সুনান নাসাঈ > কুমারীর বিবাহ
সুনান নাসাঈ ৩২১৯
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا حماد، عن عمرو، عن جابر، قال: تزوجت فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: «أتزوجت يا جابر؟» قلت: نعم، قال: «بكرا أم ثيبا؟» فقلت: ثيبا، قال: «فهلا بكرا تلاعبها وتلاعبك»
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিবাহ করার পড় আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর খিদমতে আগমন করলে তিনি বললেনঃ হয়ে জাবির! তুমি কি বিবাহ করেছ? আমি বললামঃ জ্বী হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ কুমারী, না বিবাহিতা? আমি বললামঃ বিবাহিতা। তিনি ইরশাদ করলেনঃ কুমারী কেন বিবাহ করলে না, যে তোমার সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করতো, আর তুমি তার সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করতে!
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিবাহ করার পড় আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর খিদমতে আগমন করলে তিনি বললেনঃ হয়ে জাবির! তুমি কি বিবাহ করেছ? আমি বললামঃ জ্বী হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ কুমারী, না বিবাহিতা? আমি বললামঃ বিবাহিতা। তিনি ইরশাদ করলেনঃ কুমারী কেন বিবাহ করলে না, যে তোমার সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করতো, আর তুমি তার সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করতে!
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا حماد، عن عمرو، عن جابر، قال: تزوجت فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: «أتزوجت يا جابر؟» قلت: نعم، قال: «بكرا أم ثيبا؟» فقلت: ثيبا، قال: «فهلا بكرا تلاعبها وتلاعبك»
সুনান নাসাঈ ৩২২০
أخبرنا الحسن بن قزعة، قال: حدثنا سفيان وهو ابن حبيب، عن ابن جريج، عن عطاء، عن جابر، قال: لقيني رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «يا جابر، هل أصبت امرأة بعدي؟» قلت: نعم يا رسول الله، قال: «أبكرا أم أيما؟» قلت: أيما، قال: «فهلا بكرا تلاعبك»
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আমার দেখা হলে তিনি বললেনঃ হে জাবির? আমার অজ্ঞাতে তুমি কি স্ত্রী গ্রহণ করেছ? আমি বললামঃ হ্যাঁ, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! তিনি বললেনঃ কুমারী, না পূর্বে বিবাহিতা (তালাকপ্রাপ্তা ; বিধবা) ? আমি বললামঃ পূর্বে বিবাহিতা। তিনি বললেনঃ কেন কুমারী (বিবাহ) করলে না, তাহলে তুমি তার সাথে আমদ-ফুর্তি করতে এবং সেও তোমার সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করতো।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আমার দেখা হলে তিনি বললেনঃ হে জাবির? আমার অজ্ঞাতে তুমি কি স্ত্রী গ্রহণ করেছ? আমি বললামঃ হ্যাঁ, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! তিনি বললেনঃ কুমারী, না পূর্বে বিবাহিতা (তালাকপ্রাপ্তা ; বিধবা) ? আমি বললামঃ পূর্বে বিবাহিতা। তিনি বললেনঃ কেন কুমারী (বিবাহ) করলে না, তাহলে তুমি তার সাথে আমদ-ফুর্তি করতে এবং সেও তোমার সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করতো।
أخبرنا الحسن بن قزعة، قال: حدثنا سفيان وهو ابن حبيب، عن ابن جريج، عن عطاء، عن جابر، قال: لقيني رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «يا جابر، هل أصبت امرأة بعدي؟» قلت: نعم يا رسول الله، قال: «أبكرا أم أيما؟» قلت: أيما، قال: «فهلا بكرا تلاعبك»
সুনান নাসাঈ > সম-বয়সীকে বিবাহ করা
সুনান নাসাঈ ৩২২১
خبرنا الحسين بن حريث، قال: حدثنا الفضل بن موسى، عن الحسين بن واقد، عن عبد الله بن بريدة، عن أبيه، قال: خطب أبو بكر، وعمر رضي الله عنهما فاطمة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إنها صغيرة» فخطبها علي، فزوجها منه
আবদুল্লাহ্ ইব্ন বুরায়দা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বকর এবং উমর (রাঃ) ফাতিমা (রাঃ)-এর বিবাহের পয়গাম পেশ করলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে তো অল্প বয়স্কা। এরপর আলী (রাঃ) প্রস্তাব করলে তিনি তাঁর সাথে বিবাহ দিলেন।
আবদুল্লাহ্ ইব্ন বুরায়দা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বকর এবং উমর (রাঃ) ফাতিমা (রাঃ)-এর বিবাহের পয়গাম পেশ করলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে তো অল্প বয়স্কা। এরপর আলী (রাঃ) প্রস্তাব করলে তিনি তাঁর সাথে বিবাহ দিলেন।
خبرنا الحسين بن حريث، قال: حدثنا الفضل بن موسى، عن الحسين بن واقد، عن عبد الله بن بريدة، عن أبيه، قال: خطب أبو بكر، وعمر رضي الله عنهما فاطمة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إنها صغيرة» فخطبها علي، فزوجها منه
সুনান নাসাঈ > আযাদকৃত গোলামের সংগে আরবী স্বাধীন নারীর বিবাহ
সুনান নাসাঈ ৩২২৩
أخبرنا عمران بن بكار بن راشد، قال: حدثنا أبو اليمان، قال: أنبأنا شعيب، عن الزهري، قال: أخبرني عروة بن الزبير، عن عائشة: أن أبا حذيفة بن عتبة بن ربيعة بن عبد شمس، وكان ممن شهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، تبنى سالما وأنكحه ابنة أخيه هند بنت الوليد بن عتبة بن ربيعة بن عبد شمس، وهو مولى لامرأة من الأنصار، كما «تبنى رسول الله صلى الله عليه وسلم زيدا»، وكان من تبنى رجلا في الجاهلية، دعاه الناس ابنه، فورث من ميراثه، حتى أنزل الله عز وجل في ذلك {ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله فإن لم تعلموا آباءهم فإخوانكم في الدين ومواليكم} [الأحزاب: 5] فمن لم يعلم له أب كان مولى وأخا في الدين «مختصر»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুযায়ফা ইব্ন উতবা ইব্ন রবী’আ ইব্ন আব্দ শামস ছিলেন ঐ সকল লোকের মধ্যে যারা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সংগে বদর যুদ্ধে শরীক ছিলেন। তিনি সালিম নামে এক ব্যক্তিকে (পালক) ‘পুত্র’ বানিয়ে নিয়েছিলেন এবং তার সাথে তার ভ্রাতৃকন্যা হিন্দা বিনত ওয়ালীদ ইব্ন উতবা ইব্ন রবী’আ ইব্ন আবদ শামস-এর বিবাহ দেন। সে ছিল এক আনসারী মহিলার ক্রীতদাস। যেমন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়দ-কে পূত্র হিসাবে গ্রহণ করেছিলেন। জাহিলী যুগে নিয়ম ছিল, যদি কেউ কাউকেও পোষ্যপুত্র হিসেবে গ্রহণ করতো, লোক তাকে তার ছেলে বলেই ডাকতো এবং এ ছেলে ঐ লোকের ওয়ারিশ হতো। এ ব্যাপারে আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত নাযিল করেনঃ “তোমরা তাদের ডাক তাদের পিতৃ-পরিচয়ে, এটাই আল্লাহ্র দৃষ্টিতে অধিক ন্যায়সঙ্গত; যদি তোমরা তাদের পিতৃ-পরিচয় না জান, তবে তারা তোমাদের ধর্মীয় ভাই এবং বন্ধু। (৩৩:৫)।” এরপর যার পিতৃ পরিচয় না থাকতো, সে বন্ধু বা ধর্মীয় ভাই হিসেবে পরিগণিত হতো। (সংক্ষিপ্ত)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুযায়ফা ইব্ন উতবা ইব্ন রবী’আ ইব্ন আব্দ শামস ছিলেন ঐ সকল লোকের মধ্যে যারা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সংগে বদর যুদ্ধে শরীক ছিলেন। তিনি সালিম নামে এক ব্যক্তিকে (পালক) ‘পুত্র’ বানিয়ে নিয়েছিলেন এবং তার সাথে তার ভ্রাতৃকন্যা হিন্দা বিনত ওয়ালীদ ইব্ন উতবা ইব্ন রবী’আ ইব্ন আবদ শামস-এর বিবাহ দেন। সে ছিল এক আনসারী মহিলার ক্রীতদাস। যেমন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়দ-কে পূত্র হিসাবে গ্রহণ করেছিলেন। জাহিলী যুগে নিয়ম ছিল, যদি কেউ কাউকেও পোষ্যপুত্র হিসেবে গ্রহণ করতো, লোক তাকে তার ছেলে বলেই ডাকতো এবং এ ছেলে ঐ লোকের ওয়ারিশ হতো। এ ব্যাপারে আল্লাহ্ তা’আলা এ আয়াত নাযিল করেনঃ “তোমরা তাদের ডাক তাদের পিতৃ-পরিচয়ে, এটাই আল্লাহ্র দৃষ্টিতে অধিক ন্যায়সঙ্গত; যদি তোমরা তাদের পিতৃ-পরিচয় না জান, তবে তারা তোমাদের ধর্মীয় ভাই এবং বন্ধু। (৩৩:৫)।” এরপর যার পিতৃ পরিচয় না থাকতো, সে বন্ধু বা ধর্মীয় ভাই হিসেবে পরিগণিত হতো। (সংক্ষিপ্ত)
أخبرنا عمران بن بكار بن راشد، قال: حدثنا أبو اليمان، قال: أنبأنا شعيب، عن الزهري، قال: أخبرني عروة بن الزبير، عن عائشة: أن أبا حذيفة بن عتبة بن ربيعة بن عبد شمس، وكان ممن شهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، تبنى سالما وأنكحه ابنة أخيه هند بنت الوليد بن عتبة بن ربيعة بن عبد شمس، وهو مولى لامرأة من الأنصار، كما «تبنى رسول الله صلى الله عليه وسلم زيدا»، وكان من تبنى رجلا في الجاهلية، دعاه الناس ابنه، فورث من ميراثه، حتى أنزل الله عز وجل في ذلك {ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله فإن لم تعلموا آباءهم فإخوانكم في الدين ومواليكم} [الأحزاب: 5] فمن لم يعلم له أب كان مولى وأخا في الدين «مختصر»
সুনান নাসাঈ ৩২২২
أخبرنا كثير بن عبيد، قال: حدثنا محمد بن حرب، عن الزبيدي، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة: أن عبد الله بن عمرو بن عثمان طلق وهو غلام شاب في إمارة مروان ابنة سعيد بن زيد، وأمها بنت قيس البتة، فأرسلت إليها خالتها فاطمة بنت قيس، تأمرها بالانتقال من بيت عبد الله بن عمرو، وسمع بذلك مروان، فأرسل إلى ابنة سعيد، فأمرها أن ترجع إلى مسكنها، وسألها ما حملها على الانتقال من قبل أن تعتد في مسكنها حتى تنقضي عدتها؟ فأرسلت إليه تخبره أن خالتها أمرتها بذلك، فزعمت فاطمة بنت قيس أنها كانت تحت أبي عمرو بن حفص، فلما أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم علي بن أبي طالب على اليمن، خرج معه، وأرسل إليها بتطليقة هي بقية طلاقها، وأمر لها الحارث بن هشام، وعياش بن أبي ربيعة بنفقتها، فأرسلت، زعمت إلى الحارث وعياش، تسألهما الذي أمر لها به زوجها، فقالا: والله ما لها عندنا نفقة إلا أن تكون حاملا، وما لها أن تكون في مسكننا إلا بإذننا، فزعمت أنها أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له، فصدقهما، قالت فاطمة: فأين أنتقل يا رسول الله؟ قال: «انتقلي عند ابن أم مكتوم الأعمى الذي سماه الله عز وجل في كتابه»، قالت فاطمة: فاعتددت عنده، وكان رجلا قد ذهب بصره، فكنت أضع ثيابي عنده حتى أنكحها رسول الله صلى الله عليه وسلم أسامة بن زيد، فأنكر ذلك عليها مروان، وقال: لم أسمع هذا الحديث من أحد قبلك، وسآخذ بالقضية التي وجدنا الناس عليها «مختصر»
উবায়দুল্লাহ্ ইব্ন আবদুল্লাহ্ ইব্ন উতবা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইব্ন আমর ইব্ন উসমান, মারওয়ানের খিলাফতকালে বিনত সাঈদ ইব্ন যায়দকে চূড়ান্ত (তিন) তালাক দিলেন। তিনি ছিলেন তখন একজন পূর্ণ যুবক। আর বিনত সাঈদ-এর মাতা ছিলেন বিনত কায়স। তার খালা ফাতিমা বিনত কায়স (রাঃ) তার নিকট সংবাদ পাঠালেন, সে যেন আবদুল্লাহ্ ইব্ন আমরের ঘর থেকে স্থানান্তরিত হয়ে যায়। মারওয়ান এ খবর শুনে বিনত সাঈদ-এর নিকট লোক পাঠিয়ে আদেশ করলেন, সে যেন তার ঘরে প্রত্যাবর্তন করে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তার ঘরে ইদ্দত পালনের পূর্বে তাকে কোন বিষয় তাকে তার ঘর হতে বের করলো? সে খলিফার নিকট সংবাদ পাঠালো, তার খালা তাকে এ আদেশ করেছেন। ফাতিমা বিনত কায়স বললেন, তিনি আবূ আমর ইব্ন হাফসের বিবাহে ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আলী ইব্ন আবী তালিব (রাঃ)-কে ইয়ামানে গভর্নর করে পাঠালেন, তখন তিনি (স্বামী) তাঁর সাথে গিয়েছিলেন, (সেখান হতে) তিনি তাঁর নিকট এক তালাক পাঠালেন, যা ছিল তাঁর অবশিষ্ট তালাক। তিনি হারিস ইব্ন হিশাম এবং আইয়াশ ইব্ন আবী রবীআ (রাঃ)-কে তাঁর খোরপোষ দিয়ে দিতে আদেশ করলেন। ফাতিমা (রাঃ) হারিস এবং আইয়াশ (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠিয়ে তাঁর স্বামী তাদেরকে যে খোরপোষ দিতে বলেছিলেন, তা চেয়ে পাঠালেন। তাঁরা উভয়ে বললেনঃ আল্লাহ্র শপথ আমাদের নিকট তার কোন খোরপোষ নেই; তবে যদি সে গর্ভবতী হয়। আর আমাদের অনুমতি ব্যতীত তার আমাদের ঘরে থাকার কোন অধিকার নেই। এরপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে গমন করে তা তাঁর কাছে বর্ণনা করলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হারিস এবং আইয়াশ (রাঃ)-কে সত্যায়ন করলেন। তখন ফাতিমা (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি কোথায় যাব? তিনি বললেনঃ তুমি অন্ধ ইব্ন উম্মু মাকতূম (রাঃ) যাকে আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কিতাবে (অন্ধ) উল্লেখ করেছেন, তাঁর নিকট থাক। ফাতিমা (রাঃ) বলেনঃ আমি তাঁর নিকটই ইদ্দত পূর্ণ করলাম। তিনি ছিলেন দৃষ্টি শক্তিহীন ব্যাক্তি। আমি তাঁর ঘরে আমার (অতিরিক্ত) কাপড় খুলে রাখতাম। পরে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে উসামা ইব্ন যায়দ-এর নিকট বিবাহ দিলেন। মারওয়ান এ বিষয়টি প্রত্যাখান করলেন। তিনি বললেন, তোমার পূর্বে এ হাদিস আমি কারও নিকট শ্রবণ করিনি। এ ব্যাপারে লোককে যে বিধান পালন করতে দেখেছি, আমি তা-ই পালন করবো। (সংক্ষিপ্ত)
উবায়দুল্লাহ্ ইব্ন আবদুল্লাহ্ ইব্ন উতবা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইব্ন আমর ইব্ন উসমান, মারওয়ানের খিলাফতকালে বিনত সাঈদ ইব্ন যায়দকে চূড়ান্ত (তিন) তালাক দিলেন। তিনি ছিলেন তখন একজন পূর্ণ যুবক। আর বিনত সাঈদ-এর মাতা ছিলেন বিনত কায়স। তার খালা ফাতিমা বিনত কায়স (রাঃ) তার নিকট সংবাদ পাঠালেন, সে যেন আবদুল্লাহ্ ইব্ন আমরের ঘর থেকে স্থানান্তরিত হয়ে যায়। মারওয়ান এ খবর শুনে বিনত সাঈদ-এর নিকট লোক পাঠিয়ে আদেশ করলেন, সে যেন তার ঘরে প্রত্যাবর্তন করে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তার ঘরে ইদ্দত পালনের পূর্বে তাকে কোন বিষয় তাকে তার ঘর হতে বের করলো? সে খলিফার নিকট সংবাদ পাঠালো, তার খালা তাকে এ আদেশ করেছেন। ফাতিমা বিনত কায়স বললেন, তিনি আবূ আমর ইব্ন হাফসের বিবাহে ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আলী ইব্ন আবী তালিব (রাঃ)-কে ইয়ামানে গভর্নর করে পাঠালেন, তখন তিনি (স্বামী) তাঁর সাথে গিয়েছিলেন, (সেখান হতে) তিনি তাঁর নিকট এক তালাক পাঠালেন, যা ছিল তাঁর অবশিষ্ট তালাক। তিনি হারিস ইব্ন হিশাম এবং আইয়াশ ইব্ন আবী রবীআ (রাঃ)-কে তাঁর খোরপোষ দিয়ে দিতে আদেশ করলেন। ফাতিমা (রাঃ) হারিস এবং আইয়াশ (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠিয়ে তাঁর স্বামী তাদেরকে যে খোরপোষ দিতে বলেছিলেন, তা চেয়ে পাঠালেন। তাঁরা উভয়ে বললেনঃ আল্লাহ্র শপথ আমাদের নিকট তার কোন খোরপোষ নেই; তবে যদি সে গর্ভবতী হয়। আর আমাদের অনুমতি ব্যতীত তার আমাদের ঘরে থাকার কোন অধিকার নেই। এরপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে গমন করে তা তাঁর কাছে বর্ণনা করলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হারিস এবং আইয়াশ (রাঃ)-কে সত্যায়ন করলেন। তখন ফাতিমা (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি কোথায় যাব? তিনি বললেনঃ তুমি অন্ধ ইব্ন উম্মু মাকতূম (রাঃ) যাকে আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কিতাবে (অন্ধ) উল্লেখ করেছেন, তাঁর নিকট থাক। ফাতিমা (রাঃ) বলেনঃ আমি তাঁর নিকটই ইদ্দত পূর্ণ করলাম। তিনি ছিলেন দৃষ্টি শক্তিহীন ব্যাক্তি। আমি তাঁর ঘরে আমার (অতিরিক্ত) কাপড় খুলে রাখতাম। পরে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে উসামা ইব্ন যায়দ-এর নিকট বিবাহ দিলেন। মারওয়ান এ বিষয়টি প্রত্যাখান করলেন। তিনি বললেন, তোমার পূর্বে এ হাদিস আমি কারও নিকট শ্রবণ করিনি। এ ব্যাপারে লোককে যে বিধান পালন করতে দেখেছি, আমি তা-ই পালন করবো। (সংক্ষিপ্ত)
أخبرنا كثير بن عبيد، قال: حدثنا محمد بن حرب، عن الزبيدي، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة: أن عبد الله بن عمرو بن عثمان طلق وهو غلام شاب في إمارة مروان ابنة سعيد بن زيد، وأمها بنت قيس البتة، فأرسلت إليها خالتها فاطمة بنت قيس، تأمرها بالانتقال من بيت عبد الله بن عمرو، وسمع بذلك مروان، فأرسل إلى ابنة سعيد، فأمرها أن ترجع إلى مسكنها، وسألها ما حملها على الانتقال من قبل أن تعتد في مسكنها حتى تنقضي عدتها؟ فأرسلت إليه تخبره أن خالتها أمرتها بذلك، فزعمت فاطمة بنت قيس أنها كانت تحت أبي عمرو بن حفص، فلما أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم علي بن أبي طالب على اليمن، خرج معه، وأرسل إليها بتطليقة هي بقية طلاقها، وأمر لها الحارث بن هشام، وعياش بن أبي ربيعة بنفقتها، فأرسلت، زعمت إلى الحارث وعياش، تسألهما الذي أمر لها به زوجها، فقالا: والله ما لها عندنا نفقة إلا أن تكون حاملا، وما لها أن تكون في مسكننا إلا بإذننا، فزعمت أنها أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له، فصدقهما، قالت فاطمة: فأين أنتقل يا رسول الله؟ قال: «انتقلي عند ابن أم مكتوم الأعمى الذي سماه الله عز وجل في كتابه»، قالت فاطمة: فاعتددت عنده، وكان رجلا قد ذهب بصره، فكنت أضع ثيابي عنده حتى أنكحها رسول الله صلى الله عليه وسلم أسامة بن زيد، فأنكر ذلك عليها مروان، وقال: لم أسمع هذا الحديث من أحد قبلك، وسآخذ بالقضية التي وجدنا الناس عليها «مختصر»
সুনান নাসাঈ ৩২২৪
أخبرنا محمد بن نصر، قال: حدثنا أيوب بن سليمان بن بلال، قال: حدثني أبو بكر بن أبي أويس، عن سليمان بن بلال، قال: قال يحيى يعني ابن سعيد، وأخبرني ابن شهاب، قال: حدثني عروة بن الزبير، وابن عبد الله بن ربيعة، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم، وأم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم: أن أبا حذيفة بن عتبة بن ربيعة بن عبد شمس، وكان ممن شهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، تبنى سالما وهو مولى لامرأة من الأنصار، كما «تبنى رسول الله صلى الله عليه وسلم زيد بن حارثة» وأنكح أبو حذيفة بن عتبة سالما ابنة أخيه هند ابنة الوليد بن عتبة بن ربيعة، وكانت هند بنت الوليد بن عتبة من المهاجرات الأول، وهي يومئذ من أفضل أيامى قريش، فلما أنزل الله عز وجل في زيد بن حارثة {ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله} [الأحزاب: 5] رد كل أحد ينتمي من أولئك إلى أبيه، فإن لم يكن يعلم أبوه، رد إلى مواليه
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী আয়েশা (রাঃ) এবং উম্মু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুযায়ফা ইব্ন উতবা রবী’আ ইব্ন আব্দ শাম্স ছিলেন ঐ লোকদের একজন, যাঁরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বদর যুদ্ধে শরীক ছিলেন। তিনি সালিম (রাঃ) নামক এক ব্যাক্তিকে পুত্র বানিয়ে নেন। সালিম ছিলেন এক আনসারী মহিলার ক্রীতদাস। যেমন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়দ ইব্ন হারিছাকে পোষ্যপুত্র হিসাবে গ্রহণ করেছিলেন। আবূ হুযায়ফা ইব্ন উতবা তার ভাতিজি হিন্দা বিনত ওয়ালীদ ইব্ন রবী’আ-কে তার সাথে বিবাহ দিলেন। হিন্দা বিনত ওয়ালীদ ইব্ন উতবা ছিলেন প্রথম পর্যায়ে (প্রবীণ) হিজরতকারিণীদের অন্যতম এবং কুরায়েশের বিধবাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। এরপর মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তাআলা যখন যায়দ ইব্ন হারিসা (রাঃ) সম্বন্ধে আয়াত নাযিল করলেনঃ “তাদের (পালক পুত্রদের) তোমরা ডাকবে তাদের (জন্মদাতা) পিতার প্রতি সম্বন্ধিত করে। এটিই আল্লাহ্র কাছে অধিক ন্যায়সংগত।” তখন প্রত্যেকে (পোষ্যপুত্র) এদের (পালক পিতা) থেকে তাঁর জন্মদাতা পিতার দিকে প্রত্যাবর্তিত করা হল। যদি তাঁর পিতার সম্বন্ধে জানা না থাকতো, তা হলে তাকে মুক্তিদানকারী মনিবদের প্রতি সম্বন্ধিত করা হত।
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী আয়েশা (রাঃ) এবং উম্মু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুযায়ফা ইব্ন উতবা রবী’আ ইব্ন আব্দ শাম্স ছিলেন ঐ লোকদের একজন, যাঁরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বদর যুদ্ধে শরীক ছিলেন। তিনি সালিম (রাঃ) নামক এক ব্যাক্তিকে পুত্র বানিয়ে নেন। সালিম ছিলেন এক আনসারী মহিলার ক্রীতদাস। যেমন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়দ ইব্ন হারিছাকে পোষ্যপুত্র হিসাবে গ্রহণ করেছিলেন। আবূ হুযায়ফা ইব্ন উতবা তার ভাতিজি হিন্দা বিনত ওয়ালীদ ইব্ন রবী’আ-কে তার সাথে বিবাহ দিলেন। হিন্দা বিনত ওয়ালীদ ইব্ন উতবা ছিলেন প্রথম পর্যায়ে (প্রবীণ) হিজরতকারিণীদের অন্যতম এবং কুরায়েশের বিধবাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। এরপর মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তাআলা যখন যায়দ ইব্ন হারিসা (রাঃ) সম্বন্ধে আয়াত নাযিল করলেনঃ “তাদের (পালক পুত্রদের) তোমরা ডাকবে তাদের (জন্মদাতা) পিতার প্রতি সম্বন্ধিত করে। এটিই আল্লাহ্র কাছে অধিক ন্যায়সংগত।” তখন প্রত্যেকে (পোষ্যপুত্র) এদের (পালক পিতা) থেকে তাঁর জন্মদাতা পিতার দিকে প্রত্যাবর্তিত করা হল। যদি তাঁর পিতার সম্বন্ধে জানা না থাকতো, তা হলে তাকে মুক্তিদানকারী মনিবদের প্রতি সম্বন্ধিত করা হত।
أخبرنا محمد بن نصر، قال: حدثنا أيوب بن سليمان بن بلال، قال: حدثني أبو بكر بن أبي أويس، عن سليمان بن بلال، قال: قال يحيى يعني ابن سعيد، وأخبرني ابن شهاب، قال: حدثني عروة بن الزبير، وابن عبد الله بن ربيعة، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم، وأم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم: أن أبا حذيفة بن عتبة بن ربيعة بن عبد شمس، وكان ممن شهد بدرا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، تبنى سالما وهو مولى لامرأة من الأنصار، كما «تبنى رسول الله صلى الله عليه وسلم زيد بن حارثة» وأنكح أبو حذيفة بن عتبة سالما ابنة أخيه هند ابنة الوليد بن عتبة بن ربيعة، وكانت هند بنت الوليد بن عتبة من المهاجرات الأول، وهي يومئذ من أفضل أيامى قريش، فلما أنزل الله عز وجل في زيد بن حارثة {ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله} [الأحزاب: 5] رد كل أحد ينتمي من أولئك إلى أبيه، فإن لم يكن يعلم أبوه، رد إلى مواليه
সুনান নাসাঈ > বংশ মর্যাদা
সুনান নাসাঈ ৩২২৫
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا أبو تميلة، عن حسين بن واقد، عن ابن بريدة، عن أبيه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن أحساب أهل الدنيا الذي يذهبون إليه المال»
ইব্ন বুরায়দা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুনিয়াদারদের বংশ মর্যাদা যা তাদের কাংক্ষিত তা হচ্ছে ধন-সম্পদ।
ইব্ন বুরায়দা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুনিয়াদারদের বংশ মর্যাদা যা তাদের কাংক্ষিত তা হচ্ছে ধন-সম্পদ।
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا أبو تميلة، عن حسين بن واقد، عن ابن بريدة، عن أبيه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن أحساب أهل الدنيا الذي يذهبون إليه المال»