সুনান নাসাঈ > বয়স্ককে দুধ পান করানো সম্পর্কে
সুনান নাসাঈ ৩৩২০
أخبرنا عبد الله بن محمد بن عبد الرحمن، قال: حدثنا سفيان، قال: سمعناه من عبد الرحمن وهو ابن القاسم، عن أبيه، عن عائشة، قالت: جاءت سهلة بنت سهيل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت: إني أرى في وجه أبي حذيفة من دخول سالم علي، قال: «فأرضعيه» قالت: وكيف أرضعه وهو رجل كبير؟ فقال: «ألست أعلم أنه رجل كبير»، ثم جاءت بعد فقالت: والذي بعثك بالحق نبيا، ما رأيت في وجه أبي حذيفة بعد شيئا أكره
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ (একদা) সাহলা বিনত সুহায়ল (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর খিদমতে এসে বললেনঃ আমি আমার নিকট সালিম-এর আগমনের কারণে আবূ হুযায়ফা-এর চেহারায় (ক্রোধের) চিহ্ন দেখতেছি। তিনি বললেনঃ তাকে দুধ পান করিয়ে দাও। তিনি (সাহলা) বললেন, তাকে দুধ পান করাব কিভাবে, সে তো একজন বয়স্ক পুরুষ? তিনি বললেনঃ আমি কি জানি না যে সে একজন বয়স্ক পুরুষ? পরে তিনি (সাহলা) (তাকে দুধ পান করালেন এবং) এসে বললেন, যিনি আপনাকে নবী করে পাঠিয়েছেন তাঁর কসম! এরপর আমি আবূ হুযায়ফা (রাঃ)-এর চেহারায় কোন ক্রোধ দেখিনি, যা আমার খারাপ লাগতো।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ (একদা) সাহলা বিনত সুহায়ল (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর খিদমতে এসে বললেনঃ আমি আমার নিকট সালিম-এর আগমনের কারণে আবূ হুযায়ফা-এর চেহারায় (ক্রোধের) চিহ্ন দেখতেছি। তিনি বললেনঃ তাকে দুধ পান করিয়ে দাও। তিনি (সাহলা) বললেন, তাকে দুধ পান করাব কিভাবে, সে তো একজন বয়স্ক পুরুষ? তিনি বললেনঃ আমি কি জানি না যে সে একজন বয়স্ক পুরুষ? পরে তিনি (সাহলা) (তাকে দুধ পান করালেন এবং) এসে বললেন, যিনি আপনাকে নবী করে পাঠিয়েছেন তাঁর কসম! এরপর আমি আবূ হুযায়ফা (রাঃ)-এর চেহারায় কোন ক্রোধ দেখিনি, যা আমার খারাপ লাগতো।
أخبرنا عبد الله بن محمد بن عبد الرحمن، قال: حدثنا سفيان، قال: سمعناه من عبد الرحمن وهو ابن القاسم، عن أبيه، عن عائشة، قالت: جاءت سهلة بنت سهيل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت: إني أرى في وجه أبي حذيفة من دخول سالم علي، قال: «فأرضعيه» قالت: وكيف أرضعه وهو رجل كبير؟ فقال: «ألست أعلم أنه رجل كبير»، ثم جاءت بعد فقالت: والذي بعثك بالحق نبيا، ما رأيت في وجه أبي حذيفة بعد شيئا أكره
সুনান নাসাঈ ৩৩২৩
أخبرنا عمرو بن علي، عن عبد الوهاب، قال: أنبأنا أيوب، عن ابن أبي مليكة، عن القاسم، عن عائشة: أن سالما مولى أبي حذيفة كان مع أبي حذيفة وأهله في بيتهم، فأتت بنت سهيل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت: إن سالما قد بلغ ما يبلغ الرجال، وعقل ما عقلوه، وإنه يدخل علينا، وإني أظن في نفس أبي حذيفة من ذلك شيئا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «أرضعيه تحرمي عليه» فأرضعته، فذهب الذي في نفس أبي حذيفة، فرجعت إليه، فقلت: إني قد أرضعته، فذهب الذي في نفس أبي حذيفة
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুযায়ফা-এর পালকপুত্র সালিম আবূ হুযায়ফা এবং তার পরিবারের সাথে তাদের ঘরে ছিল। সুহায়ল কন্যা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর খিদমতে এসে বললেনঃ (পূর্ণ বয়স্ক) পুরুষরা যে পর্যায়ে উপনীত হয়, সালিমও সে পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। তারা যা বুঝে, সেও তা বুঝে। সে আমাদের কাছে যাতায়াত করে। এজন্য আমি আবূ হুযায়ফা-এর মনে কিছু ক্ষোভের ভাব অনুভব করি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে দুধ পান করাও, তা হলে তুমি তার জন্য হারাম হয়ে যাবে। অতএব আমি তাকে দুধ পান করালাম। এতে আবূ হুযায়ফা-এর মনে যা ছিল, তা দূর হলো। পরে আমি তাঁর খিদমতে আরয করলাম, আমি তাকে দুধ পান করিয়েছি, তাতে আবূ হুযায়ফা-এর মনে যা ছিল, তা দূর হয়ে গেছে।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুযায়ফা-এর পালকপুত্র সালিম আবূ হুযায়ফা এবং তার পরিবারের সাথে তাদের ঘরে ছিল। সুহায়ল কন্যা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর খিদমতে এসে বললেনঃ (পূর্ণ বয়স্ক) পুরুষরা যে পর্যায়ে উপনীত হয়, সালিমও সে পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। তারা যা বুঝে, সেও তা বুঝে। সে আমাদের কাছে যাতায়াত করে। এজন্য আমি আবূ হুযায়ফা-এর মনে কিছু ক্ষোভের ভাব অনুভব করি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে দুধ পান করাও, তা হলে তুমি তার জন্য হারাম হয়ে যাবে। অতএব আমি তাকে দুধ পান করালাম। এতে আবূ হুযায়ফা-এর মনে যা ছিল, তা দূর হলো। পরে আমি তাঁর খিদমতে আরয করলাম, আমি তাকে দুধ পান করিয়েছি, তাতে আবূ হুযায়ফা-এর মনে যা ছিল, তা দূর হয়ে গেছে।
أخبرنا عمرو بن علي، عن عبد الوهاب، قال: أنبأنا أيوب، عن ابن أبي مليكة، عن القاسم، عن عائشة: أن سالما مولى أبي حذيفة كان مع أبي حذيفة وأهله في بيتهم، فأتت بنت سهيل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت: إن سالما قد بلغ ما يبلغ الرجال، وعقل ما عقلوه، وإنه يدخل علينا، وإني أظن في نفس أبي حذيفة من ذلك شيئا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «أرضعيه تحرمي عليه» فأرضعته، فذهب الذي في نفس أبي حذيفة، فرجعت إليه، فقلت: إني قد أرضعته، فذهب الذي في نفس أبي حذيفة
সুনান নাসাঈ ৩৩২১
أخبرنا أحمد بن يحيى أبو الوزير، قال: سمعت ابن وهب، قال: أخبرني سليمان، عن يحيى، وربيعة، عن القاسم، عن عائشة، قالت: «أمر النبي صلى الله عليه وسلم امرأة أبي حذيفة أن ترضع سالما مولى أبي حذيفة، حتى تذهب غيرة أبي حذيفة»، فأرضعته وهو رجل قال ربيعة: «فكانت رخصة لسالم»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ হুযায়ফা-এর মাওলা সালিমকে দুধ পান করাবার জন্য আবূ হুযায়ফা-এর স্ত্রীকে আদেশ করেছেন। যাতে আবূ হুযায়ফা-এর (ক্ষোভ) প্রশমিত হয়ে যায়। অতএব, তিনি তাকে দুধ পান করালেন, অথচ তখন সে ছিল একজন বয়স্ক পুরুষ। রবী’আ বলেনঃ এটা ছিল সালিম-এর জন্য বিশেষ অনুমতি।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ হুযায়ফা-এর মাওলা সালিমকে দুধ পান করাবার জন্য আবূ হুযায়ফা-এর স্ত্রীকে আদেশ করেছেন। যাতে আবূ হুযায়ফা-এর (ক্ষোভ) প্রশমিত হয়ে যায়। অতএব, তিনি তাকে দুধ পান করালেন, অথচ তখন সে ছিল একজন বয়স্ক পুরুষ। রবী’আ বলেনঃ এটা ছিল সালিম-এর জন্য বিশেষ অনুমতি।
أخبرنا أحمد بن يحيى أبو الوزير، قال: سمعت ابن وهب، قال: أخبرني سليمان، عن يحيى، وربيعة، عن القاسم، عن عائشة، قالت: «أمر النبي صلى الله عليه وسلم امرأة أبي حذيفة أن ترضع سالما مولى أبي حذيفة، حتى تذهب غيرة أبي حذيفة»، فأرضعته وهو رجل قال ربيعة: «فكانت رخصة لسالم»
সুনান নাসাঈ ৩৩২২
أخبرنا حميد بن مسعدة، عن سفيان وهو ابن حبيب، عن ابن جريج، عن ابن أبي مليكة، عن القاسم بن محمد، عن عائشة، قالت: جاءت سهلة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت: يا رسول الله، إن سالما يدخل علينا وقد عقل ما يعقل الرجال، وعلم ما يعلم الرجال، قال: «أرضعيه، تحرمي عليه بذلك» فمكثت حولا لا أحدث به، ولقيت القاسم، فقال: حدث به، ولا تهابه "
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ সাহ্লা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে আগমন করে আরয করলেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! সালিম আমাদের নিকট আগমন করে। পুরুষ যা বুঝে, সেও তা বুঝে, আর পুরুষ যা জানে, সেও তা জানে। তিনি বললেনঃ তাকে দুধ পান করিয়ে দাও। তাহলে তুমি তার জন্য এভাবে হারাম হয়ে যাবে। রাবী আবূ মুলায়কা (রহঃ) বলেনঃ এক বছর যাবত আমি অপেক্ষা করলাম, তা (এ হাদিছ) বর্ণনা করিনি। এরপর কাসেম (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ হলে তিনি বললেন, তা বর্ণনা কর, ভয় করো না।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ সাহ্লা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে আগমন করে আরয করলেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! সালিম আমাদের নিকট আগমন করে। পুরুষ যা বুঝে, সেও তা বুঝে, আর পুরুষ যা জানে, সেও তা জানে। তিনি বললেনঃ তাকে দুধ পান করিয়ে দাও। তাহলে তুমি তার জন্য এভাবে হারাম হয়ে যাবে। রাবী আবূ মুলায়কা (রহঃ) বলেনঃ এক বছর যাবত আমি অপেক্ষা করলাম, তা (এ হাদিছ) বর্ণনা করিনি। এরপর কাসেম (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ হলে তিনি বললেন, তা বর্ণনা কর, ভয় করো না।
أخبرنا حميد بن مسعدة، عن سفيان وهو ابن حبيب، عن ابن جريج، عن ابن أبي مليكة، عن القاسم بن محمد، عن عائشة، قالت: جاءت سهلة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت: يا رسول الله، إن سالما يدخل علينا وقد عقل ما يعقل الرجال، وعلم ما يعلم الرجال، قال: «أرضعيه، تحرمي عليه بذلك» فمكثت حولا لا أحدث به، ولقيت القاسم، فقال: حدث به، ولا تهابه "
সুনান নাসাঈ ৩৩১৯
أخبرنا يونس بن عبد الأعلى، قال: حدثنا ابن وهب، قال: أخبرني مخرمة بن بكير، عن أبيه، قال: سمعت حميد بن نافع، يقول: سمعت زينب بنت أبي سلمة، تقول: سمعت عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول: جاءت سهلة بنت سهيل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت: يا رسول الله، إني لأرى في وجه أبي حذيفة من دخول سالم علي، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أرضعيه» قلت: إنه لذو لحية، فقال: «أرضعيه يذهب ما في وجه أبي حذيفة» قالت: والله ما عرفته في وجه أبي حذيفة بعد
মাখরামা ইবন বুকায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি হুমাইদ ইব্ন নাফি’কে বলতে শুনেছি যে, আমি যয়নব বিনত আবূ সালামা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর স্ত্রী আয়েশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ সাহ্লা বিনত সুহায়ল (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমার নিকট সালিম-এর আগমনের কারণে আমি আবূ হুযায়ফা-এর চেহারায় (ক্রোধের) চিহ্ন দেখতেছি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে দুধ পান করিয়ে দাও। আমি বললামঃ সে তো দাড়িওয়ালা (বয়স্ক লোক)। তিনি বললেনঃ তাকে তুমি দুধ পান করিয়ে দাও। আবূ হুযায়ফা-এর চেহেরায় যে (ক্রোধের) চিহ্ন দেখতেছো তা দূর হয়ে যাবে। সাহলা (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহ্র কসম! এরপর আবূ হুযায়ফা (রাঃ)-এর চেহারায় আমি আর (ক্রোধের) চিহ্ন দেখিনি।
মাখরামা ইবন বুকায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি হুমাইদ ইব্ন নাফি’কে বলতে শুনেছি যে, আমি যয়নব বিনত আবূ সালামা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর স্ত্রী আয়েশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ সাহ্লা বিনত সুহায়ল (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমার নিকট সালিম-এর আগমনের কারণে আমি আবূ হুযায়ফা-এর চেহারায় (ক্রোধের) চিহ্ন দেখতেছি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে দুধ পান করিয়ে দাও। আমি বললামঃ সে তো দাড়িওয়ালা (বয়স্ক লোক)। তিনি বললেনঃ তাকে তুমি দুধ পান করিয়ে দাও। আবূ হুযায়ফা-এর চেহেরায় যে (ক্রোধের) চিহ্ন দেখতেছো তা দূর হয়ে যাবে। সাহলা (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহ্র কসম! এরপর আবূ হুযায়ফা (রাঃ)-এর চেহারায় আমি আর (ক্রোধের) চিহ্ন দেখিনি।
أخبرنا يونس بن عبد الأعلى، قال: حدثنا ابن وهب، قال: أخبرني مخرمة بن بكير، عن أبيه، قال: سمعت حميد بن نافع، يقول: سمعت زينب بنت أبي سلمة، تقول: سمعت عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول: جاءت سهلة بنت سهيل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت: يا رسول الله، إني لأرى في وجه أبي حذيفة من دخول سالم علي، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أرضعيه» قلت: إنه لذو لحية، فقال: «أرضعيه يذهب ما في وجه أبي حذيفة» قالت: والله ما عرفته في وجه أبي حذيفة بعد
সুনান নাসাঈ ৩৩২৪
أخبرنا يونس بن عبد الأعلى، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، ومالك، عن ابن شهاب، عن عروة، قال: " أبى سائر أزواج النبي صلى الله عليه وسلم أن يدخل عليهن بتلك الرضعة أحد من الناس يريد رضاعة الكبير، وقلن لعائشة: والله ما نرى الذي أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم سهلة بنت سهيل، إلا رخصة في رضاعة سالم وحده من رسول الله صلى الله عليه وسلم، والله لا يدخل علينا أحد بهذه الرضعة ولا يرانا "
উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর স্ত্রীগণ তাঁদের নিকট এ ধরনের দুধ সম্পর্কের কোন ব্যক্তির আগমনকে অপছন্দ করতেন (আয়েশা রাঃ ব্যতীত), অর্থাৎ বয়স্কদের দুধ সম্পর্ক। তাঁরা আয়েশা (রাঃ)- কে বলতেনঃ আল্লাহ্র কসম! আমরা মনে করি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহলা বিনত সুহায়ল-কে যে আদেশ করেন, তা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর পক্ষ হতে শুধু সালিম-এর দুধ পানের ব্যাপারেই বিশেষ অনুমতি ছিল। আল্লাহ্র কসম! এ ধরনের দুধ সম্পর্ক নিয়ে কেউ আমাদের নিকট আগমন করবে না এবং আমাদেরকে দেখবে না।
উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর স্ত্রীগণ তাঁদের নিকট এ ধরনের দুধ সম্পর্কের কোন ব্যক্তির আগমনকে অপছন্দ করতেন (আয়েশা রাঃ ব্যতীত), অর্থাৎ বয়স্কদের দুধ সম্পর্ক। তাঁরা আয়েশা (রাঃ)- কে বলতেনঃ আল্লাহ্র কসম! আমরা মনে করি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহলা বিনত সুহায়ল-কে যে আদেশ করেন, তা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর পক্ষ হতে শুধু সালিম-এর দুধ পানের ব্যাপারেই বিশেষ অনুমতি ছিল। আল্লাহ্র কসম! এ ধরনের দুধ সম্পর্ক নিয়ে কেউ আমাদের নিকট আগমন করবে না এবং আমাদেরকে দেখবে না।
أخبرنا يونس بن عبد الأعلى، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، ومالك، عن ابن شهاب، عن عروة، قال: " أبى سائر أزواج النبي صلى الله عليه وسلم أن يدخل عليهن بتلك الرضعة أحد من الناس يريد رضاعة الكبير، وقلن لعائشة: والله ما نرى الذي أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم سهلة بنت سهيل، إلا رخصة في رضاعة سالم وحده من رسول الله صلى الله عليه وسلم، والله لا يدخل علينا أحد بهذه الرضعة ولا يرانا "
সুনান নাসাঈ ৩৩২৫
أخبرنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، قال: أخبرني أبي، عن جدي، قال: حدثني عقيل، عن ابن شهاب، أخبرني أبو عبيدة بن عبد الله بن زمعة، أن أمه زينب بنت أبي سلمة، أخبرته، أن أمها أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول: " أبى سائر أزواج النبي صلى الله عليه وسلم أن يدخل عليهن بتلك الرضاعة، وقلن لعائشة: والله ما نرى هذه إلا رخصة رخصها رسول الله صلى الله عليه وسلم خاصة لسالم، فلا يدخل علينا أحد بهذه الرضاعة ولا يرانا "
আবূ উবায়দা ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন যাম’আ থেকে বর্নিতঃ
তাঁর মাতা যয়নাব বিনত আবূ সালমা তাকে (ইব্ন শিহাবকে) অবহিত করেছেন, তার মাতা রাসূলুল্লাহ্র স্ত্রী উম্মু সালামা বলতেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সকল স্ত্রীই এ দুধ সম্পর্কে তাঁদের নিকট প্রবেশকে অপছন্দ করতেন। তাঁরা আয়েশা (রাঃ)-কে বলতেনঃ আল্লাহর কসম! আমরা মনে করি, এটা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর বিশেষ অনুমতি, যা ছিল শুধু সালিম-এর জন্য। কেউ এ দুধ সম্পর্কের কারণে আমাদের নিকট আগমন করবে না এবং আমাদেরকে দেখবে না।
আবূ উবায়দা ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন যাম’আ থেকে বর্নিতঃ
তাঁর মাতা যয়নাব বিনত আবূ সালমা তাকে (ইব্ন শিহাবকে) অবহিত করেছেন, তার মাতা রাসূলুল্লাহ্র স্ত্রী উম্মু সালামা বলতেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর সকল স্ত্রীই এ দুধ সম্পর্কে তাঁদের নিকট প্রবেশকে অপছন্দ করতেন। তাঁরা আয়েশা (রাঃ)-কে বলতেনঃ আল্লাহর কসম! আমরা মনে করি, এটা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর বিশেষ অনুমতি, যা ছিল শুধু সালিম-এর জন্য। কেউ এ দুধ সম্পর্কের কারণে আমাদের নিকট আগমন করবে না এবং আমাদেরকে দেখবে না।
أخبرنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، قال: أخبرني أبي، عن جدي، قال: حدثني عقيل، عن ابن شهاب، أخبرني أبو عبيدة بن عبد الله بن زمعة، أن أمه زينب بنت أبي سلمة، أخبرته، أن أمها أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول: " أبى سائر أزواج النبي صلى الله عليه وسلم أن يدخل عليهن بتلك الرضاعة، وقلن لعائشة: والله ما نرى هذه إلا رخصة رخصها رسول الله صلى الله عليه وسلم خاصة لسالم، فلا يدخل علينا أحد بهذه الرضاعة ولا يرانا "
সুনান নাসাঈ > ‘গীলা’ (স্তন্যদানকারিণী স্ত্রীর সাথে সহবাস) ও পরবর্তী গর্বধারন সম্পর্কে
সুনান নাসাঈ ৩৩২৬
أخبرنا عبيد الله، وإسحق بن منصور، عن عبد الرحمن، عن مالك، عن أبي الأسود، عن عروة، عن عائشة، أن جدامة بنت وهب، حدثتها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " لقد هممت أن أنهى عن الغيلة حتى ذكرت أن فارس والروم يصنعه - وقال إسحق: يصنعونه - فلا يضر أولادهم "
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জুদামা বিনত ওয়াহব তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি ইচ্ছা করেছিলাম যে, ‘গীলা’ (অর্থাৎ স্তন্য – দানকারিণী স্ত্রীর সাথে সহবাস) করতে নিষেধ করবো। পরে আমার মনে হলো যে, পারস্য এবং রোমের অধিবাসীরা এমন করে থাকে। ইসহাক (রহঃ) বলেনঃ তারা এমন করে, অথচ এতে তাদের সন্তানদের কোন ক্ষতি হয় না।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জুদামা বিনত ওয়াহব তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি ইচ্ছা করেছিলাম যে, ‘গীলা’ (অর্থাৎ স্তন্য – দানকারিণী স্ত্রীর সাথে সহবাস) করতে নিষেধ করবো। পরে আমার মনে হলো যে, পারস্য এবং রোমের অধিবাসীরা এমন করে থাকে। ইসহাক (রহঃ) বলেনঃ তারা এমন করে, অথচ এতে তাদের সন্তানদের কোন ক্ষতি হয় না।
أخبرنا عبيد الله، وإسحق بن منصور، عن عبد الرحمن، عن مالك، عن أبي الأسود، عن عروة، عن عائشة، أن جدامة بنت وهب، حدثتها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " لقد هممت أن أنهى عن الغيلة حتى ذكرت أن فارس والروم يصنعه - وقال إسحق: يصنعونه - فلا يضر أولادهم "
সুনান নাসাঈ > আযল১ করা
সুনান নাসাঈ ৩৩২৮
أخبرنا محمد بن بشار، عن محمد، قال: حدثنا شعبة، عن أبي الفيض، قال: سمعت عبد الله بن مرة الزرقي، عن أبي سعيد الزرقي: أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن العزل، فقال: إن امرأتي ترضع وأنا أكره أن تحمل، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إن ما قد قدر في الرحم سيكون»
আবূ সাঈদ যুরাকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে আযল সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করে যে, আমার স্ত্রী স্তন্যদান করে, আমি তার গর্ভধারন পছন্দ করি না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জরায়ুতে (গর্ভে) যা হওয়ার নির্ধারিত আছে তা হবেই।
আবূ সাঈদ যুরাকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে আযল সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করে যে, আমার স্ত্রী স্তন্যদান করে, আমি তার গর্ভধারন পছন্দ করি না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জরায়ুতে (গর্ভে) যা হওয়ার নির্ধারিত আছে তা হবেই।
أخبرنا محمد بن بشار، عن محمد، قال: حدثنا شعبة، عن أبي الفيض، قال: سمعت عبد الله بن مرة الزرقي، عن أبي سعيد الزرقي: أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن العزل، فقال: إن امرأتي ترضع وأنا أكره أن تحمل، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إن ما قد قدر في الرحم سيكون»
সুনান নাসাঈ ৩৩২৭
أخبرنا إسماعيل بن مسعود، وحميد بن مسعدة، قالا: حدثنا يزيد بن زريع، قال: حدثنا ابن عون، عن محمد بن سيرين، عن عبد الرحمن بن بشر بن مسعود، ورد الحديث حتى رده إلى أبي سعيد الخدري قال: ذكر ذلك عند رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «وما ذاكم؟» قلنا: الرجل تكون له المرأة فيصيبها ويكره الحمل، وتكون له الأمة فيصيب منها ويكره أن تحمل منه، قال: «لا عليكم أن لا تفعلوا، فإنما هو القدر»
আবদুর রহমান ইব্ন বিশর ইব্ন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি হাদীসটি আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ)-এর দিকে সম্পর্কিত করেছেন, তিনি বলেছেন, (একদা) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট এ আযল সম্বন্ধে উল্লেখ করা হলে তিনি বললেনঃ এটা কি ? আমরা বললামঃ কোন ব্যক্তির স্ত্রী থাকে, আর সে তার সাথে সহবাস করার সময় গর্ভধারণ করাকে অপছন্দ করে; অথবা তার দাসী থাকে, তাঁর সাথে সহবাস করে এবং গরভধারন অপছন্দ করে। তিনি বললেনঃ না, এটা করলে তোমাদের ক্ষতি নাই। কেননা, যা নির্ধারিত (তাকীরে) আছে তা হবেই।
আবদুর রহমান ইব্ন বিশর ইব্ন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি হাদীসটি আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ)-এর দিকে সম্পর্কিত করেছেন, তিনি বলেছেন, (একদা) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট এ আযল সম্বন্ধে উল্লেখ করা হলে তিনি বললেনঃ এটা কি ? আমরা বললামঃ কোন ব্যক্তির স্ত্রী থাকে, আর সে তার সাথে সহবাস করার সময় গর্ভধারণ করাকে অপছন্দ করে; অথবা তার দাসী থাকে, তাঁর সাথে সহবাস করে এবং গরভধারন অপছন্দ করে। তিনি বললেনঃ না, এটা করলে তোমাদের ক্ষতি নাই। কেননা, যা নির্ধারিত (তাকীরে) আছে তা হবেই।
أخبرنا إسماعيل بن مسعود، وحميد بن مسعدة، قالا: حدثنا يزيد بن زريع، قال: حدثنا ابن عون، عن محمد بن سيرين، عن عبد الرحمن بن بشر بن مسعود، ورد الحديث حتى رده إلى أبي سعيد الخدري قال: ذكر ذلك عند رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «وما ذاكم؟» قلنا: الرجل تكون له المرأة فيصيبها ويكره الحمل، وتكون له الأمة فيصيب منها ويكره أن تحمل منه، قال: «لا عليكم أن لا تفعلوا، فإنما هو القدر»
সুনান নাসাঈ > স্তন্যদানের অধিকার (হক) ও এর মর্যাদা
সুনান নাসাঈ ৩৩২৯
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا يحيى، عن هشام، قال: وحدثني أبي، عن حجاج بن حجاج، عن أبيه، قال: قلت: يا رسول الله، ما يذهب عني مذمة الرضاع؟ قال: «غرة عبد أو أمة»
ইয়াকুব ইব্ন ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি কি করে স্তন্যদানের হক আদায় করতে পারি ? তিনি বললেনঃ একজন দাস অথবা দাসী (দান করা) দ্বারা।
ইয়াকুব ইব্ন ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি কি করে স্তন্যদানের হক আদায় করতে পারি ? তিনি বললেনঃ একজন দাস অথবা দাসী (দান করা) দ্বারা।
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا يحيى، عن هشام، قال: وحدثني أبي، عن حجاج بن حجاج، عن أبيه، قال: قلت: يا رسول الله، ما يذهب عني مذمة الرضاع؟ قال: «غرة عبد أو أمة»