সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি আল্লাহ্র পথে যুদ্ধ করে এবং সে (উটের) রশি ব্যতীত আর কিছুর নিয়্যত না করে
সুনান নাসাঈ ৩১৩৮
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا عبد الرحمن، قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن جبلة بن عطية، عن يحيى بن الوليد بن عبادة بن الصامت، عن جده، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من غزا في سبيل الله ولم ينو إلا عقالا فله ما نوى»
ইয়াহইয়া ইব্ন ওয়ালীদ ইব্ন উবাদা ইবন্ সামিত (রাঃ) তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন থেকে বর্নিতঃ
রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় যুদ্ধ করলো এবং (উটের) রশি (সামান্য গনীমত) ব্যতীত আর কিছুর নিয়্যত করল না; সে যা নিয়্যত করলো, তাই তার প্রাপ্য হবে।
ইয়াহইয়া ইব্ন ওয়ালীদ ইব্ন উবাদা ইবন্ সামিত (রাঃ) তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন থেকে বর্নিতঃ
রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় যুদ্ধ করলো এবং (উটের) রশি (সামান্য গনীমত) ব্যতীত আর কিছুর নিয়্যত করল না; সে যা নিয়্যত করলো, তাই তার প্রাপ্য হবে।
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا عبد الرحمن، قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن جبلة بن عطية، عن يحيى بن الوليد بن عبادة بن الصامت، عن جده، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من غزا في سبيل الله ولم ينو إلا عقالا فله ما نوى»
সুনান নাসাঈ ৩১৩৯
أخبرني هارون بن عبد الله، قال: حدثنا يزيد بن هارون، قال: أنبأنا حماد بن سلمة، عن جبلة بن عطية، عن يحيى بن الوليد، عن عبادة بن الصامت، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من غزا وهو لا يريد إلا عقالا فله ما نوى»
ইয়াহইয়া ইব্ন ওয়ালীদ ইব্ন উবাদা ইবন্ সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় যুদ্ধ করলো এবং (উটের) রশি ছাড়া তার আর কিছুর নিয়্যত করল না; সে যা নিয়্যত করলো, তাই তার প্রাপ্য হবে।
ইয়াহইয়া ইব্ন ওয়ালীদ ইব্ন উবাদা ইবন্ সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় যুদ্ধ করলো এবং (উটের) রশি ছাড়া তার আর কিছুর নিয়্যত করল না; সে যা নিয়্যত করলো, তাই তার প্রাপ্য হবে।
أخبرني هارون بن عبد الله، قال: حدثنا يزيد بن هارون، قال: أنبأنا حماد بن سلمة، عن جبلة بن عطية، عن يحيى بن الوليد، عن عبادة بن الصامت، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من غزا وهو لا يريد إلا عقالا فله ما نوى»
সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি সওয়াব ও সুনামের জন্য যুদ্ধ করে
সুনান নাসাঈ ৩১৪০
أخبرنا عيسى بن هلال الحمصي، قال: حدثنا محمد بن حمير، قال: حدثنا معاوية بن سلام، عن عكرمة بن عمار، عن شداد أبي عمار، عن أبي أمامة الباهلي، قال: جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: أرأيت رجلا غزا يلتمس الأجر والذكر، ماله؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا شيء له» فأعادها ثلاث مرات، يقول له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا شيء له» ثم قال: «إن الله لا يقبل من العمل إلا ما كان له خالصا، وابتغي به وجهه»
আবু উমামা বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললেনঃ ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে আপনি কি বলেন, যে ব্যক্তি সওয়াব এবং সুনামের জন্য জিহাদ করে, তার জন্য কি রয়েছে? রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার জন্য কিছুই নেই। সে ব্যক্তি তা তিনবার পুনরাবৃত্তি করলেন। রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (একটি কথাই) বললেনঃ তার জন্য কিছুই নেই। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর জন্য কৃত খাঁটি (একনিষ্ঠ) আমল ব্যতীত, যা দ্বারা আল্লাহ্র সন্তুষ্টি ছাড়া আর কিছুই উদ্দেশ্য না হয়, আর কিছুই কবুল করেন না।
আবু উমামা বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললেনঃ ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে আপনি কি বলেন, যে ব্যক্তি সওয়াব এবং সুনামের জন্য জিহাদ করে, তার জন্য কি রয়েছে? রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার জন্য কিছুই নেই। সে ব্যক্তি তা তিনবার পুনরাবৃত্তি করলেন। রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (একটি কথাই) বললেনঃ তার জন্য কিছুই নেই। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর জন্য কৃত খাঁটি (একনিষ্ঠ) আমল ব্যতীত, যা দ্বারা আল্লাহ্র সন্তুষ্টি ছাড়া আর কিছুই উদ্দেশ্য না হয়, আর কিছুই কবুল করেন না।
أخبرنا عيسى بن هلال الحمصي، قال: حدثنا محمد بن حمير، قال: حدثنا معاوية بن سلام، عن عكرمة بن عمار، عن شداد أبي عمار، عن أبي أمامة الباهلي، قال: جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: أرأيت رجلا غزا يلتمس الأجر والذكر، ماله؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا شيء له» فأعادها ثلاث مرات، يقول له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا شيء له» ثم قال: «إن الله لا يقبل من العمل إلا ما كان له خالصا، وابتغي به وجهه»
সুনান নাসাঈ ৩১৪০
أخبرنا عيسى بن هلال الحمصي، قال: حدثنا محمد بن حمير، قال: حدثنا معاوية بن سلام، عن عكرمة بن عمار، عن شداد أبي عمار، عن أبي أمامة الباهلي، قال: جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: أرأيت رجلا غزا يلتمس الأجر والذكر، ماله؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا شيء له» فأعادها ثلاث مرات، يقول له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا شيء له» ثم قال: «إن الله لا يقبل من العمل إلا ما كان له خالصا، وابتغي به وجهه»
আবু উমামা বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললেনঃ ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে আপনি কি বলেন, যে ব্যক্তি সওয়াব এবং সুনামের জন্য জিহাদ করে, তার জন্য কি রয়েছে? রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার জন্য কিছুই নেই। সে ব্যক্তি তা তিনবার পুনরাবৃত্তি করলেন। রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (একটি কথাই) বললেনঃ তার জন্য কিছুই নেই। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর জন্য কৃত খাঁটি (একনিষ্ঠ) আমল ব্যতীত, যা দ্বারা আল্লাহ্র সন্তুষ্টি ছাড়া আর কিছুই উদ্দেশ্য না হয়, আর কিছুই কবুল করেন না।
আবু উমামা বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললেনঃ ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে আপনি কি বলেন, যে ব্যক্তি সওয়াব এবং সুনামের জন্য জিহাদ করে, তার জন্য কি রয়েছে? রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার জন্য কিছুই নেই। সে ব্যক্তি তা তিনবার পুনরাবৃত্তি করলেন। রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (একটি কথাই) বললেনঃ তার জন্য কিছুই নেই। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর জন্য কৃত খাঁটি (একনিষ্ঠ) আমল ব্যতীত, যা দ্বারা আল্লাহ্র সন্তুষ্টি ছাড়া আর কিছুই উদ্দেশ্য না হয়, আর কিছুই কবুল করেন না।
أخبرنا عيسى بن هلال الحمصي، قال: حدثنا محمد بن حمير، قال: حدثنا معاوية بن سلام، عن عكرمة بن عمار، عن شداد أبي عمار، عن أبي أمامة الباهلي، قال: جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: أرأيت رجلا غزا يلتمس الأجر والذكر، ماله؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا شيء له» فأعادها ثلاث مرات، يقول له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا شيء له» ثم قال: «إن الله لا يقبل من العمل إلا ما كان له خالصا، وابتغي به وجهه»
সুনান নাসাঈ ৩১৪০
أخبرنا عيسى بن هلال الحمصي، قال: حدثنا محمد بن حمير، قال: حدثنا معاوية بن سلام، عن عكرمة بن عمار، عن شداد أبي عمار، عن أبي أمامة الباهلي، قال: جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: أرأيت رجلا غزا يلتمس الأجر والذكر، ماله؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا شيء له» فأعادها ثلاث مرات، يقول له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا شيء له» ثم قال: «إن الله لا يقبل من العمل إلا ما كان له خالصا، وابتغي به وجهه»
আবু উমামা বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললেনঃ ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে আপনি কি বলেন, যে ব্যক্তি সওয়াব এবং সুনামের জন্য জিহাদ করে, তার জন্য কি রয়েছে? রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার জন্য কিছুই নেই। সে ব্যক্তি তা তিনবার পুনরাবৃত্তি করলেন। রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (একটি কথাই) বললেনঃ তার জন্য কিছুই নেই। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর জন্য কৃত খাঁটি (একনিষ্ঠ) আমল ব্যতীত, যা দ্বারা আল্লাহ্র সন্তুষ্টি ছাড়া আর কিছুই উদ্দেশ্য না হয়, আর কিছুই কবুল করেন না।
আবু উমামা বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললেনঃ ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে আপনি কি বলেন, যে ব্যক্তি সওয়াব এবং সুনামের জন্য জিহাদ করে, তার জন্য কি রয়েছে? রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার জন্য কিছুই নেই। সে ব্যক্তি তা তিনবার পুনরাবৃত্তি করলেন। রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (একটি কথাই) বললেনঃ তার জন্য কিছুই নেই। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর জন্য কৃত খাঁটি (একনিষ্ঠ) আমল ব্যতীত, যা দ্বারা আল্লাহ্র সন্তুষ্টি ছাড়া আর কিছুই উদ্দেশ্য না হয়, আর কিছুই কবুল করেন না।
أخبرنا عيسى بن هلال الحمصي، قال: حدثنا محمد بن حمير، قال: حدثنا معاوية بن سلام، عن عكرمة بن عمار، عن شداد أبي عمار، عن أبي أمامة الباهلي، قال: جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: أرأيت رجلا غزا يلتمس الأجر والذكر، ماله؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا شيء له» فأعادها ثلاث مرات، يقول له رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا شيء له» ثم قال: «إن الله لا يقبل من العمل إلا ما كان له خالصا، وابتغي به وجهه»
সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি উটের দুধ দোহন করার দুই টানের মধ্যবর্তী অবকাশের সময় পর্যন্ত আল্লাহ্র রাস্তায় যুদ্ধ করে।
সুনান নাসাঈ ৩১৪১
أخبرنا يوسف بن سعيد، قال: سمعت حجاجا، أنبأنا ابن جريج، قال: حدثنا سليمان بن موسى، قال: حدثنا مالك بن يخامر، أن معاذ بن جبل، حدثهم أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من قاتل في سبيل الله عز وجل من رجل مسلم فواق ناقة، وجبت له الجنة، ومن سأل الله القتل من عند نفسه صادقا ثم مات أو قتل، فله أجر شهيد، ومن جرح جرحا في سبيل الله، أو نكب نكبة، فإنها تجيء يوم القيامة كأغزر ما كانت، لونها كالزعفران وريحها كالمسك، ومن جرح جرحا في سبيل الله فعليه طابع الشهداء»
মালিক ইবন্ ইউখামির (রহঃ) বলেন, মু‘আয ইব্ন জাবাল (রাঃ) তাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, যে মুসলমান ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় উটনীর দুধ দোহনের দুইবারের মধ্যবর্তী (স্বল্প) সময় পর্যন্ত (অর্থাৎ স্বল্প সময়ের জন্য) জিহাদ করে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। যে ব্যক্তি আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট নিজেই শাহাদাত কামনা করে কায়মনোবাক্যে, তারপর মৃত্যুবরণ করে অথবা শহীদ হয়, তার জন্য রয়েছে শহীদের সওয়াব। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্র পথে যেকোন রূপ আহত হয় অথবা সামান্য রক্তাক্ত হয় তা (সে ক্ষত) কিয়ামতের দিন প্রচুর রক্তাক্তরূপে উত্থিত হবে। তার বর্ণ হবে যা‘ফরানের ন্যায় এবং সূঘ্রাণ হবে মিশকের ন্যায় এবং যে আল্লাহ্র রাস্তায় আহত হবে তার উপর শহীদের ‘মোহর’ থাকবে।
মালিক ইবন্ ইউখামির (রহঃ) বলেন, মু‘আয ইব্ন জাবাল (রাঃ) তাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন, যে মুসলমান ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় উটনীর দুধ দোহনের দুইবারের মধ্যবর্তী (স্বল্প) সময় পর্যন্ত (অর্থাৎ স্বল্প সময়ের জন্য) জিহাদ করে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। যে ব্যক্তি আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট নিজেই শাহাদাত কামনা করে কায়মনোবাক্যে, তারপর মৃত্যুবরণ করে অথবা শহীদ হয়, তার জন্য রয়েছে শহীদের সওয়াব। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্র পথে যেকোন রূপ আহত হয় অথবা সামান্য রক্তাক্ত হয় তা (সে ক্ষত) কিয়ামতের দিন প্রচুর রক্তাক্তরূপে উত্থিত হবে। তার বর্ণ হবে যা‘ফরানের ন্যায় এবং সূঘ্রাণ হবে মিশকের ন্যায় এবং যে আল্লাহ্র রাস্তায় আহত হবে তার উপর শহীদের ‘মোহর’ থাকবে।
أخبرنا يوسف بن سعيد، قال: سمعت حجاجا، أنبأنا ابن جريج، قال: حدثنا سليمان بن موسى، قال: حدثنا مالك بن يخامر، أن معاذ بن جبل، حدثهم أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من قاتل في سبيل الله عز وجل من رجل مسلم فواق ناقة، وجبت له الجنة، ومن سأل الله القتل من عند نفسه صادقا ثم مات أو قتل، فله أجر شهيد، ومن جرح جرحا في سبيل الله، أو نكب نكبة، فإنها تجيء يوم القيامة كأغزر ما كانت، لونها كالزعفران وريحها كالمسك، ومن جرح جرحا في سبيل الله فعليه طابع الشهداء»
সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় তীর নিক্ষেপ করে তার সওয়াব
সুনান নাসাঈ ৩১৪২
أخبرنا عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير، قال: حدثنا بقية، عن صفوان، قال: حدثني سليم بن عامر، عن شرحبيل بن السمط، أنه قال لعمرو بن عبسة: - يا عمرو حدثنا حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من شاب شيبة في سبيل الله تعالى، كانت له نورا يوم القيامة، ومن رمى بسهم في سبيل الله تعالى بلغ العدو، أو لم يبلغ، كان له كعتق رقبة، ومن أعتق رقبة مؤمنة، كانت له فداءه من النار عضوا بعضو»
শুরাহ্বীল ইবন্ সিমত (রহঃ) থেকে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ
তিনি আমর ইবন্ আবাসা (রাঃ)-কে বললেনঃ হে আমর! আমাদের কাছে একটি হাদিস বর্ণনা করুন, যা আপনি রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শ্রবণ করেছেন। তিনি বললেনঃ আমি রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র পথে (জিহাদ করতে করতে) বৃদ্ধ হবে, কিয়ামতের দিন তা তার জন্য একটি নূর হবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় একটি তীর নিক্ষেপ করবে, তা শত্রু পর্যন্ত পৌঁছুক বা না পৌঁছুক তার জন্য একটি গোলাম আযাদ করার ন্যায় (সওয়াব লিখিত) হবে। আর যে ব্যক্তি একজন মু’মিন গোলাম আযাদ করবে, তা তার জন্য জাহান্নাম হতে পরিত্রাণের কারণ হবে, এক এক অঙ্গের পরিবর্তে এক একটি অঙ্গ।
শুরাহ্বীল ইবন্ সিমত (রহঃ) থেকে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ
তিনি আমর ইবন্ আবাসা (রাঃ)-কে বললেনঃ হে আমর! আমাদের কাছে একটি হাদিস বর্ণনা করুন, যা আপনি রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শ্রবণ করেছেন। তিনি বললেনঃ আমি রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র পথে (জিহাদ করতে করতে) বৃদ্ধ হবে, কিয়ামতের দিন তা তার জন্য একটি নূর হবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় একটি তীর নিক্ষেপ করবে, তা শত্রু পর্যন্ত পৌঁছুক বা না পৌঁছুক তার জন্য একটি গোলাম আযাদ করার ন্যায় (সওয়াব লিখিত) হবে। আর যে ব্যক্তি একজন মু’মিন গোলাম আযাদ করবে, তা তার জন্য জাহান্নাম হতে পরিত্রাণের কারণ হবে, এক এক অঙ্গের পরিবর্তে এক একটি অঙ্গ।
أخبرنا عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير، قال: حدثنا بقية، عن صفوان، قال: حدثني سليم بن عامر، عن شرحبيل بن السمط، أنه قال لعمرو بن عبسة: - يا عمرو حدثنا حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من شاب شيبة في سبيل الله تعالى، كانت له نورا يوم القيامة، ومن رمى بسهم في سبيل الله تعالى بلغ العدو، أو لم يبلغ، كان له كعتق رقبة، ومن أعتق رقبة مؤمنة، كانت له فداءه من النار عضوا بعضو»
সুনান নাসাঈ ৩১৪৩
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا هشام، قال: حدثنا قتادة، عن سالم بن أبي الجعد، عن معدان بن أبي طلحة، عن أبي نجيح السلمي، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من بلغ بسهم في سبيل الله، فهو له درجة في الجنة» فبلغت يومئذ ستة عشر سهما " قال: وسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من رمى بسهم في سبيل الله فهو عدل محرر»
আবূ নুজাইহ্ সালামী [১] থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় (কাফিরদের দিকে) একটি তীর পৌঁছে দিল, এটি তার জন্য জান্নাতে একটি মর্যাদা স্তর (লাভের কারণ) হবে। (অতএব) আমি সেদিন ষোলোটি তীর (শত্রু শিবিরে) পৌঁছে দেই। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আরও বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় একটি তীর ছুঁড়বে, তা হবে একটি গোলাম আযাদ করার সমতুল্য।
আবূ নুজাইহ্ সালামী [১] থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় (কাফিরদের দিকে) একটি তীর পৌঁছে দিল, এটি তার জন্য জান্নাতে একটি মর্যাদা স্তর (লাভের কারণ) হবে। (অতএব) আমি সেদিন ষোলোটি তীর (শত্রু শিবিরে) পৌঁছে দেই। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আরও বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় একটি তীর ছুঁড়বে, তা হবে একটি গোলাম আযাদ করার সমতুল্য।
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا هشام، قال: حدثنا قتادة، عن سالم بن أبي الجعد، عن معدان بن أبي طلحة، عن أبي نجيح السلمي، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من بلغ بسهم في سبيل الله، فهو له درجة في الجنة» فبلغت يومئذ ستة عشر سهما " قال: وسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من رمى بسهم في سبيل الله فهو عدل محرر»
সুনান নাসাঈ ৩১৪৪
أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو معاوية، قال: حدثنا الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن سالم بن أبي الجعد، عن شرحبيل بن السمط، قال لكعب بن مرة: - يا كعب، حدثنا عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، واحذر - قال: سمعته يقول: «من شاب شيبة في الإسلام في سبيل الله، كانت له نورا يوم القيامة»
শুরাহবীল ইব্ন সিম্ত (রহঃ) থেকে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ
তিনি কা'ব ইব্ন মুররাহ্ (রাঃ)-কে বললেনঃ হে কা'ব! রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করুন এবং সাবধানতা অবলম্বন করুন। তিনি বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি মুসলিম অবস্থায় আল্লাহ্র রাস্তায় বৃদ্ধ হয়েছে, কিয়ামতের দিন তা তার জন্য নূর হবে। তাঁকে আবার বলা হলোঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করুন এবং সাবধানতা অবলম্বন করুন। তিনি বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ তোমরা তীর নিক্ষেপ করবে। যে ব্যক্তি শত্রুর প্রতি একটি তীর পৌঁছাবে, আল্লাহ্ তা'আলা এর বিনিময়ে তার একটি মর্যাদা স্তর বর্ধিত করবেন। ইব্ন নাহ্হাম (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! মর্যাদা কি? তিনি বললেনঃ তা তোমার মায়ের ঘরের চৌকাঠ নয়। ইহা এমন দুটি স্তর যে, যার মধ্যে পার্থক্য হবে এক শত বছরের।
শুরাহবীল ইব্ন সিম্ত (রহঃ) থেকে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ
তিনি কা'ব ইব্ন মুররাহ্ (রাঃ)-কে বললেনঃ হে কা'ব! রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করুন এবং সাবধানতা অবলম্বন করুন। তিনি বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি মুসলিম অবস্থায় আল্লাহ্র রাস্তায় বৃদ্ধ হয়েছে, কিয়ামতের দিন তা তার জন্য নূর হবে। তাঁকে আবার বলা হলোঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করুন এবং সাবধানতা অবলম্বন করুন। তিনি বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ তোমরা তীর নিক্ষেপ করবে। যে ব্যক্তি শত্রুর প্রতি একটি তীর পৌঁছাবে, আল্লাহ্ তা'আলা এর বিনিময়ে তার একটি মর্যাদা স্তর বর্ধিত করবেন। ইব্ন নাহ্হাম (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! মর্যাদা কি? তিনি বললেনঃ তা তোমার মায়ের ঘরের চৌকাঠ নয়। ইহা এমন দুটি স্তর যে, যার মধ্যে পার্থক্য হবে এক শত বছরের।
أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو معاوية، قال: حدثنا الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن سالم بن أبي الجعد، عن شرحبيل بن السمط، قال لكعب بن مرة: - يا كعب، حدثنا عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، واحذر - قال: سمعته يقول: «من شاب شيبة في الإسلام في سبيل الله، كانت له نورا يوم القيامة»
সুনান নাসাঈ ৩১৪৫
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا المعتمر، قال: سمعت خالدا يعني ابن زيد أبا عبد الرحمن الشامي، يحدث عن شرحبيل بن السمط، عن عمرو بن عبسة، - قال: قلت: يا عمرو بن عبسة، حدثنا حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس فيه نسيان ولا تنقص - قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من رمى بسهم في سبيل الله فبلغ العدو أخطأ أو أصاب، كان له كعدل رقبة، ومن أعتق رقبة مسلمة، كان فداء كل عضو منه عضوا منه من نار جهنم، ومن شاب شيبة في سبيل الله، كانت له نورا يوم القيامة»
শুরাহবীল ইব্ন সিম্ত (রহঃ) থেকে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আমর ইব্ন আবাসা! আমাদের নিকট এমন হাদিস বর্ণনা করুন, যা আপনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শ্রবণ করেছেন, যাতে ভুল ভ্রান্তি ও ঘাটতি না হয়। তিনি বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় একটি তীর নিক্ষেপ করবে শত্রুর প্রতি, এতে সে ভুল করলো কিংবা সঠিকভাবে পৌঁছালো, এটি তার জন্য একটি ক্রীতদাস আযাদ করার সমতুল্য হবে। আর যে ব্যক্তি একজন মুসলমান ক্রীতদাস আযাদ করবে, তার প্রত্যেকটি অঙ্গ এর প্রত্যেক অঙ্গের পরিবর্তে জাহান্নামের আগুন হতে পরিত্রাণ পাবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় বার্ধক্যে উপনীত হবে, কিয়ামতের দিনে তা হবে তার জন্য নূর।
শুরাহবীল ইব্ন সিম্ত (রহঃ) থেকে বর্ণিত থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আমর ইব্ন আবাসা! আমাদের নিকট এমন হাদিস বর্ণনা করুন, যা আপনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শ্রবণ করেছেন, যাতে ভুল ভ্রান্তি ও ঘাটতি না হয়। তিনি বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় একটি তীর নিক্ষেপ করবে শত্রুর প্রতি, এতে সে ভুল করলো কিংবা সঠিকভাবে পৌঁছালো, এটি তার জন্য একটি ক্রীতদাস আযাদ করার সমতুল্য হবে। আর যে ব্যক্তি একজন মুসলমান ক্রীতদাস আযাদ করবে, তার প্রত্যেকটি অঙ্গ এর প্রত্যেক অঙ্গের পরিবর্তে জাহান্নামের আগুন হতে পরিত্রাণ পাবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় বার্ধক্যে উপনীত হবে, কিয়ামতের দিনে তা হবে তার জন্য নূর।
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا المعتمر، قال: سمعت خالدا يعني ابن زيد أبا عبد الرحمن الشامي، يحدث عن شرحبيل بن السمط، عن عمرو بن عبسة، - قال: قلت: يا عمرو بن عبسة، حدثنا حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس فيه نسيان ولا تنقص - قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من رمى بسهم في سبيل الله فبلغ العدو أخطأ أو أصاب، كان له كعدل رقبة، ومن أعتق رقبة مسلمة، كان فداء كل عضو منه عضوا منه من نار جهنم، ومن شاب شيبة في سبيل الله، كانت له نورا يوم القيامة»
সুনান নাসাঈ ৩১৪৬
أخبرنا عمرو بن عثمان بن سعيد، عن الوليد، عن ابن جابر، عن أبي سلام الأسود، عن خالد بن يزيد، عن عقبة بن عامر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " إن الله عز وجل يدخل ثلاثة نفر الجنة بالسهم الواحد: صانعه يحتسب في صنعه الخير، والرامي به، ومنبله "
উক্বা ইব্ন আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান মহীয়ান আল্লাহ্ তা'আলা একটি তীরের উসিলায় তিন ব্যক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। এর প্রস্তুতকারক, যে তা প্রস্তুতকালে উত্তম নিয়্যত রাখবে। যে তা নিক্ষেপ করবে এবং যে তা কাউকে তুলে দেবে (নিক্ষেপ করতে দেবে)।
উক্বা ইব্ন আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান মহীয়ান আল্লাহ্ তা'আলা একটি তীরের উসিলায় তিন ব্যক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। এর প্রস্তুতকারক, যে তা প্রস্তুতকালে উত্তম নিয়্যত রাখবে। যে তা নিক্ষেপ করবে এবং যে তা কাউকে তুলে দেবে (নিক্ষেপ করতে দেবে)।
أخبرنا عمرو بن عثمان بن سعيد، عن الوليد، عن ابن جابر، عن أبي سلام الأسود، عن خالد بن يزيد، عن عقبة بن عامر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " إن الله عز وجل يدخل ثلاثة نفر الجنة بالسهم الواحد: صانعه يحتسب في صنعه الخير، والرامي به، ومنبله "