، إن هذا وأخي كانا في جب يحفرانها، فرفع المنقار - أراه قال: - فضرب رأس صاحبه فقتله. فقال: «اعف عنه» فأبى، قال: «اذهب إن قتلته كنت مثله» فخرج به حتى جاوز، فناديناه، أما تسمع ما يقول رسول الله صلى الله عليه وسلم فرجع. فقال: «إن قتلته كنت مثله» قال: نعم أعف، فخرج يجر نسعته حتى خفي علينا


সুনান নাসাঈ ৪৭২৭

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا حاتم، عن سماك، ذكر أن علقمة بن وائل، أخبره، عن أبيه: أنه كان قاعدا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاء رجل يقود آخر بنسعة فقال: يا رسول الله، قتل هذا أخي. فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أقتلته؟» قال: يا رسول الله، لو لم يعترف، أقمت عليه البينة؟ قال: نعم قتلته. قال: «كيف قتلته؟» قال: كنت أنا وهو نحتطب من شجرة، فسبني، فأغضبني، فضربت بالفأس على قرنه، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «هل لك من مال تؤديه عن نفسك؟» قال: يا رسول الله، مالي إلا فأسي وكسائي، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أترى قومك يشترونك؟» قال: أنا أهون على قومي من ذاك، فرمى بالنسعة إلى الرجل. فقال: «دونك صاحبك». فلما ولى قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن قتله فهو مثله»، فأدركوا الرجل فقالوا: ويلك إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «إن قتله فهو مثله» فرجع إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، حدثت أنك قلت إن قتله فهو مثله، وهل أخذته إلا بأمرك. فقال: «ما تريد أن يبوء بإثمك، وإثم صاحبك» قال: بلى. قال: «فإن ذاك». قال: ذلك كذلك

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আলকামা ইব্ন ওয়ায়ল তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, একদা তিনি রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসা ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে রশিতে বেঁধে টেনে নিয়ে আসল এবং বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! এই ব্যক্তি আমার ভাইকে হত্যা করেছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি তাকে হত্যা করেছ ? বাদী বললো, যদি সে স্বীকার না করে তা হলে আমি সাক্ষী আনবো। তখন সে ব্যক্তি বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! আমি হত্যা করেছি। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ কিভাবে হত্যা করেছ ? সে বললো, আমি এবং তার ভাই এক গাছের লাকড়ি কুড়াচ্ছিলাম। তখন সে আমাকে গালি দিল এবং আমাকে রাগিয়ে দিল। ফলে আমি তার মাথায় কুড়াল দিয়ে আঘাত করি। রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমার নিকট কি অর্থ-সম্পদ আছে, যা তুমি তোমার প্রাণের বিনিময়ে দিতে পার ? সে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! আমার নিকট একটা কম্বল এবং কুড়াল ছাড়া আর কিছুই নেই। তিনি বললেনঃ তুমি কি মনে কর, তোমার লোক তোমাকে দিয়াতের টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে নেবে। সে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আমার গোত্রের নিকট আমার এত মর্যাদা নেই যে, তারা আমাকে মালের বিনিময়ে ছড়িয়ে নেবে। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়ারিসের দিকে রশি নিক্ষেপ করলেন এবং বললেন, তাকে নিয়ে যাও। যখন সে যেতে লাগলোঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি সে তাকে হত্যা করে, তবে সেও তার মত হবে। লোক গিয়ে তাকে বললোঃ তোমার সর্বনাশ হোক, রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি সে তাকে হত্যা করে তবে সেও এইরূপ হবে। তখন সে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফিরে আসল এবং বললোঃ লোক বলছে, আপনি নাকি বলেছেনঃ আমি তাকে হত্যা করলে আমিও তার মত হবো ? আমি তো তাকে আপনার আদেশেই নিয়ে গিয়েছিলাম। তিনি বললেনঃ তুমি কি চাও যে, সে তোমার এবং তোমার এই পাপ নিজের উপর নিয়ে যাক। সে বললোঃ অবশ্যই। তিনি বললেনঃ তাই হবে। সে বললোঃ তবে তাই হোক।

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আলকামা ইব্ন ওয়ায়ল তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, একদা তিনি রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসা ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে রশিতে বেঁধে টেনে নিয়ে আসল এবং বললঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! এই ব্যক্তি আমার ভাইকে হত্যা করেছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি তাকে হত্যা করেছ ? বাদী বললো, যদি সে স্বীকার না করে তা হলে আমি সাক্ষী আনবো। তখন সে ব্যক্তি বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! আমি হত্যা করেছি। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ কিভাবে হত্যা করেছ ? সে বললো, আমি এবং তার ভাই এক গাছের লাকড়ি কুড়াচ্ছিলাম। তখন সে আমাকে গালি দিল এবং আমাকে রাগিয়ে দিল। ফলে আমি তার মাথায় কুড়াল দিয়ে আঘাত করি। রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমার নিকট কি অর্থ-সম্পদ আছে, যা তুমি তোমার প্রাণের বিনিময়ে দিতে পার ? সে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! আমার নিকট একটা কম্বল এবং কুড়াল ছাড়া আর কিছুই নেই। তিনি বললেনঃ তুমি কি মনে কর, তোমার লোক তোমাকে দিয়াতের টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে নেবে। সে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আমার গোত্রের নিকট আমার এত মর্যাদা নেই যে, তারা আমাকে মালের বিনিময়ে ছড়িয়ে নেবে। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়ারিসের দিকে রশি নিক্ষেপ করলেন এবং বললেন, তাকে নিয়ে যাও। যখন সে যেতে লাগলোঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি সে তাকে হত্যা করে, তবে সেও তার মত হবে। লোক গিয়ে তাকে বললোঃ তোমার সর্বনাশ হোক, রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি সে তাকে হত্যা করে তবে সেও এইরূপ হবে। তখন সে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফিরে আসল এবং বললোঃ লোক বলছে, আপনি নাকি বলেছেনঃ আমি তাকে হত্যা করলে আমিও তার মত হবো ? আমি তো তাকে আপনার আদেশেই নিয়ে গিয়েছিলাম। তিনি বললেনঃ তুমি কি চাও যে, সে তোমার এবং তোমার এই পাপ নিজের উপর নিয়ে যাক। সে বললোঃ অবশ্যই। তিনি বললেনঃ তাই হবে। সে বললোঃ তবে তাই হোক।

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا حاتم، عن سماك، ذكر أن علقمة بن وائل، أخبره، عن أبيه: أنه كان قاعدا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاء رجل يقود آخر بنسعة فقال: يا رسول الله، قتل هذا أخي. فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أقتلته؟» قال: يا رسول الله، لو لم يعترف، أقمت عليه البينة؟ قال: نعم قتلته. قال: «كيف قتلته؟» قال: كنت أنا وهو نحتطب من شجرة، فسبني، فأغضبني، فضربت بالفأس على قرنه، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «هل لك من مال تؤديه عن نفسك؟» قال: يا رسول الله، مالي إلا فأسي وكسائي، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أترى قومك يشترونك؟» قال: أنا أهون على قومي من ذاك، فرمى بالنسعة إلى الرجل. فقال: «دونك صاحبك». فلما ولى قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن قتله فهو مثله»، فأدركوا الرجل فقالوا: ويلك إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «إن قتله فهو مثله» فرجع إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، حدثت أنك قلت إن قتله فهو مثله، وهل أخذته إلا بأمرك. فقال: «ما تريد أن يبوء بإثمك، وإثم صاحبك» قال: بلى. قال: «فإن ذاك». قال: ذلك كذلك


সুনান নাসাঈ ৪৭২৮

أخبرنا زكريا بن يحيى قال: حدثنا عبيد الله بن معاذ قال: حدثنا أبي قال: حدثنا أبو يونس، عن سماك بن حرب أن علقمة بن وائل حدثه، أن أباه حدثه قال: إني لقاعد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاء رجل يقود آخر نحوه

সিমাক ইবন হারব থেকে বর্নিতঃ

‘আলকামা ইব্ন ওয়ায়ল তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম, এমন সময় এক ব্যক্তি আর এক ব্যক্তিকে টেনে আনে ............... অতঃপর তিনি পূর্বের অনুরূপ বর্ণনা করেন।

সিমাক ইবন হারব থেকে বর্নিতঃ

‘আলকামা ইব্ন ওয়ায়ল তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম, এমন সময় এক ব্যক্তি আর এক ব্যক্তিকে টেনে আনে ............... অতঃপর তিনি পূর্বের অনুরূপ বর্ণনা করেন।

أخبرنا زكريا بن يحيى قال: حدثنا عبيد الله بن معاذ قال: حدثنا أبي قال: حدثنا أبو يونس، عن سماك بن حرب أن علقمة بن وائل حدثه، أن أباه حدثه قال: إني لقاعد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاء رجل يقود آخر نحوه


সুনান নাসাঈ ৪৭২৯

أخبرنا محمد بن معمر، قال: حدثنا يحيى بن حماد، عن أبي عوانة، عن إسمعيل بن سالم، عن علقمة بن وائل، أن أباه حدثهم، أن النبي صلى الله عليه وسلم أتي برجل قد قتل رجلا، فدفعه إلى ولي المقتول يقتله، فقال النبي صلى الله عليه وسلم لجلسائه: «القاتل والمقتول في النار» قال: فاتبعه رجل، فأخبره، فلما أخبره تركه. قال: فلقد رأيته يجر نسعته حين تركه يذهب فذكرت ذلك لحبيب فقال: حدثني سعيد بن أشوع قال: وذكر أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر الرجل بالعفو

ইসমাঈল ইবন সালিম থেকে বর্নিতঃ

‘আলকামা ইব্ন ওয়ায়ল থেকে বর্ণনা করেন যে, তার পিতা তাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তিকে আনা হলো, যে অন্য এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। তিনি হত্যাকারীকে নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসের কাছে সোপর্দ করে দিলেন যাতে সে তাকে হত্যা করে। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীগণকে বললেনঃ নিহত ব্যক্তি এবং হত্যাকারী উভয়ে জাহান্নামে যাবে। এক ব্যক্তি ওয়ারিসকে এই সংবাদ দিল। যখন তাকে এ সংবাদ দেওয়া হলো, সে হত্যাকারীকে ছেড়ে দিল। বর্ণনাকারী বলেনঃ আমি দেখলাম, তাকে ছেড়ে দেয়ার পর সে রশি টানতে টানতে প্রস্থান করল। রাবী ইসমাঈল বলেনঃ আমি হাবীবের নিকট এই হাদীস বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ আমার নিকট সাঈদ ইব্ন আশওয়া বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই ব্যক্তিকে ক্ষমা করার আদেশ দেন।

ইসমাঈল ইবন সালিম থেকে বর্নিতঃ

‘আলকামা ইব্ন ওয়ায়ল থেকে বর্ণনা করেন যে, তার পিতা তাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তিকে আনা হলো, যে অন্য এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। তিনি হত্যাকারীকে নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসের কাছে সোপর্দ করে দিলেন যাতে সে তাকে হত্যা করে। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীগণকে বললেনঃ নিহত ব্যক্তি এবং হত্যাকারী উভয়ে জাহান্নামে যাবে। এক ব্যক্তি ওয়ারিসকে এই সংবাদ দিল। যখন তাকে এ সংবাদ দেওয়া হলো, সে হত্যাকারীকে ছেড়ে দিল। বর্ণনাকারী বলেনঃ আমি দেখলাম, তাকে ছেড়ে দেয়ার পর সে রশি টানতে টানতে প্রস্থান করল। রাবী ইসমাঈল বলেনঃ আমি হাবীবের নিকট এই হাদীস বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ আমার নিকট সাঈদ ইব্ন আশওয়া বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই ব্যক্তিকে ক্ষমা করার আদেশ দেন।

أخبرنا محمد بن معمر، قال: حدثنا يحيى بن حماد، عن أبي عوانة، عن إسمعيل بن سالم، عن علقمة بن وائل، أن أباه حدثهم، أن النبي صلى الله عليه وسلم أتي برجل قد قتل رجلا، فدفعه إلى ولي المقتول يقتله، فقال النبي صلى الله عليه وسلم لجلسائه: «القاتل والمقتول في النار» قال: فاتبعه رجل، فأخبره، فلما أخبره تركه. قال: فلقد رأيته يجر نسعته حين تركه يذهب فذكرت ذلك لحبيب فقال: حدثني سعيد بن أشوع قال: وذكر أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر الرجل بالعفو


সুনান নাসাঈ ৪৭৩০

أخبرنا عيسى بن يونس، قال: حدثنا ضمرة، عن عبد الله بن شوذب، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أن رجلا أتى بقاتل وليه رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «اعف عنه» فأبى. فقال: «خذ الدية» فأبى. قال: «اذهب فاقتله، فإنك مثله» فذهب فلحق الرجل، فقيل له: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «اقتله فإنك مثله» فخلى سبيله، فمر بي الرجل وهو يجر نسعته

আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি তার এক ঘনিষ্ঠজনের হত্যাকারীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তাকে ক্ষমা করে দাও। সে ব্যক্তি তা অস্বীকার করল। তিনি বললেনঃ যাও তাকে হত্যা কর, আর তুমিও তার মত হবে। সে চলে গেল। এক ব্যক্তি তার সাথে মিলিত হয়ে বললোঃ রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি তুমি তাকে হত্যা কর তবে তুমিও তার মত হবে। একথা শুনে ঐ ব্যক্তি তাকে ক্ষমা করে দিল। তখন সে আমার সামনে দিয়ে রশি টেনে নিয়ে চলে গেল।

আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি তার এক ঘনিষ্ঠজনের হত্যাকারীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তাকে ক্ষমা করে দাও। সে ব্যক্তি তা অস্বীকার করল। তিনি বললেনঃ যাও তাকে হত্যা কর, আর তুমিও তার মত হবে। সে চলে গেল। এক ব্যক্তি তার সাথে মিলিত হয়ে বললোঃ রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি তুমি তাকে হত্যা কর তবে তুমিও তার মত হবে। একথা শুনে ঐ ব্যক্তি তাকে ক্ষমা করে দিল। তখন সে আমার সামনে দিয়ে রশি টেনে নিয়ে চলে গেল।

أخبرنا عيسى بن يونس، قال: حدثنا ضمرة، عن عبد الله بن شوذب، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أن رجلا أتى بقاتل وليه رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «اعف عنه» فأبى. فقال: «خذ الدية» فأبى. قال: «اذهب فاقتله، فإنك مثله» فذهب فلحق الرجل، فقيل له: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «اقتله فإنك مثله» فخلى سبيله، فمر بي الرجل وهو يجر نسعته


সুনান নাসাঈ ৪৭৩১

أخبرنا الحسن بن إسحق المروزي، قال: حدثني خالد بن خداش، قال: حدثنا حاتم بن إسمعيل، عن بشير بن المهاجر، عن عبد الله بن بريدة، عن أبيه، أن رجلا جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: إن هذا الرجل قتل أخي، قال: «اذهب فاقتله كما قتل أخاك». فقال له الرجل: اتق الله، واعف عني، فإنه أعظم لأجرك، وخير لك ولأخيك يوم القيامة، قال: فخلى عنه. قال: فأخبر النبي صلى الله عليه وسلم، فسأله، فأخبره بما قال له، قال: " فأعنفه أما إنه كان خيرا مما هو صانع بك يوم القيامة، يقول: يا رب، سل هذا فيم قتلني " ... [حكم الألباني] ضعيف الإسناد

বুরায়দা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! এ ব্যক্তি আমার ভাইকে হত্যা করেছে। তখন রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যাও, তুমিও তাকে হত্যা কর, যেমন সে তোমার ভাইকে হত্যা করেছে। সেই ব্যক্তি বললোঃ আল্লাহকে ভয় কর এবং আমাকে ক্ষমা করে দাও, তোমার অনেক সওয়াব হবে, আর কিয়ামতের দিন তোমার এবং তোমার ভাই-এর জন্য উত্তম হবে। একথা শুনে সে হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দিল। পরে রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একথা জানতে পেরে তাকে জিজ্ঞাসা করলে, সে যা করেছিল, তা বর্ণনা করলো। তখন রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে [হত্যাকারীকে] তিরস্কার করে বললেনঃ কিয়ামতের দিন সে অর্থাৎ নিহত ব্যক্তি তোমার সাথে যা করবে, তার চেয়ে এটাই [অর্থাৎ শান্তি গ্রহণই] তোমার পক্ষে শ্রেয় ছিল। সে বলবে, হে আল্লাহ ! তাকে জিজ্ঞাসা করুন, সে আমাকে কেন হত্যা করেছিল ?

বুরায়দা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! এ ব্যক্তি আমার ভাইকে হত্যা করেছে। তখন রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যাও, তুমিও তাকে হত্যা কর, যেমন সে তোমার ভাইকে হত্যা করেছে। সেই ব্যক্তি বললোঃ আল্লাহকে ভয় কর এবং আমাকে ক্ষমা করে দাও, তোমার অনেক সওয়াব হবে, আর কিয়ামতের দিন তোমার এবং তোমার ভাই-এর জন্য উত্তম হবে। একথা শুনে সে হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দিল। পরে রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একথা জানতে পেরে তাকে জিজ্ঞাসা করলে, সে যা করেছিল, তা বর্ণনা করলো। তখন রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে [হত্যাকারীকে] তিরস্কার করে বললেনঃ কিয়ামতের দিন সে অর্থাৎ নিহত ব্যক্তি তোমার সাথে যা করবে, তার চেয়ে এটাই [অর্থাৎ শান্তি গ্রহণই] তোমার পক্ষে শ্রেয় ছিল। সে বলবে, হে আল্লাহ ! তাকে জিজ্ঞাসা করুন, সে আমাকে কেন হত্যা করেছিল ?

أخبرنا الحسن بن إسحق المروزي، قال: حدثني خالد بن خداش، قال: حدثنا حاتم بن إسمعيل، عن بشير بن المهاجر، عن عبد الله بن بريدة، عن أبيه، أن رجلا جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: إن هذا الرجل قتل أخي، قال: «اذهب فاقتله كما قتل أخاك». فقال له الرجل: اتق الله، واعف عني، فإنه أعظم لأجرك، وخير لك ولأخيك يوم القيامة، قال: فخلى عنه. قال: فأخبر النبي صلى الله عليه وسلم، فسأله، فأخبره بما قال له، قال: " فأعنفه أما إنه كان خيرا مما هو صانع بك يوم القيامة، يقول: يا رب، سل هذا فيم قتلني " ... [حكم الألباني] ضعيف الإسناد


সুনান নাসাঈ > উল্লিখিত আয়াতের[১] ব্যাখ্যা এবং এ সম্পর্কে ইকরিমা থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে বর্ণনাগত পার্থক্য

সুনান নাসাঈ ৪৭৩২

أخبرنا القاسم بن زكريا بن دينار، قال: حدثنا عبيد الله بن موسى، قال: أنبأنا علي وهو بن صالح عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس قال: كان قريظة والنضير وكان النضير أشرف من قريظة وكان إذا قتل رجل من قريظة رجلا من النضير قتل به، وإذا قتل رجل من النضير رجلا من قريظة أدى مائة وسق من تمر، فلما بعث النبي صلى الله عليه وسلم قتل رجل من النضير رجلا من قريظة فقالوا: ادفعوه إلينا نقتله. فقالوا: بيننا وبينكم النبي صلى الله عليه وسلم، فأتوه فنزلت: " {وإن حكمت فاحكم بينهم بالقسط} [المائدة: 42] " والقسط: النفس بالنفس، ثم نزلت: " {أفحكم الجاهلية يبغون} [المائدة: 50] "

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিম (রহঃ) হতে এবং তিনি হযরত ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ কুরায়যা ও নষীর ইয়াহূদীদের দুটি গোত্র। এদের মধ্যে বনূ নযীর গোত্র বনূ কুরায়যা গোত্র থেকে মযাদাশালী ছিল। বনূ কুরায়যার কোন ব্যক্তি বনূ নয়ীরের কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে তাকে হত্যা করা হতো। কিন্তু বনূ নযীরের কোন ব্যক্তি বনূ কুরায়যার কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে রক্তপণ স্বরূপ সে একশত ওসাক খেজুর আদায় করতো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নবূয়তের পর বনূ নযীরের এক ব্যক্তি কুরায়যার এক ব্যক্তিকে হত্যা করল। তখন বনূ কুরায়যার লোকেরা বললঃ হত্যাকারীকে আমাদের হাওলা কর, আমরা তাকে হত্য করবো। বনূ নযীরের লোকেরা বললোঃ তোমাদের এবং আমাদের মধ্যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রয়েছেন। তারা তাঁর নিকট আসলে, তখন আয়াত নাযিল হলোঃ “যদি আপনি কফিরদের মধ্যে মীমাংসা করেন, তবে ইনসাফের সাথে মীমাংসা করবেন,” আর ইনসাফ হলো প্রাণের পরিবর্তে প্রাণ নেয়া। এরপর নাযিল হলোঃ “তারা কি অজ্ঞতার যুগের রেওয়াজ পছন্দ করছে ?”

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিম (রহঃ) হতে এবং তিনি হযরত ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেনঃ কুরায়যা ও নষীর ইয়াহূদীদের দুটি গোত্র। এদের মধ্যে বনূ নযীর গোত্র বনূ কুরায়যা গোত্র থেকে মযাদাশালী ছিল। বনূ কুরায়যার কোন ব্যক্তি বনূ নয়ীরের কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে তাকে হত্যা করা হতো। কিন্তু বনূ নযীরের কোন ব্যক্তি বনূ কুরায়যার কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে রক্তপণ স্বরূপ সে একশত ওসাক খেজুর আদায় করতো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নবূয়তের পর বনূ নযীরের এক ব্যক্তি কুরায়যার এক ব্যক্তিকে হত্যা করল। তখন বনূ কুরায়যার লোকেরা বললঃ হত্যাকারীকে আমাদের হাওলা কর, আমরা তাকে হত্য করবো। বনূ নযীরের লোকেরা বললোঃ তোমাদের এবং আমাদের মধ্যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রয়েছেন। তারা তাঁর নিকট আসলে, তখন আয়াত নাযিল হলোঃ “যদি আপনি কফিরদের মধ্যে মীমাংসা করেন, তবে ইনসাফের সাথে মীমাংসা করবেন,” আর ইনসাফ হলো প্রাণের পরিবর্তে প্রাণ নেয়া। এরপর নাযিল হলোঃ “তারা কি অজ্ঞতার যুগের রেওয়াজ পছন্দ করছে ?”

أخبرنا القاسم بن زكريا بن دينار، قال: حدثنا عبيد الله بن موسى، قال: أنبأنا علي وهو بن صالح عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس قال: كان قريظة والنضير وكان النضير أشرف من قريظة وكان إذا قتل رجل من قريظة رجلا من النضير قتل به، وإذا قتل رجل من النضير رجلا من قريظة أدى مائة وسق من تمر، فلما بعث النبي صلى الله عليه وسلم قتل رجل من النضير رجلا من قريظة فقالوا: ادفعوه إلينا نقتله. فقالوا: بيننا وبينكم النبي صلى الله عليه وسلم، فأتوه فنزلت: " {وإن حكمت فاحكم بينهم بالقسط} [المائدة: 42] " والقسط: النفس بالنفس، ثم نزلت: " {أفحكم الجاهلية يبغون} [المائدة: 50] "


সুনান নাসাঈ ৪৭৩৩

أخبرنا عبيد الله بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، أخبرني داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس: «أن الآيات التي في المائدة التي قالها الله عز وجل»: {فاحكم بينهم أو أعرض عنهم} [المائدة: 42] إلى {المقسطين} [المائدة: 42] «إنما نزلت في الدية بين النضير وبين قريظة وذلك أن قتلى النضير كان لهم شرف يودون الدية كاملة، وأن بني قريظة كانوا يودون نصف الدية فتحاكموا في ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأنزل الله عز وجل ذلك فيهم، فحملهم رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحق في ذلك فجعل الدية سواء» ... [حكم الألباني] حسن صحيح الإسناد

দাঊদ ইবন হুসায়ন থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিমা থেকে এবং তিনি ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সূরা মায়িদার আয়াতঃ “তারা যদি তোমার কাছে আসে, তবে তাদের বিচার নিষ্পত্তি করো, অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করো। তুমি যদি তাদেরকে উপেক্ষা কর, তবে তারা তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি বিচার-নিষ্পত্তি কর তবে ন্যায়বিচার করো। আল্লাহ্ ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।” (৫ : ৪২) বনূ নয়ীর এবং বনূ কুরায়যার রক্তপণের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। যেহেতু বনূ নযীর গোত্র ছিল মর্যাদাশালী, তাই তাদের কোন ব্যক্তি নিহত হলে তারা পূর্ণ রক্তপণ আদায় করতো, আর যদি কুরায়যার কোন ব্যক্তি নিহত হতো তবে তারা অর্ধ রক্তপণ পেত। এরপর তারা এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মীমাংসা –প্রার্থী হয়। এমতাবস্থায় আল্লাহ্ তাআলা তাদের ব্যাপারে এই আয়াত নাযিল করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং দিয়াত সমান করে দেন।

দাঊদ ইবন হুসায়ন থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিমা থেকে এবং তিনি ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সূরা মায়িদার আয়াতঃ “তারা যদি তোমার কাছে আসে, তবে তাদের বিচার নিষ্পত্তি করো, অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করো। তুমি যদি তাদেরকে উপেক্ষা কর, তবে তারা তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি বিচার-নিষ্পত্তি কর তবে ন্যায়বিচার করো। আল্লাহ্ ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।” (৫ : ৪২) বনূ নয়ীর এবং বনূ কুরায়যার রক্তপণের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। যেহেতু বনূ নযীর গোত্র ছিল মর্যাদাশালী, তাই তাদের কোন ব্যক্তি নিহত হলে তারা পূর্ণ রক্তপণ আদায় করতো, আর যদি কুরায়যার কোন ব্যক্তি নিহত হতো তবে তারা অর্ধ রক্তপণ পেত। এরপর তারা এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মীমাংসা –প্রার্থী হয়। এমতাবস্থায় আল্লাহ্ তাআলা তাদের ব্যাপারে এই আয়াত নাযিল করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং দিয়াত সমান করে দেন।

أخبرنا عبيد الله بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، أخبرني داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس: «أن الآيات التي في المائدة التي قالها الله عز وجل»: {فاحكم بينهم أو أعرض عنهم} [المائدة: 42] إلى {المقسطين} [المائدة: 42] «إنما نزلت في الدية بين النضير وبين قريظة وذلك أن قتلى النضير كان لهم شرف يودون الدية كاملة، وأن بني قريظة كانوا يودون نصف الدية فتحاكموا في ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأنزل الله عز وجل ذلك فيهم، فحملهم رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحق في ذلك فجعل الدية سواء» ... [حكم الألباني] حسن صحيح الإسناد


সুনান নাসাঈ ৪৭৩৩

أخبرنا عبيد الله بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، أخبرني داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس: «أن الآيات التي في المائدة التي قالها الله عز وجل»: {فاحكم بينهم أو أعرض عنهم} [المائدة: 42] إلى {المقسطين} [المائدة: 42] «إنما نزلت في الدية بين النضير وبين قريظة وذلك أن قتلى النضير كان لهم شرف يودون الدية كاملة، وأن بني قريظة كانوا يودون نصف الدية فتحاكموا في ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأنزل الله عز وجل ذلك فيهم، فحملهم رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحق في ذلك فجعل الدية سواء» ... [حكم الألباني] حسن صحيح الإسناد

দাঊদ ইবন হুসায়ন থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিমা থেকে এবং তিনি ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সূরা মায়িদার আয়াতঃ “তারা যদি তোমার কাছে আসে, তবে তাদের বিচার নিষ্পত্তি করো, অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করো। তুমি যদি তাদেরকে উপেক্ষা কর, তবে তারা তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি বিচার-নিষ্পত্তি কর তবে ন্যায়বিচার করো। আল্লাহ্ ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।” (৫ : ৪২) বনূ নয়ীর এবং বনূ কুরায়যার রক্তপণের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। যেহেতু বনূ নযীর গোত্র ছিল মর্যাদাশালী, তাই তাদের কোন ব্যক্তি নিহত হলে তারা পূর্ণ রক্তপণ আদায় করতো, আর যদি কুরায়যার কোন ব্যক্তি নিহত হতো তবে তারা অর্ধ রক্তপণ পেত। এরপর তারা এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মীমাংসা –প্রার্থী হয়। এমতাবস্থায় আল্লাহ্ তাআলা তাদের ব্যাপারে এই আয়াত নাযিল করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং দিয়াত সমান করে দেন।

দাঊদ ইবন হুসায়ন থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিমা থেকে এবং তিনি ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সূরা মায়িদার আয়াতঃ “তারা যদি তোমার কাছে আসে, তবে তাদের বিচার নিষ্পত্তি করো, অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করো। তুমি যদি তাদেরকে উপেক্ষা কর, তবে তারা তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি বিচার-নিষ্পত্তি কর তবে ন্যায়বিচার করো। আল্লাহ্ ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।” (৫ : ৪২) বনূ নয়ীর এবং বনূ কুরায়যার রক্তপণের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। যেহেতু বনূ নযীর গোত্র ছিল মর্যাদাশালী, তাই তাদের কোন ব্যক্তি নিহত হলে তারা পূর্ণ রক্তপণ আদায় করতো, আর যদি কুরায়যার কোন ব্যক্তি নিহত হতো তবে তারা অর্ধ রক্তপণ পেত। এরপর তারা এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মীমাংসা –প্রার্থী হয়। এমতাবস্থায় আল্লাহ্ তাআলা তাদের ব্যাপারে এই আয়াত নাযিল করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং দিয়াত সমান করে দেন।

أخبرنا عبيد الله بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، أخبرني داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس: «أن الآيات التي في المائدة التي قالها الله عز وجل»: {فاحكم بينهم أو أعرض عنهم} [المائدة: 42] إلى {المقسطين} [المائدة: 42] «إنما نزلت في الدية بين النضير وبين قريظة وذلك أن قتلى النضير كان لهم شرف يودون الدية كاملة، وأن بني قريظة كانوا يودون نصف الدية فتحاكموا في ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأنزل الله عز وجل ذلك فيهم، فحملهم رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحق في ذلك فجعل الدية سواء» ... [حكم الألباني] حسن صحيح الإسناد


সুনান নাসাঈ ৪৭৩৩

أخبرنا عبيد الله بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، أخبرني داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس: «أن الآيات التي في المائدة التي قالها الله عز وجل»: {فاحكم بينهم أو أعرض عنهم} [المائدة: 42] إلى {المقسطين} [المائدة: 42] «إنما نزلت في الدية بين النضير وبين قريظة وذلك أن قتلى النضير كان لهم شرف يودون الدية كاملة، وأن بني قريظة كانوا يودون نصف الدية فتحاكموا في ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأنزل الله عز وجل ذلك فيهم، فحملهم رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحق في ذلك فجعل الدية سواء» ... [حكم الألباني] حسن صحيح الإسناد

দাঊদ ইবন হুসায়ন থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিমা থেকে এবং তিনি ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সূরা মায়িদার আয়াতঃ “তারা যদি তোমার কাছে আসে, তবে তাদের বিচার নিষ্পত্তি করো, অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করো। তুমি যদি তাদেরকে উপেক্ষা কর, তবে তারা তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি বিচার-নিষ্পত্তি কর তবে ন্যায়বিচার করো। আল্লাহ্ ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।” (৫ : ৪২) বনূ নয়ীর এবং বনূ কুরায়যার রক্তপণের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। যেহেতু বনূ নযীর গোত্র ছিল মর্যাদাশালী, তাই তাদের কোন ব্যক্তি নিহত হলে তারা পূর্ণ রক্তপণ আদায় করতো, আর যদি কুরায়যার কোন ব্যক্তি নিহত হতো তবে তারা অর্ধ রক্তপণ পেত। এরপর তারা এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মীমাংসা –প্রার্থী হয়। এমতাবস্থায় আল্লাহ্ তাআলা তাদের ব্যাপারে এই আয়াত নাযিল করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং দিয়াত সমান করে দেন।

দাঊদ ইবন হুসায়ন থেকে বর্নিতঃ

‘ইকরিমা থেকে এবং তিনি ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সূরা মায়িদার আয়াতঃ “তারা যদি তোমার কাছে আসে, তবে তাদের বিচার নিষ্পত্তি করো, অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করো। তুমি যদি তাদেরকে উপেক্ষা কর, তবে তারা তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি বিচার-নিষ্পত্তি কর তবে ন্যায়বিচার করো। আল্লাহ্ ন্যায়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন।” (৫ : ৪২) বনূ নয়ীর এবং বনূ কুরায়যার রক্তপণের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। যেহেতু বনূ নযীর গোত্র ছিল মর্যাদাশালী, তাই তাদের কোন ব্যক্তি নিহত হলে তারা পূর্ণ রক্তপণ আদায় করতো, আর যদি কুরায়যার কোন ব্যক্তি নিহত হতো তবে তারা অর্ধ রক্তপণ পেত। এরপর তারা এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মীমাংসা –প্রার্থী হয়। এমতাবস্থায় আল্লাহ্ তাআলা তাদের ব্যাপারে এই আয়াত নাযিল করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং দিয়াত সমান করে দেন।

أخبرنا عبيد الله بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، أخبرني داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس: «أن الآيات التي في المائدة التي قالها الله عز وجل»: {فاحكم بينهم أو أعرض عنهم} [المائدة: 42] إلى {المقسطين} [المائدة: 42] «إنما نزلت في الدية بين النضير وبين قريظة وذلك أن قتلى النضير كان لهم شرف يودون الدية كاملة، وأن بني قريظة كانوا يودون نصف الدية فتحاكموا في ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأنزل الله عز وجل ذلك فيهم، فحملهم رسول الله صلى الله عليه وسلم على الحق في ذلك فجعل الدية سواء» ... [حكم الألباني] حسن صحيح الإسناد


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00