সুনান নাসাঈ > প্রস্তাব ছেড়ে দিলে অথবা অনুমতি দিলে অন্যজনের প্রস্তাব দেয়া সম্পর্কে
সুনান নাসাঈ ৩২৪৩
أخبرني إبراهيم بن الحسن، قال: حدثنا الحجاج بن محمد، قال: قال ابن جريج: سمعت نافعا، يحدث، أن عبد الله بن عمر، كان يقول: «نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يبيع بعضكم على بيع بعض، ولا يخطب الرجل على خطبة الرجل، حتى يترك الخاطب قبله، أو يأذن له الخاطب»
ইব্ন জুরাইজ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নাফি (রহঃ)-কে বর্ণনা করতে শুনেছি, আব্দুল্লাহ্ ইব্ন উমর (রাঃ) বলতেন : কারও খরিদ করার (প্রস্তাবের) উপর অন্য কারো খরিদ করার প্রস্তাব দিতে এবং একজনের বিবাহের প্রস্তাবের উপর অন্যজনের প্রস্তাব দিতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন, যে পর্যন্ত না (ঐ প্রথম) প্রস্তাবকে ছেড়ে যায় অথবা প্রস্তাবক (নিজেই) তাকে অনুমতি দেয়।
ইব্ন জুরাইজ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নাফি (রহঃ)-কে বর্ণনা করতে শুনেছি, আব্দুল্লাহ্ ইব্ন উমর (রাঃ) বলতেন : কারও খরিদ করার (প্রস্তাবের) উপর অন্য কারো খরিদ করার প্রস্তাব দিতে এবং একজনের বিবাহের প্রস্তাবের উপর অন্যজনের প্রস্তাব দিতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন, যে পর্যন্ত না (ঐ প্রথম) প্রস্তাবকে ছেড়ে যায় অথবা প্রস্তাবক (নিজেই) তাকে অনুমতি দেয়।
أخبرني إبراهيم بن الحسن، قال: حدثنا الحجاج بن محمد، قال: قال ابن جريج: سمعت نافعا، يحدث، أن عبد الله بن عمر، كان يقول: «نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يبيع بعضكم على بيع بعض، ولا يخطب الرجل على خطبة الرجل، حتى يترك الخاطب قبله، أو يأذن له الخاطب»
সুনান নাসাঈ ৩২৪৪
أخبرني حاجب بن سليمان، قال: حدثنا حجاج، قال: حدثنا ابن أبي ذئب، عن الزهري، ويزيد بن عبد الله بن قسيط، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، وعن الحارث بن عبد الرحمن، عن محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان، أنهما سألا فاطمة بنت قيس، عن أمرها، فقالت: طلقني زوجي ثلاثا، فكان يرزقني طعاما فيه شيء، فقلت: والله لئن كانت لي النفقة والسكنى لأطلبنها ولا أقبل هذا، فقال الوكيل: ليس لك سكنى ولا نفقة، قالت: فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له، فقال: «ليس لك سكنى ولا نفقة، فاعتدي عند فلانة»، قالت: وكان يأتيها أصحابه، ثم قال: «اعتدي عند ابن أم مكتوم فإنه أعمى، فإذا حللت فآذنيني» قالت: فلما حللت آذنته، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ومن خطبك؟» فقلت: معاوية ورجل آخر من قريش، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «أما معاوية، فإنه غلام من غلمان قريش، لا شيء له، وأما الآخر، فإنه صاحب شر لا خير فيه، ولكن انكحي أسامة بن زيد» قالت: فكرهته، فقال لها ذلك ثلاث مرات، فنكحته
আবু সালামা ইবন আব্দুর রহমান ও মুহাম্মাদ ইব্ন আবদূর রহমান ইব্ন ছাওবান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা ফাতিমা বিনত কায়সকে তার ব্যাপারে প্রশ্ন করেন। জবাবে তিনি বলেন : আমার স্বামী আমাকে তিন তালাক দেয়। সে আমাকে কিছু খোরাক দিত, তাতে কিছু সমস্যা ছিল। আমি বললাম: আল্লাহর কসম যদি খোরাক ও বাসস্থান আমার প্রাপ্য হয়ে থাকে, তবে আমি তা চাইব। আমি এটা (নিম্নমানের খাদ্য) গ্রহন করবনা। উকিল বললেন: তোমার জন্য কোন খোরাক ও বাসস্থান (প্রাপ্য) নেই। তখন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে তাকে তা জানালাম। তিনি বললেন : তোমার জন্য খোরাক ও বাসস্থান নেই, তুমি অমুক স্ত্রীলোকের কাছে থেকে ইদ্দত পালন কর। তিনি (ফাতিমা) বলেন : তার নিকট তাঁর সাহাবীরা আসা-যাওয়া করত। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : তাহলে তুমি উম্মু মাকতূমের নিকট থেকে ইদ্দত পূর্ণ কর। কেননা সে একজন অন্ধ বাক্তি। যখন তুমি ইদ্দত পূর্ণ করবে, তখন আমাকে অবহিত করবে। ফাতিমা (রাঃ) বলেন : আমি হালাল হয়ে তাঁকে জানালাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : কে কে তোমাকে বিবাহের পয়গাম দিয়েছে? আমি বললাম : মু’আবিয়া (রাঃ) এবং অন্য একজন কুরায়শী ব্যক্তি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : মু’আবিয়া তো কুরায়শী যুবকদের মধ্যে একজন যুবক, তবে তার কোন সম্পদ নেই। আর অন্য ব্যক্তি একজন মন্দ লোক, তার মধ্যে কোন মঙ্গল নেই; বরং তুমি উসামাকে বিবাহ কর। ফাতিমা (রাঃ) বলেন : আমি তা পছন্দ করলাম না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা তিনবার বললেন। এরপর আমি তাকে বিবাহ করলাম।
আবু সালামা ইবন আব্দুর রহমান ও মুহাম্মাদ ইব্ন আবদূর রহমান ইব্ন ছাওবান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা ফাতিমা বিনত কায়সকে তার ব্যাপারে প্রশ্ন করেন। জবাবে তিনি বলেন : আমার স্বামী আমাকে তিন তালাক দেয়। সে আমাকে কিছু খোরাক দিত, তাতে কিছু সমস্যা ছিল। আমি বললাম: আল্লাহর কসম যদি খোরাক ও বাসস্থান আমার প্রাপ্য হয়ে থাকে, তবে আমি তা চাইব। আমি এটা (নিম্নমানের খাদ্য) গ্রহন করবনা। উকিল বললেন: তোমার জন্য কোন খোরাক ও বাসস্থান (প্রাপ্য) নেই। তখন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে তাকে তা জানালাম। তিনি বললেন : তোমার জন্য খোরাক ও বাসস্থান নেই, তুমি অমুক স্ত্রীলোকের কাছে থেকে ইদ্দত পালন কর। তিনি (ফাতিমা) বলেন : তার নিকট তাঁর সাহাবীরা আসা-যাওয়া করত। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : তাহলে তুমি উম্মু মাকতূমের নিকট থেকে ইদ্দত পূর্ণ কর। কেননা সে একজন অন্ধ বাক্তি। যখন তুমি ইদ্দত পূর্ণ করবে, তখন আমাকে অবহিত করবে। ফাতিমা (রাঃ) বলেন : আমি হালাল হয়ে তাঁকে জানালাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : কে কে তোমাকে বিবাহের পয়গাম দিয়েছে? আমি বললাম : মু’আবিয়া (রাঃ) এবং অন্য একজন কুরায়শী ব্যক্তি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : মু’আবিয়া তো কুরায়শী যুবকদের মধ্যে একজন যুবক, তবে তার কোন সম্পদ নেই। আর অন্য ব্যক্তি একজন মন্দ লোক, তার মধ্যে কোন মঙ্গল নেই; বরং তুমি উসামাকে বিবাহ কর। ফাতিমা (রাঃ) বলেন : আমি তা পছন্দ করলাম না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা তিনবার বললেন। এরপর আমি তাকে বিবাহ করলাম।
أخبرني حاجب بن سليمان، قال: حدثنا حجاج، قال: حدثنا ابن أبي ذئب، عن الزهري، ويزيد بن عبد الله بن قسيط، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، وعن الحارث بن عبد الرحمن، عن محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان، أنهما سألا فاطمة بنت قيس، عن أمرها، فقالت: طلقني زوجي ثلاثا، فكان يرزقني طعاما فيه شيء، فقلت: والله لئن كانت لي النفقة والسكنى لأطلبنها ولا أقبل هذا، فقال الوكيل: ليس لك سكنى ولا نفقة، قالت: فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له، فقال: «ليس لك سكنى ولا نفقة، فاعتدي عند فلانة»، قالت: وكان يأتيها أصحابه، ثم قال: «اعتدي عند ابن أم مكتوم فإنه أعمى، فإذا حللت فآذنيني» قالت: فلما حللت آذنته، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ومن خطبك؟» فقلت: معاوية ورجل آخر من قريش، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «أما معاوية، فإنه غلام من غلمان قريش، لا شيء له، وأما الآخر، فإنه صاحب شر لا خير فيه، ولكن انكحي أسامة بن زيد» قالت: فكرهته، فقال لها ذلك ثلاث مرات، فنكحته
সুনান নাসাঈ > কোন নারী বিবাহ পয়গাম সমন্ধে পুরুষের নিকট পরামর্শ চাইলে তার (প্রস্তাবকারী) সম্পর্কে জ্ঞান বিষয়কে অবহিত করবে না।
সুনান নাসাঈ ৩২৪৫
أخبرنا محمد بن سلمة، والحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، واللفظ لمحمد، عن ابن القاسم، عن مالك، عن عبد الله بن يزيد، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن فاطمة بنت قيس: أن أبا عمرو بن حفص طلقها البتة وهو غائب، فأرسل إليها وكيله بشعير، فسخطته، فقال: والله ما لك علينا من شيء، فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له، فقال: «ليس لك نفقة»، فأمرها أن تعتد في بيت أم شريك، ثم قال: «تلك امرأة يغشاها أصحابي، فاعتدي عند ابن أم مكتوم، فإنه رجل أعمى، تضعين ثيابك، فإذا حللت فآذنيني»، قالت: فلما حللت، ذكرت له أن معاوية بن أبي سفيان وأبا جهم خطباني، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أما أبو جهم، فلا يضع عصاه عن عاتقه، وأما معاوية فصعلوك لا مال له، ولكن انكحي أسامة بن زيد»، فكرهته، ثم قال: «انكحي أسامة بن زيد» فنكحته، فجعل الله عز وجل فيه خيرا، واغتبطت به
ফাতিমা বিনত কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ আমর ইব্ন হাফস তাকে তিন তালাক দিয়ে ফেললেন, তখন তিনি অনুপস্থিত ছিলেন (প্রবাসে)। তার উকিল কিছু যব তার নিকত পাঠালেন। কিন্তু ফাতিমা এতে সন্তুষ্ট না হওয়ায় তিনি (উকিল) বললেন : আল্লাহ্র কসম। আমাদের উপর তোমার কোন পাওনা নেই। ফাতিমা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর খেদমতে এসে এসকল কথা ব্যক্ত করলে তিনি বললেন : তোমার কোন খরচ (খোরাক) পাওনা নেই। তিনি তাকে উম্মু শরীকের ঘরে থেকে ইদ্দত পালন করতে আদেশ করলেন। এরপর তিনি বললেন : সে তো এমন এক নারী যার কাছে আমার সাহাবিগণ বেশি যাতায়াত করে। বরং তুমি ইব্ন উম্মু মাকতুম-এর নিকট থেকে ইদ্দত পূর্ণ কর। সে একজন অন্ধ ব্যক্তি। তুমি তোমার উত্তম কাপড়-চোপড় খুলে রাখতে পারবে। যখন তুমি হালাল (ইদ্দত পূর্ণ) হয়ে যাবে, তখন আমাকে জানাবে। ফাতিমা (রাঃ) বলেন : যখন আমি হালাল হলাম (ইদ্দত পূর্ণ করলাম),তখন তাঁর নিকট বললাম : মু’আবিয়া ইব্ন আবূ সুফিয়ান এবং আবূ জাহাম আমাকে বিবাহের পয়গাম দিয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : আবূ জাহাম তো এমন ব্যক্তি, যে কখনও কাঁধ হতে লাঠি নামিয়ে রাখে না ( অর্থাৎ সে স্ত্রীকে কষ্ট দেয় অথবা সদা সফরে থাকে। আর মু’আবিয়া তো নিঃস্ব, তার কোন মাল-সম্পদ নেই। তুমি বরং উসামা ইব্ন যায়াদ (রাঃ)-কে বিয়ে কর। আমি তা অপছন্দ করলাম। তিনি পুনরায় বললেন : উসামা ইব্ন যায়েদকে বিবাহ কর। এরপর আমি তাকে বিবাহ করলাম। মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তাতে মঙ্গল দান করলেন এবং তাঁর ব্যাপারে আমি ঈর্ষার পাত্রী হলাম।
ফাতিমা বিনত কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ আমর ইব্ন হাফস তাকে তিন তালাক দিয়ে ফেললেন, তখন তিনি অনুপস্থিত ছিলেন (প্রবাসে)। তার উকিল কিছু যব তার নিকত পাঠালেন। কিন্তু ফাতিমা এতে সন্তুষ্ট না হওয়ায় তিনি (উকিল) বললেন : আল্লাহ্র কসম। আমাদের উপর তোমার কোন পাওনা নেই। ফাতিমা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর খেদমতে এসে এসকল কথা ব্যক্ত করলে তিনি বললেন : তোমার কোন খরচ (খোরাক) পাওনা নেই। তিনি তাকে উম্মু শরীকের ঘরে থেকে ইদ্দত পালন করতে আদেশ করলেন। এরপর তিনি বললেন : সে তো এমন এক নারী যার কাছে আমার সাহাবিগণ বেশি যাতায়াত করে। বরং তুমি ইব্ন উম্মু মাকতুম-এর নিকট থেকে ইদ্দত পূর্ণ কর। সে একজন অন্ধ ব্যক্তি। তুমি তোমার উত্তম কাপড়-চোপড় খুলে রাখতে পারবে। যখন তুমি হালাল (ইদ্দত পূর্ণ) হয়ে যাবে, তখন আমাকে জানাবে। ফাতিমা (রাঃ) বলেন : যখন আমি হালাল হলাম (ইদ্দত পূর্ণ করলাম),তখন তাঁর নিকট বললাম : মু’আবিয়া ইব্ন আবূ সুফিয়ান এবং আবূ জাহাম আমাকে বিবাহের পয়গাম দিয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : আবূ জাহাম তো এমন ব্যক্তি, যে কখনও কাঁধ হতে লাঠি নামিয়ে রাখে না ( অর্থাৎ সে স্ত্রীকে কষ্ট দেয় অথবা সদা সফরে থাকে। আর মু’আবিয়া তো নিঃস্ব, তার কোন মাল-সম্পদ নেই। তুমি বরং উসামা ইব্ন যায়াদ (রাঃ)-কে বিয়ে কর। আমি তা অপছন্দ করলাম। তিনি পুনরায় বললেন : উসামা ইব্ন যায়েদকে বিবাহ কর। এরপর আমি তাকে বিবাহ করলাম। মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তাতে মঙ্গল দান করলেন এবং তাঁর ব্যাপারে আমি ঈর্ষার পাত্রী হলাম।
أخبرنا محمد بن سلمة، والحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، واللفظ لمحمد، عن ابن القاسم، عن مالك، عن عبد الله بن يزيد، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن فاطمة بنت قيس: أن أبا عمرو بن حفص طلقها البتة وهو غائب، فأرسل إليها وكيله بشعير، فسخطته، فقال: والله ما لك علينا من شيء، فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له، فقال: «ليس لك نفقة»، فأمرها أن تعتد في بيت أم شريك، ثم قال: «تلك امرأة يغشاها أصحابي، فاعتدي عند ابن أم مكتوم، فإنه رجل أعمى، تضعين ثيابك، فإذا حللت فآذنيني»، قالت: فلما حللت، ذكرت له أن معاوية بن أبي سفيان وأبا جهم خطباني، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أما أبو جهم، فلا يضع عصاه عن عاتقه، وأما معاوية فصعلوك لا مال له، ولكن انكحي أسامة بن زيد»، فكرهته، ثم قال: «انكحي أسامة بن زيد» فنكحته، فجعل الله عز وجل فيه خيرا، واغتبطت به
সুনান নাসাঈ > কোন নারী সম্বন্ধে কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির নিকট পরামর্শ চাইলে, সে যা জানে তা অবহিত করবে কি?
সুনান নাসাঈ ৩২৪৭
أخبرنا محمد بن عبد الله بن يزيد، قال: حدثنا سفيان، عن يزيد بن كيسان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، أن رجلا أراد أن يتزوج امرأة، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «انظر إليها، فإن في أعين الأنصار شيئا»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি এক মহিলাকে বিবাহ করতে ইচ্ছা করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : তাকে দেখে নাও, কেননা আনসারীদের চোখে কিছু (খুঁত) থাকে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি এক মহিলাকে বিবাহ করতে ইচ্ছা করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : তাকে দেখে নাও, কেননা আনসারীদের চোখে কিছু (খুঁত) থাকে।
أخبرنا محمد بن عبد الله بن يزيد، قال: حدثنا سفيان، عن يزيد بن كيسان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، أن رجلا أراد أن يتزوج امرأة، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «انظر إليها، فإن في أعين الأنصار شيئا»
সুনান নাসাঈ ৩২৪৬
أخبرنا محمد بن آدم، قال: حدثنا علي بن هاشم بن البريد، عن يزيد بن كيسان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال: جاء رجل من الأنصار إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: إني تزوجت امرأة، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «ألا نظرت إليها، فإن في أعين الأنصار شيئا» قال أبو عبد الرحمن: «وجدت هذا الحديث في موضع آخر، عن يزيد بن كيسان، أن جابر بن عبد الله حدث، والصواب أبو هريرة»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : এক আনসারী ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে বললেন : আমি এক মহিলাকে বিবাহ (করার ইচ্ছা) করেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : তুমি কি তাকে দেখেছ? কেননা, আনসারীদের চোখে কিছু (খুঁত) থাকে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : এক আনসারী ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে বললেন : আমি এক মহিলাকে বিবাহ (করার ইচ্ছা) করেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : তুমি কি তাকে দেখেছ? কেননা, আনসারীদের চোখে কিছু (খুঁত) থাকে।
أخبرنا محمد بن آدم، قال: حدثنا علي بن هاشم بن البريد، عن يزيد بن كيسان، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال: جاء رجل من الأنصار إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: إني تزوجت امرأة، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «ألا نظرت إليها، فإن في أعين الأنصار شيئا» قال أبو عبد الرحمن: «وجدت هذا الحديث في موضع آخر، عن يزيد بن كيسان، أن جابر بن عبد الله حدث، والصواب أبو هريرة»
সুনান নাসাঈ > কোন ব্যক্তির নিজের কন্যাকে পছন্দনীয় ব্যক্তির কাছে বিবাহ দেয়ার প্রস্তাব করা
সুনান নাসাঈ ৩২৪৮
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، عن عمر، قال: تأيمت حفصة بنت عمر من خنيس يعني ابن حذافة، وكان من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، ممن شهد بدرا، فتوفي بالمدينة، فلقيت عثمان بن عفان فعرضت عليه حفصة، فقلت: إن شئت أنكحتك حفصة، فقال: سأنظر في ذلك، فلبثت ليالي فلقيته، فقال: ما أريد أن أتزوج يومي هذا، قال عمر: فلقيت أبا بكر الصديق، رضي الله عنه فقلت: إن شئت أنكحتك حفصة، فلم يرجع إلي شيئا، فكنت عليه أوجد مني على عثمان رضي الله عنه، فلبثت ليالي، «فخطبها إلي رسول الله صلى الله عليه وسلم فأنكحتها إياه»، فلقيني أبو بكر فقال: لعلك وجدت علي حين عرضت علي حفصة، فلم أرجع إليك شيئا، قلت: نعم، قال: فإنه لم يمنعني حين عرضت علي أن أرجع إليك شيئا، إلا أني «سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكرها، ولم أكن لأفشي سر رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولو تركها نكحتها»
উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : খুনায়স অর্থাৎ ইব্ন হুযাফা, যিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবী এবং বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারীদের অন্যতম ছিলেন, মদীনায় তাঁর ইন্তিকাল হলে হাফসা বিনত উমর (রাঃ) বিধবা হলেন। উমর (রাঃ) বলেন : আমি উসমান ইব্ন আফফান (রাঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে হাফসা (রাঃ)-এর কথা উল্লেখ করে তাকে বললাম : যদি তুমি ইচ্ছা কর, তাহলে হাফসাকে আমি তোমার নিকট বিবাহ দিব। তিনি বললেন : এ ব্যাপারে আমি চিন্তা করব। আমি কিছুদিন অতিবাহিত করলাম, পুনরায় তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি বললেন : এসময় আমার বিবাহ করার ইচ্ছা নেই। উমর (রাঃ) বলেন : এরপর আমি আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁকে বললাম : যদি আপনি ইচ্ছা করেন , তাহলে হাফসা (রাঃ)-কে আপনার সাথে বিবাহ দিব। তিনি আমাকে কোন উত্তর দিলেন না। এতে উসমান (রাঃ)-এর উপর আমার ক্ষোভ হয়েছিল, তার চেয়ে অধিক ক্ষোভ হলো তাঁর উপর। এভাবে আমি কিছুদিন অতিবাহিত করলাম। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে তার বিবাহের প্রস্তাব দিলেন। আমি তাঁকে তার বিবাহে সপর্দ করলাম। এরপর আবূ বকর (রাঃ)-এর সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হলে তিনি বললেন : আপনি আমার নিকট হাফসা (রাঃ)-এর বিবাহের প্রস্তাব দিলে আমি কিছু না বলায় হয়তো আপনি আমার উপর অসন্তুষ্ট হয়েছেন। আমি বললাম , হ্যাঁ। তিনি বললেন : আপনি যখন প্রস্তাব দিলেন : তখন আপনাকে কোন উত্তর না দেওয়ার কারণ এ ব্যতীত আর কিছুই ছিলনা যে, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তার সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি। আর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গোপন কথা প্রকাশ করতে চাইনি। যদি তিনি তাঁকে বাদ দিতেন তবে আমি তাকে বিবাহ করতাম।
উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : খুনায়স অর্থাৎ ইব্ন হুযাফা, যিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবী এবং বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারীদের অন্যতম ছিলেন, মদীনায় তাঁর ইন্তিকাল হলে হাফসা বিনত উমর (রাঃ) বিধবা হলেন। উমর (রাঃ) বলেন : আমি উসমান ইব্ন আফফান (রাঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে হাফসা (রাঃ)-এর কথা উল্লেখ করে তাকে বললাম : যদি তুমি ইচ্ছা কর, তাহলে হাফসাকে আমি তোমার নিকট বিবাহ দিব। তিনি বললেন : এ ব্যাপারে আমি চিন্তা করব। আমি কিছুদিন অতিবাহিত করলাম, পুনরায় তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি বললেন : এসময় আমার বিবাহ করার ইচ্ছা নেই। উমর (রাঃ) বলেন : এরপর আমি আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁকে বললাম : যদি আপনি ইচ্ছা করেন , তাহলে হাফসা (রাঃ)-কে আপনার সাথে বিবাহ দিব। তিনি আমাকে কোন উত্তর দিলেন না। এতে উসমান (রাঃ)-এর উপর আমার ক্ষোভ হয়েছিল, তার চেয়ে অধিক ক্ষোভ হলো তাঁর উপর। এভাবে আমি কিছুদিন অতিবাহিত করলাম। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে তার বিবাহের প্রস্তাব দিলেন। আমি তাঁকে তার বিবাহে সপর্দ করলাম। এরপর আবূ বকর (রাঃ)-এর সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হলে তিনি বললেন : আপনি আমার নিকট হাফসা (রাঃ)-এর বিবাহের প্রস্তাব দিলে আমি কিছু না বলায় হয়তো আপনি আমার উপর অসন্তুষ্ট হয়েছেন। আমি বললাম , হ্যাঁ। তিনি বললেন : আপনি যখন প্রস্তাব দিলেন : তখন আপনাকে কোন উত্তর না দেওয়ার কারণ এ ব্যতীত আর কিছুই ছিলনা যে, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তার সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি। আর আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গোপন কথা প্রকাশ করতে চাইনি। যদি তিনি তাঁকে বাদ দিতেন তবে আমি তাকে বিবাহ করতাম।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، عن عمر، قال: تأيمت حفصة بنت عمر من خنيس يعني ابن حذافة، وكان من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، ممن شهد بدرا، فتوفي بالمدينة، فلقيت عثمان بن عفان فعرضت عليه حفصة، فقلت: إن شئت أنكحتك حفصة، فقال: سأنظر في ذلك، فلبثت ليالي فلقيته، فقال: ما أريد أن أتزوج يومي هذا، قال عمر: فلقيت أبا بكر الصديق، رضي الله عنه فقلت: إن شئت أنكحتك حفصة، فلم يرجع إلي شيئا، فكنت عليه أوجد مني على عثمان رضي الله عنه، فلبثت ليالي، «فخطبها إلي رسول الله صلى الله عليه وسلم فأنكحتها إياه»، فلقيني أبو بكر فقال: لعلك وجدت علي حين عرضت علي حفصة، فلم أرجع إليك شيئا، قلت: نعم، قال: فإنه لم يمنعني حين عرضت علي أن أرجع إليك شيئا، إلا أني «سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكرها، ولم أكن لأفشي سر رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولو تركها نكحتها»