সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি যোদ্ধাকে যুদ্ধের সরঞ্জাম প্রদান করে
সুনান নাসাঈ ৩১৮০
أخبرنا سليمان بن داود، والحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن وهب، قال: أخبرني عمرو بن الحارث، عن بكير بن الأشج، عن بسر بن سعيد، عن زيد بن خالد، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من جهز غازيا في سبيل الله، فقد غزا، ومن خلفه في أهله بخير، فقد غزا»
যায়িদ ইব্ন খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তার কোন যোদ্ধাকে যুদ্ধের উপকরণ দান করবে, সে যেন নিজেই যুদ্ধ করলো। আর যে ব্যক্তি কোন যোদ্ধার পরিবারে তার কল্যাণ কামনার সাথে স্থলাবর্তী হলো, সেও যেন যুদ্ধে যোগদান করলো।
যায়িদ ইব্ন খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তার কোন যোদ্ধাকে যুদ্ধের উপকরণ দান করবে, সে যেন নিজেই যুদ্ধ করলো। আর যে ব্যক্তি কোন যোদ্ধার পরিবারে তার কল্যাণ কামনার সাথে স্থলাবর্তী হলো, সেও যেন যুদ্ধে যোগদান করলো।
أخبرنا سليمان بن داود، والحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن وهب، قال: أخبرني عمرو بن الحارث، عن بكير بن الأشج، عن بسر بن سعيد، عن زيد بن خالد، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من جهز غازيا في سبيل الله، فقد غزا، ومن خلفه في أهله بخير، فقد غزا»
সুনান নাসাঈ ৩১৮১
أخبرنا محمد بن المثنى، عن عبد الرحمن بن مهدي، قال: حدثنا حرب بن شداد، عن يحيى، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن بسر بن سعيد، عن زيد بن خالد الجهني، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من جهز غازيا، فقد غزا، ومن خلف غازيا في أهله بخير، فقد غزا»
যায়দ ইব্ন খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি কোন যোদ্ধাকে যুদ্ধের সরঞ্জাম দান করলো, সে যেন যুদ্ধ করলো, আর যে ব্যক্তি কোন যোদ্ধার পরিবারে মঙ্গলের জন্য তার স্থলাবর্তী হলো সেও যেন যুদ্ধ করলো।
যায়দ ইব্ন খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি কোন যোদ্ধাকে যুদ্ধের সরঞ্জাম দান করলো, সে যেন যুদ্ধ করলো, আর যে ব্যক্তি কোন যোদ্ধার পরিবারে মঙ্গলের জন্য তার স্থলাবর্তী হলো সেও যেন যুদ্ধ করলো।
أخبرنا محمد بن المثنى، عن عبد الرحمن بن مهدي، قال: حدثنا حرب بن شداد، عن يحيى، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن بسر بن سعيد، عن زيد بن خالد الجهني، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من جهز غازيا، فقد غزا، ومن خلف غازيا في أهله بخير، فقد غزا»
সুনান নাসাঈ ৩১৮২
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا عبد الله بن إدريس، قال: سمعت حصين بن عبد الرحمن، يحدث عن عمرو بن جاوان، عن الأحنف بن قيس، قال: خرجنا حجاجا فقدمنا المدينة ونحن نريد الحج، فبينا نحن في منازلنا نضع رحالنا، إذ أتانا آت فقال: إن الناس قد اجتمعوا في المسجد وفزعوا، فانطلقنا، فإذا الناس مجتمعون على نفر في وسط المسجد، وفيهم علي، والزبير، وطلحة، وسعد بن أبي وقاص، فإنا لكذلك إذ جاء عثمان، رضي الله عنه عليه ملاءة صفراء قد قنع بها رأسه، فقال: أهاهنا طلحة، أهاهنا الزبير، أهاهنا سعد، قالوا: نعم، قال: فإني أنشدكم بالله الذي لا إله إلا هو، أتعلمون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من يبتاع مربد بني فلان، غفر الله له» فابتعته بعشرين ألفا، أو بخمسة وعشرين ألفا، فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأخبرته، فقال: «اجعله في مسجدنا وأجره لك»، قالوا: اللهم نعم، قال: أنشدكم بالله الذي لا إله إلا هو، أتعلمون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من ابتاع بئر رومة، غفر الله له»، فابتعتها بكذا وكذا، فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقلت: قد ابتعتها بكذا وكذا، قال: «اجعلها سقاية للمسلمين وأجرها لك»، قالوا: اللهم نعم، قال: أنشدكم بالله الذي لا إله إلا هو، أتعلمون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نظر في وجوه القوم، فقال: «من يجهز هؤلاء غفر الله له» - يعني جيش العسرة -، فجهزتهم حتى لم يفقدوا عقالا ولا خطاما، فقالوا: اللهم نعم، قال: اللهم اشهد، اللهم اشهد، اللهم اشهد
আহনাফ ইবন কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বলেন, আমরা হজ্জের উদ্দেশ্যে বের হয়ে মদীনায় উপনীত হলাম। আমরা আমাদের মনযিলে পৌঁছে আমাদের হাওদা নামাচ্ছিলাম, এমন সময় আমাদের নিকট এক আগন্তুকের আগমন হলো। সে বললঃ লোক মসজিদে একত্রিত হয়েছে। তারা সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। আমরা সেখানে গিয়ে দেখলাম, মসজিদের মধ্যস্থলে কয়েকজন লোকের চতুর্দিকে অন্য লোক একত্রিত হয়ে আছে। তাদের মধ্যে আলী, যুবায়র, তালহা এবং সা'দ ইব্ন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) রয়েছেন। আমরা এ অবস্থায় ছিলাম, এমন সময় উসমান (রাঃ) আগমন করলেন। তাঁর পরনে ছিল হলুদ বর্ণের একখানা চাদর, তা দ্বারা তিনি তাঁর মাথা ঢেকে রেখেছেন। তিনি বললেন: এখানে কি তালহা (রাঃ) আছেন? এখানে কি যুবায়র (রাঃ) আছেন? এখানে কি সা'দ (রাঃ) আছেন? সকলে বললেনঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ আমি ঐ আল্লাহ্র কসম দিয়ে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করছি, যিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নাই। তোমরা কি অবগত আছ যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অমুক গোত্রের (উট বাঁধার) বা খেজুর শুকাবার স্থানটি যে খরিদ করবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে ক্ষমা করবেন? এরপর আমি তা বিশ হাজার অথবা পঁচিশ হাজার (দিরহাম)-এর বিনিময়ে খরিদ করেছি। আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে এসে তাঁকে তার সংবাদ দিলে তিনি বললেনঃ তা আমাদের মসজিদে দিয়ে দাও, আর এর সওয়াব তোমারই থাকবে। তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ্ সাক্ষী! হ্যাঁ। তিনি (আবার) বললেনঃ যে আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, সেই আল্লাহ্র কসম দিয়ে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করছি, তোমরা কি অবগত আছ যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ‘রুমা’ কূপটি খরিদ করবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে ক্ষমা করবেন? আমি তা এত এত বিনিময় দিয়ে খরিদ করে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, আমি এত এত দিয়ে তা খরিদ করেছি। তিনি বললেনঃ তুমি তা মুসলমানদের পানি-পানের স্থান করে দাও, তার সওয়াব হবে তোমার। তাঁরা বললেন: আল্লাহুম্মা, (আল্লাহ্ সাক্ষী!) হ্যাঁ। তিনি (আবার) বললেনঃ তোমাদের যে আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই তাঁর কসম দিয়ে বলছি, তোমরা কি অবগত আছ যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত লোকদের চেহারার দিকে লক্ষ্য করে বললেনঃ এ জায়শে- উসরাত’কে (তাবুকের সেনাবাহিনীকে) যে ব্যক্তি যুদ্ধের সামান দিয়ে সজ্জিত করবে, তাকে আল্লাহ্ ক্ষমা করবেন? আমি তাদেরকে এমনভাবে সজ্জিত করলাম যে, কেউ উটের একটি রশিও কম পায়নি। তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ্র কসম, হ্যাঁ। তখন তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্! তুমি সাক্ষী থাক; হে আল্লাহ্! তুমি সাক্ষী থাক; হে আল্লাহ্! তুমি সাক্ষী থাক।
আহনাফ ইবন কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বলেন, আমরা হজ্জের উদ্দেশ্যে বের হয়ে মদীনায় উপনীত হলাম। আমরা আমাদের মনযিলে পৌঁছে আমাদের হাওদা নামাচ্ছিলাম, এমন সময় আমাদের নিকট এক আগন্তুকের আগমন হলো। সে বললঃ লোক মসজিদে একত্রিত হয়েছে। তারা সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। আমরা সেখানে গিয়ে দেখলাম, মসজিদের মধ্যস্থলে কয়েকজন লোকের চতুর্দিকে অন্য লোক একত্রিত হয়ে আছে। তাদের মধ্যে আলী, যুবায়র, তালহা এবং সা'দ ইব্ন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) রয়েছেন। আমরা এ অবস্থায় ছিলাম, এমন সময় উসমান (রাঃ) আগমন করলেন। তাঁর পরনে ছিল হলুদ বর্ণের একখানা চাদর, তা দ্বারা তিনি তাঁর মাথা ঢেকে রেখেছেন। তিনি বললেন: এখানে কি তালহা (রাঃ) আছেন? এখানে কি যুবায়র (রাঃ) আছেন? এখানে কি সা'দ (রাঃ) আছেন? সকলে বললেনঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ আমি ঐ আল্লাহ্র কসম দিয়ে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করছি, যিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নাই। তোমরা কি অবগত আছ যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অমুক গোত্রের (উট বাঁধার) বা খেজুর শুকাবার স্থানটি যে খরিদ করবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে ক্ষমা করবেন? এরপর আমি তা বিশ হাজার অথবা পঁচিশ হাজার (দিরহাম)-এর বিনিময়ে খরিদ করেছি। আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে এসে তাঁকে তার সংবাদ দিলে তিনি বললেনঃ তা আমাদের মসজিদে দিয়ে দাও, আর এর সওয়াব তোমারই থাকবে। তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ্ সাক্ষী! হ্যাঁ। তিনি (আবার) বললেনঃ যে আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, সেই আল্লাহ্র কসম দিয়ে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করছি, তোমরা কি অবগত আছ যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ‘রুমা’ কূপটি খরিদ করবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে ক্ষমা করবেন? আমি তা এত এত বিনিময় দিয়ে খরিদ করে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, আমি এত এত দিয়ে তা খরিদ করেছি। তিনি বললেনঃ তুমি তা মুসলমানদের পানি-পানের স্থান করে দাও, তার সওয়াব হবে তোমার। তাঁরা বললেন: আল্লাহুম্মা, (আল্লাহ্ সাক্ষী!) হ্যাঁ। তিনি (আবার) বললেনঃ তোমাদের যে আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই তাঁর কসম দিয়ে বলছি, তোমরা কি অবগত আছ যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত লোকদের চেহারার দিকে লক্ষ্য করে বললেনঃ এ জায়শে- উসরাত’কে (তাবুকের সেনাবাহিনীকে) যে ব্যক্তি যুদ্ধের সামান দিয়ে সজ্জিত করবে, তাকে আল্লাহ্ ক্ষমা করবেন? আমি তাদেরকে এমনভাবে সজ্জিত করলাম যে, কেউ উটের একটি রশিও কম পায়নি। তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ্র কসম, হ্যাঁ। তখন তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্! তুমি সাক্ষী থাক; হে আল্লাহ্! তুমি সাক্ষী থাক; হে আল্লাহ্! তুমি সাক্ষী থাক।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا عبد الله بن إدريس، قال: سمعت حصين بن عبد الرحمن، يحدث عن عمرو بن جاوان، عن الأحنف بن قيس، قال: خرجنا حجاجا فقدمنا المدينة ونحن نريد الحج، فبينا نحن في منازلنا نضع رحالنا، إذ أتانا آت فقال: إن الناس قد اجتمعوا في المسجد وفزعوا، فانطلقنا، فإذا الناس مجتمعون على نفر في وسط المسجد، وفيهم علي، والزبير، وطلحة، وسعد بن أبي وقاص، فإنا لكذلك إذ جاء عثمان، رضي الله عنه عليه ملاءة صفراء قد قنع بها رأسه، فقال: أهاهنا طلحة، أهاهنا الزبير، أهاهنا سعد، قالوا: نعم، قال: فإني أنشدكم بالله الذي لا إله إلا هو، أتعلمون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من يبتاع مربد بني فلان، غفر الله له» فابتعته بعشرين ألفا، أو بخمسة وعشرين ألفا، فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأخبرته، فقال: «اجعله في مسجدنا وأجره لك»، قالوا: اللهم نعم، قال: أنشدكم بالله الذي لا إله إلا هو، أتعلمون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من ابتاع بئر رومة، غفر الله له»، فابتعتها بكذا وكذا، فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقلت: قد ابتعتها بكذا وكذا، قال: «اجعلها سقاية للمسلمين وأجرها لك»، قالوا: اللهم نعم، قال: أنشدكم بالله الذي لا إله إلا هو، أتعلمون أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نظر في وجوه القوم، فقال: «من يجهز هؤلاء غفر الله له» - يعني جيش العسرة -، فجهزتهم حتى لم يفقدوا عقالا ولا خطاما، فقالوا: اللهم نعم، قال: اللهم اشهد، اللهم اشهد، اللهم اشهد
সুনান নাসাঈ > আল্লাহ্র রাস্তায় ব্যয় করার ফযীলত
সুনান নাসাঈ ৩১৮৩
أخبرنا محمد بن سلمة، والحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن القاسم، قال: حدثني مالك، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " من أنفق زوجين في سبيل الله عز وجل، نودي في الجنة: يا عبد الله هذا خير، فمن كان من أهل الصلاة، دعي من باب الصلاة، ومن كان من أهل الجهاد دعي من باب الجهاد، ومن كان من أهل الصدقة دعي من باب الصدقة، ومن كان من أهل الصيام دعي من باب الريان " فقال أبو بكر رضي الله عنه: هل على من دعي من هذه الأبواب من ضرورة، فهل يدعى أحد من هذه الأبواب كلها؟ قال: «نعم، وأرجو أن تكون منهم»
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার সম্পদ হতে দু'প্রকার মাল (জোড়ায় জোড়ায়) মহান মহীয়ান আল্লাহ্র রাস্তায় ব্যয় করবে, তাকে জান্নাত থেকে ডাকা হবেঃ হে আল্লাহ্র বান্দা! এ তোমার জন্য উত্তম। যে ব্যক্তি সালাত আদায়কারী হবে, তাকে সালাতের দরজা দিয়ে ডাকা হবে, আর যে ব্যক্তি মুজাহিদদের মধ্যে শামিল হবে, তাকে জিহাদের দরজা দিয়ে ডাকা হবে। আর যে ব্যক্তি সাদাকাদাতা হবে, তাকে সাদাকার দরজা দিয়ে ডাকা হবে। আর যে ব্যক্তি সিয়াম পালনকারী হবে, তাকে "রাইয়্যান" নামক দরজা দিয়ে ডাকা হবে। আবু বকর (রাঃ) বলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! যে ব্যক্তিকে এ সকল দরজা দিয়ে ডাকা হবে, তার তো আর কোন প্রয়োজন (সমস্যা) থাকবে না। তবে কাউকেও কি এ সকল দরজা হতে ডাকা হবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, এবং আমি আশা করি আপনি তাদের মধ্যে হবেন।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার সম্পদ হতে দু'প্রকার মাল (জোড়ায় জোড়ায়) মহান মহীয়ান আল্লাহ্র রাস্তায় ব্যয় করবে, তাকে জান্নাত থেকে ডাকা হবেঃ হে আল্লাহ্র বান্দা! এ তোমার জন্য উত্তম। যে ব্যক্তি সালাত আদায়কারী হবে, তাকে সালাতের দরজা দিয়ে ডাকা হবে, আর যে ব্যক্তি মুজাহিদদের মধ্যে শামিল হবে, তাকে জিহাদের দরজা দিয়ে ডাকা হবে। আর যে ব্যক্তি সাদাকাদাতা হবে, তাকে সাদাকার দরজা দিয়ে ডাকা হবে। আর যে ব্যক্তি সিয়াম পালনকারী হবে, তাকে "রাইয়্যান" নামক দরজা দিয়ে ডাকা হবে। আবু বকর (রাঃ) বলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! যে ব্যক্তিকে এ সকল দরজা দিয়ে ডাকা হবে, তার তো আর কোন প্রয়োজন (সমস্যা) থাকবে না। তবে কাউকেও কি এ সকল দরজা হতে ডাকা হবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, এবং আমি আশা করি আপনি তাদের মধ্যে হবেন।
أخبرنا محمد بن سلمة، والحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن القاسم، قال: حدثني مالك، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " من أنفق زوجين في سبيل الله عز وجل، نودي في الجنة: يا عبد الله هذا خير، فمن كان من أهل الصلاة، دعي من باب الصلاة، ومن كان من أهل الجهاد دعي من باب الجهاد، ومن كان من أهل الصدقة دعي من باب الصدقة، ومن كان من أهل الصيام دعي من باب الريان " فقال أبو بكر رضي الله عنه: هل على من دعي من هذه الأبواب من ضرورة، فهل يدعى أحد من هذه الأبواب كلها؟ قال: «نعم، وأرجو أن تكون منهم»
সুনান নাসাঈ ৩১৮৪
أخبرنا عمرو بن عثمان، قال: حدثنا بقية، عن الأوزاعي، قال: حدثني يحيى، عن محمد بن إبراهيم، قال: أنبأنا أبو سلمة، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " من أنفق زوجين في سبيل الله دعته خزنة الجنة من أبواب الجنة: يا فلان، هلم فادخل " فقال أبو بكر: يا رسول الله، ذاك الذي لا توى عليه؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إني لأرجو أن تكون منهم»
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় জোড়া জোড়া দান করবে, তাকে জান্নাতের দ্বাররক্ষী (ফেরেশতা) জান্নাতের দরজাসমূহ হতে ডাকবেঃ হে অমুক! এদিকে এসো এবং (জান্নাতে) প্রবেশ কর। আবু বকর (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! ঐ ব্যক্তির তো কোন প্রকার ক্ষতি নেই। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি একান্তভাবে আশা করি, আপনি তাদের মধ্যে হবেন।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় জোড়া জোড়া দান করবে, তাকে জান্নাতের দ্বাররক্ষী (ফেরেশতা) জান্নাতের দরজাসমূহ হতে ডাকবেঃ হে অমুক! এদিকে এসো এবং (জান্নাতে) প্রবেশ কর। আবু বকর (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! ঐ ব্যক্তির তো কোন প্রকার ক্ষতি নেই। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি একান্তভাবে আশা করি, আপনি তাদের মধ্যে হবেন।
أخبرنا عمرو بن عثمان، قال: حدثنا بقية، عن الأوزاعي، قال: حدثني يحيى، عن محمد بن إبراهيم، قال: أنبأنا أبو سلمة، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " من أنفق زوجين في سبيل الله دعته خزنة الجنة من أبواب الجنة: يا فلان، هلم فادخل " فقال أبو بكر: يا رسول الله، ذاك الذي لا توى عليه؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إني لأرجو أن تكون منهم»
সুনান নাসাঈ ৩১৮৫
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا بشر بن المفضل، عن يونس، عن الحسن، عن صعصعة بن معاوية، قال: لقيت أبا ذر، قال: قلت: حدثني، قال: نعم، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من عبد مسلم ينفق من كل مال له زوجين في سبيل الله، إلا استقبلته حجبة الجنة كلهم يدعوه إلى ما عنده» قلت: وكيف ذلك؟ قال: «إن كانت إبلا، فبعيرين، وإن كانت بقرا، فبقرتين»
সা‘সাআ‘ ইবন মুয়াবিয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবু যর (রাঃ)-এর সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো, আমি বললামঃ আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করুন। তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে মুসলিম বান্দা আল্লাহ্র রাস্তায় তার সকল মাল হতে জোড়া-জোড়া দান করবে, তাকে জান্নাতের দ্বার রক্ষীগণের সকলেই তাঁর নিকট যা রয়েছে তার দিকে আহবান করবেন। আমি বললামঃ তা কিভাবে? তিনি বললেন, যদি (তার মাল) উট হয়, তবে দু’টি উট; আর যদি গরু হয়, তবে দু’টি গরু
সা‘সাআ‘ ইবন মুয়াবিয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবু যর (রাঃ)-এর সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো, আমি বললামঃ আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করুন। তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে মুসলিম বান্দা আল্লাহ্র রাস্তায় তার সকল মাল হতে জোড়া-জোড়া দান করবে, তাকে জান্নাতের দ্বার রক্ষীগণের সকলেই তাঁর নিকট যা রয়েছে তার দিকে আহবান করবেন। আমি বললামঃ তা কিভাবে? তিনি বললেন, যদি (তার মাল) উট হয়, তবে দু’টি উট; আর যদি গরু হয়, তবে দু’টি গরু
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا بشر بن المفضل، عن يونس، عن الحسن، عن صعصعة بن معاوية، قال: لقيت أبا ذر، قال: قلت: حدثني، قال: نعم، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من عبد مسلم ينفق من كل مال له زوجين في سبيل الله، إلا استقبلته حجبة الجنة كلهم يدعوه إلى ما عنده» قلت: وكيف ذلك؟ قال: «إن كانت إبلا، فبعيرين، وإن كانت بقرا، فبقرتين»
সুনান নাসাঈ ৩১৮৬
أخبرنا أبو بكر بن أبي النضر، قال: حدثنا أبو النضر، قال: حدثنا عبيد الله الأشجعي، عن سفيان الثوري، عن الركين الفزاري، عن أبيه، عن يسير ابن عميلة، عن خريم بن فاتك، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من أنفق نفقة في سبيل الله كتبت له بسبع مائة ضعف»
খুযায়ম ইবন ফাতিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় কোন কিছু দান করবে, তার জন্য সাতশত গুণ সওয়াব লেখা হবে।
খুযায়ম ইবন ফাতিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় কোন কিছু দান করবে, তার জন্য সাতশত গুণ সওয়াব লেখা হবে।
أخبرنا أبو بكر بن أبي النضر، قال: حدثنا أبو النضر، قال: حدثنا عبيد الله الأشجعي، عن سفيان الثوري، عن الركين الفزاري، عن أبيه، عن يسير ابن عميلة، عن خريم بن فاتك، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من أنفق نفقة في سبيل الله كتبت له بسبع مائة ضعف»
সুনান নাসাঈ > আল্লাহ্র রাস্তায় সাদাকার ফযীলত
সুনান নাসাঈ ৩১৮৭
أخبرنا بشر بن خالد، قال: حدثنا محمد بن جعفر، قال: حدثنا شعبة، عن سليمان، قال: سمعت أبا عمرو الشيباني، عن أبي مسعود، أن رجلا تصدق بناقة مخطومة في سبيل الله، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ليأتين يوم القيامة بسبع مائة ناقة مخطومة»
আবু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি নাকে রশি যুক্ত একটি উটনী আল্লাহ্র রাস্তায় দান করল। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা কিয়ামতের দিন নাকে রশিযুক্ত সাতশতটি উটনী হয়ে আগমন করবে।
আবু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি নাকে রশি যুক্ত একটি উটনী আল্লাহ্র রাস্তায় দান করল। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা কিয়ামতের দিন নাকে রশিযুক্ত সাতশতটি উটনী হয়ে আগমন করবে।
أخبرنا بشر بن خالد، قال: حدثنا محمد بن جعفر، قال: حدثنا شعبة، عن سليمان، قال: سمعت أبا عمرو الشيباني، عن أبي مسعود، أن رجلا تصدق بناقة مخطومة في سبيل الله، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ليأتين يوم القيامة بسبع مائة ناقة مخطومة»
সুনান নাসাঈ ৩১৮৮
أخبرنا عمرو بن عثمان، قال: حدثنا بقية، عن بحير، عن خالد، عن أبي بحرية، عن معاذ بن جبل، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: «الغزو غزوان، فأما من ابتغى وجه الله، وأطاع الإمام، وأنفق الكريمة، وياسر الشريك، واجتنب الفساد، كان نومه ونبهه أجرا كله، وأما من غزا رياء، وسمعة، وعصى الإمام، وأفسد في الأرض، فإنه لا يرجع بالكفاف»
মু‘আয ইবন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেনঃ তিনি বলেছেনঃ যুদ্ধ দু' প্রকার। যে ব্যক্তি আল্লাহ্র সন্তুষ্টি কামনা করে ইমামের অনুসরণ করে, উত্তম বস্তু দান করে, সাথীদের সাথে নরম ব্যবহার করে এবং ঝগড়া-ফাসাদ পরিত্যাগ করে; তা হলে তার নিদ্রা, জাগরণ সবই সওয়াব (যোগ্য)। আর যে ব্যক্তি লোক দেখানো যুদ্ধ করে, খ্যাতির জন্য যুদ্ধ করে, ইমামের অবাধ্য হয় এবং পৃথিবীতে ফাসাদ বিস্তার করে, সে সমপরিমাণের (সওয়াব বা প্রতিদানের) সাথে প্রত্যাবর্তন করবে না।
মু‘আয ইবন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেনঃ তিনি বলেছেনঃ যুদ্ধ দু' প্রকার। যে ব্যক্তি আল্লাহ্র সন্তুষ্টি কামনা করে ইমামের অনুসরণ করে, উত্তম বস্তু দান করে, সাথীদের সাথে নরম ব্যবহার করে এবং ঝগড়া-ফাসাদ পরিত্যাগ করে; তা হলে তার নিদ্রা, জাগরণ সবই সওয়াব (যোগ্য)। আর যে ব্যক্তি লোক দেখানো যুদ্ধ করে, খ্যাতির জন্য যুদ্ধ করে, ইমামের অবাধ্য হয় এবং পৃথিবীতে ফাসাদ বিস্তার করে, সে সমপরিমাণের (সওয়াব বা প্রতিদানের) সাথে প্রত্যাবর্তন করবে না।
أخبرنا عمرو بن عثمان، قال: حدثنا بقية، عن بحير، عن خالد، عن أبي بحرية، عن معاذ بن جبل، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: «الغزو غزوان، فأما من ابتغى وجه الله، وأطاع الإمام، وأنفق الكريمة، وياسر الشريك، واجتنب الفساد، كان نومه ونبهه أجرا كله، وأما من غزا رياء، وسمعة، وعصى الإمام، وأفسد في الأرض، فإنه لا يرجع بالكفاف»
সুনান নাসাঈ > মুজাহিদদের স্ত্রীদের মর্যাদা
সুনান নাসাঈ ৩১৮৯
أخبرنا حسين بن حريث، ومحمود بن غيلان، واللفظ لحسين، قالا: حدثنا وكيع، عن سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «حرمة نساء المجاهدين على القاعدين كحرمة أمهاتهم، وما من رجل يخلف في امرأة رجل من المجاهدين فيخونه فيها، إلا وقف له يوم القيامة، فأخذ من عمله ما شاء، فما ظنكم»
সুলায়মান ইবন বুরায়দা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যারা যুদ্ধে যায়নি, তাদের জন্য মুজাহিদদের স্ত্রীগণ এমন হারাম (সম্মানিত) যেমন তাদের জন্য তাদের মাতাগণ হারাম। আর কোন মুজাহিদের স্ত্রীর ব্যাপারে কোন ব্যক্তি যদি (তার অনুপস্থিতিতে) তার স্থলাবর্তী থেকে খিয়ানত করে, তাহলে কিয়ামতের দিন সে ব্যক্তিকে তার সামনে (অভিযুক্তরূপে) দাঁড় করিয়ে রাখা হবে এবং সে তার আমল হতে যা ইচ্ছা কেড়ে নেবে। অতএব তোমরা কী ধারণা কর?
সুলায়মান ইবন বুরায়দা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যারা যুদ্ধে যায়নি, তাদের জন্য মুজাহিদদের স্ত্রীগণ এমন হারাম (সম্মানিত) যেমন তাদের জন্য তাদের মাতাগণ হারাম। আর কোন মুজাহিদের স্ত্রীর ব্যাপারে কোন ব্যক্তি যদি (তার অনুপস্থিতিতে) তার স্থলাবর্তী থেকে খিয়ানত করে, তাহলে কিয়ামতের দিন সে ব্যক্তিকে তার সামনে (অভিযুক্তরূপে) দাঁড় করিয়ে রাখা হবে এবং সে তার আমল হতে যা ইচ্ছা কেড়ে নেবে। অতএব তোমরা কী ধারণা কর?
أخبرنا حسين بن حريث، ومحمود بن غيلان، واللفظ لحسين، قالا: حدثنا وكيع، عن سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «حرمة نساء المجاهدين على القاعدين كحرمة أمهاتهم، وما من رجل يخلف في امرأة رجل من المجاهدين فيخونه فيها، إلا وقف له يوم القيامة، فأخذ من عمله ما شاء، فما ظنكم»