সুনান নাসাঈ > সফরে বাসর যাপন
সুনান নাসাঈ ৩৩৮১
أخبرنا محمد بن نصر، قال: حدثنا أيوب بن سليمان، قال: حدثني أبو بكر بن أبي أويس، عن سليمان بن بلال، عن يحيى، عن حميد، أنه سمع أنسا، يقول: «إن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقام على صفية بنت حيي بن أخطب بطريق خيبر ثلاثة أيام حين عرس بها، ثم كانت فيمن ضرب عليها الحجاب»
হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আনাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বরের পথে হুরাই ইবন আখতাবের কন্যা সাফিয়্যা (রাঃ)-এর সাথে তিন দিন অতিবাহিত করেন। এরপর তিনি ঐ সকল লোকের মধ্যে পরিগণিত হন, যাদের ব্যাপারে পর্দা করা হতো।
হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আনাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বরের পথে হুরাই ইবন আখতাবের কন্যা সাফিয়্যা (রাঃ)-এর সাথে তিন দিন অতিবাহিত করেন। এরপর তিনি ঐ সকল লোকের মধ্যে পরিগণিত হন, যাদের ব্যাপারে পর্দা করা হতো।
أخبرنا محمد بن نصر، قال: حدثنا أيوب بن سليمان، قال: حدثني أبو بكر بن أبي أويس، عن سليمان بن بلال، عن يحيى، عن حميد، أنه سمع أنسا، يقول: «إن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقام على صفية بنت حيي بن أخطب بطريق خيبر ثلاثة أيام حين عرس بها، ثم كانت فيمن ضرب عليها الحجاب»
সুনান নাসাঈ ৩৩৮২
أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا إسمعيل، قال: حدثنا حميد، عن أنس، قال: " أقام النبي صلى الله عليه وسلم بين خيبر والمدينة ثلاثا يبني بصفية بنت حيي، فدعوت المسلمين إلى وليمته، فما كان فيها من خبز ولا لحم، أمر بالأنطاع، وألقى عليها من التمر والأقط والسمن، فكانت وليمته، فقال المسلمون: إحدى أمهات المؤمنين، أو مما ملكت يمينه، فقالوا: إن حجبها، فهي من أمهات المؤمنين، وإن لم يحجبها، فهي مما ملكت يمينه، فلما ارتحل وطأ لها خلفه، ومد الحجاب بينها وبين الناس "
হুমায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বর এবং মদীনার মধ্যস্থলে তিনদিন সাফিয়্যা বিনত হুয়াই (রাঃ)-এর সংগে কাটান। আমি তাঁর ওয়ালীমার জন্য মুসলমানদের দাওয়াত দিলাম। তাতে গোশত ও রুটি কিছুই ছিল না। তিনি চামড়ার দস্তরখান বিছাতে আদেশ করলেন। লোকেরা তার উপর খেজুর, পনীর, ঘি রাখতে লাগলো। এটাই ছিল তাঁর ওয়ালীমা। মুসলমানগণ বলতে লাগলো, তিনি উম্মাহাতুল মু’মীনের একজন, না তাঁর দাসীদের একজন? তারা বললেনঃ যদি তাঁকে পর্দায় রাখা হয়, তবে তিনি উম্মাহাতুল মু’মিনীনের অন্তর্ভুক্ত। আর যদি পর্দা না করা হয়, তবে তিনি বাঁদীদের একজন। যখন প্রত্যাবর্তনের সময় হলো, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সওয়ারীর হাওদার পেছনে তাঁর বসার ব্যবস্থা করলেন এবং অন্যান্য লোক ও তাঁর মধ্যে পর্দার ব্যবস্থা করলেন।
হুমায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বর এবং মদীনার মধ্যস্থলে তিনদিন সাফিয়্যা বিনত হুয়াই (রাঃ)-এর সংগে কাটান। আমি তাঁর ওয়ালীমার জন্য মুসলমানদের দাওয়াত দিলাম। তাতে গোশত ও রুটি কিছুই ছিল না। তিনি চামড়ার দস্তরখান বিছাতে আদেশ করলেন। লোকেরা তার উপর খেজুর, পনীর, ঘি রাখতে লাগলো। এটাই ছিল তাঁর ওয়ালীমা। মুসলমানগণ বলতে লাগলো, তিনি উম্মাহাতুল মু’মীনের একজন, না তাঁর দাসীদের একজন? তারা বললেনঃ যদি তাঁকে পর্দায় রাখা হয়, তবে তিনি উম্মাহাতুল মু’মিনীনের অন্তর্ভুক্ত। আর যদি পর্দা না করা হয়, তবে তিনি বাঁদীদের একজন। যখন প্রত্যাবর্তনের সময় হলো, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সওয়ারীর হাওদার পেছনে তাঁর বসার ব্যবস্থা করলেন এবং অন্যান্য লোক ও তাঁর মধ্যে পর্দার ব্যবস্থা করলেন।
أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا إسمعيل، قال: حدثنا حميد، عن أنس، قال: " أقام النبي صلى الله عليه وسلم بين خيبر والمدينة ثلاثا يبني بصفية بنت حيي، فدعوت المسلمين إلى وليمته، فما كان فيها من خبز ولا لحم، أمر بالأنطاع، وألقى عليها من التمر والأقط والسمن، فكانت وليمته، فقال المسلمون: إحدى أمهات المؤمنين، أو مما ملكت يمينه، فقالوا: إن حجبها، فهي من أمهات المؤمنين، وإن لم يحجبها، فهي مما ملكت يمينه، فلما ارتحل وطأ لها خلفه، ومد الحجاب بينها وبين الناس "
সুনান নাসাঈ ৩৩৮০
أخبرنا زياد بن أيوب، قال: حدثنا إسمعيل ابن علية، قال: حدثنا عبد العزيز بن صهيب، عن أنس: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا خيبر، فصلينا عندها الغداة بغلس، فركب النبي صلى الله عليه وسلم وركب أبو طلحة، وأنا رديف أبي طلحة، فأخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم في زقاق خيبر، وإن ركبتي لتمس فخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم وإني لأرى بياض فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم، فلما دخل القرية قال: «الله أكبر، خربت خيبر، إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين» قالها ثلاث مرات، قال: وخرج القوم إلى أعمالهم. قال عبد العزيز: فقالوا: محمد - قال عبد العزيز: وقال بعض أصحابنا - والخميس وأصبناها عنوة فجمع السبي، فجاء دحية، فقال: يا نبي الله، أعطني جارية من السبي، قال: «اذهب فخذ جارية» فأخذ صفية بنت حيي، فجاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: يا نبي الله، أعطيت دحية صفية بنت حيي سيدة قريظة والنضير، ما تصلح إلا لك، قال: «ادعوه بها» فجاء بها، فلما نظر إليها النبي صلى الله عليه وسلم قال: «خذ جارية من السبي غيرها»، قال: وإن نبي الله صلى الله عليه وسلم أعتقها وتزوجها، فقال له ثابت: يا أبا حمزة، ما أصدقها، قال: نفسها أعتقها وتزوجها، قال: حتى إذا كان بالطريق جهزتها له أم سليم، فأهدتها إليه من الليل، فأصبح عروسا، قال: «من كان عنده شيء فليجئ به»، قال: وبسط نطعا، فجعل الرجل يجيء بالأقط، وجعل الرجل يجيء بالتمر، وجعل الرجل يجيء بالسمن، فحاسوا حيسة، فكانت وليمة رسول الله صلى الله عليه وسلم
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের যুদ্ধাভিযান করলেন, আমরা তাঁর সাথে ফজরের নামায আদায় করলাম কিছু অন্ধকার থাকতে। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওয়ার হলেন, এবং আবূ তালহাও আরোহণ করলেন। আমি ছিলাম আবূ তালহার পিছনে উপবিষ্ট। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বরের (সরুগলি) পথ ধরলেন। রাস্তা সংকীর্ণ হওয়ার কারণে আমার দুই হাঁটু রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দুই উরু স্পর্শ করছিল। আর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উরুর শুভ্রতা প্রত্যক্ষ করছিলাম। তিনি যখন সেখানকার জনপদে প্রবেশ করলেন, তখন “আল্লাহু আকবার” বললেন, এবং তিনবার বললেনঃ (আরবি লিখা) অর্থঃ খায়বর ধ্বংস হোক। আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙ্গীনায় অবতরণ করি, তখন (সে) সতর্কীকৃতদের প্রভাত কতই না মন্দ হয়ে থাকে। বর্ণনাকারী বলেনঃ এরপর যখন লোকেরা তাদের কাজে বের হল, আবদুল আযীয (রহঃ) (তার বর্ণনায়) বলেন, তখন তারা বললেনঃ ‘মুহাম্মাদ’। আবদুল আযীয (রহঃ) বলেনঃ আমাদের কোন সাথী (তার বর্ণনায়) বলেছেনঃ আর সেনাবাহিনীও। যেহেতু আমরা যুদ্ধ করে খায়বর জয় করেছিলাম, তাই কয়েদীদের একত্রিত করা হলো। দাহিয়া (রাঃ) এসে বললেনঃ ইয়া নাবী আল্লাহ্! আমাকে একটি বাঁদী দান করুন। তিনি বললেনঃ যাও, একটা নিয়ে নাও। তিনি সাফিয়্যা বিনত হুয়াই (রাঃ) কে নিয়ে নিলেন। এক ব্যক্তি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর খিদমতে এসে বললঃ ইয়া নাবী আল্লাহ্ ! (বনী) নযীরও (বনী) কুরায়যার সরদার (শীর্ষস্থানীয়রা) সাফিয়্যা বিনত হুরায়কে দাহিয়া (রাঃ) কে দিলেন? সে তো আপনার জন্য ব্যতীত কারও জন্য উপযুক্ত নয়। তিনি বললেনঃ তাকে (দাহইয়াকে) ডাক। ফলে তিনি তাকে নিয়ে আসলেন। যখন নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দিকে দৃষ্টিপাত করলেন, তখন তিনি (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাঃ) বললেনঃ তুমি একে ব্যতীত অন্য একটা বাঁদী কয়েদীদের মধ্য হতে বেছে নাও। রাবী বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে মুক্ত করে দিয়ে বিবাহ করলেন। সাবিত (রহঃ) তাকে বললেনঃ হে আবূ হামযা! তাকে কি মোহর দেয়া হয়েছিল? তিনি বললেনঃ তার নিজেকেই। কেননা, তিনি তাকে আযাদ করেন এবং পড়ে তাকে বিবাহ করেন। তিনি বলেনঃ এমনকি, পথেই উম্মু সুলায়ম (রাঃ) তাকে নব বধূর সাজে সজ্জিত করে তাঁর (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাঃ)-এর) নিকট উপস্থিত করেন। তাঁরা বর কনে হিসেবে ভোরে বের হলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যার নিকট কিছু আছে সে যেন তা নিয়ে আসে এবং তিনি একটি চামড়ার দস্তরখান বিছিয়ে দিলেন, তখন কেউ পনীর নিয়ে আসলো, কোন ব্যক্তি খুরমা নিয়ে আসলো, কেউ ঘি আনলো। এটা দ্বারা হায়স১ তৈরি করলেন। এর দ্বারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ওয়ালীমা করা হল।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের যুদ্ধাভিযান করলেন, আমরা তাঁর সাথে ফজরের নামায আদায় করলাম কিছু অন্ধকার থাকতে। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওয়ার হলেন, এবং আবূ তালহাও আরোহণ করলেন। আমি ছিলাম আবূ তালহার পিছনে উপবিষ্ট। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বরের (সরুগলি) পথ ধরলেন। রাস্তা সংকীর্ণ হওয়ার কারণে আমার দুই হাঁটু রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দুই উরু স্পর্শ করছিল। আর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উরুর শুভ্রতা প্রত্যক্ষ করছিলাম। তিনি যখন সেখানকার জনপদে প্রবেশ করলেন, তখন “আল্লাহু আকবার” বললেন, এবং তিনবার বললেনঃ (আরবি লিখা) অর্থঃ খায়বর ধ্বংস হোক। আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙ্গীনায় অবতরণ করি, তখন (সে) সতর্কীকৃতদের প্রভাত কতই না মন্দ হয়ে থাকে। বর্ণনাকারী বলেনঃ এরপর যখন লোকেরা তাদের কাজে বের হল, আবদুল আযীয (রহঃ) (তার বর্ণনায়) বলেন, তখন তারা বললেনঃ ‘মুহাম্মাদ’। আবদুল আযীয (রহঃ) বলেনঃ আমাদের কোন সাথী (তার বর্ণনায়) বলেছেনঃ আর সেনাবাহিনীও। যেহেতু আমরা যুদ্ধ করে খায়বর জয় করেছিলাম, তাই কয়েদীদের একত্রিত করা হলো। দাহিয়া (রাঃ) এসে বললেনঃ ইয়া নাবী আল্লাহ্! আমাকে একটি বাঁদী দান করুন। তিনি বললেনঃ যাও, একটা নিয়ে নাও। তিনি সাফিয়্যা বিনত হুয়াই (রাঃ) কে নিয়ে নিলেন। এক ব্যক্তি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর খিদমতে এসে বললঃ ইয়া নাবী আল্লাহ্ ! (বনী) নযীরও (বনী) কুরায়যার সরদার (শীর্ষস্থানীয়রা) সাফিয়্যা বিনত হুরায়কে দাহিয়া (রাঃ) কে দিলেন? সে তো আপনার জন্য ব্যতীত কারও জন্য উপযুক্ত নয়। তিনি বললেনঃ তাকে (দাহইয়াকে) ডাক। ফলে তিনি তাকে নিয়ে আসলেন। যখন নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দিকে দৃষ্টিপাত করলেন, তখন তিনি (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাঃ) বললেনঃ তুমি একে ব্যতীত অন্য একটা বাঁদী কয়েদীদের মধ্য হতে বেছে নাও। রাবী বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে মুক্ত করে দিয়ে বিবাহ করলেন। সাবিত (রহঃ) তাকে বললেনঃ হে আবূ হামযা! তাকে কি মোহর দেয়া হয়েছিল? তিনি বললেনঃ তার নিজেকেই। কেননা, তিনি তাকে আযাদ করেন এবং পড়ে তাকে বিবাহ করেন। তিনি বলেনঃ এমনকি, পথেই উম্মু সুলায়ম (রাঃ) তাকে নব বধূর সাজে সজ্জিত করে তাঁর (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাঃ)-এর) নিকট উপস্থিত করেন। তাঁরা বর কনে হিসেবে ভোরে বের হলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যার নিকট কিছু আছে সে যেন তা নিয়ে আসে এবং তিনি একটি চামড়ার দস্তরখান বিছিয়ে দিলেন, তখন কেউ পনীর নিয়ে আসলো, কোন ব্যক্তি খুরমা নিয়ে আসলো, কেউ ঘি আনলো। এটা দ্বারা হায়স১ তৈরি করলেন। এর দ্বারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ওয়ালীমা করা হল।
أخبرنا زياد بن أيوب، قال: حدثنا إسمعيل ابن علية، قال: حدثنا عبد العزيز بن صهيب، عن أنس: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا خيبر، فصلينا عندها الغداة بغلس، فركب النبي صلى الله عليه وسلم وركب أبو طلحة، وأنا رديف أبي طلحة، فأخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم في زقاق خيبر، وإن ركبتي لتمس فخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم وإني لأرى بياض فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم، فلما دخل القرية قال: «الله أكبر، خربت خيبر، إنا إذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين» قالها ثلاث مرات، قال: وخرج القوم إلى أعمالهم. قال عبد العزيز: فقالوا: محمد - قال عبد العزيز: وقال بعض أصحابنا - والخميس وأصبناها عنوة فجمع السبي، فجاء دحية، فقال: يا نبي الله، أعطني جارية من السبي، قال: «اذهب فخذ جارية» فأخذ صفية بنت حيي، فجاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: يا نبي الله، أعطيت دحية صفية بنت حيي سيدة قريظة والنضير، ما تصلح إلا لك، قال: «ادعوه بها» فجاء بها، فلما نظر إليها النبي صلى الله عليه وسلم قال: «خذ جارية من السبي غيرها»، قال: وإن نبي الله صلى الله عليه وسلم أعتقها وتزوجها، فقال له ثابت: يا أبا حمزة، ما أصدقها، قال: نفسها أعتقها وتزوجها، قال: حتى إذا كان بالطريق جهزتها له أم سليم، فأهدتها إليه من الليل، فأصبح عروسا، قال: «من كان عنده شيء فليجئ به»، قال: وبسط نطعا، فجعل الرجل يجيء بالأقط، وجعل الرجل يجيء بالتمر، وجعل الرجل يجيء بالسمن، فحاسوا حيسة، فكانت وليمة رسول الله صلى الله عليه وسلم
সুনান নাসাঈ > বিবাহ অনুষ্ঠানে সংগীত ও আমোদ-ফুর্তি করা
সুনান নাসাঈ ৩৩৮৩
أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا شريك، عن أبي إسحق، عن عامر بن سعد، قال: دخلت على قرظة بن كعب، وأبي مسعود الأنصاري، في عرس، وإذا جوار يغنين، فقلت: أنتما صاحبا رسول الله صلى الله عليه وسلم ومن أهل بدر، يفعل هذا عندكم؟ فقال: اجلس إن شئت فاسمع معنا، وإن شئت اذهب، قد «رخص لنا في اللهو عند العرس»
আমির ইবন সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক বিবাহ মজলিসে আমি কুরজা ইবন কা’ব এবং আবূ মাসউদ (রাঃ) আনসারীর নিকট গেলাম, হঠাৎ দেখা গেল ছোট ছোট বালিকারা গান গাচ্ছে। আমি বললামঃ আপনারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বদরী সাহাবী। অথচ আপনাদের সামনে এমন করা হচ্ছে। তাঁরা বললেনঃ যদি ইচ্ছা হয় আমাদের সঙ্গে বসে শোন, আর যদি চাও চলে যাও। আমাদেরকে বিবাহে আমোদ-ফুর্তি করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
আমির ইবন সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক বিবাহ মজলিসে আমি কুরজা ইবন কা’ব এবং আবূ মাসউদ (রাঃ) আনসারীর নিকট গেলাম, হঠাৎ দেখা গেল ছোট ছোট বালিকারা গান গাচ্ছে। আমি বললামঃ আপনারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বদরী সাহাবী। অথচ আপনাদের সামনে এমন করা হচ্ছে। তাঁরা বললেনঃ যদি ইচ্ছা হয় আমাদের সঙ্গে বসে শোন, আর যদি চাও চলে যাও। আমাদেরকে বিবাহে আমোদ-ফুর্তি করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا شريك، عن أبي إسحق، عن عامر بن سعد، قال: دخلت على قرظة بن كعب، وأبي مسعود الأنصاري، في عرس، وإذا جوار يغنين، فقلت: أنتما صاحبا رسول الله صلى الله عليه وسلم ومن أهل بدر، يفعل هذا عندكم؟ فقال: اجلس إن شئت فاسمع معنا، وإن شئت اذهب، قد «رخص لنا في اللهو عند العرس»
সুনান নাসাঈ > কন্যাকে গৃহস্থালীর আসবাবপত্র (জাহীয) দেয়া
সুনান নাসাঈ ৩৩৮৪
أخبرنا نصير بن الفرج، قال: حدثنا أبو أسامة، عن زائدة، قال: حدثنا عطاء بن السائب، عن أبيه، عن علي، رضي الله عنه قال: «جهز رسول الله صلى الله عليه وسلم فاطمة في خميل وقربة ووسادة حشوها إذخر» --- [حكم الألباني] ضعيف الإسناد
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাতিমা (রাঃ) কে ‘জাহীয’ (যৌতুক) দান করেছিলেন- একখানা চাদর, একটা পানির পাত্র (মশক) আর একটা বালিশ, যার ভিতরে ছিল ইযখির নামক তৃণ।১
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাতিমা (রাঃ) কে ‘জাহীয’ (যৌতুক) দান করেছিলেন- একখানা চাদর, একটা পানির পাত্র (মশক) আর একটা বালিশ, যার ভিতরে ছিল ইযখির নামক তৃণ।১
أخبرنا نصير بن الفرج، قال: حدثنا أبو أسامة، عن زائدة، قال: حدثنا عطاء بن السائب، عن أبيه، عن علي، رضي الله عنه قال: «جهز رسول الله صلى الله عليه وسلم فاطمة في خميل وقربة ووسادة حشوها إذخر» --- [حكم الألباني] ضعيف الإسناد
সুনান নাসাঈ > বিছানাপত্র
সুনান নাসাঈ ৩৩৮৫
أخبرنا يونس بن عبد الأعلى، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني أبو هانئ الخولاني، أنه سمع أبا عبد الرحمن الحبلي، يقول: عن جابر بن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «فراش للرجل، وفراش لأهله، والثالث للضيف، والرابع للشيطان»
জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, পুরুষের (নিজের) জন্য একখানা চাদর, তার স্ত্রীর জন্য একখানা চাদর এবং তৃতীয়টি অতিথির জন্য। আর চতুর্থটি শয়তানের জন্য।
জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, পুরুষের (নিজের) জন্য একখানা চাদর, তার স্ত্রীর জন্য একখানা চাদর এবং তৃতীয়টি অতিথির জন্য। আর চতুর্থটি শয়তানের জন্য।
أخبرنا يونس بن عبد الأعلى، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني أبو هانئ الخولاني، أنه سمع أبا عبد الرحمن الحبلي، يقول: عن جابر بن عبد الله، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «فراش للرجل، وفراش لأهله، والثالث للضيف، والرابع للشيطان»