সুনান নাসাঈ > সুন্নাত পদ্ধতির তালাক
সুনান নাসাঈ ৩৩৯৫
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، عن سفيان، عن أبي إسحق، عن أبي الأحوص، عن عبد الله، قال: «طلاق السنة أن يطلقها طاهرا في غير جماع»
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ সুন্নত তালাক হলো স্ত্রীকে যে পবিত্রতা (মাসিক না থাকা) অবস্থায় সহবাস করা হয় নি, সে সময় তাকে (স্ত্রীকে) এক তালাক দেয়া।
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ সুন্নত তালাক হলো স্ত্রীকে যে পবিত্রতা (মাসিক না থাকা) অবস্থায় সহবাস করা হয় নি, সে সময় তাকে (স্ত্রীকে) এক তালাক দেয়া।
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، عن سفيان، عن أبي إسحق، عن أبي الأحوص، عن عبد الله، قال: «طلاق السنة أن يطلقها طاهرا في غير جماع»
সুনান নাসাঈ ৩৩৯৪
أخبرنا محمد بن يحيى بن أيوب، قال: حدثنا حفص بن غياث، قال: حدثنا الأعمش، عن أبي إسحق، عن أبي الأحوص، عن عبد الله، أنه قال: «طلاق السنة تطليقة وهي طاهر في غير جماع، فإذا حاضت وطهرت طلقها أخرى، فإذا حاضت وطهرت طلقها أخرى، ثم تعتد بعد ذلك بحيضة» قال الأعمش: سألت إبراهيم فقال مثل ذلك
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ সুন্নত তালাক হলো, যে পাক (মাসিক না থাকা) অবস্থায় সহবাস করা হয়নি, তাতে এক তালাক দিবে। এরপর যখন হায়েয হওয়ার পর পাক হয়, তখন তাকে আর এক তালাক দিবে। এরপর যখন সে আবার হায়েয থেকে পাক হয়, তখন আরো এক তালাক দিবে। এরপর সে (এক) হায়েয ইদ্দত পালন করবে। আ’মাশ (রহঃ) বলেনঃ আমি ইবরাহীমকে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি এরূপ বললেন।
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ সুন্নত তালাক হলো, যে পাক (মাসিক না থাকা) অবস্থায় সহবাস করা হয়নি, তাতে এক তালাক দিবে। এরপর যখন হায়েয হওয়ার পর পাক হয়, তখন তাকে আর এক তালাক দিবে। এরপর যখন সে আবার হায়েয থেকে পাক হয়, তখন আরো এক তালাক দিবে। এরপর সে (এক) হায়েয ইদ্দত পালন করবে। আ’মাশ (রহঃ) বলেনঃ আমি ইবরাহীমকে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি এরূপ বললেন।
أخبرنا محمد بن يحيى بن أيوب، قال: حدثنا حفص بن غياث، قال: حدثنا الأعمش، عن أبي إسحق، عن أبي الأحوص، عن عبد الله، أنه قال: «طلاق السنة تطليقة وهي طاهر في غير جماع، فإذا حاضت وطهرت طلقها أخرى، فإذا حاضت وطهرت طلقها أخرى، ثم تعتد بعد ذلك بحيضة» قال الأعمش: سألت إبراهيم فقال مثل ذلك
সুনান নাসাঈ > স্ত্রীর হায়েয অবস্থায় এক তালাক দিলে এর হুকুম কি?
সুনান নাসাঈ ৩৩৯৭
أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا وكيع، قال: حدثنا سفيان، عن محمد بن عبد الرحمن، مولى طلحة، عن سالم بن عبد الله، عن ابن عمر: أنه طلق امرأته وهي حائض، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم، فقال: «مره فليراجعها، ثم ليطلقها وهي طاهر أو حامل»
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দিলেন। এই খবর নবী(সাঃ) – এর নিকট পৌছলে তিনি বললেন, তাকে বল, সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়, এরপর তাকে তালাক দেয় পাক অবস্থায় অথবা গর্ভাবস্থায় (হওয়া স্পষ্টরূপে নিদেশিত হওয়ার পরে)।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দিলেন। এই খবর নবী(সাঃ) – এর নিকট পৌছলে তিনি বললেন, তাকে বল, সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়, এরপর তাকে তালাক দেয় পাক অবস্থায় অথবা গর্ভাবস্থায় (হওয়া স্পষ্টরূপে নিদেশিত হওয়ার পরে)।
أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا وكيع، قال: حدثنا سفيان، عن محمد بن عبد الرحمن، مولى طلحة، عن سالم بن عبد الله، عن ابن عمر: أنه طلق امرأته وهي حائض، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم، فقال: «مره فليراجعها، ثم ليطلقها وهي طاهر أو حامل»
সুনান নাসাঈ ৩৩৯৮
أخبرني زياد بن أيوب، قال: حدثنا هشيم، قال: أخبرنا أبو بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عمر: أنه «طلق امرأته وهي حائض، فردها عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى طلقها وهي طاهر»
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দিলে রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) তাকে তার নিকট ফিরিয়ে দেন। পরে তিনি তাকে পাক-পবিত্র অবস্থায় (যথা নিয়মে) তালাক দেন।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দিলে রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) তাকে তার নিকট ফিরিয়ে দেন। পরে তিনি তাকে পাক-পবিত্র অবস্থায় (যথা নিয়মে) তালাক দেন।
أخبرني زياد بن أيوب، قال: حدثنا هشيم، قال: أخبرنا أبو بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عمر: أنه «طلق امرأته وهي حائض، فردها عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى طلقها وهي طاهر»
সুনান নাসাঈ ৩৩৯৬
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا المعتمر، قال: سمعت عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن عبد الله: أنه طلق امرأته وهي حائض تطليقة، فانطلق عمر فأخبر النبي صلى الله عليه وسلم بذلك، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: «مر عبد الله فليراجعها، فإذا اغتسلت فليتركها حتى تحيض، فإذا اغتسلت من حيضتها الأخرى فلا يمسها حتى يطلقها، فإن شاء أن يمسكها فليمسكها، فإنها العدة التي أمر الله عز وجل أن تطلق لها النساء»
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় এক তালাক দেন। তখন উমর (রাঃ) গিয়ে নবী (সাঃ) – কে এ সংবাদ দিলে তিনি তাকে বললেন, আব্দুল্লাহকে বল, সে যেন তাকে ফিরিয়ে রাখে এবং যখন সে (হায়েয থেকে পবিত্র হয়ে) গোসল করবে, তখন অন্য হায়েয পযন্ত সহবাস করবে না, যখন অন্য হায়েয হতে গোসল করবে, তখন তাকে তালাক দেওয়ার আগে স্পর্শ (সহবাস) করবে না। যদি তাকে রাখতে চায়, তবে রেখে দেবে। এটাই সেই ইদ্দত – মহান মহিয়ান আল্লাহ্ পাক যার প্রতি লক্ষ্য রেখে স্ত্রীদের তালাক দেয়ার আদেশ করেছেন।
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় এক তালাক দেন। তখন উমর (রাঃ) গিয়ে নবী (সাঃ) – কে এ সংবাদ দিলে তিনি তাকে বললেন, আব্দুল্লাহকে বল, সে যেন তাকে ফিরিয়ে রাখে এবং যখন সে (হায়েয থেকে পবিত্র হয়ে) গোসল করবে, তখন অন্য হায়েয পযন্ত সহবাস করবে না, যখন অন্য হায়েয হতে গোসল করবে, তখন তাকে তালাক দেওয়ার আগে স্পর্শ (সহবাস) করবে না। যদি তাকে রাখতে চায়, তবে রেখে দেবে। এটাই সেই ইদ্দত – মহান মহিয়ান আল্লাহ্ পাক যার প্রতি লক্ষ্য রেখে স্ত্রীদের তালাক দেয়ার আদেশ করেছেন।
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا المعتمر، قال: سمعت عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن عبد الله: أنه طلق امرأته وهي حائض تطليقة، فانطلق عمر فأخبر النبي صلى الله عليه وسلم بذلك، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: «مر عبد الله فليراجعها، فإذا اغتسلت فليتركها حتى تحيض، فإذا اغتسلت من حيضتها الأخرى فلا يمسها حتى يطلقها، فإن شاء أن يمسكها فليمسكها، فإنها العدة التي أمر الله عز وجل أن تطلق لها النساء»
সুনান নাসাঈ ৩৩৯৯
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا حماد، عن أيوب، عن محمد، عن يونس بن جبير، قال: سألت ابن عمر، عن رجل طلق امرأته وهي حائض، فقال: هل تعرف عبد الله بن عمر، فإنه طلق امرأته وهي حائض، فسأل عمر النبي صلى الله عليه وسلم، «فأمره أن يراجعها، ثم يستقبل عدتها» فقلت له: فيعتد بتلك التطليقة، فقال: «مه، أرأيت إن عجز واستحمق»
ইঊনুস ইব্ন জুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইব্ন উমর(রাঃ)- কে এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম, যে তার স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দিয়েছে। তখন তিনি বলেনঃ তুমি কি আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ)-কে চিন? সে তার স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দেয়, তখন উমর (রাঃ) নবী(সাঃ) এর নিকট এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তাকে আদেশ করলেনঃ সে যেন তাকে ফিরিয়ে রাখে এবং এরপর তার ইদ্দতের (সুষ্ঠু ব্যবস্থার) অপেক্ষা করবে। তখন তাকে আমি বললামঃ এই তালাকের জন্য কি ইদ্দত পালন করবে? তিনি বললেনঃ তবে আর কী? সে যদি অক্ষমতা এবং মূর্খতার পরিচয় দেয়, তাহলে তুমি বল তো (কি সে তালাক গণ্য হবে না) ?
ইঊনুস ইব্ন জুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইব্ন উমর(রাঃ)- কে এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম, যে তার স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দিয়েছে। তখন তিনি বলেনঃ তুমি কি আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ)-কে চিন? সে তার স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দেয়, তখন উমর (রাঃ) নবী(সাঃ) এর নিকট এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তাকে আদেশ করলেনঃ সে যেন তাকে ফিরিয়ে রাখে এবং এরপর তার ইদ্দতের (সুষ্ঠু ব্যবস্থার) অপেক্ষা করবে। তখন তাকে আমি বললামঃ এই তালাকের জন্য কি ইদ্দত পালন করবে? তিনি বললেনঃ তবে আর কী? সে যদি অক্ষমতা এবং মূর্খতার পরিচয় দেয়, তাহলে তুমি বল তো (কি সে তালাক গণ্য হবে না) ?
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا حماد، عن أيوب، عن محمد، عن يونس بن جبير، قال: سألت ابن عمر، عن رجل طلق امرأته وهي حائض، فقال: هل تعرف عبد الله بن عمر، فإنه طلق امرأته وهي حائض، فسأل عمر النبي صلى الله عليه وسلم، «فأمره أن يراجعها، ثم يستقبل عدتها» فقلت له: فيعتد بتلك التطليقة، فقال: «مه، أرأيت إن عجز واستحمق»
সুনান নাসাঈ ৩৪০০
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا ابن علية، عن يونس، عن محمد بن سيرين، عن يونس بن جبير، قال: قلت لابن عمر: رجل طلق امرأته وهي حائض، فقال: أتعرف عبد الله بن عمر، فإنه طلق امرأته وهي حائض، فأتى عمر النبي صلى الله عليه وسلم يسأله، «فأمره أن يراجعها، ثم يستقبل عدتها» قلت له: إذا طلق الرجل امرأته وهي حائض، أيعتد بتلك التطليقة؟ فقال: «مه، وإن عجز واستحمق»
ইঊনুস ইব্ন জুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি ইব্ন উমর (রাঃ)- কে বললামঃ এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দিয়েছে। তখন তিনি বললেনঃ তুমি কি আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ)-কে চিন, সে তার স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দেয়, তখন উমর (রাঃ) তার এ বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট আসলে, তিনি তাকে এ নির্দেশ দেন যে, সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়; এরপর তার ইদ্দতের (যথার্থ সময়ের) অপেক্ষা করে। আমি তাকে বললামঃ যখন কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দেয়, তখন এই তালাকের জন্যও কি তাকে ইদ্দত পালন করতে হবে? তিনি বললেনঃ তবে আর কী? যদি সে অক্ষমতা এবং মূর্খতার পরিচয় দেয়, তাহলে তুমিই বল (সে কি তালাক গণ্য হবে না) ?
ইঊনুস ইব্ন জুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি ইব্ন উমর (রাঃ)- কে বললামঃ এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দিয়েছে। তখন তিনি বললেনঃ তুমি কি আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ)-কে চিন, সে তার স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দেয়, তখন উমর (রাঃ) তার এ বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট আসলে, তিনি তাকে এ নির্দেশ দেন যে, সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়; এরপর তার ইদ্দতের (যথার্থ সময়ের) অপেক্ষা করে। আমি তাকে বললামঃ যখন কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দেয়, তখন এই তালাকের জন্যও কি তাকে ইদ্দত পালন করতে হবে? তিনি বললেনঃ তবে আর কী? যদি সে অক্ষমতা এবং মূর্খতার পরিচয় দেয়, তাহলে তুমিই বল (সে কি তালাক গণ্য হবে না) ?
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا ابن علية، عن يونس، عن محمد بن سيرين، عن يونس بن جبير، قال: قلت لابن عمر: رجل طلق امرأته وهي حائض، فقال: أتعرف عبد الله بن عمر، فإنه طلق امرأته وهي حائض، فأتى عمر النبي صلى الله عليه وسلم يسأله، «فأمره أن يراجعها، ثم يستقبل عدتها» قلت له: إذا طلق الرجل امرأته وهي حائض، أيعتد بتلك التطليقة؟ فقال: «مه، وإن عجز واستحمق»
সুনান নাসাঈ > একত্রে তিন তালাক এবং সে বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি
সুনান নাসাঈ ৩৪০৪
أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا عبد الرحمن، قال: حدثنا سفيان، عن سلمة، عن الشعبي، عن فاطمة بنت قيس، عن النبي صلى الله عليه وسلم: «المطلقة ثلاثا ليس لها سكنى ولا نفقة»
ফাতিমা বিনত কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন)- তিন তালাকপ্রাপ্তা নারীর কোন খোরপোষ ও বাসস্থান নেই।
ফাতিমা বিনত কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(তিনি বলেন)- তিন তালাকপ্রাপ্তা নারীর কোন খোরপোষ ও বাসস্থান নেই।
أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا عبد الرحمن، قال: حدثنا سفيان، عن سلمة، عن الشعبي، عن فاطمة بنت قيس، عن النبي صلى الله عليه وسلم: «المطلقة ثلاثا ليس لها سكنى ولا نفقة»
সুনান নাসাঈ ৩৪০১
أخبرنا سليمان بن داود، عن ابن وهب، قال: أخبرني مخرمة، عن أبيه، قال: سمعت محمود بن لبيد، قال: أخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن رجل طلق امرأته ثلاث تطليقات جميعا، فقام غضبانا ثم قال: «أيلعب بكتاب الله وأنا بين أظهركم؟» حتى قام رجل وقال: يا رسول الله، ألا أقتله؟
ইব্ন মাখরামা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুলাহ (সাঃ)- কে এক ব্যক্তি সম্বন্ধে অবহিত করা হলো, সে তার স্ত্রীকে একত্রে তিন তালাক দিয়েছে। এ কথা শুনে তিনি রাগান্বিত হয়ে দাঁড়িয়ে বললেনঃ সে কি আল্লাহর কিতাব নিয়ে খেলা করছে? অথচ আমি তোমাদের মাঝেই রয়েছি। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ্। আমি কি তাকে হত্যা করবো না?
ইব্ন মাখরামা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুলাহ (সাঃ)- কে এক ব্যক্তি সম্বন্ধে অবহিত করা হলো, সে তার স্ত্রীকে একত্রে তিন তালাক দিয়েছে। এ কথা শুনে তিনি রাগান্বিত হয়ে দাঁড়িয়ে বললেনঃ সে কি আল্লাহর কিতাব নিয়ে খেলা করছে? অথচ আমি তোমাদের মাঝেই রয়েছি। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ্। আমি কি তাকে হত্যা করবো না?
أخبرنا سليمان بن داود، عن ابن وهب، قال: أخبرني مخرمة، عن أبيه، قال: سمعت محمود بن لبيد، قال: أخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن رجل طلق امرأته ثلاث تطليقات جميعا، فقام غضبانا ثم قال: «أيلعب بكتاب الله وأنا بين أظهركم؟» حتى قام رجل وقال: يا رسول الله، ألا أقتله؟
সুনান নাসাঈ ৩৪০৫
أخبرنا عمرو بن عثمان، قال: حدثنا بقية، عن أبي عمرو وهو الأوزاعي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثني أبو سلمة، قال: حدثتني فاطمة بنت قيس: أن أبا عمرو بن حفص المخزومي طلقها ثلاثا، فانطلق خالد بن الوليد في نفر من بني مخزوم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: يا رسول الله، إن أبا عمرو بن حفص طلق فاطمة ثلاثا، فهل لها نفقة؟ فقال: «ليس لها نفقة ولا سكنى»
আবু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমার কাছে ফাতিমা বিন্ত কায়স (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, আবু আমর ইব্ন হাফ্স মাখযুমী তাকে তিন তালাক দিলে খালিদ ইব্ন ওয়ালীদ বনী মাখযুমের একটি ছোট দল নিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)- এর নিকট গিয়ে বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ্। আবু আমর ইব্ন হাফ্স (রাঃ) ফাতিমাকে তিন তালাক দিয়েছে, এখন কি সে খোরপোষ পাবে? তখন তিনি বললেনঃ তার জন্য কোন খোরপোষ এবং বাসস্থান নেই।
আবু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমার কাছে ফাতিমা বিন্ত কায়স (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, আবু আমর ইব্ন হাফ্স মাখযুমী তাকে তিন তালাক দিলে খালিদ ইব্ন ওয়ালীদ বনী মাখযুমের একটি ছোট দল নিয়ে রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)- এর নিকট গিয়ে বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ্। আবু আমর ইব্ন হাফ্স (রাঃ) ফাতিমাকে তিন তালাক দিয়েছে, এখন কি সে খোরপোষ পাবে? তখন তিনি বললেনঃ তার জন্য কোন খোরপোষ এবং বাসস্থান নেই।
أخبرنا عمرو بن عثمان، قال: حدثنا بقية، عن أبي عمرو وهو الأوزاعي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثني أبو سلمة، قال: حدثتني فاطمة بنت قيس: أن أبا عمرو بن حفص المخزومي طلقها ثلاثا، فانطلق خالد بن الوليد في نفر من بني مخزوم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: يا رسول الله، إن أبا عمرو بن حفص طلق فاطمة ثلاثا، فهل لها نفقة؟ فقال: «ليس لها نفقة ولا سكنى»
সুনান নাসাঈ ৩৪০৩
أخبرنا أحمد بن يحيى، قال: حدثنا أبو نعيم، قال: حدثنا سعيد بن يزيد الأحمسي، قال: حدثنا الشعبي، قال: حدثتني فاطمة بنت قيس، قالت: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فقلت: أنا بنت آل خالد، وإن زوجي فلانا أرسل إلي بطلاقي، وإني سألت أهله النفقة والسكنى فأبوا علي، قالوا: يا رسول الله، إنه قد أرسل إليها بثلاث تطليقات، قالت: فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إنما النفقة والسكنى للمرأة إذا كان لزوجها عليها الرجعة»
শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা বিনতে কায়স (রাঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে আমি রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)- এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে বললামঃ আমি আলে-খালিদের কন্যা। আর আমার স্বামী অমুক, আমার নিকট তালাকের খবর পাঠিয়েছে। আমি তার অভিভাবকের নিকট খোরপোষ এবং বাসস্থান চাইলে তারা তা আমাকে দিতে অস্বীকার করেছে। ইয়া রাসুলুল্লাহ্। তারা বললেনঃ সে তার নিকট তিন তালাকের খবর পাঠিয়েছে। তিনি বলেন, তখন রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) বললেনঃ খোরপোষ এবং বাসস্থান স্ত্রীর জন্য ঐ সময় দেওয়া হবে যখন তাকে ফিরিয়ে আনার (রুজ্জ’ কারার) অধিকার স্বামীর থাকে।
শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা বিনতে কায়স (রাঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে আমি রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)- এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে বললামঃ আমি আলে-খালিদের কন্যা। আর আমার স্বামী অমুক, আমার নিকট তালাকের খবর পাঠিয়েছে। আমি তার অভিভাবকের নিকট খোরপোষ এবং বাসস্থান চাইলে তারা তা আমাকে দিতে অস্বীকার করেছে। ইয়া রাসুলুল্লাহ্। তারা বললেনঃ সে তার নিকট তিন তালাকের খবর পাঠিয়েছে। তিনি বলেন, তখন রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) বললেনঃ খোরপোষ এবং বাসস্থান স্ত্রীর জন্য ঐ সময় দেওয়া হবে যখন তাকে ফিরিয়ে আনার (রুজ্জ’ কারার) অধিকার স্বামীর থাকে।
أخبرنا أحمد بن يحيى، قال: حدثنا أبو نعيم، قال: حدثنا سعيد بن يزيد الأحمسي، قال: حدثنا الشعبي، قال: حدثتني فاطمة بنت قيس، قالت: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فقلت: أنا بنت آل خالد، وإن زوجي فلانا أرسل إلي بطلاقي، وإني سألت أهله النفقة والسكنى فأبوا علي، قالوا: يا رسول الله، إنه قد أرسل إليها بثلاث تطليقات، قالت: فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إنما النفقة والسكنى للمرأة إذا كان لزوجها عليها الرجعة»
সুনান নাসাঈ ৩৪০২
أخبرنا محمد بن سلمة، قال: حدثنا ابن القاسم، عن مالك، قال: حدثني ابن شهاب، أن سهل بن سعد الساعدي، أخبره: أن عويمرا العجلاني جاء إلى عاصم بن عدي فقال: أرأيت يا عاصم لو أن رجلا وجد مع امرأته رجلا، أيقتله فيقتلونه أم كيف يفعل؟ سل لي يا عاصم رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك، فسأل عاصم رسول الله صلى الله عليه وسلم، فكره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسائل وعابها حتى كبر على عاصم ما سمع من رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلما رجع عاصم إلى أهله جاءه عويمر فقال: يا عاصم، ماذا قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ فقال عاصم لعويمر: لم تأتني بخير قد كره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسألة التي سألت عنها، فقال عويمر: والله لا أنتهي حتى أسأل عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأقبل عويمر حتى أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم وسط الناس، فقال: يا رسول الله، أرأيت رجلا وجد مع امرأته رجلا، أيقتله فتقتلونه أم كيف يفعل؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «قد نزل فيك وفي صاحبتك، فاذهب فأت بها» قال سهل: فتلاعنا وأنا مع الناس عند رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلما فرغ عويمر قال: كذبت عليها يا رسول الله إن أمسكتها، فطلقها ثلاثا قبل أن يأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাহ্-ল ইব্ন সা’দ সাঈদী তাঁকে অবহিত করেছেন যে, ‘উওয়াইমির ‘আজলানী ‘আসিম ইব্ন আদী (রা.) – এর নিকট আগমন করে বললেনঃ হে ‘আসিম। তুমি কি মনে কর, যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে কোন ব্যক্তিকে দেখতে পায়, তাহলে সে কি তাকে হত্যা করবে? তা হলে তো লোকেরাও তাকে হত্যা করবে অথবা কি করবে? হে আসিম। তুমি আমার পক্ষ হয়ে রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) – কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা কর। তখন আসিম রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)- কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বেশি প্রশ্ন করা অপছন্দ করলেন এবং তাতে দোষারোপ করলেন। রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) থেকে যা শুনলেন, তা আসিম (রাঃ) অতিশয় গুরুতর মনে করলেন। আসিম (রাঃ) ঘরে ফিরে আসলে উওয়াইমির (রাঃ) – কে বললেনঃ তুমি তো আমার নিকট কিছু নিয়ে আসোনি, আমি যা জিজ্ঞাসা করেছি, তাতে রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) অসন্তুষ্ট হয়েছেন। উওয়াইমির (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহর শপথ। আমি রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)- কে জিজ্ঞাসা না করে ক্ষান্ত হবো না। এরপর উওয়াইমির (রাঃ) রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)- এর নিকট আগমন করে জনসমক্ষে বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)। আপনি ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে কী বলেন, যে তার স্ত্রীর সাথে অন্য কোন ব্যক্তি দেখতে পায়। সে কি হত্যা করবে, ফলে আপনারাও তাকে হত্যা করবেন অথবা সে কি করবে? তখন রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) বললেনঃ তোমার এবং তোমার সংগিনীর ব্যাপারে ফয়সালা নাযিল হয়েছে। অতএব তুমি গিয়ে তাকে নিয়ো এসো। সাহল (রাঃ) বলেনঃ এরপর উভয় এসে লি’আন১ করলেন। তখন আমি অন্যান্য লোকের সাথে রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট ছিলাম। যখন উওয়াইমির (রাঃ) লি’আন শেষ করলেন। তখন তিনি বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ্। যদি তাকে রাখি, তাহলে (লোকেরা বলবে) আমি তার উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়েছিলাম। এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) – এর আদেশ করার পূর্বেই তিনি তাকে তিন তালাক দিলেন।
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাহ্-ল ইব্ন সা’দ সাঈদী তাঁকে অবহিত করেছেন যে, ‘উওয়াইমির ‘আজলানী ‘আসিম ইব্ন আদী (রা.) – এর নিকট আগমন করে বললেনঃ হে ‘আসিম। তুমি কি মনে কর, যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে কোন ব্যক্তিকে দেখতে পায়, তাহলে সে কি তাকে হত্যা করবে? তা হলে তো লোকেরাও তাকে হত্যা করবে অথবা কি করবে? হে আসিম। তুমি আমার পক্ষ হয়ে রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) – কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা কর। তখন আসিম রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)- কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বেশি প্রশ্ন করা অপছন্দ করলেন এবং তাতে দোষারোপ করলেন। রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) থেকে যা শুনলেন, তা আসিম (রাঃ) অতিশয় গুরুতর মনে করলেন। আসিম (রাঃ) ঘরে ফিরে আসলে উওয়াইমির (রাঃ) – কে বললেনঃ তুমি তো আমার নিকট কিছু নিয়ে আসোনি, আমি যা জিজ্ঞাসা করেছি, তাতে রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) অসন্তুষ্ট হয়েছেন। উওয়াইমির (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহর শপথ। আমি রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)- কে জিজ্ঞাসা না করে ক্ষান্ত হবো না। এরপর উওয়াইমির (রাঃ) রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)- এর নিকট আগমন করে জনসমক্ষে বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)। আপনি ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে কী বলেন, যে তার স্ত্রীর সাথে অন্য কোন ব্যক্তি দেখতে পায়। সে কি হত্যা করবে, ফলে আপনারাও তাকে হত্যা করবেন অথবা সে কি করবে? তখন রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) বললেনঃ তোমার এবং তোমার সংগিনীর ব্যাপারে ফয়সালা নাযিল হয়েছে। অতএব তুমি গিয়ে তাকে নিয়ো এসো। সাহল (রাঃ) বলেনঃ এরপর উভয় এসে লি’আন১ করলেন। তখন আমি অন্যান্য লোকের সাথে রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট ছিলাম। যখন উওয়াইমির (রাঃ) লি’আন শেষ করলেন। তখন তিনি বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ্। যদি তাকে রাখি, তাহলে (লোকেরা বলবে) আমি তার উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়েছিলাম। এরপর রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) – এর আদেশ করার পূর্বেই তিনি তাকে তিন তালাক দিলেন।
أخبرنا محمد بن سلمة، قال: حدثنا ابن القاسم، عن مالك، قال: حدثني ابن شهاب، أن سهل بن سعد الساعدي، أخبره: أن عويمرا العجلاني جاء إلى عاصم بن عدي فقال: أرأيت يا عاصم لو أن رجلا وجد مع امرأته رجلا، أيقتله فيقتلونه أم كيف يفعل؟ سل لي يا عاصم رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك، فسأل عاصم رسول الله صلى الله عليه وسلم، فكره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسائل وعابها حتى كبر على عاصم ما سمع من رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلما رجع عاصم إلى أهله جاءه عويمر فقال: يا عاصم، ماذا قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ فقال عاصم لعويمر: لم تأتني بخير قد كره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسألة التي سألت عنها، فقال عويمر: والله لا أنتهي حتى أسأل عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأقبل عويمر حتى أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم وسط الناس، فقال: يا رسول الله، أرأيت رجلا وجد مع امرأته رجلا، أيقتله فتقتلونه أم كيف يفعل؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «قد نزل فيك وفي صاحبتك، فاذهب فأت بها» قال سهل: فتلاعنا وأنا مع الناس عند رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلما فرغ عويمر قال: كذبت عليها يا رسول الله إن أمسكتها، فطلقها ثلاثا قبل أن يأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم
সুনান নাসাঈ > স্বামী-স্ত্রীর সংগত হওয়ার পূর্বে বিভিন্ন সময়ে তিন তালাক দিলে
সুনান নাসাঈ ৩৪০৬
أخبرنا أبو داود سليمان بن سيف، قال: حدثنا أبو عاصم، عن ابن جريج، عن ابن طاوس، عن أبيه: أن أبا الصهباء جاء إلى ابن عباس، فقال: يا ابن عباس، ألم تعلم أن الثلاث كانت على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبي بكر، وصدرا من خلافة عمر رضي الله عنهما ترد إلى الواحدة؟ قال: «نعم»
ইব্ন তাউস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবু সাহবা (রহঃ) ইব্ন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট এসে বললেন : হে ইব্ন আব্বাস! আপনি কি জানেন না, রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর যুগে এবং আবু বকর ও উমর (রাঃ)-এর প্রথম যুগে তিন তালাককে এক তালাক ধরা হতো ? তিনি বললেন : হ্যাঁ।
ইব্ন তাউস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবু সাহবা (রহঃ) ইব্ন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট এসে বললেন : হে ইব্ন আব্বাস! আপনি কি জানেন না, রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর যুগে এবং আবু বকর ও উমর (রাঃ)-এর প্রথম যুগে তিন তালাককে এক তালাক ধরা হতো ? তিনি বললেন : হ্যাঁ।
أخبرنا أبو داود سليمان بن سيف، قال: حدثنا أبو عاصم، عن ابن جريج، عن ابن طاوس، عن أبيه: أن أبا الصهباء جاء إلى ابن عباس، فقال: يا ابن عباس، ألم تعلم أن الثلاث كانت على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبي بكر، وصدرا من خلافة عمر رضي الله عنهما ترد إلى الواحدة؟ قال: «نعم»