সুনান নাসাঈ > চূড়ান্ত তালাকপ্রাপ্তা নারীর জন্য ইদ্দতের সময় তার বসত ঘর থেকে বের হওয়ার অনুমতি
সুনান নাসাঈ ৩৫৪৭
أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا حفص، قال: حدثنا هشام، عن أبيه، عن فاطمة، قالت: قلت: يا رسول الله، زوجي طلقني ثلاثا وأخاف أن يقتحم علي، «فأمرها» فتحولت
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা বিন্ত কায়স (রাঃ) বলেনঃ আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার স্বামী আমাকে তিন তালাক দিয়েছে; এখন আমার ভয় হয়, আমার নিকট অতর্কীতে কেউ (কোন চোর) ঢুকে পড়তে পারে। তখন তিনি তাকে সেখান থেকে অন্যত্র যাওয়ার অনুমতি দিলেন।
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা বিন্ত কায়স (রাঃ) বলেনঃ আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার স্বামী আমাকে তিন তালাক দিয়েছে; এখন আমার ভয় হয়, আমার নিকট অতর্কীতে কেউ (কোন চোর) ঢুকে পড়তে পারে। তখন তিনি তাকে সেখান থেকে অন্যত্র যাওয়ার অনুমতি দিলেন।
أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا حفص، قال: حدثنا هشام، عن أبيه، عن فاطمة، قالت: قلت: يا رسول الله، زوجي طلقني ثلاثا وأخاف أن يقتحم علي، «فأمرها» فتحولت
সুনান নাসাঈ ৩৫৪৬
أخبرنا محمد بن رافع، قال: حدثنا حجين بن المثنى، قال: حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن فاطمة بنت قيس، أنها أخبرته أنها كانت تحت أبي عمرو بن حفص بن المغيرة فطلقها آخر ثلاث تطليقات، فزعمت فاطمة أنها جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستفتته في خروجها من بيتها «فأمرها أن تنتقل إلى ابن أم مكتوم الأعمى» فأبى مروان، أن يصدق فاطمة في خروج المطلقة من بيتها قال عروة: «أنكرت عائشة ذلك على فاطمة»
আবূ সালাম ইব্ন আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাকে (আবূ সালামা (রহঃ)-কে) অবহিত করেছেন যে, তিনি আবূ আমর ইব্ন হাফ্স (রাঃ)-এর কাছে বিবাহাধীনে ছিলেন। তিনি তাকে তিন তালাকের শেষটি পর্যন্ত দিলেন। ফাতিমা (রাঃ) বলেনঃ এরপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে নিজের ঘর হতে বের হওয়ার ব্যাপারে ফাতাওয়া চাইলেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাকে তার ঘর থেকে ইব্ন উম্মু মাকতুম (রাঃ)-এর ঘরে যাওয়ার অনুমতি দিলেন। রাবী বলেনঃ মারওয়ান তালাকপ্রাপ্তার ঘর থেকে বের হওয়ার ব্যাপারে ফাতিমাকে বিশ্বাস করতে অস্বীকৃতি প্রদান করেন। আর উরওয়া (রাঃ) বলেন, আয়েশা (রাঃ)-ও ফাতিমা (রাঃ)-এর কথা প্রত্যাখ্যান করেন।
আবূ সালাম ইব্ন আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাকে (আবূ সালামা (রহঃ)-কে) অবহিত করেছেন যে, তিনি আবূ আমর ইব্ন হাফ্স (রাঃ)-এর কাছে বিবাহাধীনে ছিলেন। তিনি তাকে তিন তালাকের শেষটি পর্যন্ত দিলেন। ফাতিমা (রাঃ) বলেনঃ এরপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে নিজের ঘর হতে বের হওয়ার ব্যাপারে ফাতাওয়া চাইলেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাকে তার ঘর থেকে ইব্ন উম্মু মাকতুম (রাঃ)-এর ঘরে যাওয়ার অনুমতি দিলেন। রাবী বলেনঃ মারওয়ান তালাকপ্রাপ্তার ঘর থেকে বের হওয়ার ব্যাপারে ফাতিমাকে বিশ্বাস করতে অস্বীকৃতি প্রদান করেন। আর উরওয়া (রাঃ) বলেন, আয়েশা (রাঃ)-ও ফাতিমা (রাঃ)-এর কথা প্রত্যাখ্যান করেন।
أخبرنا محمد بن رافع، قال: حدثنا حجين بن المثنى، قال: حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن فاطمة بنت قيس، أنها أخبرته أنها كانت تحت أبي عمرو بن حفص بن المغيرة فطلقها آخر ثلاث تطليقات، فزعمت فاطمة أنها جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستفتته في خروجها من بيتها «فأمرها أن تنتقل إلى ابن أم مكتوم الأعمى» فأبى مروان، أن يصدق فاطمة في خروج المطلقة من بيتها قال عروة: «أنكرت عائشة ذلك على فاطمة»
সুনান নাসাঈ ৩৫৪৮
أخبرنا يعقوب بن ماهان بصري، عن هشيم، قال: حدثنا سيار، وحصين، ومغيرة، وداود بن أبي هند، وإسماعيل بن أبي خالد، وذكر آخرين، عن الشعبي، قال: دخلت على فاطمة بنت قيس، فسألتها عن قضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم عليها؟ فقالت: طلقها زوجها البتة، فخاصمته إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في السكنى والنفقة، قالت: «فلم يجعل لي سكنى ولا نفقة، وأمرني أن أعتد في بيت ابن أم مكتوم»
শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি ফাতিমা বিন্ত কায়স নিকট গেলাম এবং তাঁর নিকট তার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর ফয়সালার কথা জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ তাঁর স্বামী তাকে চূড়ান্ত (তিন) তালাক দেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট তার বাসস্থান ও খোরপোশের ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলাম। তিনি (ফাতিমা (রাঃ)) বলেনঃ তিনি আমার জন্য বাসস্থান ও খরচাদি দেওয়ার কথা বললেন না। আর তিনি আমাকে ইব্ন উম্মু মাকতূমের ঘরে ইদ্দত পালন করার আদেশ দেন।
শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি ফাতিমা বিন্ত কায়স নিকট গেলাম এবং তাঁর নিকট তার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর ফয়সালার কথা জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ তাঁর স্বামী তাকে চূড়ান্ত (তিন) তালাক দেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট তার বাসস্থান ও খোরপোশের ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলাম। তিনি (ফাতিমা (রাঃ)) বলেনঃ তিনি আমার জন্য বাসস্থান ও খরচাদি দেওয়ার কথা বললেন না। আর তিনি আমাকে ইব্ন উম্মু মাকতূমের ঘরে ইদ্দত পালন করার আদেশ দেন।
أخبرنا يعقوب بن ماهان بصري، عن هشيم، قال: حدثنا سيار، وحصين، ومغيرة، وداود بن أبي هند، وإسماعيل بن أبي خالد، وذكر آخرين، عن الشعبي، قال: دخلت على فاطمة بنت قيس، فسألتها عن قضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم عليها؟ فقالت: طلقها زوجها البتة، فخاصمته إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في السكنى والنفقة، قالت: «فلم يجعل لي سكنى ولا نفقة، وأمرني أن أعتد في بيت ابن أم مكتوم»
সুনান নাসাঈ ৩৫৪৯
أخبرني أبو بكر بن إسحاق الصاغاني، قال: حدثنا أبو الجواب، قال: حدثنا عمار - هو ابن رزيق -، عن أبي إسحاق، عن الشعبي، عن فاطمة بنت قيس، قالت: طلقني زوجي فأردت النقلة، فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «انتقلي إلى بيت ابن عمك عمرو بن أم مكتوم، فاعتدي فيه» فحصبه الأسود، وقال: «ويلك لم تفتي بمثل هذا؟» قال عمر: " إن جئت بشاهدين يشهدان أنهما سمعاه من رسول الله صلى الله عليه وسلم، وإلا لم نترك كتاب الله لقول امرأة: {لا تخرجوهن من بيوتهن ولا يخرجن إلا أن يأتين بفاحشة مبينة} [الطلاق: 1] "
শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমাকে আমার স্বামী তালাক দিল, আমি স্থানান্তরের (তার ঘর থেকে চলে যাওয়ার) ইচ্ছায় রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার চাচাত ভাই আমর ইব্ন উম্মু মাকতুমের ঘরে গিয়ে সেখানে তোমার ইদ্দত পালন কর। একথা শুনে আসওয়াদ তাঁকে পাথর ছুড়ে মেরে বললেনঃ আপনার কপাল মন্দ! আপনি এরুপ কথা কেন ফাতাওয়া দিয়েছেন? উমর (রাঃ) (তা ফাতিমা (রাঃ)-কে বলেছিলেন, যদি তুমি দুইজন সাক্ষী আনো, যারা এই সাক্ষ্য দিবে যে, আমরা তা রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) হতে শুনেছি; (তাহলে আমি তোমার কথা গ্রহণ করবো)। তা-না হলে আমরা একজন মহিলার কথায় আল্লাহ্র কিতাব ছাড়তে পারি না, আল্লাহ্র কিতাবে নির্দেশ আছেঃ “ঐ মহিলাদেরকে তাদের ঘর থেকে বের করো না, আর তারাও যেন বের না হয়; যদি না তারা প্রকাশ্য অশ্লীলতার কাজে লিপ্ত হয়।”
শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমাকে আমার স্বামী তালাক দিল, আমি স্থানান্তরের (তার ঘর থেকে চলে যাওয়ার) ইচ্ছায় রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার চাচাত ভাই আমর ইব্ন উম্মু মাকতুমের ঘরে গিয়ে সেখানে তোমার ইদ্দত পালন কর। একথা শুনে আসওয়াদ তাঁকে পাথর ছুড়ে মেরে বললেনঃ আপনার কপাল মন্দ! আপনি এরুপ কথা কেন ফাতাওয়া দিয়েছেন? উমর (রাঃ) (তা ফাতিমা (রাঃ)-কে বলেছিলেন, যদি তুমি দুইজন সাক্ষী আনো, যারা এই সাক্ষ্য দিবে যে, আমরা তা রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) হতে শুনেছি; (তাহলে আমি তোমার কথা গ্রহণ করবো)। তা-না হলে আমরা একজন মহিলার কথায় আল্লাহ্র কিতাব ছাড়তে পারি না, আল্লাহ্র কিতাবে নির্দেশ আছেঃ “ঐ মহিলাদেরকে তাদের ঘর থেকে বের করো না, আর তারাও যেন বের না হয়; যদি না তারা প্রকাশ্য অশ্লীলতার কাজে লিপ্ত হয়।”
أخبرني أبو بكر بن إسحاق الصاغاني، قال: حدثنا أبو الجواب، قال: حدثنا عمار - هو ابن رزيق -، عن أبي إسحاق، عن الشعبي، عن فاطمة بنت قيس، قالت: طلقني زوجي فأردت النقلة، فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «انتقلي إلى بيت ابن عمك عمرو بن أم مكتوم، فاعتدي فيه» فحصبه الأسود، وقال: «ويلك لم تفتي بمثل هذا؟» قال عمر: " إن جئت بشاهدين يشهدان أنهما سمعاه من رسول الله صلى الله عليه وسلم، وإلا لم نترك كتاب الله لقول امرأة: {لا تخرجوهن من بيوتهن ولا يخرجن إلا أن يأتين بفاحشة مبينة} [الطلاق: 1] "
সুনান নাসাঈ ৩৫৪৫
أخبرنا عبد الحميد بن محمد، قال: حدثنا مخلد، قال: حدثنا ابن جريج، عن عطاء، قال: أخبرني عبد الرحمن بن عاصم، أن فاطمة بنت قيس، أخبرته - وكانت عند رجل من بني مخزوم -: أنه طلقها ثلاثا وخرج إلى بعض المغازي، وأمر وكيله أن يعطيها بعض النفقة، فتقالتها، فانطلقت إلى بعض نساء النبي صلى الله عليه وسلم، فدخل رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي عندها فقالت: يا رسول الله، هذه فاطمة بنت قيس طلقها فلان، فأرسل إليها ببعض النفقة، فردتها، وزعم أنه شيء تطول به؟ قال: «صدق»، قال النبي صلى الله عليه وسلم: «فانتقلي إلى أم كلثوم فاعتدي عندها» ثم قال: «إن أم كلثوم امرأة يكثر عوادها، فانتقلي إلى عبد الله ابن أم مكتوم فإنه أعمى» فانتقلت إلى عبد الله، فاعتدت عنده حتى انقضت عدتها، ثم خطبها أبو الجهم ومعاوية بن أبي سفيان، فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم، تستأمره فيهما، فقال: «أما أبو الجهم فرجل أخاف عليك قسقاسته للعصا، وأما معاوية فرجل أملق من المال» فتزوجت أسامة بن زيد بعد ذلك --- [حكم الألباني] ضعيف الإسناد وقوله أم كلثوم منكر والمحفوظ أم شريك
আবদুর রহমান ইব্ন আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা বিন্ত কায়স (রাঃ) তাকে অবহিত করেছেন, তিনি মাখযূম গোত্রের এক ব্যক্তির স্ত্রী ছিলেন, যিনি তাঁকে তিন তালাক দেন এবং কোন যুদ্ধে গমন করেন। আর তিনি নিজের উকীলদের নিকট বলে যানঃ তুমি তাঁকে কিছু খরচ দিয়ে দিও। (সেই উকীল তাঁকে কিছু দিল।) কিন্তু তিনি বলেন, ফাতিমা (রাঃ) তা কম মনে করে ফিরিয়ে দিলেন এবং তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কোন স্ত্রীর নিকট গমন করেন। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ঘরে প্রবেশ করেন, তখন তিনি ঐ ঘরে ছিলেন। তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্ ! এ (আমি) ফাতিমা বিন্ত কায়স। তাকে অমুক ব্যক্তি তালাক দিয়েছে। আর অমুকের মারফত তার খরচ পাঠিয়েছে। সে তা সামান্য মনে করে তা ফিরিয়ে দিয়েছে। সে (স্বামী) বলেঃ এতটুকু দেয়াও তার ইহ্সান। তিনি (সাঃ) বললেনঃ সে ব্যক্তি ঠিকই বলেছে। নবী (সাঃ) বলেছেন, এখন তুমি উম্মু কুলসুমের কাছে গিয়ে তোমার ইদ্দত পূর্ণ কর। এরপর তিনি আবার বললেনঃ উম্মু কুলসুমের ঘরে মেহমানদের যাতায়াত অধিক হয়। অতএব তুমি এখন আবদুল্লাহ্ ইব্ন উম্মু মাকতুমের কাছে গিয়ে থাক। কেননা, সে অন্ধ। তিনি (ফাতিমা (রাঃ) আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-এর নিকট চলে গেলেন এবং সেখানে তার ইদ্দত পূর্ণ করলেন। তার ইদ্দতের সময় পূর্ণ হলে আবু জাহ্ম এবং মুআবিয়া ইব্ন আবু সুফিয়ান বিয়ের প্রস্তাব পাঠালে তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে উক্ত দুই ব্যক্তি সম্বন্ধে পরামর্শ করলেন। তিনি বললেনঃ আমি তো তোমার জন্য জাহান্নামের লাঠির ভয় করি, আর মুআবিয়া তো অভাবী লোক। ফাতিমা (রাঃ) বলেনঃ এরপরে আমি উসামা ইব্ন যায়দ (রাঃ)-কে বিবাহ করলাম।
আবদুর রহমান ইব্ন আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা বিন্ত কায়স (রাঃ) তাকে অবহিত করেছেন, তিনি মাখযূম গোত্রের এক ব্যক্তির স্ত্রী ছিলেন, যিনি তাঁকে তিন তালাক দেন এবং কোন যুদ্ধে গমন করেন। আর তিনি নিজের উকীলদের নিকট বলে যানঃ তুমি তাঁকে কিছু খরচ দিয়ে দিও। (সেই উকীল তাঁকে কিছু দিল।) কিন্তু তিনি বলেন, ফাতিমা (রাঃ) তা কম মনে করে ফিরিয়ে দিলেন এবং তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কোন স্ত্রীর নিকট গমন করেন। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ঘরে প্রবেশ করেন, তখন তিনি ঐ ঘরে ছিলেন। তিনি বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্ ! এ (আমি) ফাতিমা বিন্ত কায়স। তাকে অমুক ব্যক্তি তালাক দিয়েছে। আর অমুকের মারফত তার খরচ পাঠিয়েছে। সে তা সামান্য মনে করে তা ফিরিয়ে দিয়েছে। সে (স্বামী) বলেঃ এতটুকু দেয়াও তার ইহ্সান। তিনি (সাঃ) বললেনঃ সে ব্যক্তি ঠিকই বলেছে। নবী (সাঃ) বলেছেন, এখন তুমি উম্মু কুলসুমের কাছে গিয়ে তোমার ইদ্দত পূর্ণ কর। এরপর তিনি আবার বললেনঃ উম্মু কুলসুমের ঘরে মেহমানদের যাতায়াত অধিক হয়। অতএব তুমি এখন আবদুল্লাহ্ ইব্ন উম্মু মাকতুমের কাছে গিয়ে থাক। কেননা, সে অন্ধ। তিনি (ফাতিমা (রাঃ) আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-এর নিকট চলে গেলেন এবং সেখানে তার ইদ্দত পূর্ণ করলেন। তার ইদ্দতের সময় পূর্ণ হলে আবু জাহ্ম এবং মুআবিয়া ইব্ন আবু সুফিয়ান বিয়ের প্রস্তাব পাঠালে তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে উক্ত দুই ব্যক্তি সম্বন্ধে পরামর্শ করলেন। তিনি বললেনঃ আমি তো তোমার জন্য জাহান্নামের লাঠির ভয় করি, আর মুআবিয়া তো অভাবী লোক। ফাতিমা (রাঃ) বলেনঃ এরপরে আমি উসামা ইব্ন যায়দ (রাঃ)-কে বিবাহ করলাম।
أخبرنا عبد الحميد بن محمد، قال: حدثنا مخلد، قال: حدثنا ابن جريج، عن عطاء، قال: أخبرني عبد الرحمن بن عاصم، أن فاطمة بنت قيس، أخبرته - وكانت عند رجل من بني مخزوم -: أنه طلقها ثلاثا وخرج إلى بعض المغازي، وأمر وكيله أن يعطيها بعض النفقة، فتقالتها، فانطلقت إلى بعض نساء النبي صلى الله عليه وسلم، فدخل رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي عندها فقالت: يا رسول الله، هذه فاطمة بنت قيس طلقها فلان، فأرسل إليها ببعض النفقة، فردتها، وزعم أنه شيء تطول به؟ قال: «صدق»، قال النبي صلى الله عليه وسلم: «فانتقلي إلى أم كلثوم فاعتدي عندها» ثم قال: «إن أم كلثوم امرأة يكثر عوادها، فانتقلي إلى عبد الله ابن أم مكتوم فإنه أعمى» فانتقلت إلى عبد الله، فاعتدت عنده حتى انقضت عدتها، ثم خطبها أبو الجهم ومعاوية بن أبي سفيان، فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم، تستأمره فيهما، فقال: «أما أبو الجهم فرجل أخاف عليك قسقاسته للعصا، وأما معاوية فرجل أملق من المال» فتزوجت أسامة بن زيد بعد ذلك --- [حكم الألباني] ضعيف الإسناد وقوله أم كلثوم منكر والمحفوظ أم شريك
সুনান নাসাঈ > যে স্ত্রীলোকের স্বামী মারা গেছে, দিনের বেলায় তার বের হওয়া
সুনান নাসাঈ ৩৫৫০
أخبرنا عبد الحميد بن محمد، قال: حدثنا مخلد، قال: حدثنا ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر، قال: طلقت خالته فأرادت أن تخرج إلى نخل لها، فلقيت رجلا فنهاها، فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «اخرجي، فجدي نخلك، لعلك أن تصدقي وتفعلي معروفا»
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ তাঁর খালাকে তালাক দেওয়ার পর তিনি তার খেজুর বাগানে যেতে চাইলেন। (পথে) এক ব্যক্তির সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হলে সে তাকে সেখানে যেতে নিষেধ করলো। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট গেলে, তিনি বললেনঃ তুমি গিয়ে তোমার খেজুর কেটে নিয়ে এসো। হয়তো তুমি সাদকা করবে এবং (মানুষের উপকারের জন্য) কল্যাণের কাজে করবে।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ তাঁর খালাকে তালাক দেওয়ার পর তিনি তার খেজুর বাগানে যেতে চাইলেন। (পথে) এক ব্যক্তির সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হলে সে তাকে সেখানে যেতে নিষেধ করলো। তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট গেলে, তিনি বললেনঃ তুমি গিয়ে তোমার খেজুর কেটে নিয়ে এসো। হয়তো তুমি সাদকা করবে এবং (মানুষের উপকারের জন্য) কল্যাণের কাজে করবে।
أخبرنا عبد الحميد بن محمد، قال: حدثنا مخلد، قال: حدثنا ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر، قال: طلقت خالته فأرادت أن تخرج إلى نخل لها، فلقيت رجلا فنهاها، فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «اخرجي، فجدي نخلك، لعلك أن تصدقي وتفعلي معروفا»
সুনান নাসাঈ > বাইন তালাকপ্রাপ্তার খোরপোষ
সুনান নাসাঈ ৩৫৫১
أخبرنا أحمد بن عبد الله بن الحكم، قال: حدثنا محمد بن جعفر، قال: حدثنا شعبة، عن أبي بكر بن أبي الجهم، قال: دخلت أنا وأبو سلمة على فاطمة بنت قيس، قالت: طلقني زوجي فلم يجعل لي سكنى ولا نفقة، قالت: فوضع لي عشرة أقفزة عند ابن عم له، خمسة شعير وخمسة تمر، فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقلت له ذلك، فقال: «صدق، وأمرني أن أعتد في بيت فلان»، وكان زوجها طلقها طلاقا بائنا
আবু বকর ইব্ন হাফ্স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি এবং আবূ সালামা ফাতিমা বিন্ত কায়স (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। তিনি বললেনঃ আমার স্বামী আমাকে তালাক দেয়, কিন্তু আমার জন্য থাকার ঘর ও খোরপোষের ব্যবস্থা করেনি। তিনি বলেনঃ সে তার এক চাচাতো ভাইয়ের নিকট আমার জন্য দশ কাফীয১ রাখলো এর পাঁচ কাফীয ছিল যব, আর পাঁচ কাফীয ছিল খেজুর। আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তা উল্লেখ করলাম। তিনি বললেনঃ সে সত্যই বলেছে। তিনি আমাকে আদেশ করলেন, আমি যেন অমুকের ঘরে আমার ইদ্দত পালন করি। তাঁর স্বামী তাঁকে বাইন তালাক দিয়েছিল।
আবু বকর ইব্ন হাফ্স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি এবং আবূ সালামা ফাতিমা বিন্ত কায়স (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। তিনি বললেনঃ আমার স্বামী আমাকে তালাক দেয়, কিন্তু আমার জন্য থাকার ঘর ও খোরপোষের ব্যবস্থা করেনি। তিনি বলেনঃ সে তার এক চাচাতো ভাইয়ের নিকট আমার জন্য দশ কাফীয১ রাখলো এর পাঁচ কাফীয ছিল যব, আর পাঁচ কাফীয ছিল খেজুর। আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তা উল্লেখ করলাম। তিনি বললেনঃ সে সত্যই বলেছে। তিনি আমাকে আদেশ করলেন, আমি যেন অমুকের ঘরে আমার ইদ্দত পালন করি। তাঁর স্বামী তাঁকে বাইন তালাক দিয়েছিল।
أخبرنا أحمد بن عبد الله بن الحكم، قال: حدثنا محمد بن جعفر، قال: حدثنا شعبة، عن أبي بكر بن أبي الجهم، قال: دخلت أنا وأبو سلمة على فاطمة بنت قيس، قالت: طلقني زوجي فلم يجعل لي سكنى ولا نفقة، قالت: فوضع لي عشرة أقفزة عند ابن عم له، خمسة شعير وخمسة تمر، فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقلت له ذلك، فقال: «صدق، وأمرني أن أعتد في بيت فلان»، وكان زوجها طلقها طلاقا بائنا
সুনান নাসাঈ > বাইন তালাকপ্রাপ্তা গর্ভবতী মহিলার খোরপোষ
সুনান নাসাঈ ৩৫৫২
أخبرنا عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير بن دينار، قال: حدثنا أبي، عن شعيب، قال: قال الزهري: أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة: أن عبد الله بن عمرو بن عثمان، طلق ابنة سعيد بن زيد، وأمها حمنة بنت قيس البتة، فأمرتها خالتها فاطمة بنت قيس، بالانتقال من بيت عبد الله بن عمرو، وسمع بذلك مروان فأرسل إليها فأمرها أن ترجع إلى مسكنها حتى تنقضي عدتها، فأرسلت إليه تخبره، أن خالتها فاطمة أفتتها بذلك، وأخبرتها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، أفتاها بالانتقال حين طلقها أبو عمرو بن حفص المخزومي، فأرسل مروان قبيصة بن ذؤيب إلى فاطمة فسألها عن ذلك؟ فزعمت أنها كانت تحت أبي عمرو لما أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم علي بن أبي طالب على اليمن، خرج معه، فأرسل إليها بتطليقة، وهي بقية طلاقها، فأمر لها الحارث بن هشام، وعياش بن أبي ربيعة بنفقتها، فأرسلت إلى الحارث وعياش تسألهما النفقة التي أمر لها بها زوجها؟ فقالا: والله ما لها علينا نفقة إلا أن تكون حاملا، وما لها أن تسكن في مسكننا إلا بإذننا، فزعمت فاطمة، أنها أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذكرت ذلك له، «فصدقهما» قالت: فقلت: أين أنتقل يا رسول الله؟ فقال: «انتقلي عند ابن أم مكتوم وهو الأعمى الذي عاتبه الله عز وجل في كتابه» فانتقلت عنده، فكنت أضع ثيابي عنده حتى أنكحها رسول الله صلى الله عليه وسلم، زعمت أسامة بن زيد
উবায়দুল্লাহ ইব্ন আবদুল্লাহ্ ইব্ন উতবা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইব্ন আমর ইব্ন উসমান সাঈদ ইব্ন যায়দ এর কন্যাকে চূড়ান্ত (বাইন বা তিন) তালাক দিল। সেই কন্যার নাম ছিল হামনা বিন্ত কায়স। তিনি তাকে এমন তালাক দিলেন, যা দ্বারা সম্পর্ক একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, অর্থাৎ তিন তালাক। তার খালা ফাতিমা বিন্ত কায়স (রাঃ) তাকে বললেনঃ তুমি আবদুল্লাহ্ ইব্ন আমর-এর ঘর থেকে চলে যাও। মারওয়ান একথা শুনে আবদুল্লাহ্ ইব্ন আমর ইব্ন উসমানের স্ত্রীকে নির্দেশ দিলেনঃ তোমার ইদ্দত পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তুমি নিজের ঘরে অবস্থান কর। আবদুল্লাহ্ ইব্ন আমর-এর স্ত্রী মারওয়ানের কাছে লোক পাঠিয়ে জানালেন যে, আমাকে আমার খালা ফাতিমা (রাঃ) ঘর হতে চলে যাওয়ার আদেশ করেছেন। আর তিনি বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) তাঁকে ঐ সময় ঘর হতে বের হয়ে যাওয়ার আদেশ করেন, যখন তাকে (তার স্বামী) আবূ আমর ইব্ন হাফস তালাক দিয়েছিলেন। মারওয়ান যখন এ ঘটনা জানতে পারলেন, তখন তিনি কাবীসা ইব্ন যুআয়বকে ফাতিমা (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। এ ব্যাপারে তিনি তাকে (ফাতিমাকে) জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ আমার স্বামী আবু আমর আলী (রাঃ)-এর সাথে চলে যান, যখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাঁকে ইয়ামানের শাসক নিযুক্ত করেন। (সেখানে গিয়ে) আমার স্বামী এক তালাক দিয়ে পাঠান, আর তা ছিল তার অবশিষ্ট (শেষ) তালাক। তখন হারিস ইব্ন হিশাম (রাঃ) এবং আইয়্যাশ ইব্ন আবূ রবীআ (রাঃ) –কে বলে পাঠান আমাকে খোরপোষ দেয়ার জন্য। আমি আমার খরচ চাওয়ার জন্য তাদের নিকট লোক পাঠালাম, যা আমার স্বামী আমাকে দিতে বলেছিল। তারা বললেনঃ আল্লাহ্র শপথ! আমাদের নিকট তার জন্য কোন খোরপোষ নেই। তবে যদি সে গর্ভবতী হয়, (তা হলে তার জন্য খোরপোষ ছিল)। আর আমরা যতক্ষণ না বলি, সে যেন আমাদের ঘরে না থাকে। ফাতিমা (রাঃ) বলেনঃ তখন আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে এ ঘটনা জানালাম। তিনি তাদের সত্যায়ন করলেন। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! আমি এখন কোথায় যাব? তিনি বললেনঃ ইব্ন উম্মু মাকতুমের নিকট চলে যাও, ইনি সে অন্ধ লোক, যার জন্য আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কিতাবে তাকে (রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-কে) মৃদু ভর্ৎসনা করেছিলেন। আমি তাঁর নিকট চলে গেলাম। আমি তাঁর নিকট অপ্রয়োজনীয় কাপড় ফেলে দিতাম। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) উসামা ইব্ন যায়দ (রাঃ)-এর সাথে (তার বক্তব্য মতে) তাকে বিবাহ দেন।
উবায়দুল্লাহ ইব্ন আবদুল্লাহ্ ইব্ন উতবা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইব্ন আমর ইব্ন উসমান সাঈদ ইব্ন যায়দ এর কন্যাকে চূড়ান্ত (বাইন বা তিন) তালাক দিল। সেই কন্যার নাম ছিল হামনা বিন্ত কায়স। তিনি তাকে এমন তালাক দিলেন, যা দ্বারা সম্পর্ক একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, অর্থাৎ তিন তালাক। তার খালা ফাতিমা বিন্ত কায়স (রাঃ) তাকে বললেনঃ তুমি আবদুল্লাহ্ ইব্ন আমর-এর ঘর থেকে চলে যাও। মারওয়ান একথা শুনে আবদুল্লাহ্ ইব্ন আমর ইব্ন উসমানের স্ত্রীকে নির্দেশ দিলেনঃ তোমার ইদ্দত পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তুমি নিজের ঘরে অবস্থান কর। আবদুল্লাহ্ ইব্ন আমর-এর স্ত্রী মারওয়ানের কাছে লোক পাঠিয়ে জানালেন যে, আমাকে আমার খালা ফাতিমা (রাঃ) ঘর হতে চলে যাওয়ার আদেশ করেছেন। আর তিনি বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) তাঁকে ঐ সময় ঘর হতে বের হয়ে যাওয়ার আদেশ করেন, যখন তাকে (তার স্বামী) আবূ আমর ইব্ন হাফস তালাক দিয়েছিলেন। মারওয়ান যখন এ ঘটনা জানতে পারলেন, তখন তিনি কাবীসা ইব্ন যুআয়বকে ফাতিমা (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। এ ব্যাপারে তিনি তাকে (ফাতিমাকে) জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ আমার স্বামী আবু আমর আলী (রাঃ)-এর সাথে চলে যান, যখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাঁকে ইয়ামানের শাসক নিযুক্ত করেন। (সেখানে গিয়ে) আমার স্বামী এক তালাক দিয়ে পাঠান, আর তা ছিল তার অবশিষ্ট (শেষ) তালাক। তখন হারিস ইব্ন হিশাম (রাঃ) এবং আইয়্যাশ ইব্ন আবূ রবীআ (রাঃ) –কে বলে পাঠান আমাকে খোরপোষ দেয়ার জন্য। আমি আমার খরচ চাওয়ার জন্য তাদের নিকট লোক পাঠালাম, যা আমার স্বামী আমাকে দিতে বলেছিল। তারা বললেনঃ আল্লাহ্র শপথ! আমাদের নিকট তার জন্য কোন খোরপোষ নেই। তবে যদি সে গর্ভবতী হয়, (তা হলে তার জন্য খোরপোষ ছিল)। আর আমরা যতক্ষণ না বলি, সে যেন আমাদের ঘরে না থাকে। ফাতিমা (রাঃ) বলেনঃ তখন আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে এ ঘটনা জানালাম। তিনি তাদের সত্যায়ন করলেন। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! আমি এখন কোথায় যাব? তিনি বললেনঃ ইব্ন উম্মু মাকতুমের নিকট চলে যাও, ইনি সে অন্ধ লোক, যার জন্য আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কিতাবে তাকে (রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-কে) মৃদু ভর্ৎসনা করেছিলেন। আমি তাঁর নিকট চলে গেলাম। আমি তাঁর নিকট অপ্রয়োজনীয় কাপড় ফেলে দিতাম। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) উসামা ইব্ন যায়দ (রাঃ)-এর সাথে (তার বক্তব্য মতে) তাকে বিবাহ দেন।
أخبرنا عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير بن دينار، قال: حدثنا أبي، عن شعيب، قال: قال الزهري: أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة: أن عبد الله بن عمرو بن عثمان، طلق ابنة سعيد بن زيد، وأمها حمنة بنت قيس البتة، فأمرتها خالتها فاطمة بنت قيس، بالانتقال من بيت عبد الله بن عمرو، وسمع بذلك مروان فأرسل إليها فأمرها أن ترجع إلى مسكنها حتى تنقضي عدتها، فأرسلت إليه تخبره، أن خالتها فاطمة أفتتها بذلك، وأخبرتها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، أفتاها بالانتقال حين طلقها أبو عمرو بن حفص المخزومي، فأرسل مروان قبيصة بن ذؤيب إلى فاطمة فسألها عن ذلك؟ فزعمت أنها كانت تحت أبي عمرو لما أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم علي بن أبي طالب على اليمن، خرج معه، فأرسل إليها بتطليقة، وهي بقية طلاقها، فأمر لها الحارث بن هشام، وعياش بن أبي ربيعة بنفقتها، فأرسلت إلى الحارث وعياش تسألهما النفقة التي أمر لها بها زوجها؟ فقالا: والله ما لها علينا نفقة إلا أن تكون حاملا، وما لها أن تسكن في مسكننا إلا بإذننا، فزعمت فاطمة، أنها أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذكرت ذلك له، «فصدقهما» قالت: فقلت: أين أنتقل يا رسول الله؟ فقال: «انتقلي عند ابن أم مكتوم وهو الأعمى الذي عاتبه الله عز وجل في كتابه» فانتقلت عنده، فكنت أضع ثيابي عنده حتى أنكحها رسول الله صلى الله عليه وسلم، زعمت أسامة بن زيد