সুনান নাসাঈ > বোধগম্য ইঙ্গিতে তালাক

সুনান নাসাঈ ৩৪৩৬

أخبرنا أبو بكر بن نافع، قال: حدثنا بهز، قال: حدثنا حماد بن سلمة، قال: حدثنا ثابت، عن أنس، قال: «كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم جار فارسي طيب المرقة، فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم وعنده عائشة، فأومأ إليه بيده أن تعال، وأومأ رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى عائشة أي وهذه، فأومأ إليه الآخر هكذا بيده، أن لا مرتين أو ثلاثا» --- ________________________________________ [حكم الألباني] صحيح م نحوه وزاد قال رسول الله لا ثم عاد يدعوه فقال رسول الله وهذه قال نعم في الثالثة فقاما يتدافعان حتى أتيا منزله

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)- এর একজন পারশিক প্রতিবেশি ছিল, যে উত্তমরূপে সুরুয়া পাকাতে পারত। সে একদিন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)- এর খিদমতে আগমন করলো, তখন আয়েশা (রাঃ) তাঁর কাছে ছিলেন। সে তার হাত দ্বারা তাঁর (সাঃ) দিকে ইঙ্গিত করলো যে, আসুন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) আয়েশা (রাঃ)- এর দিকে ইঙ্গিত করলেন, অর্থাৎ সে ও (আমার সাথে যাবে)। তখন অন্যজন তাঁর দিকে হাতে দুই কি তিনবার ইঙ্গিত করলো যে, না।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)- এর একজন পারশিক প্রতিবেশি ছিল, যে উত্তমরূপে সুরুয়া পাকাতে পারত। সে একদিন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)- এর খিদমতে আগমন করলো, তখন আয়েশা (রাঃ) তাঁর কাছে ছিলেন। সে তার হাত দ্বারা তাঁর (সাঃ) দিকে ইঙ্গিত করলো যে, আসুন। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) আয়েশা (রাঃ)- এর দিকে ইঙ্গিত করলেন, অর্থাৎ সে ও (আমার সাথে যাবে)। তখন অন্যজন তাঁর দিকে হাতে দুই কি তিনবার ইঙ্গিত করলো যে, না।

أخبرنا أبو بكر بن نافع، قال: حدثنا بهز، قال: حدثنا حماد بن سلمة، قال: حدثنا ثابت، عن أنس، قال: «كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم جار فارسي طيب المرقة، فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم وعنده عائشة، فأومأ إليه بيده أن تعال، وأومأ رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى عائشة أي وهذه، فأومأ إليه الآخر هكذا بيده، أن لا مرتين أو ثلاثا» --- ________________________________________ [حكم الألباني] صحيح م نحوه وزاد قال رسول الله لا ثم عاد يدعوه فقال رسول الله وهذه قال نعم في الثالثة فقاما يتدافعان حتى أتيا منزله


সুনান নাসাঈ > কথা বলে, তার সম্ভাব্য কোন অর্থ উদ্দেশ্য করা

সুনান নাসাঈ ৩৪৩৭

أخبرنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا عبد الله بن مسلمة، قال: حدثنا مالك، والحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن القاسم، قال: أخبرني مالك، عن يحيى بن سعيد، عن محمد بن إبراهيم، عن علقمة بن وقاص، عن عمر بن الخطاب، رضي الله عنه - وفي حديث الحارث، أنه سمع عمر - يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إنما الأعمال بالنية، وإنما لامرئ ما نوى، فمن كانت هجرته إلى الله ورسوله، فهجرته إلى الله ورسوله، ومن كانت هجرته لدنيا يصيبها أو امرأة يتزوجها، فهجرته إلى ما هاجر إليه»

আলকামা ইব্‌ন ওয়াক্কাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমর ইব্‌ন খাত্তাব (রাঃ)- কে বলতে শুনেছেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) বলেছেন, মানুষের সকল কাজের ফলাফল তার নিয়্যতের উপর নির্ভরশীল। আর প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য তাই রয়েছে, যা সে নিয়্যত করে। অতএব, যার হিজরত আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রাসুলের দিকে হয়, তার হিজরত আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রাসুলের দিকেই হবে। আর যার হিজরতের উদ্দেশ্য দুনিয়া উপার্জন করা হয়, অথবা কোনো নারীকে বিবাহ করা হয়, তাহলে তার হিজরত হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।

আলকামা ইব্‌ন ওয়াক্কাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমর ইব্‌ন খাত্তাব (রাঃ)- কে বলতে শুনেছেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) বলেছেন, মানুষের সকল কাজের ফলাফল তার নিয়্যতের উপর নির্ভরশীল। আর প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য তাই রয়েছে, যা সে নিয়্যত করে। অতএব, যার হিজরত আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রাসুলের দিকে হয়, তার হিজরত আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রাসুলের দিকেই হবে। আর যার হিজরতের উদ্দেশ্য দুনিয়া উপার্জন করা হয়, অথবা কোনো নারীকে বিবাহ করা হয়, তাহলে তার হিজরত হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে।

أخبرنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا عبد الله بن مسلمة، قال: حدثنا مالك، والحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن القاسم، قال: أخبرني مالك، عن يحيى بن سعيد، عن محمد بن إبراهيم، عن علقمة بن وقاص، عن عمر بن الخطاب، رضي الله عنه - وفي حديث الحارث، أنه سمع عمر - يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إنما الأعمال بالنية، وإنما لامرئ ما نوى، فمن كانت هجرته إلى الله ورسوله، فهجرته إلى الله ورسوله، ومن كانت هجرته لدنيا يصيبها أو امرأة يتزوجها، فهجرته إلى ما هاجر إليه»


সুনান নাসাঈ > কোন কথা বলে, এর বাহ্যিক অর্থ উদ্দেশ্য না করা

সুনান নাসাঈ ৩৪৩৮

أخبرنا عمران بن بكار، قال: حدثنا علي بن عياش، قال: حدثني شعيب، قال: حدثني أبو الزناد، مما حدثه عبد الرحمن الأعرج، مما ذكر أنه سمع أبا هريرة، يحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: قال: «انظروا كيف يصرف الله عني شتم قريش ولعنهم، إنهم يشتمون مذمما ويلعنون مذمما وأنا محمد»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) বলেছেনঃ দেখ, আল্লাহ্‌ তা’আলা কিরূপে আমার থেকে কুরায়শের গালি ও অভিসম্পাত দূর করেছেন। তারা তো গালি দিতেছে ‘মুযাম্‌মাম’ (নিন্দিত)- কে এবং অভিসম্পাত দিতেছে মুযাম্‌মামকে, অথচ আমি হলাম মুহাম্মাদ (সাঃ) (প্রশংসিত)।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) বলেছেনঃ দেখ, আল্লাহ্‌ তা’আলা কিরূপে আমার থেকে কুরায়শের গালি ও অভিসম্পাত দূর করেছেন। তারা তো গালি দিতেছে ‘মুযাম্‌মাম’ (নিন্দিত)- কে এবং অভিসম্পাত দিতেছে মুযাম্‌মামকে, অথচ আমি হলাম মুহাম্মাদ (সাঃ) (প্রশংসিত)।

أخبرنا عمران بن بكار، قال: حدثنا علي بن عياش، قال: حدثني شعيب، قال: حدثني أبو الزناد، مما حدثه عبد الرحمن الأعرج، مما ذكر أنه سمع أبا هريرة، يحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: قال: «انظروا كيف يصرف الله عني شتم قريش ولعنهم، إنهم يشتمون مذمما ويلعنون مذمما وأنا محمد»


সুনান নাসাঈ > তালাক গ্রহণের জন্য প্রদত্ত ইখতিয়ারে মত প্রকাশের জন্য নির্ধারিত সময়

সুনান নাসাঈ ৩৪৩৯

أخبرنا يونس بن عبد الأعلى، قال: حدثنا ابن وهب، قال: أنبأنا يونس بن يزيد، وموسى بن علي، عن ابن شهاب، قال: أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم، قالت: لما أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بتخيير أزواجه بدأ بي فقال: «إني ذاكر لك أمرا، فلا عليك أن لا تعجلي حتى تستأمري أبويك»، قالت: قد علم أن أبواي لم يكونا ليأمراني بفراقه، قالت: ثم تلا هذه الآية {يا أيها النبي قل لأزواجك إن كنتن تردن الحياة الدنيا} [الأحزاب: 28]- إلى قوله - {جميلا} [الأحزاب: 28] فقلت: أفي هذا أستأمر أبوي؟ فإني أريد الله عز وجل ورسوله والدار الآخرة قالت عائشة: «ثم فعل أزواج النبي صلى الله عليه وسلم مثل ما فعلت، ولم يكن ذلك حين قال لهن رسول الله صلى الله عليه وسلم واخترنه طلاقا، من أجل أنهن اخترنه»

আবূ সালামা ইব্‌ন আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)- এর স্ত্রী আয়েশা (রাঃ) বলেছেনঃ যখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)- কে তাঁর স্ত্রীদেরকে ইখতিয়ার দেয়ার জন্য আদেশ করা হলো, তখন তিনি আমার থেকে আরম্ভ করলেন। তিনি বললেনঃ আমি তোমার নিকট একটি কথা বলবো, তুমি এ ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করে, তোমার মাতাপিতার সাথে পরামর্শ না করে উত্তর দেবে না। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ তিনি জানতেন, আমার পিতামাতা কখনও আমাকে তাঁর থেকে বিচ্ছিন্ন হতে আদেশ করবেন না। তিনি বলেন, এরপর রাসুল (সাঃ) এই আয়াত পাঠ করেনঃ “হে নবী। আপনি আপনার স্ত্রীগণকে বলে দিন, যদি তোমরা পার্থিব জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ কামনা কর, . . .”। তখন আমি বললামঃ এ ব্যাপারে আমি আমার মাতাপিতার কি গ্রহণ করবো? আমি আল্লাহ্‌, আল্লাহ্‌র রাসূল এবং পরকালকে গ্রহণ করব। আয়েশা (রাঃ) বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)- এর অন্যান্য স্ত্রীগণ আমি যা করেছি তারাও তা-ই করলেন। আর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) যখন তাঁদেরকে বললেন (ইখতিয়ার দিলেন): আর তারা তাঁকেই গ্রহণ করলেন, তখন তাঁকে গ্রহণ করার দরুন তা তালাক হয়নি।

আবূ সালামা ইব্‌ন আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)- এর স্ত্রী আয়েশা (রাঃ) বলেছেনঃ যখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)- কে তাঁর স্ত্রীদেরকে ইখতিয়ার দেয়ার জন্য আদেশ করা হলো, তখন তিনি আমার থেকে আরম্ভ করলেন। তিনি বললেনঃ আমি তোমার নিকট একটি কথা বলবো, তুমি এ ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করে, তোমার মাতাপিতার সাথে পরামর্শ না করে উত্তর দেবে না। আয়েশা (রাঃ) বলেনঃ তিনি জানতেন, আমার পিতামাতা কখনও আমাকে তাঁর থেকে বিচ্ছিন্ন হতে আদেশ করবেন না। তিনি বলেন, এরপর রাসুল (সাঃ) এই আয়াত পাঠ করেনঃ “হে নবী। আপনি আপনার স্ত্রীগণকে বলে দিন, যদি তোমরা পার্থিব জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ কামনা কর, . . .”। তখন আমি বললামঃ এ ব্যাপারে আমি আমার মাতাপিতার কি গ্রহণ করবো? আমি আল্লাহ্‌, আল্লাহ্‌র রাসূল এবং পরকালকে গ্রহণ করব। আয়েশা (রাঃ) বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ)- এর অন্যান্য স্ত্রীগণ আমি যা করেছি তারাও তা-ই করলেন। আর রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) যখন তাঁদেরকে বললেন (ইখতিয়ার দিলেন): আর তারা তাঁকেই গ্রহণ করলেন, তখন তাঁকে গ্রহণ করার দরুন তা তালাক হয়নি।

أخبرنا يونس بن عبد الأعلى، قال: حدثنا ابن وهب، قال: أنبأنا يونس بن يزيد، وموسى بن علي، عن ابن شهاب، قال: أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم، قالت: لما أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بتخيير أزواجه بدأ بي فقال: «إني ذاكر لك أمرا، فلا عليك أن لا تعجلي حتى تستأمري أبويك»، قالت: قد علم أن أبواي لم يكونا ليأمراني بفراقه، قالت: ثم تلا هذه الآية {يا أيها النبي قل لأزواجك إن كنتن تردن الحياة الدنيا} [الأحزاب: 28]- إلى قوله - {جميلا} [الأحزاب: 28] فقلت: أفي هذا أستأمر أبوي؟ فإني أريد الله عز وجل ورسوله والدار الآخرة قالت عائشة: «ثم فعل أزواج النبي صلى الله عليه وسلم مثل ما فعلت، ولم يكن ذلك حين قال لهن رسول الله صلى الله عليه وسلم واخترنه طلاقا، من أجل أنهن اخترنه»


সুনান নাসাঈ ৩৪৪০

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا محمد بن ثور، عن معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت: لما نزلت {إن كنتن تردن الله ورسوله} [الأحزاب: 29] دخل علي النبي صلى الله عليه وسلم بدأ بي فقال: «يا عائشة، إني ذاكر لك أمرا، فلا عليك أن لا تعجلي حتى تستأمري أبويك» قالت: قد علم والله أن أبوي لم يكونا ليأمراني بفراقه، فقرأ علي {يا أيها النبي قل لأزواجك إن كنتن تردن الحياة الدنيا وزينتها} [الأحزاب: 28] فقلت: أفي هذا أستأمر أبوي؟ فإني أريد الله ورسوله قال أبو عبد الرحمن: «هذا خطأ والأول أولى بالصواب، والله سبحانه وتعالى أعلم»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যখন (আরবি) নাযিল হয়, তখন নবী (সাঃ) আমার নিকট উপস্থিত হয়ে আমাকেই প্রথম বলেনঃ “হে আয়েশা। আমি তোমার নিকট একটি কথা বলবো, তুমি তাতে তাড়াহুড়ো না করে বরং তোমার পিতামাতার সাথে পরামর্শ করে উত্তর দেবে। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) জানতেন, আমার পিতামাতা কখনও আমাকে তাঁর থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আদেশ করবেন না। তিনি এরপরও আমার নিকট এই আয়াত তিলাওয়াত করলেনঃ (আরবি) তখন আমি বললামঃ এ ব্যাপারে কি আমি আমার পিতামাতাকে জিজ্ঞাস করব? আমি আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রাসুলকেই গ্রহণ করেছি। আবূ আবদুর রহমান (রহঃ) বলেনঃ এই রেওয়াত ভুল, বরং প্রথম বর্ণনাই সঠিক। আল্লাহ্‌ সম্যক অবগত।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যখন (আরবি) নাযিল হয়, তখন নবী (সাঃ) আমার নিকট উপস্থিত হয়ে আমাকেই প্রথম বলেনঃ “হে আয়েশা। আমি তোমার নিকট একটি কথা বলবো, তুমি তাতে তাড়াহুড়ো না করে বরং তোমার পিতামাতার সাথে পরামর্শ করে উত্তর দেবে। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) জানতেন, আমার পিতামাতা কখনও আমাকে তাঁর থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আদেশ করবেন না। তিনি এরপরও আমার নিকট এই আয়াত তিলাওয়াত করলেনঃ (আরবি) তখন আমি বললামঃ এ ব্যাপারে কি আমি আমার পিতামাতাকে জিজ্ঞাস করব? আমি আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রাসুলকেই গ্রহণ করেছি। আবূ আবদুর রহমান (রহঃ) বলেনঃ এই রেওয়াত ভুল, বরং প্রথম বর্ণনাই সঠিক। আল্লাহ্‌ সম্যক অবগত।

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا محمد بن ثور، عن معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت: لما نزلت {إن كنتن تردن الله ورسوله} [الأحزاب: 29] دخل علي النبي صلى الله عليه وسلم بدأ بي فقال: «يا عائشة، إني ذاكر لك أمرا، فلا عليك أن لا تعجلي حتى تستأمري أبويك» قالت: قد علم والله أن أبوي لم يكونا ليأمراني بفراقه، فقرأ علي {يا أيها النبي قل لأزواجك إن كنتن تردن الحياة الدنيا وزينتها} [الأحزاب: 28] فقلت: أفي هذا أستأمر أبوي؟ فإني أريد الله ورسوله قال أبو عبد الرحمن: «هذا خطأ والأول أولى بالصواب، والله سبحانه وتعالى أعلم»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00