সুনান নাসাঈ > হিজরত শেষ হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে মতপার্থক্য
সুনান নাসাঈ ৪১৭০
أخبرنا إسحاق بن منصور قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان قال: حدثني منصور، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الفتح: «لا هجرة، ولكن جهاد ونية، فإذا استنفرتم فانفروا»
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন বলেনঃ এখন আর হিজরত নেই। কিন্তু জিহাদ এবং বিশুদ্ধ নিয়্যত এখনও অবশিষ্ট আছে। অতএব যখন তোমাদেরকে যুদ্ধের জন্য ডাকা হবে, তখন তোমরা বের হবে।
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন বলেনঃ এখন আর হিজরত নেই। কিন্তু জিহাদ এবং বিশুদ্ধ নিয়্যত এখনও অবশিষ্ট আছে। অতএব যখন তোমাদেরকে যুদ্ধের জন্য ডাকা হবে, তখন তোমরা বের হবে।
أخبرنا إسحاق بن منصور قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان قال: حدثني منصور، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الفتح: «لا هجرة، ولكن جهاد ونية، فإذا استنفرتم فانفروا»
সুনান নাসাঈ ৪১৭১
أخبرنا عمرو بن علي، عن عبد الرحمن قال: حدثنا شعبة، عن يحيى بن هانئ، عن نعيم بن دجاجة قال: سمعت عمر بن الخطاب يقول: «لا هجرة بعد وفاة رسول الله صلى الله عليه وسلم»
নু‘আয়ম ইব্ন দুজাজা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি উমর ইব্ন খাত্তাব (রাঃ) কে বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইনতিকালের পর হিজরত অবশিষ্ট নেই।
নু‘আয়ম ইব্ন দুজাজা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি উমর ইব্ন খাত্তাব (রাঃ) কে বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইনতিকালের পর হিজরত অবশিষ্ট নেই।
أخبرنا عمرو بن علي، عن عبد الرحمن قال: حدثنا شعبة، عن يحيى بن هانئ، عن نعيم بن دجاجة قال: سمعت عمر بن الخطاب يقول: «لا هجرة بعد وفاة رسول الله صلى الله عليه وسلم»
সুনান নাসাঈ ৪১৬৯
أخبرني محمد بن داود قال: حدثنا معلى بن أسد قال: حدثنا وهيب بن خالد، عن عبد الله بن طاوس، عن أبيه، عن صفوان بن أمية قال: قلت: يا رسول الله، إنهم يقولون: إن الجنة لا يدخلها إلا مهاجر، قال: «لا هجرة بعد فتح مكة، ولكن جهاد ونية، فإذا استنفرتم فانفروا»
সাফওয়ান ইব্ন উমাইয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! লোকেরা বলে, বেহেশতে শুধু ঐ সকল লোক প্রবেশ করবে, যারা হিজরত করেছে। তিনি বললেনঃ মক্কা বিজিত হওয়ার সাথে সাথে হিজরত শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু জিহাদ ও বিশুদ্ধ নিয়্যত এখনও অবশিষ্ট আছে। অতএব তোমাদেরকে যখন জিহাদের জন্য বের হতে বলা হবে, তখন তোমরা জিহাদের জন্য বের হবে।
সাফওয়ান ইব্ন উমাইয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! লোকেরা বলে, বেহেশতে শুধু ঐ সকল লোক প্রবেশ করবে, যারা হিজরত করেছে। তিনি বললেনঃ মক্কা বিজিত হওয়ার সাথে সাথে হিজরত শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু জিহাদ ও বিশুদ্ধ নিয়্যত এখনও অবশিষ্ট আছে। অতএব তোমাদেরকে যখন জিহাদের জন্য বের হতে বলা হবে, তখন তোমরা জিহাদের জন্য বের হবে।
أخبرني محمد بن داود قال: حدثنا معلى بن أسد قال: حدثنا وهيب بن خالد، عن عبد الله بن طاوس، عن أبيه، عن صفوان بن أمية قال: قلت: يا رسول الله، إنهم يقولون: إن الجنة لا يدخلها إلا مهاجر، قال: «لا هجرة بعد فتح مكة، ولكن جهاد ونية، فإذا استنفرتم فانفروا»
সুনান নাসাঈ ৪১৬৮
أخبرنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، عن أبيه، عن جده قال: حدثني عقيل، عن ابن شهاب، عن عمرو بن عبد الرحمن بن أمية، أن أباه أخبره، أن يعلى قال: جئت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بأبي يوم الفتح، فقلت: يا رسول الله، بايع أبي على الهجرة، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أبايعه على الجهاد» وقد انقطعت الهجرة
ইয়ালা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মক্কা বিজয়ের দিন আমি আমার পিতাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এনে বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমার পিতা হতে হিজরতের বায়‘আত গ্রহণ করুন। তিনি বলেলেনঃ আমি তার থেকে জিহাদের উপর বায়‘আত গ্রহণ করবো। কেননা হিজরত শেষে হয়ে গেছে।
ইয়ালা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মক্কা বিজয়ের দিন আমি আমার পিতাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এনে বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমার পিতা হতে হিজরতের বায়‘আত গ্রহণ করুন। তিনি বলেলেনঃ আমি তার থেকে জিহাদের উপর বায়‘আত গ্রহণ করবো। কেননা হিজরত শেষে হয়ে গেছে।
أخبرنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، عن أبيه، عن جده قال: حدثني عقيل، عن ابن شهاب، عن عمرو بن عبد الرحمن بن أمية، أن أباه أخبره، أن يعلى قال: جئت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بأبي يوم الفتح، فقلت: يا رسول الله، بايع أبي على الهجرة، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أبايعه على الجهاد» وقد انقطعت الهجرة
সুনান নাসাঈ ৪১৭৩
أخبرنا محمود بن خالد قال: حدثنا مروان بن محمد قال: حدثنا عبد الله بن العلاء بن زبر قال: حدثني بسر بن عبيد الله، عن أبي إدريس الخولاني، عن حسان بن عبد الله الضمري، عن عبد الله بن السعدي قال: وفدنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فدخل أصحابي فقضى حاجتهم، وكنت آخرهم دخولا، فقال: حاجتك، فقلت: يا رسول الله، متى تنقطع الهجرة؟ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تنقطع الهجرة ما قوتل الكفار»
আবদুল্লাহ ইব্ন সা‘দী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা প্রতিনিধি হিসাবে রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হই, আমার সাথীরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাদের প্রয়োজন পূর্ণ করেন। আমি সকলের শেষে তাঁর নিকট উপস্থিত হই। তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তোমার কী প্রয়োজন? আমি বলিঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! হিজরত কখন শেষ হবে? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কাফিরদের সাথে যুদ্ধ যতদিন চলতে থাকেব, ততদিন হিজরত শেষ হবে না।
আবদুল্লাহ ইব্ন সা‘দী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা প্রতিনিধি হিসাবে রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হই, আমার সাথীরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাদের প্রয়োজন পূর্ণ করেন। আমি সকলের শেষে তাঁর নিকট উপস্থিত হই। তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তোমার কী প্রয়োজন? আমি বলিঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! হিজরত কখন শেষ হবে? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কাফিরদের সাথে যুদ্ধ যতদিন চলতে থাকেব, ততদিন হিজরত শেষ হবে না।
أخبرنا محمود بن خالد قال: حدثنا مروان بن محمد قال: حدثنا عبد الله بن العلاء بن زبر قال: حدثني بسر بن عبيد الله، عن أبي إدريس الخولاني، عن حسان بن عبد الله الضمري، عن عبد الله بن السعدي قال: وفدنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فدخل أصحابي فقضى حاجتهم، وكنت آخرهم دخولا، فقال: حاجتك، فقلت: يا رسول الله، متى تنقطع الهجرة؟ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تنقطع الهجرة ما قوتل الكفار»
সুনান নাসাঈ ৪১৭২
أخبرنا عيسى بن مساور قال: حدثنا الوليد، عن عبد الله بن العلاء بن زبر، عن بسر بن عبيد الله، عن أبي إدريس الخولاني، عن عبد الله بن وقدان السعدي قال: وفدت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في وفد كلنا يطلب حاجة، وكنت آخرهم دخولا على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقلت: يا رسول الله، إني تركت من خلفي وهم يزعمون أن الهجرة قد انقطعت، قال: «لا تنقطع الهجرة ما قوتل الكفار»
আবদুল্লাহ ইব্ন ওায়াকিদ সা’দী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি একটি প্রতিনিধি দলের সাথে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হই এবং আমাদের মধ্যে প্রত্যেকেই রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কোন কোন প্রয়োজন প্রকাশ করতে থাকে। আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট সকলের শেষে উপস্থিত হয়েছিলাম। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমি এমনসব লোককে রেখে এসেছি যারা মনে করে, হিজরত শেষ হয়ে গেছে। তিনি বলেলেনঃ যতদিন কাফিরদের সাথে জিহাদ জারী থাকবে, ততদিন হিজরত শেষ হবে না।
আবদুল্লাহ ইব্ন ওায়াকিদ সা’দী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি একটি প্রতিনিধি দলের সাথে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হই এবং আমাদের মধ্যে প্রত্যেকেই রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কোন কোন প্রয়োজন প্রকাশ করতে থাকে। আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট সকলের শেষে উপস্থিত হয়েছিলাম। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমি এমনসব লোককে রেখে এসেছি যারা মনে করে, হিজরত শেষ হয়ে গেছে। তিনি বলেলেনঃ যতদিন কাফিরদের সাথে জিহাদ জারী থাকবে, ততদিন হিজরত শেষ হবে না।
أخبرنا عيسى بن مساور قال: حدثنا الوليد، عن عبد الله بن العلاء بن زبر، عن بسر بن عبيد الله، عن أبي إدريس الخولاني، عن عبد الله بن وقدان السعدي قال: وفدت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في وفد كلنا يطلب حاجة، وكنت آخرهم دخولا على رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقلت: يا رسول الله، إني تركت من خلفي وهم يزعمون أن الهجرة قد انقطعت، قال: «لا تنقطع الهجرة ما قوتل الكفار»
সুনান নাসাঈ > যা পছন্দনীয় এবং যা অপছন্দনীয় সকল বিষয়ের বায়‘আত
সুনান নাসাঈ ৪১৭৪
أخبرني محمد بن قدامة، عن جرير، عن مغيرة، عن أبي وائل، والشعبي قالا: قال جرير: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت له: أبايعك على السمع والطاعة فيما أحببت وفيما كرهت، قال النبي صلى الله عليه وسلم: «أو تستطيع ذلك يا جرير، أو تطيق ذلك؟» قال: " قل: فيما استطعت «فبايعني» والنصح لكل مسلم "
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ্! আমি আমার পছন্দনীয় এবং অপছন্দনীয় সকল প্রকার কাজের ব্যপারে আপনার কথা শ্রবণের এবং আপনার অনুসরণ করার বায়‘আত গ্রহণ করেছি। তিনি বললেনঃ হে জারীর! তোমার কি সেই ক্ষমতা আছে কিংবা তুমি কি তা পারবে? বরং তুমি বল, আমার দ্বারা যতটূকু সম্ভব। তারপর তিনি এরপর আমার নিকট হতে বায়‘আত করলেন। আমি আরও বায়‘আত গ্রহণ করলাম প্রত্যেক মুসলিমের প্রতি কল্যাণকামিতার।
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ্! আমি আমার পছন্দনীয় এবং অপছন্দনীয় সকল প্রকার কাজের ব্যপারে আপনার কথা শ্রবণের এবং আপনার অনুসরণ করার বায়‘আত গ্রহণ করেছি। তিনি বললেনঃ হে জারীর! তোমার কি সেই ক্ষমতা আছে কিংবা তুমি কি তা পারবে? বরং তুমি বল, আমার দ্বারা যতটূকু সম্ভব। তারপর তিনি এরপর আমার নিকট হতে বায়‘আত করলেন। আমি আরও বায়‘আত গ্রহণ করলাম প্রত্যেক মুসলিমের প্রতি কল্যাণকামিতার।
أخبرني محمد بن قدامة، عن جرير، عن مغيرة، عن أبي وائل، والشعبي قالا: قال جرير: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت له: أبايعك على السمع والطاعة فيما أحببت وفيما كرهت، قال النبي صلى الله عليه وسلم: «أو تستطيع ذلك يا جرير، أو تطيق ذلك؟» قال: " قل: فيما استطعت «فبايعني» والنصح لكل مسلم "
সুনান নাসাঈ > মুশরিক হতে পৃথক থাকার বায়‘আত
সুনান নাসাঈ ৪১৭৬
أخبرني محمد بن يحيى بن محمد قال: حدثنا الحسن بن الربيع قال: حدثنا أبو الأحوص، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن أبي نخيلة، عن جرير قال: أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر نحوه
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হই। এরপর তিনি পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হই। এরপর তিনি পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।
أخبرني محمد بن يحيى بن محمد قال: حدثنا الحسن بن الربيع قال: حدثنا أبو الأحوص، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن أبي نخيلة، عن جرير قال: أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر نحوه
সুনান নাসাঈ ৪১৭৫
أخبرنا بشر بن خالد قال: حدثنا غندر، عن شعبة، عن سليمان، عن أبي وائل، عن جرير قال: «بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم على إقام الصلاة، وإيتاء الزكاة، والنصح لكل مسلم، وعلى فراق المشرك»
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বায়‘আত গ্রহণ করলাম সালাত আদায় করার, যাকাত প্রদান করার, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য শুভ কামনার এবং মুশরিকদের থেকে পৃথক থাকার।
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বায়‘আত গ্রহণ করলাম সালাত আদায় করার, যাকাত প্রদান করার, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য শুভ কামনার এবং মুশরিকদের থেকে পৃথক থাকার।
أخبرنا بشر بن خالد قال: حدثنا غندر، عن شعبة، عن سليمان، عن أبي وائل، عن جرير قال: «بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم على إقام الصلاة، وإيتاء الزكاة، والنصح لكل مسلم، وعلى فراق المشرك»
সুনান নাসাঈ ৪১৭৭
أخبرني محمد بن قدامة قال: حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن أبي نخيلة البجلي قال: قال جرير: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو يبايع، فقلت: يا رسول الله، ابسط يدك حتى أبايعك، واشترط علي، فأنت أعلم، قال: «أبايعك على أن تعبد الله، وتقيم الصلاة، وتؤتي الزكاة، وتناصح المسلمين، وتفارق المشركين»
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তখন উপস্থিত হই, যখন তিনি বায়া‘আত গ্রহণ করেছিলেন। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি আপনার হাত বাড়িয়ে দিন, যাতে আমিও আপনার নিকট বায়‘আত গ্রহণ করতে পারি। আর আপনি যা ইচ্ছা আমার উপর শর্ত করুন এবং এ সম্পর্কে আপনি ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ আমি এই শর্তে তোমার বায়‘আত গ্রহণ করছি যে, তুমি এক আল্লাহ্র ইবাদত করবে, সালাত কায়েম করবে, যাকাত দিবে, মুসলমানদের শুভাকাঙ্ক্ষী থাকবে এবং মুশরিকদের পরিত্যাগ করবে।
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তখন উপস্থিত হই, যখন তিনি বায়া‘আত গ্রহণ করেছিলেন। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি আপনার হাত বাড়িয়ে দিন, যাতে আমিও আপনার নিকট বায়‘আত গ্রহণ করতে পারি। আর আপনি যা ইচ্ছা আমার উপর শর্ত করুন এবং এ সম্পর্কে আপনি ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ আমি এই শর্তে তোমার বায়‘আত গ্রহণ করছি যে, তুমি এক আল্লাহ্র ইবাদত করবে, সালাত কায়েম করবে, যাকাত দিবে, মুসলমানদের শুভাকাঙ্ক্ষী থাকবে এবং মুশরিকদের পরিত্যাগ করবে।
أخبرني محمد بن قدامة قال: حدثنا جرير، عن منصور، عن أبي وائل، عن أبي نخيلة البجلي قال: قال جرير: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو يبايع، فقلت: يا رسول الله، ابسط يدك حتى أبايعك، واشترط علي، فأنت أعلم، قال: «أبايعك على أن تعبد الله، وتقيم الصلاة، وتؤتي الزكاة، وتناصح المسلمين، وتفارق المشركين»
সুনান নাসাঈ ৪১৭৮
خبرنا يعقوب بن إبراهيم قال: حدثنا غندر قال: أنبأنا معمر قال: أنبأنا ابن شهاب، عن أبي إدريس الخولاني قال: سمعت عبادة بن الصامت قال: بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم في رهط، فقال: «أبايعكم على أن لا تشركوا بالله شيئا، ولا تسرقوا، ولا تزنوا، ولا تقتلوا أولادكم، ولا تأتوا ببهتان تفترونه بين أيديكم وأرجلكم، ولا تعصوني في معروف، فمن وفى منكم فأجره على الله، ومن أصاب من ذلك شيئا فعوقب فيه فهو طهوره، ومن ستره الله، فذاك إلى الله إن شاء عذبه، وإن شاء غفر له»
উবাদা ইব্ন সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি একদল লোকের সাথে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতে বায়‘আত গ্রহণ করি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি তোমাদের থেকে এ ব্যপারে বায়‘আত গ্রহণ করছি যে, তোমরা আল্লাহ্ তা‘আলার সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, নিজের সন্তানকে হত্যা করবে না, কারো প্রতি মিথ্যা অপবাদ দিবে না, ভাল কাজে আমার অবাধ্য হবে না। তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ সকল অঙ্গীকার পূর্ণ করবে তার সওয়াব আল্লাহ্র নিকট রয়েছে। আর যে ব্যক্তি এই কার্যাবলীর কোন একটি করে ফেলবে এবং পৃথিবীতে এর শাস্তি ভোগ করবে, তবে তা তার পবিত্রতার উপায় হবে। আর যদি আল্লাহ্ তা‘আলা তার পাপ গোপন রাখেন তবে তা আল্লাহ্র মরযী, তিনি ইচ্ছা করলে তাকে ক্ষমা করবেন, আর ইচ্ছা করলে শাস্তি দেবেন।
উবাদা ইব্ন সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি একদল লোকের সাথে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাতে বায়‘আত গ্রহণ করি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি তোমাদের থেকে এ ব্যপারে বায়‘আত গ্রহণ করছি যে, তোমরা আল্লাহ্ তা‘আলার সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, ব্যভিচার করবে না, নিজের সন্তানকে হত্যা করবে না, কারো প্রতি মিথ্যা অপবাদ দিবে না, ভাল কাজে আমার অবাধ্য হবে না। তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ সকল অঙ্গীকার পূর্ণ করবে তার সওয়াব আল্লাহ্র নিকট রয়েছে। আর যে ব্যক্তি এই কার্যাবলীর কোন একটি করে ফেলবে এবং পৃথিবীতে এর শাস্তি ভোগ করবে, তবে তা তার পবিত্রতার উপায় হবে। আর যদি আল্লাহ্ তা‘আলা তার পাপ গোপন রাখেন তবে তা আল্লাহ্র মরযী, তিনি ইচ্ছা করলে তাকে ক্ষমা করবেন, আর ইচ্ছা করলে শাস্তি দেবেন।
خبرنا يعقوب بن إبراهيم قال: حدثنا غندر قال: أنبأنا معمر قال: أنبأنا ابن شهاب، عن أبي إدريس الخولاني قال: سمعت عبادة بن الصامت قال: بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم في رهط، فقال: «أبايعكم على أن لا تشركوا بالله شيئا، ولا تسرقوا، ولا تزنوا، ولا تقتلوا أولادكم، ولا تأتوا ببهتان تفترونه بين أيديكم وأرجلكم، ولا تعصوني في معروف، فمن وفى منكم فأجره على الله، ومن أصاب من ذلك شيئا فعوقب فيه فهو طهوره، ومن ستره الله، فذاك إلى الله إن شاء عذبه، وإن شاء غفر له»
সুনান নাসাঈ > মহিলাদের বায়া‘য়াত
সুনান নাসাঈ ৪১৮০
أخبرنا الحسن بن أحمد قال: حدثنا أبو الربيع قال: أنبأنا حماد قال: حدثنا أيوب، عن محمد، عن أم عطية قالت: «أخذ علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم البيعة على أن لا ننوح»
উম্মে আতিয়্যা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের থেকে বায়‘আত নেন যে, আমরা যেন কোন মৃত ব্যক্তির জন্য ক্রন্দনে শরীক না হই।
উম্মে আতিয়্যা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের থেকে বায়‘আত নেন যে, আমরা যেন কোন মৃত ব্যক্তির জন্য ক্রন্দনে শরীক না হই।
أخبرنا الحسن بن أحمد قال: حدثنا أبو الربيع قال: أنبأنا حماد قال: حدثنا أيوب، عن محمد، عن أم عطية قالت: «أخذ علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم البيعة على أن لا ننوح»
সুনান নাসাঈ ৪১৭৯
أخبرني محمد بن منصور قال: حدثنا سفيان، عن أيوب، عن محمد، عن أم عطية قالت: لما أردت أن أبايع رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت: يا رسول الله، إن امرأة أسعدتني في الجاهلية، فأذهب فأسعدها ثم أجيئك فأبايعك؟ قال: «اذهبي فأسعديها» قالت: فذهبت فساعدتها، ثم جئت فبايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم
উম্মে আতিয়্যা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি যখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বায়া‘য়াত গ্রহণ করার ইচ্ছা করি, তখন আমি বলিঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ্! জাহিলী যুগে এক মহিলা মৃত্যুর উপর ক্রন্দনে আমাকে সাহায্য করেছিল। এখন তার সাহায্যেও আমাকে যেতে হয়। আমি সেখানে গিয়ে তাকে সাহায্য করব, তারপর এসে আপনার নিকট বায়‘আত গ্রহণ করবো। তিনি বলেলেনঃ যাও এবং তাকে সাহায্য কর। উম্মে আতিয়্যা (রাঃ) বলেনঃ আমি গিয়ে সে মহিলাকে সাহায্য করি এবং ফিরে এসে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বায়‘আত গ্রহণ করি।
উম্মে আতিয়্যা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি যখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বায়া‘য়াত গ্রহণ করার ইচ্ছা করি, তখন আমি বলিঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ্! জাহিলী যুগে এক মহিলা মৃত্যুর উপর ক্রন্দনে আমাকে সাহায্য করেছিল। এখন তার সাহায্যেও আমাকে যেতে হয়। আমি সেখানে গিয়ে তাকে সাহায্য করব, তারপর এসে আপনার নিকট বায়‘আত গ্রহণ করবো। তিনি বলেলেনঃ যাও এবং তাকে সাহায্য কর। উম্মে আতিয়্যা (রাঃ) বলেনঃ আমি গিয়ে সে মহিলাকে সাহায্য করি এবং ফিরে এসে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বায়‘আত গ্রহণ করি।
أخبرني محمد بن منصور قال: حدثنا سفيان، عن أيوب، عن محمد، عن أم عطية قالت: لما أردت أن أبايع رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت: يا رسول الله، إن امرأة أسعدتني في الجاهلية، فأذهب فأسعدها ثم أجيئك فأبايعك؟ قال: «اذهبي فأسعديها» قالت: فذهبت فساعدتها، ثم جئت فبايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم
সুনান নাসাঈ ৪১৮১
أخبرنا محمد بن بشار قال: حدثنا عبد الرحمن قال: حدثنا سفيان، عن محمد بن المنكدر، عن أميمة بنت رقيقة أنها قالت: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم في نسوة من الأنصار نبايعه، فقلنا: يا رسول الله، نبايعك على أن لا نشرك بالله شيئا، ولا نسرق، ولا نزني، ولا نأتي ببهتان نفتريه بين أيدينا وأرجلنا، ولا نعصيك في معروف، قال: «فيما استطعتن، وأطقتن». قالت: قلنا الله ورسوله أرحم بنا، هلم نبايعك يا رسول الله، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إني لا أصافح النساء، إنما قولي لمائة امرأة كقولي لامرأة واحدة، أو مثل قولي لامرأة واحدة»
উমায়মা বিনতে রুকায়কা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি কয়েকজন আনসারী নারীর সাথে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বায়‘আত গ্রহণের জন্য উপস্থিত হই। আমরা আরয করলামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ্! আমরা আপনার নিকট এ কথার উপর বায়‘আত করছি যে, আমরা আল্লাহ্ তা‘আলার সাথে কাউকে শরীক করবো না, চুরি করবো না, ব্যভিচার করবো না, আমরা কারো প্রতি মিথ্যা অপবাদ দেব না, ভাল কাজে আপনার নাফরমানী করবো না। তিনি বললেনঃ তোমারা এও বল যে, আমাদের দ্বারা যতটুকু সম্ভব। উমায়মা (রাঃ) বলেন, আমরা বললামঃ আল্লাহ্ এবং আল্লাহ্র রাসূল আমাদের প্রতি কত মেহেরবান। আমরা বললামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আসুন, আমরা আপনার হাতে বায়‘আত করবো। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি স্ত্রীলোকের হাতে হাত মিলাই না। কোন একজন নারী কে আমার বলাটা একশত নারীকে বলার মত।
উমায়মা বিনতে রুকায়কা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি কয়েকজন আনসারী নারীর সাথে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বায়‘আত গ্রহণের জন্য উপস্থিত হই। আমরা আরয করলামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ্! আমরা আপনার নিকট এ কথার উপর বায়‘আত করছি যে, আমরা আল্লাহ্ তা‘আলার সাথে কাউকে শরীক করবো না, চুরি করবো না, ব্যভিচার করবো না, আমরা কারো প্রতি মিথ্যা অপবাদ দেব না, ভাল কাজে আপনার নাফরমানী করবো না। তিনি বললেনঃ তোমারা এও বল যে, আমাদের দ্বারা যতটুকু সম্ভব। উমায়মা (রাঃ) বলেন, আমরা বললামঃ আল্লাহ্ এবং আল্লাহ্র রাসূল আমাদের প্রতি কত মেহেরবান। আমরা বললামঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আসুন, আমরা আপনার হাতে বায়‘আত করবো। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি স্ত্রীলোকের হাতে হাত মিলাই না। কোন একজন নারী কে আমার বলাটা একশত নারীকে বলার মত।
أخبرنا محمد بن بشار قال: حدثنا عبد الرحمن قال: حدثنا سفيان، عن محمد بن المنكدر، عن أميمة بنت رقيقة أنها قالت: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم في نسوة من الأنصار نبايعه، فقلنا: يا رسول الله، نبايعك على أن لا نشرك بالله شيئا، ولا نسرق، ولا نزني، ولا نأتي ببهتان نفتريه بين أيدينا وأرجلنا، ولا نعصيك في معروف، قال: «فيما استطعتن، وأطقتن». قالت: قلنا الله ورسوله أرحم بنا، هلم نبايعك يا رسول الله، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إني لا أصافح النساء، إنما قولي لمائة امرأة كقولي لامرأة واحدة، أو مثل قولي لامرأة واحدة»