সুনান নাসাঈ > বিধবার জন্য সাধনাকারীর ফযীলত

সুনান নাসাঈ ২৫৭৭

أخبرنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا عبد الله بن مسلمة، قال: حدثنا مالك، عن ثور بن زيد الديلي، عن أبي الغيث، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الساعي على الأرملة، والمسكين كالمجاهد في سبيل الله عز وجل»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বিধবা এবং মিসকীনদের জন্য চেষ্টা সাধনাকারী ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় মুজাহিদের ন্যায়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বিধবা এবং মিসকীনদের জন্য চেষ্টা সাধনাকারী ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাস্তায় মুজাহিদের ন্যায়।

أخبرنا عمرو بن منصور، قال: حدثنا عبد الله بن مسلمة، قال: حدثنا مالك، عن ثور بن زيد الديلي، عن أبي الغيث، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الساعي على الأرملة، والمسكين كالمجاهد في سبيل الله عز وجل»


সুনান নাসাঈ > মনোরঞ্জন করার জন্য দান করা

সুনান নাসাঈ ২৫৭৮

أخبرنا هناد بن السري، عن أبي الأحوص، عن سعيد بن مسروق، عن عبد الرحمن بن أبي نعم، عن أبي سعيد الخدري، قال: بعث علي وهو باليمن بذهيبة بتربتها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقسمها رسول الله صلى الله عليه وسلم، بين أربعة نفر: الأقرع بن حابس الحنظلي، وعيينة بن بدر الفزاري، وعلقمة بن علاثة العامري، ثم أحد بني كلاب، وزيد الطائي ثم أحد بني نبهان فغضبت قريش - وقال مرة أخرى: صناديد قريش - فقالوا: تعطي صناديد نجد، وتدعنا قال: «إنما فعلت ذلك لأتألفهم» فجاء رجل كث اللحية، مشرف الوجنتين، غائر العينين، ناتئ الجبين، محلوق الرأس، فقال: اتق الله يا محمد، قال: «فمن يطيع الله عز وجل إن عصيته أيأمنني على أهل الأرض ولا تأمنوني»، ثم أدبر الرجل فاستأذن رجل من القوم، في قتله يرون أنه خالد بن الوليد فقال: رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن من ضئضئ هذا قوما يقرءون القرآن لا يجاوز حناجرهم، يقتلون أهل الإسلام، ويدعون أهل الأوثان، يمرقون من الإسلام، كما يمرق السهم من الرمية لئن أدركتهم لأقتلنهم قتل عاد»

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আলী (রাঃ) (শাসকরূপে) ইয়ামানে অবস্থানকালে মাটি মিশ্রিত কিছু স্বর্ণ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কাছে পাঠালেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেগুলো চারজন ব্যক্তির মধ্যে বন্টন করে দিলেনঃ আকরা’ ইব্‌ন হাবিস হানযালী, উওয়ায়না উবন বদর ফাযারী, আলকামা ইব্‌ন উলাহা ‘আমিরী পরবর্তীতে কিলাবী, এবং যায়দ ত্বায়ী (রাঃ) পরবর্তীতে নাবহানী। তখন কুরায়শ বংশের লোকজন রাগান্বিত হয়ে গেলেন। (রাবী) অন্যত্র বলেছেন …. কুরায়শের সর্দারগণ (রাগান্বিত হলেন)। তারা বললেন যে, আপনি নাজ্‌দের সর্দারদেরকে দিচ্ছেন আর আমাদেরকে বাদ দিচ্ছেন? তিনি (রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) বললেন যে, আমি এরকম করেছি তাদের মনোরঞ্জনের জন্য। এমন সময় ঘন শ্মশ্রু, উত্থিত চোয়াল, কোটরাগত চোখ, উচুঁ ললাট এবং মুন্ডিত মাথা বিশিষ্ট এক ব্যক্তি এসে বলল যে, হে মুহাম্মাদ! আপনি আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভয় করুন। তিনি বললেন যে, যদি আমিই মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তা‘আলার অবাধ্য হই তাহলে আর কে আল্লাহ্ তা‘আলার বাধ্য হবে? তিনি (আল্লাহ্ তা‘আলা) তো আমাকে পৃথিবীর বাসিন্দাদের ব্যাপারে বিশ্বস্ত সাব্যস্ত করে পাঠিয়েছেন আর তোমরা আমাকে বিশ্বস্ত মনে করছ না? এর পর যে ব্যক্তি চলে গেল এবং উপস্থিত লোকদের একজন তাকে হত্যা করার জন্য অনুমতি চাইলেন। লোকের ধারণা যে, অনুমতি প্রার্থনাকারী ছিলেন খালিদ ইব্‌ন ওয়ালীদ (রাঃ)। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন যে, এই ব্যক্তির ঔরসে এমন কিছু লোক জন্মগ্রহণ করবে যারা কুরআন তিলাওয়াত করবে, কিন্ত কুরআন তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা মুসলমানদেরকে হত্যা করবে এবং প্রতিমা পূজারীদেরকে ছেড়ে দেবে। তারা ইসলাম থেকে এরকমভাবে দূরে সরে যাবে, যে রকম তীর (তীর) নিক্ষিপ্ত পশু থেকে পার হয়ে যায়। আমি যদি তাদেরকে পেতাম তাহলে তাদেরকে এমনভাবে হত্যা করতাম, যে রকমভাবে ‘আদ গোত্রের লোকদেরকে হত্যা (ধ্বংস) করা হয়েছিল।

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আলী (রাঃ) (শাসকরূপে) ইয়ামানে অবস্থানকালে মাটি মিশ্রিত কিছু স্বর্ণ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কাছে পাঠালেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেগুলো চারজন ব্যক্তির মধ্যে বন্টন করে দিলেনঃ আকরা’ ইব্‌ন হাবিস হানযালী, উওয়ায়না উবন বদর ফাযারী, আলকামা ইব্‌ন উলাহা ‘আমিরী পরবর্তীতে কিলাবী, এবং যায়দ ত্বায়ী (রাঃ) পরবর্তীতে নাবহানী। তখন কুরায়শ বংশের লোকজন রাগান্বিত হয়ে গেলেন। (রাবী) অন্যত্র বলেছেন …. কুরায়শের সর্দারগণ (রাগান্বিত হলেন)। তারা বললেন যে, আপনি নাজ্‌দের সর্দারদেরকে দিচ্ছেন আর আমাদেরকে বাদ দিচ্ছেন? তিনি (রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) বললেন যে, আমি এরকম করেছি তাদের মনোরঞ্জনের জন্য। এমন সময় ঘন শ্মশ্রু, উত্থিত চোয়াল, কোটরাগত চোখ, উচুঁ ললাট এবং মুন্ডিত মাথা বিশিষ্ট এক ব্যক্তি এসে বলল যে, হে মুহাম্মাদ! আপনি আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভয় করুন। তিনি বললেন যে, যদি আমিই মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তা‘আলার অবাধ্য হই তাহলে আর কে আল্লাহ্ তা‘আলার বাধ্য হবে? তিনি (আল্লাহ্ তা‘আলা) তো আমাকে পৃথিবীর বাসিন্দাদের ব্যাপারে বিশ্বস্ত সাব্যস্ত করে পাঠিয়েছেন আর তোমরা আমাকে বিশ্বস্ত মনে করছ না? এর পর যে ব্যক্তি চলে গেল এবং উপস্থিত লোকদের একজন তাকে হত্যা করার জন্য অনুমতি চাইলেন। লোকের ধারণা যে, অনুমতি প্রার্থনাকারী ছিলেন খালিদ ইব্‌ন ওয়ালীদ (রাঃ)। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন যে, এই ব্যক্তির ঔরসে এমন কিছু লোক জন্মগ্রহণ করবে যারা কুরআন তিলাওয়াত করবে, কিন্ত কুরআন তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা মুসলমানদেরকে হত্যা করবে এবং প্রতিমা পূজারীদেরকে ছেড়ে দেবে। তারা ইসলাম থেকে এরকমভাবে দূরে সরে যাবে, যে রকম তীর (তীর) নিক্ষিপ্ত পশু থেকে পার হয়ে যায়। আমি যদি তাদেরকে পেতাম তাহলে তাদেরকে এমনভাবে হত্যা করতাম, যে রকমভাবে ‘আদ গোত্রের লোকদেরকে হত্যা (ধ্বংস) করা হয়েছিল।

أخبرنا هناد بن السري، عن أبي الأحوص، عن سعيد بن مسروق، عن عبد الرحمن بن أبي نعم، عن أبي سعيد الخدري، قال: بعث علي وهو باليمن بذهيبة بتربتها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقسمها رسول الله صلى الله عليه وسلم، بين أربعة نفر: الأقرع بن حابس الحنظلي، وعيينة بن بدر الفزاري، وعلقمة بن علاثة العامري، ثم أحد بني كلاب، وزيد الطائي ثم أحد بني نبهان فغضبت قريش - وقال مرة أخرى: صناديد قريش - فقالوا: تعطي صناديد نجد، وتدعنا قال: «إنما فعلت ذلك لأتألفهم» فجاء رجل كث اللحية، مشرف الوجنتين، غائر العينين، ناتئ الجبين، محلوق الرأس، فقال: اتق الله يا محمد، قال: «فمن يطيع الله عز وجل إن عصيته أيأمنني على أهل الأرض ولا تأمنوني»، ثم أدبر الرجل فاستأذن رجل من القوم، في قتله يرون أنه خالد بن الوليد فقال: رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن من ضئضئ هذا قوما يقرءون القرآن لا يجاوز حناجرهم، يقتلون أهل الإسلام، ويدعون أهل الأوثان، يمرقون من الإسلام، كما يمرق السهم من الرمية لئن أدركتهم لأقتلنهم قتل عاد»


সুনান নাসাঈ > (পাওনা আদায়ের) যামিনদার ব্যক্তিকে দান করা

সুনান নাসাঈ ২৫৭৯

أخبرنا يحيى بن حبيب بن عربي، عن حماد، عن هارون بن رئاب، قال: حدثني كنانة بن نعيم، ح وأخبرنا علي بن حجر - واللفظ له - قال: حدثنا إسمعيل، عن أيوب، عن هارون، عن كنانة بن نعيم، عن قبيصة بن مخارق، قال: تحملت حمالة، فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فسألته فيها فقال: «إن المسألة لا تحل، إلا لثلاثة رجل تحمل بحمالة بين قوم فسأل فيها حتى يؤديها، ثم يمسك»

কাবীসা ইব্‌ন মুখারিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি একজনের পাওনা আদায় করে দেয়ার যামিন হয়েছিলাম। তখন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কাছে আসলাম এবং এব্যাপারে তাঁর সাহায্য চাইলাম। তিনি বললেন, তিন ব্যক্তি ব্যতীত সাহায্য চাওয়া বৈধ নয়। এক ব্যক্তি হলে, যে সমাজের কারো পাওনা আদায় করে দেওয়ার যামিন হয়েছে এবং এব্যাপারে অন্য কারো সাহায্য চায় এবং যাতে (সাহায্য দ্বারা) তা আদায় করে নিতে পারে। এরপর সে (সাহায্য চাওয়া থেকে) বিরত থাকে।

কাবীসা ইব্‌ন মুখারিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি একজনের পাওনা আদায় করে দেয়ার যামিন হয়েছিলাম। তখন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কাছে আসলাম এবং এব্যাপারে তাঁর সাহায্য চাইলাম। তিনি বললেন, তিন ব্যক্তি ব্যতীত সাহায্য চাওয়া বৈধ নয়। এক ব্যক্তি হলে, যে সমাজের কারো পাওনা আদায় করে দেওয়ার যামিন হয়েছে এবং এব্যাপারে অন্য কারো সাহায্য চায় এবং যাতে (সাহায্য দ্বারা) তা আদায় করে নিতে পারে। এরপর সে (সাহায্য চাওয়া থেকে) বিরত থাকে।

أخبرنا يحيى بن حبيب بن عربي، عن حماد، عن هارون بن رئاب، قال: حدثني كنانة بن نعيم، ح وأخبرنا علي بن حجر - واللفظ له - قال: حدثنا إسمعيل، عن أيوب، عن هارون، عن كنانة بن نعيم، عن قبيصة بن مخارق، قال: تحملت حمالة، فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فسألته فيها فقال: «إن المسألة لا تحل، إلا لثلاثة رجل تحمل بحمالة بين قوم فسأل فيها حتى يؤديها، ثم يمسك»


সুনান নাসাঈ ২৫৮০

أخبرنا محمد بن النضر بن مساور، قال: حدثنا حماد، عن هارون بن رئاب، قال: حدثني كنانة بن نعيم، عن قبيصة بن مخارق، قال: تحملت حمالة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أسأله فيها فقال: «أقم يا قبيصة حتى تأتينا الصدقة، فنأمر لك» قال: ثم، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " يا قبيصة إن الصدقة لا تحل إلا لأحد ثلاثة: رجل تحمل حمالة، فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش، أو سدادا من عيش، ورجل أصابته جائحة، فاجتاحت ماله، فحلت له المسألة حتى يصيبها ثم يمسك، ورجل أصابته فاقة حتى يشهد ثلاثة من ذوي الحجا من قومه قد أصابت فلانا فاقة فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش، أو سدادا من عيش، فما سوى هذا من المسألة يا قبيصة؟ سحت يأكلها صاحبها سحتا "

কাবীসা ইব্‌ন মুখারিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একজনের পাওনা আদায় করে দেয়ার যামিন হয়েছিলাম এবং রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে এ ব্যাপারে তাঁর যাহায্য চাইলাম। তিনি বললেন যে, হে কাবীসা! তুমি আমার কাছে সাদাকার কোন মাল আসা পর্যন্ত অপেক্ষা কর; তবে (আসলেই) আমি তোমাকে দিয়ে দেয়ার আদেশ দেব। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে কাবীসা! সাদাকা তিন ব্যক্তি ছাড়া আর কারো জন্য বৈধ নয়; যে কারো পাওনা আদায় করে দেওয়ার যামিন হয়, তার জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ। যাতে সে জীবন ধারণের আবশ্যকীয় প্রয়োজন মিটাতে পারে। যার উপর কোন বিপদ নিপতিত হয় এবং তার ধন-সম্পত্তি সমূলে শেষ করে দেয় তার জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ, যাতে তার বিপদ দূর হয়ে যায়। এরপর সে (সাহায্য চাওয়া থেকে) বিরত হয়ে যায় এমন অভাবগ্রস্ত ব্যক্তি যার সম্পর্কে তার গোত্রের তিনজন জ্ঞানী ব্যক্তি সাক্ষ্য দেয় যে, সে অভাবগ্রস্ত, তাহলে তার জন্যও সাহায্য চাওয়া বৈধ, যাতে সে নিজের জীবন ধারণের আবশ্যকীয় প্রয়োজন মিটাতে পারে। হে কাবীসা! এ তিন প্রকার ব্যক্তি ব্যতীত আর কারো জন্য সাহায্য চাওয়া সুদ (তুল্য হারাম)। যার আহরণকারী তা সুদ (হারাম) রূপে ভক্ষণ করে।

কাবীসা ইব্‌ন মুখারিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একজনের পাওনা আদায় করে দেয়ার যামিন হয়েছিলাম এবং রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে এ ব্যাপারে তাঁর যাহায্য চাইলাম। তিনি বললেন যে, হে কাবীসা! তুমি আমার কাছে সাদাকার কোন মাল আসা পর্যন্ত অপেক্ষা কর; তবে (আসলেই) আমি তোমাকে দিয়ে দেয়ার আদেশ দেব। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে কাবীসা! সাদাকা তিন ব্যক্তি ছাড়া আর কারো জন্য বৈধ নয়; যে কারো পাওনা আদায় করে দেওয়ার যামিন হয়, তার জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ। যাতে সে জীবন ধারণের আবশ্যকীয় প্রয়োজন মিটাতে পারে। যার উপর কোন বিপদ নিপতিত হয় এবং তার ধন-সম্পত্তি সমূলে শেষ করে দেয় তার জন্য সাহায্য চাওয়া বৈধ, যাতে তার বিপদ দূর হয়ে যায়। এরপর সে (সাহায্য চাওয়া থেকে) বিরত হয়ে যায় এমন অভাবগ্রস্ত ব্যক্তি যার সম্পর্কে তার গোত্রের তিনজন জ্ঞানী ব্যক্তি সাক্ষ্য দেয় যে, সে অভাবগ্রস্ত, তাহলে তার জন্যও সাহায্য চাওয়া বৈধ, যাতে সে নিজের জীবন ধারণের আবশ্যকীয় প্রয়োজন মিটাতে পারে। হে কাবীসা! এ তিন প্রকার ব্যক্তি ব্যতীত আর কারো জন্য সাহায্য চাওয়া সুদ (তুল্য হারাম)। যার আহরণকারী তা সুদ (হারাম) রূপে ভক্ষণ করে।

أخبرنا محمد بن النضر بن مساور، قال: حدثنا حماد، عن هارون بن رئاب، قال: حدثني كنانة بن نعيم، عن قبيصة بن مخارق، قال: تحملت حمالة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أسأله فيها فقال: «أقم يا قبيصة حتى تأتينا الصدقة، فنأمر لك» قال: ثم، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " يا قبيصة إن الصدقة لا تحل إلا لأحد ثلاثة: رجل تحمل حمالة، فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش، أو سدادا من عيش، ورجل أصابته جائحة، فاجتاحت ماله، فحلت له المسألة حتى يصيبها ثم يمسك، ورجل أصابته فاقة حتى يشهد ثلاثة من ذوي الحجا من قومه قد أصابت فلانا فاقة فحلت له المسألة حتى يصيب قواما من عيش، أو سدادا من عيش، فما سوى هذا من المسألة يا قبيصة؟ سحت يأكلها صاحبها سحتا "


সুনান নাসাঈ > ইয়াতীমকে দান-সাদাকা করা

সুনান নাসাঈ ২৫৮১

أخبرني زياد بن أيوب، قال: حدثنا إسماعيل ابن علية، قال: أخبرني هشام، قال: حدثني يحيى بن أبي كثير، قال: حدثني هلال، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد الخدري، قال: جلس رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر، وجلسنا حوله فقال: «إنما أخاف عليكم من بعدي، ما يفتح لكم من زهرة، وذكر الدنيا، وزينتها» فقال رجل: أو يأتي الخير بالشر؟ فسكت عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقيل له: ما شأنك؟ تكلم رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا يكلمك قال: ورأينا أنه ينزل عليه فأفاق يمسح الرحضاء وقال: «أشاهد السائل إنه لا يأتي الخير بالشر وإن مما ينبت الربيع يقتل، أو يلم إلا آكلة الخضر، فإنها أكلت حتى إذا امتدت خاصرتاها، استقبلت عين الشمس فثلطت ثم بالت ثم رتعت، وإن هذا المال خضرة حلوة، ونعم صاحب المسلم، هو إن أعطى منه اليتيم، والمسكين، وابن السبيل، وإن الذي يأخذه بغير حقه، كالذي يأكل ولا يشبع، ويكون عليه شهيدا يوم القيامة»

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারের উপর বসলেন। আমরাও তাঁর চারপাশে বসে গেলাম। তিনি বললেন, আমার পরবর্তীকালে তোমাদের বিজিত পার্থিব ধন-দৌলতের আধিক্যে আমি আশংকিত। (এ প্রসংগে) তিনি দুনিয়া ও তার চাকচিক্যের কথা আলোচনা করলেন। এক ব্যক্তি বলল, ভাল কি মন্দ (পরিনতি) নিয়ে আসে? তিনি (রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তাকে (প্রশ্নকারীকে) বলা হল যে, তোমার কি হল, তুমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে কথা বলছ অথচ তিনি তোমার সাথে কথা বলছেন না?(রাবী বলেন) আমরা দেখলাম যে, তখন তাঁর উপর ওহী অবতীর্ণ হচ্ছে। যখন চেতনা ফিরে গেলেন (ওহী অবতীর্ণ হয়ে গেল) তিনি ঘাম মুছতে মুছতে বললেন, প্রশ্নকারী কি উপস্থিত আছে? নিশ্চয়ই ভাল মন্দ নিয়ে আসবে না। তবে দেখ, বসস্ত ঋতু যা জন্মায় তা মেরে ফেলে অথবা মেরে ফেলার উপক্রম করে (অথচ সবুজ ঘাসপাতা একটি উত্তম বস্তু কিন্তু কোন চতুষ্পদ জন্তু যখন তা তা অপরিমিত ভক্ষণ করে তখন বদহজমীর দরুন মৃত্যুমুখে পতিত হওয়ার উপক্রম হয় বা মরেই যায়।) কিন্তু কোন তৃণভোজি জন্তু যখন তা ভক্ষণ করে তখন তার পেট ভরে যায় আর সে সূর্যের আলোর মুখোমুখী হয়ে পায়খানা করে ও পেশাব করে। এরপর চড়ে বেড়ায়। অনুরূপভাবে এ সমস্ত মাল মুসলমানদের জন্য কত উৎকৃষ্ট ও সুস্বাদু এবং উপকারী সাথী, যদি তার থেকে ইয়াতীম মিসকীন এবং মুসাফিরকে দান করা হয়। আর যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে ধন-সম্পদ সঞ্চয় করে সে যেন আহার করল কিন্তু পরিতৃপ্ত হতে পারল না আর এ ধন-সম্পদ কিয়ামতের দিন তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে দাঁড়াবে।

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারের উপর বসলেন। আমরাও তাঁর চারপাশে বসে গেলাম। তিনি বললেন, আমার পরবর্তীকালে তোমাদের বিজিত পার্থিব ধন-দৌলতের আধিক্যে আমি আশংকিত। (এ প্রসংগে) তিনি দুনিয়া ও তার চাকচিক্যের কথা আলোচনা করলেন। এক ব্যক্তি বলল, ভাল কি মন্দ (পরিনতি) নিয়ে আসে? তিনি (রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তাকে (প্রশ্নকারীকে) বলা হল যে, তোমার কি হল, তুমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে কথা বলছ অথচ তিনি তোমার সাথে কথা বলছেন না?(রাবী বলেন) আমরা দেখলাম যে, তখন তাঁর উপর ওহী অবতীর্ণ হচ্ছে। যখন চেতনা ফিরে গেলেন (ওহী অবতীর্ণ হয়ে গেল) তিনি ঘাম মুছতে মুছতে বললেন, প্রশ্নকারী কি উপস্থিত আছে? নিশ্চয়ই ভাল মন্দ নিয়ে আসবে না। তবে দেখ, বসস্ত ঋতু যা জন্মায় তা মেরে ফেলে অথবা মেরে ফেলার উপক্রম করে (অথচ সবুজ ঘাসপাতা একটি উত্তম বস্তু কিন্তু কোন চতুষ্পদ জন্তু যখন তা তা অপরিমিত ভক্ষণ করে তখন বদহজমীর দরুন মৃত্যুমুখে পতিত হওয়ার উপক্রম হয় বা মরেই যায়।) কিন্তু কোন তৃণভোজি জন্তু যখন তা ভক্ষণ করে তখন তার পেট ভরে যায় আর সে সূর্যের আলোর মুখোমুখী হয়ে পায়খানা করে ও পেশাব করে। এরপর চড়ে বেড়ায়। অনুরূপভাবে এ সমস্ত মাল মুসলমানদের জন্য কত উৎকৃষ্ট ও সুস্বাদু এবং উপকারী সাথী, যদি তার থেকে ইয়াতীম মিসকীন এবং মুসাফিরকে দান করা হয়। আর যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে ধন-সম্পদ সঞ্চয় করে সে যেন আহার করল কিন্তু পরিতৃপ্ত হতে পারল না আর এ ধন-সম্পদ কিয়ামতের দিন তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে দাঁড়াবে।

أخبرني زياد بن أيوب، قال: حدثنا إسماعيل ابن علية، قال: أخبرني هشام، قال: حدثني يحيى بن أبي كثير، قال: حدثني هلال، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد الخدري، قال: جلس رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر، وجلسنا حوله فقال: «إنما أخاف عليكم من بعدي، ما يفتح لكم من زهرة، وذكر الدنيا، وزينتها» فقال رجل: أو يأتي الخير بالشر؟ فسكت عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقيل له: ما شأنك؟ تكلم رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا يكلمك قال: ورأينا أنه ينزل عليه فأفاق يمسح الرحضاء وقال: «أشاهد السائل إنه لا يأتي الخير بالشر وإن مما ينبت الربيع يقتل، أو يلم إلا آكلة الخضر، فإنها أكلت حتى إذا امتدت خاصرتاها، استقبلت عين الشمس فثلطت ثم بالت ثم رتعت، وإن هذا المال خضرة حلوة، ونعم صاحب المسلم، هو إن أعطى منه اليتيم، والمسكين، وابن السبيل، وإن الذي يأخذه بغير حقه، كالذي يأكل ولا يشبع، ويكون عليه شهيدا يوم القيامة»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00