সুনান নাসাঈ > বন্য গাধার গোশত খাওয়ার বৈধতা

সুনান নাসাঈ ৪৩৪৩

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا المفضل هو ابن فضالة، عن ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر قال: أكلنا يوم خيبر لحوم الخيل، والوحش «ونهانا النبي صلى الله عليه وسلم عن الحمار»

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা খয়বরের দিন ঘোড়া ও বন্য জন্তুর গোশত খেয়েছি। আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা খয়বরের দিন ঘোড়া ও বন্য জন্তুর গোশত খেয়েছি। আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে গাধার গোশ্ত খেতে নিষেধ করেছেন।

أخبرنا قتيبة قال: حدثنا المفضل هو ابن فضالة، عن ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر قال: أكلنا يوم خيبر لحوم الخيل، والوحش «ونهانا النبي صلى الله عليه وسلم عن الحمار»


সুনান নাসাঈ ৪৩৪৪

أخبرنا قتيبة قال حدثنا بكر هو ابن مضر، عن ابن الهاد، عن محمد بن إبراهيم، عن عيسى بن طلحة، عن عمير بن سلمة الضمري قال: بينا نحن نسير مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ببعض أثايا الروحاء وهم حرم، إذا حمار وحش معقور، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «دعوه فيوشك صاحبه أن يأتيه»، فجاء رجل من بهز هو الذي عقر الحمار، فقال: يا رسول الله، شأنكم هذا الحمار؟، فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أبا بكر يقسمه بين الناس ... [حكم الألباني] صحيح الإسناد

উমায়র ইব্‌ন সালামা যামরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সঙ্গে মদীনার রাওহা নামক স্থান অতিক্রম করছিলাম, আর তাঁরা সকলেই ছিলেন হজ্জের ইহরাম অবস্থায়। এমন সময় একটি আহত বন্য গাধা আমাদের দৃষ্টিগোচর হলো। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ একে ছেড়ে দাও, হয়তো এর শিকারী মালিক আসছে। এমন সময় বাহায গোত্রের এক ব্যক্তি, যে গাধাটিকে আঘাত করেছিল, সে এসে বললোঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! এই গাধা আপনি নিয়ে নিন। তখন তিনি আবূ বকর (রাঃ)-কে আদেশ দিলেন যেন সকলের মধ্যে এর গোশত বন্টন করে দেন।

উমায়র ইব্‌ন সালামা যামরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সঙ্গে মদীনার রাওহা নামক স্থান অতিক্রম করছিলাম, আর তাঁরা সকলেই ছিলেন হজ্জের ইহরাম অবস্থায়। এমন সময় একটি আহত বন্য গাধা আমাদের দৃষ্টিগোচর হলো। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ একে ছেড়ে দাও, হয়তো এর শিকারী মালিক আসছে। এমন সময় বাহায গোত্রের এক ব্যক্তি, যে গাধাটিকে আঘাত করেছিল, সে এসে বললোঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! এই গাধা আপনি নিয়ে নিন। তখন তিনি আবূ বকর (রাঃ)-কে আদেশ দিলেন যেন সকলের মধ্যে এর গোশত বন্টন করে দেন।

أخبرنا قتيبة قال حدثنا بكر هو ابن مضر، عن ابن الهاد، عن محمد بن إبراهيم، عن عيسى بن طلحة، عن عمير بن سلمة الضمري قال: بينا نحن نسير مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ببعض أثايا الروحاء وهم حرم، إذا حمار وحش معقور، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «دعوه فيوشك صاحبه أن يأتيه»، فجاء رجل من بهز هو الذي عقر الحمار، فقال: يا رسول الله، شأنكم هذا الحمار؟، فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أبا بكر يقسمه بين الناس ... [حكم الألباني] صحيح الإسناد


সুনান নাসাঈ ৪৩৪৫

أخبرنا محمد بن وهب قال: حدثنا محمد بن سلمة قال: حدثني أبو عبد الرحيم قال: حدثني زيد بن أبي أنيسة، عن أبي حازم، عن ابن أبي قتادة، عن أبيه أبي قتادة قال: أصاب حمارا وحشيا، فأتى به أصحابه وهم محرمون، وهو حلال، فأكلنا منه فقال بعضهم لبعض: لو سألنا رسول الله صلى الله عليه وسلم عنه، فسألناه، فقال: «قد أحسنتم»، فقال لنا: «هل معكم منه شيء؟»، قلنا: نعم. قال: «فاهدوا لنا» فأتيناه منه فأكل منه وهو محرم

আবু কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তিনি একটি বন্য গাধা শিকার করে তাঁর সাথীদের নিকট নিয়ে আসেন তখন তারা সকলে ছিল ইহরাম অবস্থায়, কিন্তু তিনি ইহরাম অবস্থায় ছিলেন না। আমরা তা খেয়ে পরে একে অপরকে বললামঃ এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন ছিল। পরে আমরা তাঁর নিকট জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ তোমরা ভালই করেছ। তিনি আমাদেরকে আরো বললেনঃ তোমাদের নিকট এর অবশিষ্ট কিছু আছে কি? আমরা বললামঃ জ্বি হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তা আমাকে হাদিয়া দাও। আমরা তা তাঁর নিকট নিয়ে আসলে তিনি তা থেকে খান, আর তখন তিনি ইহরাম অবস্থায় ছিলেন।

আবু কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তিনি একটি বন্য গাধা শিকার করে তাঁর সাথীদের নিকট নিয়ে আসেন তখন তারা সকলে ছিল ইহরাম অবস্থায়, কিন্তু তিনি ইহরাম অবস্থায় ছিলেন না। আমরা তা খেয়ে পরে একে অপরকে বললামঃ এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন ছিল। পরে আমরা তাঁর নিকট জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ তোমরা ভালই করেছ। তিনি আমাদেরকে আরো বললেনঃ তোমাদের নিকট এর অবশিষ্ট কিছু আছে কি? আমরা বললামঃ জ্বি হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তা আমাকে হাদিয়া দাও। আমরা তা তাঁর নিকট নিয়ে আসলে তিনি তা থেকে খান, আর তখন তিনি ইহরাম অবস্থায় ছিলেন।

أخبرنا محمد بن وهب قال: حدثنا محمد بن سلمة قال: حدثني أبو عبد الرحيم قال: حدثني زيد بن أبي أنيسة، عن أبي حازم، عن ابن أبي قتادة، عن أبيه أبي قتادة قال: أصاب حمارا وحشيا، فأتى به أصحابه وهم محرمون، وهو حلال، فأكلنا منه فقال بعضهم لبعض: لو سألنا رسول الله صلى الله عليه وسلم عنه، فسألناه، فقال: «قد أحسنتم»، فقال لنا: «هل معكم منه شيء؟»، قلنا: نعم. قال: «فاهدوا لنا» فأتيناه منه فأكل منه وهو محرم


সুনান নাসাঈ > মোরগের গোশ্ত খাওয়ার বৈধ্যতা

সুনান নাসাঈ ৪৩৪৭

أخبرنا علي بن حجر قال: حدثنا إسماعيل، عن أيوب، عن القاسم التميمي، عن زهدم الجرمي قال: كنا عند أبي موسى، فقدم طعامه وقدم في طعامه لحم دجاج، وفي القوم رجل من بني تيم الله أحمر، كأنه مولى، فلم يدن، فقال له أبو موسى: «ادن، فإني قد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل منه»

বাহ্দাম জারমী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমারা আবূ মূসা (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম, এমন সময় তাঁর খানা আনা হলো আর তাতে মুরগীর গোশ্ত ছিল। উপস্থিত লোকদের মধ্যে তায়মুল্ল্যাহ গোত্রের রক্তিম বর্ণের এক ব্যক্তি যে ক্রীতদাস ছিল, সে নিকটে আসলো না। তখন আবূ মূসা (রাঃ) তাকে বললেন: নিকটে এসো, আমি রাসূলু্ল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এটা খেতে দিখেছি।

বাহ্দাম জারমী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমারা আবূ মূসা (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম, এমন সময় তাঁর খানা আনা হলো আর তাতে মুরগীর গোশ্ত ছিল। উপস্থিত লোকদের মধ্যে তায়মুল্ল্যাহ গোত্রের রক্তিম বর্ণের এক ব্যক্তি যে ক্রীতদাস ছিল, সে নিকটে আসলো না। তখন আবূ মূসা (রাঃ) তাকে বললেন: নিকটে এসো, আমি রাসূলু্ল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এটা খেতে দিখেছি।

أخبرنا علي بن حجر قال: حدثنا إسماعيل، عن أيوب، عن القاسم التميمي، عن زهدم الجرمي قال: كنا عند أبي موسى، فقدم طعامه وقدم في طعامه لحم دجاج، وفي القوم رجل من بني تيم الله أحمر، كأنه مولى، فلم يدن، فقال له أبو موسى: «ادن، فإني قد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل منه»


সুনান নাসাঈ ৪৩৪৮

أخبرنا إسماعيل بن مسعود، عن بشر هو ابن المفضل قال: حدثنا سعيد، عن علي بن الحكم، عن ميمون بن مهران، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، «أن نبي الله صلى الله عليه وسلم نهى يوم خيبر عن كل ذي مخلب من الطير، وعن كل ذي ناب من السباع»

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বরের দিন প্রত্যেক থাবাবিশিষ্ট পাখি এবং দাঁতাল হিংস্র জন্তু খেতে নিষেধ করেন।

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বরের দিন প্রত্যেক থাবাবিশিষ্ট পাখি এবং দাঁতাল হিংস্র জন্তু খেতে নিষেধ করেন।

أخبرنا إسماعيل بن مسعود، عن بشر هو ابن المفضل قال: حدثنا سعيد، عن علي بن الحكم، عن ميمون بن مهران، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، «أن نبي الله صلى الله عليه وسلم نهى يوم خيبر عن كل ذي مخلب من الطير، وعن كل ذي ناب من السباع»


সুনান নাসাঈ ৪৩৪৬

خبرنا محمد بن منصور قال: حدثنا سفيان قال: حدثنا أيوب، عن أبي قلابة، عن زهدم، أن أبا موسى أتي بدجاجة فتنحى رجل من القوم، فقال: «ما شأنك؟»، قال: إني رأيتها تأكل شيئا قذرته فحلفت أن لا آكله، فقال أبو موسى: «ادن فكل، فإني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكله»، وأمره أن يكفر عن يمينه

যাহ্দাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ মূসা (রাঃ)-এর নিকট একটি রান্নাকরা মুরগী আনা হলে উপস্থিত লোকদের একজন সরে পড়লো। আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ তোমার কি হলো? সে বললো: আমি একে একটা বস্তু খেতে দেখেছি। তাই আমার ঘেন্না হয় এবং আমি কসম করেছি যে, আমি তা খাব না। আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ তুমি নিকটে এসো এবং খাও। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তা খেতে দেখেছি। আর তিনি ঐ ব্যক্তিকে বললেন: তুমি তোমার কসমের কাফ্ফারা দাও।

যাহ্দাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ মূসা (রাঃ)-এর নিকট একটি রান্নাকরা মুরগী আনা হলে উপস্থিত লোকদের একজন সরে পড়লো। আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ তোমার কি হলো? সে বললো: আমি একে একটা বস্তু খেতে দেখেছি। তাই আমার ঘেন্না হয় এবং আমি কসম করেছি যে, আমি তা খাব না। আবূ মূসা (রাঃ) বললেনঃ তুমি নিকটে এসো এবং খাও। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তা খেতে দেখেছি। আর তিনি ঐ ব্যক্তিকে বললেন: তুমি তোমার কসমের কাফ্ফারা দাও।

خبرنا محمد بن منصور قال: حدثنا سفيان قال: حدثنا أيوب، عن أبي قلابة، عن زهدم، أن أبا موسى أتي بدجاجة فتنحى رجل من القوم، فقال: «ما شأنك؟»، قال: إني رأيتها تأكل شيئا قذرته فحلفت أن لا آكله، فقال أبو موسى: «ادن فكل، فإني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكله»، وأمره أن يكفر عن يمينه


সুনান নাসাঈ > চড়ুই পাখির গোশত খাওয়ার অনুমতি

সুনান নাসাঈ ৪৩৪৯

أخبرنا محمد بن عبد الله بن يزيد المقرئ قال: حدثنا سفيان، عن عمرو، عن صهيب، مولى ابن عامر، عن عبد الله بن عمرو، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «ما من إنسان قتل عصفورا فما فوقها بغير حقها، إلا سأله الله عز وجل عنها»، قيل يا رسول الله، وما حقها؟ قال: «يذبحها فيأكلها، ولا يقطع رأسها يرمي بها»

আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি চড়ুই অথবা তা থেকে ছোট কোন জন্তু অন্যায়ভাবে হত্যা করে, আল্লাহ্ তা‘আলা কিয়ামতের দিন তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করবেন। লোকেরা জিজ্ঞাসা করলোঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! এর ন্যায্যতা কি? তিনি বললেনঃ এর ন্যায্যতা এই যে, এক আল্লাহ্‌র নামে যবেহ্ করে খাবে। এর মাথা কেটে ফেলে দেবে না।

আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি চড়ুই অথবা তা থেকে ছোট কোন জন্তু অন্যায়ভাবে হত্যা করে, আল্লাহ্ তা‘আলা কিয়ামতের দিন তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করবেন। লোকেরা জিজ্ঞাসা করলোঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! এর ন্যায্যতা কি? তিনি বললেনঃ এর ন্যায্যতা এই যে, এক আল্লাহ্‌র নামে যবেহ্ করে খাবে। এর মাথা কেটে ফেলে দেবে না।

أخبرنا محمد بن عبد الله بن يزيد المقرئ قال: حدثنا سفيان، عن عمرو، عن صهيب، مولى ابن عامر، عن عبد الله بن عمرو، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «ما من إنسان قتل عصفورا فما فوقها بغير حقها، إلا سأله الله عز وجل عنها»، قيل يا رسول الله، وما حقها؟ قال: «يذبحها فيأكلها، ولا يقطع رأسها يرمي بها»


সুনান নাসাঈ > সমুদ্রের মৃত জন্তু

সুনান নাসাঈ ৪৩৫০

أخبرنا إسحاق بن منصور قال: حدثنا عبد الرحمن قال: حدثنا مالك، عن صفوان بن سليم، عن سعيد بن سلمة، عن المغيرة بن أبي بردة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم في ماء البحر: «هو الطهور ماؤه، الحلال ميتته»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সমুদ্রের পানি পাক, আর এর মৃত জীব হালাল।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সমুদ্রের পানি পাক, আর এর মৃত জীব হালাল।

أخبرنا إسحاق بن منصور قال: حدثنا عبد الرحمن قال: حدثنا مالك، عن صفوان بن سليم، عن سعيد بن سلمة، عن المغيرة بن أبي بردة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم في ماء البحر: «هو الطهور ماؤه، الحلال ميتته»


সুনান নাসাঈ ৪৩৫১

أخبرنا محمد بن آدم، قال: حدثنا عبدة، عن هشام، عن وهب بن كيسان، عن جابر بن عبد الله قال: «بعثنا النبي صلى الله عليه وسلم ونحن ثلاث مائة، نحمل زادنا على رقابنا، ففني زادنا حتى كان يكون للرجل منا كل يوم تمرة» فقيل له: يا أبا عبد الله، وأين تقع التمرة من الرجل؟، قال: «لقد وجدنا فقدها حين فقدناها، فأتينا البحر، فإذا بحوت قذفه البحر، فأكلنا منه ثمانية عشر يوما»

জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমাদের তিনশত ব্যক্তির একদলকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিহাদে পাঠান। আমরা আমাদের পাথেয় কাঁধে বয়ে নিচ্ছিলাম। এক সময় আমাদের পাথেয় নিঃশেষ হয়ে গেল। এমনকি আমাদের প্রত্যেকের একটি করে খেজুর মিলত। এক ব্যক্তি বললোঃ হে আবূ আবদুল্লাহ্! একজন লোকের একটি খেজুরে কী হয়? জাবির (রাঃ) বললেনঃ তাও যখন ফুরিয়ে গেল, তখন আমরা বুঝলাম, একটি খেজুরের মূল্য কী? অতঃপর আমরা সমূদ্র তীরে আসলাম এবং সেখানে এমন এক মাছ পেলাম, সমূদ্র যা তীরে নিক্ষেপ করেছে। তা আমরা আঠার দিন পর্যন্ত খেয়েছিলাম।

জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমাদের তিনশত ব্যক্তির একদলকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিহাদে পাঠান। আমরা আমাদের পাথেয় কাঁধে বয়ে নিচ্ছিলাম। এক সময় আমাদের পাথেয় নিঃশেষ হয়ে গেল। এমনকি আমাদের প্রত্যেকের একটি করে খেজুর মিলত। এক ব্যক্তি বললোঃ হে আবূ আবদুল্লাহ্! একজন লোকের একটি খেজুরে কী হয়? জাবির (রাঃ) বললেনঃ তাও যখন ফুরিয়ে গেল, তখন আমরা বুঝলাম, একটি খেজুরের মূল্য কী? অতঃপর আমরা সমূদ্র তীরে আসলাম এবং সেখানে এমন এক মাছ পেলাম, সমূদ্র যা তীরে নিক্ষেপ করেছে। তা আমরা আঠার দিন পর্যন্ত খেয়েছিলাম।

أخبرنا محمد بن آدم، قال: حدثنا عبدة، عن هشام، عن وهب بن كيسان، عن جابر بن عبد الله قال: «بعثنا النبي صلى الله عليه وسلم ونحن ثلاث مائة، نحمل زادنا على رقابنا، ففني زادنا حتى كان يكون للرجل منا كل يوم تمرة» فقيل له: يا أبا عبد الله، وأين تقع التمرة من الرجل؟، قال: «لقد وجدنا فقدها حين فقدناها، فأتينا البحر، فإذا بحوت قذفه البحر، فأكلنا منه ثمانية عشر يوما»


সুনান নাসাঈ ৪৩৫৩

أخبرنا زياد بن أيوب قال: حدثنا هشيم قال: حدثنا أبو الزبير، عن جابر قال: بعثنا النبي صلى الله عليه وسلم مع أبي عبيدة في سرية فنفد زادنا، فمررنا بحوت قد قذف به البحر، فأردنا أن نأكل منه، فنهانا أبو عبيدة، ثم قال: نحن رسل رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي سبيل الله، كلوا، فأكلنا منه أياما، فلما قدمنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم أخبرناه، فقال: «إن كان بقي معكم شيء فابعثوا به إلينا»

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ উবায়দার নেতৃত্বে আমাদেরকে এক যুদ্ধে প্রেরণ করেন। আমাদের পাথেয় ফুরিয়ে যাওয়ার পর আমরা এমন একটি মাছ পেলাম যা সমূদ্র তীরে নিক্ষেপ করেছিল। আমরা তা থেকে খাওয়ার ইচ্ছা করলে আবূ উবায়দা (রাঃ) নিষেধ করলেন। পরে তিনি বললেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রেরিত এবং আমরা আল্লাহ্‌র রাস্তায় রয়েছি। অতএব খাও। আমরা বেশ কিছু দিন তা থেকে খেয়েছিলাম। আমরা পরে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে ঘটনা বর্ণনা করলাম। তিনি বললেনঃ যদি তোমাদের কাছে কিছু অবশিষ্ট থেকে থাকে, তবে তা আমাদের কাছে পাঠিয়ে দাও।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ উবায়দার নেতৃত্বে আমাদেরকে এক যুদ্ধে প্রেরণ করেন। আমাদের পাথেয় ফুরিয়ে যাওয়ার পর আমরা এমন একটি মাছ পেলাম যা সমূদ্র তীরে নিক্ষেপ করেছিল। আমরা তা থেকে খাওয়ার ইচ্ছা করলে আবূ উবায়দা (রাঃ) নিষেধ করলেন। পরে তিনি বললেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রেরিত এবং আমরা আল্লাহ্‌র রাস্তায় রয়েছি। অতএব খাও। আমরা বেশ কিছু দিন তা থেকে খেয়েছিলাম। আমরা পরে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে ঘটনা বর্ণনা করলাম। তিনি বললেনঃ যদি তোমাদের কাছে কিছু অবশিষ্ট থেকে থাকে, তবে তা আমাদের কাছে পাঠিয়ে দাও।

أخبرنا زياد بن أيوب قال: حدثنا هشيم قال: حدثنا أبو الزبير، عن جابر قال: بعثنا النبي صلى الله عليه وسلم مع أبي عبيدة في سرية فنفد زادنا، فمررنا بحوت قد قذف به البحر، فأردنا أن نأكل منه، فنهانا أبو عبيدة، ثم قال: نحن رسل رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي سبيل الله، كلوا، فأكلنا منه أياما، فلما قدمنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم أخبرناه، فقال: «إن كان بقي معكم شيء فابعثوا به إلينا»


সুনান নাসাঈ ৪৩৫২

أخبرنا محمد بن منصور، عن سفيان، عن عمرو قال: سمعت جابرا يقول: بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث مائة راكب، أميرنا أبو عبيدة بن الجراح، نرصد عير قريش، فأقمنا بالساحل، فأصابنا جوع شديد حتى أكلنا الخبط، قال: فألقى البحر دابة، يقال لها: العنبر فأكلنا منه نصف شهر، وادهنا من ودكه فثابت أجسامنا، وأخذ أبو عبيدة ضلعا من أضلاعه، فنظر إلى أطول جمل وأطول رجل في الجيش، فمر تحته، ثم جاعوا فنحر رجل ثلاث جزائر، ثم جاعوا فنحر رجل ثلاث جزائر، ثم جاعوا فنحر رجل ثلاث جزائر، ثم نهاه أبو عبيدة، قال: سفيان قال: أبو الزبير عن جابر، فسألنا النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «هل معكم منه شيء؟»، قال: فأخرجنا من عينيه كذا وكذا، قلة من ودك، ونزل في حجاج عينه أربعة نفر، وكان مع أبي عبيدة جراب فيه تمر، فكان يعطينا القبضة، ثم صار إلى التمرة، فلما فقدناها وجدنا فقدها

আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি জবির (রাঃ)-কে বলেতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনশত ব্যক্তিকে আবু উবায়দা ইব্‌ন জাররাহ্ (রাঃ)-এর অধীনে কুরায়শের বাণিজ্যদলের গতিবিধি লক্ষ্য করার জন্য পাঠান। আমরা ঐ কাফেলার অপেক্ষায় সমূদ্র তীরে অবস্থান করি। আমরা এমন খাদ্য সংকটে পড়লাম যে, শেষ পর্যন্ত আমরা গাছের পাতা খেতে লাগলাম। এ অবস্থায় একদিন সমূদ্র একটি মাছ তীরে নিক্ষেপ করল যাকে আম্বর বলা হয়ে থাকে। আমরা তা অর্ধমাস পর্যন্ত খেতে থাকি, আর এর চর্বি তেল হিসেবে ব্যবহার করি। এমনকি আমাদের হৃত স্বাস্থ্য ফিরে আসল। আবূ উবায়দা (রাঃ)-এর পাঁজরের একটি হাঁড় তুলে নেন। তিনি একটি লম্বা উটের প্রতি লক্ষ্য করেন, আর বাহিনীর সর্বাপেক্ষা লম্বা ব্যক্তিকে এর উপর সওয়ার করালেন। লোকটি এর নিচ দিয়ে চলে গেল। আবার বাহিনীর খাদ্যাভাব দেখা দিলে অবারও এক ব্যক্তি তিনটি উট যবেহ করল। আবূ উবায়দা (রাঃ) পরে তা নিষেধ করেন। সুফিয়ান১ (রহঃ) বলেনঃ আবূ যুবায়র (রাঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আমরা এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করলে, তিনি বলেনঃ তোমাদের নিকট কি এর অবশিষ্ট আছে? জাবির (রাঃ) বলেন, আমরা এর চক্ষুদ্বয় হতে এত-মটকা চর্বি বের করলাম। আর এর চক্ষের কোটরে চার ব্যক্তি নেমে পড়েছিল। আবূ উবায়দা (রাঃ)-এর নিকট একটি খেজুর ভর্তি থলি ছিল। তিনি আমাদেরকে একা-এক মুষ্ঠি দান করতেন। পরে একটি করে খেজুর দিতেন, তা ফুরিয়ে যাওয়ার পর আমরা এর ফুরিয়ে যাওয়ার মূল্য বুঝতে পারি।

আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি জবির (রাঃ)-কে বলেতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনশত ব্যক্তিকে আবু উবায়দা ইব্‌ন জাররাহ্ (রাঃ)-এর অধীনে কুরায়শের বাণিজ্যদলের গতিবিধি লক্ষ্য করার জন্য পাঠান। আমরা ঐ কাফেলার অপেক্ষায় সমূদ্র তীরে অবস্থান করি। আমরা এমন খাদ্য সংকটে পড়লাম যে, শেষ পর্যন্ত আমরা গাছের পাতা খেতে লাগলাম। এ অবস্থায় একদিন সমূদ্র একটি মাছ তীরে নিক্ষেপ করল যাকে আম্বর বলা হয়ে থাকে। আমরা তা অর্ধমাস পর্যন্ত খেতে থাকি, আর এর চর্বি তেল হিসেবে ব্যবহার করি। এমনকি আমাদের হৃত স্বাস্থ্য ফিরে আসল। আবূ উবায়দা (রাঃ)-এর পাঁজরের একটি হাঁড় তুলে নেন। তিনি একটি লম্বা উটের প্রতি লক্ষ্য করেন, আর বাহিনীর সর্বাপেক্ষা লম্বা ব্যক্তিকে এর উপর সওয়ার করালেন। লোকটি এর নিচ দিয়ে চলে গেল। আবার বাহিনীর খাদ্যাভাব দেখা দিলে অবারও এক ব্যক্তি তিনটি উট যবেহ করল। আবূ উবায়দা (রাঃ) পরে তা নিষেধ করেন। সুফিয়ান১ (রহঃ) বলেনঃ আবূ যুবায়র (রাঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আমরা এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করলে, তিনি বলেনঃ তোমাদের নিকট কি এর অবশিষ্ট আছে? জাবির (রাঃ) বলেন, আমরা এর চক্ষুদ্বয় হতে এত-মটকা চর্বি বের করলাম। আর এর চক্ষের কোটরে চার ব্যক্তি নেমে পড়েছিল। আবূ উবায়দা (রাঃ)-এর নিকট একটি খেজুর ভর্তি থলি ছিল। তিনি আমাদেরকে একা-এক মুষ্ঠি দান করতেন। পরে একটি করে খেজুর দিতেন, তা ফুরিয়ে যাওয়ার পর আমরা এর ফুরিয়ে যাওয়ার মূল্য বুঝতে পারি।

أخبرنا محمد بن منصور، عن سفيان، عن عمرو قال: سمعت جابرا يقول: بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث مائة راكب، أميرنا أبو عبيدة بن الجراح، نرصد عير قريش، فأقمنا بالساحل، فأصابنا جوع شديد حتى أكلنا الخبط، قال: فألقى البحر دابة، يقال لها: العنبر فأكلنا منه نصف شهر، وادهنا من ودكه فثابت أجسامنا، وأخذ أبو عبيدة ضلعا من أضلاعه، فنظر إلى أطول جمل وأطول رجل في الجيش، فمر تحته، ثم جاعوا فنحر رجل ثلاث جزائر، ثم جاعوا فنحر رجل ثلاث جزائر، ثم جاعوا فنحر رجل ثلاث جزائر، ثم نهاه أبو عبيدة، قال: سفيان قال: أبو الزبير عن جابر، فسألنا النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «هل معكم منه شيء؟»، قال: فأخرجنا من عينيه كذا وكذا، قلة من ودك، ونزل في حجاج عينه أربعة نفر، وكان مع أبي عبيدة جراب فيه تمر، فكان يعطينا القبضة، ثم صار إلى التمرة، فلما فقدناها وجدنا فقدها


সুনান নাসাঈ ৪৩৫৪

أخبرنا محمد بن عمر بن علي بن مقدم المقدمي قال: حدثنا معاذ بن هشام قال: حدثني أبي، عن أبي الزبير، عن جابر قال: بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم مع أبي عبيدة، ونحن ثلاث مائة وبضعة عشر، وزودنا جرابا من تمر، فأعطانا قبضة قبضة، فلما أن جزناه أعطانا تمرة تمرة، حتى إن كنا لنمصها كما يمص الصبي، ونشرب عليها الماء، فلما فقدناها وجدنا فقدها، حتى إن كنا لنخبط الخبط بقسينا، ونسفه ثم نشرب عليه من الماء حتى سمينا جيش الخبط، ثم أجزنا الساحل، فإذا دابة مثل الكثيب - يقال له العنبر - فقال أبو عبيدة: ميتة لا تأكلوه، ثم قال: جيش رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي سبيل الله عز وجل، ونحن مضطرون كلوا باسم الله، فأكلنا منه، وجعلنا منه، وشيقة، ولقد جلس في موضع عينه ثلاثة عشر رجلا قال: فأخذ أبو عبيدة ضلعا من أضلاعه، فرحل به أجسم بعير من أباعر القوم، فأجاز تحته، فلما قدمنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «ما حبسكم؟» قلنا كنا نتبع عيرات قريش، وذكرنا له من أمر الدابة، فقال: «ذاك رزق رزقكموه الله عز وجل، أمعكم منه شيء»، قال: قلنا: نعم

জবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তিনশত ব্যক্তির উর্ধ্বে একটি দলকে আবূ উবায়দার নেতৃত্বে যুদ্ধে পাঠান। তিনি আমাদের পাথেয় হিসাবে এক থলি খেজুর দিলেন। আবূ উবায়দা (রাঃ) এ থেকে আমাদেরকে এক মুষ্ঠি করে দিতেন। আর যখন তা নি:শেষ হতে চললো, তখন তিনি একটি করে খেজুর বন্টন করতেন। আমরা শিশুদের ন্যায় তা চুষতাম এবং পরে পানি পান করতাম। যখন তাও শেষ হলো, তখন আমরা এর মূল্য অনুভব করতে পারলাম। শেষ পর্যন্ত আমরা আমাদের বর্শা দ্বারা গাছের পাতা ঝরিয়ে তা খেতে লাগলাম। এরপর পানি পান করতাম। এই জন্য ঐ সেনাদলের নাম ‘পাতার দল’ হয়ে গেল। যখন আমরা সমূদ্র তীরে পৌছালাম, সেখানে আমরা এক জন্তু দেখতে পেলাম, যা বালুর টিলার ন্যায় পড়ে ছিল। তাকে আম্বর বলা হতো। আবূ উবায়দা (রাঃ) বললেন: এটা মৃত জন্তু, তোমরা তা খাবে না। এরপর তিনি বললেনঃ আমরাতো রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সেনাদল, আর আল্লাহ্ পাকের রাস্তায় রয়েছি এবং আমরা নিরুপায়। অতএব তোমরা আল্লাহ্‌র নামে খাও। পরে আমরা তা খেলাম এবং মাছের কিছু অংশ শুকালাম। এর চোখের কোটরে তের ব্যক্তি বসতে পারতো। বর্ণনাকারী বলেনঃ আবূ উবায়দা (রাঃ) এর পাঁজরের এক পাশের একখানা হাঁড় নিলেন। তারপর সর্ববৃহৎ উটের পিঠে হাওদা বসান। তারপর সেটিকে সেই হাঁড়ের নিচ দিয়ে চালিয়ে নেন। আমরা এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি বললেনঃ তোমরা এত দেরী করলে কেন? আমরা বললামঃ আমরা কুরায়শদের দলের প্রতীক্ষায় ছিলাম। আর আমরা তাঁর নিকট ঐ জন্তুর ঘটনাও বর্ণনা করলাম। তখন তিনি বললেনঃ এটা আল্লাহ্-প্রদত্ত বিয্ক, যা তিনি তোমাদেরকে দান করেছেন। তোমাদের নিকট এর কিছু অংশ অবশিষ্ট আছে কি? রাবী বলেনঃ আমরা বললামঃ হ্যাঁ।

জবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তিনশত ব্যক্তির উর্ধ্বে একটি দলকে আবূ উবায়দার নেতৃত্বে যুদ্ধে পাঠান। তিনি আমাদের পাথেয় হিসাবে এক থলি খেজুর দিলেন। আবূ উবায়দা (রাঃ) এ থেকে আমাদেরকে এক মুষ্ঠি করে দিতেন। আর যখন তা নি:শেষ হতে চললো, তখন তিনি একটি করে খেজুর বন্টন করতেন। আমরা শিশুদের ন্যায় তা চুষতাম এবং পরে পানি পান করতাম। যখন তাও শেষ হলো, তখন আমরা এর মূল্য অনুভব করতে পারলাম। শেষ পর্যন্ত আমরা আমাদের বর্শা দ্বারা গাছের পাতা ঝরিয়ে তা খেতে লাগলাম। এরপর পানি পান করতাম। এই জন্য ঐ সেনাদলের নাম ‘পাতার দল’ হয়ে গেল। যখন আমরা সমূদ্র তীরে পৌছালাম, সেখানে আমরা এক জন্তু দেখতে পেলাম, যা বালুর টিলার ন্যায় পড়ে ছিল। তাকে আম্বর বলা হতো। আবূ উবায়দা (রাঃ) বললেন: এটা মৃত জন্তু, তোমরা তা খাবে না। এরপর তিনি বললেনঃ আমরাতো রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সেনাদল, আর আল্লাহ্ পাকের রাস্তায় রয়েছি এবং আমরা নিরুপায়। অতএব তোমরা আল্লাহ্‌র নামে খাও। পরে আমরা তা খেলাম এবং মাছের কিছু অংশ শুকালাম। এর চোখের কোটরে তের ব্যক্তি বসতে পারতো। বর্ণনাকারী বলেনঃ আবূ উবায়দা (রাঃ) এর পাঁজরের এক পাশের একখানা হাঁড় নিলেন। তারপর সর্ববৃহৎ উটের পিঠে হাওদা বসান। তারপর সেটিকে সেই হাঁড়ের নিচ দিয়ে চালিয়ে নেন। আমরা এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি বললেনঃ তোমরা এত দেরী করলে কেন? আমরা বললামঃ আমরা কুরায়শদের দলের প্রতীক্ষায় ছিলাম। আর আমরা তাঁর নিকট ঐ জন্তুর ঘটনাও বর্ণনা করলাম। তখন তিনি বললেনঃ এটা আল্লাহ্-প্রদত্ত বিয্ক, যা তিনি তোমাদেরকে দান করেছেন। তোমাদের নিকট এর কিছু অংশ অবশিষ্ট আছে কি? রাবী বলেনঃ আমরা বললামঃ হ্যাঁ।

أخبرنا محمد بن عمر بن علي بن مقدم المقدمي قال: حدثنا معاذ بن هشام قال: حدثني أبي، عن أبي الزبير، عن جابر قال: بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم مع أبي عبيدة، ونحن ثلاث مائة وبضعة عشر، وزودنا جرابا من تمر، فأعطانا قبضة قبضة، فلما أن جزناه أعطانا تمرة تمرة، حتى إن كنا لنمصها كما يمص الصبي، ونشرب عليها الماء، فلما فقدناها وجدنا فقدها، حتى إن كنا لنخبط الخبط بقسينا، ونسفه ثم نشرب عليه من الماء حتى سمينا جيش الخبط، ثم أجزنا الساحل، فإذا دابة مثل الكثيب - يقال له العنبر - فقال أبو عبيدة: ميتة لا تأكلوه، ثم قال: جيش رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي سبيل الله عز وجل، ونحن مضطرون كلوا باسم الله، فأكلنا منه، وجعلنا منه، وشيقة، ولقد جلس في موضع عينه ثلاثة عشر رجلا قال: فأخذ أبو عبيدة ضلعا من أضلاعه، فرحل به أجسم بعير من أباعر القوم، فأجاز تحته، فلما قدمنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «ما حبسكم؟» قلنا كنا نتبع عيرات قريش، وذكرنا له من أمر الدابة، فقال: «ذاك رزق رزقكموه الله عز وجل، أمعكم منه شيء»، قال: قلنا: نعم


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00