সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় জোড়া-জোড়া দান করে---- তার ফজিলত
সুনান নাসাঈ ৩১৩৫
أخبرنا عبيد الله بن سعد بن إبراهيم، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أن حميد بن عبد الرحمن، أخبره، أن أبا هريرة، كان يحدث، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " من أنفق زوجين في سبيل الله نودي في الجنة: يا عبد الله هذا خير، فمن كان من أهل الصلاة، دعي من باب الصلاة، ومن كان من أهل الجهاد دعي من باب الجهاد، ومن كان من أهل الصدقة، دعي من باب الصدقة، ومن كان من أهل الصيام، دعي من باب الريان "، فقال أبو بكر: يا نبي الله، ما على الذي يدعى من تلك الأبواب كلها من ضرورة، هل يدعى أحد من تلك الأبواب كلها؟ قال: «نعم، وأرجو أن تكون منهم»
ইবন শিহাব (রঃ) থেকে বর্নিতঃ
হুমায়দ ইব্ন আবদুর রহমান তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করতেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় জোড়া জোড়া দান করবে, জান্নাতে তাকে ডাকা হবে, হে আবদুল্লাহ্ (আল্লাহ্র বান্দা)! এ (দরজাটি) অতি উত্তম! যে ব্যক্তি সালাত আদায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে, তাকে সালাতের দরজা দিয়ে হবে। আর যে ব্যক্তি মুজাহিদদের অন্তর্ভূক্ত হবে, তাকে জিহাদের দরজা দিয়ে ডাকা হবে। আর যে সাদাকা দানকারীদের অন্তর্ভূক্ত হবে, তাকে সাদাকার দরজা দিয়ে ডাকা হবে। আর যে সাওম পালনকারী হবে, তাকে রাইয়্যান (সাওমের দরজা) দিয়ে ডাকা হবে। আবু বকর (রাঃ) বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! যে ব্যক্তিকে একযোগে এ সকল দরজা (‘র কোন একটি) দিয়ে ডাকা হবে তার তো কোন সংকট নেই। তবে কোন ব্যক্তিকে কি এই সব দরজা দিয়ে ডাকা হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আর আমি আশা করি, তুমি তাদের মধ্যে হবে।
ইবন শিহাব (রঃ) থেকে বর্নিতঃ
হুমায়দ ইব্ন আবদুর রহমান তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করতেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় জোড়া জোড়া দান করবে, জান্নাতে তাকে ডাকা হবে, হে আবদুল্লাহ্ (আল্লাহ্র বান্দা)! এ (দরজাটি) অতি উত্তম! যে ব্যক্তি সালাত আদায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে, তাকে সালাতের দরজা দিয়ে হবে। আর যে ব্যক্তি মুজাহিদদের অন্তর্ভূক্ত হবে, তাকে জিহাদের দরজা দিয়ে ডাকা হবে। আর যে সাদাকা দানকারীদের অন্তর্ভূক্ত হবে, তাকে সাদাকার দরজা দিয়ে ডাকা হবে। আর যে সাওম পালনকারী হবে, তাকে রাইয়্যান (সাওমের দরজা) দিয়ে ডাকা হবে। আবু বকর (রাঃ) বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ্ ! যে ব্যক্তিকে একযোগে এ সকল দরজা (‘র কোন একটি) দিয়ে ডাকা হবে তার তো কোন সংকট নেই। তবে কোন ব্যক্তিকে কি এই সব দরজা দিয়ে ডাকা হবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আর আমি আশা করি, তুমি তাদের মধ্যে হবে।
أخبرنا عبيد الله بن سعد بن إبراهيم، قال: حدثنا عمي، قال: حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أن حميد بن عبد الرحمن، أخبره، أن أبا هريرة، كان يحدث، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " من أنفق زوجين في سبيل الله نودي في الجنة: يا عبد الله هذا خير، فمن كان من أهل الصلاة، دعي من باب الصلاة، ومن كان من أهل الجهاد دعي من باب الجهاد، ومن كان من أهل الصدقة، دعي من باب الصدقة، ومن كان من أهل الصيام، دعي من باب الريان "، فقال أبو بكر: يا نبي الله، ما على الذي يدعى من تلك الأبواب كلها من ضرورة، هل يدعى أحد من تلك الأبواب كلها؟ قال: «نعم، وأرجو أن تكون منهم»
সুনান নাসাঈ > যে আল্লাহ্র কলিমাকে সমুন্নত করার জন্য লড়াই করে
সুনান নাসাঈ ৩১৩৬
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا شعبة، أن عمرو بن مرة، أخبرهم قال: سمعت أبا وائل، قال: حدثنا أبو موسى الأشعري، قال: جاء أعرابي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال الرجل: يقاتل ليذكر، ويقاتل ليغنم، ويقاتل ليرى مكانه، فمن في سبيل الله؟ قال: «من قاتل لتكون كلمة الله هي العليا فهو في سبيل الله عز وجل»
আবু মূসা আশ'আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একজন বেদুঈন রাসূলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, এক ব্যক্তি যুদ্ধ করে প্রসিদ্ধি লাভের জন্য, আর এক ব্যক্তি যুদ্ধ করে গনীমতের মাল লাভের জন্য, অন্যজন যুদ্ধ করে বাহাদূরী প্রকাশের জন্য; তাহলে এদের মধ্যে আল্লাহ্র রাস্তায় কে? তিনি বললেন: যে ব্যক্তি মহান মহীয়ান আল্লাহ্র কলিমা [১] সমুন্নত করার জন্য লড়াই করে, শুধু তাই আল্লাহ্র রাস্তায়।
আবু মূসা আশ'আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একজন বেদুঈন রাসূলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, এক ব্যক্তি যুদ্ধ করে প্রসিদ্ধি লাভের জন্য, আর এক ব্যক্তি যুদ্ধ করে গনীমতের মাল লাভের জন্য, অন্যজন যুদ্ধ করে বাহাদূরী প্রকাশের জন্য; তাহলে এদের মধ্যে আল্লাহ্র রাস্তায় কে? তিনি বললেন: যে ব্যক্তি মহান মহীয়ান আল্লাহ্র কলিমা [১] সমুন্নত করার জন্য লড়াই করে, শুধু তাই আল্লাহ্র রাস্তায়।
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا شعبة، أن عمرو بن مرة، أخبرهم قال: سمعت أبا وائل، قال: حدثنا أبو موسى الأشعري، قال: جاء أعرابي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال الرجل: يقاتل ليذكر، ويقاتل ليغنم، ويقاتل ليرى مكانه، فمن في سبيل الله؟ قال: «من قاتل لتكون كلمة الله هي العليا فهو في سبيل الله عز وجل»
সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি বীর উপাধি অর্জনের জন্য যুদ্ধ করে
সুনান নাসাঈ ৩১৩৭
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا ابن جريج، قال: حدثنا يونس بن يوسف، عن سليمان بن يسار، قال: تفرق الناس عن أبي هريرة، فقال له قائل من أهل الشام: أيها الشيخ، حدثني حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: نعم، سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " أول الناس يقضى لهم يوم القيامة ثلاثة: رجل استشهد فأتي به فعرفه نعمه فعرفها، قال: فما عملت فيها؟ قال: قاتلت فيك حتى استشهدت، قال: كذبت، ولكنك قاتلت ليقال فلان جريء، فقد قيل، ثم أمر به، فسحب على وجهه حتى ألقي في النار، ورجل تعلم العلم وعلمه، وقرأ القرآن فأتي به فعرفه نعمه فعرفها، قال: فما عملت فيها؟ قال: تعلمت العلم وعلمته، وقرأت فيك القرآن، قال: كذبت، ولكنك تعلمت العلم ليقال عالم، وقرأت القرآن ليقال قارئ، فقد قيل، ثم أمر به، فسحب على وجهه حتى ألقي في النار، ورجل وسع الله عليه وأعطاه من أصناف المال كله، فأتي به فعرفه نعمه، فعرفها، فقال: ما عملت فيها؟ قال: ما تركت من سبيل تحب " قال أبو عبد الرحمن: " ولم أفهم تحب كما أردت أن ينفق فيها إلا أنفقت فيها لك، قال: كذبت ولكن ليقال إنه جواد، فقد قيل، ثم أمر به، فسحب على وجهه، فألقي في النار "
সুলায়মান ইবন্ ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
লোক আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে পৃথক হওয়ার পর সিরিয়ার (নাতিল নামক) এক ব্যক্তি তাঁকে বলল, হে শায়খ! আপনি রাসূলূল্লাহ্ (সাল্লালাহু আলাইহিস্ সাল্লাম) থেকে শুনেছেন, এমন একটি হাদিস আমার কাছে বর্ণনা করুন। তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমি রাসূলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: লোকের মধ্যে কিয়ামতের দিন প্রথম (দিকে) যাদের বিচার করা হবে, তারা হবে তিন শ্রেণির লোক। প্রথমতঃ সে ব্যক্তি যে শহীদ হয়েছে তাকে আনা হবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে তাঁর নিআমতসমুহ স্মরণ করাবেন; সে তা স্বীকার করবে। তাকে বলবেন, এসব নিআমত ভোগ করে তুমি কী আমল করেছ? সে ব্যক্তি বলবেঃ আমি তোমার সন্তুষ্টির জন্য লড়াই করে শহীদ হয়েছি। তিনি (আল্লাহ্) বলবেনঃ তুমি মিথ্যা বলছো। বরং তুমি যুদ্ধ করেছিলে এই জন্য, যেন বলা হয় অমুক ব্যক্তি বাহাদুর; তা বলা হয়েছে। তার সম্পর্কে আদেশ করা হবে, ফলে তাকে তার মুখের উপর (অধঃমুখে) হেঁচড়িয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আর এক ব্যক্তি ইল্ম শিক্ষা করেছে এবং লোকদেরকে শিক্ষা দান করেছে এবং কুরআন পাঠ করেছে। তাকে আনা হবে, তাকে তাঁর নিআমতসমুহ স্মরণ করাবেন, সে তা স্বীকার করবে। তাকে বলা হবেঃ এর জন্য তুমি কী আমল করেছ? সে বলবেঃ আমি ইল্ম শিক্ষা করেছি, অন্যকেও শিক্ষা দিয়েছি, আর তোমার সন্তুষ্টির জন্য কুরআন পাঠ করেছি। তিনি (আল্লাহ্ তা‘আলা) বলবেনঃ তুমি মিথ্যা বলছো। বরং তুমি ইল্ম শিক্ষা করেছিলে এজন্য যেন তোমাকে আলিম বলা হয়। আর কুরআন পাঠ করেছিলে, যেন তোমাকে কারী বলা হয়; তা বলা হয়েছে। এরপর তার সম্বন্ধে আদেশ করা হবে, আর তাকে মুখের উপর হেঁচড়িয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আর এক ব্যক্তি আল্লাহ্ যাকে প্রশস্ততা (সম্পদ) দান করেছিলেন এবং সর্বপ্রকার মাল দান করেছিলেন, তাকে আনা হবে। তাকে তাঁর নিআমত সম্বন্ধে অবহিত করা হবে, সে তা স্বীকার করবে। তাকে বলা হবেঃ এর জন্য তুমি কী আমল করেছ? সে বলবেঃ আমি তোমার পছন্দনীয় কোনো রাস্তাই ছাড়িনি, তোমার সন্তুষ্টির জন্য যাতে ব্যয় করিনি। তিনি (আল্লাহ্ তা‘আলা) বলবেনঃ তুমি মিথ্যা বলছো। বরং তুমি এজন্যই ব্যয় করেছ, যাতে দাতা বলা হয়। তা বলা হয়েছে। এরপর তার সম্পর্কে আদেশ করা হবে, তাকে তার মুখ নিচের দিকে করে হেঁচড়িয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
সুলায়মান ইবন্ ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
লোক আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে পৃথক হওয়ার পর সিরিয়ার (নাতিল নামক) এক ব্যক্তি তাঁকে বলল, হে শায়খ! আপনি রাসূলূল্লাহ্ (সাল্লালাহু আলাইহিস্ সাল্লাম) থেকে শুনেছেন, এমন একটি হাদিস আমার কাছে বর্ণনা করুন। তিনি বললেন: হ্যাঁ, আমি রাসূলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: লোকের মধ্যে কিয়ামতের দিন প্রথম (দিকে) যাদের বিচার করা হবে, তারা হবে তিন শ্রেণির লোক। প্রথমতঃ সে ব্যক্তি যে শহীদ হয়েছে তাকে আনা হবে, আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে তাঁর নিআমতসমুহ স্মরণ করাবেন; সে তা স্বীকার করবে। তাকে বলবেন, এসব নিআমত ভোগ করে তুমি কী আমল করেছ? সে ব্যক্তি বলবেঃ আমি তোমার সন্তুষ্টির জন্য লড়াই করে শহীদ হয়েছি। তিনি (আল্লাহ্) বলবেনঃ তুমি মিথ্যা বলছো। বরং তুমি যুদ্ধ করেছিলে এই জন্য, যেন বলা হয় অমুক ব্যক্তি বাহাদুর; তা বলা হয়েছে। তার সম্পর্কে আদেশ করা হবে, ফলে তাকে তার মুখের উপর (অধঃমুখে) হেঁচড়িয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আর এক ব্যক্তি ইল্ম শিক্ষা করেছে এবং লোকদেরকে শিক্ষা দান করেছে এবং কুরআন পাঠ করেছে। তাকে আনা হবে, তাকে তাঁর নিআমতসমুহ স্মরণ করাবেন, সে তা স্বীকার করবে। তাকে বলা হবেঃ এর জন্য তুমি কী আমল করেছ? সে বলবেঃ আমি ইল্ম শিক্ষা করেছি, অন্যকেও শিক্ষা দিয়েছি, আর তোমার সন্তুষ্টির জন্য কুরআন পাঠ করেছি। তিনি (আল্লাহ্ তা‘আলা) বলবেনঃ তুমি মিথ্যা বলছো। বরং তুমি ইল্ম শিক্ষা করেছিলে এজন্য যেন তোমাকে আলিম বলা হয়। আর কুরআন পাঠ করেছিলে, যেন তোমাকে কারী বলা হয়; তা বলা হয়েছে। এরপর তার সম্বন্ধে আদেশ করা হবে, আর তাকে মুখের উপর হেঁচড়িয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আর এক ব্যক্তি আল্লাহ্ যাকে প্রশস্ততা (সম্পদ) দান করেছিলেন এবং সর্বপ্রকার মাল দান করেছিলেন, তাকে আনা হবে। তাকে তাঁর নিআমত সম্বন্ধে অবহিত করা হবে, সে তা স্বীকার করবে। তাকে বলা হবেঃ এর জন্য তুমি কী আমল করেছ? সে বলবেঃ আমি তোমার পছন্দনীয় কোনো রাস্তাই ছাড়িনি, তোমার সন্তুষ্টির জন্য যাতে ব্যয় করিনি। তিনি (আল্লাহ্ তা‘আলা) বলবেনঃ তুমি মিথ্যা বলছো। বরং তুমি এজন্যই ব্যয় করেছ, যাতে দাতা বলা হয়। তা বলা হয়েছে। এরপর তার সম্পর্কে আদেশ করা হবে, তাকে তার মুখ নিচের দিকে করে হেঁচড়িয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا ابن جريج، قال: حدثنا يونس بن يوسف، عن سليمان بن يسار، قال: تفرق الناس عن أبي هريرة، فقال له قائل من أهل الشام: أيها الشيخ، حدثني حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: نعم، سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " أول الناس يقضى لهم يوم القيامة ثلاثة: رجل استشهد فأتي به فعرفه نعمه فعرفها، قال: فما عملت فيها؟ قال: قاتلت فيك حتى استشهدت، قال: كذبت، ولكنك قاتلت ليقال فلان جريء، فقد قيل، ثم أمر به، فسحب على وجهه حتى ألقي في النار، ورجل تعلم العلم وعلمه، وقرأ القرآن فأتي به فعرفه نعمه فعرفها، قال: فما عملت فيها؟ قال: تعلمت العلم وعلمته، وقرأت فيك القرآن، قال: كذبت، ولكنك تعلمت العلم ليقال عالم، وقرأت القرآن ليقال قارئ، فقد قيل، ثم أمر به، فسحب على وجهه حتى ألقي في النار، ورجل وسع الله عليه وأعطاه من أصناف المال كله، فأتي به فعرفه نعمه، فعرفها، فقال: ما عملت فيها؟ قال: ما تركت من سبيل تحب " قال أبو عبد الرحمن: " ولم أفهم تحب كما أردت أن ينفق فيها إلا أنفقت فيها لك، قال: كذبت ولكن ليقال إنه جواد، فقد قيل، ثم أمر به، فسحب على وجهه، فألقي في النار "
সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি আল্লাহ্র পথে যুদ্ধ করে এবং সে (উটের) রশি ব্যতীত আর কিছুর নিয়্যত না করে
সুনান নাসাঈ ৩১৩৮
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا عبد الرحمن، قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن جبلة بن عطية، عن يحيى بن الوليد بن عبادة بن الصامت، عن جده، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من غزا في سبيل الله ولم ينو إلا عقالا فله ما نوى»
ইয়াহইয়া ইব্ন ওয়ালীদ ইব্ন উবাদা ইবন্ সামিত (রাঃ) তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন থেকে বর্নিতঃ
রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় যুদ্ধ করলো এবং (উটের) রশি (সামান্য গনীমত) ব্যতীত আর কিছুর নিয়্যত করল না; সে যা নিয়্যত করলো, তাই তার প্রাপ্য হবে।
ইয়াহইয়া ইব্ন ওয়ালীদ ইব্ন উবাদা ইবন্ সামিত (রাঃ) তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন থেকে বর্নিতঃ
রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় যুদ্ধ করলো এবং (উটের) রশি (সামান্য গনীমত) ব্যতীত আর কিছুর নিয়্যত করল না; সে যা নিয়্যত করলো, তাই তার প্রাপ্য হবে।
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا عبد الرحمن، قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن جبلة بن عطية، عن يحيى بن الوليد بن عبادة بن الصامت، عن جده، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من غزا في سبيل الله ولم ينو إلا عقالا فله ما نوى»
সুনান নাসাঈ ৩১৩৯
أخبرني هارون بن عبد الله، قال: حدثنا يزيد بن هارون، قال: أنبأنا حماد بن سلمة، عن جبلة بن عطية، عن يحيى بن الوليد، عن عبادة بن الصامت، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من غزا وهو لا يريد إلا عقالا فله ما نوى»
ইয়াহইয়া ইব্ন ওয়ালীদ ইব্ন উবাদা ইবন্ সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় যুদ্ধ করলো এবং (উটের) রশি ছাড়া তার আর কিছুর নিয়্যত করল না; সে যা নিয়্যত করলো, তাই তার প্রাপ্য হবে।
ইয়াহইয়া ইব্ন ওয়ালীদ ইব্ন উবাদা ইবন্ সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্র রাস্তায় যুদ্ধ করলো এবং (উটের) রশি ছাড়া তার আর কিছুর নিয়্যত করল না; সে যা নিয়্যত করলো, তাই তার প্রাপ্য হবে।
أخبرني هارون بن عبد الله، قال: حدثنا يزيد بن هارون، قال: أنبأنا حماد بن سلمة، عن جبلة بن عطية، عن يحيى بن الوليد، عن عبادة بن الصامت، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من غزا وهو لا يريد إلا عقالا فله ما نوى»