সুনান নাসাঈ > আহলে কিতাবের সাথে ক্রয়-বিক্রয় করা

সুনান নাসাঈ ৪৬৫০

أخبرنا أحمد بن حرب قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة قالت: «اشترى رسول الله صلى الله عليه وسلم من يهودي طعاما بنسيئة، وأعطاه درعا له رهنا»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ইয়াহুদীর নিকট হতে ধারে কিছু খাদ্যবস্তু খরিদ করেন এবং তিনি তাঁর লৌহ বর্ম বন্ধক রাখেন।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ইয়াহুদীর নিকট হতে ধারে কিছু খাদ্যবস্তু খরিদ করেন এবং তিনি তাঁর লৌহ বর্ম বন্ধক রাখেন।

أخبرنا أحمد بن حرب قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة قالت: «اشترى رسول الله صلى الله عليه وسلم من يهودي طعاما بنسيئة، وأعطاه درعا له رهنا»


সুনান নাসাঈ ৪৬৫১

أخبرنا يوسف بن حماد قال: حدثنا سفيان بن حبيب، عن هشام، عن عكرمة، عن ابن عباس قال: «توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم ودرعه مرهونة عند يهودي بثلاثين صاعا من شعير لأهله»

ইব্‌ন আব্বাস(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ইনতিকাল করেন, তখনও তাঁর লৌহ বর্ম এক ইয়াহূদীর নিকট ত্রিশ সা‘ যবের বিনিময়ে বন্ধক ছিল। যা তিনি তাঁর পরিবারস্থ লোকের জন্য খরিদ করেছিলেন।

ইব্‌ন আব্বাস(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ইনতিকাল করেন, তখনও তাঁর লৌহ বর্ম এক ইয়াহূদীর নিকট ত্রিশ সা‘ যবের বিনিময়ে বন্ধক ছিল। যা তিনি তাঁর পরিবারস্থ লোকের জন্য খরিদ করেছিলেন।

أخبرنا يوسف بن حماد قال: حدثنا سفيان بن حبيب، عن هشام، عن عكرمة، عن ابن عباس قال: «توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم ودرعه مرهونة عند يهودي بثلاثين صاعا من شعير لأهله»


সুনান নাসাঈ > মুদাব্বার বিক্রয় করা

সুনান নাসাঈ ৪৬৫৪

أخبرنا محمود بن غيلان قال: حدثنا وكيع قال: حدثنا سفيان، وابن أبي خالد، عن سلمة بن كهيل، عن عطاء، عن جابر، «أن النبي صلى الله عليه وسلم باع المدبر»

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুদাব্বার গোলাম বিক্রি করেছেন।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুদাব্বার গোলাম বিক্রি করেছেন।

أخبرنا محمود بن غيلان قال: حدثنا وكيع قال: حدثنا سفيان، وابن أبي خالد، عن سلمة بن كهيل، عن عطاء، عن جابر، «أن النبي صلى الله عليه وسلم باع المدبر»


সুনান নাসাঈ ৪৬৫৩

أخبرنا زياد بن أيوب قال: حدثنا إسماعيل قال: حدثنا أيوب، عن أبي الزبير، عن جابر، أن رجلا من الأنصار يقال له: أبو مذكور أعتق غلاما له عن دبر يقال له: يعقوب لم يكن له مال غيره، فدعا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «من يشتريه؟»، فاشتراه نعيم بن عبد الله بثمان مائة درهم، فدفعها إليه وقال: «إذا كان أحدكم فقيرا فليبدأ بنفسه، فإن كان فضلا فعلى عياله، فإن كان فضلا فعلى قرابته، أو على ذي رحمه، فإن كان فضلا فها هنا وها هنا»

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ মাযকূর নামের এক আনসারী তাঁর ইয়াকূব নামের দাসকে বলল, তুমি আমার মৃত্যুর পর মুক্ত হয়ে যাবে। তার এ ছাড়া কোন অর্থ-সম্পদ ছিল না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডেকে আনলেন। তারপর বললেন, কে এই গোলামকে ক্রয় করবে? নু’আয়ম ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) ঐ গোলামকে আটশত দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ দিরহামগুলো আনসারী ব্যক্তিকে দিয়ে বললেন, তোমাদের কেউ গরীব হলে সে যেন নিজ হতে আরম্ভ করে। তারপরও কিছু উদ্বৃত্ত থাকলে যেন স্বীয় পরিবারস্থ লোকের জন্য ব্যয় করে। তারপরও কিছু থাকলে তা আত্মীয়-স্বজনদের জন্য ব্যয় করবে। তারপরও কিছু অবশিষ্ট থাকলে, এদিক-ওদিক গরীব-দুঃখীদের দান করবে।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ মাযকূর নামের এক আনসারী তাঁর ইয়াকূব নামের দাসকে বলল, তুমি আমার মৃত্যুর পর মুক্ত হয়ে যাবে। তার এ ছাড়া কোন অর্থ-সম্পদ ছিল না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডেকে আনলেন। তারপর বললেন, কে এই গোলামকে ক্রয় করবে? নু’আয়ম ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) ঐ গোলামকে আটশত দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ দিরহামগুলো আনসারী ব্যক্তিকে দিয়ে বললেন, তোমাদের কেউ গরীব হলে সে যেন নিজ হতে আরম্ভ করে। তারপরও কিছু উদ্বৃত্ত থাকলে যেন স্বীয় পরিবারস্থ লোকের জন্য ব্যয় করে। তারপরও কিছু থাকলে তা আত্মীয়-স্বজনদের জন্য ব্যয় করবে। তারপরও কিছু অবশিষ্ট থাকলে, এদিক-ওদিক গরীব-দুঃখীদের দান করবে।

أخبرنا زياد بن أيوب قال: حدثنا إسماعيل قال: حدثنا أيوب، عن أبي الزبير، عن جابر، أن رجلا من الأنصار يقال له: أبو مذكور أعتق غلاما له عن دبر يقال له: يعقوب لم يكن له مال غيره، فدعا به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «من يشتريه؟»، فاشتراه نعيم بن عبد الله بثمان مائة درهم، فدفعها إليه وقال: «إذا كان أحدكم فقيرا فليبدأ بنفسه، فإن كان فضلا فعلى عياله، فإن كان فضلا فعلى قرابته، أو على ذي رحمه، فإن كان فضلا فها هنا وها هنا»


সুনান নাসাঈ ৪৬৫২

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر قال: أعتق رجل من بني عذرة عبدا له عن دبر، فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «ألك مال غيره؟»، قال: لا. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من يشتريه مني؟»، فاشتراه نعيم بن عبد الله العدوي بثمان مائة درهم، فجاء بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فدفعها إليه، ثم قال: " ابدأ بنفسك فتصدق عليها، فإن فضل شيء فلأهلك، فإن فضل من أهلك شيء فلذي قرابتك، فإن فضل من ذي قرابتك شيء فهكذا وهكذا وهكذا يقول: بين يديك وعن يمينك وعن شمالك "

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আযরা গোত্রের এক ব্যক্তির তার এক দাসকে তার মৃত্যুর পর সে মুক্ত হবে এই মর্মে মুক্তি দিল। এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন: এই দাস ব্যতীত তোমার নিকট অন্য কোন মাল আছে কী? সে বললো: না। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: আমার নিকট হতে এই দাসকে কেউ ক্রয় করবে কি? তখন নু‘আয়ম ইব্‌ন আবদুল্লাহ ঐ দাসকে আটশত দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করলেন এবং ঐ দিরহামের তাঁর নিকট উপস্থিত করলেন। তিনি এই দিরহাম ঐ মালিকেকে দিয়ে বললেন: প্রথমে নিজের জন্য খরচ কর। তারপর কিছু থাকলে তা পরিবারের লোকদেরকে দান কর। আরও অবশিষ্ট থাকলে আত্বীয়- স্বজনকে দান কর। তারপরও যদি থেকে যায়, তবে এরূপ, এরূপ এবং এরূপ। অর্থাৎ তোমার সামনে, তোমার ডানে এবং তোমার বামে দান কর।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আযরা গোত্রের এক ব্যক্তির তার এক দাসকে তার মৃত্যুর পর সে মুক্ত হবে এই মর্মে মুক্তি দিল। এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন: এই দাস ব্যতীত তোমার নিকট অন্য কোন মাল আছে কী? সে বললো: না। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: আমার নিকট হতে এই দাসকে কেউ ক্রয় করবে কি? তখন নু‘আয়ম ইব্‌ন আবদুল্লাহ ঐ দাসকে আটশত দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করলেন এবং ঐ দিরহামের তাঁর নিকট উপস্থিত করলেন। তিনি এই দিরহাম ঐ মালিকেকে দিয়ে বললেন: প্রথমে নিজের জন্য খরচ কর। তারপর কিছু থাকলে তা পরিবারের লোকদেরকে দান কর। আরও অবশিষ্ট থাকলে আত্বীয়- স্বজনকে দান কর। তারপরও যদি থেকে যায়, তবে এরূপ, এরূপ এবং এরূপ। অর্থাৎ তোমার সামনে, তোমার ডানে এবং তোমার বামে দান কর।

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر قال: أعتق رجل من بني عذرة عبدا له عن دبر، فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «ألك مال غيره؟»، قال: لا. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من يشتريه مني؟»، فاشتراه نعيم بن عبد الله العدوي بثمان مائة درهم، فجاء بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فدفعها إليه، ثم قال: " ابدأ بنفسك فتصدق عليها، فإن فضل شيء فلأهلك، فإن فضل من أهلك شيء فلذي قرابتك، فإن فضل من ذي قرابتك شيء فهكذا وهكذا وهكذا يقول: بين يديك وعن يمينك وعن شمالك "


সুনান নাসাঈ > মুকাতাব গোলাম বিক্রয় করা

সুনান নাসাঈ ৪৬৫৫

أخبرنا قتيبة بن سعيد قال: حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة أخبرته، أن بريرة جاءت عائشة تستعينها في كتابتها شيئا، فقالت لها عائشة: ارجعي إلى أهلك، فإن أحبوا أن أقضي عنك كتابتك، ويكون ولاؤك لي، فعلت، فذكرت ذلك بريرة لأهلها، فأبوا، وقالوا: إن شاءت أن تحتسب عليك فلتفعل، ويكون لنا ولاؤك، فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ابتاعي وأعتقي، فإن الولاء لمن أعتق»، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما بال أقوام يشترطون شروطا ليست في كتاب الله، فمن اشترط شيئا ليس في كتاب الله، فليس له، وإن اشترط مائة شرط، وشرط الله أحق وأوثق»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বারীরা (রাঃ) তাঁর মুক্তিলাভের চুক্তিতে ধার্যকৃত অর্থ সাহায্য চাওয়ার জন্য আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট আসলেন। তিনি বললেনঃ তুমি গিয়ে তোমার মালিকদেরকে জিজ্ঞাসা কর, যদি তারা এ কথায় সম্মত হয় যে, আমি তাদের সকল প্রাপ্য আদায় করে দিলে ‘ওয়ালা’ আমার হবে, তা হলে আমি তোমার সমুদয় প্রাপ্য আদায় করে দেব। বারীরা (রাঃ) তাঁর মালিকদের একথা জানালে তারা তা অস্বীকার করে বললো: যদি আয়েশা তোমাকে সাহায্য করে পুণ্য অর্জন করতে চান তবে করতে পারেন, কিন্তু ‘ওয়ালা’ আমাদেরই থাকবে। আয়েশা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট একথা উল্লেখ করলে তিনি বলেন: তুমি ক্রয় করে তাকে মুক্ত করে দাও। ওয়ালা তারই, যে মুক্ত করে। এরপর তিনি বললেন: আফসোস! লোকের কি হলো, তারা এমন শর্ত আরোপ করে যা আল্লাহ্‌র কিতাবে নেই। যারা এমন শর্ত করে, যা আল্লাহ্‌র কিতাবে নেই, তা পূর্ণ হবে না, যদিও শতবার শর্ত করে। আল্লাহ্‌র শর্তই অধিকতর গ্রহণযোগ্য ও পালনীয়।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বারীরা (রাঃ) তাঁর মুক্তিলাভের চুক্তিতে ধার্যকৃত অর্থ সাহায্য চাওয়ার জন্য আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট আসলেন। তিনি বললেনঃ তুমি গিয়ে তোমার মালিকদেরকে জিজ্ঞাসা কর, যদি তারা এ কথায় সম্মত হয় যে, আমি তাদের সকল প্রাপ্য আদায় করে দিলে ‘ওয়ালা’ আমার হবে, তা হলে আমি তোমার সমুদয় প্রাপ্য আদায় করে দেব। বারীরা (রাঃ) তাঁর মালিকদের একথা জানালে তারা তা অস্বীকার করে বললো: যদি আয়েশা তোমাকে সাহায্য করে পুণ্য অর্জন করতে চান তবে করতে পারেন, কিন্তু ‘ওয়ালা’ আমাদেরই থাকবে। আয়েশা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট একথা উল্লেখ করলে তিনি বলেন: তুমি ক্রয় করে তাকে মুক্ত করে দাও। ওয়ালা তারই, যে মুক্ত করে। এরপর তিনি বললেন: আফসোস! লোকের কি হলো, তারা এমন শর্ত আরোপ করে যা আল্লাহ্‌র কিতাবে নেই। যারা এমন শর্ত করে, যা আল্লাহ্‌র কিতাবে নেই, তা পূর্ণ হবে না, যদিও শতবার শর্ত করে। আল্লাহ্‌র শর্তই অধিকতর গ্রহণযোগ্য ও পালনীয়।

أخبرنا قتيبة بن سعيد قال: حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة أخبرته، أن بريرة جاءت عائشة تستعينها في كتابتها شيئا، فقالت لها عائشة: ارجعي إلى أهلك، فإن أحبوا أن أقضي عنك كتابتك، ويكون ولاؤك لي، فعلت، فذكرت ذلك بريرة لأهلها، فأبوا، وقالوا: إن شاءت أن تحتسب عليك فلتفعل، ويكون لنا ولاؤك، فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ابتاعي وأعتقي، فإن الولاء لمن أعتق»، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما بال أقوام يشترطون شروطا ليست في كتاب الله، فمن اشترط شيئا ليس في كتاب الله، فليس له، وإن اشترط مائة شرط، وشرط الله أحق وأوثق»


সুনান নাসাঈ > মুকাতাবকে বিক্রি করা বৈধ, যদি সে চুক্তির অর্থ কিছুমাত্র আদায় না করে

সুনান নাসাঈ ৪৬৫৬

أخبرنا يونس بن عبد الأعلى قال: أنبأنا ابن وهب قال: أخبرني رجال من أهل العلم، منهم يونس، والليث، أن ابن شهاب أخبرهم، عن عروة، عن عائشة أنها قالت: جاءت بريرة إلي، فقالت: يا عائشة، إني كاتبت أهلي على تسع أواق في كل عام أوقية فأعينيني، ولم تكن قضت من كتابتها شيئا، فقالت لها عائشة ونفست فيها: ارجعي إلى أهلك، فإن أحبوا أن أعطيهم ذلك جميعا، ويكون ولاؤك لي، فعلت، فذهبت بريرة إلى أهلها، فعرضت ذلك عليهم، فأبوا وقالوا: إن شاءت أن تحتسب عليك فلتفعل، ويكون ذلك لنا، فذكرت ذلك عائشة لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «لا يمنعك ذلك منها، ابتاعي وأعتقي، فإن الولاء لمن أعتق» ففعلت، وقام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الناس فحمد الله تعالى، ثم قال: «أما بعد، فما بال الناس يشترطون شروطا ليست في كتاب الله، من اشترط شرطا ليس في كتاب الله فهو باطل، وإن كان مائة شرط، قضاء الله أحق، وشرط الله أوثق، وإنما الولاء لمن أعتق»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ বারীরা (রাঃ) আমার নিকট এসে বললো: হে আয়েশা! আমি আমার মালিকদের সাথে সাত উকিয়ার বিনিময়ে মুক্তিলাভের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছি, প্রতি বছর আমি এক উকিয়া আদায় করবো। অতএব আপনি এ ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করুন। সে তখনও কিছুই আদায় করেনি। আয়েশা(রাঃ) তাঁর প্রতি সদয় হয়ে বলেন: তুমি তোমার মালিকদের কাছে গিয়ে বল, যদি তারা সম্মত হয়, তবে আমি একত্রেই তাদের প্রাপ্য সাত উকিয়া আদায় করে দেব কিন্তু ‘ওয়ালা’ আমারই হবে। তারা বললো: আয়েশা (রাঃ) ইচ্ছা করলে সওয়াবের উদ্দেশ্য তোমার সাথে ভাল ব্যবহার যা ইচ্ছা করতে পারেন, কিন্তু ‘ওয়ালা’ আমাদের থাকবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আয়েশা(রাঃ) এটা প্রকাশ করলে তিনি বললেন: তাদের কথায় তুমি এর থেকে বিরত থেক না। তুমি তাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দাও। কেননা ‘ওয়ালা’ ঐ ব্যক্তির হবে, যে মুক্ত করে। তিনি তাই করলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: লোকের অবস্থা কী হলো যে, তারা এমন শর্ত আরোপ করে, যা আল্লাহ্‌র কিতাবে নেই। যে এমন শর্ত আরোপ করবে, যা আল্লাহ্‌র কিতাবে নেই, তার সে শর্ত বাতিল বলে গণ্য হবে, তাতে শত শর্তই করুক না কেন। আল্লাহ্‌র আদেশই অধিকতর গ্রহণযোগ্য এবং আল্লাহ্‌র শর্তই বেশি শক্তিশালী। ‘ওয়ালা’ আযাদকারী ব্যক্তিই পাবে।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ বারীরা (রাঃ) আমার নিকট এসে বললো: হে আয়েশা! আমি আমার মালিকদের সাথে সাত উকিয়ার বিনিময়ে মুক্তিলাভের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছি, প্রতি বছর আমি এক উকিয়া আদায় করবো। অতএব আপনি এ ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করুন। সে তখনও কিছুই আদায় করেনি। আয়েশা(রাঃ) তাঁর প্রতি সদয় হয়ে বলেন: তুমি তোমার মালিকদের কাছে গিয়ে বল, যদি তারা সম্মত হয়, তবে আমি একত্রেই তাদের প্রাপ্য সাত উকিয়া আদায় করে দেব কিন্তু ‘ওয়ালা’ আমারই হবে। তারা বললো: আয়েশা (রাঃ) ইচ্ছা করলে সওয়াবের উদ্দেশ্য তোমার সাথে ভাল ব্যবহার যা ইচ্ছা করতে পারেন, কিন্তু ‘ওয়ালা’ আমাদের থাকবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আয়েশা(রাঃ) এটা প্রকাশ করলে তিনি বললেন: তাদের কথায় তুমি এর থেকে বিরত থেক না। তুমি তাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দাও। কেননা ‘ওয়ালা’ ঐ ব্যক্তির হবে, যে মুক্ত করে। তিনি তাই করলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: লোকের অবস্থা কী হলো যে, তারা এমন শর্ত আরোপ করে, যা আল্লাহ্‌র কিতাবে নেই। যে এমন শর্ত আরোপ করবে, যা আল্লাহ্‌র কিতাবে নেই, তার সে শর্ত বাতিল বলে গণ্য হবে, তাতে শত শর্তই করুক না কেন। আল্লাহ্‌র আদেশই অধিকতর গ্রহণযোগ্য এবং আল্লাহ্‌র শর্তই বেশি শক্তিশালী। ‘ওয়ালা’ আযাদকারী ব্যক্তিই পাবে।

أخبرنا يونس بن عبد الأعلى قال: أنبأنا ابن وهب قال: أخبرني رجال من أهل العلم، منهم يونس، والليث، أن ابن شهاب أخبرهم، عن عروة، عن عائشة أنها قالت: جاءت بريرة إلي، فقالت: يا عائشة، إني كاتبت أهلي على تسع أواق في كل عام أوقية فأعينيني، ولم تكن قضت من كتابتها شيئا، فقالت لها عائشة ونفست فيها: ارجعي إلى أهلك، فإن أحبوا أن أعطيهم ذلك جميعا، ويكون ولاؤك لي، فعلت، فذهبت بريرة إلى أهلها، فعرضت ذلك عليهم، فأبوا وقالوا: إن شاءت أن تحتسب عليك فلتفعل، ويكون ذلك لنا، فذكرت ذلك عائشة لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «لا يمنعك ذلك منها، ابتاعي وأعتقي، فإن الولاء لمن أعتق» ففعلت، وقام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الناس فحمد الله تعالى، ثم قال: «أما بعد، فما بال الناس يشترطون شروطا ليست في كتاب الله، من اشترط شرطا ليس في كتاب الله فهو باطل، وإن كان مائة شرط، قضاء الله أحق، وشرط الله أوثق، وإنما الولاء لمن أعتق»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00