সুনান নাসাঈ > মুয্দালিফায় যে ব্যক্তি ফজরের সালাত ইমামের সঙ্গে আদায় করতে পারেনি
সুনান নাসাঈ ৩০৩৯
أخبرنا سعيد بن عبد الرحمن، قال: حدثنا سفيان، عن إسمعيل، وداود، وزكريا، عن الشعبي، عن عروة بن مضرس، قال: رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم واقفا بالمزدلفة، فقال: «من صلى معنا صلاتنا هذه ها هنا، ثم أقام معنا وقد وقف قبل ذلك بعرفة ليلا أو نهارا، فقد تم حجه»
উরওয়া ইবন মুদাররিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে মুয্দালিফায় অবস্থানরত অবস্থায় দেখেছি। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি এখানে আমাদের সঙ্গে এই সালাত আদায় করেছে, আমাদের সঙ্গে এখানে অবস্থান করেছে এবং এর আগের দিনে অথবা রাতে আরাফায় অবস্থান করেছে তার হজ্জ পূর্ণ হয়েছে।
উরওয়া ইবন মুদাররিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে মুয্দালিফায় অবস্থানরত অবস্থায় দেখেছি। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি এখানে আমাদের সঙ্গে এই সালাত আদায় করেছে, আমাদের সঙ্গে এখানে অবস্থান করেছে এবং এর আগের দিনে অথবা রাতে আরাফায় অবস্থান করেছে তার হজ্জ পূর্ণ হয়েছে।
أخبرنا سعيد بن عبد الرحمن، قال: حدثنا سفيان، عن إسمعيل، وداود، وزكريا، عن الشعبي، عن عروة بن مضرس، قال: رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم واقفا بالمزدلفة، فقال: «من صلى معنا صلاتنا هذه ها هنا، ثم أقام معنا وقد وقف قبل ذلك بعرفة ليلا أو نهارا، فقد تم حجه»
সুনান নাসাঈ ৩০৪০
أخبرنا محمد بن قدامة، قال: حدثني جرير، عن مطرف، عن الشعبي، عن عروة بن مضرس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من أدرك جمعا مع الإمام والناس حتى يفيض منها، فقد أدرك الحج، ومن لم يدرك مع الناس والإمام، فلم يدرك»
উরওয়া ইবন মুদাররিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইমাম এবং অন্যান্য লোকের সঙ্গে মুয্দালিফায় অবস্থান করেছেন এবং পরে সেখান থেকে (মিনায়) প্রত্যাবর্তন করেছে, সে হজ্জ পেয়েছে। আর যে ব্যক্তি ইমাম এবং লোকের সঙ্গে মুয্দালিফায় অবস্থান করেনি, সে হজ্জ পায় নি।১
উরওয়া ইবন মুদাররিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ইমাম এবং অন্যান্য লোকের সঙ্গে মুয্দালিফায় অবস্থান করেছেন এবং পরে সেখান থেকে (মিনায়) প্রত্যাবর্তন করেছে, সে হজ্জ পেয়েছে। আর যে ব্যক্তি ইমাম এবং লোকের সঙ্গে মুয্দালিফায় অবস্থান করেনি, সে হজ্জ পায় নি।১
أخبرنا محمد بن قدامة، قال: حدثني جرير، عن مطرف، عن الشعبي، عن عروة بن مضرس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من أدرك جمعا مع الإمام والناس حتى يفيض منها، فقد أدرك الحج، ومن لم يدرك مع الناس والإمام، فلم يدرك»
সুনান নাসাঈ ৩০৪১
أخبرنا علي بن الحسين، قال: حدثنا أمية، عن شعبة، عن سيار، عن الشعبي، عن عروة بن مضرس، قال: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم بجمع، فقلت: يا رسول الله، إني أقبلت من جبلي طيئ لم أدع حبلا إلا وقفت عليه، فهل لي من حج؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من صلى هذه الصلاة معنا، وقد وقف قبل ذلك بعرفة ليلا أو نهارا، فقد تم حجه، وقضى تفثه»
উরওয়া ইবন মুদাররিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি মুযদালিফায় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি তায় গোত্রের পাহাড়দ্বয় হতে আগমন করেছি, আর আমি কোন পাহাড়ে অবস্থান বাদ দেইনি; এমতাবস্থায় আমার কি হজ্জ আদায় হয়েছে? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের সঙ্গে এই সালাত আদায় করেছে আর এর পূর্বে আরাফায় অবস্থান করেছে- দিনে (হোক) অথবা রাতে, তার হজ্জ পূর্ণ হয়েছে এবং সে তার ‘ময়লা’ বিদুরীত করেছে (ইহ্-রাম শেষ করেছে)। (এখন সে ইহরামে নিষিদ্ধ কার্যাদি চুল কাটা, নখ কাটা ইত্যাদি করতে পারবে।)
উরওয়া ইবন মুদাররিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি মুযদালিফায় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি তায় গোত্রের পাহাড়দ্বয় হতে আগমন করেছি, আর আমি কোন পাহাড়ে অবস্থান বাদ দেইনি; এমতাবস্থায় আমার কি হজ্জ আদায় হয়েছে? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের সঙ্গে এই সালাত আদায় করেছে আর এর পূর্বে আরাফায় অবস্থান করেছে- দিনে (হোক) অথবা রাতে, তার হজ্জ পূর্ণ হয়েছে এবং সে তার ‘ময়লা’ বিদুরীত করেছে (ইহ্-রাম শেষ করেছে)। (এখন সে ইহরামে নিষিদ্ধ কার্যাদি চুল কাটা, নখ কাটা ইত্যাদি করতে পারবে।)
أخبرنا علي بن الحسين، قال: حدثنا أمية، عن شعبة، عن سيار، عن الشعبي، عن عروة بن مضرس، قال: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم بجمع، فقلت: يا رسول الله، إني أقبلت من جبلي طيئ لم أدع حبلا إلا وقفت عليه، فهل لي من حج؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من صلى هذه الصلاة معنا، وقد وقف قبل ذلك بعرفة ليلا أو نهارا، فقد تم حجه، وقضى تفثه»
সুনান নাসাঈ ৩০৪২
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، عن شعبة، عن عبد الله بن أبي السفر، قال: سمعت الشعبي، يقول: حدثني عروة بن مضرس بن أوس بن حارثة بن لأم، قال: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم بجمع، فقلت: هل لي من حج؟ فقال: «من صلى هذه الصلاة معنا، ووقف هذا الموقف حتى يفيض، وأفاض قبل ذلك من عرفات ليلا أو نهارا، فقد تم حجه، وقضى تفثه»
উরওয়া ইবন মুদাররিস ইবন আউস ইবন হারিসা ইবন লাম (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
আমি মুয্দালিফায় রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞাসা করলামঃ আমার কি হজ্জ আদায় হয়েছে? তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের সঙ্গে এই সালাত আদায় করেছে এবং এস্থানে অবস্থান করেছে, এর পূর্বে আরাফা হতে প্রত্যাবর্তন করেছে -রাতে অথবা দিনে, তার হজ্জ আদায় হয়েছে এবং সে তার ‘ময়লা’ বিদুরীত করেছে (ইহরামের দায়িত্ব পূর্ণ করেছে)। (এখন হালাল হওয়ার জন্য যা করণীয়, তা পূর্ণ করবে।)
উরওয়া ইবন মুদাররিস ইবন আউস ইবন হারিসা ইবন লাম (রাঃ থেকে বর্নিতঃ
আমি মুয্দালিফায় রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞাসা করলামঃ আমার কি হজ্জ আদায় হয়েছে? তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের সঙ্গে এই সালাত আদায় করেছে এবং এস্থানে অবস্থান করেছে, এর পূর্বে আরাফা হতে প্রত্যাবর্তন করেছে -রাতে অথবা দিনে, তার হজ্জ আদায় হয়েছে এবং সে তার ‘ময়লা’ বিদুরীত করেছে (ইহরামের দায়িত্ব পূর্ণ করেছে)। (এখন হালাল হওয়ার জন্য যা করণীয়, তা পূর্ণ করবে।)
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، عن شعبة، عن عبد الله بن أبي السفر، قال: سمعت الشعبي، يقول: حدثني عروة بن مضرس بن أوس بن حارثة بن لأم، قال: أتيت النبي صلى الله عليه وسلم بجمع، فقلت: هل لي من حج؟ فقال: «من صلى هذه الصلاة معنا، ووقف هذا الموقف حتى يفيض، وأفاض قبل ذلك من عرفات ليلا أو نهارا، فقد تم حجه، وقضى تفثه»
সুনান নাসাঈ ৩০৪৪
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا سفيان، قال: حدثني بكير بن عطاء، قال: سمعت عبد الرحمن بن يعمر الديلي، قال: شهدت النبي صلى الله عليه وسلم بعرفة وأتاه ناس من نجد، فأمروا رجلا، فسأله عن الحج، فقال: «الحج عرفة، من جاء ليلة جمع قبل صلاة الصبح فقد أدرك حجه، أيام منى ثلاثة أيام، من تعجل في يومين فلا إثم عليه، ومن تأخر فلا إثم عليه»، ثم أردف رجلا فجعل ينادي بها في الناس
বুকায়র ইবন আতা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবদুর রহমান ইবন ইয়া’মার দীলী (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ আমি আরাফায় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে দেখেছি, তাঁর কাছে নাজদ হতে কতিপয় লোক এসে তাদের একজনকে তারা প্রতিনিধি নিযুক্ত করে, সে তাঁকে হজ্জ সম্বন্ধে প্রশ্ন করলে, তিনি বলেনঃ হজ্জ হলো আরাফায় অবস্থান। যে ব্যক্তি মুযদালিফায় রাতে ভোরের সালাতের পূর্বে সেখানে আগমন করলো, সে তার হজ্জ পেল। মিনার দিন হচ্ছে (তিন দিন) যে ব্যক্তি দুই দিনের পর তাড়াতাড়ি চলে যায়, তার কেন পাপ নেই। আর যে ব্যক্তি দেরি করে তারও কোন পাপ নেই। তারপর তিনি একজন লোককে তাঁর পশ্চাতে আরোহণ করান, যিনি এ কথাগুলো লোকের মধ্যে প্রচার করছিলেন।
বুকায়র ইবন আতা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আবদুর রহমান ইবন ইয়া’মার দীলী (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ আমি আরাফায় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে দেখেছি, তাঁর কাছে নাজদ হতে কতিপয় লোক এসে তাদের একজনকে তারা প্রতিনিধি নিযুক্ত করে, সে তাঁকে হজ্জ সম্বন্ধে প্রশ্ন করলে, তিনি বলেনঃ হজ্জ হলো আরাফায় অবস্থান। যে ব্যক্তি মুযদালিফায় রাতে ভোরের সালাতের পূর্বে সেখানে আগমন করলো, সে তার হজ্জ পেল। মিনার দিন হচ্ছে (তিন দিন) যে ব্যক্তি দুই দিনের পর তাড়াতাড়ি চলে যায়, তার কেন পাপ নেই। আর যে ব্যক্তি দেরি করে তারও কোন পাপ নেই। তারপর তিনি একজন লোককে তাঁর পশ্চাতে আরোহণ করান, যিনি এ কথাগুলো লোকের মধ্যে প্রচার করছিলেন।
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا سفيان، قال: حدثني بكير بن عطاء، قال: سمعت عبد الرحمن بن يعمر الديلي، قال: شهدت النبي صلى الله عليه وسلم بعرفة وأتاه ناس من نجد، فأمروا رجلا، فسأله عن الحج، فقال: «الحج عرفة، من جاء ليلة جمع قبل صلاة الصبح فقد أدرك حجه، أيام منى ثلاثة أيام، من تعجل في يومين فلا إثم عليه، ومن تأخر فلا إثم عليه»، ثم أردف رجلا فجعل ينادي بها في الناس
সুনান নাসাঈ ৩০৪৩
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، عن إسمعيل، قال: أخبرني عامر، قال: أخبرني عروة بن مضرس الطائي، قال: أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقلت: أتيتك من جبلي طيئ، أكللت مطيتي، وأتعبت نفسي، ما بقي من حبل إلا وقفت عليه، فهل لي من حج؟ فقال: «من صلى صلاة الغداة ها هنا معنا، وقد أتى عرفة قبل ذلك، فقد قضى تفثه، وتم حجه»
উরওয়া ইবন মুদাররিস তায়ী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করলামঃ আমি তায়-এর পাহাড়দ্বয় হতে আপনার খিদমতে হাযির হয়েছি। আমার সওয়ারীকে খেয়ে ফেলেছি (ক্লান্ত করেছি) এবং নিজেও অনেক কষ্ট স্বীকার করেছি। এমন কোন পাহাড় নেই যার উপর আমি অবস্থান করিনি, আমার কি হজ্জ আদায় হয়েছে? তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি এখানে আমাদের সঙ্গে ভোরের সালাত আদায় করেছে, আর এর পূর্বে আরাফায় আগমন করেছে -সে ‘ময়লা’ বিদুরীত করেছে (ইহ্-রামের কাজ সমাপ্ত করে চুল, গোঁফ, নখ ইত্যাদি কর্তন করার পর্যায়ে পৌঁছেছে) এবং সে তার হজ্জ পূর্ণ করেছে।
উরওয়া ইবন মুদাররিস তায়ী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করলামঃ আমি তায়-এর পাহাড়দ্বয় হতে আপনার খিদমতে হাযির হয়েছি। আমার সওয়ারীকে খেয়ে ফেলেছি (ক্লান্ত করেছি) এবং নিজেও অনেক কষ্ট স্বীকার করেছি। এমন কোন পাহাড় নেই যার উপর আমি অবস্থান করিনি, আমার কি হজ্জ আদায় হয়েছে? তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি এখানে আমাদের সঙ্গে ভোরের সালাত আদায় করেছে, আর এর পূর্বে আরাফায় আগমন করেছে -সে ‘ময়লা’ বিদুরীত করেছে (ইহ্-রামের কাজ সমাপ্ত করে চুল, গোঁফ, নখ ইত্যাদি কর্তন করার পর্যায়ে পৌঁছেছে) এবং সে তার হজ্জ পূর্ণ করেছে।
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، عن إسمعيل، قال: أخبرني عامر، قال: أخبرني عروة بن مضرس الطائي، قال: أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقلت: أتيتك من جبلي طيئ، أكللت مطيتي، وأتعبت نفسي، ما بقي من حبل إلا وقفت عليه، فهل لي من حج؟ فقال: «من صلى صلاة الغداة ها هنا معنا، وقد أتى عرفة قبل ذلك، فقد قضى تفثه، وتم حجه»
সুনান নাসাঈ ৩০৪৫
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، قال: حدثنا جعفر بن محمد، قال: حدثني أبي، قال: أتينا جابر بن عبد الله، فحدثنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «المزدلفة كلها موقف»
জা’ফর ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমার পিতা বর্ণনা করেছেন যে, আমরা জাবির ইবন আবদুল্রাহ্ (রাঃ)-এর কাছে আগমন করলাম, তিনি আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করলেন, রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুযদালিফার সমস্ত স্থানই মওকিফ বা অবস্থানের স্থান।
জা’ফর ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমার পিতা বর্ণনা করেছেন যে, আমরা জাবির ইবন আবদুল্রাহ্ (রাঃ)-এর কাছে আগমন করলাম, তিনি আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা করলেন, রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুযদালিফার সমস্ত স্থানই মওকিফ বা অবস্থানের স্থান।
أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، قال: حدثنا جعفر بن محمد، قال: حدثني أبي، قال: أتينا جابر بن عبد الله، فحدثنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «المزدلفة كلها موقف»
সুনান নাসাঈ > মুযদালিফায় তালবিয়া পাঠ করা
সুনান নাসাঈ ৩০৪৬
أخبرنا هناد بن السري، في حديثه عن أبي الأحوص، عن حصين، عن كثير وهو ابن مدرك، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال: قال ابن مسعود، ونحن بجمع: سمعت الذي أنزلت عليه سورة البقرة يقول في هذا المكان: «لبيك اللهم لبيك»
আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা মুযদালিফায় ছিলাম। যাঁর উপর সূরা বাকারা নাযিল হয়েছে, তাঁকে এ স্থানে (আরবি) (তালবিয়া) বলতে শুনেছি।
আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা মুযদালিফায় ছিলাম। যাঁর উপর সূরা বাকারা নাযিল হয়েছে, তাঁকে এ স্থানে (আরবি) (তালবিয়া) বলতে শুনেছি।
أخبرنا هناد بن السري، في حديثه عن أبي الأحوص، عن حصين، عن كثير وهو ابن مدرك، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال: قال ابن مسعود، ونحن بجمع: سمعت الذي أنزلت عليه سورة البقرة يقول في هذا المكان: «لبيك اللهم لبيك»
সুনান নাসাঈ > মুযদালিফা হতে প্রস্থানের সময়
সুনান নাসাঈ ৩০৪৭
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا شعبة، عن أبي إسحق، عن عمرو بن ميمون، قال: سمعته يقول: شهدت عمر، بجمع، فقال: إن أهل الجاهلية كانوا لا يفيضون حتى تطلع الشمس، ويقولون: أشرق ثبير «وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم، خالفهم، ثم أفاض قبل أن تطلع الشمس»
আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আমর ইবন মায়মূন (রহঃ) -কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ আমি মুযদালিফায় উমর (রাঃ)-এর কাছে হাযির হলাম। তিনি বললেনঃ জাহিলী যুগে তারা সূর্যোদয়ের পূর্বে মুযদালিফা হতে প্রস্থান করতো না। তারা বলতোঃ “হে সাবির! উদয় (উজ্জ্বল) হও! (সাবির পাহাড়ে সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর।) আর রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বিরোধিতা করে সূর্যোদয়ের পূর্বেই মুযদালিফা থেকে প্রস্থান করেন।
আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আমর ইবন মায়মূন (রহঃ) -কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ আমি মুযদালিফায় উমর (রাঃ)-এর কাছে হাযির হলাম। তিনি বললেনঃ জাহিলী যুগে তারা সূর্যোদয়ের পূর্বে মুযদালিফা হতে প্রস্থান করতো না। তারা বলতোঃ “হে সাবির! উদয় (উজ্জ্বল) হও! (সাবির পাহাড়ে সূর্য উদিত হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর।) আর রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বিরোধিতা করে সূর্যোদয়ের পূর্বেই মুযদালিফা থেকে প্রস্থান করেন।
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا شعبة، عن أبي إسحق، عن عمرو بن ميمون، قال: سمعته يقول: شهدت عمر، بجمع، فقال: إن أهل الجاهلية كانوا لا يفيضون حتى تطلع الشمس، ويقولون: أشرق ثبير «وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم، خالفهم، ثم أفاض قبل أن تطلع الشمس»
সুনান নাসাঈ > দূর্বলদের জন্য কুরবানীর দিন ফজরের সালাত মিনায় আদায় করার অনুমতি
সুনান নাসাঈ ৩০৪৮
أخبرني محمد بن عبد الله بن عبد الحكم، عن أشهب، أن داود بن عبد الرحمن، حدثهم أن عمرو بن دينار، حدثه، أن عطاء بن أبي رباح حدثهم أنه سمع ابن عباس، يقول: «أرسلني رسول الله صلى الله عليه وسلم في ضعفة أهله، فصلينا الصبح بمنى، ورمينا الجمرة»
আতা ইবন আবূ রাবাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর পরিবারের দূর্বলদের সঙ্গে প্রেরণ করেন। আমরা ফজরের সালাত মিনায় আদায় করি, এবং জামরায় কংকর নিক্ষেপ করি।
আতা ইবন আবূ রাবাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর পরিবারের দূর্বলদের সঙ্গে প্রেরণ করেন। আমরা ফজরের সালাত মিনায় আদায় করি, এবং জামরায় কংকর নিক্ষেপ করি।
أخبرني محمد بن عبد الله بن عبد الحكم، عن أشهب، أن داود بن عبد الرحمن، حدثهم أن عمرو بن دينار، حدثه، أن عطاء بن أبي رباح حدثهم أنه سمع ابن عباس، يقول: «أرسلني رسول الله صلى الله عليه وسلم في ضعفة أهله، فصلينا الصبح بمنى، ورمينا الجمرة»
সুনান নাসাঈ ৩০৫০
أخبرنا محمد بن سلمة، قال: أنبأنا ابن القاسم، قال: حدثني مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عطاء بن أبي رباح، أن مولى لأسماء بنت أبي بكر، أخبره قال: جئت مع أسماء بنت أبي بكر، منى بغلس، فقلت لها: لقد جئنا منى بغلس، فقالت: «قد كنا نصنع هذا مع من هو خير منك»
আতা ইবন আবূ রাবাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আসমা বিনত আবূ বকর (রাঃ)-এর এক আযাতকৃত গোলাম তাঁর কাছে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন যে, আমি আসমা বিনত আবূ বকর (রাঃ)-এর সঙ্গে মিনায় (ভোর রাতের) অন্ধকারে গমন করলাম। আমি তাঁকে বললামঃ আমরা যে মিনায় অন্ধকারে এসে গেলাম। তিনি বললেনঃ আমরা এরূপ করতাম ঐ ব্যক্তির সঙ্গে, যিনি তোমার চাইতে উত্তম ছিলেন।
আতা ইবন আবূ রাবাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আসমা বিনত আবূ বকর (রাঃ)-এর এক আযাতকৃত গোলাম তাঁর কাছে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন যে, আমি আসমা বিনত আবূ বকর (রাঃ)-এর সঙ্গে মিনায় (ভোর রাতের) অন্ধকারে গমন করলাম। আমি তাঁকে বললামঃ আমরা যে মিনায় অন্ধকারে এসে গেলাম। তিনি বললেনঃ আমরা এরূপ করতাম ঐ ব্যক্তির সঙ্গে, যিনি তোমার চাইতে উত্তম ছিলেন।
أخبرنا محمد بن سلمة، قال: أنبأنا ابن القاسم، قال: حدثني مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عطاء بن أبي رباح، أن مولى لأسماء بنت أبي بكر، أخبره قال: جئت مع أسماء بنت أبي بكر، منى بغلس، فقلت لها: لقد جئنا منى بغلس، فقالت: «قد كنا نصنع هذا مع من هو خير منك»
সুনান নাসাঈ ৩০৫১
أخبرنا محمد بن سلمة، قال: حدثنا عبد الرحمن بن القاسم، قال: حدثني مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، قال: سئل أسامة بن زيد، وأنا جالس معه، كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسير في حجة الوداع حين دفع؟ قال: «كان يسير ناقته، فإذا وجد فجوة نص»
উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি উসামা ইবন যায়দের সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম, তখন তাঁকে প্রশ্ন করা হলো যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হজ্জে মুযদালিফা থেকে ফেরার সময় কিরূপে পথ চলতেন? তিনি বলেনঃ তিনি তাঁর উটনী স্বাভাবিকভাবে চালাতেন, যখন কোন উন্মুক্ত স্থানে উপনীত হন, তখন সওয়ারী দ্রুত চালাতেন।
উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি উসামা ইবন যায়দের সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম, তখন তাঁকে প্রশ্ন করা হলো যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হজ্জে মুযদালিফা থেকে ফেরার সময় কিরূপে পথ চলতেন? তিনি বলেনঃ তিনি তাঁর উটনী স্বাভাবিকভাবে চালাতেন, যখন কোন উন্মুক্ত স্থানে উপনীত হন, তখন সওয়ারী দ্রুত চালাতেন।
أخبرنا محمد بن سلمة، قال: حدثنا عبد الرحمن بن القاسم، قال: حدثني مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، قال: سئل أسامة بن زيد، وأنا جالس معه، كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسير في حجة الوداع حين دفع؟ قال: «كان يسير ناقته، فإذا وجد فجوة نص»
সুনান নাসাঈ ৩০৪৯
أخبرنا محمد بن آدم بن سليمان، قال: حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، عن عبيد الله، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن أم المؤمنين عائشة، قالت: «وددت أني استأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم كما استأذنته سودة، فصليت الفجر بمنى قبل أن يأتي الناس، وكانت سودة امرأة ثقيلة ثبطة، فاستأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأذن لها، فصلت الفجر بمنى، ورمت قبل أن يأتي الناس»
উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমার বাসনা হয় যে, সাওদা (রাঃ) যেরূপ রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে অনুমতি চেয়ে নিয়েছিলেন, আমিও যদি সেরূপ তাঁর কাছ থেকে অনুমতি চেয়ে নিতাম এবং ফজরের সালাত মিনায় লোকের আগমনের পূর্বে আদায় করতাম। সাওদা (রাঃ) ছিলেন মোটা মানুষ এবং ধীরগতি সম্পন্না। তিনি রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে অনুমতি প্রার্থনা করলে তিনি তাঁকে অনুমতি দেন। তিনি ফজরের সালাত মিনায় আদায় করেন এবং লোকের আগমনের পূর্বেই কংকর মারেন।
উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমার বাসনা হয় যে, সাওদা (রাঃ) যেরূপ রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে অনুমতি চেয়ে নিয়েছিলেন, আমিও যদি সেরূপ তাঁর কাছ থেকে অনুমতি চেয়ে নিতাম এবং ফজরের সালাত মিনায় লোকের আগমনের পূর্বে আদায় করতাম। সাওদা (রাঃ) ছিলেন মোটা মানুষ এবং ধীরগতি সম্পন্না। তিনি রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে অনুমতি প্রার্থনা করলে তিনি তাঁকে অনুমতি দেন। তিনি ফজরের সালাত মিনায় আদায় করেন এবং লোকের আগমনের পূর্বেই কংকর মারেন।
أخبرنا محمد بن آدم بن سليمان، قال: حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، عن عبيد الله، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن أم المؤمنين عائشة، قالت: «وددت أني استأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم كما استأذنته سودة، فصليت الفجر بمنى قبل أن يأتي الناس، وكانت سودة امرأة ثقيلة ثبطة، فاستأذنت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأذن لها، فصلت الفجر بمنى، ورمت قبل أن يأتي الناس»
সুনান নাসাঈ ৩০৫২
أخبرنا عبيد الله بن سعيد، قال: حدثنا يحيى، عن ابن جريج، قال: أخبرني أبو الزبير، عن أبي معبد، عن عبد الله بن عباس، عن الفضل بن عباس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم للناس حين دفعوا عشية عرفة وغداة جمع: «عليكم بالسكينة» وهو كاف ناقته، حتى إذا دخل منى فهبط، حين هبط محسرا، قال: «عليكم بحصى الخذف الذي يرمى به الجمرة» وقال: قال النبي صلى الله عليه وسلم يشير بيده كما يخذف الإنسان
ফযল ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের উদ্দেশ্যে বললেন, যখন তাঁরা সন্ধ্যায় আরাফা ত্যাগ করছিলেন আর মুযদালিফায় ভোরে, তোমরা ধীরস্থির ভাবে পথ অতিক্রম করবে আর তখন তিনি তাঁর উটনীর লাগাম ধরে রেখেছিলেন। তারপর যখন তিনি মিনায় প্রবেশ করলেন, অবতরণ করলেন। যখন তিনি মুহাসসার নামক স্থানে অবতরণ করলেন, তখন বললেনঃ তোমরা আংগুলে ছোঁড়ার কংকর সঙ্গে নাও, যা জামরায় মারতে হবে। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাতে ইঙ্গিত করে বললেনঃ যেরূপ কংকর মানুষ সাধারণত মেরে থাকে।
ফযল ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্রাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের উদ্দেশ্যে বললেন, যখন তাঁরা সন্ধ্যায় আরাফা ত্যাগ করছিলেন আর মুযদালিফায় ভোরে, তোমরা ধীরস্থির ভাবে পথ অতিক্রম করবে আর তখন তিনি তাঁর উটনীর লাগাম ধরে রেখেছিলেন। তারপর যখন তিনি মিনায় প্রবেশ করলেন, অবতরণ করলেন। যখন তিনি মুহাসসার নামক স্থানে অবতরণ করলেন, তখন বললেনঃ তোমরা আংগুলে ছোঁড়ার কংকর সঙ্গে নাও, যা জামরায় মারতে হবে। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাতে ইঙ্গিত করে বললেনঃ যেরূপ কংকর মানুষ সাধারণত মেরে থাকে।
أخبرنا عبيد الله بن سعيد، قال: حدثنا يحيى، عن ابن جريج، قال: أخبرني أبو الزبير، عن أبي معبد، عن عبد الله بن عباس، عن الفضل بن عباس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم للناس حين دفعوا عشية عرفة وغداة جمع: «عليكم بالسكينة» وهو كاف ناقته، حتى إذا دخل منى فهبط، حين هبط محسرا، قال: «عليكم بحصى الخذف الذي يرمى به الجمرة» وقال: قال النبي صلى الله عليه وسلم يشير بيده كما يخذف الإنسان