সুনান নাসাঈ > রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে মন্দ বলার শাস্তি

সুনান নাসাঈ ৪০৭১

أخبرنا عمرو بن علي قال: حدثنا معاذ بن معاذ قال: حدثنا شعبة، عن توبة العنبري، عن عبد الله بن قدامة بن عنزة، عن أبي برزة الأسلمي قال: أغلظ رجل لأبي بكر الصديق، فقلت: أقتله، فانتهرني وقال: «ليس هذا لأحد بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم»

আবূ বারযা আস্‌লামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) -কে মন্দ বললে, আমি বললামঃ আমি কি তাকে হত্যা করবো? তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বললেনঃ এই মর্যাদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ব্যতীত আর কারো নেই।

আবূ বারযা আস্‌লামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) -কে মন্দ বললে, আমি বললামঃ আমি কি তাকে হত্যা করবো? তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বললেনঃ এই মর্যাদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ব্যতীত আর কারো নেই।

أخبرنا عمرو بن علي قال: حدثنا معاذ بن معاذ قال: حدثنا شعبة، عن توبة العنبري، عن عبد الله بن قدامة بن عنزة، عن أبي برزة الأسلمي قال: أغلظ رجل لأبي بكر الصديق، فقلت: أقتله، فانتهرني وقال: «ليس هذا لأحد بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم»


সুনান নাসাঈ ৪০৭০

أخبرنا عثمان بن عبد الله قال: حدثنا عباد بن موسى قال: حدثنا إسماعيل بن جعفر قال: حدثني إسرائيل، عن عثمان الشحام قال: كنت أقود رجلا أعمى فانتهيت إلى عكرمة، فأنشأ يحدثنا قال: حدثني ابن عباس، أن أعمى كان على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم وكانت له أم ولد، وكان له منها ابنان، وكانت تكثر الوقيعة برسول الله صلى الله عليه وسلم وتسبه، فيزجرها فلا تنزجر، وينهاها فلا تنتهي، فلما كان ذات ليلة ذكرت النبي صلى الله عليه وسلم فوقعت فيه، فلم أصبر أن قمت إلى المغول، فوضعته في بطنها، فاتكأت عليه فقتلتها، فأصبحت قتيلا، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم، فجمع الناس وقال: «أنشد الله رجلا لي عليه حق، فعل ما فعل إلا قام» فأقبل الأعمى يتدلدل فقال: يا رسول الله، أنا صاحبها كانت أم ولدي، وكانت بي لطيفة رفيقة، ولي منها ابنان مثل اللؤلؤتين، ولكنها كانت تكثر الوقيعة فيك وتشتمك، فأنهاها فلا تنتهي، وأزجرها فلا تنزجر، فلما كانت البارحة ذكرتك فوقعت فيك، فقمت إلى المغول فوضعته في بطنها، فاتكأت عليها حتى قتلتها، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ألا اشهدوا أن دمها هدر»

উসমান শাহ্‌হাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এক অন্ধ লোকের চালক ছিলাম। একদা তাকে নিয়ে ইকরিমার কাছে গেলাম। তিনি আমাদের কাছে বর্ণনা করলেন যে, হযরত ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সময় এক অন্ধ লোক ছিল। তার এক দাসী ছিল, যার গর্ভে তার দুই ছেলে জন্মে। সে দাসী সর্বদাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কথা উল্লেখ করে তাঁকে মন্দ বলতো। অন্ধ ব্যক্তিটি তাকে এজন্য তিরস্কার করতো, কিন্তু সে তাতে কর্ণপাত করতো না। তাকে নিষেধ করতো, কিন্তু তবুও বিরত হত না। অন্ধ লোকটি বলেনঃ একরাত্রে আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কথা উল্লেখ করলে সে তাঁর নিন্দা করতে শুরু করল। আমার তা সহ্য না হওয়ায় আমি একটি হাতিয়ার নিয়ে তার পেটে বিদ্ধ করলাম। তাতে সে মারা গেল। ভোরে লোকে তাকে মৃতাবস্থায় দেখে ব্যাপারটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমতে জানাল। তিনি সকল লোককে একত্র করে বললেনঃ আমি আল্লাহ্‌র কসম দিয়ে ঐ ব্যক্তিকে বলছি, যে এমন কাজ করেছে সে আসুক। এ কথা শুনে ঐ অন্ধ ব্যক্তি ভয়ে উঠে এসে হাযির হলেন এবং বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি এই কাজ করেছি। সে আমার বাঁদী ছিল, আমার অত্যন্ত স্নেহশীলা ছিল, সঙ্গিনী ছিল। তার গর্ভের আমার দুটি ছেলে রয়েছে, যারা মুক্তাসদৃশ। কিন্তু সে প্রায় আপনাকে মন্দ বলতো, গালি দিতো। আমি নিষেধ করলেও সে কর্ণপাত করতো না। তিরস্কার করলেও সে নিবৃত হতো না। অবশেষে গত রাতে আমি আপনার উল্লেখ করলে সে আপনাকে মন্দ বলতে আরম্ভ করল। আমি একটি অস্ত্র উঠিয়ে তার পেটে রেখে চেপে ধরি, তাতে সে মারা যায়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা সাক্ষী থাক, ঐ দাসীর রক্তের কোন বিনিময় নেই।

উসমান শাহ্‌হাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এক অন্ধ লোকের চালক ছিলাম। একদা তাকে নিয়ে ইকরিমার কাছে গেলাম। তিনি আমাদের কাছে বর্ণনা করলেন যে, হযরত ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সময় এক অন্ধ লোক ছিল। তার এক দাসী ছিল, যার গর্ভে তার দুই ছেলে জন্মে। সে দাসী সর্বদাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কথা উল্লেখ করে তাঁকে মন্দ বলতো। অন্ধ ব্যক্তিটি তাকে এজন্য তিরস্কার করতো, কিন্তু সে তাতে কর্ণপাত করতো না। তাকে নিষেধ করতো, কিন্তু তবুও বিরত হত না। অন্ধ লোকটি বলেনঃ একরাত্রে আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কথা উল্লেখ করলে সে তাঁর নিন্দা করতে শুরু করল। আমার তা সহ্য না হওয়ায় আমি একটি হাতিয়ার নিয়ে তার পেটে বিদ্ধ করলাম। তাতে সে মারা গেল। ভোরে লোকে তাকে মৃতাবস্থায় দেখে ব্যাপারটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খিদমতে জানাল। তিনি সকল লোককে একত্র করে বললেনঃ আমি আল্লাহ্‌র কসম দিয়ে ঐ ব্যক্তিকে বলছি, যে এমন কাজ করেছে সে আসুক। এ কথা শুনে ঐ অন্ধ ব্যক্তি ভয়ে উঠে এসে হাযির হলেন এবং বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি এই কাজ করেছি। সে আমার বাঁদী ছিল, আমার অত্যন্ত স্নেহশীলা ছিল, সঙ্গিনী ছিল। তার গর্ভের আমার দুটি ছেলে রয়েছে, যারা মুক্তাসদৃশ। কিন্তু সে প্রায় আপনাকে মন্দ বলতো, গালি দিতো। আমি নিষেধ করলেও সে কর্ণপাত করতো না। তিরস্কার করলেও সে নিবৃত হতো না। অবশেষে গত রাতে আমি আপনার উল্লেখ করলে সে আপনাকে মন্দ বলতে আরম্ভ করল। আমি একটি অস্ত্র উঠিয়ে তার পেটে রেখে চেপে ধরি, তাতে সে মারা যায়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা সাক্ষী থাক, ঐ দাসীর রক্তের কোন বিনিময় নেই।

أخبرنا عثمان بن عبد الله قال: حدثنا عباد بن موسى قال: حدثنا إسماعيل بن جعفر قال: حدثني إسرائيل، عن عثمان الشحام قال: كنت أقود رجلا أعمى فانتهيت إلى عكرمة، فأنشأ يحدثنا قال: حدثني ابن عباس، أن أعمى كان على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم وكانت له أم ولد، وكان له منها ابنان، وكانت تكثر الوقيعة برسول الله صلى الله عليه وسلم وتسبه، فيزجرها فلا تنزجر، وينهاها فلا تنتهي، فلما كان ذات ليلة ذكرت النبي صلى الله عليه وسلم فوقعت فيه، فلم أصبر أن قمت إلى المغول، فوضعته في بطنها، فاتكأت عليه فقتلتها، فأصبحت قتيلا، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم، فجمع الناس وقال: «أنشد الله رجلا لي عليه حق، فعل ما فعل إلا قام» فأقبل الأعمى يتدلدل فقال: يا رسول الله، أنا صاحبها كانت أم ولدي، وكانت بي لطيفة رفيقة، ولي منها ابنان مثل اللؤلؤتين، ولكنها كانت تكثر الوقيعة فيك وتشتمك، فأنهاها فلا تنتهي، وأزجرها فلا تنزجر، فلما كانت البارحة ذكرتك فوقعت فيك، فقمت إلى المغول فوضعته في بطنها، فاتكأت عليها حتى قتلتها، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ألا اشهدوا أن دمها هدر»


সুনান নাসাঈ > এই হাদীস সম্পর্কে আ’মাশ থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে শাব্দিক পার্থক্য

সুনান নাসাঈ ৪০৭৪

أخبرنا محمد بن المثنى، عن يحيى بن حماد قال: حدثنا أبو عوانة، عن سليمان، عن عمرو بن مرة، عن أبي البختري، عن أبي برزة قال: تغيظ أبو بكر على رجل، فقال: لو أمرتني لفعلت؟ قال: «أما والله ما كانت لبشر بعد محمد صلى الله عليه وسلم»

আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ বকর (রাঃ) এক ব্যক্তির উপর রাগান্বিত হলেন, তখন আবূ বারযা (রাঃ) বললেনঃ যদি আপনি আমাকে আদেশ করেন, তবে অবশ্যই আমি তাকে হত্যা করবো। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পর কারো জন্য এ মর্যাদা নেই।

আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ বকর (রাঃ) এক ব্যক্তির উপর রাগান্বিত হলেন, তখন আবূ বারযা (রাঃ) বললেনঃ যদি আপনি আমাকে আদেশ করেন, তবে অবশ্যই আমি তাকে হত্যা করবো। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌র কসম! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পর কারো জন্য এ মর্যাদা নেই।

أخبرنا محمد بن المثنى، عن يحيى بن حماد قال: حدثنا أبو عوانة، عن سليمان، عن عمرو بن مرة، عن أبي البختري، عن أبي برزة قال: تغيظ أبو بكر على رجل، فقال: لو أمرتني لفعلت؟ قال: «أما والله ما كانت لبشر بعد محمد صلى الله عليه وسلم»


সুনান নাসাঈ ৪০৭৬

أخبرنا محمد بن المثنى، عن أبي داود قال: حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة قال: سمعت أبا نصر يحدث، عن أبي برزة قال: أتيت على أبي بكر وقد أغلظ لرجل، فرد عليه، فقلت: ألا أضرب عنقه؟ فانتهرني، فقال: «إنها ليست لأحد بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم» قال أبو عبد الرحمن: «أبو نصر حميد بن هلال ورواه عنه يونس بن عبيد فأسنده»

আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) -এর নিকট গিয়ে দেখলাম তিনি এক ব্যক্তিকে তিরস্কার করছেন। আর ঐ লোকটিও তাঁর কথার উত্তর কঠোর ভাষায় দিচ্ছিল। আমি বললামঃ আমি কি ঐ ব্যক্তির গর্দান উড়িয়ে দেব না? এতে তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পর এটা আর কারো জন্য বৈধ নয়।

আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) -এর নিকট গিয়ে দেখলাম তিনি এক ব্যক্তিকে তিরস্কার করছেন। আর ঐ লোকটিও তাঁর কথার উত্তর কঠোর ভাষায় দিচ্ছিল। আমি বললামঃ আমি কি ঐ ব্যক্তির গর্দান উড়িয়ে দেব না? এতে তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বললেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পর এটা আর কারো জন্য বৈধ নয়।

أخبرنا محمد بن المثنى، عن أبي داود قال: حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة قال: سمعت أبا نصر يحدث، عن أبي برزة قال: أتيت على أبي بكر وقد أغلظ لرجل، فرد عليه، فقلت: ألا أضرب عنقه؟ فانتهرني، فقال: «إنها ليست لأحد بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم» قال أبو عبد الرحمن: «أبو نصر حميد بن هلال ورواه عنه يونس بن عبيد فأسنده»


সুনান নাসাঈ ৪০৭২

أخبرنا محمد بن العلاء قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن سالم بن أبي الجعد، عن أبي برزة قال: تغيظ أبو بكر على رجل، فقلت: من هو يا خليفة رسول الله؟ قال: «لم؟» قلت: لأضرب عنقه، إن أمرتني بذلك؟ قال: «أفكنت فاعلا؟» قلت: نعم، قال: فوالله لأذهب عظم كلمتي التي قلت غضبه ثم قال: «ما كان لأحد بعد محمد صلى الله عليه وسلم»

আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আবূ বকর (রাঃ) কারো উপর রাগান্বিত হলে, আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূলের খলীফা! এ ব্যক্তি কে? তিনি বললেনঃ কেন? আমি বললামঃ আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেব, যদি আপনি আমাকে একাজ করার নির্দেশ দেন। তিনি বললেনঃ যদি আমি ইচ্ছা করতাম, তবে তোমাকে আদেশ করতাম। আল্লাহ্‌র কসম! আমার কথার ভীষণতায় তার ক্রোধ দমিত হলো; পরে তিনি বললেনঃ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পর কারো জন্য এই মর্যাদা নেই।

আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আবূ বকর (রাঃ) কারো উপর রাগান্বিত হলে, আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূলের খলীফা! এ ব্যক্তি কে? তিনি বললেনঃ কেন? আমি বললামঃ আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেব, যদি আপনি আমাকে একাজ করার নির্দেশ দেন। তিনি বললেনঃ যদি আমি ইচ্ছা করতাম, তবে তোমাকে আদেশ করতাম। আল্লাহ্‌র কসম! আমার কথার ভীষণতায় তার ক্রোধ দমিত হলো; পরে তিনি বললেনঃ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পর কারো জন্য এই মর্যাদা নেই।

أخبرنا محمد بن العلاء قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن سالم بن أبي الجعد، عن أبي برزة قال: تغيظ أبو بكر على رجل، فقلت: من هو يا خليفة رسول الله؟ قال: «لم؟» قلت: لأضرب عنقه، إن أمرتني بذلك؟ قال: «أفكنت فاعلا؟» قلت: نعم، قال: فوالله لأذهب عظم كلمتي التي قلت غضبه ثم قال: «ما كان لأحد بعد محمد صلى الله عليه وسلم»


সুনান নাসাঈ ৪০৭৩

أخبرنا أبو داود قال: حدثنا يعلى، قال: حدثنا الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن أبي البختري، عن أبي برزة قال: مررت على أبي بكر وهو متغيظ على رجل من أصحابه فقلت: يا خليفة رسول الله، من هذا الذي تغيظ عليه؟ قال: «ولم تسأل؟» قلت: أضرب عنقه، قال: فوالله لأذهب عظم كلمتي غضبه ثم قال: «ما كانت لأحد بعد محمد صلى الله عليه وسلم»

আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি আবূ বকর (রাঃ) -এর নিকট দিয়ে গেলাম, সে সময় তিনি এক ব্যক্তির উপর রাগান্বিত ছিলেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূলের খলীফা! এ ব্যক্তি কে, যার উপর আপনি রাগান্বিত হয়েছেন? তিনি বললেনঃ তুমি কেন তার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করছো? আমি বললামঃ তার গর্দান উড়িয়ে দেব। আমার কথার ভীষণতায় তাঁর রাগ প্রশমিত হলো। তারপর তিনি বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পর কারো জন্য এর সুযোগ নেই।

আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি আবূ বকর (রাঃ) -এর নিকট দিয়ে গেলাম, সে সময় তিনি এক ব্যক্তির উপর রাগান্বিত ছিলেন। আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূলের খলীফা! এ ব্যক্তি কে, যার উপর আপনি রাগান্বিত হয়েছেন? তিনি বললেনঃ তুমি কেন তার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করছো? আমি বললামঃ তার গর্দান উড়িয়ে দেব। আমার কথার ভীষণতায় তাঁর রাগ প্রশমিত হলো। তারপর তিনি বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পর কারো জন্য এর সুযোগ নেই।

أخبرنا أبو داود قال: حدثنا يعلى، قال: حدثنا الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن أبي البختري، عن أبي برزة قال: مررت على أبي بكر وهو متغيظ على رجل من أصحابه فقلت: يا خليفة رسول الله، من هذا الذي تغيظ عليه؟ قال: «ولم تسأل؟» قلت: أضرب عنقه، قال: فوالله لأذهب عظم كلمتي غضبه ثم قال: «ما كانت لأحد بعد محمد صلى الله عليه وسلم»


সুনান নাসাঈ ৪০৭৭

أخبرني أبو داود قال: حدثنا عفان، قال: حدثنا يزيد بن زريع قال: حدثنا يونس بن عبيد، عن حميد بن هلال، عن عبد الله بن مطرف بن الشخير، عن أبي برزة الأسلمي أنه قال: كنا عند أبي بكر الصديق فغضب على رجل من المسلمين، فاشتد غضبه عليه جدا، فلما رأيت ذلك، قلت: يا خليفة رسول الله، أضرب عنقه؟ فلما ذكرت القتل، أضرب عن ذلك الحديث، أجمع إلى غير ذلك من النحو، فلما تفرقنا أرسل إلي، فقال: «يا أبا برزة، ما قلت؟» ونسيت الذي قلت: قلت: ذكرنيه قال: «أما تذكر ما قلت؟» قلت: لا والله، قال: " أرأيت حين رأيتني غضبت على رجل فقلت: أضرب عنقه يا خليفة رسول الله، أما تذكر ذلك أو كنت فاعلا ذلك " قلت: نعم، والله والآن إن أمرتني فعلت، قال: «والله ما هي لأحد بعد محمد صلى الله عليه وسلم» قال أبو عبد الرحمن: «هذا الحديث أحسن الأحاديث وأجودها والله تعالى أعلم»

আবূ বারযা আসলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা আমরা আবূ বকর (রাঃ) -এর নিকট ছিলাম। এ সময় তিনি একজন মুসলমানের প্রতি অত্যন্ত ক্রোধান্বিত হলেন। এ অবস্থা দেখে আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূলের খলীফা! আমি কি তার গর্দান উড়িয়ে দেব? আমার হত্যা করার কথার পর, তিনি এ কথা ছেড়ে অন্য কথা আরম্ভ করলেন। আমরা সেখান হতে ফিরে আসলে তিনি আমাকে ডেকে পাঠান এবং বলেনঃ হে আবূ বারযা! তুমি কি বলেছিলে? বস্তুত আমি কি বলেছিলাম তা ভুলে গিয়েছিলাম। তাই বললাম, আপনি আমাকে স্মরণ করিয়ে দিন। তিনি বললেন, তোমার কি মনে পড়ছে না? আমি বললামঃ আল্লাহ্‌র কসম! না। তিনি বললেনঃ যখন তুমি আমাকে এক ব্যক্তির উপর রাগান্বিত হতে দেখেছিলে, তখন তুমি বলেছিলেঃ হে রাসূলের খলীফা! আমি কি ঐ ব্যক্তির গর্দান উড়িয়ে দেব কি না? তুমি কি ঐরূপ করতে চাও? আমি বললামঃ নিশ্চয়ই। এখনও যদি আপনি আদেশ করেন, তবে আমি তাকে হত্যা করবো। তিনি বললেনঃ রাসূল্লুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পর এ মর্যাদা আর কারো জন্য নেই।

আবূ বারযা আসলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা আমরা আবূ বকর (রাঃ) -এর নিকট ছিলাম। এ সময় তিনি একজন মুসলমানের প্রতি অত্যন্ত ক্রোধান্বিত হলেন। এ অবস্থা দেখে আমি বললামঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূলের খলীফা! আমি কি তার গর্দান উড়িয়ে দেব? আমার হত্যা করার কথার পর, তিনি এ কথা ছেড়ে অন্য কথা আরম্ভ করলেন। আমরা সেখান হতে ফিরে আসলে তিনি আমাকে ডেকে পাঠান এবং বলেনঃ হে আবূ বারযা! তুমি কি বলেছিলে? বস্তুত আমি কি বলেছিলাম তা ভুলে গিয়েছিলাম। তাই বললাম, আপনি আমাকে স্মরণ করিয়ে দিন। তিনি বললেন, তোমার কি মনে পড়ছে না? আমি বললামঃ আল্লাহ্‌র কসম! না। তিনি বললেনঃ যখন তুমি আমাকে এক ব্যক্তির উপর রাগান্বিত হতে দেখেছিলে, তখন তুমি বলেছিলেঃ হে রাসূলের খলীফা! আমি কি ঐ ব্যক্তির গর্দান উড়িয়ে দেব কি না? তুমি কি ঐরূপ করতে চাও? আমি বললামঃ নিশ্চয়ই। এখনও যদি আপনি আদেশ করেন, তবে আমি তাকে হত্যা করবো। তিনি বললেনঃ রাসূল্লুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পর এ মর্যাদা আর কারো জন্য নেই।

أخبرني أبو داود قال: حدثنا عفان، قال: حدثنا يزيد بن زريع قال: حدثنا يونس بن عبيد، عن حميد بن هلال، عن عبد الله بن مطرف بن الشخير، عن أبي برزة الأسلمي أنه قال: كنا عند أبي بكر الصديق فغضب على رجل من المسلمين، فاشتد غضبه عليه جدا، فلما رأيت ذلك، قلت: يا خليفة رسول الله، أضرب عنقه؟ فلما ذكرت القتل، أضرب عن ذلك الحديث، أجمع إلى غير ذلك من النحو، فلما تفرقنا أرسل إلي، فقال: «يا أبا برزة، ما قلت؟» ونسيت الذي قلت: قلت: ذكرنيه قال: «أما تذكر ما قلت؟» قلت: لا والله، قال: " أرأيت حين رأيتني غضبت على رجل فقلت: أضرب عنقه يا خليفة رسول الله، أما تذكر ذلك أو كنت فاعلا ذلك " قلت: نعم، والله والآن إن أمرتني فعلت، قال: «والله ما هي لأحد بعد محمد صلى الله عليه وسلم» قال أبو عبد الرحمن: «هذا الحديث أحسن الأحاديث وأجودها والله تعالى أعلم»


সুনান নাসাঈ ৪০৭৫

أخبرنا معاوية بن صالح الأشعري قال: حدثنا عبد الله بن جعفر قال: حدثنا عبيد الله، عن زيد، عن عمرو بن مرة، عن أبي نضرة، عن أبي برزة قال: غضب أبو بكر على رجل غضبا شديدا حتى تغير لونه، قلت: يا خليفة رسول الله، والله لئن أمرتني لأضربن عنقه، فكأنما صب عليه ماء بارد، فذهب غضبه عن الرجل، قال: «ثكلتك أمك أبا برزة وإنها لم تكن لأحد بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم» قال أبو عبد الرحمن: «هذا خطأ والصواب أبو نصر، واسمه حميد بن هلال خالفه شعبة»

আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ বকর (রাঃ) এক ব্যক্তির উপর প্রচণ্ড রাগান্বিত হলে তাঁর চেহারার রং পরিবর্তন হয়ে যায়। তখন আমি বলিঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূলের খলীফা! আল্লাহ্‌র কসম! আপনি যদি আমাকে আদেশ দেন, তবে আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেব। আমার একথায় যেন তাঁর উপর ঠান্ডা পানি ঢালা হলো এবং সে ব্যক্তির উপর থেকে তাঁর রাগ চলে গেল। আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ বারযা! তোমার মাতা তোমার উপর ক্রন্দন করুক! বস্তুত এ মর্যাদা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পর আর কারো জন্য নেই।

আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ বকর (রাঃ) এক ব্যক্তির উপর প্রচণ্ড রাগান্বিত হলে তাঁর চেহারার রং পরিবর্তন হয়ে যায়। তখন আমি বলিঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূলের খলীফা! আল্লাহ্‌র কসম! আপনি যদি আমাকে আদেশ দেন, তবে আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেব। আমার একথায় যেন তাঁর উপর ঠান্ডা পানি ঢালা হলো এবং সে ব্যক্তির উপর থেকে তাঁর রাগ চলে গেল। আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ বারযা! তোমার মাতা তোমার উপর ক্রন্দন করুক! বস্তুত এ মর্যাদা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর পর আর কারো জন্য নেই।

أخبرنا معاوية بن صالح الأشعري قال: حدثنا عبد الله بن جعفر قال: حدثنا عبيد الله، عن زيد، عن عمرو بن مرة، عن أبي نضرة، عن أبي برزة قال: غضب أبو بكر على رجل غضبا شديدا حتى تغير لونه، قلت: يا خليفة رسول الله، والله لئن أمرتني لأضربن عنقه، فكأنما صب عليه ماء بارد، فذهب غضبه عن الرجل، قال: «ثكلتك أمك أبا برزة وإنها لم تكن لأحد بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم» قال أبو عبد الرحمن: «هذا خطأ والصواب أبو نصر، واسمه حميد بن هلال خالفه شعبة»


সুনান নাসাঈ > যাদু প্রসঙ্গ

সুনান নাসাঈ ৪০৭৮

أخبرنا محمد بن العلاء، عن ابن إدريس قال: أنبأنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن سلمة، عن صفوان بن عسال قال: قال يهودي لصاحبه: اذهب بنا إلى هذا النبي، قال له صاحبه: لا تقل نبي، لو سمعك كان له أربعة أعين، فأتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم وسألاه عن تسع آيات بينات، فقال لهم: «لا تشركوا بالله شيئا، ولا تسرقوا، ولا تزنوا، ولا تقتلوا النفس التي حرم الله إلا بالحق، ولا تمشوا ببريء إلى ذي سلطان، ولا تسحروا، ولا تأكلوا الربا، ولا تقذفوا المحصنة، ولا تولوا يوم الزحف، وعليكم خاصة يهود أن لا تعدوا في السبت» فقبلوا يديه ورجليه، وقالوا: نشهد أنك نبي، قال: «فما يمنعكم أن تتبعوني؟» قالوا: إن داود دعا بأن لا يزال من ذريته نبي، وإنا نخاف إن اتبعناك أن تقتلنا يهود

সফ্‌ওয়ান ইব্‌ন আসলাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী নিজ সাথীকে বললোঃ চল এই নবীর কাছে যাই। সাথী ইয়াহূদী বললোঃ তাকে নবী বলো না, যদি সে তোমার কথা শুনতে পায়, তবে খুশিতে তার চার চোখ হয়ে যাবে, (অর্থাৎ খুশিতে আত্মহারা হবে)। এরপর তারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে তাঁকে নয়টি নিদর্শন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলো, যা আল্লাহ্‌ তা’আলা মূসা (আঃ) -কে দান করেছিলেন। তিনি তাদেরকে বললেনঃ আল্লাহ্‌র সাথে কারো শরীক করো না, চুরি করো না, ব্যভিচার করো না, আর যে জীবন আল্লাহ্‌ তা’আলা হারাম করেছেন, তাকে অন্যায়ভাবে হত্যা করো না, আর অন্যায়ভাবে শাস্তি দেয়ার জন্য কাউকে হাকিমের কাছে নিও না, যাদু করো না, সুদ খাবে না, পবিত্রা নারীদেরকে ব্যভিচারের অপবাদ দেবে না, জিহাদের দিন পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে না। এই নয়টি আদেশ, আর একটি আদেশ তো তোমরা ইয়াহূদীদের সাথে সম্পর্কিত, তা এই যে, তোমরা শনিবারের ব্যাপারে সীমালংঘন করবে না। এ কথা শুনে ঐ ইয়াহূদীদ্বয় তাঁর হস্ত ও পদদ্বয়ে চুমু খেল। আর তারা বললোঃ আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি একজন নবী। তিনি বললেনঃ তাহলে আমার অনুসরণে তোমাদের বাধা কোথায়? তারা বললোঃ দাঊদ (আঃ) দু’আ করেছিলেন যে, তাঁর বংশে সর্বদা একজন নবী হবেন। তাই আমরা ভয় করছি যদি আমরা আপনার অনুসরণ করি, তাহলে ইয়াহূদীরা আমাদেরকে হত্যা করবে।

সফ্‌ওয়ান ইব্‌ন আসলাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী নিজ সাথীকে বললোঃ চল এই নবীর কাছে যাই। সাথী ইয়াহূদী বললোঃ তাকে নবী বলো না, যদি সে তোমার কথা শুনতে পায়, তবে খুশিতে তার চার চোখ হয়ে যাবে, (অর্থাৎ খুশিতে আত্মহারা হবে)। এরপর তারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে তাঁকে নয়টি নিদর্শন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলো, যা আল্লাহ্‌ তা’আলা মূসা (আঃ) -কে দান করেছিলেন। তিনি তাদেরকে বললেনঃ আল্লাহ্‌র সাথে কারো শরীক করো না, চুরি করো না, ব্যভিচার করো না, আর যে জীবন আল্লাহ্‌ তা’আলা হারাম করেছেন, তাকে অন্যায়ভাবে হত্যা করো না, আর অন্যায়ভাবে শাস্তি দেয়ার জন্য কাউকে হাকিমের কাছে নিও না, যাদু করো না, সুদ খাবে না, পবিত্রা নারীদেরকে ব্যভিচারের অপবাদ দেবে না, জিহাদের দিন পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে না। এই নয়টি আদেশ, আর একটি আদেশ তো তোমরা ইয়াহূদীদের সাথে সম্পর্কিত, তা এই যে, তোমরা শনিবারের ব্যাপারে সীমালংঘন করবে না। এ কথা শুনে ঐ ইয়াহূদীদ্বয় তাঁর হস্ত ও পদদ্বয়ে চুমু খেল। আর তারা বললোঃ আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি একজন নবী। তিনি বললেনঃ তাহলে আমার অনুসরণে তোমাদের বাধা কোথায়? তারা বললোঃ দাঊদ (আঃ) দু’আ করেছিলেন যে, তাঁর বংশে সর্বদা একজন নবী হবেন। তাই আমরা ভয় করছি যদি আমরা আপনার অনুসরণ করি, তাহলে ইয়াহূদীরা আমাদেরকে হত্যা করবে।

أخبرنا محمد بن العلاء، عن ابن إدريس قال: أنبأنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن سلمة، عن صفوان بن عسال قال: قال يهودي لصاحبه: اذهب بنا إلى هذا النبي، قال له صاحبه: لا تقل نبي، لو سمعك كان له أربعة أعين، فأتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم وسألاه عن تسع آيات بينات، فقال لهم: «لا تشركوا بالله شيئا، ولا تسرقوا، ولا تزنوا، ولا تقتلوا النفس التي حرم الله إلا بالحق، ولا تمشوا ببريء إلى ذي سلطان، ولا تسحروا، ولا تأكلوا الربا، ولا تقذفوا المحصنة، ولا تولوا يوم الزحف، وعليكم خاصة يهود أن لا تعدوا في السبت» فقبلوا يديه ورجليه، وقالوا: نشهد أنك نبي، قال: «فما يمنعكم أن تتبعوني؟» قالوا: إن داود دعا بأن لا يزال من ذريته نبي، وإنا نخاف إن اتبعناك أن تقتلنا يهود


সুনান নাসাঈ > যাদুকর সম্পর্কে হুকুম

সুনান নাসাঈ ৪০৭৯

أخبرنا عمرو بن علي قال: حدثنا أبو داود قال: حدثنا عباد بن ميسرة المنقري، عن الحسن، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم «من عقد عقدة، ثم نفث فيها فقد سحر، ومن سحر فقد أشرك، ومن تعلق شيئا وكل إليه»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি গিরা দিয়ে তাতে ফুঁক দেয়, সে যাদু করলো, আর যে যাদু করলো, সে মুশরিক হলো। আর যে ব্যক্তি গলায় কিছু ঝুলায়, তাকে সেই জিনিসের উপর ন্যস্ত করা হয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি গিরা দিয়ে তাতে ফুঁক দেয়, সে যাদু করলো, আর যে যাদু করলো, সে মুশরিক হলো। আর যে ব্যক্তি গলায় কিছু ঝুলায়, তাকে সেই জিনিসের উপর ন্যস্ত করা হয়।

أخبرنا عمرو بن علي قال: حدثنا أبو داود قال: حدثنا عباد بن ميسرة المنقري، عن الحسن، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم «من عقد عقدة، ثم نفث فيها فقد سحر، ومن سحر فقد أشرك، ومن تعلق شيئا وكل إليه»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00