সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় তীর নিক্ষেপ করে তার সওয়াব

সুনান নাসাঈ ৩১৪২

أخبرنا عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير، قال: حدثنا بقية، عن صفوان، قال: حدثني سليم بن عامر، عن شرحبيل بن السمط، أنه قال لعمرو بن عبسة: - يا عمرو حدثنا حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من شاب شيبة في سبيل الله تعالى، كانت له نورا يوم القيامة، ومن رمى بسهم في سبيل الله تعالى بلغ العدو، أو لم يبلغ، كان له كعتق رقبة، ومن أعتق رقبة مؤمنة، كانت له فداءه من النار عضوا بعضو»

শুরাহ্‌বীল ইবন্‌ সিমত (রহঃ) থেকে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ

তিনি আমর ইবন্‌ আবাসা (রাঃ)-কে বললেনঃ হে আমর! আমাদের কাছে একটি হাদিস বর্ণনা করুন, যা আপনি রাসুলূল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শ্রবণ করেছেন। তিনি বললেনঃ আমি রাসুলূল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র পথে (জিহাদ করতে করতে) বৃদ্ধ হবে, কিয়ামতের দিন তা তার জন্য একটি নূর হবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় একটি তীর নিক্ষেপ করবে, তা শত্রু পর্যন্ত পৌঁছুক বা না পৌঁছুক তার জন্য একটি গোলাম আযাদ করার ন্যায় (সওয়াব লিখিত) হবে। আর যে ব্যক্তি একজন মু’মিন গোলাম আযাদ করবে, তা তার জন্য জাহান্নাম হতে পরিত্রাণের কারণ হবে, এক এক অঙ্গের পরিবর্তে এক একটি অঙ্গ।

শুরাহ্‌বীল ইবন্‌ সিমত (রহঃ) থেকে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ

তিনি আমর ইবন্‌ আবাসা (রাঃ)-কে বললেনঃ হে আমর! আমাদের কাছে একটি হাদিস বর্ণনা করুন, যা আপনি রাসুলূল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শ্রবণ করেছেন। তিনি বললেনঃ আমি রাসুলূল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র পথে (জিহাদ করতে করতে) বৃদ্ধ হবে, কিয়ামতের দিন তা তার জন্য একটি নূর হবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় একটি তীর নিক্ষেপ করবে, তা শত্রু পর্যন্ত পৌঁছুক বা না পৌঁছুক তার জন্য একটি গোলাম আযাদ করার ন্যায় (সওয়াব লিখিত) হবে। আর যে ব্যক্তি একজন মু’মিন গোলাম আযাদ করবে, তা তার জন্য জাহান্নাম হতে পরিত্রাণের কারণ হবে, এক এক অঙ্গের পরিবর্তে এক একটি অঙ্গ।

أخبرنا عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير، قال: حدثنا بقية، عن صفوان، قال: حدثني سليم بن عامر، عن شرحبيل بن السمط، أنه قال لعمرو بن عبسة: - يا عمرو حدثنا حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من شاب شيبة في سبيل الله تعالى، كانت له نورا يوم القيامة، ومن رمى بسهم في سبيل الله تعالى بلغ العدو، أو لم يبلغ، كان له كعتق رقبة، ومن أعتق رقبة مؤمنة، كانت له فداءه من النار عضوا بعضو»


সুনান নাসাঈ ৩১৪৩

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا هشام، قال: حدثنا قتادة، عن سالم بن أبي الجعد، عن معدان بن أبي طلحة، عن أبي نجيح السلمي، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من بلغ بسهم في سبيل الله، فهو له درجة في الجنة» فبلغت يومئذ ستة عشر سهما " قال: وسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من رمى بسهم في سبيل الله فهو عدل محرر»

আবূ নুজাইহ্‌ সালামী [১] থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় (কাফিরদের দিকে) একটি তীর পৌঁছে দিল, এটি তার জন্য জান্নাতে একটি মর্যাদা স্তর (লাভের কারণ) হবে। (অতএব) আমি সেদিন ষোলোটি তীর (শত্রু শিবিরে) পৌঁছে দেই। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আরও বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় একটি তীর ছুঁড়বে, তা হবে একটি গোলাম আযাদ করার সমতুল্য।

আবূ নুজাইহ্‌ সালামী [১] থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় (কাফিরদের দিকে) একটি তীর পৌঁছে দিল, এটি তার জন্য জান্নাতে একটি মর্যাদা স্তর (লাভের কারণ) হবে। (অতএব) আমি সেদিন ষোলোটি তীর (শত্রু শিবিরে) পৌঁছে দেই। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আরও বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় একটি তীর ছুঁড়বে, তা হবে একটি গোলাম আযাদ করার সমতুল্য।

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا هشام، قال: حدثنا قتادة، عن سالم بن أبي الجعد، عن معدان بن أبي طلحة، عن أبي نجيح السلمي، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من بلغ بسهم في سبيل الله، فهو له درجة في الجنة» فبلغت يومئذ ستة عشر سهما " قال: وسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من رمى بسهم في سبيل الله فهو عدل محرر»


সুনান নাসাঈ ৩১৪৪

أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو معاوية، قال: حدثنا الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن سالم بن أبي الجعد، عن شرحبيل بن السمط، قال لكعب بن مرة: - يا كعب، حدثنا عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، واحذر - قال: سمعته يقول: «من شاب شيبة في الإسلام في سبيل الله، كانت له نورا يوم القيامة»

শুরাহবীল ইব্‌ন সিম্‌ত (রহঃ) থেকে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ

তিনি কা'ব ইব্‌ন মুররাহ্‌ (রাঃ)-কে বললেনঃ হে কা'ব! রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করুন এবং সাবধানতা অবলম্বন করুন। তিনি বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি মুসলিম অবস্থায় আল্লাহ্‌র রাস্তায় বৃদ্ধ হয়েছে, কিয়ামতের দিন তা তার জন্য নূর হবে। তাঁকে আবার বলা হলোঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করুন এবং সাবধানতা অবলম্বন করুন। তিনি বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ তোমরা তীর নিক্ষেপ করবে। যে ব্যক্তি শত্রুর প্রতি একটি তীর পৌঁছাবে, আল্লাহ্‌ তা'আলা এর বিনিময়ে তার একটি মর্যাদা স্তর বর্ধিত করবেন। ইব্‌ন নাহ্‌হাম (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! মর্যাদা কি? তিনি বললেনঃ তা তোমার মায়ের ঘরের চৌকাঠ নয়। ইহা এমন দুটি স্তর যে, যার মধ্যে পার্থক্য হবে এক শত বছরের।

শুরাহবীল ইব্‌ন সিম্‌ত (রহঃ) থেকে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ

তিনি কা'ব ইব্‌ন মুররাহ্‌ (রাঃ)-কে বললেনঃ হে কা'ব! রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করুন এবং সাবধানতা অবলম্বন করুন। তিনি বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি মুসলিম অবস্থায় আল্লাহ্‌র রাস্তায় বৃদ্ধ হয়েছে, কিয়ামতের দিন তা তার জন্য নূর হবে। তাঁকে আবার বলা হলোঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করুন এবং সাবধানতা অবলম্বন করুন। তিনি বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ তোমরা তীর নিক্ষেপ করবে। যে ব্যক্তি শত্রুর প্রতি একটি তীর পৌঁছাবে, আল্লাহ্‌ তা'আলা এর বিনিময়ে তার একটি মর্যাদা স্তর বর্ধিত করবেন। ইব্‌ন নাহ্‌হাম (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! মর্যাদা কি? তিনি বললেনঃ তা তোমার মায়ের ঘরের চৌকাঠ নয়। ইহা এমন দুটি স্তর যে, যার মধ্যে পার্থক্য হবে এক শত বছরের।

أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو معاوية، قال: حدثنا الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن سالم بن أبي الجعد، عن شرحبيل بن السمط، قال لكعب بن مرة: - يا كعب، حدثنا عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، واحذر - قال: سمعته يقول: «من شاب شيبة في الإسلام في سبيل الله، كانت له نورا يوم القيامة»


সুনান নাসাঈ ৩১৪৫

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا المعتمر، قال: سمعت خالدا يعني ابن زيد أبا عبد الرحمن الشامي، يحدث عن شرحبيل بن السمط، عن عمرو بن عبسة، - قال: قلت: يا عمرو بن عبسة، حدثنا حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس فيه نسيان ولا تنقص - قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من رمى بسهم في سبيل الله فبلغ العدو أخطأ أو أصاب، كان له كعدل رقبة، ومن أعتق رقبة مسلمة، كان فداء كل عضو منه عضوا منه من نار جهنم، ومن شاب شيبة في سبيل الله، كانت له نورا يوم القيامة»

শুরাহবীল ইব্‌ন সিম্‌ত (রহঃ) থেকে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আমর ইব্‌ন আবাসা! আমাদের নিকট এমন হাদিস বর্ণনা করুন, যা আপনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শ্রবণ করেছেন, যাতে ভুল ভ্রান্তি ও ঘাটতি না হয়। তিনি বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় একটি তীর নিক্ষেপ করবে শত্রুর প্রতি, এতে সে ভুল করলো কিংবা সঠিকভাবে পৌঁছালো, এটি তার জন্য একটি ক্রীতদাস আযাদ করার সমতুল্য হবে। আর যে ব্যক্তি একজন মুসলমান ক্রীতদাস আযাদ করবে, তার প্রত্যেকটি অঙ্গ এর প্রত্যেক অঙ্গের পরিবর্তে জাহান্নামের আগুন হতে পরিত্রাণ পাবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় বার্ধক্যে উপনীত হবে, কিয়ামতের দিনে তা হবে তার জন্য নূর।

শুরাহবীল ইব্‌ন সিম্‌ত (রহঃ) থেকে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আমর ইব্‌ন আবাসা! আমাদের নিকট এমন হাদিস বর্ণনা করুন, যা আপনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শ্রবণ করেছেন, যাতে ভুল ভ্রান্তি ও ঘাটতি না হয়। তিনি বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় একটি তীর নিক্ষেপ করবে শত্রুর প্রতি, এতে সে ভুল করলো কিংবা সঠিকভাবে পৌঁছালো, এটি তার জন্য একটি ক্রীতদাস আযাদ করার সমতুল্য হবে। আর যে ব্যক্তি একজন মুসলমান ক্রীতদাস আযাদ করবে, তার প্রত্যেকটি অঙ্গ এর প্রত্যেক অঙ্গের পরিবর্তে জাহান্নামের আগুন হতে পরিত্রাণ পাবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় বার্ধক্যে উপনীত হবে, কিয়ামতের দিনে তা হবে তার জন্য নূর।

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا المعتمر، قال: سمعت خالدا يعني ابن زيد أبا عبد الرحمن الشامي، يحدث عن شرحبيل بن السمط، عن عمرو بن عبسة، - قال: قلت: يا عمرو بن عبسة، حدثنا حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس فيه نسيان ولا تنقص - قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من رمى بسهم في سبيل الله فبلغ العدو أخطأ أو أصاب، كان له كعدل رقبة، ومن أعتق رقبة مسلمة، كان فداء كل عضو منه عضوا منه من نار جهنم، ومن شاب شيبة في سبيل الله، كانت له نورا يوم القيامة»


সুনান নাসাঈ ৩১৪৬

أخبرنا عمرو بن عثمان بن سعيد، عن الوليد، عن ابن جابر، عن أبي سلام الأسود، عن خالد بن يزيد، عن عقبة بن عامر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " إن الله عز وجل يدخل ثلاثة نفر الجنة بالسهم الواحد: صانعه يحتسب في صنعه الخير، والرامي به، ومنبله "

উক্‌বা ইব্‌ন আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান মহীয়ান আল্লাহ্‌ তা'আলা একটি তীরের উসিলায় তিন ব্যক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। এর প্রস্তুতকারক, যে তা প্রস্তুতকালে উত্তম নিয়্যত রাখবে। যে তা নিক্ষেপ করবে এবং যে তা কাউকে তুলে দেবে (নিক্ষেপ করতে দেবে)।

উক্‌বা ইব্‌ন আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান মহীয়ান আল্লাহ্‌ তা'আলা একটি তীরের উসিলায় তিন ব্যক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। এর প্রস্তুতকারক, যে তা প্রস্তুতকালে উত্তম নিয়্যত রাখবে। যে তা নিক্ষেপ করবে এবং যে তা কাউকে তুলে দেবে (নিক্ষেপ করতে দেবে)।

أخبرنا عمرو بن عثمان بن سعيد، عن الوليد، عن ابن جابر، عن أبي سلام الأسود، عن خالد بن يزيد، عن عقبة بن عامر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " إن الله عز وجل يدخل ثلاثة نفر الجنة بالسهم الواحد: صانعه يحتسب في صنعه الخير، والرامي به، ومنبله "


সুনান নাসাঈ > মহান মহীয়ান আল্লাহ্‌র রাস্তায় যারা আহত হয়

সুনান নাসাঈ ৩১৪৭

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «لا يكلم أحد في سبيل الله والله أعلم بمن يكلم في سبيله، إلا جاء يوم القيامة، وجرحه يثعب دما، اللون لون دم، والريح ريح المسك»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় যখম হবে, আর আল্লাহ্ই ভাল জানেন, কে তাঁর রাস্তায় যখম হয়েছে; সে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় আসবে যে, তার ক্ষত রক্ত ঝরাতে থাকবে, এর বর্ণ হবে রক্তের, আর গন্ধ হবে কস্তুরীর।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় যখম হবে, আর আল্লাহ্ই ভাল জানেন, কে তাঁর রাস্তায় যখম হয়েছে; সে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় আসবে যে, তার ক্ষত রক্ত ঝরাতে থাকবে, এর বর্ণ হবে রক্তের, আর গন্ধ হবে কস্তুরীর।

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «لا يكلم أحد في سبيل الله والله أعلم بمن يكلم في سبيله، إلا جاء يوم القيامة، وجرحه يثعب دما، اللون لون دم، والريح ريح المسك»


সুনান নাসাঈ ৩১৪৮

- أخبرنا هناد بن السري، عن ابن المبارك، عن معمر، عن الزهري، عن عبد الله بن ثعلبة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «زملوهم بدمائهم، فإنه ليس كلم يكلم في الله، إلا أتى يوم القيامة جرحه يدمى، لونه لون دم، وريحه ريح المسك»

আবদুল্লাহ্ ইবন ছা’বালা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তাদেরকে (শহীদদেরকে) তাদের রক্তসহ চাদরাবৃত কর। কেননা কেউ আল্লাহ্‌র রাস্তায় যখম হলে, সে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় উপস্থিত হবে যে, তার ক্ষত হতে রক্ত নির্গত হতে থাকবে। যার বর্ণ হবে রক্তের, কিন্তু সুগন্ধী হবে কস্তুরীর।

আবদুল্লাহ্ ইবন ছা’বালা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তাদেরকে (শহীদদেরকে) তাদের রক্তসহ চাদরাবৃত কর। কেননা কেউ আল্লাহ্‌র রাস্তায় যখম হলে, সে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় উপস্থিত হবে যে, তার ক্ষত হতে রক্ত নির্গত হতে থাকবে। যার বর্ণ হবে রক্তের, কিন্তু সুগন্ধী হবে কস্তুরীর।

- أخبرنا هناد بن السري، عن ابن المبارك، عن معمر، عن الزهري، عن عبد الله بن ثعلبة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «زملوهم بدمائهم، فإنه ليس كلم يكلم في الله، إلا أتى يوم القيامة جرحه يدمى، لونه لون دم، وريحه ريح المسك»


সুনান নাসাঈ > শত্রু যাকে আঘাত করে সে কি বলবে

সুনান নাসাঈ ৩১৪৯

- أخبرنا عمرو بن سواد، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني يحيى بن أيوب وذكر آخر قبله، عن عمارة بن غزية، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال: لما كان يوم أحد وولى الناس، كان رسول الله صلى الله عليه وسلم في ناحية في اثني عشر رجلا من الأنصار، وفيهم طلحة بن عبيد الله، فأدركهم المشركون، فالتفت رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال: «من للقوم؟» فقال طلحة: أنا، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كما أنت» فقال رجل من الأنصار: أنا يا رسول الله، فقال: «أنت فقاتل»، حتى قتل، ثم التفت فإذا المشركون، فقال: «من للقوم؟» فقال طلحة: أنا، قال: «كما أنت»، فقال رجل من الأنصار: أنا، فقال: «أنت فقاتل»، حتى قتل، ثم لم يزل يقول ذلك، ويخرج إليهم رجل من الأنصار فيقاتل قتال من قبله حتى يقتل، حتى بقي رسول الله صلى الله عليه وسلم وطلحة بن عبيد الله، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من للقوم؟» فقال طلحة: أنا، فقاتل طلحة قتال الأحد عشر، حتى ضربت يده، فقطعت أصابعه، فقال: حس، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لو قلت بسم الله لرفعتك الملائكة والناس ينظرون، ثم رد الله المشركين» --- [حكم الألباني] حسن من قوله فقطعت أصابعه وما قبله يحتمل التحسين وهو على شرط مسلم

জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উহুদ যুদ্ধের দিন যখন কিছু লোক পালিয়ে গেল তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিকে বারজন আনসারের মধ্যে (বেষ্টিত) ছিলেন, তাদের মধ্যে তালহা ইব্ন উবায়দুল্লাহ্ (রাঃ)-ও ছিলেন। মুশরিকরা তাদেরকে নাগালে পেয়ে গেল। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা দেখে বললেনঃ এ দলের জন্য কে আছে? তাল্হা (রাঃ) বললেনঃ আমি। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যথাবস্থায় থাক। [১] তখনই একজন আনসারী ব্যক্তি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি। তিনি বললেনঃ হ্যাঁ তুমি। এ ব্যক্তি যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হলেন। আবার (তিনি লক্ষ্য করলেন, এবং দেখতে পেলেন যে, মুশরিকরা আক্রমণ করছে) তিনি বললেনঃ এ দলের জন্য কে আছে? এবারও তাল্হা (রাঃ) বললেনঃ আমি। তিনি বললেনঃ তুমি পূর্বের মতই থাক। তখন এক আনসারী ব্যক্তি বললেনঃ আমি (আছি)। তিনি বললেনঃ হ্যাঁ তুমি। এ ব্যক্তিও যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হলেন। এরপর তিনি এভাবে বলছিলেন এবং আনসারীদের এক একজন তাদের দিকে বের হয়ে পূর্ববর্তী ব্যক্তির ন্যায় যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হলেন। অবশেষে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তালহা ইব্ন উবায়দুল্লাহ্ (রাঃ) অবশিষ্ট থাকলেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ দলের জন্য কে আছে? তালহা(রাঃ) বললেনঃ আমি (আছি)। তালহা (রাঃ) এগারজনের যুদ্ধ একাই করলেন। পরিশেষে তাঁর হাত আহত হলো এবং হাতের আঙ্গুল কর্তিত হলো। এতে তিনি ‘উহ্’ শব্দের ন্যায় শব্দ উচ্চারণ করলেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি তুমি বলতে ‘বিসমিল্লাহ্’, তা হলে তোমাকে ফেরেশতাগণ উপরে উঠিয়ে নিতেন, আর লোকেরা তা দেখতে পেত। এরপর আল্লাহ্ তা‘আলা মুশরিকদের ফিরিয়ে দিলেন।

জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উহুদ যুদ্ধের দিন যখন কিছু লোক পালিয়ে গেল তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিকে বারজন আনসারের মধ্যে (বেষ্টিত) ছিলেন, তাদের মধ্যে তালহা ইব্ন উবায়দুল্লাহ্ (রাঃ)-ও ছিলেন। মুশরিকরা তাদেরকে নাগালে পেয়ে গেল। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা দেখে বললেনঃ এ দলের জন্য কে আছে? তাল্হা (রাঃ) বললেনঃ আমি। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যথাবস্থায় থাক। [১] তখনই একজন আনসারী ব্যক্তি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি। তিনি বললেনঃ হ্যাঁ তুমি। এ ব্যক্তি যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হলেন। আবার (তিনি লক্ষ্য করলেন, এবং দেখতে পেলেন যে, মুশরিকরা আক্রমণ করছে) তিনি বললেনঃ এ দলের জন্য কে আছে? এবারও তাল্হা (রাঃ) বললেনঃ আমি। তিনি বললেনঃ তুমি পূর্বের মতই থাক। তখন এক আনসারী ব্যক্তি বললেনঃ আমি (আছি)। তিনি বললেনঃ হ্যাঁ তুমি। এ ব্যক্তিও যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হলেন। এরপর তিনি এভাবে বলছিলেন এবং আনসারীদের এক একজন তাদের দিকে বের হয়ে পূর্ববর্তী ব্যক্তির ন্যায় যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হলেন। অবশেষে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তালহা ইব্ন উবায়দুল্লাহ্ (রাঃ) অবশিষ্ট থাকলেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ দলের জন্য কে আছে? তালহা(রাঃ) বললেনঃ আমি (আছি)। তালহা (রাঃ) এগারজনের যুদ্ধ একাই করলেন। পরিশেষে তাঁর হাত আহত হলো এবং হাতের আঙ্গুল কর্তিত হলো। এতে তিনি ‘উহ্’ শব্দের ন্যায় শব্দ উচ্চারণ করলেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি তুমি বলতে ‘বিসমিল্লাহ্’, তা হলে তোমাকে ফেরেশতাগণ উপরে উঠিয়ে নিতেন, আর লোকেরা তা দেখতে পেত। এরপর আল্লাহ্ তা‘আলা মুশরিকদের ফিরিয়ে দিলেন।

- أخبرنا عمرو بن سواد، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني يحيى بن أيوب وذكر آخر قبله، عن عمارة بن غزية، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال: لما كان يوم أحد وولى الناس، كان رسول الله صلى الله عليه وسلم في ناحية في اثني عشر رجلا من الأنصار، وفيهم طلحة بن عبيد الله، فأدركهم المشركون، فالتفت رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال: «من للقوم؟» فقال طلحة: أنا، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كما أنت» فقال رجل من الأنصار: أنا يا رسول الله، فقال: «أنت فقاتل»، حتى قتل، ثم التفت فإذا المشركون، فقال: «من للقوم؟» فقال طلحة: أنا، قال: «كما أنت»، فقال رجل من الأنصار: أنا، فقال: «أنت فقاتل»، حتى قتل، ثم لم يزل يقول ذلك، ويخرج إليهم رجل من الأنصار فيقاتل قتال من قبله حتى يقتل، حتى بقي رسول الله صلى الله عليه وسلم وطلحة بن عبيد الله، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من للقوم؟» فقال طلحة: أنا، فقاتل طلحة قتال الأحد عشر، حتى ضربت يده، فقطعت أصابعه، فقال: حس، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لو قلت بسم الله لرفعتك الملائكة والناس ينظرون، ثم رد الله المشركين» --- [حكم الألباني] حسن من قوله فقطعت أصابعه وما قبله يحتمل التحسين وهو على شرط مسلم


সুনান নাসাঈ > যুদ্ধ ক্ষেত্রে ভুলবশত: নিজের তলোয়ারের আঘাতে শহীদ হলে

সুনান নাসাঈ ৩১৫০

أخبرنا عمرو بن سواد، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال: أخبرني عبد الرحمن، وعبد الله، ابنا كعب بن مالك، أن سلمة بن الأكوع، قال: لما كان يوم خيبر قاتل أخي قتالا شديدا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فارتد عليه سيفه فقتله، فقال أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك وشكوا فيه رجل مات بسلاحه، قال سلمة: فقفل رسول الله صلى الله عليه وسلم من خيبر، فقلت: يا رسول الله، أتأذن لي أن أرتجز بك، فأذن له رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال عمر بن الخطاب رضي الله عنه: اعلم ما تقول، فقلت: [البحر الرجز] والله لولا الله ما اهتدينا ... ولا تصدقنا ولا صلينا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «صدقت» فأنزلن سكينة علينا ... وثبت الأقدام إن لاقينا والمشركون قد بغوا علينا فلما قضيت رجزي، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قال هذا؟» قلت: أخي، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يرحمه الله»، فقلت: يا رسول الله، والله إن ناسا ليهابون الصلاة عليه يقولون: رجل مات بسلاحه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «مات جاهدا مجاهدا» قال ابن شهاب: ثم سألت ابنا لسلمة بن الأكوع، فحدثني، عن أبيه، مثل ذلك، غير أنه قال حين قلت: إن ناسا ليهابون الصلاة عليه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كذبوا، مات جاهدا مجاهدا، فله أجره مرتين»، وأشار بأصبعيه

সালামা ইবন আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বলেন, খায়বর যুদ্ধে আমার ভাই রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে (নেতৃত্বে) ভীষণ যুদ্ধ করেন। তাঁর তরবারি তাঁর উপর আপতিত হলে তিনি শহীদ হন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ (রাঃ) এ সম্পর্কে মন্তব্য করতে লাগলেন এবং তার (শাহাদাত) সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করতে লাগলেন। তাঁরা বললেন, তিনি এমন এক ব্যক্তি, যার মৃত্যু হয়েছে তার নিজের অস্ত্রে। সালামা (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বর হতে প্রত্যাবর্তন করার সময় আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনার সামনে কবিতা (বিশেষ ধরণের ছন্দ) আবৃত্তি করার অনুমতি আমাকে দিবেন কি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দিলেন। তখন উমর ইব্ন খাত্তাব (রাঃ) বললেন, তুমি কি বলবে বুঝে শুনে বলবে। আমি বললামঃ (আরবি) অর্থাৎঃ আল্লাহ্‌র কসম! আল্লাহ্ যদি আমাদের হিদায়াত না করতেন, তাহলে না আমরা হিদায়াত পেতাম, আমরা সাদাকা করতাম না, আর আমরা সালাত আদায় করতাম না। (এ পর্যন্ত বলতেই) রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তুমি সত্যই বলেছ”। (আরবি) অর্থঃ আপনি আমাদের উপর শান্তি অবতীর্ণ করুন, আর যুদ্ধক্ষেত্রে আমাদের অটল রাখুন। মুশরিকরা আমাদের উপর অত্যাচার করেছে। আমার কবিতা পাঠ শেষ হলে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটা কে বলেছে? আমি বললামঃ আমার ভাই। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্‌ তাকে রহম করুন। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! লোক তার উপর জানাযার নামায পড়তে ভয় পায়। তারা বলেঃ এ ব্যক্তি নিজের অস্ত্রে মারা গেছে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে (পুণ্যের পথে) অবিরাম প্রচেষ্টা চালিয়ে (আল্লাহ্‌র শত্রুদের মুকাবিলায়) জিহাদ করতে করতে শহীদ হয়েছে। ইব্‌ন শিহাব (রহঃ) বলেন, তারপর আমি সালামা ইব্‌ন আকওয়ার এক ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি তার পিতা হতে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করলেন। উপরন্তু তিনি বললেন, যখন আমি বললাম, লোক তার উপর নামায পড়তে দ্বিধাবোধ করছে, তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা সঠিক বলছে। সে মুজাহিদের ন্যায় যুদ্ধ করেছে, তার জন্য দুইগুণ সওয়াব রয়েছে। (এ সময়) তিনি তাঁর দু’টি আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করলেন।

সালামা ইবন আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বলেন, খায়বর যুদ্ধে আমার ভাই রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে (নেতৃত্বে) ভীষণ যুদ্ধ করেন। তাঁর তরবারি তাঁর উপর আপতিত হলে তিনি শহীদ হন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণ (রাঃ) এ সম্পর্কে মন্তব্য করতে লাগলেন এবং তার (শাহাদাত) সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করতে লাগলেন। তাঁরা বললেন, তিনি এমন এক ব্যক্তি, যার মৃত্যু হয়েছে তার নিজের অস্ত্রে। সালামা (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বর হতে প্রত্যাবর্তন করার সময় আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনার সামনে কবিতা (বিশেষ ধরণের ছন্দ) আবৃত্তি করার অনুমতি আমাকে দিবেন কি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দিলেন। তখন উমর ইব্ন খাত্তাব (রাঃ) বললেন, তুমি কি বলবে বুঝে শুনে বলবে। আমি বললামঃ (আরবি) অর্থাৎঃ আল্লাহ্‌র কসম! আল্লাহ্ যদি আমাদের হিদায়াত না করতেন, তাহলে না আমরা হিদায়াত পেতাম, আমরা সাদাকা করতাম না, আর আমরা সালাত আদায় করতাম না। (এ পর্যন্ত বলতেই) রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তুমি সত্যই বলেছ”। (আরবি) অর্থঃ আপনি আমাদের উপর শান্তি অবতীর্ণ করুন, আর যুদ্ধক্ষেত্রে আমাদের অটল রাখুন। মুশরিকরা আমাদের উপর অত্যাচার করেছে। আমার কবিতা পাঠ শেষ হলে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটা কে বলেছে? আমি বললামঃ আমার ভাই। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্‌ তাকে রহম করুন। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! লোক তার উপর জানাযার নামায পড়তে ভয় পায়। তারা বলেঃ এ ব্যক্তি নিজের অস্ত্রে মারা গেছে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সে (পুণ্যের পথে) অবিরাম প্রচেষ্টা চালিয়ে (আল্লাহ্‌র শত্রুদের মুকাবিলায়) জিহাদ করতে করতে শহীদ হয়েছে। ইব্‌ন শিহাব (রহঃ) বলেন, তারপর আমি সালামা ইব্‌ন আকওয়ার এক ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি তার পিতা হতে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করলেন। উপরন্তু তিনি বললেন, যখন আমি বললাম, লোক তার উপর নামায পড়তে দ্বিধাবোধ করছে, তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তারা সঠিক বলছে। সে মুজাহিদের ন্যায় যুদ্ধ করেছে, তার জন্য দুইগুণ সওয়াব রয়েছে। (এ সময়) তিনি তাঁর দু’টি আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করলেন।

أخبرنا عمرو بن سواد، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال: أخبرني عبد الرحمن، وعبد الله، ابنا كعب بن مالك، أن سلمة بن الأكوع، قال: لما كان يوم خيبر قاتل أخي قتالا شديدا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فارتد عليه سيفه فقتله، فقال أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك وشكوا فيه رجل مات بسلاحه، قال سلمة: فقفل رسول الله صلى الله عليه وسلم من خيبر، فقلت: يا رسول الله، أتأذن لي أن أرتجز بك، فأذن له رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال عمر بن الخطاب رضي الله عنه: اعلم ما تقول، فقلت: [البحر الرجز] والله لولا الله ما اهتدينا ... ولا تصدقنا ولا صلينا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «صدقت» فأنزلن سكينة علينا ... وثبت الأقدام إن لاقينا والمشركون قد بغوا علينا فلما قضيت رجزي، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قال هذا؟» قلت: أخي، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يرحمه الله»، فقلت: يا رسول الله، والله إن ناسا ليهابون الصلاة عليه يقولون: رجل مات بسلاحه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «مات جاهدا مجاهدا» قال ابن شهاب: ثم سألت ابنا لسلمة بن الأكوع، فحدثني، عن أبيه، مثل ذلك، غير أنه قال حين قلت: إن ناسا ليهابون الصلاة عليه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كذبوا، مات جاهدا مجاهدا، فله أجره مرتين»، وأشار بأصبعيه


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00