সুনান নাসাঈ > সন্তান অস্বীকারকারীকে কঠোর সতর্কবাণী

সুনান নাসাঈ ৩৪৮১

أخبرنا محمد بن عبد الله بن عبد الحكم، قال: شعيب، قال: حدثنا الليث، عن ابن الهاد، عن عبد الله بن يونس، عن سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبي هريرة، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول حين نزلت آية الملاعنة: «أيما امرأة أدخلت على قوم رجلا ليس منهم فليست من الله في شيء، ولا يدخلها الله جنته، وأيما رجل جحد ولده وهو ينظر إليه، احتجب الله عز وجل منه وفضحه على رءوس الأولين والآخرين يوم القيامة»

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-কে লি'আনের আয়াত নাযিল হওয়ার পর বলতে শুনেছেন: যে মহিলা এক গোত্রের মধ্যে অন্য গোত্রের পুরুষ (এর বীর্য) মিশ্রিত করে যে সে গোত্রের নয় আল্লাহর নিকট তার কোন মূল্য নেই। আর আল্লাহ তা'আলা তাকে তাঁর জান্নাতে প্রবেশ করাবেন না। আর যে পুরুষ তার সন্তানকে অস্বীকার করে, অথচ সে তার দিকে 'মমতার' দৃষ্টি দিয়ে দেখে মহান মহিয়ান আল্লাহ তা'আলা তাকে তাঁর রহমত থেকে বঞ্চিত করবেন এবং তাকে কিয়ামতের দিন পূর্বাপর সকল লোকের সামনে লাঞ্ছিত করবেন।

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-কে লি'আনের আয়াত নাযিল হওয়ার পর বলতে শুনেছেন: যে মহিলা এক গোত্রের মধ্যে অন্য গোত্রের পুরুষ (এর বীর্য) মিশ্রিত করে যে সে গোত্রের নয় আল্লাহর নিকট তার কোন মূল্য নেই। আর আল্লাহ তা'আলা তাকে তাঁর জান্নাতে প্রবেশ করাবেন না। আর যে পুরুষ তার সন্তানকে অস্বীকার করে, অথচ সে তার দিকে 'মমতার' দৃষ্টি দিয়ে দেখে মহান মহিয়ান আল্লাহ তা'আলা তাকে তাঁর রহমত থেকে বঞ্চিত করবেন এবং তাকে কিয়ামতের দিন পূর্বাপর সকল লোকের সামনে লাঞ্ছিত করবেন।

أخبرنا محمد بن عبد الله بن عبد الحكم، قال: شعيب، قال: حدثنا الليث، عن ابن الهاد، عن عبد الله بن يونس، عن سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبي هريرة، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول حين نزلت آية الملاعنة: «أيما امرأة أدخلت على قوم رجلا ليس منهم فليست من الله في شيء، ولا يدخلها الله جنته، وأيما رجل جحد ولده وهو ينظر إليه، احتجب الله عز وجل منه وفضحه على رءوس الأولين والآخرين يوم القيامة»


সুনান নাসাঈ > শয্যার মালিক (স্বামী) আস্বীকার না করলে সন্তান শয্যার মালিকেরই হবে

সুনান নাসাঈ ৩৪৮২

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سعيد، وأبي سلمة، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «الولد للفراش وللعاهر الحجر»

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: সন্তান শয্যার মালিকেরই (গৃহস্বামীরই), আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর (আঘাতে মৃত্যু অথবা বঞ্চনা) (অর্থাৎ সে সন্তানের মালিক হবে না। অন্য ব্যাখ্যানুসারে তার হবে প্রস্তরাঘাতে মৃত্যু)।

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: সন্তান শয্যার মালিকেরই (গৃহস্বামীরই), আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর (আঘাতে মৃত্যু অথবা বঞ্চনা) (অর্থাৎ সে সন্তানের মালিক হবে না। অন্য ব্যাখ্যানুসারে তার হবে প্রস্তরাঘাতে মৃত্যু)।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سعيد، وأبي سلمة، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «الولد للفراش وللعاهر الحجر»


সুনান নাসাঈ ৩৪৮৩

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، عن عبد الرزاق، قال: حدثنا معمر، عن الزهري، عن سعيد، وأبي سلمة، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «الولد للفراش وللعاهر الحجر»

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: সন্তান শয্যার মালিকের (গৃহস্বামীরই) আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর।

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: সন্তান শয্যার মালিকের (গৃহস্বামীরই) আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، عن عبد الرزاق، قال: حدثنا معمر، عن الزهري، عن سعيد، وأبي سلمة، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «الولد للفراش وللعاهر الحجر»


সুনান নাসাঈ ৩৪৮৬

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا جرير، عن مغيرة، عن أبي وائل، عن عبد الله، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «الولد للفراش وللعاهر الحجر» قال أبو عبد الرحمن: «ولا أحسب هذا عن عبد الله بن مسعود، والله تعالى أعلم» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره

আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) বলেনঃ সন্তান বিছানার মালিকেরই। আর ব্যাভিচারকারীর জন্য পাথর (সন্তানের মালিক হবে না)। আবূ আবদুর রহমান (রহঃ) বলেনঃ আমার মতে এটি আবদুল্লাহ ইব্‌ন মাউসুদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত নয়। আল্লাহ্‌ সর্বজ্ঞ।

আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) বলেনঃ সন্তান বিছানার মালিকেরই। আর ব্যাভিচারকারীর জন্য পাথর (সন্তানের মালিক হবে না)। আবূ আবদুর রহমান (রহঃ) বলেনঃ আমার মতে এটি আবদুল্লাহ ইব্‌ন মাউসুদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত নয়। আল্লাহ্‌ সর্বজ্ঞ।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا جرير، عن مغيرة، عن أبي وائل، عن عبد الله، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «الولد للفراش وللعاهر الحجر» قال أبو عبد الرحمن: «ولا أحسب هذا عن عبد الله بن مسعود، والله تعالى أعلم» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره


সুনান নাসাঈ ৩৪৮৪

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، قالت: اختصم سعد بن أبي وقاص وعبد بن زمعة في غلام، فقال سعد: هذا يا رسول الله ابن أخي عتبة بن أبي وقاص عهد إلي أنه ابنه انظر إلى شبهه، وقال عبد بن زمعة: أخي ولد على فراش أبي من وليدته، فنظر رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى شبهه فرأى شبها بينا بعتبة، فقال: «هو لك يا عبد، الولد للفراش وللعاهر الحجر، واحتجبي منه يا سودة بنت زمعة» فلم ير سودة قط

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: সা'দ ইবন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) এবং আবদুল্লাহ ইবন যাম'আ (রাঃ)-এর মধ্যে একটি সন্তান নিয়ে ঝগড়া হয়। সা'দ (রাঃ) বলেন: ইয়া রাসুলাল্লাহ! এ আমার ভাই উতবা ইবন আবু ওয়াক্কাসের ছেলে। আমাকে আমার ভাই ওসীয়ত করেছিল যে সে তার ছেলে।(যাম'আর বাঁদীর ছেলে আমার ঔরষের)। তার (শরীরের গঠনের) প্রতি লক্ষ্য করুন। আবদ ইবন যাম'আ (রাঃ) বলেন: এ আমার ভাই, আমার পিতার দাসীর গর্ভজাত সন্তান। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) লক্ষ্য করে দেখলেন, তার শরীরের গড়ন উতবার সাথে স্পষ্ট মিল রয়েছে। তিনি বললেন হে আবদ ইবন যাম'আ সে তোমার ভাই। কেননা সন্তান গৃহস্বামীর আর ব্যভিচারীর জন্য পাথর (কিছুই নেই)। আর তিনি (সাঃ) তাঁর স্ত্রী সওদা (রাঃ)-কে বললেন: হে যাম'আর কন্যা সওদা, এর থেকে পর্দা কর। এরপর তিনি সওদা (রাঃ)-কে কখনও দেখেন নি।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: সা'দ ইবন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) এবং আবদুল্লাহ ইবন যাম'আ (রাঃ)-এর মধ্যে একটি সন্তান নিয়ে ঝগড়া হয়। সা'দ (রাঃ) বলেন: ইয়া রাসুলাল্লাহ! এ আমার ভাই উতবা ইবন আবু ওয়াক্কাসের ছেলে। আমাকে আমার ভাই ওসীয়ত করেছিল যে সে তার ছেলে।(যাম'আর বাঁদীর ছেলে আমার ঔরষের)। তার (শরীরের গঠনের) প্রতি লক্ষ্য করুন। আবদ ইবন যাম'আ (রাঃ) বলেন: এ আমার ভাই, আমার পিতার দাসীর গর্ভজাত সন্তান। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) লক্ষ্য করে দেখলেন, তার শরীরের গড়ন উতবার সাথে স্পষ্ট মিল রয়েছে। তিনি বললেন হে আবদ ইবন যাম'আ সে তোমার ভাই। কেননা সন্তান গৃহস্বামীর আর ব্যভিচারীর জন্য পাথর (কিছুই নেই)। আর তিনি (সাঃ) তাঁর স্ত্রী সওদা (রাঃ)-কে বললেন: হে যাম'আর কন্যা সওদা, এর থেকে পর্দা কর। এরপর তিনি সওদা (রাঃ)-কে কখনও দেখেন নি।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، قالت: اختصم سعد بن أبي وقاص وعبد بن زمعة في غلام، فقال سعد: هذا يا رسول الله ابن أخي عتبة بن أبي وقاص عهد إلي أنه ابنه انظر إلى شبهه، وقال عبد بن زمعة: أخي ولد على فراش أبي من وليدته، فنظر رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى شبهه فرأى شبها بينا بعتبة، فقال: «هو لك يا عبد، الولد للفراش وللعاهر الحجر، واحتجبي منه يا سودة بنت زمعة» فلم ير سودة قط


সুনান নাসাঈ ৩৪৮৫

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، عن يوسف بن الزبير، مولى لهم، عن عبد الله بن الزبير، قال: كانت لزمعة جارية يطؤها هو، وكان يظن بآخر يقع عليها، فجاءت بولد شبه الذي كان يظن به، فمات زمعة وهي حبلى، فذكرت ذلك سودة لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الولد للفراش، واحتجبي منه يا سودة فليس لك بأخ» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره

আবদুল্লাহ ইবন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: যাম'আ (রাঃ)-এর একটি বাঁদী ছিল, যার সাথে তিনি সহবাস করতেন, আর যাম'আর এরুপ সন্দেহ ছিল যে, এই বাঁদীর সাথে অন্য কেউ যিনা করে। এরপর সে একটি সন্তান প্রসব করলো, ঐ ব্যক্তির মত, যার সাথে তিনি তার ব্যভিচার করার সন্দেহ করতেন। যাম'আ (রাঃ) ইন্তিকাল করলেন, ঐ বাঁদী অন্তঃস্বত্বা থাকা অবস্থায়। এ কথা সওদা (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছে বর্ণনা করলে, তিনি বলেন: সন্তান বিছানার মালিকেরই। আর হে সওদা, তুমি তার সাথে পর্দা করবে। কেননা সে তোমার ভাই নয়।

আবদুল্লাহ ইবন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: যাম'আ (রাঃ)-এর একটি বাঁদী ছিল, যার সাথে তিনি সহবাস করতেন, আর যাম'আর এরুপ সন্দেহ ছিল যে, এই বাঁদীর সাথে অন্য কেউ যিনা করে। এরপর সে একটি সন্তান প্রসব করলো, ঐ ব্যক্তির মত, যার সাথে তিনি তার ব্যভিচার করার সন্দেহ করতেন। যাম'আ (রাঃ) ইন্তিকাল করলেন, ঐ বাঁদী অন্তঃস্বত্বা থাকা অবস্থায়। এ কথা সওদা (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছে বর্ণনা করলে, তিনি বলেন: সন্তান বিছানার মালিকেরই। আর হে সওদা, তুমি তার সাথে পর্দা করবে। কেননা সে তোমার ভাই নয়।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، عن يوسف بن الزبير، مولى لهم، عن عبد الله بن الزبير، قال: كانت لزمعة جارية يطؤها هو، وكان يظن بآخر يقع عليها، فجاءت بولد شبه الذي كان يظن به، فمات زمعة وهي حبلى، فذكرت ذلك سودة لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الولد للفراش، واحتجبي منه يا سودة فليس لك بأخ» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره


সুনান নাসাঈ > বাদীর বিছানা বা শয্যার বিধান

সুনান নাসাঈ ৩৪৮৭

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت: اختصم سعد بن أبي وقاص وعبد بن زمعة في ابن زمعة، قال سعد: أوصاني أخي عتبة إذا قدمت مكة فانظر ابن وليدة زمعة فهو ابني، فقال عبد بن زمعة: هو ابن أمة أبي ولد على فراش أبي، فرأى رسول الله صلى الله عليه وسلم شبها بينا بعتبة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الولد للفراش، واحتجبي منه يا سودة»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সা’দ ইব্‌ন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) এবং আব্‌দ ইব্‌ন যাম’আ (রাঃ) যাম’আর সন্তান নিয়ে বিবাদ করলেন। সা’দ বলেনঃ আমার ভাই উতবা আমাকে ওসীয়ত করেছিলেন যে, যখন তুমি মক্কায় গমন করবে যাম’আর বাঁদীর সন্তানকে দেখবে; কেননা সে আমার সন্তান। আর আব্‌দ ইব্‌ন যাম’আ বললেন, সে আমার পিতার বাঁদীর সন্তান, সে আমার পিতার শয্যায় (আধিপত্যে) জন্মলাভ করেছে। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) লক্ষ্য করে দেখলেন, উতবা (রাঃ)-এর সাথে তার পরিষ্কার সাদৃশ্য রয়েছে। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) বললেনঃ সন্তান বিছানার (অর্থাৎ তারই জন্য, যার জন্য বিছানা)। তিনি আরও বললেনঃ হে সওদা! তুমি তার থেকে পর্দা করবে।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সা’দ ইব্‌ন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) এবং আব্‌দ ইব্‌ন যাম’আ (রাঃ) যাম’আর সন্তান নিয়ে বিবাদ করলেন। সা’দ বলেনঃ আমার ভাই উতবা আমাকে ওসীয়ত করেছিলেন যে, যখন তুমি মক্কায় গমন করবে যাম’আর বাঁদীর সন্তানকে দেখবে; কেননা সে আমার সন্তান। আর আব্‌দ ইব্‌ন যাম’আ বললেন, সে আমার পিতার বাঁদীর সন্তান, সে আমার পিতার শয্যায় (আধিপত্যে) জন্মলাভ করেছে। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) লক্ষ্য করে দেখলেন, উতবা (রাঃ)-এর সাথে তার পরিষ্কার সাদৃশ্য রয়েছে। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) বললেনঃ সন্তান বিছানার (অর্থাৎ তারই জন্য, যার জন্য বিছানা)। তিনি আরও বললেনঃ হে সওদা! তুমি তার থেকে পর্দা করবে।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت: اختصم سعد بن أبي وقاص وعبد بن زمعة في ابن زمعة، قال سعد: أوصاني أخي عتبة إذا قدمت مكة فانظر ابن وليدة زمعة فهو ابني، فقال عبد بن زمعة: هو ابن أمة أبي ولد على فراش أبي، فرأى رسول الله صلى الله عليه وسلم شبها بينا بعتبة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الولد للفراش، واحتجبي منه يا سودة»


সুনান নাসাঈ > সন্তান নিয়ে বিবাদ হলে লটারীর ব্যবস্থা করা এবং যায়দ ইব্‌ন আরকাম (রাঃ) হতে বর্ণিত এ বিষয়ের হাদীসে শা’বী (রহঃ)-এর বর্ণনায় বিরোধ

সুনান নাসাঈ ৩৪৯১

أخبرنا إسحق بن شاهين، قال: حدثنا خالد، عن الشيباني، عن الشعبي، عن رجل، من حضرموت، عن زيد بن أرقم، قال: بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم عليا على اليمن، فأتي بغلام تنازع فيه ثلاثة، وساق الحديث، خالفهم سلمة بن كهيل، --- [حكم الألباني] صحيح لغيره

যায়দ ইব্‌ন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আলী (রাঃ)-কে ইয়ামান পাঠান। একদিন একটি শিশু আনা হলো, যাকে তিন ব্যক্তি পাওয়ার জন্য ঝগড়া করছিল। হাদীসের শেষ পর্যন্ত অনুরূপ বর্ণনা করলেন।

যায়দ ইব্‌ন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আলী (রাঃ)-কে ইয়ামান পাঠান। একদিন একটি শিশু আনা হলো, যাকে তিন ব্যক্তি পাওয়ার জন্য ঝগড়া করছিল। হাদীসের শেষ পর্যন্ত অনুরূপ বর্ণনা করলেন।

أخبرنا إسحق بن شاهين، قال: حدثنا خالد، عن الشيباني، عن الشعبي، عن رجل، من حضرموت، عن زيد بن أرقم، قال: بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم عليا على اليمن، فأتي بغلام تنازع فيه ثلاثة، وساق الحديث، خالفهم سلمة بن كهيل، --- [حكم الألباني] صحيح لغيره


সুনান নাসাঈ ৩৪৮৮

أخبرنا أبو عاصم خشيش بن أصرم، قال: أنبأنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا الثوري، عن صالح الهمداني، عن الشعبي، عن عبد خير، عن زيد بن أرقم، قال: " أتي علي رضي الله عنه بثلاثة وهو باليمن وقعوا على امرأة في طهر واحد، فسأل اثنين: أتقران لهذا بالولد؟ قالا: لا، ثم سأل اثنين: أتقران لهذا بالولد؟ قالا: لا، فأقرع بينهم فألحق الولد بالذي صارت عليه القرعة، وجعل عليه ثلثي الدية، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم «فضحك حتى بدت نواجذه»

যায়দ ইবূন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ ইয়ামানে অবস্থানকালে আলী (রাঃ)-এর নিকট তিনজন লোক নিয়ে আসা হল, যারা সকলে এক মহিলার সাথে একই তুহরে১ সহবাস করেছিল। তিনি তাদের দুইজনকে পৃথক করে বললেনঃ তোমরা উভয়ে কি এই সন্তানকে তৃতীয় ব্যক্তির সন্তান বলে স্বীকার কর? তারা বললেনঃ না। পরে তিনি অন্য দুইজনকে বললেনঃ তোমরা দুইজন কি এই সন্তানকে তৃতীয় ব্যক্তির সন্তান বলে স্বীকার কর? তারাও বললেনঃ না। এরপর তিনি উক্ত তিন ব্যক্তির নামে লটারী করলেন। লটারীতে যার নাম উটলো, তাকে তিনি সন্তান দিয়ে দিলেন। আর তার উপর দিয়াতের অর্থাৎ মূল্যের দুই-তৃতীয়াংশ সাব্যস্ত করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট এ ঘটনা আমরা বর্ণনা করলে তিনি হাসলেন, যাতে তাঁর মাড়ির দাঁত মুবারক দেখা গিয়েছিল।

যায়দ ইবূন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ ইয়ামানে অবস্থানকালে আলী (রাঃ)-এর নিকট তিনজন লোক নিয়ে আসা হল, যারা সকলে এক মহিলার সাথে একই তুহরে১ সহবাস করেছিল। তিনি তাদের দুইজনকে পৃথক করে বললেনঃ তোমরা উভয়ে কি এই সন্তানকে তৃতীয় ব্যক্তির সন্তান বলে স্বীকার কর? তারা বললেনঃ না। পরে তিনি অন্য দুইজনকে বললেনঃ তোমরা দুইজন কি এই সন্তানকে তৃতীয় ব্যক্তির সন্তান বলে স্বীকার কর? তারাও বললেনঃ না। এরপর তিনি উক্ত তিন ব্যক্তির নামে লটারী করলেন। লটারীতে যার নাম উটলো, তাকে তিনি সন্তান দিয়ে দিলেন। আর তার উপর দিয়াতের অর্থাৎ মূল্যের দুই-তৃতীয়াংশ সাব্যস্ত করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট এ ঘটনা আমরা বর্ণনা করলে তিনি হাসলেন, যাতে তাঁর মাড়ির দাঁত মুবারক দেখা গিয়েছিল।

أخبرنا أبو عاصم خشيش بن أصرم، قال: أنبأنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا الثوري، عن صالح الهمداني، عن الشعبي، عن عبد خير، عن زيد بن أرقم، قال: " أتي علي رضي الله عنه بثلاثة وهو باليمن وقعوا على امرأة في طهر واحد، فسأل اثنين: أتقران لهذا بالولد؟ قالا: لا، ثم سأل اثنين: أتقران لهذا بالولد؟ قالا: لا، فأقرع بينهم فألحق الولد بالذي صارت عليه القرعة، وجعل عليه ثلثي الدية، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم «فضحك حتى بدت نواجذه»


সুনান নাসাঈ ৩৪৯০

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، عن الأجلح، عن الشعبي، عن عبد الله بن أبي الخليل، عن زيد بن أرقم، قال: كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم وعلي رضي الله عنه يومئذ باليمن، فأتاه رجل فقال: شهدت عليا أتي في ثلاثة نفر ادعوا ولد امرأة، فقال علي لأحدهم: تدعه لهذا؟ فأبى وقال لهذا: تدعه لهذا؟ فأبى، وقال لهذا: تدعه لهذا؟ فأبى، قال علي رضي الله عنه: أنتم شركاء متشاكسون وسأقرع بينكم، فأيكم أصابته القرعة فهو له وعليه ثلثا الدية، «فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى بدت نواجذه»

যায়দ আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি নাবী (সাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম, তখন আলী (রাঃ) ইয়ামানে ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি তাঁর (রাসূলুল্লাহ (সাঃ))-এর নিকট এসে বললেনঃ আমি (একদিন) আলী (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, তিন ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে এক সন্তানের দাবী করলো। যে এক নারীর গর্ভে জন্মায়। তখন আলী (রাঃ) তাদের একজনকে বললেনঃ তুমি কি এই সন্তানের দাবী এর জন্য ছেড়ে দেবে? সে অস্বীকার করলো। এরপর তিনি অন্যজনকে বললেনঃ তুমি কি এই সন্তানের দাবী এর জন্য ছেড়ে দেবে? সেও অস্বীকার করলো। এভাবে তৃতীয় ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করায় সেও অস্বীকার করলো। আলী (রাঃ) বললেনঃ তোমার পরস্পর ঝগড়ায় লিপ্ত অংশীদার। আমি এখন তোমাদের মধ্যে লটারী করবো। যার নাম লটারীতে আসবে সে এই সন্তান পাবে এবং তাকে দিয়াতের (মূল্যের) দুই-তৃতায়াংশ দিতে হবে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন এই ঘটনা শুনলেন, তখন তিনি হাসলেন, এমনকি তাঁর মাড়ির দাঁত মুবারক প্রকাশ হয়ে পড়লো।

যায়দ আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি নাবী (সাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম, তখন আলী (রাঃ) ইয়ামানে ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি তাঁর (রাসূলুল্লাহ (সাঃ))-এর নিকট এসে বললেনঃ আমি (একদিন) আলী (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, তিন ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে এক সন্তানের দাবী করলো। যে এক নারীর গর্ভে জন্মায়। তখন আলী (রাঃ) তাদের একজনকে বললেনঃ তুমি কি এই সন্তানের দাবী এর জন্য ছেড়ে দেবে? সে অস্বীকার করলো। এরপর তিনি অন্যজনকে বললেনঃ তুমি কি এই সন্তানের দাবী এর জন্য ছেড়ে দেবে? সেও অস্বীকার করলো। এভাবে তৃতীয় ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করায় সেও অস্বীকার করলো। আলী (রাঃ) বললেনঃ তোমার পরস্পর ঝগড়ায় লিপ্ত অংশীদার। আমি এখন তোমাদের মধ্যে লটারী করবো। যার নাম লটারীতে আসবে সে এই সন্তান পাবে এবং তাকে দিয়াতের (মূল্যের) দুই-তৃতায়াংশ দিতে হবে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন এই ঘটনা শুনলেন, তখন তিনি হাসলেন, এমনকি তাঁর মাড়ির দাঁত মুবারক প্রকাশ হয়ে পড়লো।

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، عن الأجلح، عن الشعبي، عن عبد الله بن أبي الخليل، عن زيد بن أرقم، قال: كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم وعلي رضي الله عنه يومئذ باليمن، فأتاه رجل فقال: شهدت عليا أتي في ثلاثة نفر ادعوا ولد امرأة، فقال علي لأحدهم: تدعه لهذا؟ فأبى وقال لهذا: تدعه لهذا؟ فأبى، وقال لهذا: تدعه لهذا؟ فأبى، قال علي رضي الله عنه: أنتم شركاء متشاكسون وسأقرع بينكم، فأيكم أصابته القرعة فهو له وعليه ثلثا الدية، «فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى بدت نواجذه»


সুনান নাসাঈ ৩৪৮৯

أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا علي بن مسهر، عن الأجلح، عن الشعبي، قال: أخبرني عبد الله بن أبي الخليل الحضرمي، عن زيد بن أرقم، قال: بينا نحن عند رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاءه رجل من اليمن، فجعل يخبره ويحدثه وعلي بها، فقال: يا رسول الله، أتى عليا ثلاثة نفر يختصمون في ولد، وقعوا على امرأة في طهر، وساق الحديث

যায়দ ইবুন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ (একদিন) আমরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এমন সময় ইয়ামানের এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে সেখানকার সংবাদ বর্ণনা করতে লাগলো এবং কথাবার্তা বলতে আরম্ভ করলো। তখন আলী (রাঃ) সেখানে (ইয়ামানে) ছিলেন। সে বললঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ ! তিন ব্যক্তি আলী (রাঃ)-এর নিকট এসে এক সন্তানের ব্যাপারে ঝগড়া করছিল, তারা সকলেই এক ‘তুহরে’ এক মহিলার সাথে সহবাস করার দাবী করেছিল। এভাবে পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন।

যায়দ ইবুন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ (একদিন) আমরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এমন সময় ইয়ামানের এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে সেখানকার সংবাদ বর্ণনা করতে লাগলো এবং কথাবার্তা বলতে আরম্ভ করলো। তখন আলী (রাঃ) সেখানে (ইয়ামানে) ছিলেন। সে বললঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ ! তিন ব্যক্তি আলী (রাঃ)-এর নিকট এসে এক সন্তানের ব্যাপারে ঝগড়া করছিল, তারা সকলেই এক ‘তুহরে’ এক মহিলার সাথে সহবাস করার দাবী করেছিল। এভাবে পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন।

أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا علي بن مسهر، عن الأجلح، عن الشعبي، قال: أخبرني عبد الله بن أبي الخليل الحضرمي، عن زيد بن أرقم، قال: بينا نحن عند رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاءه رجل من اليمن، فجعل يخبره ويحدثه وعلي بها، فقال: يا رسول الله، أتى عليا ثلاثة نفر يختصمون في ولد، وقعوا على امرأة في طهر، وساق الحديث


সুনান নাসাঈ ৩৪৯২

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا محمد، قال: حدثنا شعبة، عن سلمة بن كهيل، قال: سمعت الشعبي، يحدث عن أبي الخليل أو ابن أبي الخليل: «أن ثلاثة نفر اشتركوا في طهر»، فذكر نحوه، ولم يذكر زيد بن أرقم ولم يرفعه، قال أبو عبد الرحمن: «هذا صواب، والله سبحانه وتعالى أعلم»

সালামা ইব্‌ন কুহায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি শা’বীকে আবুল খলীল অথবা ইব্‌ন আবুল খলীল হতে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিন ব্যক্তি একই ‘তুহরে’ (এক নারীর সাথে সহবাস) শরীক ছিল। এরপর এভাবে হাদীস বর্ণনা করলেন। কিন্তু তিনি যায়দ ইব্‌ন আরকামের নাম উল্লেখ করেন নি। আর এই হাদিসকে মারফূ’ও করেন নি। আবূ আবদুর রহমান (রঃ) বলেন, এ সনদটি সহীহ। আল্লাহ্‌ই অধিক জ্ঞাত।

সালামা ইব্‌ন কুহায়ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি শা’বীকে আবুল খলীল অথবা ইব্‌ন আবুল খলীল হতে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিন ব্যক্তি একই ‘তুহরে’ (এক নারীর সাথে সহবাস) শরীক ছিল। এরপর এভাবে হাদীস বর্ণনা করলেন। কিন্তু তিনি যায়দ ইব্‌ন আরকামের নাম উল্লেখ করেন নি। আর এই হাদিসকে মারফূ’ও করেন নি। আবূ আবদুর রহমান (রঃ) বলেন, এ সনদটি সহীহ। আল্লাহ্‌ই অধিক জ্ঞাত।

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا محمد، قال: حدثنا شعبة، عن سلمة بن كهيل، قال: سمعت الشعبي، يحدث عن أبي الخليل أو ابن أبي الخليل: «أن ثلاثة نفر اشتركوا في طهر»، فذكر نحوه، ولم يذكر زيد بن أرقم ولم يرفعه، قال أبو عبد الرحمن: «هذا صواب، والله سبحانه وتعالى أعلم»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00