সুনান নাসাঈ > সংগত হওয়ার পূর্বে তালাক দ্বারা পূর্ববর্তী স্বামীর জন্য বৈধ হওয়া প্রসঙ্গ

সুনান নাসাঈ ৩৪০৮

أخبرني عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الحكم، قال: حدثنا شعيب بن الليث، عن أبيه، قال: حدثني أيوب بن موسى، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، قالت: جاءت امرأة رفاعة القرظي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت: يا رسول الله، إني نكحت عبد الرحمن بن الزبير، والله ما معه إلا مثل هذه الهدبة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لعلك تريدين أن ترجعي إلى رفاعة، لا، حتى يذوق عسيلتك وتذوقي عسيلته»

আয়শা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : রিফাআ’ কুরাযীর স্ত্রী রাসূলুল্লাহ (সাঃ)- এর খিদমতে এসে বললেন : ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ! আমি আবদুর রহমান ইব্‌ন যাবীর (রাঃ)-কে বিবাহ করেছি। আল্লাহ্‌র কসম তাঁর নিকট আমার এই আঁচলের মত ব্যতীত আর কিছু (পৌরুষ) নেই। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন : মনে হয় তুমি আবার রিফা’আর (রাঃ)- এর নিকট ফিরে যেতে চাও। তা হতে পারে না, যতক্ষণ না তুমি তাঁর মধুর স্বাদ গ্রহন কর, আর সে তোমার মধুর স্বাদ গ্রহন করে।

আয়শা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : রিফাআ’ কুরাযীর স্ত্রী রাসূলুল্লাহ (সাঃ)- এর খিদমতে এসে বললেন : ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ! আমি আবদুর রহমান ইব্‌ন যাবীর (রাঃ)-কে বিবাহ করেছি। আল্লাহ্‌র কসম তাঁর নিকট আমার এই আঁচলের মত ব্যতীত আর কিছু (পৌরুষ) নেই। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন : মনে হয় তুমি আবার রিফা’আর (রাঃ)- এর নিকট ফিরে যেতে চাও। তা হতে পারে না, যতক্ষণ না তুমি তাঁর মধুর স্বাদ গ্রহন কর, আর সে তোমার মধুর স্বাদ গ্রহন করে।

أخبرني عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الحكم، قال: حدثنا شعيب بن الليث، عن أبيه، قال: حدثني أيوب بن موسى، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، قالت: جاءت امرأة رفاعة القرظي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت: يا رسول الله، إني نكحت عبد الرحمن بن الزبير، والله ما معه إلا مثل هذه الهدبة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لعلك تريدين أن ترجعي إلى رفاعة، لا، حتى يذوق عسيلتك وتذوقي عسيلته»


সুনান নাসাঈ ৩৪০৭

أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت: سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن رجل طلق امرأته فتزوجت زوجا غيره فدخل بها ثم طلقها قبل أن يواقعها، أتحل للأول؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا، حتى يذوق الآخر عسيلتها وتذوق عسيلته»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : (একদা) রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলো যে তার স্ত্রীকে তালাক দিলে সে অন্য স্বামী গ্রহন করলো। সে স্বামী তার সাথে নির্জন বাস করলো। এরপর সহবাসের পূর্বে সে তাকে তালাক দিল, সে কি প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে? রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ না ; যতক্ষণ না দ্বিতীয় (স্বামী) তার মধুর স্বাদ গ্রহন করবে, আর সেও তার মধুর স্বাদ গ্রহন করবে।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : (একদা) রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলো যে তার স্ত্রীকে তালাক দিলে সে অন্য স্বামী গ্রহন করলো। সে স্বামী তার সাথে নির্জন বাস করলো। এরপর সহবাসের পূর্বে সে তাকে তালাক দিল, সে কি প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে? রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ না ; যতক্ষণ না দ্বিতীয় (স্বামী) তার মধুর স্বাদ গ্রহন করবে, আর সেও তার মধুর স্বাদ গ্রহন করবে।

أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت: سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن رجل طلق امرأته فتزوجت زوجا غيره فدخل بها ثم طلقها قبل أن يواقعها، أتحل للأول؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا، حتى يذوق الآخر عسيلتها وتذوق عسيلته»


সুনান নাসাঈ > চূড়ান্ত তালাক

সুনান নাসাঈ ৩৪০৯

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يزيد بن زريع، قال: حدثنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت: جاءت امرأة رفاعة القرظي إلى النبي صلى الله عليه وسلم وأبو بكر عنده، فقالت: يا رسول الله، إني كنت تحت رفاعة القرظي فطلقني البتة، فتزوجت عبد الرحمن بن الزبير، وإنه والله يا رسول الله ما معه إلا مثل هذه الهدبة، وأخذت هدبة من جلبابها، وخالد بن سعيد بالباب، فلم يأذن له، فقال: يا أبا بكر، ألا تسمع هذه تجهر بما تجهر به عند رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «تريدين أن ترجعي إلى رفاعة، لا، حتى تذوقي عسيلته ويذوق عسيلتك»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রিফাআ (রাঃ) কুরাযীর স্ত্রী নবী-এর নিকট আসলেন, তখন আবূ বকর (রাঃ) তাঁর নিকট ছিলেন। সে বললেন : ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ)! আমি রিফাআ কুরাযীর বিবাহাধীনে ছিলাম, সে আমাকে ‘আল্‌বাত্তা’ (অর্থাৎ তিন) তালাক দেয়। এরপর আমি আবদূর রহমান ইব্‌ন যাবীর (রাঃ)-কে বিবাহ করি।আল্লাহ্‌র কসম ! ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ)! এই কাপড়ের প্রান্ত ভাগের ন্যায় ব্যতীত তার নিকট কিছু (পুরুষত্ব) নেই। এই বলে সে তার চাদরের এক প্রান্ত তুলে ধরে। তখন খালিদ ইব্‌ন সাঈদ (রাঃ) ছিল দরজায়। নবী (সাঃ) তাকে অনুমতি দেন নি। তিনি (বাইরে থেকে) বললেন : হে আবূ বকর ! আপনি কি শুনছেন না, এই মহিলা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)- এর সামনে জোরে জোরে কী (বাজে কথা) বলছে? তিনি বললেন : তুমি কি আবার রিফাআর নিকট প্রত্যাবর্তন করতে চাও? তা হতে পারে না, যতক্ষণ না তুমি তার মধু পান কর আর সে তোমার মধু পান করে।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রিফাআ (রাঃ) কুরাযীর স্ত্রী নবী-এর নিকট আসলেন, তখন আবূ বকর (রাঃ) তাঁর নিকট ছিলেন। সে বললেন : ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ)! আমি রিফাআ কুরাযীর বিবাহাধীনে ছিলাম, সে আমাকে ‘আল্‌বাত্তা’ (অর্থাৎ তিন) তালাক দেয়। এরপর আমি আবদূর রহমান ইব্‌ন যাবীর (রাঃ)-কে বিবাহ করি।আল্লাহ্‌র কসম ! ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ)! এই কাপড়ের প্রান্ত ভাগের ন্যায় ব্যতীত তার নিকট কিছু (পুরুষত্ব) নেই। এই বলে সে তার চাদরের এক প্রান্ত তুলে ধরে। তখন খালিদ ইব্‌ন সাঈদ (রাঃ) ছিল দরজায়। নবী (সাঃ) তাকে অনুমতি দেন নি। তিনি (বাইরে থেকে) বললেন : হে আবূ বকর ! আপনি কি শুনছেন না, এই মহিলা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)- এর সামনে জোরে জোরে কী (বাজে কথা) বলছে? তিনি বললেন : তুমি কি আবার রিফাআর নিকট প্রত্যাবর্তন করতে চাও? তা হতে পারে না, যতক্ষণ না তুমি তার মধু পান কর আর সে তোমার মধু পান করে।

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يزيد بن زريع، قال: حدثنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت: جاءت امرأة رفاعة القرظي إلى النبي صلى الله عليه وسلم وأبو بكر عنده، فقالت: يا رسول الله، إني كنت تحت رفاعة القرظي فطلقني البتة، فتزوجت عبد الرحمن بن الزبير، وإنه والله يا رسول الله ما معه إلا مثل هذه الهدبة، وأخذت هدبة من جلبابها، وخالد بن سعيد بالباب، فلم يأذن له، فقال: يا أبا بكر، ألا تسمع هذه تجهر بما تجهر به عند رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: «تريدين أن ترجعي إلى رفاعة، لا، حتى تذوقي عسيلته ويذوق عسيلتك»


সুনান নাসাঈ > ‘তোমার ব্যাপার তোমার হাতে’ প্রসঙ্গ১

সুনান নাসাঈ ৩৪১০

أخبرنا علي بن نصر بن علي، قال: حدثنا سليمان بن حرب، قال: حدثنا حماد بن زيد، قال: قلت لأيوب: - هل علمت أحدا؟ قال: في أمرك بيدك أنها ثلاث غير - الحسن، فقال: لا، ثم قال: اللهم غفرا، إلا ما حدثني قتادة، عن كثير مولى ابن سمرة، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ثلاث» فلقيت كثيرا، فسألته فلم يعرفه، فرجعت إلى قتادة، فأخبرته، فقال: «نسي» قال أبو عبد الرحمن: «هذا حديث منكر»

হাম্মাদ ইব্‌ন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আমি আইউব (রাঃ)-কে বললাম, আপনি কি হাসান ব্যতীত কাউকেও (আরবি) (অর্থাৎ “তোমার ব্যাপার তোমার হাতে”) বলা দ্বারা তিন তালাক হবে বলে বলতে শুনেছেন ? তিনি বললেন : না। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহ্‌ ক্ষমা করুন। তবে (মনে পড়ছে) কাতাদা (আবূ সালমা (রহঃ)) আবূ হূরায়রা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, (এরূপ বললে)- তিন তালাক হয়ে যাবে। এরপর আমি কাসীর (রহঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম; তিনি তা (হাদিসটি) চিনতে পারলেন না (অস্বীকার করলেন)। এরপর আমি কাতাদা (রহঃ)-এর নিকট ফিরে আসলাম এবং তাঁকে এ সংবাদ দিলাম। তিনি বললেন : সে ভুলে গেছে। আবু আবদুর রহমান বলেন : এটা মুন্‌কার হাদীস।

হাম্মাদ ইব্‌ন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আমি আইউব (রাঃ)-কে বললাম, আপনি কি হাসান ব্যতীত কাউকেও (আরবি) (অর্থাৎ “তোমার ব্যাপার তোমার হাতে”) বলা দ্বারা তিন তালাক হবে বলে বলতে শুনেছেন ? তিনি বললেন : না। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহ্‌ ক্ষমা করুন। তবে (মনে পড়ছে) কাতাদা (আবূ সালমা (রহঃ)) আবূ হূরায়রা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, (এরূপ বললে)- তিন তালাক হয়ে যাবে। এরপর আমি কাসীর (রহঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম; তিনি তা (হাদিসটি) চিনতে পারলেন না (অস্বীকার করলেন)। এরপর আমি কাতাদা (রহঃ)-এর নিকট ফিরে আসলাম এবং তাঁকে এ সংবাদ দিলাম। তিনি বললেন : সে ভুলে গেছে। আবু আবদুর রহমান বলেন : এটা মুন্‌কার হাদীস।

أخبرنا علي بن نصر بن علي، قال: حدثنا سليمان بن حرب، قال: حدثنا حماد بن زيد، قال: قلت لأيوب: - هل علمت أحدا؟ قال: في أمرك بيدك أنها ثلاث غير - الحسن، فقال: لا، ثم قال: اللهم غفرا، إلا ما حدثني قتادة، عن كثير مولى ابن سمرة، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ثلاث» فلقيت كثيرا، فسألته فلم يعرفه، فرجعت إلى قتادة، فأخبرته، فقال: «نسي» قال أبو عبد الرحمن: «هذا حديث منكر»


সুনান নাসাঈ > তিন তালাকপ্রাপ্তাকে হালাল করে বিবাহ প্রসংগে

সুনান নাসাঈ ৩৪১১

حدثنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت: جاءت امرأة رفاعة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت: إن زوجي طلقني، فأبت طلاقي، وإني تزوجت بعده عبد الرحمن بن الزبير وما معه إلا مثل هدبة الثوب، فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم، وقال: «لعلك تريدين أن ترجعي إلى رفاعة، لا، حتى يذوق عسيلتك وتذوقي عسيلته»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : রিফাআ (রাঃ)-এর স্ত্রী রাসূলুল্লাহ (সাঃ)- এর খিদমতে এসে বললো, আমার স্বামী আমাকে তালাক দেয় এবং আমাকে চূড়ান্ত (তিন) তালাক দেয়। এরপর আমি আবদুর রহমান ইব্‌ন যাবীর (রাঃ)-কে বিবাহ করি। কিন্তু তাঁর নিকট কাপড়ের আঁচলের মত ব্যতীত কিছু (শক্তি) নেই। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) হেসে বললেন : মনে হয় তুমি রিফাআ (রাঃ)-এর নিকট ফিরে যেতে চাও। না, (তা হয় না ;) যতক্ষণ না সে তোমার মধুর স্বাদ গ্রহন করে আর তুমি তাঁর মধুর স্বাদ গ্রহন কর।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : রিফাআ (রাঃ)-এর স্ত্রী রাসূলুল্লাহ (সাঃ)- এর খিদমতে এসে বললো, আমার স্বামী আমাকে তালাক দেয় এবং আমাকে চূড়ান্ত (তিন) তালাক দেয়। এরপর আমি আবদুর রহমান ইব্‌ন যাবীর (রাঃ)-কে বিবাহ করি। কিন্তু তাঁর নিকট কাপড়ের আঁচলের মত ব্যতীত কিছু (শক্তি) নেই। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) হেসে বললেন : মনে হয় তুমি রিফাআ (রাঃ)-এর নিকট ফিরে যেতে চাও। না, (তা হয় না ;) যতক্ষণ না সে তোমার মধুর স্বাদ গ্রহন করে আর তুমি তাঁর মধুর স্বাদ গ্রহন কর।

حدثنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت: جاءت امرأة رفاعة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت: إن زوجي طلقني، فأبت طلاقي، وإني تزوجت بعده عبد الرحمن بن الزبير وما معه إلا مثل هدبة الثوب، فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم، وقال: «لعلك تريدين أن ترجعي إلى رفاعة، لا، حتى يذوق عسيلتك وتذوقي عسيلته»


সুনান নাসাঈ ৩৪১২

أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثني عبيد الله، قال: حدثني القاسم، عن عائشة: أن رجلا طلق امرأته ثلاثا فتزوجت زوجا فطلقها قبل أن يمسها، فسئل رسول الله صلى الله عليه وسلم، أتحل للأول؟ فقال: «لا، حتى يذوق عسيلتها كما ذاق الأول»

আয়শা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রী কে তিন তালাক দিল। এরপর সে অন্য স্বামী গ্রহন করলো, কিন্তু সে তাঁকে স্পর্শ করার (সহবাস করার) পূর্বেই তালাক দিল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করা হল : সে কি প্রথম শামির জন্য হালাল হবে? তিনি বললেন, না। (হালাল হবে না,) সে (দ্বিতীয় স্বামী) যতক্ষণ না তাঁর মধুর স্বাদ গ্রহন করে যেমন প্রথম স্বামী গ্রহন করেছিল।

আয়শা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রী কে তিন তালাক দিল। এরপর সে অন্য স্বামী গ্রহন করলো, কিন্তু সে তাঁকে স্পর্শ করার (সহবাস করার) পূর্বেই তালাক দিল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করা হল : সে কি প্রথম শামির জন্য হালাল হবে? তিনি বললেন, না। (হালাল হবে না,) সে (দ্বিতীয় স্বামী) যতক্ষণ না তাঁর মধুর স্বাদ গ্রহন করে যেমন প্রথম স্বামী গ্রহন করেছিল।

أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثني عبيد الله، قال: حدثني القاسم، عن عائشة: أن رجلا طلق امرأته ثلاثا فتزوجت زوجا فطلقها قبل أن يمسها، فسئل رسول الله صلى الله عليه وسلم، أتحل للأول؟ فقال: «لا، حتى يذوق عسيلتها كما ذاق الأول»


সুনান নাসাঈ ৩৪১৩

أخبرنا علي بن حجر، قال: أنبأنا هشيم، قال: أنبأنا يحيى بن أبي إسحق، عن سليمان بن يسار، عن عبيد الله بن عباس: أن الغميصاء، أو الرميصاء أتت النبي صلى الله عليه وسلم تشتكي زوجها أنه لا يصل إليها، فلم يلبث أن جاء زوجها، فقال: يا رسول الله، هي كاذبة وهو يصل إليها، ولكنها تريد أن ترجع إلى زوجها الأول، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ليس ذلك حتى تذوقي عسيلته»

আবদুল্লাহ ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

গুমায়সা অথবা রুমায়সা (নাম্নী এক মহিলা) তার স্বামী সম্বন্ধে অভিযোগ নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)- এর নিকট আসলো যে, সে তার নিকট পৌঁছতে (সহবাস করতে) পারে না। অল্পক্ষণ পরেই তার স্বামী আসলো এবং বললেন : ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ)! সে মিথ্যুক এবং সে তার নিকট যেয়ে থাকে (সহবাস করার ক্ষমতা রাখে)। কিন্তু সে তার প্রথম স্বামীর নিকট ফিরে যেতে চায়। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন : তা হতে পারে না, যতক্ষণ না তুমি তার মধুর স্বাদ গ্রহন কর।

আবদুল্লাহ ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

গুমায়সা অথবা রুমায়সা (নাম্নী এক মহিলা) তার স্বামী সম্বন্ধে অভিযোগ নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)- এর নিকট আসলো যে, সে তার নিকট পৌঁছতে (সহবাস করতে) পারে না। অল্পক্ষণ পরেই তার স্বামী আসলো এবং বললেন : ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ)! সে মিথ্যুক এবং সে তার নিকট যেয়ে থাকে (সহবাস করার ক্ষমতা রাখে)। কিন্তু সে তার প্রথম স্বামীর নিকট ফিরে যেতে চায়। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন : তা হতে পারে না, যতক্ষণ না তুমি তার মধুর স্বাদ গ্রহন কর।

أخبرنا علي بن حجر، قال: أنبأنا هشيم، قال: أنبأنا يحيى بن أبي إسحق، عن سليمان بن يسار، عن عبيد الله بن عباس: أن الغميصاء، أو الرميصاء أتت النبي صلى الله عليه وسلم تشتكي زوجها أنه لا يصل إليها، فلم يلبث أن جاء زوجها، فقال: يا رسول الله، هي كاذبة وهو يصل إليها، ولكنها تريد أن ترجع إلى زوجها الأول، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ليس ذلك حتى تذوقي عسيلته»


সুনান নাসাঈ ৩৪১৪

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا محمد بن جعفر، قال: حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، قال: سمعت سالم بن رزين، يحدث عن سالم بن عبد الله، عن سعيد بن المسيب، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم: في الرجل تكون له المرأة يطلقها ثم يتزوجها رجل آخر فيطلقها قبل أن يدخل بها، فترجع إلى زوجها الأول؟ قال: «لا، حتى تذوق العسيلة»

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, সে তার স্ত্রীকে তালাক দিল। এরপর তাকে অন্য এক ব্যক্তি বিবাহ করলো এবং সে তার সাথে সহবাস করার পূর্বে তাকে তালাক দিল। সে কি তার প্রথম স্বামীর নিকট ফিরে যেতে পারবে ? তিনি বললেন : না, যতক্ষণ না সে (স্ত্রী নতুন স্বামী) মধুর স্বাদ গ্রহন করে।

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, সে তার স্ত্রীকে তালাক দিল। এরপর তাকে অন্য এক ব্যক্তি বিবাহ করলো এবং সে তার সাথে সহবাস করার পূর্বে তাকে তালাক দিল। সে কি তার প্রথম স্বামীর নিকট ফিরে যেতে পারবে ? তিনি বললেন : না, যতক্ষণ না সে (স্ত্রী নতুন স্বামী) মধুর স্বাদ গ্রহন করে।

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا محمد بن جعفر، قال: حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، قال: سمعت سالم بن رزين، يحدث عن سالم بن عبد الله، عن سعيد بن المسيب، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم: في الرجل تكون له المرأة يطلقها ثم يتزوجها رجل آخر فيطلقها قبل أن يدخل بها، فترجع إلى زوجها الأول؟ قال: «لا، حتى تذوق العسيلة»


সুনান নাসাঈ ৩৪১৫

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا وكيع، قال: حدثنا سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن رزين بن سليمان الأحمري، عن ابن عمر، قال: سئل النبي صلى الله عليه وسلم عن الرجل يطلق امرأته ثلاثا فيتزوجها الرجل، فيغلق الباب ويرخي الستر، ثم يطلقها قبل أن يدخل بها؟ قال: «لا تحل للأول حتى يجامعها الآخر» قال أبو عبد الرحمن: «هذا أولى بالصواب»

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, যে তার স্ত্রী কে তিন তালাক দিল। পরে অন্য এক ব্যক্তি তাকে বিবাহ করলো। সে দরজা বন্ধ করে পর্দা ঝুলিয়ে দিল। এরপর তার সাথে সহবাস করার পূর্বে তাকে তালাক দিল। তিনি (নবী) বললেন : সে প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে না। যতক্ষণ না দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে সহবাস করে। ইমাম আবু আবদুর রহমান নাসাঈ (রহঃ) বলেন : হাদীসটি (সনদের মানদণ্ডে) অধিক সঠিক।

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, যে তার স্ত্রী কে তিন তালাক দিল। পরে অন্য এক ব্যক্তি তাকে বিবাহ করলো। সে দরজা বন্ধ করে পর্দা ঝুলিয়ে দিল। এরপর তার সাথে সহবাস করার পূর্বে তাকে তালাক দিল। তিনি (নবী) বললেন : সে প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে না। যতক্ষণ না দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে সহবাস করে। ইমাম আবু আবদুর রহমান নাসাঈ (রহঃ) বলেন : হাদীসটি (সনদের মানদণ্ডে) অধিক সঠিক।

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا وكيع، قال: حدثنا سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن رزين بن سليمان الأحمري، عن ابن عمر، قال: سئل النبي صلى الله عليه وسلم عن الرجل يطلق امرأته ثلاثا فيتزوجها الرجل، فيغلق الباب ويرخي الستر، ثم يطلقها قبل أن يدخل بها؟ قال: «لا تحل للأول حتى يجامعها الآخر» قال أبو عبد الرحمن: «هذا أولى بالصواب»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00