সুনান নাসাঈ > কিয়াফা১ প্রসংগ

সুনান নাসাঈ ৩৪৯৩

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، قالت: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل علي مسرورا تبرق أسارير وجهه، فقال: " ألم تري أن مجززا نظر إلى زيد بن حارثة وأسامة فقال: إن بعض هذه الأقدام لمن بعض "

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমার নিকট আনন্দিত অবস্থায় প্রবেশ করলেন। তখন তাঁর চেহারার রেখাগুলো ঝিলমিল করছিল (চেহারায় খুশির চিহ্ন প্রস্ফূটিত ছিল)। তিনি বললেনঃ তুমি কি জান মুজায়যিয (নাম্মী এক ব্যক্তি) যায়দ ইব্‌ন হারিসা এবং উসামা (রাঃ)-কে (চেহারা চাদারাবৃত ও পা খোলা অবস্থায়) দেখে বললোঃ এই পাগুলোর একটি অপরটি হতে (অর্থাৎ মিলযুক্ত)।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমার নিকট আনন্দিত অবস্থায় প্রবেশ করলেন। তখন তাঁর চেহারার রেখাগুলো ঝিলমিল করছিল (চেহারায় খুশির চিহ্ন প্রস্ফূটিত ছিল)। তিনি বললেনঃ তুমি কি জান মুজায়যিয (নাম্মী এক ব্যক্তি) যায়দ ইব্‌ন হারিসা এবং উসামা (রাঃ)-কে (চেহারা চাদারাবৃত ও পা খোলা অবস্থায়) দেখে বললোঃ এই পাগুলোর একটি অপরটি হতে (অর্থাৎ মিলযুক্ত)।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، قالت: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل علي مسرورا تبرق أسارير وجهه، فقال: " ألم تري أن مجززا نظر إلى زيد بن حارثة وأسامة فقال: إن بعض هذه الأقدام لمن بعض "


সুনান নাসাঈ ৩৪৯৪

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، رضي الله عنها قالت: دخل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم مسرورا، فقال: " يا عائشة، ألم تري أن مجززا المدلجي دخل علي وعندي أسامة بن زيد، فرأى أسامة بن زيد وزيدا وعليهما قطيفة وقد غطيا رءوسهما وبدت أقدامهما فقال: هذه أقدام بعضها من بعض "

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আনন্দিত অবস্থায় আমার নিকট আসলেন (তখন তাঁর চেহারায় খুশির চিহ্ন বিদ্যমান ছিল)। তিনি বললেনঃ হে আয়েশা। মুজায়যিয মুদ্‌লিজী (রাঃ) (কিয়াফা অবগত ব্যক্তি) আমার নিকট আসলো। তখন উসামা ইব্‌ন যায়দ (রাঃ) আমার নিকট ছিল। সে উসামা ইব্‌ন যায়দ এবং যায়দ (রাঃ)-কে দেখলো। তাঁদের গায়ে চাদর ছিল এবং তারা মুখ ঢেকে রেখেছিল এবং তাদের পা খোলা ছিল। সে বললোঃ এই পা’গুলো একটি অপরটি হতে (দু’জনের পায়ের মধ্যে মিল রয়েছে)।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আনন্দিত অবস্থায় আমার নিকট আসলেন (তখন তাঁর চেহারায় খুশির চিহ্ন বিদ্যমান ছিল)। তিনি বললেনঃ হে আয়েশা। মুজায়যিয মুদ্‌লিজী (রাঃ) (কিয়াফা অবগত ব্যক্তি) আমার নিকট আসলো। তখন উসামা ইব্‌ন যায়দ (রাঃ) আমার নিকট ছিল। সে উসামা ইব্‌ন যায়দ এবং যায়দ (রাঃ)-কে দেখলো। তাঁদের গায়ে চাদর ছিল এবং তারা মুখ ঢেকে রেখেছিল এবং তাদের পা খোলা ছিল। সে বললোঃ এই পা’গুলো একটি অপরটি হতে (দু’জনের পায়ের মধ্যে মিল রয়েছে)।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، رضي الله عنها قالت: دخل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم مسرورا، فقال: " يا عائشة، ألم تري أن مجززا المدلجي دخل علي وعندي أسامة بن زيد، فرأى أسامة بن زيد وزيدا وعليهما قطيفة وقد غطيا رءوسهما وبدت أقدامهما فقال: هذه أقدام بعضها من بعض "


সুনান নাসাঈ > স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একজন মুসলমান হলে এবং সন্তানকে ইখতিয়ার প্রদান প্রসংগ

সুনান নাসাঈ ৩৪৯৬

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا ابن جريج، قال: أخبرني زياد، عن هلال بن أسامة، عن أبي ميمونة، قال: بينا أنا عند أبي هريرة، فقال: إن امرأة جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت: فداك أبي وأمي، إن زوجي يريد أن يذهب بابني وقد نفعني وسقاني من بئر أبي عنبة، فجاء زوجها وقال: من يخاصمني في ابني؟ فقال: «يا غلام، هذا أبوك وهذه أمك فخذ بيد أيهما شئت»، فأخذ بيد أمه، فانطلقت به

আবূ মায়মূনা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ (একদিন) আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম, তখন তিনি বললেন যে, এক মহিলা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ আমার পিতা মাতা আপনার উপর কুরবান হোক। আমার স্বামী আমার নিকট হতে আমার ছেলেকে নিয়ে যেতে চায়। অথচ তার দ্বারা আমার অনেক উপকার হয়ে থাকে। সে আবূ ইনাবা কূপ থেকে পান এনে আমাকে পান করায়। এমন সময় তার স্বামী সেখানে এসে বললেনঃ আমার ছেলের ব্যাপারে আমার সাথে কে বিবাদ করেছে ? তখন তিনি (নবী সঃ) বললেন, হে ছেলে ! এই তোমার পিতা, আর এই তোমার মাতা, এদের মধ্যে তোমার যার ইচ্ছা হাত ধর। তখন ছেলে তার মার হাত ধরলো এবং তাকে সঙ্গে নিয়ে চলে গেল।

আবূ মায়মূনা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ (একদিন) আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম, তখন তিনি বললেন যে, এক মহিলা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ আমার পিতা মাতা আপনার উপর কুরবান হোক। আমার স্বামী আমার নিকট হতে আমার ছেলেকে নিয়ে যেতে চায়। অথচ তার দ্বারা আমার অনেক উপকার হয়ে থাকে। সে আবূ ইনাবা কূপ থেকে পান এনে আমাকে পান করায়। এমন সময় তার স্বামী সেখানে এসে বললেনঃ আমার ছেলের ব্যাপারে আমার সাথে কে বিবাদ করেছে ? তখন তিনি (নবী সঃ) বললেন, হে ছেলে ! এই তোমার পিতা, আর এই তোমার মাতা, এদের মধ্যে তোমার যার ইচ্ছা হাত ধর। তখন ছেলে তার মার হাত ধরলো এবং তাকে সঙ্গে নিয়ে চলে গেল।

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا ابن جريج، قال: أخبرني زياد، عن هلال بن أسامة، عن أبي ميمونة، قال: بينا أنا عند أبي هريرة، فقال: إن امرأة جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت: فداك أبي وأمي، إن زوجي يريد أن يذهب بابني وقد نفعني وسقاني من بئر أبي عنبة، فجاء زوجها وقال: من يخاصمني في ابني؟ فقال: «يا غلام، هذا أبوك وهذه أمك فخذ بيد أيهما شئت»، فأخذ بيد أمه، فانطلقت به


সুনান নাসাঈ ৩৪৯৫

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا عبد الرزاق، قال: حدثنا سفيان، عن عثمان البتي، عن عبد الحميد بن سلمة الأنصاري، عن أبيه، عن جده: أنه أسلم وأبت امرأته أن تسلم، فجاء ابن لهما صغير لم يبلغ الحلم، فأجلس النبي صلى الله عليه وسلم الأب هاهنا والأم هاهنا ثم خيره، فقال: «اللهم اهده» فذهب إلى أبيه

আবদুল হামীদ ইব্‌ন সালামা আনসারী (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মুসলমান হলে তাঁর স্ত্রী মুসলমান হতে অস্বীকার করলো। তাদের এক নাবালেগ সন্তান ছিল। সে আসলে নবী (সাঃ) তার পিতাকে এখানে আর মাতাকে ওখানে বসিয়ে ছেলেকে ইখতিয়ার দিয়ে দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ্‌! একে হিদায়ত (সুবুদ্ধি) দান করুন। তখন সেই ছেলে তাঁর পিতার নিকট চলে গেল।

আবদুল হামীদ ইব্‌ন সালামা আনসারী (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মুসলমান হলে তাঁর স্ত্রী মুসলমান হতে অস্বীকার করলো। তাদের এক নাবালেগ সন্তান ছিল। সে আসলে নবী (সাঃ) তার পিতাকে এখানে আর মাতাকে ওখানে বসিয়ে ছেলেকে ইখতিয়ার দিয়ে দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ্‌! একে হিদায়ত (সুবুদ্ধি) দান করুন। তখন সেই ছেলে তাঁর পিতার নিকট চলে গেল।

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا عبد الرزاق، قال: حدثنا سفيان، عن عثمان البتي، عن عبد الحميد بن سلمة الأنصاري، عن أبيه، عن جده: أنه أسلم وأبت امرأته أن تسلم، فجاء ابن لهما صغير لم يبلغ الحلم، فأجلس النبي صلى الله عليه وسلم الأب هاهنا والأم هاهنا ثم خيره، فقال: «اللهم اهده» فذهب إلى أبيه


সুনান নাসাঈ > খুলা’কারিণীর ইদ্দত

সুনান নাসাঈ ৩৪৯৭

أخبرنا أبو علي محمد بن يحيى المروزي، قال: أخبرني شاذان بن عثمان، أخو عبدان، قال: حدثنا أبي، قال: حدثنا علي بن المبارك، عن يحيى بن أبي كثير، قال: أخبرني محمد بن عبد الرحمن، أن الربيع بنت معوذ بن عفراء، أخبرته: أن ثابت بن قيس بن شماس ضرب امرأته فكسر يدها، وهي جميلة بنت عبد الله بن أبي، فأتى أخوها يشتكيه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى ثابت فقال له: «خذ الذي لها عليك وخل سبيلها»، قال: نعم، فأمرها رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تتربص حيضة واحدة، فتلحق بأهلها

আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রুবায়্যি’ বিন্‌ত মু’আব্বিয ইব্‌ন আফরা (রাঃ) তাকে অবহিত করেছেন, সাবিত ইব্‌ন কায়স ইব্‌ন শাম্‌মাস (রাঃ) তার স্ত্রীকে মারধর করলো এবং তার হাত ভেঙে দিল। সে ছিল জামিলা বিন্‌ত আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন উবাই। তার ভাই রাসুলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-এর নিকট এর অভিযোগ নিয়ে উপস্থিত হলো। তিনি সাবিত (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনলেন। সাবিত (রাঃ) উপস্থিত হলে তিনি বললেনঃ তুমি তার নিকট হতে তোমার মাল নিয়ে তাকে ছেড়ে দাও। সাবিত (রাঃ) বললেনঃ হ্যাঁ, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) ঐ মহিলাকে এক হায়েয পর্যন্ত অপেক্ষা করার (ইদ্দত পালন করার) আদেশ দেন। এরপর তাকে তার মাতাপিতার নিকট চলে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন।

আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রুবায়্যি’ বিন্‌ত মু’আব্বিয ইব্‌ন আফরা (রাঃ) তাকে অবহিত করেছেন, সাবিত ইব্‌ন কায়স ইব্‌ন শাম্‌মাস (রাঃ) তার স্ত্রীকে মারধর করলো এবং তার হাত ভেঙে দিল। সে ছিল জামিলা বিন্‌ত আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন উবাই। তার ভাই রাসুলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-এর নিকট এর অভিযোগ নিয়ে উপস্থিত হলো। তিনি সাবিত (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনলেন। সাবিত (রাঃ) উপস্থিত হলে তিনি বললেনঃ তুমি তার নিকট হতে তোমার মাল নিয়ে তাকে ছেড়ে দাও। সাবিত (রাঃ) বললেনঃ হ্যাঁ, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) ঐ মহিলাকে এক হায়েয পর্যন্ত অপেক্ষা করার (ইদ্দত পালন করার) আদেশ দেন। এরপর তাকে তার মাতাপিতার নিকট চলে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন।

أخبرنا أبو علي محمد بن يحيى المروزي، قال: أخبرني شاذان بن عثمان، أخو عبدان، قال: حدثنا أبي، قال: حدثنا علي بن المبارك، عن يحيى بن أبي كثير، قال: أخبرني محمد بن عبد الرحمن، أن الربيع بنت معوذ بن عفراء، أخبرته: أن ثابت بن قيس بن شماس ضرب امرأته فكسر يدها، وهي جميلة بنت عبد الله بن أبي، فأتى أخوها يشتكيه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى ثابت فقال له: «خذ الذي لها عليك وخل سبيلها»، قال: نعم، فأمرها رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تتربص حيضة واحدة، فتلحق بأهلها


সুনান নাসাঈ ৩৪৯৮

أخبرنا عبيد الله بن سعد بن إبراهيم بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، قال: حدثني عبادة بن الوليد بن عبادة بن الصامت، عن ربيع بنت معوذ، قال: قلت لها: حدثيني حديثك، قالت: اختلعت من زوجي ثم جئت عثمان، فسألته ماذا علي من العدة؟ فقال: «لا عدة عليك إلا أن تكوني حديثة عهد به، فتمكثي حتى تحيضي حيضة». قال: «وأنا متبع في ذلك قضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم في مريم المغالية، كانت تحت ثابت بن قيس بن شماس فاختلعت منه» --- [حكم الألباني] حسن صحيح

রুবায়্যি’ বিন্‌ত মু’আব্বিয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার স্বামীর সাথে খুলা করলাম। এরপর উসমান (রাঃ)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞাস করলামঃ আমাকে কতদিন ইদ্দত পালন করতে হবে? উসমান (রাঃ) বললেনঃ তোমার কোন ইদ্দত পালন করতে হবে না তবে, যদি তুমি তোমার স্বামীর সংগে কাছাকাছি সময়ে সহাবস্থান করে থাক তাহলে তুমি এক হায়েয পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। এরপর তিনি বললেনঃ এ ব্যাপারে আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-এর অনুসরণ করছি। তিনি মার‍য়াম মাগালিয়ার ব্যাপারে এরূপ সমাধান দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন সাবিত ইব্‌ন কায়স ইব্‌ন শাম্‌মাস (রাঃ)-এর স্ত্রী। সেই মহিলা তার সাথে খুলা করেছিল।

রুবায়্যি’ বিন্‌ত মু’আব্বিয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার স্বামীর সাথে খুলা করলাম। এরপর উসমান (রাঃ)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞাস করলামঃ আমাকে কতদিন ইদ্দত পালন করতে হবে? উসমান (রাঃ) বললেনঃ তোমার কোন ইদ্দত পালন করতে হবে না তবে, যদি তুমি তোমার স্বামীর সংগে কাছাকাছি সময়ে সহাবস্থান করে থাক তাহলে তুমি এক হায়েয পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। এরপর তিনি বললেনঃ এ ব্যাপারে আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-এর অনুসরণ করছি। তিনি মার‍য়াম মাগালিয়ার ব্যাপারে এরূপ সমাধান দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন সাবিত ইব্‌ন কায়স ইব্‌ন শাম্‌মাস (রাঃ)-এর স্ত্রী। সেই মহিলা তার সাথে খুলা করেছিল।

أخبرنا عبيد الله بن سعد بن إبراهيم بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، قال: حدثني عبادة بن الوليد بن عبادة بن الصامت، عن ربيع بنت معوذ، قال: قلت لها: حدثيني حديثك، قالت: اختلعت من زوجي ثم جئت عثمان، فسألته ماذا علي من العدة؟ فقال: «لا عدة عليك إلا أن تكوني حديثة عهد به، فتمكثي حتى تحيضي حيضة». قال: «وأنا متبع في ذلك قضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم في مريم المغالية، كانت تحت ثابت بن قيس بن شماس فاختلعت منه» --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ৩৪৯৮

أخبرنا عبيد الله بن سعد بن إبراهيم بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، قال: حدثني عبادة بن الوليد بن عبادة بن الصامت، عن ربيع بنت معوذ، قال: قلت لها: حدثيني حديثك، قالت: اختلعت من زوجي ثم جئت عثمان، فسألته ماذا علي من العدة؟ فقال: «لا عدة عليك إلا أن تكوني حديثة عهد به، فتمكثي حتى تحيضي حيضة». قال: «وأنا متبع في ذلك قضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم في مريم المغالية، كانت تحت ثابت بن قيس بن شماس فاختلعت منه» --- [حكم الألباني] حسن صحيح

রুবায়্যি’ বিন্‌ত মু’আব্বিয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার স্বামীর সাথে খুলা করলাম। এরপর উসমান (রাঃ)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞাস করলামঃ আমাকে কতদিন ইদ্দত পালন করতে হবে? উসমান (রাঃ) বললেনঃ তোমার কোন ইদ্দত পালন করতে হবে না তবে, যদি তুমি তোমার স্বামীর সংগে কাছাকাছি সময়ে সহাবস্থান করে থাক তাহলে তুমি এক হায়েয পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। এরপর তিনি বললেনঃ এ ব্যাপারে আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-এর অনুসরণ করছি। তিনি মার‍য়াম মাগালিয়ার ব্যাপারে এরূপ সমাধান দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন সাবিত ইব্‌ন কায়স ইব্‌ন শাম্‌মাস (রাঃ)-এর স্ত্রী। সেই মহিলা তার সাথে খুলা করেছিল।

রুবায়্যি’ বিন্‌ত মু’আব্বিয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার স্বামীর সাথে খুলা করলাম। এরপর উসমান (রাঃ)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞাস করলামঃ আমাকে কতদিন ইদ্দত পালন করতে হবে? উসমান (রাঃ) বললেনঃ তোমার কোন ইদ্দত পালন করতে হবে না তবে, যদি তুমি তোমার স্বামীর সংগে কাছাকাছি সময়ে সহাবস্থান করে থাক তাহলে তুমি এক হায়েয পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। এরপর তিনি বললেনঃ এ ব্যাপারে আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-এর অনুসরণ করছি। তিনি মার‍য়াম মাগালিয়ার ব্যাপারে এরূপ সমাধান দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন সাবিত ইব্‌ন কায়স ইব্‌ন শাম্‌মাস (রাঃ)-এর স্ত্রী। সেই মহিলা তার সাথে খুলা করেছিল।

أخبرنا عبيد الله بن سعد بن إبراهيم بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، قال: حدثني عبادة بن الوليد بن عبادة بن الصامت، عن ربيع بنت معوذ، قال: قلت لها: حدثيني حديثك، قالت: اختلعت من زوجي ثم جئت عثمان، فسألته ماذا علي من العدة؟ فقال: «لا عدة عليك إلا أن تكوني حديثة عهد به، فتمكثي حتى تحيضي حيضة». قال: «وأنا متبع في ذلك قضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم في مريم المغالية، كانت تحت ثابت بن قيس بن شماس فاختلعت منه» --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ৩৪৯৮

أخبرنا عبيد الله بن سعد بن إبراهيم بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، قال: حدثني عبادة بن الوليد بن عبادة بن الصامت، عن ربيع بنت معوذ، قال: قلت لها: حدثيني حديثك، قالت: اختلعت من زوجي ثم جئت عثمان، فسألته ماذا علي من العدة؟ فقال: «لا عدة عليك إلا أن تكوني حديثة عهد به، فتمكثي حتى تحيضي حيضة». قال: «وأنا متبع في ذلك قضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم في مريم المغالية، كانت تحت ثابت بن قيس بن شماس فاختلعت منه» --- [حكم الألباني] حسن صحيح

রুবায়্যি’ বিন্‌ত মু’আব্বিয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার স্বামীর সাথে খুলা করলাম। এরপর উসমান (রাঃ)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞাস করলামঃ আমাকে কতদিন ইদ্দত পালন করতে হবে? উসমান (রাঃ) বললেনঃ তোমার কোন ইদ্দত পালন করতে হবে না তবে, যদি তুমি তোমার স্বামীর সংগে কাছাকাছি সময়ে সহাবস্থান করে থাক তাহলে তুমি এক হায়েয পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। এরপর তিনি বললেনঃ এ ব্যাপারে আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-এর অনুসরণ করছি। তিনি মার‍য়াম মাগালিয়ার ব্যাপারে এরূপ সমাধান দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন সাবিত ইব্‌ন কায়স ইব্‌ন শাম্‌মাস (রাঃ)-এর স্ত্রী। সেই মহিলা তার সাথে খুলা করেছিল।

রুবায়্যি’ বিন্‌ত মু’আব্বিয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার স্বামীর সাথে খুলা করলাম। এরপর উসমান (রাঃ)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞাস করলামঃ আমাকে কতদিন ইদ্দত পালন করতে হবে? উসমান (রাঃ) বললেনঃ তোমার কোন ইদ্দত পালন করতে হবে না তবে, যদি তুমি তোমার স্বামীর সংগে কাছাকাছি সময়ে সহাবস্থান করে থাক তাহলে তুমি এক হায়েয পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। এরপর তিনি বললেনঃ এ ব্যাপারে আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-এর অনুসরণ করছি। তিনি মার‍য়াম মাগালিয়ার ব্যাপারে এরূপ সমাধান দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন সাবিত ইব্‌ন কায়স ইব্‌ন শাম্‌মাস (রাঃ)-এর স্ত্রী। সেই মহিলা তার সাথে খুলা করেছিল।

أخبرنا عبيد الله بن سعد بن إبراهيم بن سعد، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، قال: حدثني عبادة بن الوليد بن عبادة بن الصامت، عن ربيع بنت معوذ، قال: قلت لها: حدثيني حديثك، قالت: اختلعت من زوجي ثم جئت عثمان، فسألته ماذا علي من العدة؟ فقال: «لا عدة عليك إلا أن تكوني حديثة عهد به، فتمكثي حتى تحيضي حيضة». قال: «وأنا متبع في ذلك قضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم في مريم المغالية، كانت تحت ثابت بن قيس بن شماس فاختلعت منه» --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ > তালাকপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে ইদ্দত হুকুমে যারা ব্রতি

সুনান নাসাঈ ৩৪৯৯

أخبرنا زكريا بن يحيى، قال: حدثنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا علي بن الحسين بن واقد، قال: حدثني أبي، قال: أنبأنا يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس: " في قوله {ما ننسخ من آية أو ننسها نأت بخير منها أو مثلها} [البقرة: 106] وقال: {وإذا بدلنا آية مكان آية والله أعلم بما ينزل} [النحل: 101] الآية، وقال: {يمحو الله ما يشاء ويثبت وعنده أم الكتاب} [الرعد: 39] فأول ما نسخ من القرآن القبلة، وقال: {والمطلقات يتربصن بأنفسهن ثلاثة قروء} [البقرة: 228] وقال: {واللائي يئسن من المحيض من نسائكم إن ارتبتم فعدتهن ثلاثة أشهر} [الطلاق: 4] فنسخ من ذلك، قال تعالى: {وإن طلقتموهن من قبل أن تمسوهن} [البقرة: 237] {فما لكم عليهن من عدة تعتدونها} [الأحزاب: 49] " --- [حكم الألباني] حسن صحيح

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(অর্থঃ যখন আমি কোন আয়াতের স্থানে অন্য আয়াত দ্বারা পরিবর্তন করি......) সম্পর্কে (অর্থঃ আল্লাহ্‌ যা ইচ্ছা করে মুছে দেন এবং (যা ইচ্ছা) স্থির রাখেন; তাঁর কাছে আছে মূল গ্রন্থ) বলেনঃ (বর্ণিত হয়েছে যে,) কুরআনে সর্বপ্রথম যা রহিত হয়েছে, তা হলো কিবলার হুকুম। আল্লাহ্‌র বাণীঃ (আরবি) (অর্থঃ তালাকপ্রাপ্তা নারীরা নিজেদের আবদ্ধ করে রাখবে (ইদ্দত পালন করবে) তিন হায়েয এবং তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা (বয়সের কারণে) হায়েয হতে নিরাশ হয়েছে---- যদি তোমরা সন্দিহান হও---- তবে তাদের ‘ইদ্দত তিন মাস।) এ হতে রহিত করা হয়েছে এবং ইরশাদ করা হয়েছে (আরবি) (অর্থঃ যদি তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) স্পর্শ (সহবাস) করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও তবে তোমাদের স্বার্থে তাদের উপরের ইদ্দতের বিধান নেই। যা তারা পালন করবে...............)।

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(অর্থঃ যখন আমি কোন আয়াতের স্থানে অন্য আয়াত দ্বারা পরিবর্তন করি......) সম্পর্কে (অর্থঃ আল্লাহ্‌ যা ইচ্ছা করে মুছে দেন এবং (যা ইচ্ছা) স্থির রাখেন; তাঁর কাছে আছে মূল গ্রন্থ) বলেনঃ (বর্ণিত হয়েছে যে,) কুরআনে সর্বপ্রথম যা রহিত হয়েছে, তা হলো কিবলার হুকুম। আল্লাহ্‌র বাণীঃ (আরবি) (অর্থঃ তালাকপ্রাপ্তা নারীরা নিজেদের আবদ্ধ করে রাখবে (ইদ্দত পালন করবে) তিন হায়েয এবং তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা (বয়সের কারণে) হায়েয হতে নিরাশ হয়েছে---- যদি তোমরা সন্দিহান হও---- তবে তাদের ‘ইদ্দত তিন মাস।) এ হতে রহিত করা হয়েছে এবং ইরশাদ করা হয়েছে (আরবি) (অর্থঃ যদি তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) স্পর্শ (সহবাস) করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও তবে তোমাদের স্বার্থে তাদের উপরের ইদ্দতের বিধান নেই। যা তারা পালন করবে...............)।

أخبرنا زكريا بن يحيى، قال: حدثنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا علي بن الحسين بن واقد، قال: حدثني أبي، قال: أنبأنا يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس: " في قوله {ما ننسخ من آية أو ننسها نأت بخير منها أو مثلها} [البقرة: 106] وقال: {وإذا بدلنا آية مكان آية والله أعلم بما ينزل} [النحل: 101] الآية، وقال: {يمحو الله ما يشاء ويثبت وعنده أم الكتاب} [الرعد: 39] فأول ما نسخ من القرآن القبلة، وقال: {والمطلقات يتربصن بأنفسهن ثلاثة قروء} [البقرة: 228] وقال: {واللائي يئسن من المحيض من نسائكم إن ارتبتم فعدتهن ثلاثة أشهر} [الطلاق: 4] فنسخ من ذلك، قال تعالى: {وإن طلقتموهن من قبل أن تمسوهن} [البقرة: 237] {فما لكم عليهن من عدة تعتدونها} [الأحزاب: 49] " --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ৩৪৯৯

أخبرنا زكريا بن يحيى، قال: حدثنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا علي بن الحسين بن واقد، قال: حدثني أبي، قال: أنبأنا يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس: " في قوله {ما ننسخ من آية أو ننسها نأت بخير منها أو مثلها} [البقرة: 106] وقال: {وإذا بدلنا آية مكان آية والله أعلم بما ينزل} [النحل: 101] الآية، وقال: {يمحو الله ما يشاء ويثبت وعنده أم الكتاب} [الرعد: 39] فأول ما نسخ من القرآن القبلة، وقال: {والمطلقات يتربصن بأنفسهن ثلاثة قروء} [البقرة: 228] وقال: {واللائي يئسن من المحيض من نسائكم إن ارتبتم فعدتهن ثلاثة أشهر} [الطلاق: 4] فنسخ من ذلك، قال تعالى: {وإن طلقتموهن من قبل أن تمسوهن} [البقرة: 237] {فما لكم عليهن من عدة تعتدونها} [الأحزاب: 49] " --- [حكم الألباني] حسن صحيح

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(অর্থঃ যখন আমি কোন আয়াতের স্থানে অন্য আয়াত দ্বারা পরিবর্তন করি......) সম্পর্কে (অর্থঃ আল্লাহ্‌ যা ইচ্ছা করে মুছে দেন এবং (যা ইচ্ছা) স্থির রাখেন; তাঁর কাছে আছে মূল গ্রন্থ) বলেনঃ (বর্ণিত হয়েছে যে,) কুরআনে সর্বপ্রথম যা রহিত হয়েছে, তা হলো কিবলার হুকুম। আল্লাহ্‌র বাণীঃ (আরবি) (অর্থঃ তালাকপ্রাপ্তা নারীরা নিজেদের আবদ্ধ করে রাখবে (ইদ্দত পালন করবে) তিন হায়েয এবং তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা (বয়সের কারণে) হায়েয হতে নিরাশ হয়েছে---- যদি তোমরা সন্দিহান হও---- তবে তাদের ‘ইদ্দত তিন মাস।) এ হতে রহিত করা হয়েছে এবং ইরশাদ করা হয়েছে (আরবি) (অর্থঃ যদি তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) স্পর্শ (সহবাস) করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও তবে তোমাদের স্বার্থে তাদের উপরের ইদ্দতের বিধান নেই। যা তারা পালন করবে...............)।

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(অর্থঃ যখন আমি কোন আয়াতের স্থানে অন্য আয়াত দ্বারা পরিবর্তন করি......) সম্পর্কে (অর্থঃ আল্লাহ্‌ যা ইচ্ছা করে মুছে দেন এবং (যা ইচ্ছা) স্থির রাখেন; তাঁর কাছে আছে মূল গ্রন্থ) বলেনঃ (বর্ণিত হয়েছে যে,) কুরআনে সর্বপ্রথম যা রহিত হয়েছে, তা হলো কিবলার হুকুম। আল্লাহ্‌র বাণীঃ (আরবি) (অর্থঃ তালাকপ্রাপ্তা নারীরা নিজেদের আবদ্ধ করে রাখবে (ইদ্দত পালন করবে) তিন হায়েয এবং তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা (বয়সের কারণে) হায়েয হতে নিরাশ হয়েছে---- যদি তোমরা সন্দিহান হও---- তবে তাদের ‘ইদ্দত তিন মাস।) এ হতে রহিত করা হয়েছে এবং ইরশাদ করা হয়েছে (আরবি) (অর্থঃ যদি তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) স্পর্শ (সহবাস) করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও তবে তোমাদের স্বার্থে তাদের উপরের ইদ্দতের বিধান নেই। যা তারা পালন করবে...............)।

أخبرنا زكريا بن يحيى، قال: حدثنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا علي بن الحسين بن واقد، قال: حدثني أبي، قال: أنبأنا يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس: " في قوله {ما ننسخ من آية أو ننسها نأت بخير منها أو مثلها} [البقرة: 106] وقال: {وإذا بدلنا آية مكان آية والله أعلم بما ينزل} [النحل: 101] الآية، وقال: {يمحو الله ما يشاء ويثبت وعنده أم الكتاب} [الرعد: 39] فأول ما نسخ من القرآن القبلة، وقال: {والمطلقات يتربصن بأنفسهن ثلاثة قروء} [البقرة: 228] وقال: {واللائي يئسن من المحيض من نسائكم إن ارتبتم فعدتهن ثلاثة أشهر} [الطلاق: 4] فنسخ من ذلك، قال تعالى: {وإن طلقتموهن من قبل أن تمسوهن} [البقرة: 237] {فما لكم عليهن من عدة تعتدونها} [الأحزاب: 49] " --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ৩৪৯৯

أخبرنا زكريا بن يحيى، قال: حدثنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا علي بن الحسين بن واقد، قال: حدثني أبي، قال: أنبأنا يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس: " في قوله {ما ننسخ من آية أو ننسها نأت بخير منها أو مثلها} [البقرة: 106] وقال: {وإذا بدلنا آية مكان آية والله أعلم بما ينزل} [النحل: 101] الآية، وقال: {يمحو الله ما يشاء ويثبت وعنده أم الكتاب} [الرعد: 39] فأول ما نسخ من القرآن القبلة، وقال: {والمطلقات يتربصن بأنفسهن ثلاثة قروء} [البقرة: 228] وقال: {واللائي يئسن من المحيض من نسائكم إن ارتبتم فعدتهن ثلاثة أشهر} [الطلاق: 4] فنسخ من ذلك، قال تعالى: {وإن طلقتموهن من قبل أن تمسوهن} [البقرة: 237] {فما لكم عليهن من عدة تعتدونها} [الأحزاب: 49] " --- [حكم الألباني] حسن صحيح

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(অর্থঃ যখন আমি কোন আয়াতের স্থানে অন্য আয়াত দ্বারা পরিবর্তন করি......) সম্পর্কে (অর্থঃ আল্লাহ্‌ যা ইচ্ছা করে মুছে দেন এবং (যা ইচ্ছা) স্থির রাখেন; তাঁর কাছে আছে মূল গ্রন্থ) বলেনঃ (বর্ণিত হয়েছে যে,) কুরআনে সর্বপ্রথম যা রহিত হয়েছে, তা হলো কিবলার হুকুম। আল্লাহ্‌র বাণীঃ (আরবি) (অর্থঃ তালাকপ্রাপ্তা নারীরা নিজেদের আবদ্ধ করে রাখবে (ইদ্দত পালন করবে) তিন হায়েয এবং তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা (বয়সের কারণে) হায়েয হতে নিরাশ হয়েছে---- যদি তোমরা সন্দিহান হও---- তবে তাদের ‘ইদ্দত তিন মাস।) এ হতে রহিত করা হয়েছে এবং ইরশাদ করা হয়েছে (আরবি) (অর্থঃ যদি তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) স্পর্শ (সহবাস) করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও তবে তোমাদের স্বার্থে তাদের উপরের ইদ্দতের বিধান নেই। যা তারা পালন করবে...............)।

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(অর্থঃ যখন আমি কোন আয়াতের স্থানে অন্য আয়াত দ্বারা পরিবর্তন করি......) সম্পর্কে (অর্থঃ আল্লাহ্‌ যা ইচ্ছা করে মুছে দেন এবং (যা ইচ্ছা) স্থির রাখেন; তাঁর কাছে আছে মূল গ্রন্থ) বলেনঃ (বর্ণিত হয়েছে যে,) কুরআনে সর্বপ্রথম যা রহিত হয়েছে, তা হলো কিবলার হুকুম। আল্লাহ্‌র বাণীঃ (আরবি) (অর্থঃ তালাকপ্রাপ্তা নারীরা নিজেদের আবদ্ধ করে রাখবে (ইদ্দত পালন করবে) তিন হায়েয এবং তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা (বয়সের কারণে) হায়েয হতে নিরাশ হয়েছে---- যদি তোমরা সন্দিহান হও---- তবে তাদের ‘ইদ্দত তিন মাস।) এ হতে রহিত করা হয়েছে এবং ইরশাদ করা হয়েছে (আরবি) (অর্থঃ যদি তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) স্পর্শ (সহবাস) করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও তবে তোমাদের স্বার্থে তাদের উপরের ইদ্দতের বিধান নেই। যা তারা পালন করবে...............)।

أخبرنا زكريا بن يحيى، قال: حدثنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا علي بن الحسين بن واقد، قال: حدثني أبي، قال: أنبأنا يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس: " في قوله {ما ننسخ من آية أو ننسها نأت بخير منها أو مثلها} [البقرة: 106] وقال: {وإذا بدلنا آية مكان آية والله أعلم بما ينزل} [النحل: 101] الآية، وقال: {يمحو الله ما يشاء ويثبت وعنده أم الكتاب} [الرعد: 39] فأول ما نسخ من القرآن القبلة، وقال: {والمطلقات يتربصن بأنفسهن ثلاثة قروء} [البقرة: 228] وقال: {واللائي يئسن من المحيض من نسائكم إن ارتبتم فعدتهن ثلاثة أشهر} [الطلاق: 4] فنسخ من ذلك، قال تعالى: {وإن طلقتموهن من قبل أن تمسوهن} [البقرة: 237] {فما لكم عليهن من عدة تعتدونها} [الأحزاب: 49] " --- [حكم الألباني] حسن صحيح


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00