সুনান নাসাঈ > বিবাহের প্রস্তাবে মহিলা সালাত আদায় এবং এ ব্যাপারে তার রব (আল্লাহ্) সমীপে ইস্তিখারা করা।
সুনান নাসাঈ ৩২৫২
أخبرني أحمد بن يحيى الصوفي، قال: حدثنا أبو نعيم، قال: حدثنا عيسى بن طهمان أبو بكر، سمعت أنس بن مالك، يقول: " كانت زينب بنت جحش تفخر على نساء النبي صلى الله عليه وسلم، تقول: إن الله عز وجل أنكحني من السماء، وفيها نزلت آية الحجاب "
আবূ বকর ঈসা ইব্ন তাহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, যয়নব বিনত যাহা্স (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অন্যান্য বিবিদের উপর গর্ব করে বলতেন: আল্লাহ্ তা’আলা আমাকে বিবাহ দিয়েছেন আসমানে। আর তার ব্যাপারেই পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে।
আবূ বকর ঈসা ইব্ন তাহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, যয়নব বিনত যাহা্স (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অন্যান্য বিবিদের উপর গর্ব করে বলতেন: আল্লাহ্ তা’আলা আমাকে বিবাহ দিয়েছেন আসমানে। আর তার ব্যাপারেই পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে।
أخبرني أحمد بن يحيى الصوفي، قال: حدثنا أبو نعيم، قال: حدثنا عيسى بن طهمان أبو بكر، سمعت أنس بن مالك، يقول: " كانت زينب بنت جحش تفخر على نساء النبي صلى الله عليه وسلم، تقول: إن الله عز وجل أنكحني من السماء، وفيها نزلت آية الحجاب "
সুনান নাসাঈ ৩২৫১
أخبرنا سويد بن نصر، قال: أنبأنا عبد الله، قال: حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، قال: لما انقضت عدة زينب، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لزيد: «اذكرها علي»، قال زيد: فانطلقت، فقلت: يا زينب أبشري، أرسلني إليك رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكرك، فقالت: ما أنا بصانعة شيئا حتى أستأمر ربي، فقامت إلى مسجدها، ونزل القرآن، وجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم، فدخل بغير أمر
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : (যায়দ রা সংগে বিবাহ বিচ্ছেদের পর) যখন যয়নব (রাঃ)-এর ইদ্দত শেষ হল তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়দকে বললেন : তার নিকট আমার বিবাহের প্রস্তাব উত্থাপন কর। যায়দ (রাঃ) বলেন : আমি গিয়ে বললাম হে যয়নব! সুসংবাদ গ্রহন কর, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমার কথা উল্লেখ করে আমাকে (প্রস্তাব দিয়ে) তোমার নিকট প্রেরণ করেছেন। তিনি বললেন : আমি আমার রবের পরামর্শ না নিয়ে কিছুই করবনা। এই বলে তিনি তাঁর নামাযের স্থানে দাঁড়িয়ে গেলেন। ইতিমধ্যে কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হলো এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করলেন। অর্থাৎ তার অনুমদন ব্যতীত তার নিকট গমন করলেন। (কারণ আল্লাহ্ তা’আলা নিজেই যয়নব (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বিবাহ দিয়েছিলেন)।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : (যায়দ রা সংগে বিবাহ বিচ্ছেদের পর) যখন যয়নব (রাঃ)-এর ইদ্দত শেষ হল তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়দকে বললেন : তার নিকট আমার বিবাহের প্রস্তাব উত্থাপন কর। যায়দ (রাঃ) বলেন : আমি গিয়ে বললাম হে যয়নব! সুসংবাদ গ্রহন কর, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমার কথা উল্লেখ করে আমাকে (প্রস্তাব দিয়ে) তোমার নিকট প্রেরণ করেছেন। তিনি বললেন : আমি আমার রবের পরামর্শ না নিয়ে কিছুই করবনা। এই বলে তিনি তাঁর নামাযের স্থানে দাঁড়িয়ে গেলেন। ইতিমধ্যে কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হলো এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করলেন। অর্থাৎ তার অনুমদন ব্যতীত তার নিকট গমন করলেন। (কারণ আল্লাহ্ তা’আলা নিজেই যয়নব (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বিবাহ দিয়েছিলেন)।
أخبرنا سويد بن نصر، قال: أنبأنا عبد الله، قال: حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، قال: لما انقضت عدة زينب، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لزيد: «اذكرها علي»، قال زيد: فانطلقت، فقلت: يا زينب أبشري، أرسلني إليك رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكرك، فقالت: ما أنا بصانعة شيئا حتى أستأمر ربي، فقامت إلى مسجدها، ونزل القرآن، وجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم، فدخل بغير أمر
সুনান নাসাঈ > ইস্তিখারা কিভাবে করতে হবে?
সুনান নাসাঈ ৩২৫৩
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا ابن أبي الموال، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعلمنا الاستخارة في الأمور كلها كما يعلمنا السورة من القرآن، يقول: " إذا هم أحدكم بالأمر، فليركع ركعتين من غير الفريضة، ثم يقول: اللهم إني أستخيرك بعلمك، وأستعينك بقدرتك، وأسألك من فضلك العظيم، فإنك تقدر ولا أقدر، وتعلم ولا أعلم، وأنت علام الغيوب، اللهم إن كنت تعلم أن هذا الأمر خير لي في ديني ومعاشي وعاقبة أمري - أو قال: في عاجل أمري وآجله - فاقدره لي، ويسره لي، ثم بارك لي فيه، وإن كنت تعلم أن هذا الأمر شر لي في ديني، ومعاشي، وعاقبة أمري - أو قال: في عاجل أمري وآجله -، فاصرفه عني، واصرفني عنه، واقدر لي الخير حيث كان، ثم أرضني به "، قال: «ويسمي حاجته»
জাবির ইব্ন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে প্রত্যেক কাজে ইস্তিখারা করতে শিক্ষা দিতেন, যেমন আমাদেরকে কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেন: যখন তোমাদের কেউ কোন কাজের ইচ্ছা করবে, সে যেন ফরয ব্যতীত দু’রাক’আত সালাত আদায় করে নেয়, তারপর বলে : (অর্থ : ইয়া আল্লাহ্। আমি আপনার ইল্ম দ্বারা আপনার কাছে কল্যাণ (সুপরামর্শ) কামনা করছি এবং আপনার কুদরাতের সাহায্য প্রার্থনা করছি এবং আপনার মহা অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি। কেননা, নিশ্চয় আপনিই ক্ষমতাবান, আমার ক্ষমতা নেই; আপনি জানেন, আমি জানি না এবং আপনি অদৃশ্য জগতের মহাজ্ঞানী। হে আল্লাহ্। যদি আপনার ইলমে এরুপ থাকে যে, ‘এ বিষয়টি’ আমার দীন, আমার জীবন ও আমার কর্ম- পরিণতির বিচারে- অথবা তিনি বলেছেন- আমার নগদ কর্ম ও বাকী কর্ম দুনিয়া ও আখিরাতে- আমার জন্য কল্যাণকর, তবে আপনি তা আমার জন্য নির্ণীত ( ও সহজসাধ্য) করে দিন। এরপর তাতে আমাকে বরকত দান করুন। আর যদি আপনার ইলমে এরুপ থাকে যে, ‘এ বিষয়টি’ আমার দীন, আমার জীবন মান ও আমার কাজের পরিণামে- অথবা বললেন—নগদে ও বিলম্বে- আমার জন্য অকল্যাণকর তবে আপনি তা আমার হতে (দূরে) সরিয়ে দিন এবং আমাকে তা হতে সরিয়ে দিন এবং কল্যাণ যেখানেই (যাতেই) থাক না কেন তা আমার জন্য নির্ণীত (তাকদীর ও সহজসাধ্য) করে দিন এবং তাতে আমাকে তুষ্টতা দান করুন। তিনি বলেন, (‘এ বিষয়টি’ বলার সময়) নিজ প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করবে।
জাবির ইব্ন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে প্রত্যেক কাজে ইস্তিখারা করতে শিক্ষা দিতেন, যেমন আমাদেরকে কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেন: যখন তোমাদের কেউ কোন কাজের ইচ্ছা করবে, সে যেন ফরয ব্যতীত দু’রাক’আত সালাত আদায় করে নেয়, তারপর বলে : (অর্থ : ইয়া আল্লাহ্। আমি আপনার ইল্ম দ্বারা আপনার কাছে কল্যাণ (সুপরামর্শ) কামনা করছি এবং আপনার কুদরাতের সাহায্য প্রার্থনা করছি এবং আপনার মহা অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি। কেননা, নিশ্চয় আপনিই ক্ষমতাবান, আমার ক্ষমতা নেই; আপনি জানেন, আমি জানি না এবং আপনি অদৃশ্য জগতের মহাজ্ঞানী। হে আল্লাহ্। যদি আপনার ইলমে এরুপ থাকে যে, ‘এ বিষয়টি’ আমার দীন, আমার জীবন ও আমার কর্ম- পরিণতির বিচারে- অথবা তিনি বলেছেন- আমার নগদ কর্ম ও বাকী কর্ম দুনিয়া ও আখিরাতে- আমার জন্য কল্যাণকর, তবে আপনি তা আমার জন্য নির্ণীত ( ও সহজসাধ্য) করে দিন। এরপর তাতে আমাকে বরকত দান করুন। আর যদি আপনার ইলমে এরুপ থাকে যে, ‘এ বিষয়টি’ আমার দীন, আমার জীবন মান ও আমার কাজের পরিণামে- অথবা বললেন—নগদে ও বিলম্বে- আমার জন্য অকল্যাণকর তবে আপনি তা আমার হতে (দূরে) সরিয়ে দিন এবং আমাকে তা হতে সরিয়ে দিন এবং কল্যাণ যেখানেই (যাতেই) থাক না কেন তা আমার জন্য নির্ণীত (তাকদীর ও সহজসাধ্য) করে দিন এবং তাতে আমাকে তুষ্টতা দান করুন। তিনি বলেন, (‘এ বিষয়টি’ বলার সময়) নিজ প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করবে।
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا ابن أبي الموال، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعلمنا الاستخارة في الأمور كلها كما يعلمنا السورة من القرآن، يقول: " إذا هم أحدكم بالأمر، فليركع ركعتين من غير الفريضة، ثم يقول: اللهم إني أستخيرك بعلمك، وأستعينك بقدرتك، وأسألك من فضلك العظيم، فإنك تقدر ولا أقدر، وتعلم ولا أعلم، وأنت علام الغيوب، اللهم إن كنت تعلم أن هذا الأمر خير لي في ديني ومعاشي وعاقبة أمري - أو قال: في عاجل أمري وآجله - فاقدره لي، ويسره لي، ثم بارك لي فيه، وإن كنت تعلم أن هذا الأمر شر لي في ديني، ومعاشي، وعاقبة أمري - أو قال: في عاجل أمري وآجله -، فاصرفه عني، واصرفني عنه، واقدر لي الخير حيث كان، ثم أرضني به "، قال: «ويسمي حاجته»
সুনান নাসাঈ > পুত্রের তার মাকে বিবাহ দেওয়া
সুনান নাসাঈ ৩২৫৪
أخبرنا محمد بن إسمعيل بن إبراهيم، قال: حدثنا يزيد، عن حماد بن سلمة، عن ثابت البناني، حدثني ابن عمر بن أبي سلمة، عن أبيه، عن أم سلمة، لما انقضت عدتها، بعث إليها أبو بكر يخطبها عليه، فلم تزوجه، فبعث إليها رسول الله صلى الله عليه وسلم عمر بن الخطاب يخطبها عليه، فقالت: أخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم أني امرأة غيرى، وأني امرأة مصبية، وليس أحد من أوليائي شاهد، فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذكر ذلك له، فقال: " ارجع إليها فقل لها: أما قولك إني امرأة غيرى، فسأدعو الله لك فيذهب غيرتك، وأما قولك إني امرأة مصبية، فستكفين صبيانك، وأما قولك أن ليس أحد من أوليائي شاهد، فليس أحد من أوليائك شاهد ولا غائب يكره ذلك "، فقالت لابنها: يا عمر، قم فزوج رسول الله صلى الله عليه وسلم، فزوجه «مختصر»
উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: যখন তার ইদ্দত পূর্ণ হলো, আবূ বকর (রাঃ) তাঁর নিকট নিজের বিবাহ প্রস্তাব দিয়ে লোক পাঠালেন। কিন্তু তিনি তাঁকে বিবাহ করলেন না। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উমর ইব্ন খাত্তাব (রাঃ)-কে তাঁর বিবাহের প্রস্তাব দিয়ে পাঠালেন। তিনি বললেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলুন, আমি একজন আত্মাভিমানী নারী, আর আমার সন্তান রয়েছে। আর এখানে আমার কোন আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত নেই। উমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে সব কিছুই বর্ণনা করলেন। তিনি বললেন: তুমি তার নিকট ফিরে গিয়ে বল, আপনি যে বলেছেন, আমি আত্মাভিমানী, আমি আল্লাহ্ তা’আলার নিকট দু’আ করব তা হলে আপনার আভিমান দূর করে দিবেন। আর আপনি বলেছেন, আমি সন্তানওয়ালী, আপনার সন্তানদের জন্য আপনাকে একটা ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। আর আপনি বলেছেন, এখানে আপনার কোন আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত নেই। আপনার উপস্থিত অনুপস্থিত কোন আত্মীয় এতে অনিচ্ছা প্রকাশ করবে না। তখন তিনি তার ছেলেকে বললেন : হে উমর : উঠ, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সংগে আমার বিবাহ দাও। ফলে সে তাঁকে বিবাহ দিল। (সংক্ষিপ্ত)
উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন: যখন তার ইদ্দত পূর্ণ হলো, আবূ বকর (রাঃ) তাঁর নিকট নিজের বিবাহ প্রস্তাব দিয়ে লোক পাঠালেন। কিন্তু তিনি তাঁকে বিবাহ করলেন না। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উমর ইব্ন খাত্তাব (রাঃ)-কে তাঁর বিবাহের প্রস্তাব দিয়ে পাঠালেন। তিনি বললেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলুন, আমি একজন আত্মাভিমানী নারী, আর আমার সন্তান রয়েছে। আর এখানে আমার কোন আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত নেই। উমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে সব কিছুই বর্ণনা করলেন। তিনি বললেন: তুমি তার নিকট ফিরে গিয়ে বল, আপনি যে বলেছেন, আমি আত্মাভিমানী, আমি আল্লাহ্ তা’আলার নিকট দু’আ করব তা হলে আপনার আভিমান দূর করে দিবেন। আর আপনি বলেছেন, আমি সন্তানওয়ালী, আপনার সন্তানদের জন্য আপনাকে একটা ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। আর আপনি বলেছেন, এখানে আপনার কোন আত্মীয়-স্বজন উপস্থিত নেই। আপনার উপস্থিত অনুপস্থিত কোন আত্মীয় এতে অনিচ্ছা প্রকাশ করবে না। তখন তিনি তার ছেলেকে বললেন : হে উমর : উঠ, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সংগে আমার বিবাহ দাও। ফলে সে তাঁকে বিবাহ দিল। (সংক্ষিপ্ত)
أخبرنا محمد بن إسمعيل بن إبراهيم، قال: حدثنا يزيد، عن حماد بن سلمة، عن ثابت البناني، حدثني ابن عمر بن أبي سلمة، عن أبيه، عن أم سلمة، لما انقضت عدتها، بعث إليها أبو بكر يخطبها عليه، فلم تزوجه، فبعث إليها رسول الله صلى الله عليه وسلم عمر بن الخطاب يخطبها عليه، فقالت: أخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم أني امرأة غيرى، وأني امرأة مصبية، وليس أحد من أوليائي شاهد، فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذكر ذلك له، فقال: " ارجع إليها فقل لها: أما قولك إني امرأة غيرى، فسأدعو الله لك فيذهب غيرتك، وأما قولك إني امرأة مصبية، فستكفين صبيانك، وأما قولك أن ليس أحد من أوليائي شاهد، فليس أحد من أوليائك شاهد ولا غائب يكره ذلك "، فقالت لابنها: يا عمر، قم فزوج رسول الله صلى الله عليه وسلم، فزوجه «مختصر»
সুনান নাসাঈ > ছোট (অপ্রাপ্ত বয়স্কা) কন্যার বিবাহ দান
সুনান নাসাঈ ৩২৫৫
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا أبو معاوية، قال: حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، تزوجها وهي بنت ست، وبنى بها وهي بنت تسع»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিবাহ করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল ছয় বছর। আর যখন তাঁকে নিয়ে বাসর ঘর করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল নয় বছর।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিবাহ করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল ছয় বছর। আর যখন তাঁকে নিয়ে বাসর ঘর করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল নয় বছর।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا أبو معاوية، قال: حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، تزوجها وهي بنت ست، وبنى بها وهي بنت تسع»
সুনান নাসাঈ ৩২৫৬
أخبرنا محمد بن النضر بن مساور، قال: حدثنا جعفر بن سليمان، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت: «تزوجني رسول الله صلى الله عليه وسلم لسبع سنين، ودخل علي لتسع سنين»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বিবাহ করেন, আমার ছিল সাত বছর বয়স। আর নয় বছর বয়সে তিনি আমার সাথে বাসর করেন।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বিবাহ করেন, আমার ছিল সাত বছর বয়স। আর নয় বছর বয়সে তিনি আমার সাথে বাসর করেন।
أخبرنا محمد بن النضر بن مساور، قال: حدثنا جعفر بن سليمان، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت: «تزوجني رسول الله صلى الله عليه وسلم لسبع سنين، ودخل علي لتسع سنين»
সুনান নাসাঈ ৩২৫৭
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا عبثر، عن مطرف، عن أبي إسحق، عن أبي عبيدة، قال: قالت عائشة: «تزوجني رسول الله صلى الله عليه وسلم لتسع سنين وصحبته تسعا» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره
আবূ উবায়দা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে নয় বছর বয়সের সময় বিবাহ (বাসর) করেন। আর আমি তাঁর (দাম্পত্য) সঙ্গলাভ করি নয় বছর পর্যন্ত।
আবূ উবায়দা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে নয় বছর বয়সের সময় বিবাহ (বাসর) করেন। আর আমি তাঁর (দাম্পত্য) সঙ্গলাভ করি নয় বছর পর্যন্ত।
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا عبثر، عن مطرف، عن أبي إسحق، عن أبي عبيدة، قال: قالت عائشة: «تزوجني رسول الله صلى الله عليه وسلم لتسع سنين وصحبته تسعا» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره
সুনান নাসাঈ ৩২৫৮
أخبرنا محمد بن العلاء، وأحمد بن حرب، قالا: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، «تزوجها رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي بنت تسع، ومات عنها وهي بنت ثماني عشرة»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকেঁ বিবাহ করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল নয় বছর। আর যখন তিনি ইনতিকাল করেন তখন তাঁর বয়স ছিল আঠারো বছর।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকেঁ বিবাহ করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল নয় বছর। আর যখন তিনি ইনতিকাল করেন তখন তাঁর বয়স ছিল আঠারো বছর।
أخبرنا محمد بن العلاء، وأحمد بن حرب، قالا: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، «تزوجها رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي بنت تسع، ومات عنها وهي بنت ثماني عشرة»