সুনান নাসাঈ > ইয়াওমুত্‌ তারবিয়া১ - এর আগে খুতবা

সুনান নাসাঈ ২৯৯৩

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: قرأت على أبي قرة موسى بن طارق، عن ابن جريج، قال: حدثني عبد الله بن عثمان بن خثيم، عن أبي الزبير، عن جابر " أن النبي صلى الله عليه وسلم، حين رجع من عمرة الجعرانة بعث أبا بكر على الحج فأقبلنا معه، حتى إذا كان بالعرج ثوب بالصبح، ثم استوى ليكبر فسمع الرغوة خلف ظهره، فوقف على التكبير، فقال: هذه رغوة ناقة رسول الله صلى الله عليه وسلم الجدعاء، لقد بدا لرسول الله صلى الله عليه وسلم في الحج فلعله أن يكون رسول الله صلى الله عليه وسلم فنصلي معه، فإذا علي عليها، فقال له أبو بكر: أمير أم رسول؟ قال: لا بل رسول، أرسلني رسول الله صلى الله عليه وسلم ببراءة أقرؤها على الناس في مواقف الحج، فقدمنا مكة فلما كان قبل التروية بيوم، قام أبو بكر رضي الله عنه فخطب الناس فحدثهم عن مناسكهم حتى إذا فرغ قام علي رضي الله عنه فقرأ على الناس براءة حتى ختمها، ثم خرجنا معه حتى إذا كان يوم عرفة قام أبو بكر فخطب الناس فحدثهم عن مناسكهم، حتى إذا فرغ قام علي فقرأ على الناس براءة حتى ختمها، ثم كان يوم النحر فأفضنا، فلما رجع أبو بكر خطب الناس فحدثهم عن إفاضتهم، وعن نحرهم، وعن مناسكهم، فلما فرغ قام علي فقرأ على الناس براءة حتى ختمها، فلما كان يوم النفر الأول، قام أبو بكر فخطب الناس فحدثهم كيف ينفرون، وكيف يرمون، فعلمهم مناسكهم، فلما فرغ، قام علي فقرأ براءة على الناس حتى ختمها " قال أبو عبد الرحمن: " ابن خثيم، ليس بالقوي في الحديث، وإنما أخرجت هذا لئلا يجعل ابن جريج، عن أبي الزبير وما كتبناه إلا عن إسحق بن إبراهيم، ويحيى بن سعيد القطان، لم يترك حديث ابن خثيم، ولا عبد الرحمن، إلا أن علي بن المديني، قال: ابن خثيم منكر الحديث، وكأن علي بن المديني خلق للحديث " --- [حكم الألباني] ضعيف الإسناد

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উমরা করে জিইররানা নামক স্থানে ফিরে আসার পরে (হজ্জের সময়) আবূ বকর (রাঃ) -কে হজ্জের আমীর নিযুক্ত করে প্রেরণ করেন। আমরাও তাঁর সঙ্গে আসলাম। যখন 'আরজ' নামক স্থানে পৌঁছলেন তখন সকাল হলে তিনি তাকবীর বলার জন্য প্রস্তুত হলেন। এমন সম্যে তাঁর পেছনে উটের ডাক শুনতে পেয়ে তিনি তাকবীর না দিয়ে বললেন : এতো রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উটনী জাদ'আর ডাক। হয়তো রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হজ্জের ব্যাপারে নতুন কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। হয়তো রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাশরীফ এনেছেন, আমরা তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করবো। হঠাৎ দেখা গেল এর আরোহী হলেন আলী (রাঃ)। আবূ বকর (রাঃ) তাঁকে বললেন : আপনি কি আমীর (হিসেবে এসেছেন), না 'দূত' (হিসেবে)। তিনি বললেন : আমি দূত (হিসেবে এসেছি)। রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে সূরা (তাওবা বা) বারাআত সহ প্রেরণ করেছেন। আমি হজ্জের বিভিন্ন অবস্থান কেন্দ্রে লোকদের তা শুনাব। আমরা মক্কায় আগমন করলাম। যিলহাজ্জের ৮ তারিখের একদিন পূর্বে আবূ বকর (রাঃ) লোকের সামনে দাঁড়িয়ে খুতবা দিলেন এবং তাদেরকে হজ্জের আহ্‌কাম শুনালেন। তিনি তাঁর খুতবা শেষ করলে আলী (রাঃ) দাঁড়ালেন এবং তিনি লোকের মধ্যে (সূরা) বারাআত পাঠ করে শুনালেন এবং তা শেষ করলেন। পরে আমরা তাঁর সঙ্গে বের হলাম। যখন আরাফার দিন উপস্থিত হলো, তখন আবূ বকর (রাঃ) লোকের মধ্যে দাঁড়িয়ে খুতবা দিলেন। তাদের কাছে হজ্জের আহ্‌কাম বর্ণনা করলেন। যখন তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করলেন, তখন আলী (রাঃ) দাঁড়িয়ে লোকের মধ্যে (সূরা) বারাআত পাঠ করে শুনালেন। এরপর দশ তারিখ (কুরবানীর দিন) আসলে আমরা মুযদালিফা থেকে ইফাযা (প্রস্থান) করলাম। আবূ বকর (রাঃ) ফিরে এসে লোকের মধ্যে খুতবা দিলেন। তাতে তিনি 'ইফাযা' ও কুরবানীর আহ্‌কাম এবং হজ্জের আহ্‌কাম বর্ণনা করলেন। তিনি যখন খুতবা শেষ করলেন, তখন আলী (রাঃ) দাঁড়িয়ে লোকের মধ্যে বারাআতের ঘোষণা শুনালেন, এবং তা (সূরা বারাআত শুনানো) শেষ করলেন। প্রথম নফরের দিন১ আসলে আবূ বকর (রাঃ) লোকের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন; কিরূপে নফর বা দেশের পথে যাত্রা করতে হবে এবং রমী (কংকর নিক্ষেপ) করতে হবে সে সমস্ত আহ্‌কাম তাদেরকে শিক্ষা দিলেন। তিনি খুতবা শেষ করলে আলী (রাঃ) দাঁড়িয়ে লোকের নিকট সূরা বারাআত পড়ে শুনালেন এবং তা শেষ পর্যন্ত পাঠ করলেন। আবু আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, ইব্‌ন খুশায়ম (রহঃ) হাদীস বর্ণনায় তেমন শক্তিশালী নন। আমি ইব্‌ন জুরায়জ (রহঃ) আবু যুবায়র (রহঃ) থেকে’ এ সনদে বর্ণনা না করে ইব্‌ন জুরায়জ (রহঃ) ইব্‌ন খুশায়ম (রহঃ) থেকে, তিনি আবূ যুবায়র (রাঃ)’ এ সনদে রেওয়ায়ত বর্ণনা করেছি। কেননা প্রথমোক্ত সনদে ইব্‌ন জুরায়জ (রহঃ) ও আবূ যুবায়র (রহঃ)-এর মধ্যের একজন রাবী বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যাকে উসূলে হাদীসের ভাষায় মুনকাতি' (আরবী) বলা হয়। আমি এ হাদিসটি ইসহাক ইব্‌ন রাহওয়াই ইব্‌ন ইবরাহীম (রহঃ) সুত্রে লিপিবদ্ধ করেছি। ইয়াহ্‌ইয়া ইব্‌ন সাঈদ আল-কাত্তান (রহঃ) ইব্‌ন খুশায়ম (রহঃ) থেকে হাদীস বর্ণনা বাদ দেননি। আর আবদুর রহমান থেকেও না। তবে আলী ইব্‌ন মাদীনী (রহঃ) ইব্‌ন খুশায়ম (রহঃ) -কে 'মুনকারুল হাদীস'১ বলে মন্তব্য করেছেন। আর আলী ইব্‌ন মাদীনী (রহঃ) তাঁর সৃষ্টি হাদীস শাস্ত্রের জন্যেই।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উমরা করে জিইররানা নামক স্থানে ফিরে আসার পরে (হজ্জের সময়) আবূ বকর (রাঃ) -কে হজ্জের আমীর নিযুক্ত করে প্রেরণ করেন। আমরাও তাঁর সঙ্গে আসলাম। যখন 'আরজ' নামক স্থানে পৌঁছলেন তখন সকাল হলে তিনি তাকবীর বলার জন্য প্রস্তুত হলেন। এমন সম্যে তাঁর পেছনে উটের ডাক শুনতে পেয়ে তিনি তাকবীর না দিয়ে বললেন : এতো রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উটনী জাদ'আর ডাক। হয়তো রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হজ্জের ব্যাপারে নতুন কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। হয়তো রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাশরীফ এনেছেন, আমরা তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করবো। হঠাৎ দেখা গেল এর আরোহী হলেন আলী (রাঃ)। আবূ বকর (রাঃ) তাঁকে বললেন : আপনি কি আমীর (হিসেবে এসেছেন), না 'দূত' (হিসেবে)। তিনি বললেন : আমি দূত (হিসেবে এসেছি)। রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে সূরা (তাওবা বা) বারাআত সহ প্রেরণ করেছেন। আমি হজ্জের বিভিন্ন অবস্থান কেন্দ্রে লোকদের তা শুনাব। আমরা মক্কায় আগমন করলাম। যিলহাজ্জের ৮ তারিখের একদিন পূর্বে আবূ বকর (রাঃ) লোকের সামনে দাঁড়িয়ে খুতবা দিলেন এবং তাদেরকে হজ্জের আহ্‌কাম শুনালেন। তিনি তাঁর খুতবা শেষ করলে আলী (রাঃ) দাঁড়ালেন এবং তিনি লোকের মধ্যে (সূরা) বারাআত পাঠ করে শুনালেন এবং তা শেষ করলেন। পরে আমরা তাঁর সঙ্গে বের হলাম। যখন আরাফার দিন উপস্থিত হলো, তখন আবূ বকর (রাঃ) লোকের মধ্যে দাঁড়িয়ে খুতবা দিলেন। তাদের কাছে হজ্জের আহ্‌কাম বর্ণনা করলেন। যখন তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করলেন, তখন আলী (রাঃ) দাঁড়িয়ে লোকের মধ্যে (সূরা) বারাআত পাঠ করে শুনালেন। এরপর দশ তারিখ (কুরবানীর দিন) আসলে আমরা মুযদালিফা থেকে ইফাযা (প্রস্থান) করলাম। আবূ বকর (রাঃ) ফিরে এসে লোকের মধ্যে খুতবা দিলেন। তাতে তিনি 'ইফাযা' ও কুরবানীর আহ্‌কাম এবং হজ্জের আহ্‌কাম বর্ণনা করলেন। তিনি যখন খুতবা শেষ করলেন, তখন আলী (রাঃ) দাঁড়িয়ে লোকের মধ্যে বারাআতের ঘোষণা শুনালেন, এবং তা (সূরা বারাআত শুনানো) শেষ করলেন। প্রথম নফরের দিন১ আসলে আবূ বকর (রাঃ) লোকের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন; কিরূপে নফর বা দেশের পথে যাত্রা করতে হবে এবং রমী (কংকর নিক্ষেপ) করতে হবে সে সমস্ত আহ্‌কাম তাদেরকে শিক্ষা দিলেন। তিনি খুতবা শেষ করলে আলী (রাঃ) দাঁড়িয়ে লোকের নিকট সূরা বারাআত পড়ে শুনালেন এবং তা শেষ পর্যন্ত পাঠ করলেন। আবু আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, ইব্‌ন খুশায়ম (রহঃ) হাদীস বর্ণনায় তেমন শক্তিশালী নন। আমি ইব্‌ন জুরায়জ (রহঃ) আবু যুবায়র (রহঃ) থেকে’ এ সনদে বর্ণনা না করে ইব্‌ন জুরায়জ (রহঃ) ইব্‌ন খুশায়ম (রহঃ) থেকে, তিনি আবূ যুবায়র (রাঃ)’ এ সনদে রেওয়ায়ত বর্ণনা করেছি। কেননা প্রথমোক্ত সনদে ইব্‌ন জুরায়জ (রহঃ) ও আবূ যুবায়র (রহঃ)-এর মধ্যের একজন রাবী বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যাকে উসূলে হাদীসের ভাষায় মুনকাতি' (আরবী) বলা হয়। আমি এ হাদিসটি ইসহাক ইব্‌ন রাহওয়াই ইব্‌ন ইবরাহীম (রহঃ) সুত্রে লিপিবদ্ধ করেছি। ইয়াহ্‌ইয়া ইব্‌ন সাঈদ আল-কাত্তান (রহঃ) ইব্‌ন খুশায়ম (রহঃ) থেকে হাদীস বর্ণনা বাদ দেননি। আর আবদুর রহমান থেকেও না। তবে আলী ইব্‌ন মাদীনী (রহঃ) ইব্‌ন খুশায়ম (রহঃ) -কে 'মুনকারুল হাদীস'১ বলে মন্তব্য করেছেন। আর আলী ইব্‌ন মাদীনী (রহঃ) তাঁর সৃষ্টি হাদীস শাস্ত্রের জন্যেই।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: قرأت على أبي قرة موسى بن طارق، عن ابن جريج، قال: حدثني عبد الله بن عثمان بن خثيم، عن أبي الزبير، عن جابر " أن النبي صلى الله عليه وسلم، حين رجع من عمرة الجعرانة بعث أبا بكر على الحج فأقبلنا معه، حتى إذا كان بالعرج ثوب بالصبح، ثم استوى ليكبر فسمع الرغوة خلف ظهره، فوقف على التكبير، فقال: هذه رغوة ناقة رسول الله صلى الله عليه وسلم الجدعاء، لقد بدا لرسول الله صلى الله عليه وسلم في الحج فلعله أن يكون رسول الله صلى الله عليه وسلم فنصلي معه، فإذا علي عليها، فقال له أبو بكر: أمير أم رسول؟ قال: لا بل رسول، أرسلني رسول الله صلى الله عليه وسلم ببراءة أقرؤها على الناس في مواقف الحج، فقدمنا مكة فلما كان قبل التروية بيوم، قام أبو بكر رضي الله عنه فخطب الناس فحدثهم عن مناسكهم حتى إذا فرغ قام علي رضي الله عنه فقرأ على الناس براءة حتى ختمها، ثم خرجنا معه حتى إذا كان يوم عرفة قام أبو بكر فخطب الناس فحدثهم عن مناسكهم، حتى إذا فرغ قام علي فقرأ على الناس براءة حتى ختمها، ثم كان يوم النحر فأفضنا، فلما رجع أبو بكر خطب الناس فحدثهم عن إفاضتهم، وعن نحرهم، وعن مناسكهم، فلما فرغ قام علي فقرأ على الناس براءة حتى ختمها، فلما كان يوم النفر الأول، قام أبو بكر فخطب الناس فحدثهم كيف ينفرون، وكيف يرمون، فعلمهم مناسكهم، فلما فرغ، قام علي فقرأ براءة على الناس حتى ختمها " قال أبو عبد الرحمن: " ابن خثيم، ليس بالقوي في الحديث، وإنما أخرجت هذا لئلا يجعل ابن جريج، عن أبي الزبير وما كتبناه إلا عن إسحق بن إبراهيم، ويحيى بن سعيد القطان، لم يترك حديث ابن خثيم، ولا عبد الرحمن، إلا أن علي بن المديني، قال: ابن خثيم منكر الحديث، وكأن علي بن المديني خلق للحديث " --- [حكم الألباني] ضعيف الإسناد


সুনান নাসাঈ > তামাত্তু' হজ্জকারী ব্যক্তি হজ্জের ইহ্‌রাম কখন করবে?

সুনান নাসাঈ ২৯৯৪

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا عبد الملك، عن عطاء، عن جابر، قال: قدمنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم لأربع مضين من ذي الحجة فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «أحلوا واجعلوها عمرة» فضاقت بذلك صدورنا، وكبر علينا، فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «يا أيها الناس أحلوا، فلولا الهدي الذي معي لفعلت مثل الذي تفعلون»، فأحللنا حتى وطئنا النساء، وفعلنا ما يفعل الحلال، حتى إذا كان يوم التروية، وجعلنا مكة بظهر لبينا بالحج "

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : যিলহাজ্জ মাসের চারদিন অতীত হওয়ার পর আমরা রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে (মক্কায়) আগমন করলাম। রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : তোমরা হালাল হয়ে যাও এবং একে ‘উমরা গণ্য কর। এতে আমাদের অন্তর সংকুচিত হলো এবং আমাদের কাছে তা ভারী মনে হলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এ সংবাদ পৌছলে তিনি বললেন : হে লোকেরা! তোমরা হালাল হয়ে যাও, আমার নিকট যে 'হাদী' (কুরবানীর পশু) রয়েছে, যদি তা না থাকতো তাহলে তোমরা যা করছ আমিও তা করতাম (হালাল হয়ে যেতাম)। এরপর আমরা হালাল হয়ে গেলাম এবং স্ত্রী সহবাসও করলাম। হালাল ব্যক্তি যা যা করে আমরাও তাই করলাম। যখন ‘তারবিয়ার’ দিন [২] আসলো তখন আমরা মক্কাকে পেছনে রেখে (মিনার উদ্দেশ্যে রওনা করে) আমরা হজ্জের তাল্‌বিয়া পড়লাম।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : যিলহাজ্জ মাসের চারদিন অতীত হওয়ার পর আমরা রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে (মক্কায়) আগমন করলাম। রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন : তোমরা হালাল হয়ে যাও এবং একে ‘উমরা গণ্য কর। এতে আমাদের অন্তর সংকুচিত হলো এবং আমাদের কাছে তা ভারী মনে হলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এ সংবাদ পৌছলে তিনি বললেন : হে লোকেরা! তোমরা হালাল হয়ে যাও, আমার নিকট যে 'হাদী' (কুরবানীর পশু) রয়েছে, যদি তা না থাকতো তাহলে তোমরা যা করছ আমিও তা করতাম (হালাল হয়ে যেতাম)। এরপর আমরা হালাল হয়ে গেলাম এবং স্ত্রী সহবাসও করলাম। হালাল ব্যক্তি যা যা করে আমরাও তাই করলাম। যখন ‘তারবিয়ার’ দিন [২] আসলো তখন আমরা মক্কাকে পেছনে রেখে (মিনার উদ্দেশ্যে রওনা করে) আমরা হজ্জের তাল্‌বিয়া পড়লাম।

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا عبد الملك، عن عطاء، عن جابر، قال: قدمنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم لأربع مضين من ذي الحجة فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «أحلوا واجعلوها عمرة» فضاقت بذلك صدورنا، وكبر علينا، فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «يا أيها الناس أحلوا، فلولا الهدي الذي معي لفعلت مثل الذي تفعلون»، فأحللنا حتى وطئنا النساء، وفعلنا ما يفعل الحلال، حتى إذا كان يوم التروية، وجعلنا مكة بظهر لبينا بالحج "


সুনান নাসাঈ > মিনা সম্বন্ধে আলোচনা

সুনান নাসাঈ ২৯৯৫

أخبرنا محمد بن سلمة، والحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن القاسم، حدثني مالك، عن محمد بن عمرو بن حلحلة الدؤلي، عن محمد بن عمران الأنصاري، عن أبيه، قال: عدل إلي عبد الله بن عمر، وأنا نازل، تحت سرحة بطريق مكة، فقال: ما أنزلك تحت هذه الشجرة؟ فقلت: أنزلني ظلها قال عبد الله: فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إذا كنت بين الأخشبين من منى، ونفخ بيده نحو المشرق، فإن هناك واديا يقال له السربة - وفي حديث الحارث، يقال له: السرر - به سرحة سر تحتها سبعون نبيا "

ইমরান আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) আমার কাছে আসলেন, তখন আমি মক্কার পথে একটি গাছের নীচে অবস্থানরত ছিলাম। তিনি আমাকে বললেন : আপনাকে এ গাছের নীচে কিসে অবতরণ করালো? আমি বললাম : এর ছায়া আমকে এখানে অবতরণ করতে আকৃষ্ট করেছে। তখন আবদুল্লাহ বললেন : রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যখন তুমি মিনার দুটি পাহাড়ের মধ্যস্থলে থাকবে এবং তিনি তাঁর হাত দ্বারা পূর্ব দিকে ইশারা করলেন, তখন সেখানে একটি উপত্যকা দেখতে পাবে। যাকে 'সুররাবাহ' বলা হয় -- হারিসের বর্ণনায় আছে একে 'সুরার' বলা হয়, তাতে একটি প্রকাণ্ড বৃক্ষ রয়েছে, যার নীচে সত্তরজন নবীর নাভী কর্তন করা হয়েছে (জন্মগ্রহন করেছেন)।

ইমরান আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) আমার কাছে আসলেন, তখন আমি মক্কার পথে একটি গাছের নীচে অবস্থানরত ছিলাম। তিনি আমাকে বললেন : আপনাকে এ গাছের নীচে কিসে অবতরণ করালো? আমি বললাম : এর ছায়া আমকে এখানে অবতরণ করতে আকৃষ্ট করেছে। তখন আবদুল্লাহ বললেন : রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যখন তুমি মিনার দুটি পাহাড়ের মধ্যস্থলে থাকবে এবং তিনি তাঁর হাত দ্বারা পূর্ব দিকে ইশারা করলেন, তখন সেখানে একটি উপত্যকা দেখতে পাবে। যাকে 'সুররাবাহ' বলা হয় -- হারিসের বর্ণনায় আছে একে 'সুরার' বলা হয়, তাতে একটি প্রকাণ্ড বৃক্ষ রয়েছে, যার নীচে সত্তরজন নবীর নাভী কর্তন করা হয়েছে (জন্মগ্রহন করেছেন)।

أخبرنا محمد بن سلمة، والحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن القاسم، حدثني مالك، عن محمد بن عمرو بن حلحلة الدؤلي، عن محمد بن عمران الأنصاري، عن أبيه، قال: عدل إلي عبد الله بن عمر، وأنا نازل، تحت سرحة بطريق مكة، فقال: ما أنزلك تحت هذه الشجرة؟ فقلت: أنزلني ظلها قال عبد الله: فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إذا كنت بين الأخشبين من منى، ونفخ بيده نحو المشرق، فإن هناك واديا يقال له السربة - وفي حديث الحارث، يقال له: السرر - به سرحة سر تحتها سبعون نبيا "


সুনান নাসাঈ ২৯৯৬

أخبرنا محمد بن حاتم بن نعيم، قال: أنبأنا سويد، قال: أنبأنا عبد الله، عن عبد الوارث ثقة قال: حدثنا حميد الأعرج، عن محمد بن إبراهيم التيمي، عن رجل منهم يقال له: عبد الرحمن بن معاذ، قال: خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بمنى، ففتح الله أسماعنا حتى إن كنا لنسمع ما يقول ونحن في منازلنا، فطفق النبي صلى الله عليه وسلم، يعلمهم مناسكهم حتى بلغ الجمار فقال: «بحصى الخذف» وأمر المهاجرين أن ينزلوا في مقدم المسجد، وأمر الأنصار أن ينزلوا في مؤخر المسجد

মুহাম্মাদ ইব্‌ন হাতিম ইব্‌ন নু'আয়ম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মাদ ইব্‌ন ইবরাহীম তায়মী তাদের মধ্য হতে একজন লোকের মাধ্যমে বর্ণনা করেন, যার নাম আবদুর রহমান ইব্‌ন মুআয (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন : রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনায় আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন। আল্লাহ আমাদের কান খুলে দিলেন এবং আমরা তিনি যা বলেছিলেন, তা শুনেছিলাম অথচ আমরা ছিলাম আমাদের মনযিলে (তাঁবুতে)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে হজ্জের আহ্‌কাম শিক্ষা দিচ্ছিলেন। যখন তিনি কংকর নিক্ষেপ করার (আলোচনা) পর্যন্ত পৌঁছলেন, তখন বললেন : 'খাযাফ' (অর্থাৎ দু' আঙ্গুলের ফাঁকে রেখে নিক্ষেপ করা হয় এমন) ছোট কংকর (নিক্ষেপ করবে)। আর মুহাজিরদের মসজিদের সামনের অংশে অবস্থান নিতে আদেশ করলেন এবং আনসারদের মসজিদের শেষভাগে অবস্থানের আদেশ করলেন।

মুহাম্মাদ ইব্‌ন হাতিম ইব্‌ন নু'আয়ম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মাদ ইব্‌ন ইবরাহীম তায়মী তাদের মধ্য হতে একজন লোকের মাধ্যমে বর্ণনা করেন, যার নাম আবদুর রহমান ইব্‌ন মুআয (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন : রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনায় আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন। আল্লাহ আমাদের কান খুলে দিলেন এবং আমরা তিনি যা বলেছিলেন, তা শুনেছিলাম অথচ আমরা ছিলাম আমাদের মনযিলে (তাঁবুতে)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে হজ্জের আহ্‌কাম শিক্ষা দিচ্ছিলেন। যখন তিনি কংকর নিক্ষেপ করার (আলোচনা) পর্যন্ত পৌঁছলেন, তখন বললেন : 'খাযাফ' (অর্থাৎ দু' আঙ্গুলের ফাঁকে রেখে নিক্ষেপ করা হয় এমন) ছোট কংকর (নিক্ষেপ করবে)। আর মুহাজিরদের মসজিদের সামনের অংশে অবস্থান নিতে আদেশ করলেন এবং আনসারদের মসজিদের শেষভাগে অবস্থানের আদেশ করলেন।

أخبرنا محمد بن حاتم بن نعيم، قال: أنبأنا سويد، قال: أنبأنا عبد الله، عن عبد الوارث ثقة قال: حدثنا حميد الأعرج، عن محمد بن إبراهيم التيمي، عن رجل منهم يقال له: عبد الرحمن بن معاذ، قال: خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بمنى، ففتح الله أسماعنا حتى إن كنا لنسمع ما يقول ونحن في منازلنا، فطفق النبي صلى الله عليه وسلم، يعلمهم مناسكهم حتى بلغ الجمار فقال: «بحصى الخذف» وأمر المهاجرين أن ينزلوا في مقدم المسجد، وأمر الأنصار أن ينزلوا في مؤخر المسجد


সুনান নাসাঈ > তারবিয়ার দিন ইমাম সালাত কোথায় আদায় করবে?

সুনান নাসাঈ ২৯৯৭

أخبرنا محمد بن إسمعيل بن إبراهيم، وعبد الرحمن بن محمد بن سلام، قالا: حدثنا إسحق الأزرق، عن سفيان الثوري، عن عبد العزيز بن رفيع، قال: سألت أنس بن مالك، فقلت: أخبرني بشيء عقلته، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، أين صلى الظهر يوم التروية؟ قال: «بمنى» فقلت: أين صلى العصر يوم النفر؟ قال: «بالأبطح»

আবদুর রহমান ইব্‌ন মুহাম্মাদ ইব্‌ন সাল্লাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) -কে বললাম : আপনি রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা কিছু বুঝেছেন (ও স্মরণ রেখেছেন) তা থেকে আমাকে বলুন, তিনি তারবিয়ার দিন জুহরের সালাত কোথায় আদায় করেন? তিনি বললেন : মিনায়। আমি বললাম : 'নফর' (মিনা হতে প্রত্যাবর্তনের) প্রস্থানের দিন আসর কোথায় আদায় করেন? তিনি বললেন : 'আবতাহে' (অর্থাৎ মুহাস্‌সাবে)।

আবদুর রহমান ইব্‌ন মুহাম্মাদ ইব্‌ন সাল্লাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) -কে বললাম : আপনি রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা কিছু বুঝেছেন (ও স্মরণ রেখেছেন) তা থেকে আমাকে বলুন, তিনি তারবিয়ার দিন জুহরের সালাত কোথায় আদায় করেন? তিনি বললেন : মিনায়। আমি বললাম : 'নফর' (মিনা হতে প্রত্যাবর্তনের) প্রস্থানের দিন আসর কোথায় আদায় করেন? তিনি বললেন : 'আবতাহে' (অর্থাৎ মুহাস্‌সাবে)।

أخبرنا محمد بن إسمعيل بن إبراهيم، وعبد الرحمن بن محمد بن سلام، قالا: حدثنا إسحق الأزرق، عن سفيان الثوري، عن عبد العزيز بن رفيع، قال: سألت أنس بن مالك، فقلت: أخبرني بشيء عقلته، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، أين صلى الظهر يوم التروية؟ قال: «بمنى» فقلت: أين صلى العصر يوم النفر؟ قال: «بالأبطح»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00