সুনান নাসাঈ > বিক্রিত দ্রব্যে কোন হকদারের হোক প্রমাণিত হলে
সুনান নাসাঈ ৪৬৭৯
أخبرني هارون بن عبد الله، قال: حدثنا حماد بن مسعدة، عن ابن جريج، عن عكرمة بن خالد، قال: حدثني أسيد بن حضير بن سماك: «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى أنه إذا وجدها في يد الرجل غير المتهم، فإن شاء أخذها بما اشتراها، وإن شاء اتبع سارقه، وقضى بذلك أبو بكر وعمر»
উসায়দ ইব্ন হুযায়র ইব্ন সিমাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফয়সালা দিয়েছেন, যদি কোন ব্যক্তি এমন কোন ব্যক্তির নিকট তার মাল পায় যার উপর চুরির অভিযোগ আনা যায় না, তবে তার ইচ্ছা হলে সে ঐ মূল্য দিয়ে তা গ্রহণ করতে পারে, যে মূল্যে সে ব্যক্তি ক্রয় করেছে। আর ইচ্ছা করলে চোরের অনুসন্ধান করতে পারে। আবূ বকর এবং উমর (রাঃ)- ও এরূপ ফয়সালা প্রদান করেন।
উসায়দ ইব্ন হুযায়র ইব্ন সিমাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফয়সালা দিয়েছেন, যদি কোন ব্যক্তি এমন কোন ব্যক্তির নিকট তার মাল পায় যার উপর চুরির অভিযোগ আনা যায় না, তবে তার ইচ্ছা হলে সে ঐ মূল্য দিয়ে তা গ্রহণ করতে পারে, যে মূল্যে সে ব্যক্তি ক্রয় করেছে। আর ইচ্ছা করলে চোরের অনুসন্ধান করতে পারে। আবূ বকর এবং উমর (রাঃ)- ও এরূপ ফয়সালা প্রদান করেন।
أخبرني هارون بن عبد الله، قال: حدثنا حماد بن مسعدة، عن ابن جريج، عن عكرمة بن خالد، قال: حدثني أسيد بن حضير بن سماك: «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى أنه إذا وجدها في يد الرجل غير المتهم، فإن شاء أخذها بما اشتراها، وإن شاء اتبع سارقه، وقضى بذلك أبو بكر وعمر»
সুনান নাসাঈ ৪৬৮০
أخبرنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا سعيد بن ذؤيب، قال: حدثنا عبد الرزاق، عن ابن جريج، ولقد أخبرني عكرمة بن خالد، أن أسيد بن حضير الأنصاري، ثم أحد بني حارثة أخبره أنه كان عاملا على اليمامة، وأن مروان كتب إليه، أن معاوية كتب إليه: أن أيما رجل سرق منه سرقة، فهو أحق بها حيث وجدها، ثم كتب بذلك مروان إلي، فكتبت إلى مروان: «أن النبي صلى الله عليه وسلم قضى بأنه إذا كان الذي ابتاعها من الذي سرقها غير متهم، يخير سيدها، فإن شاء أخذ الذي سرق منه بثمنها، وإن شاء اتبع سارقه، ثم قضى بذلك أبو بكر وعمر وعثمان»، فبعث مروان بكتابي إلى معاوية، وكتب معاوية إلى مروان: إنك لست أنت ولا أسيد تقضيان علي، ولكني أقضي فيما وليت عليكما، فأنفذ لما أمرتك به، فبعث مروان بكتاب معاوية، فقلت: لا أقضي به ما وليت بما قال معاوية
ইকরিমা ইব্ন খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উসায়দ ইব্ন হুযায়র আনসারী (রাঃ) ইয়ামামার শাসনকর্তা ছিলেন। মারওয়ান তার নিকট লিখেন যে, মুয়াবিয়া (রাঃ) তার নিকট লিখেছেনঃ যার কোন বস্তু চুরি যায়, তবে সে তার অধিক হকদার, যেখানেই সে তা পাক না কেন। উসায়দ (রাঃ) বলেনঃ মারওয়ান আমাকে এরূপ লিখলে আমি মারওয়ানকে লিখলামঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফয়সালা দিয়েছেনঃ যে ব্যক্তি চোরের নিকট হতে তা ক্রয় করেছে সে যদি এমন লোক হয়, যার প্রতি চুরির অভিযোগ নেই, তবে মালের মালিক ইচ্ছা করলে মুল্য দিয়ে তা নিবে, না হয় চোরের অনুসন্ধান করবে। এরপর এর অনুকরণে আবূ বকর, উমর (রাঃ) এবং উসমান (রাঃ) ফয়সালা করেন। মুয়াবিয়া (রাঃ) মারওয়ানকে লিখেন যে, তুমি এবং উসায়দ আমার বিপরীতে ফয়সালা দিতে পার না; বরং আমি যে কর্তৃত্ব লাভ করেছি, সে জন্য আমিই তোমাদের বিপরীতে ফয়সালা দিতে পারি। অতএব আমি যে আদেশ করেছি তা কার্যকর কর। মারওয়ান মুয়াবিয়া (রাঃ)- এর চিঠি আমার নিকট পাঠালে আমি বললামঃ আমি যতদিন শাসক থাকি, ততদিন তাঁর কথামত বিচার করবো না।
ইকরিমা ইব্ন খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উসায়দ ইব্ন হুযায়র আনসারী (রাঃ) ইয়ামামার শাসনকর্তা ছিলেন। মারওয়ান তার নিকট লিখেন যে, মুয়াবিয়া (রাঃ) তার নিকট লিখেছেনঃ যার কোন বস্তু চুরি যায়, তবে সে তার অধিক হকদার, যেখানেই সে তা পাক না কেন। উসায়দ (রাঃ) বলেনঃ মারওয়ান আমাকে এরূপ লিখলে আমি মারওয়ানকে লিখলামঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফয়সালা দিয়েছেনঃ যে ব্যক্তি চোরের নিকট হতে তা ক্রয় করেছে সে যদি এমন লোক হয়, যার প্রতি চুরির অভিযোগ নেই, তবে মালের মালিক ইচ্ছা করলে মুল্য দিয়ে তা নিবে, না হয় চোরের অনুসন্ধান করবে। এরপর এর অনুকরণে আবূ বকর, উমর (রাঃ) এবং উসমান (রাঃ) ফয়সালা করেন। মুয়াবিয়া (রাঃ) মারওয়ানকে লিখেন যে, তুমি এবং উসায়দ আমার বিপরীতে ফয়সালা দিতে পার না; বরং আমি যে কর্তৃত্ব লাভ করেছি, সে জন্য আমিই তোমাদের বিপরীতে ফয়সালা দিতে পারি। অতএব আমি যে আদেশ করেছি তা কার্যকর কর। মারওয়ান মুয়াবিয়া (রাঃ)- এর চিঠি আমার নিকট পাঠালে আমি বললামঃ আমি যতদিন শাসক থাকি, ততদিন তাঁর কথামত বিচার করবো না।
أخبرنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا سعيد بن ذؤيب، قال: حدثنا عبد الرزاق، عن ابن جريج، ولقد أخبرني عكرمة بن خالد، أن أسيد بن حضير الأنصاري، ثم أحد بني حارثة أخبره أنه كان عاملا على اليمامة، وأن مروان كتب إليه، أن معاوية كتب إليه: أن أيما رجل سرق منه سرقة، فهو أحق بها حيث وجدها، ثم كتب بذلك مروان إلي، فكتبت إلى مروان: «أن النبي صلى الله عليه وسلم قضى بأنه إذا كان الذي ابتاعها من الذي سرقها غير متهم، يخير سيدها، فإن شاء أخذ الذي سرق منه بثمنها، وإن شاء اتبع سارقه، ثم قضى بذلك أبو بكر وعمر وعثمان»، فبعث مروان بكتابي إلى معاوية، وكتب معاوية إلى مروان: إنك لست أنت ولا أسيد تقضيان علي، ولكني أقضي فيما وليت عليكما، فأنفذ لما أمرتك به، فبعث مروان بكتاب معاوية، فقلت: لا أقضي به ما وليت بما قال معاوية
সুনান নাসাঈ ৪৬৮২
أخبرنا قتيبة بن سعيد، قال: حدثنا غندر، عن شعبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «أيما امرأة زوجها وليان فهي للأول منهما ومن، باع بيعا من رجلين فهو للأول منهما»
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কোন মহিলাকে দুই অভিভাবক বিয়ে দেয়, তবে প্রথম যার সাথে বিবাহ হয়েছে, সে তারই স্ত্রী হবে। আর যদি কেউ কোন জিনিস দু’জন লোকের কাছে বিক্রি করে, তবে তা প্রথমজনেরই প্রাপ্য।
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কোন মহিলাকে দুই অভিভাবক বিয়ে দেয়, তবে প্রথম যার সাথে বিবাহ হয়েছে, সে তারই স্ত্রী হবে। আর যদি কেউ কোন জিনিস দু’জন লোকের কাছে বিক্রি করে, তবে তা প্রথমজনেরই প্রাপ্য।
أخبرنا قتيبة بن سعيد، قال: حدثنا غندر، عن شعبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «أيما امرأة زوجها وليان فهي للأول منهما ومن، باع بيعا من رجلين فهو للأول منهما»
সুনান নাসাঈ ৪৬৮১
حدثنا محمد بن داود، قال: حدثنا عمرو بن عون، قال: حدثنا هشيم، عن موسى بن السائب، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الرجل أحق بعين ماله إذا وجده ويتبع البائع من باعه» ... [حكم الألباني] ضعيف الإسناد
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন লোক কারও কাছে তার মাল পেলে সে-ই তার মালের অধিক হকদার। আর ক্রেতা সেই ব্যক্তিকে ধরবে, যে তার কাছে তা বিক্রি করেছে।
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন লোক কারও কাছে তার মাল পেলে সে-ই তার মালের অধিক হকদার। আর ক্রেতা সেই ব্যক্তিকে ধরবে, যে তার কাছে তা বিক্রি করেছে।
حدثنا محمد بن داود، قال: حدثنا عمرو بن عون، قال: حدثنا هشيم، عن موسى بن السائب، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الرجل أحق بعين ماله إذا وجده ويتبع البائع من باعه» ... [حكم الألباني] ضعيف الإسناد
সুনান নাসাঈ > কর্জ নেওয়া
সুনান নাসাঈ ৪৬৮৩
حدثنا عمرو بن علي، قال: حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن إسمعيل بن إبراهيم بن عبد الله بن أبي ربيعة، عن أبيه، عن جده، قال: استقرض مني النبي صلى الله عليه وسلم أربعين ألفا، فجاءه مال فدفعه إلي، وقال: «بارك الله لك في أهلك ومالك، إنما جزاء السلف الحمد والأداء»
ইসমাইল ইব্ন ইবরাহীম ইব্ন আবদুল্লাহ ইব্ন আবূ রাবীআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তার পিতার মাধ্যমে তার দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট হতে চল্লিশ হাজার দিরহাম কর্জ নিয়েছিলেন। এরপর তাঁর নিকট মাল আসলে তিনি তা আদায় করে বলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা তোমার ঘরে এবং মালে বরকত দান করুন। কর্জের বিনিময় তো এই যে, লোক কর্জদাতার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে এবং তা আদায় করবে।
ইসমাইল ইব্ন ইবরাহীম ইব্ন আবদুল্লাহ ইব্ন আবূ রাবীআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তার পিতার মাধ্যমে তার দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট হতে চল্লিশ হাজার দিরহাম কর্জ নিয়েছিলেন। এরপর তাঁর নিকট মাল আসলে তিনি তা আদায় করে বলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা তোমার ঘরে এবং মালে বরকত দান করুন। কর্জের বিনিময় তো এই যে, লোক কর্জদাতার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে এবং তা আদায় করবে।
حدثنا عمرو بن علي، قال: حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن إسمعيل بن إبراهيم بن عبد الله بن أبي ربيعة، عن أبيه، عن جده، قال: استقرض مني النبي صلى الله عليه وسلم أربعين ألفا، فجاءه مال فدفعه إلي، وقال: «بارك الله لك في أهلك ومالك، إنما جزاء السلف الحمد والأداء»
সুনান নাসাঈ > দেনা সম্পর্কে কঠিন সতর্কবাণী
সুনান নাসাঈ ৪৬৮৪
أخبرنا علي بن حجر، عن إسمعيل، قال: حدثنا العلاء، عن أبي كثير، مولى محمد بن جحش، عن محمد بن جحش قال: كنا جلوسا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فرفع رأسه إلى السماء، ثم وضع راحته على جبهته، ثم قال: «سبحان الله، ماذا نزل من التشديد» فسكتنا وفزعنا، فلما كان من الغد، سألته: يا رسول الله، ما هذا التشديد الذي نزل؟ فقال: «والذي نفسي بيده، لو أن رجلا قتل في سبيل الله ثم أحيي، ثم قتل ثم أحيي، ثم قتل وعليه دين، ما دخل الجنة حتى يقضى عنه دينه»
মুহাম্মদ ইব্ন জাহাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় তিনি আকাশের দিকে তাঁর মাথা উঠান, তারপর তাঁর হাত ললাটের উপর স্থাপন করে বলেনঃ সুব্হানাল্লাহ্! কী কঠোরতা অবতীর্ণ হলো! আমরা ভয়ে নির্বাক হয়ে গেলাম। পরদিন আমি জিজ্ঞাস করলামঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ! ঐ কঠোরতা কী ছিল, যা অবতীর্ণ হয়েছে? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যাঁর নিয়ন্ত্রণে আমার প্রাণ তাঁর কসম। যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় শহীদ হয়, আবার জীবন লাভ করে; আবার শহীদ হয় এবং আবার জীবিত হয়, পরে আবার শহীদ হয়, আর তার উপর কর্জ থাকে, তবে তার পক্ষ হতে সে কর্জ আদায় না হওয়া পর্যন্ত সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
মুহাম্মদ ইব্ন জাহাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় তিনি আকাশের দিকে তাঁর মাথা উঠান, তারপর তাঁর হাত ললাটের উপর স্থাপন করে বলেনঃ সুব্হানাল্লাহ্! কী কঠোরতা অবতীর্ণ হলো! আমরা ভয়ে নির্বাক হয়ে গেলাম। পরদিন আমি জিজ্ঞাস করলামঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ! ঐ কঠোরতা কী ছিল, যা অবতীর্ণ হয়েছে? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যাঁর নিয়ন্ত্রণে আমার প্রাণ তাঁর কসম। যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় শহীদ হয়, আবার জীবন লাভ করে; আবার শহীদ হয় এবং আবার জীবিত হয়, পরে আবার শহীদ হয়, আর তার উপর কর্জ থাকে, তবে তার পক্ষ হতে সে কর্জ আদায় না হওয়া পর্যন্ত সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
أخبرنا علي بن حجر، عن إسمعيل، قال: حدثنا العلاء، عن أبي كثير، مولى محمد بن جحش، عن محمد بن جحش قال: كنا جلوسا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فرفع رأسه إلى السماء، ثم وضع راحته على جبهته، ثم قال: «سبحان الله، ماذا نزل من التشديد» فسكتنا وفزعنا، فلما كان من الغد، سألته: يا رسول الله، ما هذا التشديد الذي نزل؟ فقال: «والذي نفسي بيده، لو أن رجلا قتل في سبيل الله ثم أحيي، ثم قتل ثم أحيي، ثم قتل وعليه دين، ما دخل الجنة حتى يقضى عنه دينه»
সুনান নাসাঈ ৪৬৮৫
أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا عبد الرزاق، قال: حدثنا الثوري، عن أبيه، عن الشعبي، عن سمعان، عن سمرة قال: كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في جنازة فقال: «أها هنا من بني فلان أحد؟» ثلاثا، فقام رجل، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: «ما منعك في المرتين الأوليين أن لا تكون أجبتني؟ أما إني لم أنوه بك إلا بخير، إن فلانا لرجل منهم مات مأسورا بدينه»
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা এক জানাযায় রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি তিনবার জিজ্ঞাসা করলেনঃ এখানে অমুক গোত্রের কেউ আছে কি? এক ব্যক্তি দাঁড়ালে তিনি বললেনঃ তুমি প্রথম দুইবার উত্তর দাও নি কেন? আমি তোমার ভালোর জন্যই ডেকেছি। এরপর তিনি তাদের এক ব্যক্তি সম্বন্ধে বলেনঃ সে তো মারা গেছে, কিন্তু সে দেনার দায়ে আবদ্ধ রয়েছে।
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমরা এক জানাযায় রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি তিনবার জিজ্ঞাসা করলেনঃ এখানে অমুক গোত্রের কেউ আছে কি? এক ব্যক্তি দাঁড়ালে তিনি বললেনঃ তুমি প্রথম দুইবার উত্তর দাও নি কেন? আমি তোমার ভালোর জন্যই ডেকেছি। এরপর তিনি তাদের এক ব্যক্তি সম্বন্ধে বলেনঃ সে তো মারা গেছে, কিন্তু সে দেনার দায়ে আবদ্ধ রয়েছে।
أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا عبد الرزاق، قال: حدثنا الثوري، عن أبيه، عن الشعبي، عن سمعان، عن سمرة قال: كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في جنازة فقال: «أها هنا من بني فلان أحد؟» ثلاثا، فقام رجل، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: «ما منعك في المرتين الأوليين أن لا تكون أجبتني؟ أما إني لم أنوه بك إلا بخير، إن فلانا لرجل منهم مات مأسورا بدينه»
সুনান নাসাঈ > কর্জ নেওয়ার অবকাশ
সুনান নাসাঈ ৪৬৮৭
حدثنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا وهب بن جرير، قال: حدثنا أبي، عن الأعمش، عن حصين بن عبد الرحمن، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن ميمونة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم استدانت فقيل لها: يا أم المؤمنين، تستدينين وليس عندك وفاء، قالت: إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من أخذ دينا وهو يريد أن يؤديه، أعانه الله عز وجل»
উবায়দুল্লাহ ইব্ন আবদুল্লাহ ইব্ন উতবা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মুল মুমিনীন মায়মূনা (রাঃ) কর্জ গ্রহণ করতেন। তাঁকে বলা হলোঃ হে উম্মুল মুমিনীন। আপনি তো কর্জ নিচ্ছেন, অথচ এত কর্জ পরিশোধ করার মত সম্পত্তি আপনার নেই। তিনি বললেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি কর্জ নিয়ে তা পরিশোধের ইচ্ছা রাখে, আল্লাহ্ তা’আলা তাকে সাহায্য করে থাকেন।
উবায়দুল্লাহ ইব্ন আবদুল্লাহ ইব্ন উতবা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মুল মুমিনীন মায়মূনা (রাঃ) কর্জ গ্রহণ করতেন। তাঁকে বলা হলোঃ হে উম্মুল মুমিনীন। আপনি তো কর্জ নিচ্ছেন, অথচ এত কর্জ পরিশোধ করার মত সম্পত্তি আপনার নেই। তিনি বললেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি কর্জ নিয়ে তা পরিশোধের ইচ্ছা রাখে, আল্লাহ্ তা’আলা তাকে সাহায্য করে থাকেন।
حدثنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا وهب بن جرير، قال: حدثنا أبي، عن الأعمش، عن حصين بن عبد الرحمن، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن ميمونة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم استدانت فقيل لها: يا أم المؤمنين، تستدينين وليس عندك وفاء، قالت: إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من أخذ دينا وهو يريد أن يؤديه، أعانه الله عز وجل»
সুনান নাসাঈ ৪৬৮৬
أخبرني محمد بن قدامة، قال: حدثنا جرير، عن منصور، عن زياد بن عمرو بن هند، عن عمران بن حذيفة قال: كانت ميمونة تدان، وتكثر، فقال لها أهلها في ذلك ولاموها، ووجدوا عليها، فقالت: لا أترك الدين وقد سمعت خليلي وصفيي صلى الله عليه وسلم يقول: «ما من أحد يدان دينا فعلم الله أنه يريد قضاءه إلا أداه الله عنه في الدنيا» ... [حكم الألباني] صحيح دون قوله في الدنيا
ইমরান ইব্ন হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ মায়মুনা (রাঃ) লোকের নিকট হতে অনেক কর্জ নিতেন। তাঁর পরিবারের লোক তাকে এ ব্যাপারে কঠিন কথা বললো, তিরস্কার করলো এবং তাঁর উপর অসন্তুষ্ট হলো। তখন তিনি বললেন, আমি কর্জ নেওয়া পরিত্যাগ করব না। কারণ, আমি আমার প্রিয়তম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি কর্জ করে আর আল্লাহ্ তা’আলা অবগত আছেন যে, সে তা আদায়ের ইচ্ছা রাখে, তা হলে আল্লাহ্ তা’আলা পৃথিবীতে তার কর্জ পরিশোধ করে দিবেন।
ইমরান ইব্ন হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ মায়মুনা (রাঃ) লোকের নিকট হতে অনেক কর্জ নিতেন। তাঁর পরিবারের লোক তাকে এ ব্যাপারে কঠিন কথা বললো, তিরস্কার করলো এবং তাঁর উপর অসন্তুষ্ট হলো। তখন তিনি বললেন, আমি কর্জ নেওয়া পরিত্যাগ করব না। কারণ, আমি আমার প্রিয়তম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি কর্জ করে আর আল্লাহ্ তা’আলা অবগত আছেন যে, সে তা আদায়ের ইচ্ছা রাখে, তা হলে আল্লাহ্ তা’আলা পৃথিবীতে তার কর্জ পরিশোধ করে দিবেন।
أخبرني محمد بن قدامة، قال: حدثنا جرير، عن منصور، عن زياد بن عمرو بن هند، عن عمران بن حذيفة قال: كانت ميمونة تدان، وتكثر، فقال لها أهلها في ذلك ولاموها، ووجدوا عليها، فقالت: لا أترك الدين وقد سمعت خليلي وصفيي صلى الله عليه وسلم يقول: «ما من أحد يدان دينا فعلم الله أنه يريد قضاءه إلا أداه الله عنه في الدنيا» ... [حكم الألباني] صحيح دون قوله في الدنيا