সুনান নাসাঈ > ঈলা১
সুনান নাসাঈ ৩৪৫৬
أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا حميد، عن أنس، قال: آلى النبي صلى الله عليه وسلم من نسائه شهرا في مشربة له، فمكث تسعا وعشرين ليلة ثم نزل، فقيل: يا رسول الله، أليس آليت على شهر؟ قال: «الشهر تسع وعشرون»
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) একমাস স্ত্রীদের নিকট না যাওয়ার কসম ‘ঈলা’ করলেন। এ সময় তিনি উনত্রিশ দিন ‘দ্বিতল’ প্রকোষ্ঠে অবস্থান করলেন। তারপর তিনি অবতরণ করলে বলা হলঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ ! আপনি কি একমাসের ঈলা করেন নি? তিনি বললেনঃ (এ) মাস উনত্রিশ দিনের।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) একমাস স্ত্রীদের নিকট না যাওয়ার কসম ‘ঈলা’ করলেন। এ সময় তিনি উনত্রিশ দিন ‘দ্বিতল’ প্রকোষ্ঠে অবস্থান করলেন। তারপর তিনি অবতরণ করলে বলা হলঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ ! আপনি কি একমাসের ঈলা করেন নি? তিনি বললেনঃ (এ) মাস উনত্রিশ দিনের।
أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا حميد، عن أنس، قال: آلى النبي صلى الله عليه وسلم من نسائه شهرا في مشربة له، فمكث تسعا وعشرين ليلة ثم نزل، فقيل: يا رسول الله، أليس آليت على شهر؟ قال: «الشهر تسع وعشرون»
সুনান নাসাঈ ৩৪৫৫
أخبرنا أحمد بن عبد الله بن الحكم البصري، قال: حدثنا مروان بن معاوية، قال: حدثنا أبو يعفور، عن أبي الضحى، قال: - تذاكرنا الشهر عنده، فقال بعضنا: ثلاثين، وقال بعضنا: تسعا وعشرين - فقال أبو الضحى: حدثنا ابن عباس، قال: أصبحنا يوما ونساء النبي صلى الله عليه وسلم يبكين عند كل امرأة منهن أهلها، فدخلت المسجد فإذا هو ملآن من الناس، قال: فجاء عمر رضي الله عنه فصعد إلى النبي صلى الله عليه وسلم وهو في علية له، فسلم عليه فلم يجبه أحد، ثم سلم فلم يجبه أحد، ثم سلم فلم يجبه أحد، فرجع، فنادى بلالا، فدخل على النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: أطلقت نساءك؟ فقال: «لا، ولكني آليت منهن شهرا» فمكث تسعا وعشرين، ثم نزل فدخل على نسائه
আবু যুহা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আবু ইয়াকুব (রহঃ) বলেনঃ আমরা তাঁর নিকট মাসের বিষয়ে আলোচনা করলে আমাদের কেউ বললেনঃ মাস ত্রিশ দিনের হয়ে থাকে, আবার কেউ বলল, উনত্রিশ দিনের। এর মধ্যে আবু যুহা বললেনঃ ইবন আব্বাস (রাঃ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। একদিন আমরা সকালে উঠে দেখলাম, রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর স্ত্রীগণ ক্রন্দন করছেন এবং তাদের প্রত্যেকের নিকট তাদের পরিবারের লোক উপস্থিত রয়েছে। এরপর আমি মসজিদে গিয়ে দেখলাম, মসজিদ লোকে ভর্তি। তিনি বলেনঃ এরপর উমর (রাঃ) আসলেন, এবং উপরে উঠে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট গেলেন, তখন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাঁর ‘দ্বিতল’ কক্ষে ছিলেন। উমর (রাঃ) তাঁকে সালাম করলেন, কিন্তু কেউ তাঁর সালামের জবাব দিলেন না। তিনি আবার সালাম করলেন, এবারও কেউ সালামের উত্তর দিলেন না। তিনি আবার সালাম করলেন, কিন্তু কেউ সালামের উত্তর দিলেন না। তিনি ফিরে এসে বিলাল (রাঃ)-কে ডাক দিয়ে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ আপনি কি আপনার স্ত্রীগণকে তালাক দিয়েছেন? তিনি বললেনঃ না। বরং আমি তাদের সাথে এক মাসের জন্য ‘ঈলা’ করেছি। বর্ণনাকারী বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) সেখানে উনত্রিশ দিন ছিলেন। এরপর তিনি সেখান থেকে অবতরণ করে তাঁর স্ত্রীদের নিকট গমন করেন।
আবু যুহা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আবু ইয়াকুব (রহঃ) বলেনঃ আমরা তাঁর নিকট মাসের বিষয়ে আলোচনা করলে আমাদের কেউ বললেনঃ মাস ত্রিশ দিনের হয়ে থাকে, আবার কেউ বলল, উনত্রিশ দিনের। এর মধ্যে আবু যুহা বললেনঃ ইবন আব্বাস (রাঃ) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। একদিন আমরা সকালে উঠে দেখলাম, রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর স্ত্রীগণ ক্রন্দন করছেন এবং তাদের প্রত্যেকের নিকট তাদের পরিবারের লোক উপস্থিত রয়েছে। এরপর আমি মসজিদে গিয়ে দেখলাম, মসজিদ লোকে ভর্তি। তিনি বলেনঃ এরপর উমর (রাঃ) আসলেন, এবং উপরে উঠে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট গেলেন, তখন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাঁর ‘দ্বিতল’ কক্ষে ছিলেন। উমর (রাঃ) তাঁকে সালাম করলেন, কিন্তু কেউ তাঁর সালামের জবাব দিলেন না। তিনি আবার সালাম করলেন, এবারও কেউ সালামের উত্তর দিলেন না। তিনি আবার সালাম করলেন, কিন্তু কেউ সালামের উত্তর দিলেন না। তিনি ফিরে এসে বিলাল (রাঃ)-কে ডাক দিয়ে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ আপনি কি আপনার স্ত্রীগণকে তালাক দিয়েছেন? তিনি বললেনঃ না। বরং আমি তাদের সাথে এক মাসের জন্য ‘ঈলা’ করেছি। বর্ণনাকারী বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) সেখানে উনত্রিশ দিন ছিলেন। এরপর তিনি সেখান থেকে অবতরণ করে তাঁর স্ত্রীদের নিকট গমন করেন।
أخبرنا أحمد بن عبد الله بن الحكم البصري، قال: حدثنا مروان بن معاوية، قال: حدثنا أبو يعفور، عن أبي الضحى، قال: - تذاكرنا الشهر عنده، فقال بعضنا: ثلاثين، وقال بعضنا: تسعا وعشرين - فقال أبو الضحى: حدثنا ابن عباس، قال: أصبحنا يوما ونساء النبي صلى الله عليه وسلم يبكين عند كل امرأة منهن أهلها، فدخلت المسجد فإذا هو ملآن من الناس، قال: فجاء عمر رضي الله عنه فصعد إلى النبي صلى الله عليه وسلم وهو في علية له، فسلم عليه فلم يجبه أحد، ثم سلم فلم يجبه أحد، ثم سلم فلم يجبه أحد، فرجع، فنادى بلالا، فدخل على النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: أطلقت نساءك؟ فقال: «لا، ولكني آليت منهن شهرا» فمكث تسعا وعشرين، ثم نزل فدخل على نسائه
সুনান নাসাঈ > যিহার১
সুনান নাসাঈ ৩৪৫৯
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا المعتمر، ح وأنبأنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا المعتمر، قال: سمعت الحكم بن أبان، قال: سمعت عكرمة، قال: أتى رجل نبي الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا نبي الله، إنه ظاهر من امرأته ثم غشيها قبل أن يفعل ما عليه، قال: «ما حملك على ذلك؟» قال: يا نبي الله، رأيت بياض ساقيها في القمر؟ قال نبي الله صلى الله عليه وسلم: «فاعتزل حتى تقضي ما عليك» وقال إسحق، في حديثه: «فاعتزلها حتى تقضي ما عليك» واللفظ لمحمد قال أبو عبد الرحمن: «المرسل أولى بالصواب من المسند، والله سبحانه وتعالى أعلم»
ইকরামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর খিদমতে এসে বললেনঃ ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ ! সে তো (আমি) তার স্ত্রীর সাথে যিহার করেছে এবং কাফফারা দেওয়ার পূর্বেই তার সাথে সহবাস করেছে। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ আর এ কাজ করার জন্য কী তোমাকে উদ্বুদ্ধ করলো? সে বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ!চাঁ দের আলোতে তার সুন্দর পায়ের গোছা আমি দেখতে পাই। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাঁকে বললেনঃ তোমার উপর যা আদায় করা জরুরী তা আদায় না করা পর্যন্ত দূরে থাক। ইমাম নাসাঈ (রহঃ) বলেনঃ ইসহাক তার বর্ণিত হাদীসে, ‘তুমি তার থেকে দূরে থাক’ বর্ণনা করেছেন।
ইকরামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)-এর খিদমতে এসে বললেনঃ ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ ! সে তো (আমি) তার স্ত্রীর সাথে যিহার করেছে এবং কাফফারা দেওয়ার পূর্বেই তার সাথে সহবাস করেছে। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ আর এ কাজ করার জন্য কী তোমাকে উদ্বুদ্ধ করলো? সে বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ!চাঁ দের আলোতে তার সুন্দর পায়ের গোছা আমি দেখতে পাই। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাঁকে বললেনঃ তোমার উপর যা আদায় করা জরুরী তা আদায় না করা পর্যন্ত দূরে থাক। ইমাম নাসাঈ (রহঃ) বলেনঃ ইসহাক তার বর্ণিত হাদীসে, ‘তুমি তার থেকে দূরে থাক’ বর্ণনা করেছেন।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا المعتمر، ح وأنبأنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا المعتمر، قال: سمعت الحكم بن أبان، قال: سمعت عكرمة، قال: أتى رجل نبي الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا نبي الله، إنه ظاهر من امرأته ثم غشيها قبل أن يفعل ما عليه، قال: «ما حملك على ذلك؟» قال: يا نبي الله، رأيت بياض ساقيها في القمر؟ قال نبي الله صلى الله عليه وسلم: «فاعتزل حتى تقضي ما عليك» وقال إسحق، في حديثه: «فاعتزلها حتى تقضي ما عليك» واللفظ لمحمد قال أبو عبد الرحمن: «المرسل أولى بالصواب من المسند، والله سبحانه وتعالى أعلم»
সুনান নাসাঈ ৩৪৫৭
أخبرنا الحسين بن حريث، قال: حدثنا الفضل بن موسى، عن معمر، عن الحكم بن أبان، عن عكرمة، عن ابن عباس: أن رجلا أتى النبي صلى الله عليه وسلم قد ظاهر من امرأته فوقع عليها، فقال: يا رسول الله، إني ظاهرت من امرأتي فوقعت قبل أن أكفر، قال: «وما حملك على ذلك يرحمك الله؟» قال: رأيت خلخالها في ضوء القمر، فقال: «لا تقربها حتى تفعل ما أمر الله عز وجل»
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট আসলো, যে তার স্ত্রীর সাথে ‘যিহার’ করেছিল। আর কাফফারা আদায় করার পূর্বেই সে তার সাথে সহবাস করে। সে এসে বলেঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি আমার স্ত্রীর সাথে যিহার করেছি এবং কাফফারা আদায়ের পূর্বে তার সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেনঃ কী তোমাকে এরূপ করতে উদ্বুদ্ধ করল? আল্লাহ তোমাকে রহম করুন। সে বললঃ আমি চাঁদের আলোতে তার পায়ের মল দেখলাম। তিনি বললেনঃ এখন তুমি মহান মহিয়ান আল্লাহ্র আদেশ পালন না করা পর্যন্ত তার নিকট গমন করো না (সহবাস করবে না)।
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট আসলো, যে তার স্ত্রীর সাথে ‘যিহার’ করেছিল। আর কাফফারা আদায় করার পূর্বেই সে তার সাথে সহবাস করে। সে এসে বলেঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি আমার স্ত্রীর সাথে যিহার করেছি এবং কাফফারা আদায়ের পূর্বে তার সাথে সহবাস করেছি। তিনি বললেনঃ কী তোমাকে এরূপ করতে উদ্বুদ্ধ করল? আল্লাহ তোমাকে রহম করুন। সে বললঃ আমি চাঁদের আলোতে তার পায়ের মল দেখলাম। তিনি বললেনঃ এখন তুমি মহান মহিয়ান আল্লাহ্র আদেশ পালন না করা পর্যন্ত তার নিকট গমন করো না (সহবাস করবে না)।
أخبرنا الحسين بن حريث، قال: حدثنا الفضل بن موسى، عن معمر، عن الحكم بن أبان، عن عكرمة، عن ابن عباس: أن رجلا أتى النبي صلى الله عليه وسلم قد ظاهر من امرأته فوقع عليها، فقال: يا رسول الله، إني ظاهرت من امرأتي فوقعت قبل أن أكفر، قال: «وما حملك على ذلك يرحمك الله؟» قال: رأيت خلخالها في ضوء القمر، فقال: «لا تقربها حتى تفعل ما أمر الله عز وجل»
সুনান নাসাঈ ৩৪৬০
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا جرير، عن الأعمش، عن تميم بن سلمة، عن عروة، عن عائشة، أنها قالت: " الحمد لله الذي وسع سمعه الأصوات، لقد جاءت خولة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم تشكو زوجها، فكان يخفى علي كلامها، فأنزل الله عز وجل {قد سمع الله قول التي تجادلك في زوجها وتشتكي إلى الله والله يسمع تحاوركما} [المجادلة: 1] " الآية
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি বললাম, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র যার শ্রবণ সকল আওয়াজকে পরিব্যাপ্ত। খাওলা (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে তার স্বামীর ব্যাপারে অভিযোগ করলো। সে তার কথা আমার নিকট গোপন রাখলো। তখন মহান মহিয়ান আল্লাহ তা’য়ালা নাযিল করলেনঃ আল্লাহ তা’য়ালা ঐ মহিলার কথা শ্রবণ করেছেন, যে তার স্বামীর ব্যাপারে আপনার সাথে ‘বিতর্ক’ করছে এবং আল্লাহর নিকট অভিযোগ করছে। আর আল্লাহ তা’য়ালা তোমাদের দুজনের বাদানুবাদ শুনছিলেন। (নিশ্চয় আল্লাহ শ্রবণকারী ও দর্শনকারী। এরপর আল্লাহ তা’য়ালা যিহার এবং এর কাফফারার আদেশ নাযিল করলেন।)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি বললাম, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র যার শ্রবণ সকল আওয়াজকে পরিব্যাপ্ত। খাওলা (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে তার স্বামীর ব্যাপারে অভিযোগ করলো। সে তার কথা আমার নিকট গোপন রাখলো। তখন মহান মহিয়ান আল্লাহ তা’য়ালা নাযিল করলেনঃ আল্লাহ তা’য়ালা ঐ মহিলার কথা শ্রবণ করেছেন, যে তার স্বামীর ব্যাপারে আপনার সাথে ‘বিতর্ক’ করছে এবং আল্লাহর নিকট অভিযোগ করছে। আর আল্লাহ তা’য়ালা তোমাদের দুজনের বাদানুবাদ শুনছিলেন। (নিশ্চয় আল্লাহ শ্রবণকারী ও দর্শনকারী। এরপর আল্লাহ তা’য়ালা যিহার এবং এর কাফফারার আদেশ নাযিল করলেন।)
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا جرير، عن الأعمش، عن تميم بن سلمة، عن عروة، عن عائشة، أنها قالت: " الحمد لله الذي وسع سمعه الأصوات، لقد جاءت خولة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم تشكو زوجها، فكان يخفى علي كلامها، فأنزل الله عز وجل {قد سمع الله قول التي تجادلك في زوجها وتشتكي إلى الله والله يسمع تحاوركما} [المجادلة: 1] " الآية
সুনান নাসাঈ ৩৪৫৮
أخبرنا محمد بن رافع، قال: حدثنا عبد الرزاق، قال: حدثنا معمر، عن الحكم بن أبان، عن عكرمة، قال: تظاهر رجل من امرأته فأصابها قبل أن يكفر، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: «ما حملك على ذلك؟» قال: رحمك û الله يا رسول الله، رأيت خلخالها أو ساقيها في ضوء القمر، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فاعتزلها حتى تفعل ما أمرك الله عز وجل»
ইকরামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে যিহার করে কাফফারা আদায় করার পূর্বেই তার সাথে তার সাথ সহবাস করলো। এরপর সে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট তা বর্ণনা করলো। তিনি বললেনঃ কী তোমাকে এরূপ করতে উদ্বুদ্ধ করলো? সে বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহ আপনাকে রহম করুন। আমি তার পায়ের মল দেখলাম, অথবা (সে বললঃ) আমি চাঁদের আলোতে তার পায়ের গোছা দেখলাম। একথা শুনে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ মহান মহিয়ান আল্লাহ তোমাকে যা আদেশ করেছেন তা(কাফফারা) না করা পর্যন্ত তুমি তার থেকে দূরে থাকবে।
ইকরামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে যিহার করে কাফফারা আদায় করার পূর্বেই তার সাথে তার সাথ সহবাস করলো। এরপর সে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট তা বর্ণনা করলো। তিনি বললেনঃ কী তোমাকে এরূপ করতে উদ্বুদ্ধ করলো? সে বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহ আপনাকে রহম করুন। আমি তার পায়ের মল দেখলাম, অথবা (সে বললঃ) আমি চাঁদের আলোতে তার পায়ের গোছা দেখলাম। একথা শুনে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ মহান মহিয়ান আল্লাহ তোমাকে যা আদেশ করেছেন তা(কাফফারা) না করা পর্যন্ত তুমি তার থেকে দূরে থাকবে।
أخبرنا محمد بن رافع، قال: حدثنا عبد الرزاق، قال: حدثنا معمر، عن الحكم بن أبان، عن عكرمة، قال: تظاهر رجل من امرأته فأصابها قبل أن يكفر، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: «ما حملك على ذلك؟» قال: رحمك û الله يا رسول الله، رأيت خلخالها أو ساقيها في ضوء القمر، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فاعتزلها حتى تفعل ما أمرك الله عز وجل»
সুনান নাসাঈ > খুলা১
সুনান নাসাঈ ৩৪৬১
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا المخزومي وهو المغيرة بن سلمة، قال: حدثنا وهيب، عن أيوب، عن الحسن، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: «المنتزعات والمختلعات هن المنافقات» قال الحسن: " لم أسمعه من غير أبي هريرة قال أبو عبد الرحمن: «الحسن لم يسمع من أبي هريرة شيئا»
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যে মহিলারা স্বীয় স্বামীর সাথে মনোমালিন্য করে এবং কোন যুক্তিসংগত কারণ ব্যতীত ‘খুলা’ করে, তারা মুনাফিক।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যে মহিলারা স্বীয় স্বামীর সাথে মনোমালিন্য করে এবং কোন যুক্তিসংগত কারণ ব্যতীত ‘খুলা’ করে, তারা মুনাফিক।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا المخزومي وهو المغيرة بن سلمة، قال: حدثنا وهيب، عن أيوب، عن الحسن، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: «المنتزعات والمختلعات هن المنافقات» قال الحسن: " لم أسمعه من غير أبي هريرة قال أبو عبد الرحمن: «الحسن لم يسمع من أبي هريرة شيئا»
সুনান নাসাঈ ৩৪৬৩
أخبرنا أزهر بن جميل، قال: حدثنا عبد الوهاب، قال: حدثنا خالد، عن عكرمة، عن ابن عباس: أن امرأة ثابت بن قيس أتت النبي صلى الله عليه وسلم، فقالت: يا رسول الله، ثابت بن قيس أما إني ما أعيب عليه في خلق ولا دين، ولكني أكره الكفر في الإسلام، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أتردين عليه حديقته؟» قالت: نعم، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «اقبل الحديقة وطلقها تطليقة»
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাবিত ইবন কায়স (রাঃ)-এর স্ত্রী নবী (সাঃ)এর নিকট এসে বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! সাবিত ইবন কায়সের স্বভাব-চরিত্র ও ধার্মিকতার ব্যাপারে আমার কোন অভিযোগ নেই। কিন্তু আমি ইসলামে অকৃতজ্ঞতাকে অপছন্দ করি। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কি তাঁকে তার বাগানটি ফিরিয়ে দেবে? সে বললেনঃ হ্যাঁ, (দেব)। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) (সাবিত ইবন কায়স রাঃ কে) বললেনঃ তুমি তোমার বাগান নিয়ে নাও এবং তাঁকে এক তালাক দিয়ে দাও।
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাবিত ইবন কায়স (রাঃ)-এর স্ত্রী নবী (সাঃ)এর নিকট এসে বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! সাবিত ইবন কায়সের স্বভাব-চরিত্র ও ধার্মিকতার ব্যাপারে আমার কোন অভিযোগ নেই। কিন্তু আমি ইসলামে অকৃতজ্ঞতাকে অপছন্দ করি। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কি তাঁকে তার বাগানটি ফিরিয়ে দেবে? সে বললেনঃ হ্যাঁ, (দেব)। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) (সাবিত ইবন কায়স রাঃ কে) বললেনঃ তুমি তোমার বাগান নিয়ে নাও এবং তাঁকে এক তালাক দিয়ে দাও।
أخبرنا أزهر بن جميل، قال: حدثنا عبد الوهاب، قال: حدثنا خالد، عن عكرمة، عن ابن عباس: أن امرأة ثابت بن قيس أتت النبي صلى الله عليه وسلم، فقالت: يا رسول الله، ثابت بن قيس أما إني ما أعيب عليه في خلق ولا دين، ولكني أكره الكفر في الإسلام، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أتردين عليه حديقته؟» قالت: نعم، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «اقبل الحديقة وطلقها تطليقة»
সুনান নাসাঈ ৩৪৬২
أخبرنا محمد بن سلمة، قال: أنبأنا ابن القاسم، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة بنت عبد الرحمن، أنها أخبرته عن حبيبة بنت سهل: أنها كانت تحت ثابت بن قيس بن شماس، وأن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج إلى الصبح، فوجد حبيبة بنت سهل عند بابه في الغلس، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من هذه؟» قالت: أنا حبيبة بنت سهل يا رسول الله، قال: «ما شأنك؟» قالت: لا، أنا ولا ثابت بن قيس لزوجها، فلما جاء ثابت بن قيس، قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «هذه حبيبة بنت سهل قد ذكرت ما شاء الله أن تذكر» فقالت حبيبة: يا رسول الله، كل ما أعطاني عندي، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لثابت: «خذ منها»، فأخذ منها وجلست في أهلها
হাবীবা বিনতে সাহল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সাবিত ইবন কায়স ইবন শাম্মাস (রাঃ)-এর স্ত্রী ছিলেন। (হাবীবা (রাঃ) বলেনঃ ) একদিন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) খুব ভোরে নামায পড়তে গেলেন। তিনি হাবীবা বিনতে সাহল (রাঃ) কে অন্ধকারের মধ্যে তার দরজায় দেখতে পেলেন। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ এটি কে? তিনি (হাবীবা রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি হাবীবা বিনতে সাহল। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ কি ব্যাপার, তুমি কেন এসেছ? তিনি বললেনঃ আমার মধ্যে এবং সাবিত ইবন কায়স (রাঃ) তার স্বামীর মধ্যে মিল অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যখন সাবিত ইবন কায়স (রাঃ) আগমন করলে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাঁকে বললেন, এই যে হাবীবা বিনতে সাহল! আল্লাহ্ যা ইচ্ছা করেছেন, তা-ই সে বলছে। হাবীবা (রাঃ) বলে উঠলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! সে যা কিছু আমাকে দিয়েছে তা আমার নিকট রয়েছে। তিনি সাবিত ইবন কায়স (রাঃ) কে বললেনঃ তুমি (যা দিয়েছ তা)তার থেকে নিয়ে নাও। তিনি সাবিত (রাঃ) (রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর আদেশ মত তাঁকে) যা দিয়েছিলেন, তা নিয়ে নিলেন। আর তিনি হাবীবা বিনতে সাহল (রাঃ) তার পরিজনদের মধ্যে অবস্থান করলেন, (অর্থাৎ সাবিতের ঘর থেকে চলে গেলেন)।
হাবীবা বিনতে সাহল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সাবিত ইবন কায়স ইবন শাম্মাস (রাঃ)-এর স্ত্রী ছিলেন। (হাবীবা (রাঃ) বলেনঃ ) একদিন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) খুব ভোরে নামায পড়তে গেলেন। তিনি হাবীবা বিনতে সাহল (রাঃ) কে অন্ধকারের মধ্যে তার দরজায় দেখতে পেলেন। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ এটি কে? তিনি (হাবীবা রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি হাবীবা বিনতে সাহল। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ কি ব্যাপার, তুমি কেন এসেছ? তিনি বললেনঃ আমার মধ্যে এবং সাবিত ইবন কায়স (রাঃ) তার স্বামীর মধ্যে মিল অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যখন সাবিত ইবন কায়স (রাঃ) আগমন করলে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাঁকে বললেন, এই যে হাবীবা বিনতে সাহল! আল্লাহ্ যা ইচ্ছা করেছেন, তা-ই সে বলছে। হাবীবা (রাঃ) বলে উঠলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! সে যা কিছু আমাকে দিয়েছে তা আমার নিকট রয়েছে। তিনি সাবিত ইবন কায়স (রাঃ) কে বললেনঃ তুমি (যা দিয়েছ তা)তার থেকে নিয়ে নাও। তিনি সাবিত (রাঃ) (রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর আদেশ মত তাঁকে) যা দিয়েছিলেন, তা নিয়ে নিলেন। আর তিনি হাবীবা বিনতে সাহল (রাঃ) তার পরিজনদের মধ্যে অবস্থান করলেন, (অর্থাৎ সাবিতের ঘর থেকে চলে গেলেন)।
أخبرنا محمد بن سلمة، قال: أنبأنا ابن القاسم، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة بنت عبد الرحمن، أنها أخبرته عن حبيبة بنت سهل: أنها كانت تحت ثابت بن قيس بن شماس، وأن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج إلى الصبح، فوجد حبيبة بنت سهل عند بابه في الغلس، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من هذه؟» قالت: أنا حبيبة بنت سهل يا رسول الله، قال: «ما شأنك؟» قالت: لا، أنا ولا ثابت بن قيس لزوجها، فلما جاء ثابت بن قيس، قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «هذه حبيبة بنت سهل قد ذكرت ما شاء الله أن تذكر» فقالت حبيبة: يا رسول الله، كل ما أعطاني عندي، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لثابت: «خذ منها»، فأخذ منها وجلست في أهلها
সুনান নাসাঈ ৩৪৬৪
أخبرنا الحسين بن حريث، قال: حدثنا الفضل بن موسى، قال: حدثنا الحسين بن واقد، عن عمارة بن أبي حفصة، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال: جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: إن امرأتي لا تمنع يد لامس، فقال: «غربها إن شئت»، قال: إني أخاف أن تتبعها نفسي، قال: «استمتع بها»
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)এর নিকট এসে বললেনঃ আমার স্ত্রী এমন যে, কোন স্পর্শকারীর হাতকে সে বাধা দেয় না। তিনি বললেনঃ যদি তুমি ইচ্ছা কর, তবে তাকে দূরে সরিয়ে (তালাক দিয়ে) দাও। ঐ লোকটি বললেনঃ কিন্তু আমার ভয় হয়, আমার মন তার সাথে লেগে থাকবে (এবং সবর করতে না পেরে আমি গুনাহে লিপ্ত হয়ে যাব)। তিনি বললেন (যদি এরূপ করতে না পার), তবে উপভোগ কর।
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি নবী (সাঃ)এর নিকট এসে বললেনঃ আমার স্ত্রী এমন যে, কোন স্পর্শকারীর হাতকে সে বাধা দেয় না। তিনি বললেনঃ যদি তুমি ইচ্ছা কর, তবে তাকে দূরে সরিয়ে (তালাক দিয়ে) দাও। ঐ লোকটি বললেনঃ কিন্তু আমার ভয় হয়, আমার মন তার সাথে লেগে থাকবে (এবং সবর করতে না পেরে আমি গুনাহে লিপ্ত হয়ে যাব)। তিনি বললেন (যদি এরূপ করতে না পার), তবে উপভোগ কর।
أخبرنا الحسين بن حريث، قال: حدثنا الفضل بن موسى، قال: حدثنا الحسين بن واقد، عن عمارة بن أبي حفصة، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال: جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: إن امرأتي لا تمنع يد لامس، فقال: «غربها إن شئت»، قال: إني أخاف أن تتبعها نفسي، قال: «استمتع بها»
সুনান নাসাঈ ৩৪৬৫
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا النضر بن شميل، قال: حدثنا حماد بن سلمة، قال: أنبأنا هارون بن رئاب، عن عبد الله بن عبيد بن عمير، عن ابن عباس: أن رجلا قال: يا رسول الله، إن تحتي امرأة لا ترد يد لامس، قال: «طلقها» قال: إني لا أصبر عنها، قال: «فأمسكها» قال أبو عبد الرحمن: «هذا خطأ والصواب مرسل»
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার স্ত্রী এমন যে, কোন স্পর্শকারীর হাতকে সে বাধা দেয় না। তিনি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ তুমি তাকে তালাক দিয়ে দাও। সে ব্যক্তি বললেনঃ আমি তার ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করতে (তাকে ছেড়ে থাকতে) পারব না। তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি তাকে রেখেই দাও।
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার স্ত্রী এমন যে, কোন স্পর্শকারীর হাতকে সে বাধা দেয় না। তিনি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ তুমি তাকে তালাক দিয়ে দাও। সে ব্যক্তি বললেনঃ আমি তার ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করতে (তাকে ছেড়ে থাকতে) পারব না। তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি তাকে রেখেই দাও।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا النضر بن شميل، قال: حدثنا حماد بن سلمة، قال: أنبأنا هارون بن رئاب، عن عبد الله بن عبيد بن عمير، عن ابن عباس: أن رجلا قال: يا رسول الله، إن تحتي امرأة لا ترد يد لامس، قال: «طلقها» قال: إني لا أصبر عنها، قال: «فأمسكها» قال أبو عبد الرحمن: «هذا خطأ والصواب مرسل»
সুনান নাসাঈ > লি'আন-এর সূচনা
সুনান নাসাঈ ৩৪৬৬
أخبرنا محمد بن معمر، قال: حدثنا أبو داود، قال: حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، وإبراهيم بن سعد، عن الزهري، عن سهل بن سعد، عن عاصم بن عدي، قال: جاءني عويمر - رجل من بني العجلان - فقال: أي عاصم، أرأيتم رجلا رأى مع امرأته رجلا أيقتله فتقتلونه؟ أم كيف يفعل يا عاصم؟ سل لي رسول الله صلى الله عليه وسلم، فسأل عاصم عن ذلك النبي صلى الله عليه وسلم، فعاب رسول الله صلى الله عليه وسلم المسائل وكرهها، فجاءه عويمر، فقال: ما صنعت يا عاصم؟ فقال: صنعت أنك لم تأتني بخير، كره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسائل وعابها، قال عويمر: والله لأسألن عن ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم، فانطلق إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأله، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «قد أنزل الله عز وجل فيك وفي صاحبتك فأت بها»، قال سهل: وأنا مع الناس عند رسول الله صلى الله عليه وسلم، فجاء بها فتلاعنا، فقال: يا رسول الله، والله لئن أمسكتها لقد كذبت عليها، ففارقها قبل أن يأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم بفراقها، فصارت سنة المتلاعنين
আসিম ইব্ন আদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: আজলান গোত্রের 'উওয়াইমির আমার নিকট এসে বললেন: হে আসিম ! এ বল তো, কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে অন্য এক ব্যক্তিকে দেখলো, (এখন) যদি সে তাকে হত্যা করে, তোমরা তাকে হত্যা করবে? অথবা সে কি করবে? অতএব হে আসিম ! তুমি আমার জন্য রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞেস কর। আসিম (রাঃ) এ বিষয়ে নবী (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বেশি প্রশ্ন অপছন্দ করলেন এবং তাতে দোষারোপ করলেন। এরপর 'উওয়াইমির তার নিকট এসে বলল। হে আসিম! তুমি কি করেছ? তিনি বললেন: কি আর করবো, তুমি আমার কাছে কল্যাণ নিয়ে আস নি। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) প্রশ্ন করা অপছন্দ করেছেন। উওয়াইমির (রাঃ) বললেন: আল্লাহর কসম ! আমি তা অবশ্যই রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করবো। তিনি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেন: মহান মহিয়ান আল্লাহ তা'আলা তোমার ও তোমার স্ত্রীর ব্যাপারে (আয়াত) নাযিল করেছেন। অতএব, তাকে (তোমার স্ত্রীকে) ডেকে আনো। সাহ্ল (রাঃ) বলেন: এ সময় আমি লোকদের রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম।উওয়াইমির (রাঃ) তাকে (স্ত্রীকে) সংগে নিয়ে আসলো তারা লি'আন করল এবং উওয়াইমির (কসম করে) বলতে লাগলেন: ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ! যদি আমি তাকে রেখে দেই তা হলে তো আমি তার নামে মিথ্যাই বললাম। এ বলে তিনি তাকে তালাক দিয়ে দিলেন এবং রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর বলার পূর্বেই তাকে পৃথক করে দিলেন (তালাক দিয়ে দিলেন)। এটাই পরে দুই লি'আনকারীর নিয়মে পরিণত হল।
আসিম ইব্ন আদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: আজলান গোত্রের 'উওয়াইমির আমার নিকট এসে বললেন: হে আসিম ! এ বল তো, কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে অন্য এক ব্যক্তিকে দেখলো, (এখন) যদি সে তাকে হত্যা করে, তোমরা তাকে হত্যা করবে? অথবা সে কি করবে? অতএব হে আসিম ! তুমি আমার জন্য রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞেস কর। আসিম (রাঃ) এ বিষয়ে নবী (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বেশি প্রশ্ন অপছন্দ করলেন এবং তাতে দোষারোপ করলেন। এরপর 'উওয়াইমির তার নিকট এসে বলল। হে আসিম! তুমি কি করেছ? তিনি বললেন: কি আর করবো, তুমি আমার কাছে কল্যাণ নিয়ে আস নি। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) প্রশ্ন করা অপছন্দ করেছেন। উওয়াইমির (রাঃ) বললেন: আল্লাহর কসম ! আমি তা অবশ্যই রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করবো। তিনি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেন: মহান মহিয়ান আল্লাহ তা'আলা তোমার ও তোমার স্ত্রীর ব্যাপারে (আয়াত) নাযিল করেছেন। অতএব, তাকে (তোমার স্ত্রীকে) ডেকে আনো। সাহ্ল (রাঃ) বলেন: এ সময় আমি লোকদের রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম।উওয়াইমির (রাঃ) তাকে (স্ত্রীকে) সংগে নিয়ে আসলো তারা লি'আন করল এবং উওয়াইমির (কসম করে) বলতে লাগলেন: ইয়া রাসুলাল্লাহ্ ! যদি আমি তাকে রেখে দেই তা হলে তো আমি তার নামে মিথ্যাই বললাম। এ বলে তিনি তাকে তালাক দিয়ে দিলেন এবং রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর বলার পূর্বেই তাকে পৃথক করে দিলেন (তালাক দিয়ে দিলেন)। এটাই পরে দুই লি'আনকারীর নিয়মে পরিণত হল।
أخبرنا محمد بن معمر، قال: حدثنا أبو داود، قال: حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، وإبراهيم بن سعد، عن الزهري، عن سهل بن سعد، عن عاصم بن عدي، قال: جاءني عويمر - رجل من بني العجلان - فقال: أي عاصم، أرأيتم رجلا رأى مع امرأته رجلا أيقتله فتقتلونه؟ أم كيف يفعل يا عاصم؟ سل لي رسول الله صلى الله عليه وسلم، فسأل عاصم عن ذلك النبي صلى الله عليه وسلم، فعاب رسول الله صلى الله عليه وسلم المسائل وكرهها، فجاءه عويمر، فقال: ما صنعت يا عاصم؟ فقال: صنعت أنك لم تأتني بخير، كره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسائل وعابها، قال عويمر: والله لأسألن عن ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم، فانطلق إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأله، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «قد أنزل الله عز وجل فيك وفي صاحبتك فأت بها»، قال سهل: وأنا مع الناس عند رسول الله صلى الله عليه وسلم، فجاء بها فتلاعنا، فقال: يا رسول الله، والله لئن أمسكتها لقد كذبت عليها، ففارقها قبل أن يأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم بفراقها، فصارت سنة المتلاعنين