সুনান নাসাঈ > খেজুর গাছ বিক্রয় করলে ফল কার হবে
সুনান নাসাঈ ৪৬৩৫
أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «أيما امرئ أبر نخلا، ثم باع أصلها فللذي أبر ثمر النخل إلا أن يشترط المبتاع»
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি কোন খেজুর গাছে পরাগায়ণ করে, তারপর সেই গাছ বিক্রি করে, তবে ফল তারই থাকবে। যদি ক্রেতা এই শর্ত করে যে, ফল আমি নেব, আর বিক্রেতা তাতে সম্মত হয়ে যায় , তাহলে ফল তার হবে।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি কোন খেজুর গাছে পরাগায়ণ করে, তারপর সেই গাছ বিক্রি করে, তবে ফল তারই থাকবে। যদি ক্রেতা এই শর্ত করে যে, ফল আমি নেব, আর বিক্রেতা তাতে সম্মত হয়ে যায় , তাহলে ফল তার হবে।
أخبرنا قتيبة قال: حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «أيما امرئ أبر نخلا، ثم باع أصلها فللذي أبر ثمر النخل إلا أن يشترط المبتاع»
সুনান নাসাঈ > দাস বিক্রয় করলে তার মালের শর্ত করা
সুনান নাসাঈ ৪৬৩৬
أخبرنا إسحاق بن إبراهيم قال: أنبأنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من ابتاع نخلا بعد أن تؤبر فثمرتها للبائع، إلا أن يشترط المبتاع، ومن باع عبدا وله مال فماله للبائع إلا أن يشترط المبتاع»
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি পরাগায়ণের পর খেজুর বৃক্ষ ক্রয় করে, তার ফল বিক্রেতা পাবে। তবে যদি ক্রেতা শর্ত করে নেয়, তাহলে সে পাবে। আর যে ব্যক্তি দাস বিক্রি করে, আর ঐ দাসের কিছু মাল থাকে, সেই মাল বিক্রেতার, কিন্তু যদি ক্রেতা শর্ত করে, তবে মাল তার হবে।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি পরাগায়ণের পর খেজুর বৃক্ষ ক্রয় করে, তার ফল বিক্রেতা পাবে। তবে যদি ক্রেতা শর্ত করে নেয়, তাহলে সে পাবে। আর যে ব্যক্তি দাস বিক্রি করে, আর ঐ দাসের কিছু মাল থাকে, সেই মাল বিক্রেতার, কিন্তু যদি ক্রেতা শর্ত করে, তবে মাল তার হবে।
أخبرنا إسحاق بن إبراهيم قال: أنبأنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من ابتاع نخلا بعد أن تؤبر فثمرتها للبائع، إلا أن يشترط المبتاع، ومن باع عبدا وله مال فماله للبائع إلا أن يشترط المبتاع»
সুনান নাসাঈ > ক্রয়-বিক্রয়ে শর্ত করলে বিক্রি ও শর্ত উভয়ই বৈধ
সুনান নাসাঈ ৪৬৩৭
أخبرنا علي بن حجر قال: أنبأنا سعدان بن يحيى، عن زكريا، عن عامر، عن جابر بن عبد الله قال: كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر، فأعيا جملي، فأردت أن أسيبه، فلحقني رسول الله صلى الله عليه وسلم ودعا له، فضربه، فسار سيرا لم يسر مثله، فقال: «بعنيه بوقية؟»، قلت: لا. قال: «بعنيه؟» فبعته بوقية، واستثنيت حملانه إلى المدينة، فلما بلغنا المدينة أتيته بالجمل، وابتغيت ثمنه، ثم رجعت فأرسل إلي، فقال: «أتراني إنما ماكستك لآخذ جملك، خذ جملك ودراهمك»
জাবির ইব্ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: আমি এক সফরে রাসূল্ললাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে ছিলাম। পথে আমার উট অচল হয়ে গেলে আমি ঐ উটকে ছেড়ে দিতে ইচ্ছা করলাম। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে আমার সাথে মিলিত হলেন এবং তিনি ঐ উটের জন্য দু’আ করলেন এবং তাকে হাঁকালেন। পরে তা এমন দ্রুত চলতে লাগলো যে, পূর্বে কখনও তা এমন চলেনি। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : এই উট চল্লিশ দিরহামের বিনিময়ে আমার কাছে বিক্রি করে দাও। আমি বললাম : আমি তা বিক্রি করবো না। তিনি বললেন : বিক্রি করে ফেল। তখন আমি চল্লিশ দিরহামের বিনিময়ে তা বিক্রি করে ফেললাম এবং এই শর্তে করলাম যে, আমার মদিনায় পৌঁছা পর্যন্ত তাতে সওয়ার হব। যখন আমরা মদিনায় পৌঁছালাম, তখন আমি উট নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট উপস্থিত হলাম এবং মূল্য চাইলাম। তারপর আমি ফিরে চললে রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ডেকে পাঠালেন। তারপর বললেনঃ তুমি কি মনে কর যে, আমি তোমার সাথে দর-কষাকষি করেছিলাম তোমার উট নেয়ার জন্য? নাও, এই তোমার উট এবং এই তোমার দিরহাম।
জাবির ইব্ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: আমি এক সফরে রাসূল্ললাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে ছিলাম। পথে আমার উট অচল হয়ে গেলে আমি ঐ উটকে ছেড়ে দিতে ইচ্ছা করলাম। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে আমার সাথে মিলিত হলেন এবং তিনি ঐ উটের জন্য দু’আ করলেন এবং তাকে হাঁকালেন। পরে তা এমন দ্রুত চলতে লাগলো যে, পূর্বে কখনও তা এমন চলেনি। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : এই উট চল্লিশ দিরহামের বিনিময়ে আমার কাছে বিক্রি করে দাও। আমি বললাম : আমি তা বিক্রি করবো না। তিনি বললেন : বিক্রি করে ফেল। তখন আমি চল্লিশ দিরহামের বিনিময়ে তা বিক্রি করে ফেললাম এবং এই শর্তে করলাম যে, আমার মদিনায় পৌঁছা পর্যন্ত তাতে সওয়ার হব। যখন আমরা মদিনায় পৌঁছালাম, তখন আমি উট নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট উপস্থিত হলাম এবং মূল্য চাইলাম। তারপর আমি ফিরে চললে রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ডেকে পাঠালেন। তারপর বললেনঃ তুমি কি মনে কর যে, আমি তোমার সাথে দর-কষাকষি করেছিলাম তোমার উট নেয়ার জন্য? নাও, এই তোমার উট এবং এই তোমার দিরহাম।
أخبرنا علي بن حجر قال: أنبأنا سعدان بن يحيى، عن زكريا، عن عامر، عن جابر بن عبد الله قال: كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر، فأعيا جملي، فأردت أن أسيبه، فلحقني رسول الله صلى الله عليه وسلم ودعا له، فضربه، فسار سيرا لم يسر مثله، فقال: «بعنيه بوقية؟»، قلت: لا. قال: «بعنيه؟» فبعته بوقية، واستثنيت حملانه إلى المدينة، فلما بلغنا المدينة أتيته بالجمل، وابتغيت ثمنه، ثم رجعت فأرسل إلي، فقال: «أتراني إنما ماكستك لآخذ جملك، خذ جملك ودراهمك»
সুনান নাসাঈ ৪৬৪০
أخبرنا محمد بن منصور قال: حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر قال: أدركني رسول الله صلى الله عليه وسلم وكنت على ناضح لنا سوء، فقلت: لا يزال لنا ناضح سوء يا لهفاه، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «تبيعنيه يا جابر؟» قلت: بل هو لك يا رسول الله، قال: «اللهم اغفر له، اللهم ارحمه، قد أخذته بكذا وكذا، وقد أعرتك ظهره إلى المدينة». فلما قدمت المدينة، هيأته، فذهبت به إليه، فقال: «يا بلال، أعطه ثمنه» فلما أدبرت، دعاني، فخفت أن يرده، فقال: «هو لك» ... [حكم الألباني] ضعيف الإسناد منكر المتن
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আমাদের একটি পানি বহনকারী মন্দ উটের উপর সওয়ার দেখলেন। আমি বললামঃ আফসোস! আমাদের সর্বদা পানি বহনের খারাপ উট থাকে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে জাবির! তুমি কি এটি বিক্রয় করবে? আমি বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! এই উট মূল্য ছাড়াই আপনার জন্য। তিনি বললেন, হে আল্লাহ্! জাবিরকে ক্ষমা করুন এবং তার উপর রহম করুন। আমি এত মূল্যে এটা ক্রয় করলাম। আর আমি তোমাকে মদীনা পর্যন্ত তাতে সওয়ার হওয়ার অনুমতি দিলাম। মদীনায় পৌঁছে আমি উট প্রস্তুত করে নিয়ে গেলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে বিলাল। তাকে তার মূল্য দিয়ে দাও। আমি ফিরে যেতে থাকলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আবার ডাকলেন। আমার আশংকা হলো যে, তিনি না আবার উটটি ফিরিয়ে দেন। তিনি বললেন, উটও তোমারই (অতএব তুমি তা নিয়ে যাও)।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আমাদের একটি পানি বহনকারী মন্দ উটের উপর সওয়ার দেখলেন। আমি বললামঃ আফসোস! আমাদের সর্বদা পানি বহনের খারাপ উট থাকে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে জাবির! তুমি কি এটি বিক্রয় করবে? আমি বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! এই উট মূল্য ছাড়াই আপনার জন্য। তিনি বললেন, হে আল্লাহ্! জাবিরকে ক্ষমা করুন এবং তার উপর রহম করুন। আমি এত মূল্যে এটা ক্রয় করলাম। আর আমি তোমাকে মদীনা পর্যন্ত তাতে সওয়ার হওয়ার অনুমতি দিলাম। মদীনায় পৌঁছে আমি উট প্রস্তুত করে নিয়ে গেলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে বিলাল। তাকে তার মূল্য দিয়ে দাও। আমি ফিরে যেতে থাকলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আবার ডাকলেন। আমার আশংকা হলো যে, তিনি না আবার উটটি ফিরিয়ে দেন। তিনি বললেন, উটও তোমারই (অতএব তুমি তা নিয়ে যাও)।
أخبرنا محمد بن منصور قال: حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر قال: أدركني رسول الله صلى الله عليه وسلم وكنت على ناضح لنا سوء، فقلت: لا يزال لنا ناضح سوء يا لهفاه، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «تبيعنيه يا جابر؟» قلت: بل هو لك يا رسول الله، قال: «اللهم اغفر له، اللهم ارحمه، قد أخذته بكذا وكذا، وقد أعرتك ظهره إلى المدينة». فلما قدمت المدينة، هيأته، فذهبت به إليه، فقال: «يا بلال، أعطه ثمنه» فلما أدبرت، دعاني، فخفت أن يرده، فقال: «هو لك» ... [حكم الألباني] ضعيف الإسناد منكر المتن
সুনান নাসাঈ ৪৬৪১
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا المعتمر قال: سمعت أبي قال: حدثنا أبو نضرة، عن جابر بن عبد الله قال: كنا نسير مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا على ناضح، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أتبيعنيه بكذا وكذا، والله يغفر لك؟»، قلت: نعم، هو لك يا نبي الله، قال: «أتبيعنيه بكذا وكذا، والله يغفر لك»، قلت: نعم، هو لك يا نبي الله، قال: «أتبيعنيه بكذا وكذا، والله يغفر لك؟»، قلت: نعم، هو لك، قال أبو نضرة: «وكانت كلمة يقولها المسلمون، افعل كذا وكذا والله يغفر لك»
জাবির ইব্ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে সফর করছিলাম। আমি একটি পানি আনয়নকারী উটের উপর সওয়ার ছিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: তুমি এটা এত মূল্যে বিক্রয় করবে? আল্লাহ্ তোমায় ক্ষমা করুন। আমি বললাম: ইয়া রাসূলুল্লাহ! এটা আপনারই। তিনি আবার বললেনঃ তুমি এটা এতো মূল্যে বিক্রয় করবে কি? আমি বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! এটা আপনারই। তিনি বললেনঃ তুমি কি এটা এতো মূল্যে বিক্রয় করবে? আমি বললাম: হ্যাঁ, ইয়া রাসূলুল্লাহ! এটা আপনারই। আবু নাযরা(রহঃ) বলেনঃ “আল্লাহ্ তোমায় ক্ষমা করুন”- এমন একটি কথা, যা মুসলমানগণ বলে থাকে; এই এই কাজ কর, আল্লাহ্ তোমায় ক্ষমা করবেন।
জাবির ইব্ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে সফর করছিলাম। আমি একটি পানি আনয়নকারী উটের উপর সওয়ার ছিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: তুমি এটা এত মূল্যে বিক্রয় করবে? আল্লাহ্ তোমায় ক্ষমা করুন। আমি বললাম: ইয়া রাসূলুল্লাহ! এটা আপনারই। তিনি আবার বললেনঃ তুমি এটা এতো মূল্যে বিক্রয় করবে কি? আমি বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! এটা আপনারই। তিনি বললেনঃ তুমি কি এটা এতো মূল্যে বিক্রয় করবে? আমি বললাম: হ্যাঁ, ইয়া রাসূলুল্লাহ! এটা আপনারই। আবু নাযরা(রহঃ) বলেনঃ “আল্লাহ্ তোমায় ক্ষমা করুন”- এমন একটি কথা, যা মুসলমানগণ বলে থাকে; এই এই কাজ কর, আল্লাহ্ তোমায় ক্ষমা করবেন।
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا المعتمر قال: سمعت أبي قال: حدثنا أبو نضرة، عن جابر بن عبد الله قال: كنا نسير مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا على ناضح، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أتبيعنيه بكذا وكذا، والله يغفر لك؟»، قلت: نعم، هو لك يا نبي الله، قال: «أتبيعنيه بكذا وكذا، والله يغفر لك»، قلت: نعم، هو لك يا نبي الله، قال: «أتبيعنيه بكذا وكذا، والله يغفر لك؟»، قلت: نعم، هو لك، قال أبو نضرة: «وكانت كلمة يقولها المسلمون، افعل كذا وكذا والله يغفر لك»
সুনান নাসাঈ ৪৬৩৮
أخبرنا محمد بن يحيى بن عبد الله قال: حدثنا محمد بن عيسى بن الطباع قال: حدثنا أبو عوانة، عن مغيرة، عن الشعبي، عن جابر قال: غزوت مع النبي صلى الله عليه وسلم على ناضح لنا، ثم ذكرت الحديث بطوله، ثم ذكر كلاما معناه، فأزحف الجمل فزجره النبي صلى الله عليه وسلم، فانتشط حتى كان أمام الجيش، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «يا جابر، ما أرى جملك إلا قد انتشط»، قلت: ببركتك يا رسول الله، قال: «بعنيه، ولك ظهره حتى تقدم» فبعته، وكانت لي إليه حاجة شديدة، ولكني استحييت منه، فلما قضينا غزاتنا ودنونا استأذنته بالتعجيل، فقلت: يا رسول الله، إني حديث عهد بعرس، قال: «أبكرا تزوجت أم ثيبا؟»، قلت: بل ثيبا يا رسول الله، إن عبد الله بن عمرو أصيب، وترك جواري أبكارا، فكرهت أن آتيهن بمثلهن، فتزوجت ثيبا تعلمهن وتؤدبهن، فأذن لي، وقال لي: «ائت أهلك عشاء». فلما قدمت، أخبرت خالي ببيعي الجمل فلامني، فلما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم غدوت بالجمل، فأعطاني ثمن الجمل والجمل، وسهما مع الناس
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে আমাদের একটি পানি বহনকারী উটের উপর সওয়ার হয়ে জিহাদ করেছি। এর পর তিনি লম্বা হাদিস বর্ণনা করে বললেন কিছু কথা, যার মর্ম হলো, আমার উট অচল হয়ে গেল; রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে উটকে হাঁকালে সেটি দ্রুত চলতে আরম্ভ করল। এমনকি তা বাহিনীর অগ্রগামী হয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে জাবির! আমি তা দেখিছি, তোমার উট দ্রতগামী হয়ে গেছে। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ। সে তো আপনার বরকতে। তিনি বললেন : তুমি তা আমার নিকট বিক্রয় কর এবং মদীনায় পৌঁছা পর্যন্ত তাতে আরোহণ কর। আমি তা তাঁর নিকট বিক্রয় করলাম, যদিও আমর উটের অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। আমার লজ্জা হলো যে, তিনি ক্রয় করতে চাচ্ছেন, আর আমি তা বিক্রয় করবো না। জিহাদ শেষে আমরা যখন মদীনার নিকটবর্তী হলাম, তখন আমি দ্রুত গমনের জন্য তাঁর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করলাম। আমি বললাম: ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি সদ্য বিবাহিত। তিনি বললেন : তুমি কুমারী বিবাহ করেছ, না বিধবা? আমি বললাম: বিধবা। কারণ আমার পিতার মৃত্যুর পর তিনি কয়েকজন কুমারী কন্যা রেখে গেছেন। সেজন্য তাদের সামনে একটি কুমারী স্ত্রী বিবাহ করা আমার ভাল মনে হয়নি। তাই আমি বিধবা বিবাহ করেছি। যেন সে তাদেরকে শিক্ষা দেয় এবং আদব-কায়দার তালীম দেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে অনুমতি দান করলেন এবং বললেন: রাত্রে স্ত্রীর নিকট গমন কর। আমি মদীনায় এসে মামার নিকট উট বিক্রি করার ঘটনা বললাম। তিনি আমাকে তিরস্কার করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনায় আসলে আমি ভোরে উট নিয়া গেলাম। তখন তিনি উটের মূল্য দিলেন এবং উটও ফিরিয়ে দিলেন। তিনি অন্যান্যের সঙ্গে আমাকে গনীমতের অংশ দান করলেন।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে আমাদের একটি পানি বহনকারী উটের উপর সওয়ার হয়ে জিহাদ করেছি। এর পর তিনি লম্বা হাদিস বর্ণনা করে বললেন কিছু কথা, যার মর্ম হলো, আমার উট অচল হয়ে গেল; রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সে উটকে হাঁকালে সেটি দ্রুত চলতে আরম্ভ করল। এমনকি তা বাহিনীর অগ্রগামী হয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে জাবির! আমি তা দেখিছি, তোমার উট দ্রতগামী হয়ে গেছে। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ। সে তো আপনার বরকতে। তিনি বললেন : তুমি তা আমার নিকট বিক্রয় কর এবং মদীনায় পৌঁছা পর্যন্ত তাতে আরোহণ কর। আমি তা তাঁর নিকট বিক্রয় করলাম, যদিও আমর উটের অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। আমার লজ্জা হলো যে, তিনি ক্রয় করতে চাচ্ছেন, আর আমি তা বিক্রয় করবো না। জিহাদ শেষে আমরা যখন মদীনার নিকটবর্তী হলাম, তখন আমি দ্রুত গমনের জন্য তাঁর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করলাম। আমি বললাম: ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি সদ্য বিবাহিত। তিনি বললেন : তুমি কুমারী বিবাহ করেছ, না বিধবা? আমি বললাম: বিধবা। কারণ আমার পিতার মৃত্যুর পর তিনি কয়েকজন কুমারী কন্যা রেখে গেছেন। সেজন্য তাদের সামনে একটি কুমারী স্ত্রী বিবাহ করা আমার ভাল মনে হয়নি। তাই আমি বিধবা বিবাহ করেছি। যেন সে তাদেরকে শিক্ষা দেয় এবং আদব-কায়দার তালীম দেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে অনুমতি দান করলেন এবং বললেন: রাত্রে স্ত্রীর নিকট গমন কর। আমি মদীনায় এসে মামার নিকট উট বিক্রি করার ঘটনা বললাম। তিনি আমাকে তিরস্কার করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনায় আসলে আমি ভোরে উট নিয়া গেলাম। তখন তিনি উটের মূল্য দিলেন এবং উটও ফিরিয়ে দিলেন। তিনি অন্যান্যের সঙ্গে আমাকে গনীমতের অংশ দান করলেন।
أخبرنا محمد بن يحيى بن عبد الله قال: حدثنا محمد بن عيسى بن الطباع قال: حدثنا أبو عوانة، عن مغيرة، عن الشعبي، عن جابر قال: غزوت مع النبي صلى الله عليه وسلم على ناضح لنا، ثم ذكرت الحديث بطوله، ثم ذكر كلاما معناه، فأزحف الجمل فزجره النبي صلى الله عليه وسلم، فانتشط حتى كان أمام الجيش، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «يا جابر، ما أرى جملك إلا قد انتشط»، قلت: ببركتك يا رسول الله، قال: «بعنيه، ولك ظهره حتى تقدم» فبعته، وكانت لي إليه حاجة شديدة، ولكني استحييت منه، فلما قضينا غزاتنا ودنونا استأذنته بالتعجيل، فقلت: يا رسول الله، إني حديث عهد بعرس، قال: «أبكرا تزوجت أم ثيبا؟»، قلت: بل ثيبا يا رسول الله، إن عبد الله بن عمرو أصيب، وترك جواري أبكارا، فكرهت أن آتيهن بمثلهن، فتزوجت ثيبا تعلمهن وتؤدبهن، فأذن لي، وقال لي: «ائت أهلك عشاء». فلما قدمت، أخبرت خالي ببيعي الجمل فلامني، فلما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم غدوت بالجمل، فأعطاني ثمن الجمل والجمل، وسهما مع الناس
সুনান নাসাঈ ৪৬৩৯
حدثنا محمد بن العلاء قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن سالم بن أبي الجعد، عن جابر بن عبد الله قال: كنت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر، وكنت على جمل، فقال: «ما لك في آخر الناس؟» قلت: أعيا بعيري، فأخذ بذنبه، ثم زجره، فإن كنت إنما أنا في أول الناس يهمني رأسه، فلما دنونا من المدينة، قال: «ما فعل الجمل، بعنيه؟»، قلت: لا، بل هو لك يا رسول الله، قال: «لا، بل بعنيه»، قلت: لا، بل هو لك، قال: «لا، بل بعنيه، قد أخذته بوقية اركبه»، فإذا قدمت المدينة فأتنا به، فلما قدمت المدينة جئته به، فقال لبلال: «يا بلال زن له أوقية، وزده قيراطا»، قلت: هذا شيء زادني رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلم يفارقني، فجعلته في كيس فلم يزل عندي حتى جاء أهل الشام يوم الحرة، فأخذوا منا ما أخذوا
জাবির ইব্ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: এক সফরে আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে ছিলাম। আমি উটে সওয়ার ছিলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: তুমি সকলের পিছনে থাক, কারণ কি? আমি বললাম: আমার উট দুর্বল হয়ে গেছে। তিনি তার লেজ ধরে হাঁকালেন; ফলে সে এমন হলো যে, আমি সামনের লোকদের মধ্যে পৌঁছে গেলাম এবং আমি চিন্তিত হয়ে পড়লাম যে, আমার উটটির মাথা অন্যদের উটের সামনে চলে যায় কিনা। মদীনার নিকটবর্তী হলে তিনি বললেন: তোমার উটের অবস্থা কী? এটি আমার নিকট বিক্রি কর। আমি বললাম: বিক্রয় নয়, বরং ইয়া রাসূলুল্লাহ! এটি আপনারই। তিনি বললেন ; না, বিক্রি কর। আমি বললাম : আপনি মূল্য ছাড়াই গ্রহণ করুন। তিনি বললেন: না, বিক্রি কর; আমি তা চল্লিশ দিরহামে কিনলাম। তুমি এতে সওয়ার হতে থাক, মদিনায় পৌঁছলে আমার নিকট নিয়ে এস। আমি মদীনা পৌঁছে তাঁর খিদমতে উট হাযির করলাম। তিনি বিলাল (রাঃ)- কে বললেন: হে বিলাল! তাকে এক উকিয়া১ রূপা মেপে দাও, আরো এক কীরাত২ অধিক দিও। আমি বললাম: এই এক কীরাত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে অতিরিক্ত দান করলেন, এজন্য আমি তা একটি থলিতে রাখলাম এবং তা সর্বদা আমার নিকট রক্ষিত থাকতো। অবশেষে ‘হাররার৩ দিন সিরীয়াবাসীর এলে তারা আমার নিকট থেকে সব কিছুই লুট করে নিয়ে গেল।
জাবির ইব্ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: এক সফরে আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে ছিলাম। আমি উটে সওয়ার ছিলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: তুমি সকলের পিছনে থাক, কারণ কি? আমি বললাম: আমার উট দুর্বল হয়ে গেছে। তিনি তার লেজ ধরে হাঁকালেন; ফলে সে এমন হলো যে, আমি সামনের লোকদের মধ্যে পৌঁছে গেলাম এবং আমি চিন্তিত হয়ে পড়লাম যে, আমার উটটির মাথা অন্যদের উটের সামনে চলে যায় কিনা। মদীনার নিকটবর্তী হলে তিনি বললেন: তোমার উটের অবস্থা কী? এটি আমার নিকট বিক্রি কর। আমি বললাম: বিক্রয় নয়, বরং ইয়া রাসূলুল্লাহ! এটি আপনারই। তিনি বললেন ; না, বিক্রি কর। আমি বললাম : আপনি মূল্য ছাড়াই গ্রহণ করুন। তিনি বললেন: না, বিক্রি কর; আমি তা চল্লিশ দিরহামে কিনলাম। তুমি এতে সওয়ার হতে থাক, মদিনায় পৌঁছলে আমার নিকট নিয়ে এস। আমি মদীনা পৌঁছে তাঁর খিদমতে উট হাযির করলাম। তিনি বিলাল (রাঃ)- কে বললেন: হে বিলাল! তাকে এক উকিয়া১ রূপা মেপে দাও, আরো এক কীরাত২ অধিক দিও। আমি বললাম: এই এক কীরাত রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে অতিরিক্ত দান করলেন, এজন্য আমি তা একটি থলিতে রাখলাম এবং তা সর্বদা আমার নিকট রক্ষিত থাকতো। অবশেষে ‘হাররার৩ দিন সিরীয়াবাসীর এলে তারা আমার নিকট থেকে সব কিছুই লুট করে নিয়ে গেল।
حدثنا محمد بن العلاء قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن سالم بن أبي الجعد، عن جابر بن عبد الله قال: كنت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر، وكنت على جمل، فقال: «ما لك في آخر الناس؟» قلت: أعيا بعيري، فأخذ بذنبه، ثم زجره، فإن كنت إنما أنا في أول الناس يهمني رأسه، فلما دنونا من المدينة، قال: «ما فعل الجمل، بعنيه؟»، قلت: لا، بل هو لك يا رسول الله، قال: «لا، بل بعنيه»، قلت: لا، بل هو لك، قال: «لا، بل بعنيه، قد أخذته بوقية اركبه»، فإذا قدمت المدينة فأتنا به، فلما قدمت المدينة جئته به، فقال لبلال: «يا بلال زن له أوقية، وزده قيراطا»، قلت: هذا شيء زادني رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلم يفارقني، فجعلته في كيس فلم يزل عندي حتى جاء أهل الشام يوم الحرة، فأخذوا منا ما أخذوا
সুনান নাসাঈ > ক্রয়- বিক্রয়ে ফাসিদ শর্ত করলে বিক্রি বৈধ হয়, কিন্তু শর্ত বাতিল হয়ে যায়
সুনান নাসাঈ ৪৬৪৪
أخبرنا قتيبة بن سعيد، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، أن عائشة، أرادت أن تشتري جارية تعتقها، فقال أهلها: نبيعكها على أن الولاء لنا، فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «لا يمنعك ذلك، فإن الولاء لمن أعتق»
আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আয়েশা (রাঃ) একজন দাসী ক্রয় করে মুক্ত করার ইচ্ছা করলে তার মালিকেরা বললো: আমরা এই দাসীকে আপনার নিকট এই শর্তে বিক্রয় করতে পারি যে, তার ওয়ালা আমরা পাবো। তিনি তা রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা করলে, তিনি বললেন: এই শর্ত যেন তোমাকে ক্রয় করা হতে বিরত না রাখে। কেননা ‘ওয়ালা’ ঐ ব্যক্তিরই হবে যে মুক্ত করবে।
আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আয়েশা (রাঃ) একজন দাসী ক্রয় করে মুক্ত করার ইচ্ছা করলে তার মালিকেরা বললো: আমরা এই দাসীকে আপনার নিকট এই শর্তে বিক্রয় করতে পারি যে, তার ওয়ালা আমরা পাবো। তিনি তা রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বর্ণনা করলে, তিনি বললেন: এই শর্ত যেন তোমাকে ক্রয় করা হতে বিরত না রাখে। কেননা ‘ওয়ালা’ ঐ ব্যক্তিরই হবে যে মুক্ত করবে।
أخبرنا قتيبة بن سعيد، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، أن عائشة، أرادت أن تشتري جارية تعتقها، فقال أهلها: نبيعكها على أن الولاء لنا، فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «لا يمنعك ذلك، فإن الولاء لمن أعتق»
সুনান নাসাঈ ৪৬৪২
أخبرنا قتيبة بن سعيد قال: حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة قالت: اشتريت بريرة، فاشترط أهلها ولاءها، فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال: «أعتقيها، فإن الولاء لمن أعطى الورق»، قالت: فأعتقتها، قالت: فدعاها رسول الله صلى الله عليه وسلم فخيرها من زوجها، فاختارت نفسها وكان زوجها حرا ... [حكم الألباني] صحيح دون قوله وكان زوجها حرا فإنه شاذ والمحفوظ أنه كان عبدا
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: আমি বারীরা (রাঃ)- কে ক্রয় করলে তার মালিকগণ শর্ত করলো যে, ওয়ালা১ তারা পাবে। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তা উল্লেখ করলে, তিনি বললেন: তুমি আযাদ করে দাও। ওয়ালা সে-ই পাবে, যে অর্থ খরচ করে। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডেকে আনান এবং তার স্বামীর ব্যাপারে তাকে ইখতিয়ার দেন। সে তার স্বামী হতে পৃথক হওয়াকেই পছন্দ করে, আর তার স্বামী ছিল স্বাধীন।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: আমি বারীরা (রাঃ)- কে ক্রয় করলে তার মালিকগণ শর্ত করলো যে, ওয়ালা১ তারা পাবে। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তা উল্লেখ করলে, তিনি বললেন: তুমি আযাদ করে দাও। ওয়ালা সে-ই পাবে, যে অর্থ খরচ করে। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডেকে আনান এবং তার স্বামীর ব্যাপারে তাকে ইখতিয়ার দেন। সে তার স্বামী হতে পৃথক হওয়াকেই পছন্দ করে, আর তার স্বামী ছিল স্বাধীন।
أخبرنا قتيبة بن سعيد قال: حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة قالت: اشتريت بريرة، فاشترط أهلها ولاءها، فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال: «أعتقيها، فإن الولاء لمن أعطى الورق»، قالت: فأعتقتها، قالت: فدعاها رسول الله صلى الله عليه وسلم فخيرها من زوجها، فاختارت نفسها وكان زوجها حرا ... [حكم الألباني] صحيح دون قوله وكان زوجها حرا فإنه شاذ والمحفوظ أنه كان عبدا
সুনান নাসাঈ ৪৬৪৩
أخبرنا محمد بن بشار قال: حدثنا محمد قال: حدثنا شعبة قال: سمعت عبد الرحمن بن القاسم قال: سمعت القاسم يحدث، عن عائشة، أنها أرادت أن تشتري بريرة للعتق، وأنهم اشترطوا ولاءها، فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «اشتريها فأعتقيها، فإن الولاء لمن أعتق» وأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بلحم فقيل: هذا تصدق به على بريرة فقال: «هو لها صدقة، ولنا هدية، وخيرت»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মুক্ত করার জন্য বারীরা (রাঃ)- কে ক্রয় করার ইচ্ছা করলে তার মালিকেরা শর্ত আরোপ করে যে, তার ওয়ালা আমরা নেব। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এই ঘটনা উল্লেখ করা হলে, তিনি বললেন: তুমি তাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দাও। কেননা ওয়ালা সে-ই পাবে, যে মুক্ত করেছে। একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট গোশত উপস্থিত করা হলে, কেউ কেউ বললো: এ তো সাদকার গোশত যা বারীরা (রাঃ)- কে দেওয়া হয়েছে। তখন তিনি বললেন: বারীরার জন্য সাদকা, আর আমাদের জন্য (বারীরার পক্ষ হতে) হাদিয়া। বারীরা মুক্ত হওয়ার পর তাকে ইখতিয়ার দেওয়া হলো(যে, সে ইচ্ছা করলে তার স্বামীর কাছে থাকতে পারে বা পৃথক হতে পারে)।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মুক্ত করার জন্য বারীরা (রাঃ)- কে ক্রয় করার ইচ্ছা করলে তার মালিকেরা শর্ত আরোপ করে যে, তার ওয়ালা আমরা নেব। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এই ঘটনা উল্লেখ করা হলে, তিনি বললেন: তুমি তাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দাও। কেননা ওয়ালা সে-ই পাবে, যে মুক্ত করেছে। একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট গোশত উপস্থিত করা হলে, কেউ কেউ বললো: এ তো সাদকার গোশত যা বারীরা (রাঃ)- কে দেওয়া হয়েছে। তখন তিনি বললেন: বারীরার জন্য সাদকা, আর আমাদের জন্য (বারীরার পক্ষ হতে) হাদিয়া। বারীরা মুক্ত হওয়ার পর তাকে ইখতিয়ার দেওয়া হলো(যে, সে ইচ্ছা করলে তার স্বামীর কাছে থাকতে পারে বা পৃথক হতে পারে)।
أخبرنا محمد بن بشار قال: حدثنا محمد قال: حدثنا شعبة قال: سمعت عبد الرحمن بن القاسم قال: سمعت القاسم يحدث، عن عائشة، أنها أرادت أن تشتري بريرة للعتق، وأنهم اشترطوا ولاءها، فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «اشتريها فأعتقيها، فإن الولاء لمن أعتق» وأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بلحم فقيل: هذا تصدق به على بريرة فقال: «هو لها صدقة، ولنا هدية، وخيرت»