সুনান নাসাঈ > তালবিয়া পাঠের সময় বিসমিল্লাহ না পড়া

সুনান নাসাঈ ২৭৪০

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، قال: حدثنا جعفر بن محمد، قال: حدثني أبي، قال: أتينا جابر بن عبد الله فسألناه عن حجة النبي صلى الله عليه وسلم، فحدثنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، «مكث بالمدينة تسع حجج، ثم أذن في الناس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم في حاج هذا العام» فنزل المدينة بشر كثير كلهم يلتمس أن يأتم برسول الله صلى الله عليه وسلم ويفعل ما يفعل، «فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم، لخمس بقين من ذي القعدة»، وخرجنا معه، قال جابر: «ورسول الله صلى الله عليه وسلم بين أظهرنا عليه، ينزل القرآن وهو يعرف تأويله»، وما عمل به من شيء عملنا، فخرجنا لا ننوي إلا الحج

জা’ফর ইব্‌ন মুহাম্মাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আমি জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তাঁকে নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হজ্জ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনায় নয় বছর (হজ্জ না করে) অবস্থান করেন। তারপর জনসাধারণের মধ্যে সংবাদ দেয়া হলো যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এ বছর হজ্জ করতে যাবেন। এ সংবাদে মদীনায় বহু লোকের সমাগম হলো। সকলেই কামনা করছিলো যে, তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুসরণ (করে হজ্জ সমাপণ) করবেন এবং তিনি যা করেন তা করবেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যিলকা’দা মাসের পাঁচ দিন বাকী থাকতে মদীনা থেকে বের হন। আর আমরাও তাঁর সাথে বের হই। জাবির (রাঃ) বলেনঃ এসময় নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যেই ছিলেন। তাঁর ‍উপর কুরআন অবতীর্ণ হচ্ছিল আর তিনি এর মর্ম অনুধাবন করতেন। তিনি তদনুযায়ী যা করতেন, আমরাও তা করতাম। আমরা একমাত্র হজ্জের উদ্দেশ্যেই বের হয়েছিলাম।

জা’ফর ইব্‌ন মুহাম্মাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আমি জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তাঁকে নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হজ্জ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনায় নয় বছর (হজ্জ না করে) অবস্থান করেন। তারপর জনসাধারণের মধ্যে সংবাদ দেয়া হলো যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এ বছর হজ্জ করতে যাবেন। এ সংবাদে মদীনায় বহু লোকের সমাগম হলো। সকলেই কামনা করছিলো যে, তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুসরণ (করে হজ্জ সমাপণ) করবেন এবং তিনি যা করেন তা করবেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যিলকা’দা মাসের পাঁচ দিন বাকী থাকতে মদীনা থেকে বের হন। আর আমরাও তাঁর সাথে বের হই। জাবির (রাঃ) বলেনঃ এসময় নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যেই ছিলেন। তাঁর ‍উপর কুরআন অবতীর্ণ হচ্ছিল আর তিনি এর মর্ম অনুধাবন করতেন। তিনি তদনুযায়ী যা করতেন, আমরাও তা করতাম। আমরা একমাত্র হজ্জের উদ্দেশ্যেই বের হয়েছিলাম।

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، قال: حدثنا جعفر بن محمد، قال: حدثني أبي، قال: أتينا جابر بن عبد الله فسألناه عن حجة النبي صلى الله عليه وسلم، فحدثنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، «مكث بالمدينة تسع حجج، ثم أذن في الناس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم في حاج هذا العام» فنزل المدينة بشر كثير كلهم يلتمس أن يأتم برسول الله صلى الله عليه وسلم ويفعل ما يفعل، «فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم، لخمس بقين من ذي القعدة»، وخرجنا معه، قال جابر: «ورسول الله صلى الله عليه وسلم بين أظهرنا عليه، ينزل القرآن وهو يعرف تأويله»، وما عمل به من شيء عملنا، فخرجنا لا ننوي إلا الحج


সুনান নাসাঈ ২৭৪১

أخبرنا محمد بن عبد الله بن يزيد، والحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع - واللفظ لمحمد - قالا: حدثنا سفيان، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن عائشة، قالت: خرجنا لا ننوي إلا الحج فلما، كنا بسرف حضت، فدخل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم، وأنا أبكي فقال: «أحضت» قلت: نعم، قال: «إن هذا شيء كتبه الله عز وجل على بنات آدم، فاقضي ما يقضي المحرم، غير أن لا تطوفي بالبيت»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমরা সফরে বের হলাম। হজ্জ ব্যতীত আমাদের আর কোন উদ্দেশ্য ছিল না। সারিফ নামক স্থানে পৌছার পর আমি ঋতুমতী হই। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট আসলেন। আমি তখন কাঁদছিলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমার কি ঋতুস্রাব দেখা দিয়েছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ ইহা এমন বিষয় যা আল্লাহ তা’আলা আদমের কন্যা সন্তানদের উপর নির্ধারিত করেছেন। তুমি মুহরিম ব্যক্তি হজ্জের যে সকল কাজ করে তুমিও বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ব্যতীত তা করতে থাক।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমরা সফরে বের হলাম। হজ্জ ব্যতীত আমাদের আর কোন উদ্দেশ্য ছিল না। সারিফ নামক স্থানে পৌছার পর আমি ঋতুমতী হই। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট আসলেন। আমি তখন কাঁদছিলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমার কি ঋতুস্রাব দেখা দিয়েছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ ইহা এমন বিষয় যা আল্লাহ তা’আলা আদমের কন্যা সন্তানদের উপর নির্ধারিত করেছেন। তুমি মুহরিম ব্যক্তি হজ্জের যে সকল কাজ করে তুমিও বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ব্যতীত তা করতে থাক।

أخبرنا محمد بن عبد الله بن يزيد، والحارث بن مسكين، قراءة عليه وأنا أسمع - واللفظ لمحمد - قالا: حدثنا سفيان، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن عائشة، قالت: خرجنا لا ننوي إلا الحج فلما، كنا بسرف حضت، فدخل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم، وأنا أبكي فقال: «أحضت» قلت: نعم، قال: «إن هذا شيء كتبه الله عز وجل على بنات آدم، فاقضي ما يقضي المحرم، غير أن لا تطوفي بالبيت»


সুনান নাসাঈ > মুহরিম ব্যক্তির সুনির্দিষ্ট নিয়্যত ব্যতীত হজ্জ আদায় করা

সুনান নাসাঈ ২৭৪৩

أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن جعفر بن محمد، قال: حدثنا أبي، قال: أتينا جابر بن عبد الله فسألناه عن حجة النبي صلى الله عليه وسلم، فحدثنا أن عليا قدم من اليمن بهدي، وساق رسول الله صلى الله عليه وسلم من المدينة هديا، قال لعلي: «بما أهللت؟» قال: قلت اللهم إني أهل بما أهل به رسول الله صلى الله عليه وسلم، ومعي الهدي، قال: «فلا تحل»

জা’ফর ইব্‌ন মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমার পিতা আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ আমরা জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হজ্জ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করলেনঃ আলী (রাঃ) ইয়ামান থেকে আগমন করলেন “হাদী” (কুরবানীর জন্তু) নিয়ে। আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মদীনা থেকে “হাদী” (কুরবানীর পশু) এনছিলেন। তিনি আলী (রাঃ)-কে বললেনঃ তুমি কিসের ইহরাম (নিয়্যত) করেছ? তিনি বললেনঃ আমি বলেছি: হে আল্লাহ! আমি ইহরাম করছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যার ইহরাম করেছেন। আর আমার সাথে রয়েছে “হাদী” (কুরবানীর পশু)। তিনি [রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বললেনঃ তাহলে তুমি (হজ্জ সম্পন্ন না করা পযর্ন্ত) হালাল হবে না।

জা’ফর ইব্‌ন মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমার পিতা আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ আমরা জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হজ্জ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করলেনঃ আলী (রাঃ) ইয়ামান থেকে আগমন করলেন “হাদী” (কুরবানীর জন্তু) নিয়ে। আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মদীনা থেকে “হাদী” (কুরবানীর পশু) এনছিলেন। তিনি আলী (রাঃ)-কে বললেনঃ তুমি কিসের ইহরাম (নিয়্যত) করেছ? তিনি বললেনঃ আমি বলেছি: হে আল্লাহ! আমি ইহরাম করছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যার ইহরাম করেছেন। আর আমার সাথে রয়েছে “হাদী” (কুরবানীর পশু)। তিনি [রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বললেনঃ তাহলে তুমি (হজ্জ সম্পন্ন না করা পযর্ন্ত) হালাল হবে না।

أخبرنا محمد بن المثنى، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن جعفر بن محمد، قال: حدثنا أبي، قال: أتينا جابر بن عبد الله فسألناه عن حجة النبي صلى الله عليه وسلم، فحدثنا أن عليا قدم من اليمن بهدي، وساق رسول الله صلى الله عليه وسلم من المدينة هديا، قال لعلي: «بما أهللت؟» قال: قلت اللهم إني أهل بما أهل به رسول الله صلى الله عليه وسلم، ومعي الهدي، قال: «فلا تحل»


সুনান নাসাঈ ২৭৪৪

أخبرني عمران بن يزيد، قال: حدثنا شعيب، عن ابن جريج، قال: عطاء، قال جابر: قدم علي من سعايته، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: «بما أهللت يا علي؟» قال: بما أهل به النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «فاهد، وامكث حراما كما أنت» قال: وأهدى علي له هديا

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আলী (রাঃ) ইয়ামানে তাঁর সাদাকা-জিযয়া আদায়ের কর্তব্য পালন করে আগমন করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হে আলী (রাঃ)! তুমি কিরূপে ইহরাম করেছ? তিনি বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেরূপে ইহরাম করেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে তুমি “হাদী” (কুরবানীর জন্তু) সাথে রাখ এবং মুহরিম অবস্থায় থাক, যেমন তুমি আছো। রাবী বলেনঃ আলী (রাঃ) তাঁর নিজের জন্য ‘হাদী’ (কুরবানীর জন্তু) সাথে নিয়ে এসেছিলেন।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আলী (রাঃ) ইয়ামানে তাঁর সাদাকা-জিযয়া আদায়ের কর্তব্য পালন করে আগমন করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হে আলী (রাঃ)! তুমি কিরূপে ইহরাম করেছ? তিনি বললেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেরূপে ইহরাম করেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে তুমি “হাদী” (কুরবানীর জন্তু) সাথে রাখ এবং মুহরিম অবস্থায় থাক, যেমন তুমি আছো। রাবী বলেনঃ আলী (রাঃ) তাঁর নিজের জন্য ‘হাদী’ (কুরবানীর জন্তু) সাথে নিয়ে এসেছিলেন।

أخبرني عمران بن يزيد، قال: حدثنا شعيب، عن ابن جريج، قال: عطاء، قال جابر: قدم علي من سعايته، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: «بما أهللت يا علي؟» قال: بما أهل به النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «فاهد، وامكث حراما كما أنت» قال: وأهدى علي له هديا


সুনান নাসাঈ ২৭৪২

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا شعبة، قال: أخبرني قيس بن مسلم، قال: سمعت طارق بن شهاب، قال: قال أبو موسى: أقبلت من اليمن والنبي صلى الله عليه وسلم منيخ بالبطحاء حيث حج، فقال: «أحججت؟» قلت: نعم، قال: «كيف قلت؟» قال: قلت لبيك بإهلال كإهلال النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «فطف بالبيت وبالصفا والمروة، وأحل» ففعلت ثم أتيت امرأة ففلت رأسي، فجعلت أفتي الناس بذلك، حتى كان في خلافة عمر، فقال له رجل: يا أبا موسى رويدك بعض فتياك فإنك لا تدري ما أحدث أمير المؤمنين في النسك بعدك، قال أبو موسى: يا أيها الناس من كنا أفتيناه فليتئد، فإن أمير المؤمنين قادم عليكم، فأتموا به، وقال عمر: «إن نأخذ بكتاب الله فإنه يأمرنا بالتمام، وإن نأخذ بسنة النبي صلى الله عليه وسلم، فإن النبي صلى الله عليه وسلم، لم يحل حتى بلغ الهدي محله»

তারিক ইব্‌ন শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ মূসা (রাঃ) বলেছেনঃ আমি ইয়ামান থেকে আসলাম। তখন নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাতহায় অবস্থানরত ছিলেন। যখন তিনি হজ্জ আদায় করেন। তিনি আমাকে বলেনঃ তুমি কি হজ্জ (-এর ইহরাম) করেছ? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি কিরূপ করেছ (নিয়্যত করেছ)? তিনি বলেনঃ আমি বললামঃ “আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইহরামের ন্যায় ইহরাম করলাম। তিনি বললেনঃ তাহলে বায়তুল্লাহর তওয়াফ কর এবং সাফা মারওয়ার সাঈ কর এবং (ইহরাম ভঙ্গ করে) হালাল হয়ে যাও। আমি তা-ই করলাম। তারপর আমি এক মহিলার নিকট আসলাম, সে আমার মাথা বেছে দিল (উকুন বের করল)। এরপর আমি লোকদেরকে এরূপ ফাতাওয়া দিতে লাগলাম। এমনকি উমর (রাঃ)-এর খিলাফতকালেও। তখন তাঁকে এক ব্যক্তি বললোঃ হে আবূ মূসা! এরূপ ফাতাওয়া দেয়া থেকে আপনি বিরত থাকুন। কেননা জানেন না আপনার পরে আমীরুল মু’মিনীন হজ্জের আহকামে কি নতুন বিধান দিয়েছেন। আবূ মূসা বললেনঃ হে লোকসকল! আমি যাকে ফাতওয়া দিয়েছি, সে যেন অপেক্ষা করে। কেননা আমীরুল মু’মিনীন তোমাদের নিকট আগমন করেছেন। তোমরা তাঁর অনুসরণ করবে। উমর (রাঃ) বললেনঃ আমারা যদি আল্লাহর কিতাব অনুসারে কাজ করতে চাই তবে তিনি তো আমাদেরকে (হজ্জ ও উমরা স্বতন্ত্র রূপে) আহকাম পূর্ণ করতে আদেশ করেছেন। আর আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নত অনু্যায়ী কাজ করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম ভঙ্গ করেন নি, যতক্ষণ না কুরবানীর পশু যবাই –এর স্থানে পৌঁছে যেতো।

তারিক ইব্‌ন শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আবূ মূসা (রাঃ) বলেছেনঃ আমি ইয়ামান থেকে আসলাম। তখন নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাতহায় অবস্থানরত ছিলেন। যখন তিনি হজ্জ আদায় করেন। তিনি আমাকে বলেনঃ তুমি কি হজ্জ (-এর ইহরাম) করেছ? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি কিরূপ করেছ (নিয়্যত করেছ)? তিনি বলেনঃ আমি বললামঃ “আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইহরামের ন্যায় ইহরাম করলাম। তিনি বললেনঃ তাহলে বায়তুল্লাহর তওয়াফ কর এবং সাফা মারওয়ার সাঈ কর এবং (ইহরাম ভঙ্গ করে) হালাল হয়ে যাও। আমি তা-ই করলাম। তারপর আমি এক মহিলার নিকট আসলাম, সে আমার মাথা বেছে দিল (উকুন বের করল)। এরপর আমি লোকদেরকে এরূপ ফাতাওয়া দিতে লাগলাম। এমনকি উমর (রাঃ)-এর খিলাফতকালেও। তখন তাঁকে এক ব্যক্তি বললোঃ হে আবূ মূসা! এরূপ ফাতাওয়া দেয়া থেকে আপনি বিরত থাকুন। কেননা জানেন না আপনার পরে আমীরুল মু’মিনীন হজ্জের আহকামে কি নতুন বিধান দিয়েছেন। আবূ মূসা বললেনঃ হে লোকসকল! আমি যাকে ফাতওয়া দিয়েছি, সে যেন অপেক্ষা করে। কেননা আমীরুল মু’মিনীন তোমাদের নিকট আগমন করেছেন। তোমরা তাঁর অনুসরণ করবে। উমর (রাঃ) বললেনঃ আমারা যদি আল্লাহর কিতাব অনুসারে কাজ করতে চাই তবে তিনি তো আমাদেরকে (হজ্জ ও উমরা স্বতন্ত্র রূপে) আহকাম পূর্ণ করতে আদেশ করেছেন। আর আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নত অনু্যায়ী কাজ করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম ভঙ্গ করেন নি, যতক্ষণ না কুরবানীর পশু যবাই –এর স্থানে পৌঁছে যেতো।

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا شعبة، قال: أخبرني قيس بن مسلم، قال: سمعت طارق بن شهاب، قال: قال أبو موسى: أقبلت من اليمن والنبي صلى الله عليه وسلم منيخ بالبطحاء حيث حج، فقال: «أحججت؟» قلت: نعم، قال: «كيف قلت؟» قال: قلت لبيك بإهلال كإهلال النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «فطف بالبيت وبالصفا والمروة، وأحل» ففعلت ثم أتيت امرأة ففلت رأسي، فجعلت أفتي الناس بذلك، حتى كان في خلافة عمر، فقال له رجل: يا أبا موسى رويدك بعض فتياك فإنك لا تدري ما أحدث أمير المؤمنين في النسك بعدك، قال أبو موسى: يا أيها الناس من كنا أفتيناه فليتئد، فإن أمير المؤمنين قادم عليكم، فأتموا به، وقال عمر: «إن نأخذ بكتاب الله فإنه يأمرنا بالتمام، وإن نأخذ بسنة النبي صلى الله عليه وسلم، فإن النبي صلى الله عليه وسلم، لم يحل حتى بلغ الهدي محله»


সুনান নাসাঈ ২৭৪৫

أخبرني أحمد بن محمد بن جعفر، قال: حدثني يحيى بن معين، قال: حدثنا حجاج، قال: حدثنا يونس بن أبي إسحق، عن أبي إسحق، عن البراء، قال: كنت مع علي حين أمره النبي صلى الله عليه وسلم على اليمن، فأصبت معه أواقي، فلما قدم علي على النبي صلى الله عليه وسلم، قال علي: وجدت فاطمة قد نضحت البيت بنضوح، قال: فتخطيته، فقالت لي: ما لك، فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أمر أصحابه فأحلوا، قال: قلت إني أهللت بإهلال النبي صلى الله عليه وسلم، قال: فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فقال لي: «كيف صنعت؟» قلت: إني أهللت بما أهللت، قال: «فإني قد سقت الهدي، وقرنت»

বারা’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আলী (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ইয়ামানে ছিলাম, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ইয়ামনের আমীর (প্রশাসক) নিযুক্ত করে পাঠান। তাঁর সঙ্গে আমি কিছু উকিয়া (রৌপ্য মুদ্রা) পেলাম। যখন আলী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলেন। তখন আলী (রাঃ) বললেনঃ আমি ফাতিমা (রাঃ)-কে পেলাম যে, সে তার ঘরকে নাদুহ [১] সুগন্ধি দ্বারা সুরভিত করে রেখেছে। আমি তাকে দোষারোপ করলাম (এবং তার নিকট থেকে দূরে রইলাম)। সে আমাকে বললেনঃ আপনার কি হলো? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবিগণকে (হালাল হওয়ার) আদেশ করেছেন, এবং তাঁরা হালাল হয়েছেন (ইহরাম ভঙ্গ করেছেন)। আলী (রাঃ) বলেনঃ আমি বললামঃ আমি তো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইহরামের অনুরূপ ইহরাম করেছি। তিনি বলেনঃ তারপর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলাম। তিনি আমাকে বললেনঃ তুমি কি করেছ? আমি বললামঃ আমি আপনার ইহরামের ন্যায় ইহরাম করেছি। তিনি বললেনঃ আমি তো ‘হাদী’ (কুরবানীর পশু) সাথে এনেছি এবং কিরান হজ্জের নিয়্যাত করেছি।

বারা’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আলী (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ইয়ামানে ছিলাম, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ইয়ামনের আমীর (প্রশাসক) নিযুক্ত করে পাঠান। তাঁর সঙ্গে আমি কিছু উকিয়া (রৌপ্য মুদ্রা) পেলাম। যখন আলী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলেন। তখন আলী (রাঃ) বললেনঃ আমি ফাতিমা (রাঃ)-কে পেলাম যে, সে তার ঘরকে নাদুহ [১] সুগন্ধি দ্বারা সুরভিত করে রেখেছে। আমি তাকে দোষারোপ করলাম (এবং তার নিকট থেকে দূরে রইলাম)। সে আমাকে বললেনঃ আপনার কি হলো? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবিগণকে (হালাল হওয়ার) আদেশ করেছেন, এবং তাঁরা হালাল হয়েছেন (ইহরাম ভঙ্গ করেছেন)। আলী (রাঃ) বলেনঃ আমি বললামঃ আমি তো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইহরামের অনুরূপ ইহরাম করেছি। তিনি বলেনঃ তারপর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলাম। তিনি আমাকে বললেনঃ তুমি কি করেছ? আমি বললামঃ আমি আপনার ইহরামের ন্যায় ইহরাম করেছি। তিনি বললেনঃ আমি তো ‘হাদী’ (কুরবানীর পশু) সাথে এনেছি এবং কিরান হজ্জের নিয়্যাত করেছি।

أخبرني أحمد بن محمد بن جعفر، قال: حدثني يحيى بن معين، قال: حدثنا حجاج، قال: حدثنا يونس بن أبي إسحق، عن أبي إسحق، عن البراء، قال: كنت مع علي حين أمره النبي صلى الله عليه وسلم على اليمن، فأصبت معه أواقي، فلما قدم علي على النبي صلى الله عليه وسلم، قال علي: وجدت فاطمة قد نضحت البيت بنضوح، قال: فتخطيته، فقالت لي: ما لك، فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أمر أصحابه فأحلوا، قال: قلت إني أهللت بإهلال النبي صلى الله عليه وسلم، قال: فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم، فقال لي: «كيف صنعت؟» قلت: إني أهللت بما أهللت، قال: «فإني قد سقت الهدي، وقرنت»


সুনান নাসাঈ > উমরার ইহরাম করলে তার সাথে হজ্জ সংযুক্ত করা যাবে কি?

সুনান নাসাঈ ২৭৪৬

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن نافع، أن ابن عمر، أراد الحج عام نزل الحجاج، بابن الزبير فقيل له: إنه كائن بينهم قتال، وأنا أخاف أن يصدوك، قال: «لقد كان لكم في رسول الله، أسوة حسنة، إذا أصنع كما صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم، إني أشهدكم أني قد أوجبت عمرة» ثم خرج حتى إذا كان بظاهر البيداء، قال: «ما شأن الحج والعمرة إلا واحد أشهدكم أني قد أوجبت حجا مع عمرتي» وأهدى هديا اشتراه بقديد، ثم انطلق يهل بهما جميعا حتى قدم مكة فطاف بالبيت، وبالصفا والمروة، ولم يزد على ذلك، ولم ينحر، ولم يحلق، ولم يقصر، ولم يحل من شيء حرم منه حتى كان يوم النحر فنحر، وحلق فرأى أن قد قضى طواف الحج والعمرة بطوافه الأول، وقال ابن عمر: «كذلك فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم»

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে বছর হাজ্জাজ ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ)-এর সাথে যুদ্ধ করার জন্য এসেছিল। তাঁকে বলা হলো যে, তাদের মধ্যে যুদ্ধ লেগে যাবে এবং আমার ভয় হচ্ছে তারা আপনাকে হজ্জ বাঁধাগ্রস্ত করবে। তিনি বললেনঃ “তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে।” যদি অবস্থা তা-ই হয়, তা হলে আমি তা-ই করবো-যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছিলেন। আমি তোমাদেরকে সাক্ষী রেখে বলছি যে, আমি আমার উপর উমরা ওয়াজিব করে নিয়েছি (ইহরাম করেছি)। তারপর তিনি বের হলেন। পরে যখন তিনি ‘বায়দা’ নামক স্থানে উপস্থিত হলেন, তখন বললেনঃ হজ্জ এবং উমরার অবস্থা একই। আমি তোমাদেরকে সাক্ষী রেখে বলছি, আমি আমার উমরার সাথে হজ্জও ওয়াজিব করে নিয়েছি (হজ্জের ও ইহরাম করলাম)। আর তিনি একটি ‘হাদী’ (কুরবানীর পশু) এনেছিলেন, যা তিনি কুদায়াদ নামক স্থান থেকে ক্রয় করেছিলেন। তারপর তিনি হজ্জ এবং উমরাহ উভয়ের তালবিয়া পড়তে পড়তে চলতে থাকলেন। পরে তিনি মক্কায় আগমন করে বায়তুল্লাহর তওয়াফ এবং সাফা মারওয়ার সাঈ করেন। এর অতিরিক্ত তিনি কিছু করেন নি। হাদী যবাই করলেন না, মাথা মুন্ডালেন না, চুলও কাটলেন না এবং যে সকল বস্তু হারাম ছিল, তার কোনটি থেকে ‘হালাল ’ হলেন না। এভাবে কুরবানীর দিন উপস্থিত হলো। তারপর তিনি (হাদী) যবাই (কুরবানী) করলেন ও মাথা মুণ্ডন করলেন। তিনি মনে করলেন যে, প্রথম তওয়াফ দ্বারাই হজ্জ ও উমরার তওয়াফ পূর্ণ করেছেন। ইব্‌ন উমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপই করেছেন।

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে বছর হাজ্জাজ ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ)-এর সাথে যুদ্ধ করার জন্য এসেছিল। তাঁকে বলা হলো যে, তাদের মধ্যে যুদ্ধ লেগে যাবে এবং আমার ভয় হচ্ছে তারা আপনাকে হজ্জ বাঁধাগ্রস্ত করবে। তিনি বললেনঃ “তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে।” যদি অবস্থা তা-ই হয়, তা হলে আমি তা-ই করবো-যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছিলেন। আমি তোমাদেরকে সাক্ষী রেখে বলছি যে, আমি আমার উপর উমরা ওয়াজিব করে নিয়েছি (ইহরাম করেছি)। তারপর তিনি বের হলেন। পরে যখন তিনি ‘বায়দা’ নামক স্থানে উপস্থিত হলেন, তখন বললেনঃ হজ্জ এবং উমরার অবস্থা একই। আমি তোমাদেরকে সাক্ষী রেখে বলছি, আমি আমার উমরার সাথে হজ্জও ওয়াজিব করে নিয়েছি (হজ্জের ও ইহরাম করলাম)। আর তিনি একটি ‘হাদী’ (কুরবানীর পশু) এনেছিলেন, যা তিনি কুদায়াদ নামক স্থান থেকে ক্রয় করেছিলেন। তারপর তিনি হজ্জ এবং উমরাহ উভয়ের তালবিয়া পড়তে পড়তে চলতে থাকলেন। পরে তিনি মক্কায় আগমন করে বায়তুল্লাহর তওয়াফ এবং সাফা মারওয়ার সাঈ করেন। এর অতিরিক্ত তিনি কিছু করেন নি। হাদী যবাই করলেন না, মাথা মুন্ডালেন না, চুলও কাটলেন না এবং যে সকল বস্তু হারাম ছিল, তার কোনটি থেকে ‘হালাল ’ হলেন না। এভাবে কুরবানীর দিন উপস্থিত হলো। তারপর তিনি (হাদী) যবাই (কুরবানী) করলেন ও মাথা মুণ্ডন করলেন। তিনি মনে করলেন যে, প্রথম তওয়াফ দ্বারাই হজ্জ ও উমরার তওয়াফ পূর্ণ করেছেন। ইব্‌ন উমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপই করেছেন।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن نافع، أن ابن عمر، أراد الحج عام نزل الحجاج، بابن الزبير فقيل له: إنه كائن بينهم قتال، وأنا أخاف أن يصدوك، قال: «لقد كان لكم في رسول الله، أسوة حسنة، إذا أصنع كما صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم، إني أشهدكم أني قد أوجبت عمرة» ثم خرج حتى إذا كان بظاهر البيداء، قال: «ما شأن الحج والعمرة إلا واحد أشهدكم أني قد أوجبت حجا مع عمرتي» وأهدى هديا اشتراه بقديد، ثم انطلق يهل بهما جميعا حتى قدم مكة فطاف بالبيت، وبالصفا والمروة، ولم يزد على ذلك، ولم ينحر، ولم يحلق، ولم يقصر، ولم يحل من شيء حرم منه حتى كان يوم النحر فنحر، وحلق فرأى أن قد قضى طواف الحج والعمرة بطوافه الأول، وقال ابن عمر: «كذلك فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم»


সুনান নাসাঈ > কিরূপে তালবিয়া পড়তে হয়?

সুনান নাসাঈ ২৭৪৮

أخبرنا أحمد بن عبد الله بن الحكم، قال: حدثنا محمد بن جعفر، قال: حدثنا شعبة، قال: سمعت زيدا، وأبا بكر ابني محمد بن زيد أنهما، سمعا نافعا، يحدث عن عبد الله بن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يقول: «لبيك اللهم لبيك، لبيك لا شريك لك لبيك، إن الحمد والنعمة لك والملك، لا شريك لك»

আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলতেনঃ (আরবী)

আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলতেনঃ (আরবী)

أخبرنا أحمد بن عبد الله بن الحكم، قال: حدثنا محمد بن جعفر، قال: حدثنا شعبة، قال: سمعت زيدا، وأبا بكر ابني محمد بن زيد أنهما، سمعا نافعا، يحدث عن عبد الله بن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يقول: «لبيك اللهم لبيك، لبيك لا شريك لك لبيك، إن الحمد والنعمة لك والملك، لا شريك لك»


সুনান নাসাঈ ২৭৫১

أخبرنا أحمد بن عبدة، قال: حدثنا حماد بن زيد، عن أبان بن تغلب، عن أبي إسحق، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله بن مسعود، قال: «كان من تلبية النبي صلى الله عليه وسلم، لبيك اللهم لبيك، لبيك لا شريك لك لبيك، إن الحمد والنعمة لك» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره

আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়া ছিলঃ (আরবী)

আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়া ছিলঃ (আরবী)

أخبرنا أحمد بن عبدة، قال: حدثنا حماد بن زيد، عن أبان بن تغلب، عن أبي إسحق، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله بن مسعود، قال: «كان من تلبية النبي صلى الله عليه وسلم، لبيك اللهم لبيك، لبيك لا شريك لك لبيك، إن الحمد والنعمة لك» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره


সুনান নাসাঈ ২৭৪৯

أخبرنا قتيبة بن سعيد، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، قال: «تلبية رسول الله صلى الله عليه وسلم، لبيك اللهم لبيك لبيك، لا شريك لك لبيك، إن الحمد والنعمة لك والملك، لا شريك لك»

আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়া ছিলঃ (আরবী)

আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়া ছিলঃ (আরবী)

أخبرنا قتيبة بن سعيد، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، قال: «تلبية رسول الله صلى الله عليه وسلم، لبيك اللهم لبيك لبيك، لا شريك لك لبيك، إن الحمد والنعمة لك والملك، لا شريك لك»


সুনান নাসাঈ ২৭৫০

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا هشيم، قال: أنبأنا أبو بشر، عن عبيد الله بن عبد الله بن عمر، عن أبيه، قال: " كانت تلبية رسول الله صلى الله عليه وسلم: لبيك اللهم لبيك، لبيك لا شريك لك لبيك، إن الحمد والنعمة لك والملك، لا شريك لك " وزاد فيه ابن عمر: «لبيك لبيك وسعديك، والخير في يديك، والرغباء إليك، والعمل»

উবায়দুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়া ছিলঃ (আরবী) ইবন উমর (রাঃ) তাতে আরও বাড়িয়ে বলেছেনঃ (আরবী) [১]

উবায়দুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়া ছিলঃ (আরবী) ইবন উমর (রাঃ) তাতে আরও বাড়িয়ে বলেছেনঃ (আরবী) [১]

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا هشيم، قال: أنبأنا أبو بشر، عن عبيد الله بن عبد الله بن عمر، عن أبيه، قال: " كانت تلبية رسول الله صلى الله عليه وسلم: لبيك اللهم لبيك، لبيك لا شريك لك لبيك، إن الحمد والنعمة لك والملك، لا شريك لك " وزاد فيه ابن عمر: «لبيك لبيك وسعديك، والخير في يديك، والرغباء إليك، والعمل»


সুনান নাসাঈ ২৭৪৭

أخبرنا عيسى بن إبراهيم، قال: حدثنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال: إن سالما، أخبرني أن أباه، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يهل يقول: «لبيك اللهم لبيك، لبيك لا شريك لك لبيك، إن الحمد والنعمة لك والملك، لا شريك لك» وإن عبد الله بن عمر كان يقول: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم، يركع بذي الحليفة ركعتين، ثم إذا استوت به الناقة قائمة عند مسجد ذي الحليفة، أهل بهؤلاء الكلمات

ইবন শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ সাদিম (রহঃ) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁর পিতা বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছি। তিনি বলছিলেনঃ (অর্থঃ আমি হাযির, হাযির, হে আল্লাহ্‌! আমি হাযির! হাযির আমি হাযির! আপনার কোন শরীক নেই। হাযির আমি হাযির। সমস্ত প্রশংসা ও নি’আমাত (এর অধিকার) আপনার এবং (সমগ্র) রাজত্ব; (এসবে) আপনার কোন শরীক-অংশীদার নেই। আর আবদুল্লাহ ইবন উমর বলতেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুলহুলায়ফায় দু’রাক’আত সালাত আদায় করতেন। তারপর যখন তিনি যুলহুলায়ফা মসজিদের নিকট উটনীর উপর আরোহণ করতেন, তখন তিনি ঐ সকল বাক্য দিয়ে তালবিয়া পাঠ করতেন।

ইবন শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ সাদিম (রহঃ) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁর পিতা বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছি। তিনি বলছিলেনঃ (অর্থঃ আমি হাযির, হাযির, হে আল্লাহ্‌! আমি হাযির! হাযির আমি হাযির! আপনার কোন শরীক নেই। হাযির আমি হাযির। সমস্ত প্রশংসা ও নি’আমাত (এর অধিকার) আপনার এবং (সমগ্র) রাজত্ব; (এসবে) আপনার কোন শরীক-অংশীদার নেই। আর আবদুল্লাহ ইবন উমর বলতেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুলহুলায়ফায় দু’রাক’আত সালাত আদায় করতেন। তারপর যখন তিনি যুলহুলায়ফা মসজিদের নিকট উটনীর উপর আরোহণ করতেন, তখন তিনি ঐ সকল বাক্য দিয়ে তালবিয়া পাঠ করতেন।

أخبرنا عيسى بن إبراهيم، قال: حدثنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال: إن سالما، أخبرني أن أباه، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يهل يقول: «لبيك اللهم لبيك، لبيك لا شريك لك لبيك، إن الحمد والنعمة لك والملك، لا شريك لك» وإن عبد الله بن عمر كان يقول: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم، يركع بذي الحليفة ركعتين، ثم إذا استوت به الناقة قائمة عند مسجد ذي الحليفة، أهل بهؤلاء الكلمات


সুনান নাসাঈ ২৭৫২

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا حميد بن عبد الرحمن، عن عبد العزيز بن أبي سلمة، عن عبد الله بن الفضل، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال: «كان من تلبية النبي صلى الله عليه وسلم، لبيك إله الحق» قال أبو عبد الرحمن: لا أعلم أحدا أسند هذا، عن عبد الله بن الفضل، إلا عبد العزيز، رواه إسمعيل بن أمية عنه مرسلا

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়ার মধ্যে ছিলঃ (হে সত্যের ইলাহ, হাজির আপনার কাছে, হাযির!) আবূ আবদুর রহমান বলেনঃ আবদুল আযীয ব্যতীত আবদুল্লাহ ইবন ফজল থেকে অন্য কেউ এটা বর্ণনা করেছেন বলে জানা নেই। ইসমাঈল ইবন উমাইয়া তাঁর থেকে মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়ার মধ্যে ছিলঃ (হে সত্যের ইলাহ, হাজির আপনার কাছে, হাযির!) আবূ আবদুর রহমান বলেনঃ আবদুল আযীয ব্যতীত আবদুল্লাহ ইবন ফজল থেকে অন্য কেউ এটা বর্ণনা করেছেন বলে জানা নেই। ইসমাঈল ইবন উমাইয়া তাঁর থেকে মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا حميد بن عبد الرحمن، عن عبد العزيز بن أبي سلمة، عن عبد الله بن الفضل، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال: «كان من تلبية النبي صلى الله عليه وسلم، لبيك إله الحق» قال أبو عبد الرحمن: لا أعلم أحدا أسند هذا، عن عبد الله بن الفضل، إلا عبد العزيز، رواه إسمعيل بن أمية عنه مرسلا


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00