সুনান নাসাঈ > মীরাসের পূর্বে কর্জ পরিশোধ করা এবং এ বিষয়ে জাবির (রাঃ)-এর হাদীস বর্ণনাকারীদের মধ্যে বর্ণনা বিরোধ

সুনান নাসাঈ ৩৬৩৭

أخبرنا عبد الرحمن بن محمد بن سلام، قال: حدثنا إسحاق وهو الأزرق، قال: حدثنا زكريا، عن الشعبي، عن جابر: أن أباه توفي وعليه دين، فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فقلت: يا رسول الله، إن أبي توفي وعليه دين، ولم يترك إلا ما يخرج نخله، ولا يبلغ ما يخرج نخله ما عليه من الدين دون سنين، فانطلق معي يا رسول الله لكي لا يفحش علي الغرام، «فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم يدور بيدرا بيدرا فسلم حوله ودعا له ثم جلس عليه، ودعا الغرام فأوفاهم، وبقي مثل ما أخذوا»

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর পিতা বহু কর্জ রেখে ইনতিকাল করেন। (তিনি বলেন) আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললামঃ আমার পিতা কর্জ রেখে ইনতিকাল করেছেন, আর তিনি তার খেজুর বাগানের উৎপাদন ব্যতীত আর কিছুই রেখে যাননি। আর এর উৎপাদন এমন যে, তাতে কয়েক বছর না মিলালে কর্জ আদায় হবে না। ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি আমার সঙ্গে চলুন, যাতে পাওনাদাররা আমার সাথে খারাপ ব্যাবহার না করে। এ কথায় রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার সঙ্গে আসলেন এবং প্রত্যেক স্তূপের চারদিকে প্রদক্ষিণ করতে লাগলেন। তিনি প্রত্যেকটির নিকট গিয়ে সালাম করলেন এবং দু’আ করলেন, এর উপর বসলেন। আর তিনি পাওনাদারদের ডেকে তাদের পাওনা পরিশোধ করতে শুরু করলেন এবং তাদের দেনা পরিশোধ করে দিলেন। আর সে পরিমান অবশিষ্ট রইল, যে পরিমান তারা নিয়ে গিয়েছিল।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর পিতা বহু কর্জ রেখে ইনতিকাল করেন। (তিনি বলেন) আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললামঃ আমার পিতা কর্জ রেখে ইনতিকাল করেছেন, আর তিনি তার খেজুর বাগানের উৎপাদন ব্যতীত আর কিছুই রেখে যাননি। আর এর উৎপাদন এমন যে, তাতে কয়েক বছর না মিলালে কর্জ আদায় হবে না। ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি আমার সঙ্গে চলুন, যাতে পাওনাদাররা আমার সাথে খারাপ ব্যাবহার না করে। এ কথায় রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার সঙ্গে আসলেন এবং প্রত্যেক স্তূপের চারদিকে প্রদক্ষিণ করতে লাগলেন। তিনি প্রত্যেকটির নিকট গিয়ে সালাম করলেন এবং দু’আ করলেন, এর উপর বসলেন। আর তিনি পাওনাদারদের ডেকে তাদের পাওনা পরিশোধ করতে শুরু করলেন এবং তাদের দেনা পরিশোধ করে দিলেন। আর সে পরিমান অবশিষ্ট রইল, যে পরিমান তারা নিয়ে গিয়েছিল।

أخبرنا عبد الرحمن بن محمد بن سلام، قال: حدثنا إسحاق وهو الأزرق، قال: حدثنا زكريا، عن الشعبي، عن جابر: أن أباه توفي وعليه دين، فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فقلت: يا رسول الله، إن أبي توفي وعليه دين، ولم يترك إلا ما يخرج نخله، ولا يبلغ ما يخرج نخله ما عليه من الدين دون سنين، فانطلق معي يا رسول الله لكي لا يفحش علي الغرام، «فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم يدور بيدرا بيدرا فسلم حوله ودعا له ثم جلس عليه، ودعا الغرام فأوفاهم، وبقي مثل ما أخذوا»


সুনান নাসাঈ ৩৬৩৯

أخبرنا إبراهيم بن يونس بن محمد حرمي، قال: حدثنا أبي، قال: حدثنا حماد، عن عمار بن أبي عمار، عن جابر بن عبد الله، قال: كان ليهودي على أبي تمر، فقتل يوم أحد وترك حديقتين، وتمر اليهودي يستوعب ما في الحديقتين، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «هل لك أن تأخذ العام نصفه وتؤخر نصفه؟» فأبى اليهودي، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «هل لك أن تأخذ الجداد؟» فآذني فآذنته، فجاء هو وأبو بكر فجعل يجد ويكال من أسفل النخل، ورسول الله صلى الله عليه وسلم يدعو بالبركة حتى وفيناه جميع حقه من أصغر الحديقتين - فيما يحسب عمار - ثم أتيتهم برطب وماء فأكلوا وشربوا، ثم قال: «هذا من النعيم الذي تسألون عنه»

জাবির ইৱ্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমার পিতা এক ইয়াহুদি হতে খেজুর ধার নিয়েছিলেন। তার দেনা আদায় না হতেই তিনি উহুদ যুদ্ধে শহীদ হন এবং দু’টি বাগান রেখে যান। ইয়াহুদির (পাওনা) খেজুর দুই বাগানের সব ফলকে পূর্ণরূপে গ্রাস করে ফেলেছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়াহুদিকে বললেনঃ তুমি কি এরূপ করতে পার যে, তোমার খেজুরের অর্ধেক এ বছর এবং বাকি অর্ধেক আগামী বছর নিবে? ইয়াহুদি এতে অস্বীকৃত জানালো। তিনি জাবির (রাঃ)-কে বললেনঃ তুমি খেজুর কাটার সময় আমাকে সংবাদ দিতে পারবে? আমি খেজুর কাটার সময় তাঁকে খবর দিলাম। তিনি আবু বকর (রাঃ)-কে সাথে নিয়ে আসলেন এবং খেজুরের নিচের দিক হতে মেপে মেপে ও কেটে দেওয়া শুরু করা হল। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বরকতের জন্য দু’আ করতে থাকলেন। ফলে তার সমস্ত পাওনা (আম্বারের বর্ণনা অনুসারে) আমাদের ছোট বাগানের খেজুর দ্বারাই আদায় হয়ে গেল। (আর বড় বাগান এমনই রয়ে গেল), জাবির (রাঃ) বলেনঃ পরে আমি তাঁদের নিকট তাজা খেজুর এবং পানি পেশ করলাম। (সকলের পানাহার শেষ হলে) পরে তিনি (রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম)) বললেনঃ এগুলো সেই নিয়ামত, যে সম্পর্কে তোমাদের জিজ্ঞাসা করা হবে।

জাবির ইৱ্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমার পিতা এক ইয়াহুদি হতে খেজুর ধার নিয়েছিলেন। তার দেনা আদায় না হতেই তিনি উহুদ যুদ্ধে শহীদ হন এবং দু’টি বাগান রেখে যান। ইয়াহুদির (পাওনা) খেজুর দুই বাগানের সব ফলকে পূর্ণরূপে গ্রাস করে ফেলেছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়াহুদিকে বললেনঃ তুমি কি এরূপ করতে পার যে, তোমার খেজুরের অর্ধেক এ বছর এবং বাকি অর্ধেক আগামী বছর নিবে? ইয়াহুদি এতে অস্বীকৃত জানালো। তিনি জাবির (রাঃ)-কে বললেনঃ তুমি খেজুর কাটার সময় আমাকে সংবাদ দিতে পারবে? আমি খেজুর কাটার সময় তাঁকে খবর দিলাম। তিনি আবু বকর (রাঃ)-কে সাথে নিয়ে আসলেন এবং খেজুরের নিচের দিক হতে মেপে মেপে ও কেটে দেওয়া শুরু করা হল। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বরকতের জন্য দু’আ করতে থাকলেন। ফলে তার সমস্ত পাওনা (আম্বারের বর্ণনা অনুসারে) আমাদের ছোট বাগানের খেজুর দ্বারাই আদায় হয়ে গেল। (আর বড় বাগান এমনই রয়ে গেল), জাবির (রাঃ) বলেনঃ পরে আমি তাঁদের নিকট তাজা খেজুর এবং পানি পেশ করলাম। (সকলের পানাহার শেষ হলে) পরে তিনি (রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম)) বললেনঃ এগুলো সেই নিয়ামত, যে সম্পর্কে তোমাদের জিজ্ঞাসা করা হবে।

أخبرنا إبراهيم بن يونس بن محمد حرمي، قال: حدثنا أبي، قال: حدثنا حماد، عن عمار بن أبي عمار، عن جابر بن عبد الله، قال: كان ليهودي على أبي تمر، فقتل يوم أحد وترك حديقتين، وتمر اليهودي يستوعب ما في الحديقتين، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «هل لك أن تأخذ العام نصفه وتؤخر نصفه؟» فأبى اليهودي، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «هل لك أن تأخذ الجداد؟» فآذني فآذنته، فجاء هو وأبو بكر فجعل يجد ويكال من أسفل النخل، ورسول الله صلى الله عليه وسلم يدعو بالبركة حتى وفيناه جميع حقه من أصغر الحديقتين - فيما يحسب عمار - ثم أتيتهم برطب وماء فأكلوا وشربوا، ثم قال: «هذا من النعيم الذي تسألون عنه»


সুনান নাসাঈ ৩৬৩৮

أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا جرير، عن مغيرة، عن الشعبي، عن جابر، قال: توفي عبد الله بن عمرو بن حرام، قال: وترك دينا فاستشفعت برسول الله صلى الله عليه وسلم على غرمائه أن يضعوا من دينه شيئا، فطلب إليهم فأبوا، فقال لي النبي صلى الله عليه وسلم: «اذهب فصنف تمرك أصنافا، العجوة على حدة، وعذق ابن زيد على حدة، وأصنافه ثم ابعث إلي»، قال: ففعلت، فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم، فجلس في أعلاه أو في أوسطه، ثم قال: «كل للقوم»، قال: فكلت لهم حتى أوفيتهم، ثم بقي تمري كأن لم ينقص منه شيء

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবদুল্লাহ ইৱ্‌ন আমর ইৱ্‌ন হারাম (রাঃ) ইনতিকাল করেন। তিনি দেনা রেখে যান। আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাওনাদারদের কাছে এ মর্মে সুপারিশ করার আবেদন করলাম যাতে তারা তার (পিতার) কিছু ঋণ কমিয়ে দেয়। তিনি তাদের কাছে (তা) দাবী করলে তারা তা প্রত্যাখ্যান করল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বল্লেনঃ হে জাবির! তুমি চলে যাও এবং প্রত্যেক প্রকার খেজুর পৃথক করে ফেল অর্থাৎ আজওয়া পৃথক কর এবং ‘ইযক ইব্‌ন যায়দ পৃথক করে রাখ। এভাবে অন্যান্য প্রকারকে (পৃথক কর)। পরে আমার নিকট লোক পাঠাবে। জাবির (রাঃ) বলেনঃ আমি (রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কথামত) কাজ করলাম। পরে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে সর্বোচ্চ স্তূপের উপর অথবা মধ্যম স্তূপের উপর বসে বললেনঃ লোকদেরকে মেপে দিতে থাক। তিনি [জাবির (রাঃ)] বলেনঃ আমি তাদেরকে মেপে দিতে লাগলাম এবং এভাবে তাদের পাওনা পরিশোধ করে দিলাম। আমার খেজুর অবশিষ্ট রইলো। মনে হলো যে, তা হতে কিছুই কমেনি।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবদুল্লাহ ইৱ্‌ন আমর ইৱ্‌ন হারাম (রাঃ) ইনতিকাল করেন। তিনি দেনা রেখে যান। আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাওনাদারদের কাছে এ মর্মে সুপারিশ করার আবেদন করলাম যাতে তারা তার (পিতার) কিছু ঋণ কমিয়ে দেয়। তিনি তাদের কাছে (তা) দাবী করলে তারা তা প্রত্যাখ্যান করল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বল্লেনঃ হে জাবির! তুমি চলে যাও এবং প্রত্যেক প্রকার খেজুর পৃথক করে ফেল অর্থাৎ আজওয়া পৃথক কর এবং ‘ইযক ইব্‌ন যায়দ পৃথক করে রাখ। এভাবে অন্যান্য প্রকারকে (পৃথক কর)। পরে আমার নিকট লোক পাঠাবে। জাবির (রাঃ) বলেনঃ আমি (রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কথামত) কাজ করলাম। পরে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে সর্বোচ্চ স্তূপের উপর অথবা মধ্যম স্তূপের উপর বসে বললেনঃ লোকদেরকে মেপে দিতে থাক। তিনি [জাবির (রাঃ)] বলেনঃ আমি তাদেরকে মেপে দিতে লাগলাম এবং এভাবে তাদের পাওনা পরিশোধ করে দিলাম। আমার খেজুর অবশিষ্ট রইলো। মনে হলো যে, তা হতে কিছুই কমেনি।

أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا جرير، عن مغيرة، عن الشعبي، عن جابر، قال: توفي عبد الله بن عمرو بن حرام، قال: وترك دينا فاستشفعت برسول الله صلى الله عليه وسلم على غرمائه أن يضعوا من دينه شيئا، فطلب إليهم فأبوا، فقال لي النبي صلى الله عليه وسلم: «اذهب فصنف تمرك أصنافا، العجوة على حدة، وعذق ابن زيد على حدة، وأصنافه ثم ابعث إلي»، قال: ففعلت، فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم، فجلس في أعلاه أو في أوسطه، ثم قال: «كل للقوم»، قال: فكلت لهم حتى أوفيتهم، ثم بقي تمري كأن لم ينقص منه شيء


সুনান নাসাঈ ৩৬৪০

أخبرنا محمد بن المثنى، عن حديث عبد الوهاب، قال: حدثنا عبيد الله، عن وهب بن كيسان، عن جابر بن عبد الله، قال: توفي أبي وعليه دين، فعرضت على غرمائه أن يأخذوا الثمرة بما عليه فأبوا، ولم يروا فيه وفاء، فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له، قال: «إذا جددته فوضعته في المربد فآذني»، فلما جددته ووضعته في المربد أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فجاء ومعه أبو بكر وعمر، فجلس عليه ودعا بالبركة، ثم قال: «ادع غرماءك فأوفهم»، قال: فما تركت أحدا له على أبي دين إلا قضيته، وفضل لي ثلاثة عشر وسقا، فذكرت ذلك له فضحك وقال: «ائت أبا بكر وعمر، فأخبرهما ذلك»، فأتيت أبا بكر وعمر فأخبرتهما، فقالا: قد علمنا إذ صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم ما صنع أنه سيكون ذلك

জাবির ইৱ্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমার পিতা মারা যান এবং তাঁর উপর দেনা থেকে যায়। আমি আমার পিতার পাওনাদারদের ডেকে বললামঃ তারা যেন তার দেনার বিনিময়ে এই খেজুর নিয়ে নেয়। কিন্তু তারা তা অস্বীকার করল। কেননা, তারা তাতে পরিশোধ দেখতে পেল না (তাদের কাছে খেজুরের পরিমান কম মনে হল)। জাবির (রাঃ) বলেনঃ এরপর আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে একথা বললাম। তিনি বললেনঃ তুমি যখন খেজুর কাটবে এবং উঠানে স্তূপকৃত করবে, তখন আমাকে সংবাদ দেবে। জাবির (রাঃ) বলেনঃ আমি খেজুর কেটে উঠানে রেখে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হলাম। তিনি আবু বকর এবং উমর (রাঃ)-কে সাথে নিয়ে আসলেন। তিনি এসে তার উপর বসে পরলেন এবং বরকতের জন্য দু’আ করলেন। এরপর তিনি বললেনঃ তুমি তোমার পাওনাদারদের ডেকে আন এবং তাদের পাওনা দিয়ে দাও। তিনি [জাবির (রাঃ)] বলেন, আমার পিতার কাছে যাদের পাওনা ছিল, তাদের সকলের পাওনা আদায় করে দিলাম, কারো পাওনা অবশিষ্ট রইলো না; বরং তের ওসাক[১] (খেজুর) অবশিষ্ট থেকে গেল। তারপর আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এই সংবাদ দিলে তিনি শুনে হাসলেন এবং বললেনঃ যাও তুমি আবু বকর এবং উমরকেও এ খবর দাও। আমি তাঁদের কাছে গিয়ে এ খবর দিলে তারা বললেনঃ আমরা বুঝতে পেরেছিলাম যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করলেন, তার ফল এটাই হবে।

জাবির ইৱ্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমার পিতা মারা যান এবং তাঁর উপর দেনা থেকে যায়। আমি আমার পিতার পাওনাদারদের ডেকে বললামঃ তারা যেন তার দেনার বিনিময়ে এই খেজুর নিয়ে নেয়। কিন্তু তারা তা অস্বীকার করল। কেননা, তারা তাতে পরিশোধ দেখতে পেল না (তাদের কাছে খেজুরের পরিমান কম মনে হল)। জাবির (রাঃ) বলেনঃ এরপর আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে একথা বললাম। তিনি বললেনঃ তুমি যখন খেজুর কাটবে এবং উঠানে স্তূপকৃত করবে, তখন আমাকে সংবাদ দেবে। জাবির (রাঃ) বলেনঃ আমি খেজুর কেটে উঠানে রেখে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হলাম। তিনি আবু বকর এবং উমর (রাঃ)-কে সাথে নিয়ে আসলেন। তিনি এসে তার উপর বসে পরলেন এবং বরকতের জন্য দু’আ করলেন। এরপর তিনি বললেনঃ তুমি তোমার পাওনাদারদের ডেকে আন এবং তাদের পাওনা দিয়ে দাও। তিনি [জাবির (রাঃ)] বলেন, আমার পিতার কাছে যাদের পাওনা ছিল, তাদের সকলের পাওনা আদায় করে দিলাম, কারো পাওনা অবশিষ্ট রইলো না; বরং তের ওসাক[১] (খেজুর) অবশিষ্ট থেকে গেল। তারপর আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এই সংবাদ দিলে তিনি শুনে হাসলেন এবং বললেনঃ যাও তুমি আবু বকর এবং উমরকেও এ খবর দাও। আমি তাঁদের কাছে গিয়ে এ খবর দিলে তারা বললেনঃ আমরা বুঝতে পেরেছিলাম যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা করলেন, তার ফল এটাই হবে।

أخبرنا محمد بن المثنى، عن حديث عبد الوهاب، قال: حدثنا عبيد الله، عن وهب بن كيسان، عن جابر بن عبد الله، قال: توفي أبي وعليه دين، فعرضت على غرمائه أن يأخذوا الثمرة بما عليه فأبوا، ولم يروا فيه وفاء، فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له، قال: «إذا جددته فوضعته في المربد فآذني»، فلما جددته ووضعته في المربد أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فجاء ومعه أبو بكر وعمر، فجلس عليه ودعا بالبركة، ثم قال: «ادع غرماءك فأوفهم»، قال: فما تركت أحدا له على أبي دين إلا قضيته، وفضل لي ثلاثة عشر وسقا، فذكرت ذلك له فضحك وقال: «ائت أبا بكر وعمر، فأخبرهما ذلك»، فأتيت أبا بكر وعمر فأخبرتهما، فقالا: قد علمنا إذ صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم ما صنع أنه سيكون ذلك


সুনান নাসাঈ > ওয়ারিসের জন্য ওয়াসিয়াত করা বাতিল

সুনান নাসাঈ ৩৬৪১

أخبرنا قتيبة بن سعيد، قال: حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن عمرو بن خارجة، قال: خطب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «إن الله قد أعطى كل ذي حق حقه، ولا وصية لوارث»

আমর ইৱ্‌ন খারিজা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবায় বললেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা প্রত্যেক হকদারের হক দিয়ে দিয়েছেন আর ওয়ারিসদের জন্য ওয়াসিয়াত নেই (বৈধ নয়)।

আমর ইৱ্‌ন খারিজা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুতবায় বললেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা প্রত্যেক হকদারের হক দিয়ে দিয়েছেন আর ওয়ারিসদের জন্য ওয়াসিয়াত নেই (বৈধ নয়)।

أخبرنا قتيبة بن سعيد، قال: حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن عمرو بن خارجة، قال: خطب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «إن الله قد أعطى كل ذي حق حقه، ولا وصية لوارث»


সুনান নাসাঈ ৩৬৪৩

أخبرنا عتبة بن عبد الله المروزي، قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، قال: أنبأنا إسماعيل بن أبي خالد، عن قتادة، عن عمرو بن خارجة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن الله عز اسمه قد أعطى كل ذي حق حقه، ولا وصية لوارث»

আমর ইৱ্‌ন খারিজা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহীয়ান নামের মালিক আল্লাহ্‌ তা’আলা প্রত্যেক হকারের অংশ নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, এখন আর ওয়ারিসের জন্য ওয়াসিয়াতের অবকাশ নেই।

আমর ইৱ্‌ন খারিজা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহীয়ান নামের মালিক আল্লাহ্‌ তা’আলা প্রত্যেক হকারের অংশ নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, এখন আর ওয়ারিসের জন্য ওয়াসিয়াতের অবকাশ নেই।

أخبرنا عتبة بن عبد الله المروزي، قال: أنبأنا عبد الله بن المبارك، قال: أنبأنا إسماعيل بن أبي خالد، عن قتادة، عن عمرو بن خارجة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن الله عز اسمه قد أعطى كل ذي حق حقه، ولا وصية لوارث»


সুনান নাসাঈ ৩৬৪২

أخبرنا إسماعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا شعبة، قال: حدثنا قتادة، عن شهر بن حوشب، أن ابن غنم، ذكر أن ابن خارجة، ذكر له: أنه شهد رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب الناس على راحلته، وإنها لتقصع بجرتها، وإن لعابها ليسيل، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم في خطبته: «إن الله قد قسم لكل إنسان قسمه من الميراث، فلا تجوز لوارث وصية»

আমর ইৱ্‌ন খারিজা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে দেখলেন যে, তিনি নিজের সওয়ারীর উপর থেকে লোকদের খুতবা দিচ্ছেন। তখন ঐ সওয়ারী (উট) জাবর কাটছিল এবং তার মুখ থেকে ফেনা বেয়ে পড়ছিল। তিনি তাঁর খুতবায় বললেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা প্রত্যেক লোকের মীরাসের হিস্‌সা বণ্টন করে দিয়েছেন; কাজেই ওয়ারিসদের জন্য ওয়াসিয়াত করা বৈধ হবে না।

আমর ইৱ্‌ন খারিজা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে দেখলেন যে, তিনি নিজের সওয়ারীর উপর থেকে লোকদের খুতবা দিচ্ছেন। তখন ঐ সওয়ারী (উট) জাবর কাটছিল এবং তার মুখ থেকে ফেনা বেয়ে পড়ছিল। তিনি তাঁর খুতবায় বললেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা প্রত্যেক লোকের মীরাসের হিস্‌সা বণ্টন করে দিয়েছেন; কাজেই ওয়ারিসদের জন্য ওয়াসিয়াত করা বৈধ হবে না।

أخبرنا إسماعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا شعبة، قال: حدثنا قتادة، عن شهر بن حوشب، أن ابن غنم، ذكر أن ابن خارجة، ذكر له: أنه شهد رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب الناس على راحلته، وإنها لتقصع بجرتها، وإن لعابها ليسيل، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم في خطبته: «إن الله قد قسم لكل إنسان قسمه من الميراث، فلا تجوز لوارث وصية»


সুনান নাসাঈ > নিকটাত্মীয়ের জন্য ওয়াসিয়াত

সুনান নাসাঈ ৩৬৪৪

أخبرنا إسحاق بن إبراهيم، قال: حدثنا جرير، عن عبد الملك بن عمير، عن موسى بن طلحة، عن أبي هريرة، قال: لما نزلت وأنذر عشيرتك الأقربين دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم قريشا فاجتمعوا، فعم وخص، فقال: «يا بني كعب بن لؤي، يا بني مرة بن كعب، يا بني عبد شمس، ويا بني عبد مناف، ويا بني هاشم، ويا بني عبد المطلب، أنقذوا أنفسكم من النار، ويا فاطمة أنقذي نفسك من النار، إني لا أملك لكم من الله شيئا غير أن لكم رحما سأبلها ببلالها»

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ (আরবি) (অর্থাৎ আপনি আপনার নিকট আত্মীয়দের সতর্ক করে দিন।) এ আয়াত নাযিল হলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (বিশেষভাবে) কুরায়শদের ডাকলেন। তারা একত্রিত হলে তিনি প্রথমে সাধারণ ও ব্যাপকভাবে লোকদেরকে, পরে নিজের আত্মীয়দেরকে (সতর্ক করে) বললেনঃ হে কা’ব ইব্‌ন লুআঈয়ের বংশধর, হে বনী মুররা ইব্‌ন কা’ব, হে বনী আবদে শামস, হে আবদে মানাফের সন্তানেরা! হে হাশেমিগন, হে আবদুল মুত্তালিবের সন্তানগণ! তুমি নিজেকে দোযখের আগুন হতে রক্ষা কর। আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্‌র (আযাব হতে) রক্ষা করার মালিক নই। তবে তোমাদের আত্মীয়তা (রক্ত) সম্বন্ধ রয়েছে এবং তার আর্দ্রতায় আমি আর্দ্রিত করব।

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ (আরবি) (অর্থাৎ আপনি আপনার নিকট আত্মীয়দের সতর্ক করে দিন।) এ আয়াত নাযিল হলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (বিশেষভাবে) কুরায়শদের ডাকলেন। তারা একত্রিত হলে তিনি প্রথমে সাধারণ ও ব্যাপকভাবে লোকদেরকে, পরে নিজের আত্মীয়দেরকে (সতর্ক করে) বললেনঃ হে কা’ব ইব্‌ন লুআঈয়ের বংশধর, হে বনী মুররা ইব্‌ন কা’ব, হে বনী আবদে শামস, হে আবদে মানাফের সন্তানেরা! হে হাশেমিগন, হে আবদুল মুত্তালিবের সন্তানগণ! তুমি নিজেকে দোযখের আগুন হতে রক্ষা কর। আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্‌র (আযাব হতে) রক্ষা করার মালিক নই। তবে তোমাদের আত্মীয়তা (রক্ত) সম্বন্ধ রয়েছে এবং তার আর্দ্রতায় আমি আর্দ্রিত করব।

أخبرنا إسحاق بن إبراهيم، قال: حدثنا جرير، عن عبد الملك بن عمير، عن موسى بن طلحة، عن أبي هريرة، قال: لما نزلت وأنذر عشيرتك الأقربين دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم قريشا فاجتمعوا، فعم وخص، فقال: «يا بني كعب بن لؤي، يا بني مرة بن كعب، يا بني عبد شمس، ويا بني عبد مناف، ويا بني هاشم، ويا بني عبد المطلب، أنقذوا أنفسكم من النار، ويا فاطمة أنقذي نفسك من النار، إني لا أملك لكم من الله شيئا غير أن لكم رحما سأبلها ببلالها»


সুনান নাসাঈ ৩৬৪৫

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا عبيد الله بن موسى، قال: أنبأنا إسرائيل، عن معاوية وهو ابن إسحاق، عن موسى بن طلحة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يا بني عبد مناف، اشتروا أنفسكم من ربكم، إني لا أملك لكم من الله شيئا، يا بني عبد المطلب اشتروا أنفسكم من ربكم، إني لا أملك لكم من الله شيئا، ولكن بيني وبينكم رحم أنا بالها ببلالها»

মুসা ইব্‌ন তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আবদে মানাফের বংশধর! তোমরা নিজেদেরকে ক্রয় করে নাও (আল্লাহ্‌র আযাব হতে রক্ষা কর)। আমি তোমাদেরকে কোন কিছু করার ক্ষমতা রাখি না; (আল্লাহ্‌র আযাব হতে রক্ষা করতে) সক্ষম নই। হে আবদুল মুত্তালিবের সন্তানগণ! তোমরা তোমাদেরকে আল্লাহ্‌র আযাব হতে বাঁচাও। আমি তোমাদের জন্য কিছু করার ক্ষমতা রাখি না। আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্‌র আযাব হতে রক্ষা করতে পারব না। কিন্তু আমার আর তোমাদের মধ্যে রক্তের সম্পর্ক রয়েছে। আমি তার আর্দ্রতা দারা নিজেকে আর্দ্রিত করব (হক আদায় করব)।

মুসা ইব্‌ন তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আবদে মানাফের বংশধর! তোমরা নিজেদেরকে ক্রয় করে নাও (আল্লাহ্‌র আযাব হতে রক্ষা কর)। আমি তোমাদেরকে কোন কিছু করার ক্ষমতা রাখি না; (আল্লাহ্‌র আযাব হতে রক্ষা করতে) সক্ষম নই। হে আবদুল মুত্তালিবের সন্তানগণ! তোমরা তোমাদেরকে আল্লাহ্‌র আযাব হতে বাঁচাও। আমি তোমাদের জন্য কিছু করার ক্ষমতা রাখি না। আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্‌র আযাব হতে রক্ষা করতে পারব না। কিন্তু আমার আর তোমাদের মধ্যে রক্তের সম্পর্ক রয়েছে। আমি তার আর্দ্রতা দারা নিজেকে আর্দ্রিত করব (হক আদায় করব)।

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا عبيد الله بن موسى، قال: أنبأنا إسرائيل، عن معاوية وهو ابن إسحاق، عن موسى بن طلحة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يا بني عبد مناف، اشتروا أنفسكم من ربكم، إني لا أملك لكم من الله شيئا، يا بني عبد المطلب اشتروا أنفسكم من ربكم، إني لا أملك لكم من الله شيئا، ولكن بيني وبينكم رحم أنا بالها ببلالها»


সুনান নাসাঈ ৩৬৪৭

أخبرنا محمد بن خالد، قال: حدثنا بشر بن شعيب، عن أبيه، عن الزهري، قال: أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، قال: قام رسول الله صلى الله عليه وسلم حين أنزل عليه {وأنذر عشيرتك الأقربين} [الشعراء: 214] فقال: «يا معشر قريش، اشتروا أنفسكم من الله، لا أغني عنكم من الله شيئا، يا بني عبد مناف، لا أغني عنكم من الله شيئا، يا عباس بن عبد المطلب، لا أغني عنك من الله شيئا، يا صفية عمة رسول الله صلى الله عليه وسلم، لا أغني عنك من الله شيئا، يا فاطمة، سليني ما شئت لا أغني عنك من الله شيئا»

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: যখন “আপনি আপনার নিকটাত্মীয়কে সতর্ক করুন", এ আয়াত নাযিল হলো, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: হে কুরায়শের লোকগণ! তোমরা নিজেদেরকে আল্লাহর নিকট হতে খরিদ কর (আযাব হতে রক্ষা কর)। আমি আল্লাহর (আযাবের) সামনে তোমাদেরকে কোন উপকার করতে পারব না। (রক্ষা করতে সক্ষম হবে না)। হে আবদে মানাফের বংশধরগণ! আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্‌র আযাব হতে রক্ষা করতে পারব না। হে আব্বাস ইব্‌ন আবদুল মুত্তালিব! আমি তোমার কোন উপকার সাধন করতে পারব না। হে রাসূলুল্লাহ্‌র ফুফী সফিয়্যা! আমি আল্লাহ্‌র আযাব হতে আপনাকে রক্ষা করতে সক্ষম নই। হে ফাতিমা! তুমি যা ইচ্ছা আমার নিকট চাইতে পার, আল্লাহ্‌র আযাব হতে তোমাকে রক্ষা করার সামর্থ্য আমার নেই।

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: যখন “আপনি আপনার নিকটাত্মীয়কে সতর্ক করুন", এ আয়াত নাযিল হলো, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: হে কুরায়শের লোকগণ! তোমরা নিজেদেরকে আল্লাহর নিকট হতে খরিদ কর (আযাব হতে রক্ষা কর)। আমি আল্লাহর (আযাবের) সামনে তোমাদেরকে কোন উপকার করতে পারব না। (রক্ষা করতে সক্ষম হবে না)। হে আবদে মানাফের বংশধরগণ! আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্‌র আযাব হতে রক্ষা করতে পারব না। হে আব্বাস ইব্‌ন আবদুল মুত্তালিব! আমি তোমার কোন উপকার সাধন করতে পারব না। হে রাসূলুল্লাহ্‌র ফুফী সফিয়্যা! আমি আল্লাহ্‌র আযাব হতে আপনাকে রক্ষা করতে সক্ষম নই। হে ফাতিমা! তুমি যা ইচ্ছা আমার নিকট চাইতে পার, আল্লাহ্‌র আযাব হতে তোমাকে রক্ষা করার সামর্থ্য আমার নেই।

أخبرنا محمد بن خالد، قال: حدثنا بشر بن شعيب، عن أبيه، عن الزهري، قال: أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، قال: قام رسول الله صلى الله عليه وسلم حين أنزل عليه {وأنذر عشيرتك الأقربين} [الشعراء: 214] فقال: «يا معشر قريش، اشتروا أنفسكم من الله، لا أغني عنكم من الله شيئا، يا بني عبد مناف، لا أغني عنكم من الله شيئا، يا عباس بن عبد المطلب، لا أغني عنك من الله شيئا، يا صفية عمة رسول الله صلى الله عليه وسلم، لا أغني عنك من الله شيئا، يا فاطمة، سليني ما شئت لا أغني عنك من الله شيئا»


সুনান নাসাঈ ৩৬৪৬

أخبرنا سليمان بن داود، عن ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال: أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حين أنزل عليه {وأنذر عشيرتك الأقربين} [الشعراء: 214]، قال: «يا معشر قريش اشتروا أنفسكم من الله، لا أغني عنكم من الله شيئا، يا بني عبد المطلب، لا أغني عنكم من الله شيئا، يا عباس بن عبد المطلب، لا أغني عنك من الله شيئا، يا صفية عمة رسول الله صلى الله عليه وسلم، لا أغني عنك من الله شيئا، يا فاطمة بنت محمد، سليني ما شئت، لا أغني عنك من الله شيئا»

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর উপর (আরবি) “আপনি আপনার নিকট আত্মীয়দের সতর্ক করে দিন” নাযিল হলো, তখন তিনি বললেন: হে কুরায়শ সম্প্রদায়! তোমরা নিজেদেরকে আল্লাহ্‌র নিকট হতে ক্রয় করে নাও (আল্লাহ্‌র আযাব হতে রক্ষা কর)। আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্ (আযাব) হতে রক্ষা করতে সক্ষম নই। হে আবদুল মুত্তালিবের সন্তানেরা! তোমরা নিজেদের ক্রয় করে নাও। আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্‌ (আযাব) হতে রক্ষা করতে পারব না। হে আব্বাস ইব্‌ন আবদুল মুত্তালিব! আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্‌ (আযাব) হতে রক্ষা করতে পারব না। হে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ফুফী সফিয়্যা! আমি আপনাকে আল্লাহ্‌র আযাব হতে রক্ষা করতে পারব না। হে মুহাম্মদের কন্যা ফাতিমা! তুমি যা ইচ্ছা আমার নিকট চাইতে পার, আমি তোমাকে আল্লাহ্ (আযাব) হতে রক্ষা করতে পারব না।

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর উপর (আরবি) “আপনি আপনার নিকট আত্মীয়দের সতর্ক করে দিন” নাযিল হলো, তখন তিনি বললেন: হে কুরায়শ সম্প্রদায়! তোমরা নিজেদেরকে আল্লাহ্‌র নিকট হতে ক্রয় করে নাও (আল্লাহ্‌র আযাব হতে রক্ষা কর)। আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্ (আযাব) হতে রক্ষা করতে সক্ষম নই। হে আবদুল মুত্তালিবের সন্তানেরা! তোমরা নিজেদের ক্রয় করে নাও। আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্‌ (আযাব) হতে রক্ষা করতে পারব না। হে আব্বাস ইব্‌ন আবদুল মুত্তালিব! আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্‌ (আযাব) হতে রক্ষা করতে পারব না। হে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ফুফী সফিয়্যা! আমি আপনাকে আল্লাহ্‌র আযাব হতে রক্ষা করতে পারব না। হে মুহাম্মদের কন্যা ফাতিমা! তুমি যা ইচ্ছা আমার নিকট চাইতে পার, আমি তোমাকে আল্লাহ্ (আযাব) হতে রক্ষা করতে পারব না।

أخبرنا سليمان بن داود، عن ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال: أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حين أنزل عليه {وأنذر عشيرتك الأقربين} [الشعراء: 214]، قال: «يا معشر قريش اشتروا أنفسكم من الله، لا أغني عنكم من الله شيئا، يا بني عبد المطلب، لا أغني عنكم من الله شيئا، يا عباس بن عبد المطلب، لا أغني عنك من الله شيئا، يا صفية عمة رسول الله صلى الله عليه وسلم، لا أغني عنك من الله شيئا، يا فاطمة بنت محمد، سليني ما شئت، لا أغني عنك من الله شيئا»


সুনান নাসাঈ ৩৬৪৮

أخبرنا إسحاق بن إبراهيم، قال: أنبأنا أبو معاوية، قال: حدثنا هشام وهو ابن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت: لما نزلت هذه الآية {وأنذر عشيرتك الأقربين} [الشعراء: 214]، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يا فاطمة ابنة محمد، يا صفية بنت عبد المطلب، يا بني عبد المطلب، لا أغني عنكم من الله شيئا، سلوني من مالي ما شئتم»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: যখন (আরবি) আয়াত নাযিল হলো, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: হে মুহাম্মদ-তনয়া ফাতিমা! হে আবদুল মুত্তালিবের কন্যা সফিয়া! হে আবদুল মুত্তালিবের বংশধররা! আল্লাহর বিপক্ষে আমি তোমাদের কোন কাজে আসব না (আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্‌র আযাব হতে রক্ষা করতে সক্ষম নই)। তোমরা আমার মাল হতে যা ইচ্ছা চেয়ে নিতে পার।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: যখন (আরবি) আয়াত নাযিল হলো, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: হে মুহাম্মদ-তনয়া ফাতিমা! হে আবদুল মুত্তালিবের কন্যা সফিয়া! হে আবদুল মুত্তালিবের বংশধররা! আল্লাহর বিপক্ষে আমি তোমাদের কোন কাজে আসব না (আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্‌র আযাব হতে রক্ষা করতে সক্ষম নই)। তোমরা আমার মাল হতে যা ইচ্ছা চেয়ে নিতে পার।

أخبرنا إسحاق بن إبراهيم، قال: أنبأنا أبو معاوية، قال: حدثنا هشام وهو ابن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت: لما نزلت هذه الآية {وأنذر عشيرتك الأقربين} [الشعراء: 214]، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يا فاطمة ابنة محمد، يا صفية بنت عبد المطلب، يا بني عبد المطلب، لا أغني عنكم من الله شيئا، سلوني من مالي ما شئتم»


সুনান নাসাঈ > হঠাৎ মৃত্যু হলে মৃতের পক্ষ হতে তার পরিবারের সাদাকা করা কি মুস্তাহাব?

সুনান নাসাঈ ৩৬৪৯

أخبرنا محمد بن سلمة، قال: حدثنا ابن القاسم، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة: أن رجلا قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم: إن أمي افتلتت نفسها، وإنها لو تكلمت تصدقت، أفأتصدق عنها؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «نعم، فتصدق عنها»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেনঃ আমার আম্মা হঠাৎ ইনতিকাল করেছেন, আমার বিশ্বাস, যদি তিনি কথা বলার সময় পেতেন, তবে দান করার কথা বলতেন। আমি কি তার পক্ষ হতে সাদাকা করবো? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তুমি তার পক্ষ হতে সাদাকা কর।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেনঃ আমার আম্মা হঠাৎ ইনতিকাল করেছেন, আমার বিশ্বাস, যদি তিনি কথা বলার সময় পেতেন, তবে দান করার কথা বলতেন। আমি কি তার পক্ষ হতে সাদাকা করবো? তিনি বললেন: হ্যাঁ। তুমি তার পক্ষ হতে সাদাকা কর।

أخبرنا محمد بن سلمة، قال: حدثنا ابن القاسم، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة: أن رجلا قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم: إن أمي افتلتت نفسها، وإنها لو تكلمت تصدقت، أفأتصدق عنها؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «نعم، فتصدق عنها»


সুনান নাসাঈ ৩৬৫০

أنبأنا الحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن القاسم، عن مالك، عن سعيد بن عمرو بن شرحبيل بن سعيد بن سعد بن عبادة، عن أبيه، عن جده، قال: خرج سعد بن عبادة مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض مغازيه، وحضرت أمه الوفاة بالمدينة، فقيل لها: أوصي، فقالت: فيم أوصي؟ المال مال سعد، فتوفيت قبل أن يقدم سعد، فلما قدم سعد ذكر ذلك له، فقال: يا رسول الله، هل ينفعها أن أتصدق عنها؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «نعم»، فقال سعد: حائط كذا وكذا صدقة عنها، لحائط سماه

সা'দ ইব্‌ন উবাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা'দ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম)-এর সাথে কোন যুদ্ধে বের হলেন, এ সময় তার মাতা মদীনায় মুমূর্ষু অবস্থায় ছিলেন। তাকে বলা হলো: আপনি ওয়াসিয়াত করুন। তিনি বললেন: আমি কিসের ওয়াসিয়াত করবো, মাল তো সা’দ-এর। সা'দ পৌছার পূর্বেই তিনি ইনতিকাল করলেন। সা'দ (রাঃ) আসলে তার নিকট একথা বলা হলে তিনি বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! যদি আমি তার পক্ষ হতে সাদাকা করি, তবে কি তার কোন উপকার হবে? রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: হ্যাঁ, তখন সাদ একটি বাগানের নাম নিয়ে বললেন: আমি তা তার পক্ষ হতে সাদাকা করলাম।

সা'দ ইব্‌ন উবাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা'দ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম)-এর সাথে কোন যুদ্ধে বের হলেন, এ সময় তার মাতা মদীনায় মুমূর্ষু অবস্থায় ছিলেন। তাকে বলা হলো: আপনি ওয়াসিয়াত করুন। তিনি বললেন: আমি কিসের ওয়াসিয়াত করবো, মাল তো সা’দ-এর। সা'দ পৌছার পূর্বেই তিনি ইনতিকাল করলেন। সা'দ (রাঃ) আসলে তার নিকট একথা বলা হলে তিনি বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! যদি আমি তার পক্ষ হতে সাদাকা করি, তবে কি তার কোন উপকার হবে? রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: হ্যাঁ, তখন সাদ একটি বাগানের নাম নিয়ে বললেন: আমি তা তার পক্ষ হতে সাদাকা করলাম।

أنبأنا الحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن القاسم، عن مالك، عن سعيد بن عمرو بن شرحبيل بن سعيد بن سعد بن عبادة، عن أبيه، عن جده، قال: خرج سعد بن عبادة مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض مغازيه، وحضرت أمه الوفاة بالمدينة، فقيل لها: أوصي، فقالت: فيم أوصي؟ المال مال سعد، فتوفيت قبل أن يقدم سعد، فلما قدم سعد ذكر ذلك له، فقال: يا رسول الله، هل ينفعها أن أتصدق عنها؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «نعم»، فقال سعد: حائط كذا وكذا صدقة عنها، لحائط سماه


সুনান নাসাঈ ৩৬৫০

أنبأنا الحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن القاسم، عن مالك، عن سعيد بن عمرو بن شرحبيل بن سعيد بن سعد بن عبادة، عن أبيه، عن جده، قال: خرج سعد بن عبادة مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض مغازيه، وحضرت أمه الوفاة بالمدينة، فقيل لها: أوصي، فقالت: فيم أوصي؟ المال مال سعد، فتوفيت قبل أن يقدم سعد، فلما قدم سعد ذكر ذلك له، فقال: يا رسول الله، هل ينفعها أن أتصدق عنها؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «نعم»، فقال سعد: حائط كذا وكذا صدقة عنها، لحائط سماه

সা'দ ইব্‌ন উবাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা'দ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম)-এর সাথে কোন যুদ্ধে বের হলেন, এ সময় তার মাতা মদীনায় মুমূর্ষু অবস্থায় ছিলেন। তাকে বলা হলো: আপনি ওয়াসিয়াত করুন। তিনি বললেন: আমি কিসের ওয়াসিয়াত করবো, মাল তো সা’দ-এর। সা'দ পৌছার পূর্বেই তিনি ইনতিকাল করলেন। সা'দ (রাঃ) আসলে তার নিকট একথা বলা হলে তিনি বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! যদি আমি তার পক্ষ হতে সাদাকা করি, তবে কি তার কোন উপকার হবে? রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: হ্যাঁ, তখন সাদ একটি বাগানের নাম নিয়ে বললেন: আমি তা তার পক্ষ হতে সাদাকা করলাম।

সা'দ ইব্‌ন উবাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা'দ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম)-এর সাথে কোন যুদ্ধে বের হলেন, এ সময় তার মাতা মদীনায় মুমূর্ষু অবস্থায় ছিলেন। তাকে বলা হলো: আপনি ওয়াসিয়াত করুন। তিনি বললেন: আমি কিসের ওয়াসিয়াত করবো, মাল তো সা’দ-এর। সা'দ পৌছার পূর্বেই তিনি ইনতিকাল করলেন। সা'দ (রাঃ) আসলে তার নিকট একথা বলা হলে তিনি বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! যদি আমি তার পক্ষ হতে সাদাকা করি, তবে কি তার কোন উপকার হবে? রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: হ্যাঁ, তখন সাদ একটি বাগানের নাম নিয়ে বললেন: আমি তা তার পক্ষ হতে সাদাকা করলাম।

أنبأنا الحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن القاسم، عن مالك، عن سعيد بن عمرو بن شرحبيل بن سعيد بن سعد بن عبادة، عن أبيه، عن جده، قال: خرج سعد بن عبادة مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض مغازيه، وحضرت أمه الوفاة بالمدينة، فقيل لها: أوصي، فقالت: فيم أوصي؟ المال مال سعد، فتوفيت قبل أن يقدم سعد، فلما قدم سعد ذكر ذلك له، فقال: يا رسول الله، هل ينفعها أن أتصدق عنها؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «نعم»، فقال سعد: حائط كذا وكذا صدقة عنها، لحائط سماه


সুনান নাসাঈ ৩৬৫০

أنبأنا الحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن القاسم، عن مالك، عن سعيد بن عمرو بن شرحبيل بن سعيد بن سعد بن عبادة، عن أبيه، عن جده، قال: خرج سعد بن عبادة مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض مغازيه، وحضرت أمه الوفاة بالمدينة، فقيل لها: أوصي، فقالت: فيم أوصي؟ المال مال سعد، فتوفيت قبل أن يقدم سعد، فلما قدم سعد ذكر ذلك له، فقال: يا رسول الله، هل ينفعها أن أتصدق عنها؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «نعم»، فقال سعد: حائط كذا وكذا صدقة عنها، لحائط سماه

সা'দ ইব্‌ন উবাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা'দ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম)-এর সাথে কোন যুদ্ধে বের হলেন, এ সময় তার মাতা মদীনায় মুমূর্ষু অবস্থায় ছিলেন। তাকে বলা হলো: আপনি ওয়াসিয়াত করুন। তিনি বললেন: আমি কিসের ওয়াসিয়াত করবো, মাল তো সা’দ-এর। সা'দ পৌছার পূর্বেই তিনি ইনতিকাল করলেন। সা'দ (রাঃ) আসলে তার নিকট একথা বলা হলে তিনি বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! যদি আমি তার পক্ষ হতে সাদাকা করি, তবে কি তার কোন উপকার হবে? রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: হ্যাঁ, তখন সাদ একটি বাগানের নাম নিয়ে বললেন: আমি তা তার পক্ষ হতে সাদাকা করলাম।

সা'দ ইব্‌ন উবাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা'দ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম)-এর সাথে কোন যুদ্ধে বের হলেন, এ সময় তার মাতা মদীনায় মুমূর্ষু অবস্থায় ছিলেন। তাকে বলা হলো: আপনি ওয়াসিয়াত করুন। তিনি বললেন: আমি কিসের ওয়াসিয়াত করবো, মাল তো সা’দ-এর। সা'দ পৌছার পূর্বেই তিনি ইনতিকাল করলেন। সা'দ (রাঃ) আসলে তার নিকট একথা বলা হলে তিনি বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! যদি আমি তার পক্ষ হতে সাদাকা করি, তবে কি তার কোন উপকার হবে? রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: হ্যাঁ, তখন সাদ একটি বাগানের নাম নিয়ে বললেন: আমি তা তার পক্ষ হতে সাদাকা করলাম।

أنبأنا الحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن القاسم، عن مالك، عن سعيد بن عمرو بن شرحبيل بن سعيد بن سعد بن عبادة، عن أبيه، عن جده، قال: خرج سعد بن عبادة مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض مغازيه، وحضرت أمه الوفاة بالمدينة، فقيل لها: أوصي، فقالت: فيم أوصي؟ المال مال سعد، فتوفيت قبل أن يقدم سعد، فلما قدم سعد ذكر ذلك له، فقال: يا رسول الله، هل ينفعها أن أتصدق عنها؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «نعم»، فقال سعد: حائط كذا وكذا صدقة عنها، لحائط سماه


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00