সুনান নাসাঈ > যার নিকট দিরহাম নেই কিন্তু তার সমপরিমাণ (মূল্যের মাল) আছে সে ব্যক্তি প্রসঙ্গে

সুনান নাসাঈ ২৫৯৭

أخبرنا هناد بن السري، عن أبي بكر، عن أبي حصين، عن سالم، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تحل الصدقة لغني، ولا لذي مرة سوي»

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, স্বচ্ছল ব্যক্তির জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ নয় এবং সক্ষম ও সবল ব্যক্তির জন্যও নয়।

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, স্বচ্ছল ব্যক্তির জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ নয় এবং সক্ষম ও সবল ব্যক্তির জন্যও নয়।

أخبرنا هناد بن السري، عن أبي بكر، عن أبي حصين، عن سالم، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تحل الصدقة لغني، ولا لذي مرة سوي»


সুনান নাসাঈ ২৫৯৬

قال الحارث بن مسكين: قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن القاسم، قال: أنبأنا مالك، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن رجل من بني أسد قال: نزلت أنا وأهلي، ببقيع الغرقد فقالت لي أهلي: اذهب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فسله لنا شيئا نأكله، فذهبت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فوجدت عنده رجلا يسأله، ورسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: «لا أجد ما أعطيك» فولى الرجل عنه وهو مغضب، وهو يقول: لعمري إنك لتعطي من شئت، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إنه ليغضب علي أن لا أجد ما أعطيه، من سأل منكم وله أوقية أو عدلها، فقد سأل إلحافا» قال الأسدي: فقلت للقحة لنا خير من أوقية، والأوقية: أربعون درهما، فرجعت، ولم أسأله، فقدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد ذلك، شعير، وزبيب، فقسم لنا منه حتى أغنانا الله عز وجل

আতা ইব্‌ন ইয়সার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি এবং আমার স্ত্রী বকীউল গারকাদ নামক স্থানে আসলাম। আমার স্ত্রী আমাকে বলল যে, তুমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাও এবং তাঁর কাছে থেকে কিছু নিয়ে আস, আমরা খাব। আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম, তখন তাঁর সামনে এমন একজন লোক পেলাম, যে তাঁর কাছে কিছু সাহায্য চাচ্ছিল আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছিলেন, আমার কাছে তোমাকে দেওয়ার মত কিছুই নেই। তখন সে ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হয়ে চলে যাচ্ছিল এবং বলছিল যে, আমার জীবনের কসম! আপনি যাকে ইচ্ছা তাকেই দেবেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমার কাছে তাকে দেওয়ার মত কিছুই না থাকার কারণে সে আমার উপর ক্ষুব্ধ হচ্ছে। তোমাদের মধ্যে যদি কোন ব্যক্তি সাহায্য চায় অথচ তার কাছে চলএক উকিয়া (দিরহাম) বা তার সমপরিমাণ মূল্যের কোন বস্তু থাকে তবে সে যেন পীড়াপীড়ি করে সাহায্য প্রার্থনা করল। আসাদী ব্যক্তি মনে মনে বলল যে, আমার উষ্ট্রীর মূল্য এক উকিয়া (দিরহাম) থেকেও বেশী হবে। এক উকিয়া হল চল্লিশ দিরহাম। তাই আমি ফিরে আসলাম এবং কোন সাহায্য চাইলাম না। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কিছু যব এবং শুষ্ক আঙ্গুর (কিশমিশ) আসলে তিনি তা থেকে আমাদের জন্যও কিছু বণ্টন করে দিলেন। এমনিভাবে মহান মহিয়ান আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে অভাবমুক্ত করে (পরমুখাপেক্ষীতা হতে বাঁচিয়ে) দিলেন।

আতা ইব্‌ন ইয়সার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি এবং আমার স্ত্রী বকীউল গারকাদ নামক স্থানে আসলাম। আমার স্ত্রী আমাকে বলল যে, তুমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাও এবং তাঁর কাছে থেকে কিছু নিয়ে আস, আমরা খাব। আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলাম, তখন তাঁর সামনে এমন একজন লোক পেলাম, যে তাঁর কাছে কিছু সাহায্য চাচ্ছিল আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলছিলেন, আমার কাছে তোমাকে দেওয়ার মত কিছুই নেই। তখন সে ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হয়ে চলে যাচ্ছিল এবং বলছিল যে, আমার জীবনের কসম! আপনি যাকে ইচ্ছা তাকেই দেবেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমার কাছে তাকে দেওয়ার মত কিছুই না থাকার কারণে সে আমার উপর ক্ষুব্ধ হচ্ছে। তোমাদের মধ্যে যদি কোন ব্যক্তি সাহায্য চায় অথচ তার কাছে চলএক উকিয়া (দিরহাম) বা তার সমপরিমাণ মূল্যের কোন বস্তু থাকে তবে সে যেন পীড়াপীড়ি করে সাহায্য প্রার্থনা করল। আসাদী ব্যক্তি মনে মনে বলল যে, আমার উষ্ট্রীর মূল্য এক উকিয়া (দিরহাম) থেকেও বেশী হবে। এক উকিয়া হল চল্লিশ দিরহাম। তাই আমি ফিরে আসলাম এবং কোন সাহায্য চাইলাম না। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কিছু যব এবং শুষ্ক আঙ্গুর (কিশমিশ) আসলে তিনি তা থেকে আমাদের জন্যও কিছু বণ্টন করে দিলেন। এমনিভাবে মহান মহিয়ান আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে অভাবমুক্ত করে (পরমুখাপেক্ষীতা হতে বাঁচিয়ে) দিলেন।

قال الحارث بن مسكين: قراءة عليه وأنا أسمع، عن ابن القاسم، قال: أنبأنا مالك، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن رجل من بني أسد قال: نزلت أنا وأهلي، ببقيع الغرقد فقالت لي أهلي: اذهب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فسله لنا شيئا نأكله، فذهبت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فوجدت عنده رجلا يسأله، ورسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: «لا أجد ما أعطيك» فولى الرجل عنه وهو مغضب، وهو يقول: لعمري إنك لتعطي من شئت، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إنه ليغضب علي أن لا أجد ما أعطيه، من سأل منكم وله أوقية أو عدلها، فقد سأل إلحافا» قال الأسدي: فقلت للقحة لنا خير من أوقية، والأوقية: أربعون درهما، فرجعت، ولم أسأله، فقدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد ذلك، شعير، وزبيب، فقسم لنا منه حتى أغنانا الله عز وجل


সুনান নাসাঈ > উপার্জনে সক্ষম ও সবল ব্যক্তির সাহায্য চাওয়া প্রসঙ্গে

সুনান নাসাঈ ২৫৯৮

أخبرنا عمرو بن علي، ومحمد بن المثنى، قالا: حدثنا يحيى، عن هشام بن عروة، قال: حدثني أبي، قال: حدثني عبيد الله بن عدي بن الخيار، أن رجلين حدثاه أنهما: أتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم يسألانه من الصدقة؟ فقلب فيهما البصر، - وقال محمد: بصره - فرآهما جلدين، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن شئتما، ولا حظ فيها لغني، ولا لقوي مكتسب»

উবায়দুল্লাহ ইব্‌ন আদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

দু’জন লোক তাঁকে বলেছেন, তাঁরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে তাঁর কাছে সাদাকা (যাকাত) হতে কিছু সাহায্য চাইলেন। তিনি তাদের দিকে তাকিয়ে দেখলেন যে, তারা উভয়েই সক্ষম ব্যক্তি। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি তোমরা চাও তবে তোমাদেরকে দেব, কিন্তু স্বচ্ছল ও উপার্জনে সক্ষম ব্যক্তির জন্য এতে কোন অংশ নেই।

উবায়দুল্লাহ ইব্‌ন আদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

দু’জন লোক তাঁকে বলেছেন, তাঁরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে তাঁর কাছে সাদাকা (যাকাত) হতে কিছু সাহায্য চাইলেন। তিনি তাদের দিকে তাকিয়ে দেখলেন যে, তারা উভয়েই সক্ষম ব্যক্তি। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি তোমরা চাও তবে তোমাদেরকে দেব, কিন্তু স্বচ্ছল ও উপার্জনে সক্ষম ব্যক্তির জন্য এতে কোন অংশ নেই।

أخبرنا عمرو بن علي، ومحمد بن المثنى، قالا: حدثنا يحيى، عن هشام بن عروة، قال: حدثني أبي، قال: حدثني عبيد الله بن عدي بن الخيار، أن رجلين حدثاه أنهما: أتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم يسألانه من الصدقة؟ فقلب فيهما البصر، - وقال محمد: بصره - فرآهما جلدين، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن شئتما، ولا حظ فيها لغني، ولا لقوي مكتسب»


সুনান নাসাঈ > শাসনকর্তার নিকট সাহায্য চাওয়া

সুনান নাসাঈ ২৫৯৯

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: محمد بن بشر، قال: أنبأنا شعبة، عن عبد الملك، عن زيد بن عقبة، عن سمرة بن جندب، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن المسائل كدوح، يكدح بها الرجل وجهه، فمن شاء كدح وجهه، ومن شاء ترك، إلا أن يسأل الرجل ذا سلطان، أو شيئا لا يجد منه بدا»

সামুরা ইব্‌ন জুন্দুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সাহায্য চাওয়া এমন একটি ক্ষত যদ্বারা মানুষ স্বীয় চেহারাকে বিকৃত করে দেয়। তাই যার ইচ্ছা হয় সে চেহারাকে ক্ষতযুক্ত করুক, আর যার ইচ্ছা হয় সে না করুক। তবে হ্যাঁ; কোন মানুষ শাসনকর্তার নিকট সাহায্য চাইতে পারে অথবা এমন কোন জিনিস সাহায্য চাইতে পারে যা তার একান্ত দরকার।

সামুরা ইব্‌ন জুন্দুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সাহায্য চাওয়া এমন একটি ক্ষত যদ্বারা মানুষ স্বীয় চেহারাকে বিকৃত করে দেয়। তাই যার ইচ্ছা হয় সে চেহারাকে ক্ষতযুক্ত করুক, আর যার ইচ্ছা হয় সে না করুক। তবে হ্যাঁ; কোন মানুষ শাসনকর্তার নিকট সাহায্য চাইতে পারে অথবা এমন কোন জিনিস সাহায্য চাইতে পারে যা তার একান্ত দরকার।

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: محمد بن بشر، قال: أنبأنا شعبة، عن عبد الملك، عن زيد بن عقبة، عن سمرة بن جندب، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن المسائل كدوح، يكدح بها الرجل وجهه، فمن شاء كدح وجهه، ومن شاء ترك، إلا أن يسأل الرجل ذا سلطان، أو شيئا لا يجد منه بدا»


সুনান নাসাঈ > অত্যাবশ্যকীয় জিনিস চাওয়া প্রসঙ্গে

সুনান নাসাঈ ২৬০০

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا وكيع، قال: حدثنا سفيان، عن عبد الملك، عن زيد بن عقبة، عن سمرة بن جندب، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «المسألة كد يكد بها الرجل وجهه، إلا أن يسأل الرجل سلطانا، أو في أمر لا بد منه»

সামুরা ইব্‌ন জুন্দুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সাহায্য চাওয়া একটি ক্ষত যা দ্বারা মানুষ স্বীয় চেহারাকে বিকৃত করে দেয়। তবে হ্যাঁ, কোন মানুষ শাসনকর্তার নিকট সাহায্য চাইতে পারে অথবা অত্যাবশ্যকীয় বস্তু চাইতে পারে।

সামুরা ইব্‌ন জুন্দুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সাহায্য চাওয়া একটি ক্ষত যা দ্বারা মানুষ স্বীয় চেহারাকে বিকৃত করে দেয়। তবে হ্যাঁ, কোন মানুষ শাসনকর্তার নিকট সাহায্য চাইতে পারে অথবা অত্যাবশ্যকীয় বস্তু চাইতে পারে।

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا وكيع، قال: حدثنا سفيان، عن عبد الملك، عن زيد بن عقبة، عن سمرة بن جندب، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «المسألة كد يكد بها الرجل وجهه، إلا أن يسأل الرجل سلطانا، أو في أمر لا بد منه»


সুনান নাসাঈ ২৬০১

خبرنا عبد الجبار بن العلاء بن عبد الجبار، عن سفيان، عن الزهري، قال: أخبرني عروة، عن حكيم بن حزام، قال: سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأعطاني، ثم سألته، فأعطاني، ثم سألته، فأعطاني، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يا حكيم إن هذا المال خضرة حلوة، فمن أخذه بطيب نفس، بورك له فيه، ومن أخذه بإشراف نفس، لم يبارك له فيه، وكان كالذي يأكل، ولا يشبع، واليد العليا، خير من اليد السفلى»

হাকীম ইব্‌ন হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি একবার রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কিছু সাহায্য চাইলে তিনি আমাকে সাহায্য করলেন। অতঃপর তাঁর কাছে আবারও সাহায্য চাইলে তিনি আবার আমাকে সাহায্য করলেন। এরপর আমি তাঁর কাছে সাহায্য চাইলে তিনি আমাকে পুনরায় সাহায্য করলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরপর বললেন, হে হাকীম! এ সমস্ত ধন-সম্পদ মনোমুগ্ধকর বটে তবে যে ব্যক্তি এগুলো সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করে তার জন্য তাতে বরকত দেওয়া হয়, আর যে ব্যক্তি লোভাতুর অন্তরে গ্রহণ করে তার জন্য তাতে কোন বরকত দেওয়া হয় না, সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে আহার করে কিন্তু পরিতৃপ্ত হয় না। আর উপরের হাত নীচের হাত(দাতা গ্রহীতার চেয়ে) থেকে উত্তম।

হাকীম ইব্‌ন হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি একবার রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কিছু সাহায্য চাইলে তিনি আমাকে সাহায্য করলেন। অতঃপর তাঁর কাছে আবারও সাহায্য চাইলে তিনি আবার আমাকে সাহায্য করলেন। এরপর আমি তাঁর কাছে সাহায্য চাইলে তিনি আমাকে পুনরায় সাহায্য করলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরপর বললেন, হে হাকীম! এ সমস্ত ধন-সম্পদ মনোমুগ্ধকর বটে তবে যে ব্যক্তি এগুলো সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করে তার জন্য তাতে বরকত দেওয়া হয়, আর যে ব্যক্তি লোভাতুর অন্তরে গ্রহণ করে তার জন্য তাতে কোন বরকত দেওয়া হয় না, সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে আহার করে কিন্তু পরিতৃপ্ত হয় না। আর উপরের হাত নীচের হাত(দাতা গ্রহীতার চেয়ে) থেকে উত্তম।

خبرنا عبد الجبار بن العلاء بن عبد الجبار، عن سفيان، عن الزهري، قال: أخبرني عروة، عن حكيم بن حزام، قال: سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأعطاني، ثم سألته، فأعطاني، ثم سألته، فأعطاني، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يا حكيم إن هذا المال خضرة حلوة، فمن أخذه بطيب نفس، بورك له فيه، ومن أخذه بإشراف نفس، لم يبارك له فيه، وكان كالذي يأكل، ولا يشبع، واليد العليا، خير من اليد السفلى»


সুনান নাসাঈ ২৬০২

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا مسكين بن بكير، قال: حدثنا الأوزاعي، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن حكيم بن حزام، قال: سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعطاني، ثم سألته، فأعطاني، ثم سألته، فأعطاني، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يا حكيم إن هذا المال خضرة حلوة، من أخذه بسخاوة نفس، بورك له فيه، ومن أخذه بإشراف النفس، لم يبارك له فيه، وكان كالذي يأكل، ولا يشبع، واليد العليا، خير من اليد السفلى»

হাকীম ইব্‌ন হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি একবার রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কিছু সাহায্য চাইলে তিনি আমাকে সাহায্য করলেন। তাঁর কাছে আবারও কিছু সাহায্য চাইলে তিনি আমাকে কিছু সাহায্য করলেন। পুনরায় সাহায্য চাইলে আমাকে সাহায্য করলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে হাকীম! এ সমস্ত ধন-সম্পদ উত্তম এবং উৎকৃষ্ট। যে ব্যক্তি সেগুলো সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করে তার জন্য তাতে বরকত দেওয়া হয় আর যে ব্যক্তি তা লোভাতুর অন্তরে গ্রহণ করে তার জন্য তাতে কোন বরকত দেওয়া হয় না। সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে আহার করে কিন্তু পরিতৃপ্ত হতে পারে না। আর উপরের হাত(দাতা হাত গ্রহীতা হাত) নীচের হাত থেকে উত্তম।

হাকীম ইব্‌ন হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি একবার রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কিছু সাহায্য চাইলে তিনি আমাকে সাহায্য করলেন। তাঁর কাছে আবারও কিছু সাহায্য চাইলে তিনি আমাকে কিছু সাহায্য করলেন। পুনরায় সাহায্য চাইলে আমাকে সাহায্য করলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে হাকীম! এ সমস্ত ধন-সম্পদ উত্তম এবং উৎকৃষ্ট। যে ব্যক্তি সেগুলো সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করে তার জন্য তাতে বরকত দেওয়া হয় আর যে ব্যক্তি তা লোভাতুর অন্তরে গ্রহণ করে তার জন্য তাতে কোন বরকত দেওয়া হয় না। সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে আহার করে কিন্তু পরিতৃপ্ত হতে পারে না। আর উপরের হাত(দাতা হাত গ্রহীতা হাত) নীচের হাত থেকে উত্তম।

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا مسكين بن بكير، قال: حدثنا الأوزاعي، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن حكيم بن حزام، قال: سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعطاني، ثم سألته، فأعطاني، ثم سألته، فأعطاني، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يا حكيم إن هذا المال خضرة حلوة، من أخذه بسخاوة نفس، بورك له فيه، ومن أخذه بإشراف النفس، لم يبارك له فيه، وكان كالذي يأكل، ولا يشبع، واليد العليا، خير من اليد السفلى»


সুনান নাসাঈ ২৬০৩

خبرني الربيع بن سليمان بن داود، قال: حدثنا إسحق بن بكر، قال: حدثني أبي، عن عمرو بن الحارث، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، وسعيد بن المسيب، أن حكيم بن حزام، قال: سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأعطاني، ثم سألته، فأعطاني، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يا حكيم إن هذا المال حلوة، فمن أخذه بسخاوة نفس، بورك له فيه، ومن أخذه بإشراف نفس، لم يبارك له فيه، وكان كالذي يأكل، ولا يشبع، واليد العليا، خير من اليد السفلى» قال حكيم: فقلت يا رسول الله: والذي بعثك بالحق، لا أرزأ أحدا بعدك حتى أفارق الدنيا بشيء

হাকীম ইব্‌ন হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি একবার রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কিছু সাহায্য চাইলাম। তিনি আমাকে সাহায্য করলেন। আমি তাঁর কাছে আবার কিছু সাহায্য চাইলে তিনি আমাকে আবারও সাহায্য করলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে হাকীম! এ সমস্ত ধন-সম্পদ হলো সুস্বাদু (মনোমুগ্ধকর)। যে ব্যক্তি এগুলো সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করে তার জন্য তাতে বরকত দেওয়া হয়, আর যে ব্যক্তি এগুলো লোভাতুর অন্তরে গ্রহণ করে তার জন্য তাতে কোন বরকত দেওয়া হয় না। সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে আহার করল কিন্তু পরিতৃপ্ত হতে পারল না। আর উপরের হাত নীচের হাত থেকে উত্তম। হাকীম (রাঃ) বলেন, ‘আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন সহ পাঠিয়েছেন, আপনার (কাছে চাওয়ার) পরে আমি আমার দুনিয়া ছেড়ে যাওয়া পর্যন্ত (জীবিত থাকাকালীন) কাউকে ঝামেলা করবনা। (কারো কাছে কিছুই চাইব না।)

হাকীম ইব্‌ন হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি একবার রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কিছু সাহায্য চাইলাম। তিনি আমাকে সাহায্য করলেন। আমি তাঁর কাছে আবার কিছু সাহায্য চাইলে তিনি আমাকে আবারও সাহায্য করলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে হাকীম! এ সমস্ত ধন-সম্পদ হলো সুস্বাদু (মনোমুগ্ধকর)। যে ব্যক্তি এগুলো সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করে তার জন্য তাতে বরকত দেওয়া হয়, আর যে ব্যক্তি এগুলো লোভাতুর অন্তরে গ্রহণ করে তার জন্য তাতে কোন বরকত দেওয়া হয় না। সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে আহার করল কিন্তু পরিতৃপ্ত হতে পারল না। আর উপরের হাত নীচের হাত থেকে উত্তম। হাকীম (রাঃ) বলেন, ‘আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন সহ পাঠিয়েছেন, আপনার (কাছে চাওয়ার) পরে আমি আমার দুনিয়া ছেড়ে যাওয়া পর্যন্ত (জীবিত থাকাকালীন) কাউকে ঝামেলা করবনা। (কারো কাছে কিছুই চাইব না।)

خبرني الربيع بن سليمان بن داود، قال: حدثنا إسحق بن بكر، قال: حدثني أبي، عن عمرو بن الحارث، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، وسعيد بن المسيب، أن حكيم بن حزام، قال: سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأعطاني، ثم سألته، فأعطاني، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يا حكيم إن هذا المال حلوة، فمن أخذه بسخاوة نفس، بورك له فيه، ومن أخذه بإشراف نفس، لم يبارك له فيه، وكان كالذي يأكل، ولا يشبع، واليد العليا، خير من اليد السفلى» قال حكيم: فقلت يا رسول الله: والذي بعثك بالحق، لا أرزأ أحدا بعدك حتى أفارق الدنيا بشيء


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00