সুনান নাসাঈ > ‘গীলা’ (স্তন্যদানকারিণী স্ত্রীর সাথে সহবাস) ও পরবর্তী গর্বধারন সম্পর্কে
সুনান নাসাঈ ৩৩২৬
أخبرنا عبيد الله، وإسحق بن منصور، عن عبد الرحمن، عن مالك، عن أبي الأسود، عن عروة، عن عائشة، أن جدامة بنت وهب، حدثتها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " لقد هممت أن أنهى عن الغيلة حتى ذكرت أن فارس والروم يصنعه - وقال إسحق: يصنعونه - فلا يضر أولادهم "
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জুদামা বিনত ওয়াহব তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি ইচ্ছা করেছিলাম যে, ‘গীলা’ (অর্থাৎ স্তন্য – দানকারিণী স্ত্রীর সাথে সহবাস) করতে নিষেধ করবো। পরে আমার মনে হলো যে, পারস্য এবং রোমের অধিবাসীরা এমন করে থাকে। ইসহাক (রহঃ) বলেনঃ তারা এমন করে, অথচ এতে তাদের সন্তানদের কোন ক্ষতি হয় না।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জুদামা বিনত ওয়াহব তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি ইচ্ছা করেছিলাম যে, ‘গীলা’ (অর্থাৎ স্তন্য – দানকারিণী স্ত্রীর সাথে সহবাস) করতে নিষেধ করবো। পরে আমার মনে হলো যে, পারস্য এবং রোমের অধিবাসীরা এমন করে থাকে। ইসহাক (রহঃ) বলেনঃ তারা এমন করে, অথচ এতে তাদের সন্তানদের কোন ক্ষতি হয় না।
أخبرنا عبيد الله، وإسحق بن منصور، عن عبد الرحمن، عن مالك، عن أبي الأسود، عن عروة، عن عائشة، أن جدامة بنت وهب، حدثتها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " لقد هممت أن أنهى عن الغيلة حتى ذكرت أن فارس والروم يصنعه - وقال إسحق: يصنعونه - فلا يضر أولادهم "
সুনান নাসাঈ > আযল১ করা
সুনান নাসাঈ ৩৩২৮
أخبرنا محمد بن بشار، عن محمد، قال: حدثنا شعبة، عن أبي الفيض، قال: سمعت عبد الله بن مرة الزرقي، عن أبي سعيد الزرقي: أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن العزل، فقال: إن امرأتي ترضع وأنا أكره أن تحمل، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إن ما قد قدر في الرحم سيكون»
আবূ সাঈদ যুরাকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে আযল সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করে যে, আমার স্ত্রী স্তন্যদান করে, আমি তার গর্ভধারন পছন্দ করি না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জরায়ুতে (গর্ভে) যা হওয়ার নির্ধারিত আছে তা হবেই।
আবূ সাঈদ যুরাকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে আযল সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করে যে, আমার স্ত্রী স্তন্যদান করে, আমি তার গর্ভধারন পছন্দ করি না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জরায়ুতে (গর্ভে) যা হওয়ার নির্ধারিত আছে তা হবেই।
أخبرنا محمد بن بشار، عن محمد، قال: حدثنا شعبة، عن أبي الفيض، قال: سمعت عبد الله بن مرة الزرقي، عن أبي سعيد الزرقي: أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن العزل، فقال: إن امرأتي ترضع وأنا أكره أن تحمل، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إن ما قد قدر في الرحم سيكون»
সুনান নাসাঈ ৩৩২৭
أخبرنا إسماعيل بن مسعود، وحميد بن مسعدة، قالا: حدثنا يزيد بن زريع، قال: حدثنا ابن عون، عن محمد بن سيرين، عن عبد الرحمن بن بشر بن مسعود، ورد الحديث حتى رده إلى أبي سعيد الخدري قال: ذكر ذلك عند رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «وما ذاكم؟» قلنا: الرجل تكون له المرأة فيصيبها ويكره الحمل، وتكون له الأمة فيصيب منها ويكره أن تحمل منه، قال: «لا عليكم أن لا تفعلوا، فإنما هو القدر»
আবদুর রহমান ইব্ন বিশর ইব্ন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি হাদীসটি আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ)-এর দিকে সম্পর্কিত করেছেন, তিনি বলেছেন, (একদা) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট এ আযল সম্বন্ধে উল্লেখ করা হলে তিনি বললেনঃ এটা কি ? আমরা বললামঃ কোন ব্যক্তির স্ত্রী থাকে, আর সে তার সাথে সহবাস করার সময় গর্ভধারণ করাকে অপছন্দ করে; অথবা তার দাসী থাকে, তাঁর সাথে সহবাস করে এবং গরভধারন অপছন্দ করে। তিনি বললেনঃ না, এটা করলে তোমাদের ক্ষতি নাই। কেননা, যা নির্ধারিত (তাকীরে) আছে তা হবেই।
আবদুর রহমান ইব্ন বিশর ইব্ন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি হাদীসটি আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ)-এর দিকে সম্পর্কিত করেছেন, তিনি বলেছেন, (একদা) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট এ আযল সম্বন্ধে উল্লেখ করা হলে তিনি বললেনঃ এটা কি ? আমরা বললামঃ কোন ব্যক্তির স্ত্রী থাকে, আর সে তার সাথে সহবাস করার সময় গর্ভধারণ করাকে অপছন্দ করে; অথবা তার দাসী থাকে, তাঁর সাথে সহবাস করে এবং গরভধারন অপছন্দ করে। তিনি বললেনঃ না, এটা করলে তোমাদের ক্ষতি নাই। কেননা, যা নির্ধারিত (তাকীরে) আছে তা হবেই।
أخبرنا إسماعيل بن مسعود، وحميد بن مسعدة، قالا: حدثنا يزيد بن زريع، قال: حدثنا ابن عون، عن محمد بن سيرين، عن عبد الرحمن بن بشر بن مسعود، ورد الحديث حتى رده إلى أبي سعيد الخدري قال: ذكر ذلك عند رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «وما ذاكم؟» قلنا: الرجل تكون له المرأة فيصيبها ويكره الحمل، وتكون له الأمة فيصيب منها ويكره أن تحمل منه، قال: «لا عليكم أن لا تفعلوا، فإنما هو القدر»
সুনান নাসাঈ > স্তন্যদানের অধিকার (হক) ও এর মর্যাদা
সুনান নাসাঈ ৩৩২৯
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا يحيى، عن هشام، قال: وحدثني أبي، عن حجاج بن حجاج، عن أبيه، قال: قلت: يا رسول الله، ما يذهب عني مذمة الرضاع؟ قال: «غرة عبد أو أمة»
ইয়াকুব ইব্ন ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি কি করে স্তন্যদানের হক আদায় করতে পারি ? তিনি বললেনঃ একজন দাস অথবা দাসী (দান করা) দ্বারা।
ইয়াকুব ইব্ন ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি কি করে স্তন্যদানের হক আদায় করতে পারি ? তিনি বললেনঃ একজন দাস অথবা দাসী (দান করা) দ্বারা।
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا يحيى، عن هشام، قال: وحدثني أبي، عن حجاج بن حجاج، عن أبيه، قال: قلت: يا رسول الله، ما يذهب عني مذمة الرضاع؟ قال: «غرة عبد أو أمة»
সুনান নাসাঈ > স্তন্যদান বিষয়ে সাক্ষ্য
সুনান নাসাঈ ৩৩৩০
أخبرنا علي بن حجر، قال: أنبأنا إسمعيل، عن أيوب، عن ابن أبي مليكة، قال: حدثني عبيد بن أبي مريم، عن عقبة بن الحارث - قال: وقد سمعته من عقبة، ولكني لحديث عبيد أحفظ -، قال: تزوجت امرأة، فجاءتنا امرأة سوداء، فقالت: إني قد أرضعتكما، فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فأخبرته، فقلت: إني تزوجت فلانة بنت فلان، فجاءتني امرأة سوداء، فقالت: إني قد أرضعتكما، فأعرض عني، فأتيته من قبل وجهه، فقلت: إنها كاذبة، قال: «وكيف بها وقد زعمت أنها قد أرضعتكما، دعها عنك»
উকবা ইব্ন হারিস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি তা (এ হাদীস) উকবা হতেও শ্রবন করেছি, কিন্তু আমি উবায়দের হাদীস অধিক স্মরণ রাখি। তিনি বলেন, আমি এক নারীকে বিবাহ করলাম। আমাদের নিকট একজন কাল নারী এসে বললোঃ আমি তোমাদের উভয়কে স্তন্যদান করেছি। এরপর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাঁকে অবহিত করলাম আমি বললামঃ আমি অমুকের কন্যা অমুককে বিবাহ করেছি। তখন এক কাল (হাবশী) নারী এসে বললঃ আমি তোমাদের উভয়কে স্তন্যদান করেছি। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। আমি তাঁর সামনে গিয়ে বললামঃ সে মিথ্যাবাদী। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে তুমি কি করে (তার সাথে সহবাস করছো) ? অথচ এ মহিলা মনে করে যে, সে তোমাদেরকে দুধপান করিয়েছে ? অতএব তুমি তাঁকে (তোমার স্ত্রীকে) তোমার থেকে পৃথক করে দাও।
উকবা ইব্ন হারিস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি তা (এ হাদীস) উকবা হতেও শ্রবন করেছি, কিন্তু আমি উবায়দের হাদীস অধিক স্মরণ রাখি। তিনি বলেন, আমি এক নারীকে বিবাহ করলাম। আমাদের নিকট একজন কাল নারী এসে বললোঃ আমি তোমাদের উভয়কে স্তন্যদান করেছি। এরপর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাঁকে অবহিত করলাম আমি বললামঃ আমি অমুকের কন্যা অমুককে বিবাহ করেছি। তখন এক কাল (হাবশী) নারী এসে বললঃ আমি তোমাদের উভয়কে স্তন্যদান করেছি। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। আমি তাঁর সামনে গিয়ে বললামঃ সে মিথ্যাবাদী। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে তুমি কি করে (তার সাথে সহবাস করছো) ? অথচ এ মহিলা মনে করে যে, সে তোমাদেরকে দুধপান করিয়েছে ? অতএব তুমি তাঁকে (তোমার স্ত্রীকে) তোমার থেকে পৃথক করে দাও।
أخبرنا علي بن حجر، قال: أنبأنا إسمعيل، عن أيوب، عن ابن أبي مليكة، قال: حدثني عبيد بن أبي مريم، عن عقبة بن الحارث - قال: وقد سمعته من عقبة، ولكني لحديث عبيد أحفظ -، قال: تزوجت امرأة، فجاءتنا امرأة سوداء، فقالت: إني قد أرضعتكما، فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فأخبرته، فقلت: إني تزوجت فلانة بنت فلان، فجاءتني امرأة سوداء، فقالت: إني قد أرضعتكما، فأعرض عني، فأتيته من قبل وجهه، فقلت: إنها كاذبة، قال: «وكيف بها وقد زعمت أنها قد أرضعتكما، دعها عنك»