সুনান নাসাঈ > সওয়ারির উপর থেকে বাইতুল্লাহয় তাওয়াফ

সুনান নাসাঈ ২৯২৮

أخبرني عمرو بن عثمان، قال: حدثنا شعيب وهو ابن إسحق، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت: «طاف رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع حول الكعبة على بعير يستلم الركن بمحجنه»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হাজ্জে কা’বার চারপাশে উটের উপর আরোহণ অবস্থায় তাওয়াফ করেন। এ সময় তিনি তাঁর হাতের লাঠি দ্বারা রোকন (হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করিয়ে তা) চুম্বন করেন।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হাজ্জে কা’বার চারপাশে উটের উপর আরোহণ অবস্থায় তাওয়াফ করেন। এ সময় তিনি তাঁর হাতের লাঠি দ্বারা রোকন (হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করিয়ে তা) চুম্বন করেন।

أخبرني عمرو بن عثمان، قال: حدثنا شعيب وهو ابن إسحق، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت: «طاف رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع حول الكعبة على بعير يستلم الركن بمحجنه»


সুনান নাসাঈ > ‘ইফরাদ’ হজ্জ পালনকারীর তাওয়াফ

সুনান নাসাঈ ২৯২৯

أخبرنا عبدة بن عبد الله، قال: حدثنا سويد وهو ابن عمرو الكلبي، عن زهير، قال: حدثنا بيان، أن وبرة، حدثه قال: سمعت عبد الله بن عمر وسأله رجل أطوف بالبيت وقد أحرمت بالحج؟ قال: «وما يمنعك؟» قال: رأيت عبد الله بن عباس ينهى عن ذلك وأنت أعجب إلينا منه، قال: «رأينا رسول الله صلى الله عليه وسلم، أحرم بالحج فطاف بالبيت، وسعى بين الصفا والمروة»

জুহাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ বয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, ওয়াবরাহ (রহঃ) তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আমি আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, তাঁকে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করল, আমি হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছি। এখন আমি কি তাওয়াফ করবো? তিনি বললেনঃ কি তোমাকে বাঁধা প্রদান করেছে? তিনি বললেনঃ আমি আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) -কে তা নিষেধ করতে দেখেছি। আর আপনি আমাদের নিকট তাঁর চাইতে অধিক গ্রহণযোগ্য। তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে হাজ্জের ইহরাম করে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করতে এবং সাফা ও মারওয়ার মধ্যে সাঈ করতে দেখেছি।

জুহাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ বয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, ওয়াবরাহ (রহঃ) তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আমি আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, তাঁকে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করল, আমি হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছি। এখন আমি কি তাওয়াফ করবো? তিনি বললেনঃ কি তোমাকে বাঁধা প্রদান করেছে? তিনি বললেনঃ আমি আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) -কে তা নিষেধ করতে দেখেছি। আর আপনি আমাদের নিকট তাঁর চাইতে অধিক গ্রহণযোগ্য। তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে হাজ্জের ইহরাম করে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করতে এবং সাফা ও মারওয়ার মধ্যে সাঈ করতে দেখেছি।

أخبرنا عبدة بن عبد الله، قال: حدثنا سويد وهو ابن عمرو الكلبي، عن زهير، قال: حدثنا بيان، أن وبرة، حدثه قال: سمعت عبد الله بن عمر وسأله رجل أطوف بالبيت وقد أحرمت بالحج؟ قال: «وما يمنعك؟» قال: رأيت عبد الله بن عباس ينهى عن ذلك وأنت أعجب إلينا منه، قال: «رأينا رسول الله صلى الله عليه وسلم، أحرم بالحج فطاف بالبيت، وسعى بين الصفا والمروة»


সুনান নাসাঈ > উমরার ইহরামকারীর তাওয়াফ করা

সুনান নাসাঈ ২৯৩০

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، عن عمرو، قال: سمعت ابن عمر، وسألناه عن رجل قدم معتمرا، فطاف بالبيت، ولم يطف بين الصفا، والمروة، أيأتي أهله؟ قال: «لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم، فطاف سبعا، وصلى خلف المقام ركعتين، وطاف بين الصفا والمروة، وقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة»

আমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ইবন উমর (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি। আমরা তাঁকে এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে প্রশ্ন করছিলাম, যে উমরা করতে এসে কা’বার তাওয়াফ করে, কিন্তু সাফা ও মারওয়ার সাঈ করেনি। সে কি তার পরিবারের কাছে গমন (সহবাস) করবে? তিনি বললেনঃ যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় আগমন করেন, তখন তিনি সাতবার তাওয়াফ করেন এবং মাকামে ইবরাহীমের পেছনে দুই রাক’আত সালাত আদায় করেন এবং সাফা ও মারওয়া সাঈ করেন। “আর তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে”।

আমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ইবন উমর (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি। আমরা তাঁকে এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে প্রশ্ন করছিলাম, যে উমরা করতে এসে কা’বার তাওয়াফ করে, কিন্তু সাফা ও মারওয়ার সাঈ করেনি। সে কি তার পরিবারের কাছে গমন (সহবাস) করবে? তিনি বললেনঃ যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় আগমন করেন, তখন তিনি সাতবার তাওয়াফ করেন এবং মাকামে ইবরাহীমের পেছনে দুই রাক’আত সালাত আদায় করেন এবং সাফা ও মারওয়া সাঈ করেন। “আর তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে”।

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، عن عمرو، قال: سمعت ابن عمر، وسألناه عن رجل قدم معتمرا، فطاف بالبيت، ولم يطف بين الصفا، والمروة، أيأتي أهله؟ قال: «لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم، فطاف سبعا، وصلى خلف المقام ركعتين، وطاف بين الصفا والمروة، وقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة»


সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি হাজ্জ ও উমরার ইহরাম করেছে অথচ কুরবানীর পশু সাথে আনেনি তার করণীয়

সুনান নাসাঈ ২৯৩১

أخبرنا أحمد بن الأزهر، قال: حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، قال: حدثنا أشعث، عن الحسن، عن أنس، قال: خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم، وخرجنا معه، فلما بلغ ذا الحليفة، صلى الظهر، ثم ركب راحلته، فلما استوت به على البيداء، أهل بالحج والعمرة جميعا، فأهللنا معه، فلما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة، وطفنا، أمر الناس أن يحلوا، فهاب القوم، فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لولا أن معي الهدي، لأحللت» فحل القوم حتى حلوا إلى النساء، ولم يحل رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولم يقصر إلى يوم النحر

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (হাজ্জের উদ্দেশ্যে) বের হলেন আর তাঁর সঙ্গে আমরাও বের হলাম। তিনি জুলহুলাইফায় পৌঁছার পর জুহরের সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি তাঁর সওয়ারীতে আরোহণ করেন। যখন তিনি বাইদায় নামক স্থানে পৌঁছলেন তখন তিনি হাজ্জ ও উমরা উভয়ের তালবিয়া পড়লেন। তাঁর সঙ্গে আমরাও তালবিয়া পড়লাম। আর যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় পদার্পণ করেন, আর আমরা তাওয়াফ করলাম, তখন তিনি লোকদের হালাল হতে আদেশ করলেন। এতে তারা সন্ত্রস্ত হলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের বললেনঃ যদি আমার সাথে হাদী (কুরবানীর জন্তু) না থাকতো, তা হলে আমিও হালাল হতাম। এরপর লোকেরা হালাল হয়ে গেলেন, এমনকি তাঁরা স্ত্রীদের সঙ্গে সঙ্গত হলেন আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ইহরাম থেকে) হালাল হলেন না এবং তিনি কুরবানীর দিন পর্যন্ত চুলও কাটান নি।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (হাজ্জের উদ্দেশ্যে) বের হলেন আর তাঁর সঙ্গে আমরাও বের হলাম। তিনি জুলহুলাইফায় পৌঁছার পর জুহরের সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি তাঁর সওয়ারীতে আরোহণ করেন। যখন তিনি বাইদায় নামক স্থানে পৌঁছলেন তখন তিনি হাজ্জ ও উমরা উভয়ের তালবিয়া পড়লেন। তাঁর সঙ্গে আমরাও তালবিয়া পড়লাম। আর যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় পদার্পণ করেন, আর আমরা তাওয়াফ করলাম, তখন তিনি লোকদের হালাল হতে আদেশ করলেন। এতে তারা সন্ত্রস্ত হলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের বললেনঃ যদি আমার সাথে হাদী (কুরবানীর জন্তু) না থাকতো, তা হলে আমিও হালাল হতাম। এরপর লোকেরা হালাল হয়ে গেলেন, এমনকি তাঁরা স্ত্রীদের সঙ্গে সঙ্গত হলেন আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ইহরাম থেকে) হালাল হলেন না এবং তিনি কুরবানীর দিন পর্যন্ত চুলও কাটান নি।

أخبرنا أحمد بن الأزهر، قال: حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، قال: حدثنا أشعث، عن الحسن، عن أنس، قال: خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم، وخرجنا معه، فلما بلغ ذا الحليفة، صلى الظهر، ثم ركب راحلته، فلما استوت به على البيداء، أهل بالحج والعمرة جميعا، فأهللنا معه، فلما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة، وطفنا، أمر الناس أن يحلوا، فهاب القوم، فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لولا أن معي الهدي، لأحللت» فحل القوم حتى حلوا إلى النساء، ولم يحل رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولم يقصر إلى يوم النحر


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00