সুনান নাসাঈ > নেক্কার লোকদের কাছে ভিক্ষা চাওয়া
সুনান নাসাঈ ২৫৮৭
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن جعفر بن ربيعة، عن بكر بن سوادة، عن مسلم بن مخشي، عن ابن الفراسي، أن الفراسي، قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم: أسأل يا رسول الله؟ قال: «لا وإن كنت سائلا، لا بد فاسأل الصالحين»
ইব্ন ফিরাসী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফিরাসী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্। আমি কি ভিক্ষা চাইব? তিনি বললেন, না। অগত্যা যদি চাইতেই হয় তবে নেক্কার লোকদের কাছে চাইবে।
ইব্ন ফিরাসী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফিরাসী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্। আমি কি ভিক্ষা চাইব? তিনি বললেন, না। অগত্যা যদি চাইতেই হয় তবে নেক্কার লোকদের কাছে চাইবে।
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن جعفر بن ربيعة، عن بكر بن سوادة، عن مسلم بن مخشي، عن ابن الفراسي، أن الفراسي، قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم: أسأل يا رسول الله؟ قال: «لا وإن كنت سائلا، لا بد فاسأل الصالحين»
সুনান নাসাঈ > ভিক্ষা থেকে আত্মরক্ষা করা
সুনান নাসাঈ ২৫৮৯
أخبرنا علي بن شعيب، قال: أنبأنا معن، قال: أنبأنا مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «والذي نفسي بيده لأن يأخذ أحدكم حبله فيحتطب على ظهره، خير له من أن يأتي رجلا أعطاه الله عز وجل من فضله، فيسأله أعطاه، أو منعه»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঐ সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার জীবন, তোমাদের কেউ তার রশি নিয়ে এবং কাঠ সংগ্রহ করে তা পিঠে বহন করে আনা তার জন্য এর চেয়ে উত্তম, যে মহান মহিয়ান আল্লাহ্র দেওয়া ধন-সম্পত্তির অধিকারী কোন ব্যক্তির কাছে এসে তার কাছে ভিক্ষা চাইবে, সে হয়তো ভিক্ষা দিবে নয়তো দেবে না।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঐ সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার জীবন, তোমাদের কেউ তার রশি নিয়ে এবং কাঠ সংগ্রহ করে তা পিঠে বহন করে আনা তার জন্য এর চেয়ে উত্তম, যে মহান মহিয়ান আল্লাহ্র দেওয়া ধন-সম্পত্তির অধিকারী কোন ব্যক্তির কাছে এসে তার কাছে ভিক্ষা চাইবে, সে হয়তো ভিক্ষা দিবে নয়তো দেবে না।
أخبرنا علي بن شعيب، قال: أنبأنا معن، قال: أنبأنا مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «والذي نفسي بيده لأن يأخذ أحدكم حبله فيحتطب على ظهره، خير له من أن يأتي رجلا أعطاه الله عز وجل من فضله، فيسأله أعطاه، أو منعه»
সুনান নাসাঈ ২৫৮৮
أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عطاء بن يزيد، عن أبي سعيد الخدري، أن ناسا من الأنصار، سألوا رسول الله، فأعطاهم، ثم سألوه، فأعطاهم حتى إذا نفد ما عنده، قال: «ما يكون عندي من خير، فلن أدخره عنكم، ومن يستعفف يعفه الله عز وجل، ومن يصبر، يصبره الله، وما أعطي أحد عطاء هو خير، وأوسع من الصبر»
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কিছ সংখ্যক আনসারী রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কাছে সাহায্য চাইলে তিনি তাদেরকে দিলেন। এরপর তারা আবার চাইলে আবারও দিলেন। এমনিভাবে তাঁর কাছে যা ছিল সব শেষ হয়ে গেলে তিনি বললেন, আমার কাছে কোন সম্পদ থাকলে তা কখনো তোমাদের থেকে সঞ্চয় করে রাখব না। (এখন আমার কাছে আর দেওয়ার মত কিছুই নেই।) যে ব্যক্তি ভিক্ষা থেকে আত্মরক্ষা করতে চায় আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে সুরক্ষিত রাখেন আরে যে ব্যক্তি ধৈর্যধারণ করে আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে ধৈর্যধারণ করার তাওফীক দেন। কাউকে ধৈর্য থেকে উত্তম কোন জিনিস দান করা হয়নি।
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কিছ সংখ্যক আনসারী রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কাছে সাহায্য চাইলে তিনি তাদেরকে দিলেন। এরপর তারা আবার চাইলে আবারও দিলেন। এমনিভাবে তাঁর কাছে যা ছিল সব শেষ হয়ে গেলে তিনি বললেন, আমার কাছে কোন সম্পদ থাকলে তা কখনো তোমাদের থেকে সঞ্চয় করে রাখব না। (এখন আমার কাছে আর দেওয়ার মত কিছুই নেই।) যে ব্যক্তি ভিক্ষা থেকে আত্মরক্ষা করতে চায় আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে সুরক্ষিত রাখেন আরে যে ব্যক্তি ধৈর্যধারণ করে আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে ধৈর্যধারণ করার তাওফীক দেন। কাউকে ধৈর্য থেকে উত্তম কোন জিনিস দান করা হয়নি।
أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عطاء بن يزيد، عن أبي سعيد الخدري، أن ناسا من الأنصار، سألوا رسول الله، فأعطاهم، ثم سألوه، فأعطاهم حتى إذا نفد ما عنده، قال: «ما يكون عندي من خير، فلن أدخره عنكم، ومن يستعفف يعفه الله عز وجل، ومن يصبر، يصبره الله، وما أعطي أحد عطاء هو خير، وأوسع من الصبر»
সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি মানুষের কাছে কিছুই চায় না তার ফযীলত
সুনান নাসাঈ ২৫৯০
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا ابن أبي ذئب، حدثني محمد بن قيس، عن عبد الرحمن بن يزيد بن معاوية، عن ثوبان، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من يضمن لي واحدة وله الجنة» قال يحيى: هاهنا كلمة معناها أن لا يسأل الناس شيئا
ছাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাকে একটি কথার (প্রতিশ্রুতি দেবে) এ (বিনিময়ের) শর্তে যে, তার জন্য জান্নাত (ওয়াজিব হযে যাবে,) ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) বলেন, এখানে এমন এক বাক্য রয়েছে যার অর্থ এই যে, মানুষের কাছে কোন কিছু চাইবে না।
ছাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাকে একটি কথার (প্রতিশ্রুতি দেবে) এ (বিনিময়ের) শর্তে যে, তার জন্য জান্নাত (ওয়াজিব হযে যাবে,) ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) বলেন, এখানে এমন এক বাক্য রয়েছে যার অর্থ এই যে, মানুষের কাছে কোন কিছু চাইবে না।
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا ابن أبي ذئب، حدثني محمد بن قيس، عن عبد الرحمن بن يزيد بن معاوية، عن ثوبان، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من يضمن لي واحدة وله الجنة» قال يحيى: هاهنا كلمة معناها أن لا يسأل الناس شيئا
সুনান নাসাঈ ২৫৯১
أخبرنا هشام بن عمار، قال: حدثنا يحيى وهو ابن حمزة، قال: حدثني الأوزاعي، عن هارون بن رئاب أنه حدثه، عن أبي بكر، عن قبيصة بن مخارق، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " لا تصلح المسألة إلا لثلاثة رجل: أصابت ماله جائحة، فيسأل حتى يصيب سدادا من عيش، ثم يمسك، ورجل تحمل حمالة، فيسأل حتى يؤدي إليهم حمالتهم، ثم يمسك عن المسألة، ورجل يحلف ثلاثة نفر من قومه من ذوي الحجا بالله، لقد حلت المسألة لفلان، فيسأل حتى يصيب قواما من معيشة، ثم يمسك عن المسألة، فما سوى ذلك سحت "
কাবীসা ইব্ন মুখারিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে বলতে শুনেছিঃ তিন ব্যক্তি ছাড়া আর কারো জন্য সাহায্য চাওয়া যথার্থ (বৈধ) নয়। যার সম্পদ বিনাশের শিকার হয়েছে। সে সাহায্য চেয়ে জীবন ধারণের প্রয়োজন মিটাতে পারবে, এরপর (সাহায্য চাওয়া থেকে) বিরত থাকবে। যে কারো পাওনার যামিন হয়েছে। সে সাহায্য চেয়ে সে (পাওনা আদায় করে দেবে, পাওনা আদায় করে দেওয়ার) এরপর (আর সাহায্য চাওয়া থেকে) বিরত থাকবে। আর ঐ ব্যক্তি যার সম্পর্কে তার সমাজের তিনজন জ্ঞানী ব্যক্তি আল্লাহ্র নামে কসম করে বলে যে, অমুকের জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ হয়েছে, তাহলে সে সাহায্য চেয়ে জীবন ধারণের প্রয়োজন মিটাবে। এরপর সাহায্য চাওয়া থেকে বিরত থাকবে। এরা ছাড়া (অন্য কেউ যদি সাহায্য চায় তাহলে তা তার জন্য) হারাম হবে।
কাবীসা ইব্ন মুখারিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে বলতে শুনেছিঃ তিন ব্যক্তি ছাড়া আর কারো জন্য সাহায্য চাওয়া যথার্থ (বৈধ) নয়। যার সম্পদ বিনাশের শিকার হয়েছে। সে সাহায্য চেয়ে জীবন ধারণের প্রয়োজন মিটাতে পারবে, এরপর (সাহায্য চাওয়া থেকে) বিরত থাকবে। যে কারো পাওনার যামিন হয়েছে। সে সাহায্য চেয়ে সে (পাওনা আদায় করে দেবে, পাওনা আদায় করে দেওয়ার) এরপর (আর সাহায্য চাওয়া থেকে) বিরত থাকবে। আর ঐ ব্যক্তি যার সম্পর্কে তার সমাজের তিনজন জ্ঞানী ব্যক্তি আল্লাহ্র নামে কসম করে বলে যে, অমুকের জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ হয়েছে, তাহলে সে সাহায্য চেয়ে জীবন ধারণের প্রয়োজন মিটাবে। এরপর সাহায্য চাওয়া থেকে বিরত থাকবে। এরা ছাড়া (অন্য কেউ যদি সাহায্য চায় তাহলে তা তার জন্য) হারাম হবে।
أخبرنا هشام بن عمار، قال: حدثنا يحيى وهو ابن حمزة، قال: حدثني الأوزاعي، عن هارون بن رئاب أنه حدثه، عن أبي بكر، عن قبيصة بن مخارق، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " لا تصلح المسألة إلا لثلاثة رجل: أصابت ماله جائحة، فيسأل حتى يصيب سدادا من عيش، ثم يمسك، ورجل تحمل حمالة، فيسأل حتى يؤدي إليهم حمالتهم، ثم يمسك عن المسألة، ورجل يحلف ثلاثة نفر من قومه من ذوي الحجا بالله، لقد حلت المسألة لفلان، فيسأل حتى يصيب قواما من معيشة، ثم يمسك عن المسألة، فما سوى ذلك سحت "
সুনান নাসাঈ > স্বচ্ছলতার পরিসীমা
সুনান নাসাঈ ২৫৯২
أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا يحيى بن آدم، قال: حدثنا سفيان الثوري، عن حكيم بن جبير، عن محمد بن عبد الرحمن بن يزيد، عن أبيه، عن عبد الله بن مسعود، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من سأل وله ما يغنيه، جاءت خموشا، أو كدوحا في وجهه يوم القيامة» قيل يا رسول الله: وماذا يغنيه، أو ماذا أغناه؟ قال: «خمسون درهما، أو حسابها من الذهب» قال يحيى: قال سفيان: وسمعت زبيدا، يحدث عن محمد بن عبد الرحمن بن يزيد
আবদুল্লাহ্ ইব্ন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সাহায্য চায় অথচ তার কাছে এই পরিমাণ মাল আছে যাতে তার প্রয়োজন মিটে যায়, তাহলে তা কিয়ামতের দিন তার মুখে ক্ষত কিংবা আঘাত অবস্থায় উত্থিত হবে। প্রশ্ন করা হল যে, কতটুকু মাল দ্বারা প্রয়োজন মিটে যায়? (‘সচ্ছলতা’ সাব্যস্ত হয়?) তিনি বললেন, পঞ্চাশ দিরহাম বা তার সমপরিমাণ স্বর্ণ।
আবদুল্লাহ্ ইব্ন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সাহায্য চায় অথচ তার কাছে এই পরিমাণ মাল আছে যাতে তার প্রয়োজন মিটে যায়, তাহলে তা কিয়ামতের দিন তার মুখে ক্ষত কিংবা আঘাত অবস্থায় উত্থিত হবে। প্রশ্ন করা হল যে, কতটুকু মাল দ্বারা প্রয়োজন মিটে যায়? (‘সচ্ছলতা’ সাব্যস্ত হয়?) তিনি বললেন, পঞ্চাশ দিরহাম বা তার সমপরিমাণ স্বর্ণ।
أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا يحيى بن آدم، قال: حدثنا سفيان الثوري، عن حكيم بن جبير، عن محمد بن عبد الرحمن بن يزيد، عن أبيه، عن عبد الله بن مسعود، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من سأل وله ما يغنيه، جاءت خموشا، أو كدوحا في وجهه يوم القيامة» قيل يا رسول الله: وماذا يغنيه، أو ماذا أغناه؟ قال: «خمسون درهما، أو حسابها من الذهب» قال يحيى: قال سفيان: وسمعت زبيدا، يحدث عن محمد بن عبد الرحمن بن يزيد