সুনান নাসাঈ > বাদীর বিছানা বা শয্যার বিধান
সুনান নাসাঈ ৩৪৮৭
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت: اختصم سعد بن أبي وقاص وعبد بن زمعة في ابن زمعة، قال سعد: أوصاني أخي عتبة إذا قدمت مكة فانظر ابن وليدة زمعة فهو ابني، فقال عبد بن زمعة: هو ابن أمة أبي ولد على فراش أبي، فرأى رسول الله صلى الله عليه وسلم شبها بينا بعتبة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الولد للفراش، واحتجبي منه يا سودة»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সা’দ ইব্ন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) এবং আব্দ ইব্ন যাম’আ (রাঃ) যাম’আর সন্তান নিয়ে বিবাদ করলেন। সা’দ বলেনঃ আমার ভাই উতবা আমাকে ওসীয়ত করেছিলেন যে, যখন তুমি মক্কায় গমন করবে যাম’আর বাঁদীর সন্তানকে দেখবে; কেননা সে আমার সন্তান। আর আব্দ ইব্ন যাম’আ বললেন, সে আমার পিতার বাঁদীর সন্তান, সে আমার পিতার শয্যায় (আধিপত্যে) জন্মলাভ করেছে। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) লক্ষ্য করে দেখলেন, উতবা (রাঃ)-এর সাথে তার পরিষ্কার সাদৃশ্য রয়েছে। রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বললেনঃ সন্তান বিছানার (অর্থাৎ তারই জন্য, যার জন্য বিছানা)। তিনি আরও বললেনঃ হে সওদা! তুমি তার থেকে পর্দা করবে।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সা’দ ইব্ন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) এবং আব্দ ইব্ন যাম’আ (রাঃ) যাম’আর সন্তান নিয়ে বিবাদ করলেন। সা’দ বলেনঃ আমার ভাই উতবা আমাকে ওসীয়ত করেছিলেন যে, যখন তুমি মক্কায় গমন করবে যাম’আর বাঁদীর সন্তানকে দেখবে; কেননা সে আমার সন্তান। আর আব্দ ইব্ন যাম’আ বললেন, সে আমার পিতার বাঁদীর সন্তান, সে আমার পিতার শয্যায় (আধিপত্যে) জন্মলাভ করেছে। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) লক্ষ্য করে দেখলেন, উতবা (রাঃ)-এর সাথে তার পরিষ্কার সাদৃশ্য রয়েছে। রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বললেনঃ সন্তান বিছানার (অর্থাৎ তারই জন্য, যার জন্য বিছানা)। তিনি আরও বললেনঃ হে সওদা! তুমি তার থেকে পর্দা করবে।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت: اختصم سعد بن أبي وقاص وعبد بن زمعة في ابن زمعة، قال سعد: أوصاني أخي عتبة إذا قدمت مكة فانظر ابن وليدة زمعة فهو ابني، فقال عبد بن زمعة: هو ابن أمة أبي ولد على فراش أبي، فرأى رسول الله صلى الله عليه وسلم شبها بينا بعتبة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الولد للفراش، واحتجبي منه يا سودة»
সুনান নাসাঈ > সন্তান নিয়ে বিবাদ হলে লটারীর ব্যবস্থা করা এবং যায়দ ইব্ন আরকাম (রাঃ) হতে বর্ণিত এ বিষয়ের হাদীসে শা’বী (রহঃ)-এর বর্ণনায় বিরোধ
সুনান নাসাঈ ৩৪৯১
أخبرنا إسحق بن شاهين، قال: حدثنا خالد، عن الشيباني، عن الشعبي، عن رجل، من حضرموت، عن زيد بن أرقم، قال: بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم عليا على اليمن، فأتي بغلام تنازع فيه ثلاثة، وساق الحديث، خالفهم سلمة بن كهيل، --- [حكم الألباني] صحيح لغيره
যায়দ ইব্ন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আলী (রাঃ)-কে ইয়ামান পাঠান। একদিন একটি শিশু আনা হলো, যাকে তিন ব্যক্তি পাওয়ার জন্য ঝগড়া করছিল। হাদীসের শেষ পর্যন্ত অনুরূপ বর্ণনা করলেন।
যায়দ ইব্ন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আলী (রাঃ)-কে ইয়ামান পাঠান। একদিন একটি শিশু আনা হলো, যাকে তিন ব্যক্তি পাওয়ার জন্য ঝগড়া করছিল। হাদীসের শেষ পর্যন্ত অনুরূপ বর্ণনা করলেন।
أخبرنا إسحق بن شاهين، قال: حدثنا خالد، عن الشيباني، عن الشعبي، عن رجل، من حضرموت، عن زيد بن أرقم، قال: بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم عليا على اليمن، فأتي بغلام تنازع فيه ثلاثة، وساق الحديث، خالفهم سلمة بن كهيل، --- [حكم الألباني] صحيح لغيره
সুনান নাসাঈ ৩৪৮৮
أخبرنا أبو عاصم خشيش بن أصرم، قال: أنبأنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا الثوري، عن صالح الهمداني، عن الشعبي، عن عبد خير، عن زيد بن أرقم، قال: " أتي علي رضي الله عنه بثلاثة وهو باليمن وقعوا على امرأة في طهر واحد، فسأل اثنين: أتقران لهذا بالولد؟ قالا: لا، ثم سأل اثنين: أتقران لهذا بالولد؟ قالا: لا، فأقرع بينهم فألحق الولد بالذي صارت عليه القرعة، وجعل عليه ثلثي الدية، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم «فضحك حتى بدت نواجذه»
যায়দ ইবূন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ ইয়ামানে অবস্থানকালে আলী (রাঃ)-এর নিকট তিনজন লোক নিয়ে আসা হল, যারা সকলে এক মহিলার সাথে একই তুহরে১ সহবাস করেছিল। তিনি তাদের দুইজনকে পৃথক করে বললেনঃ তোমরা উভয়ে কি এই সন্তানকে তৃতীয় ব্যক্তির সন্তান বলে স্বীকার কর? তারা বললেনঃ না। পরে তিনি অন্য দুইজনকে বললেনঃ তোমরা দুইজন কি এই সন্তানকে তৃতীয় ব্যক্তির সন্তান বলে স্বীকার কর? তারাও বললেনঃ না। এরপর তিনি উক্ত তিন ব্যক্তির নামে লটারী করলেন। লটারীতে যার নাম উটলো, তাকে তিনি সন্তান দিয়ে দিলেন। আর তার উপর দিয়াতের অর্থাৎ মূল্যের দুই-তৃতীয়াংশ সাব্যস্ত করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট এ ঘটনা আমরা বর্ণনা করলে তিনি হাসলেন, যাতে তাঁর মাড়ির দাঁত মুবারক দেখা গিয়েছিল।
যায়দ ইবূন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ ইয়ামানে অবস্থানকালে আলী (রাঃ)-এর নিকট তিনজন লোক নিয়ে আসা হল, যারা সকলে এক মহিলার সাথে একই তুহরে১ সহবাস করেছিল। তিনি তাদের দুইজনকে পৃথক করে বললেনঃ তোমরা উভয়ে কি এই সন্তানকে তৃতীয় ব্যক্তির সন্তান বলে স্বীকার কর? তারা বললেনঃ না। পরে তিনি অন্য দুইজনকে বললেনঃ তোমরা দুইজন কি এই সন্তানকে তৃতীয় ব্যক্তির সন্তান বলে স্বীকার কর? তারাও বললেনঃ না। এরপর তিনি উক্ত তিন ব্যক্তির নামে লটারী করলেন। লটারীতে যার নাম উটলো, তাকে তিনি সন্তান দিয়ে দিলেন। আর তার উপর দিয়াতের অর্থাৎ মূল্যের দুই-তৃতীয়াংশ সাব্যস্ত করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট এ ঘটনা আমরা বর্ণনা করলে তিনি হাসলেন, যাতে তাঁর মাড়ির দাঁত মুবারক দেখা গিয়েছিল।
أخبرنا أبو عاصم خشيش بن أصرم، قال: أنبأنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا الثوري، عن صالح الهمداني، عن الشعبي، عن عبد خير، عن زيد بن أرقم، قال: " أتي علي رضي الله عنه بثلاثة وهو باليمن وقعوا على امرأة في طهر واحد، فسأل اثنين: أتقران لهذا بالولد؟ قالا: لا، ثم سأل اثنين: أتقران لهذا بالولد؟ قالا: لا، فأقرع بينهم فألحق الولد بالذي صارت عليه القرعة، وجعل عليه ثلثي الدية، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم «فضحك حتى بدت نواجذه»
সুনান নাসাঈ ৩৪৯০
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، عن الأجلح، عن الشعبي، عن عبد الله بن أبي الخليل، عن زيد بن أرقم، قال: كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم وعلي رضي الله عنه يومئذ باليمن، فأتاه رجل فقال: شهدت عليا أتي في ثلاثة نفر ادعوا ولد امرأة، فقال علي لأحدهم: تدعه لهذا؟ فأبى وقال لهذا: تدعه لهذا؟ فأبى، وقال لهذا: تدعه لهذا؟ فأبى، قال علي رضي الله عنه: أنتم شركاء متشاكسون وسأقرع بينكم، فأيكم أصابته القرعة فهو له وعليه ثلثا الدية، «فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى بدت نواجذه»
যায়দ আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি নাবী (সাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম, তখন আলী (রাঃ) ইয়ামানে ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি তাঁর (রাসূলুল্লাহ (সাঃ))-এর নিকট এসে বললেনঃ আমি (একদিন) আলী (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, তিন ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে এক সন্তানের দাবী করলো। যে এক নারীর গর্ভে জন্মায়। তখন আলী (রাঃ) তাদের একজনকে বললেনঃ তুমি কি এই সন্তানের দাবী এর জন্য ছেড়ে দেবে? সে অস্বীকার করলো। এরপর তিনি অন্যজনকে বললেনঃ তুমি কি এই সন্তানের দাবী এর জন্য ছেড়ে দেবে? সেও অস্বীকার করলো। এভাবে তৃতীয় ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করায় সেও অস্বীকার করলো। আলী (রাঃ) বললেনঃ তোমার পরস্পর ঝগড়ায় লিপ্ত অংশীদার। আমি এখন তোমাদের মধ্যে লটারী করবো। যার নাম লটারীতে আসবে সে এই সন্তান পাবে এবং তাকে দিয়াতের (মূল্যের) দুই-তৃতায়াংশ দিতে হবে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন এই ঘটনা শুনলেন, তখন তিনি হাসলেন, এমনকি তাঁর মাড়ির দাঁত মুবারক প্রকাশ হয়ে পড়লো।
যায়দ আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি নাবী (সাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম, তখন আলী (রাঃ) ইয়ামানে ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি তাঁর (রাসূলুল্লাহ (সাঃ))-এর নিকট এসে বললেনঃ আমি (একদিন) আলী (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, তিন ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে এক সন্তানের দাবী করলো। যে এক নারীর গর্ভে জন্মায়। তখন আলী (রাঃ) তাদের একজনকে বললেনঃ তুমি কি এই সন্তানের দাবী এর জন্য ছেড়ে দেবে? সে অস্বীকার করলো। এরপর তিনি অন্যজনকে বললেনঃ তুমি কি এই সন্তানের দাবী এর জন্য ছেড়ে দেবে? সেও অস্বীকার করলো। এভাবে তৃতীয় ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করায় সেও অস্বীকার করলো। আলী (রাঃ) বললেনঃ তোমার পরস্পর ঝগড়ায় লিপ্ত অংশীদার। আমি এখন তোমাদের মধ্যে লটারী করবো। যার নাম লটারীতে আসবে সে এই সন্তান পাবে এবং তাকে দিয়াতের (মূল্যের) দুই-তৃতায়াংশ দিতে হবে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন এই ঘটনা শুনলেন, তখন তিনি হাসলেন, এমনকি তাঁর মাড়ির দাঁত মুবারক প্রকাশ হয়ে পড়লো।
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، عن الأجلح، عن الشعبي، عن عبد الله بن أبي الخليل، عن زيد بن أرقم، قال: كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم وعلي رضي الله عنه يومئذ باليمن، فأتاه رجل فقال: شهدت عليا أتي في ثلاثة نفر ادعوا ولد امرأة، فقال علي لأحدهم: تدعه لهذا؟ فأبى وقال لهذا: تدعه لهذا؟ فأبى، وقال لهذا: تدعه لهذا؟ فأبى، قال علي رضي الله عنه: أنتم شركاء متشاكسون وسأقرع بينكم، فأيكم أصابته القرعة فهو له وعليه ثلثا الدية، «فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى بدت نواجذه»
সুনান নাসাঈ ৩৪৮৯
أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا علي بن مسهر، عن الأجلح، عن الشعبي، قال: أخبرني عبد الله بن أبي الخليل الحضرمي، عن زيد بن أرقم، قال: بينا نحن عند رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاءه رجل من اليمن، فجعل يخبره ويحدثه وعلي بها، فقال: يا رسول الله، أتى عليا ثلاثة نفر يختصمون في ولد، وقعوا على امرأة في طهر، وساق الحديث
যায়দ ইবুন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ (একদিন) আমরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এমন সময় ইয়ামানের এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে সেখানকার সংবাদ বর্ণনা করতে লাগলো এবং কথাবার্তা বলতে আরম্ভ করলো। তখন আলী (রাঃ) সেখানে (ইয়ামানে) ছিলেন। সে বললঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ ! তিন ব্যক্তি আলী (রাঃ)-এর নিকট এসে এক সন্তানের ব্যাপারে ঝগড়া করছিল, তারা সকলেই এক ‘তুহরে’ এক মহিলার সাথে সহবাস করার দাবী করেছিল। এভাবে পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন।
যায়দ ইবুন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ (একদিন) আমরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এমন সময় ইয়ামানের এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে সেখানকার সংবাদ বর্ণনা করতে লাগলো এবং কথাবার্তা বলতে আরম্ভ করলো। তখন আলী (রাঃ) সেখানে (ইয়ামানে) ছিলেন। সে বললঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ ! তিন ব্যক্তি আলী (রাঃ)-এর নিকট এসে এক সন্তানের ব্যাপারে ঝগড়া করছিল, তারা সকলেই এক ‘তুহরে’ এক মহিলার সাথে সহবাস করার দাবী করেছিল। এভাবে পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন।
أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا علي بن مسهر، عن الأجلح، عن الشعبي، قال: أخبرني عبد الله بن أبي الخليل الحضرمي، عن زيد بن أرقم، قال: بينا نحن عند رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاءه رجل من اليمن، فجعل يخبره ويحدثه وعلي بها، فقال: يا رسول الله، أتى عليا ثلاثة نفر يختصمون في ولد، وقعوا على امرأة في طهر، وساق الحديث
সুনান নাসাঈ ৩৪৯২
أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا محمد، قال: حدثنا شعبة، عن سلمة بن كهيل، قال: سمعت الشعبي، يحدث عن أبي الخليل أو ابن أبي الخليل: «أن ثلاثة نفر اشتركوا في طهر»، فذكر نحوه، ولم يذكر زيد بن أرقم ولم يرفعه، قال أبو عبد الرحمن: «هذا صواب، والله سبحانه وتعالى أعلم»
সালামা ইব্ন কুহায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি শা’বীকে আবুল খলীল অথবা ইব্ন আবুল খলীল হতে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিন ব্যক্তি একই ‘তুহরে’ (এক নারীর সাথে সহবাস) শরীক ছিল। এরপর এভাবে হাদীস বর্ণনা করলেন। কিন্তু তিনি যায়দ ইব্ন আরকামের নাম উল্লেখ করেন নি। আর এই হাদিসকে মারফূ’ও করেন নি। আবূ আবদুর রহমান (রঃ) বলেন, এ সনদটি সহীহ। আল্লাহ্ই অধিক জ্ঞাত।
সালামা ইব্ন কুহায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি শা’বীকে আবুল খলীল অথবা ইব্ন আবুল খলীল হতে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিন ব্যক্তি একই ‘তুহরে’ (এক নারীর সাথে সহবাস) শরীক ছিল। এরপর এভাবে হাদীস বর্ণনা করলেন। কিন্তু তিনি যায়দ ইব্ন আরকামের নাম উল্লেখ করেন নি। আর এই হাদিসকে মারফূ’ও করেন নি। আবূ আবদুর রহমান (রঃ) বলেন, এ সনদটি সহীহ। আল্লাহ্ই অধিক জ্ঞাত।
أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا محمد، قال: حدثنا شعبة، عن سلمة بن كهيل، قال: سمعت الشعبي، يحدث عن أبي الخليل أو ابن أبي الخليل: «أن ثلاثة نفر اشتركوا في طهر»، فذكر نحوه، ولم يذكر زيد بن أرقم ولم يرفعه، قال أبو عبد الرحمن: «هذا صواب، والله سبحانه وتعالى أعلم»
সুনান নাসাঈ > কিয়াফা১ প্রসংগ
সুনান নাসাঈ ৩৪৯৩
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، قالت: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل علي مسرورا تبرق أسارير وجهه، فقال: " ألم تري أن مجززا نظر إلى زيد بن حارثة وأسامة فقال: إن بعض هذه الأقدام لمن بعض "
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমার নিকট আনন্দিত অবস্থায় প্রবেশ করলেন। তখন তাঁর চেহারার রেখাগুলো ঝিলমিল করছিল (চেহারায় খুশির চিহ্ন প্রস্ফূটিত ছিল)। তিনি বললেনঃ তুমি কি জান মুজায়যিয (নাম্মী এক ব্যক্তি) যায়দ ইব্ন হারিসা এবং উসামা (রাঃ)-কে (চেহারা চাদারাবৃত ও পা খোলা অবস্থায়) দেখে বললোঃ এই পাগুলোর একটি অপরটি হতে (অর্থাৎ মিলযুক্ত)।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমার নিকট আনন্দিত অবস্থায় প্রবেশ করলেন। তখন তাঁর চেহারার রেখাগুলো ঝিলমিল করছিল (চেহারায় খুশির চিহ্ন প্রস্ফূটিত ছিল)। তিনি বললেনঃ তুমি কি জান মুজায়যিয (নাম্মী এক ব্যক্তি) যায়দ ইব্ন হারিসা এবং উসামা (রাঃ)-কে (চেহারা চাদারাবৃত ও পা খোলা অবস্থায়) দেখে বললোঃ এই পাগুলোর একটি অপরটি হতে (অর্থাৎ মিলযুক্ত)।
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، قالت: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل علي مسرورا تبرق أسارير وجهه، فقال: " ألم تري أن مجززا نظر إلى زيد بن حارثة وأسامة فقال: إن بعض هذه الأقدام لمن بعض "
সুনান নাসাঈ ৩৪৯৪
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، رضي الله عنها قالت: دخل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم مسرورا، فقال: " يا عائشة، ألم تري أن مجززا المدلجي دخل علي وعندي أسامة بن زيد، فرأى أسامة بن زيد وزيدا وعليهما قطيفة وقد غطيا رءوسهما وبدت أقدامهما فقال: هذه أقدام بعضها من بعض "
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আনন্দিত অবস্থায় আমার নিকট আসলেন (তখন তাঁর চেহারায় খুশির চিহ্ন বিদ্যমান ছিল)। তিনি বললেনঃ হে আয়েশা। মুজায়যিয মুদ্লিজী (রাঃ) (কিয়াফা অবগত ব্যক্তি) আমার নিকট আসলো। তখন উসামা ইব্ন যায়দ (রাঃ) আমার নিকট ছিল। সে উসামা ইব্ন যায়দ এবং যায়দ (রাঃ)-কে দেখলো। তাঁদের গায়ে চাদর ছিল এবং তারা মুখ ঢেকে রেখেছিল এবং তাদের পা খোলা ছিল। সে বললোঃ এই পা’গুলো একটি অপরটি হতে (দু’জনের পায়ের মধ্যে মিল রয়েছে)।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আনন্দিত অবস্থায় আমার নিকট আসলেন (তখন তাঁর চেহারায় খুশির চিহ্ন বিদ্যমান ছিল)। তিনি বললেনঃ হে আয়েশা। মুজায়যিয মুদ্লিজী (রাঃ) (কিয়াফা অবগত ব্যক্তি) আমার নিকট আসলো। তখন উসামা ইব্ন যায়দ (রাঃ) আমার নিকট ছিল। সে উসামা ইব্ন যায়দ এবং যায়দ (রাঃ)-কে দেখলো। তাঁদের গায়ে চাদর ছিল এবং তারা মুখ ঢেকে রেখেছিল এবং তাদের পা খোলা ছিল। সে বললোঃ এই পা’গুলো একটি অপরটি হতে (দু’জনের পায়ের মধ্যে মিল রয়েছে)।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، رضي الله عنها قالت: دخل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم مسرورا، فقال: " يا عائشة، ألم تري أن مجززا المدلجي دخل علي وعندي أسامة بن زيد، فرأى أسامة بن زيد وزيدا وعليهما قطيفة وقد غطيا رءوسهما وبدت أقدامهما فقال: هذه أقدام بعضها من بعض "
সুনান নাসাঈ > স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একজন মুসলমান হলে এবং সন্তানকে ইখতিয়ার প্রদান প্রসংগ
সুনান নাসাঈ ৩৪৯৬
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا ابن جريج، قال: أخبرني زياد، عن هلال بن أسامة، عن أبي ميمونة، قال: بينا أنا عند أبي هريرة، فقال: إن امرأة جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت: فداك أبي وأمي، إن زوجي يريد أن يذهب بابني وقد نفعني وسقاني من بئر أبي عنبة، فجاء زوجها وقال: من يخاصمني في ابني؟ فقال: «يا غلام، هذا أبوك وهذه أمك فخذ بيد أيهما شئت»، فأخذ بيد أمه، فانطلقت به
আবূ মায়মূনা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ (একদিন) আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম, তখন তিনি বললেন যে, এক মহিলা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ আমার পিতা মাতা আপনার উপর কুরবান হোক। আমার স্বামী আমার নিকট হতে আমার ছেলেকে নিয়ে যেতে চায়। অথচ তার দ্বারা আমার অনেক উপকার হয়ে থাকে। সে আবূ ইনাবা কূপ থেকে পান এনে আমাকে পান করায়। এমন সময় তার স্বামী সেখানে এসে বললেনঃ আমার ছেলের ব্যাপারে আমার সাথে কে বিবাদ করেছে ? তখন তিনি (নবী সঃ) বললেন, হে ছেলে ! এই তোমার পিতা, আর এই তোমার মাতা, এদের মধ্যে তোমার যার ইচ্ছা হাত ধর। তখন ছেলে তার মার হাত ধরলো এবং তাকে সঙ্গে নিয়ে চলে গেল।
আবূ মায়মূনা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ (একদিন) আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম, তখন তিনি বললেন যে, এক মহিলা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ আমার পিতা মাতা আপনার উপর কুরবান হোক। আমার স্বামী আমার নিকট হতে আমার ছেলেকে নিয়ে যেতে চায়। অথচ তার দ্বারা আমার অনেক উপকার হয়ে থাকে। সে আবূ ইনাবা কূপ থেকে পান এনে আমাকে পান করায়। এমন সময় তার স্বামী সেখানে এসে বললেনঃ আমার ছেলের ব্যাপারে আমার সাথে কে বিবাদ করেছে ? তখন তিনি (নবী সঃ) বললেন, হে ছেলে ! এই তোমার পিতা, আর এই তোমার মাতা, এদের মধ্যে তোমার যার ইচ্ছা হাত ধর। তখন ছেলে তার মার হাত ধরলো এবং তাকে সঙ্গে নিয়ে চলে গেল।
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا ابن جريج، قال: أخبرني زياد، عن هلال بن أسامة، عن أبي ميمونة، قال: بينا أنا عند أبي هريرة، فقال: إن امرأة جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت: فداك أبي وأمي، إن زوجي يريد أن يذهب بابني وقد نفعني وسقاني من بئر أبي عنبة، فجاء زوجها وقال: من يخاصمني في ابني؟ فقال: «يا غلام، هذا أبوك وهذه أمك فخذ بيد أيهما شئت»، فأخذ بيد أمه، فانطلقت به
সুনান নাসাঈ ৩৪৯৫
أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا عبد الرزاق، قال: حدثنا سفيان، عن عثمان البتي، عن عبد الحميد بن سلمة الأنصاري، عن أبيه، عن جده: أنه أسلم وأبت امرأته أن تسلم، فجاء ابن لهما صغير لم يبلغ الحلم، فأجلس النبي صلى الله عليه وسلم الأب هاهنا والأم هاهنا ثم خيره، فقال: «اللهم اهده» فذهب إلى أبيه
আবদুল হামীদ ইব্ন সালামা আনসারী (রঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মুসলমান হলে তাঁর স্ত্রী মুসলমান হতে অস্বীকার করলো। তাদের এক নাবালেগ সন্তান ছিল। সে আসলে নবী (সাঃ) তার পিতাকে এখানে আর মাতাকে ওখানে বসিয়ে ছেলেকে ইখতিয়ার দিয়ে দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ্! একে হিদায়ত (সুবুদ্ধি) দান করুন। তখন সেই ছেলে তাঁর পিতার নিকট চলে গেল।
আবদুল হামীদ ইব্ন সালামা আনসারী (রঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মুসলমান হলে তাঁর স্ত্রী মুসলমান হতে অস্বীকার করলো। তাদের এক নাবালেগ সন্তান ছিল। সে আসলে নবী (সাঃ) তার পিতাকে এখানে আর মাতাকে ওখানে বসিয়ে ছেলেকে ইখতিয়ার দিয়ে দু’আ করলেনঃ হে আল্লাহ্! একে হিদায়ত (সুবুদ্ধি) দান করুন। তখন সেই ছেলে তাঁর পিতার নিকট চলে গেল।
أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا عبد الرزاق، قال: حدثنا سفيان، عن عثمان البتي، عن عبد الحميد بن سلمة الأنصاري، عن أبيه، عن جده: أنه أسلم وأبت امرأته أن تسلم، فجاء ابن لهما صغير لم يبلغ الحلم، فأجلس النبي صلى الله عليه وسلم الأب هاهنا والأم هاهنا ثم خيره، فقال: «اللهم اهده» فذهب إلى أبيه