সুনান নাসাঈ > সাদাকা করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা

সুনান নাসাঈ ২৫৫৫

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا شعبة، عن معبد بن خالد، عن حارثة، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «تصدقوا، فإنه سيأتي عليكم زمان يمشي الرجل بصدقته، فيقول الذي يعطاها لو جئت بها بالأمس قبلتها، فأما اليوم فلا»

হারিসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা সাদাকা কর। কেননা তোমাদের সামনে এমন এক সময় আসবে যখন কেউ সাদাকা নিয়ে তা দেওয়ার জন্য ঘুরতে থাকবে এবং যাকে দিতে চাইবে সে বলবে, তুমি যদি এগুলো গতকাল আনতে তাহলে আমি গ্রহন করতাম। আজ তো আমার (এগুলোর কোন প্রয়োজন নেই)।

হারিসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তোমরা সাদাকা কর। কেননা তোমাদের সামনে এমন এক সময় আসবে যখন কেউ সাদাকা নিয়ে তা দেওয়ার জন্য ঘুরতে থাকবে এবং যাকে দিতে চাইবে সে বলবে, তুমি যদি এগুলো গতকাল আনতে তাহলে আমি গ্রহন করতাম। আজ তো আমার (এগুলোর কোন প্রয়োজন নেই)।

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا شعبة، عن معبد بن خالد، عن حارثة، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «تصدقوا، فإنه سيأتي عليكم زمان يمشي الرجل بصدقته، فيقول الذي يعطاها لو جئت بها بالأمس قبلتها، فأما اليوم فلا»


সুনান নাসাঈ ২৫৫৪

أخبرنا أزهر بن جميل، قال: حدثنا خالد بن الحارث، قال: حدثنا شعبة، قال: وذكر عون بن أبي جحيفة قال: سمعت المنذر بن جرير، يحدث عن أبيه، قال: كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم، في صدر النهار، فجاء قوم عراة حفاة متقلدي السيوف، عامتهم من مضر، بل كلهم من مضر، فتغير وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم لما رأى بهم من الفاقة، فدخل ثم خرج، فأمر بلالا فأذن، فأقام الصلاة، فصلى ثم خطب، فقال: " يا أيها الناس اتقوا ربكم الذي خلقكم من نفس واحدة، وخلق منها زوجها، وبث منهما، رجالا كثيرا، ونساء، واتقوا الله الذي تساءلون به، والأرحام، إن الله كان عليكم رقيبا، واتقوا الله ولتنظر نفس ما قدمت لغد، تصدق رجل من ديناره من درهمه من ثوبه، من صاع بره من صاع تمره، حتى قال: ولو بشق تمرة "، فجاء رجل من الأنصار بصرة كادت كفه تعجز عنها، بل قد عجزت، ثم تتابع الناس حتى رأيت كومين من طعام، وثياب، حتى رأيت وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم يتهلل كأنه مذهبة، فقال: رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من سن في الإسلام سنة حسنة، فله أجرها، وأجر من عمل بها من غير أن ينقص من أجورهم شيئا، ومن سن في الإسلام سنة سيئة، فعليه وزرها، ووزر من عمل بها من غير أن ينقص من أوزارهم شيئا»

জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমরা একবার দুপুর বেলা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে বসা ছিলাম এমতাবস্থায় কিছু নগ্নদেহী এবং নগ্নপদী লোক তলোয়ার (কাঁধে) লটকানো অবস্থায় (আমাদের কাছে) আসল। তাদের অধিকাংশ বরং সবাই মুদার গোত্রের ছিল। তাদের অনাহারে থাকার অবস্থা দেখে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখমণ্ডল বিবর্ণ রূপ ধারণ করল। তিনি (বাড়ির) ভিতরে গেলেন এবং বের হয়ে এসে বিলাল (রাঃ)-কে আযান দিতে নির্দেশ দিলেন। তিনি আযান এবং সালাতের ইকামাত দিলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (জামাআতে) সালাত আদায় করে খুতবা (ভাষণ) দিলেন এবং বললেনঃ অর্থঃ হে মানব। তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি (সত্ত্বা) হতেই সৃষ্টি করেছেন এবং তা হতে তার সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন এবং দু’জন হতে বহু নর-নারী (সৃষ্টি করে) ছড়িয়ে দিয়েছেন; এবং আল্লাহ্‌কে ভয় কর যাঁর নামে তোমরা একে অপরের নিকট যাঞ্চা কর এবং (সতর্ক থাক) জ্ঞাতিবন্ধন সম্পর্কে। আল্লাহ্‌ তোমাদের উপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন। তোমরা আল্লাহ্‌কে ভয় কর, প্রত্যেকেই ভেবে দেখুক, আগামীকালের জন্য সে কী অগ্রীম পাঠিয়েছে (সূরাঃ ৪ নিসাঃ ৪)। প্রত্যেকে নিজ নিজ দীনার, দিরহাম, কাপড়, এক সা’ গম হতে এবং এক সা’ খেজুর হতেও দান কর বলতে বলতে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ পর্যন্ত বললেন যে, এক টুকরা খেজুর হলেও (দান কর)। তখন একজন আনসারী (সাহাবী) একটি থলি নিয়ে আসলেন যেন তাঁর হাত তা বহন করতে অপারগ হয়ে পড়ছিল বরং অপারগ হয়েই গিয়েছিল। এরপর অন্যান্য লোকজনও তার অনুসরণ করল। আমি সেখানে কাপড় এবং খাদ্যের দু’টো স্তূপ দেখতে পেলাম। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেহারা মুবারক উজ্জ্বল (ও তাঁকে প্রফুল্ল দেখতে পেলাম)। যেন তা সোনালী প্রলেপযুক্ত। তখন তিনি বললেন: যে ব্যক্তি ইসলামে কোন উত্তম প্রথা প্রবর্তন করবে সে তার সওয়াব তো পাবেই, উপরন্তু সে অনুসারে আমলকারীদের সমপরিমান সওয়াবও পাবে। অথচ আমলকারীদের সওয়াব এর পরিমাণ কিছুমাত্র হ্রাস করা হবে না। আর যে ব্যক্তি ইসলামে কোন খারাপ প্রথার প্রচলন করবে, তার জন্য তার গুনাহ তো রয়েছেই, উপরন্তু সে (খারাপ প্রথার) অনুসারে আমলকারীদের সমপরিমাণ গুনাহ্ও তার জন্য (রয়েছে)। অবশ্য তাদের গুনাহ্ বিন্দুমাত্র হ্রাস করা হবে না (সূরাঃ ৫৯ হাশরঃ ২৮)।

জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমরা একবার দুপুর বেলা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে বসা ছিলাম এমতাবস্থায় কিছু নগ্নদেহী এবং নগ্নপদী লোক তলোয়ার (কাঁধে) লটকানো অবস্থায় (আমাদের কাছে) আসল। তাদের অধিকাংশ বরং সবাই মুদার গোত্রের ছিল। তাদের অনাহারে থাকার অবস্থা দেখে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখমণ্ডল বিবর্ণ রূপ ধারণ করল। তিনি (বাড়ির) ভিতরে গেলেন এবং বের হয়ে এসে বিলাল (রাঃ)-কে আযান দিতে নির্দেশ দিলেন। তিনি আযান এবং সালাতের ইকামাত দিলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (জামাআতে) সালাত আদায় করে খুতবা (ভাষণ) দিলেন এবং বললেনঃ অর্থঃ হে মানব। তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি (সত্ত্বা) হতেই সৃষ্টি করেছেন এবং তা হতে তার সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন এবং দু’জন হতে বহু নর-নারী (সৃষ্টি করে) ছড়িয়ে দিয়েছেন; এবং আল্লাহ্‌কে ভয় কর যাঁর নামে তোমরা একে অপরের নিকট যাঞ্চা কর এবং (সতর্ক থাক) জ্ঞাতিবন্ধন সম্পর্কে। আল্লাহ্‌ তোমাদের উপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখেন। তোমরা আল্লাহ্‌কে ভয় কর, প্রত্যেকেই ভেবে দেখুক, আগামীকালের জন্য সে কী অগ্রীম পাঠিয়েছে (সূরাঃ ৪ নিসাঃ ৪)। প্রত্যেকে নিজ নিজ দীনার, দিরহাম, কাপড়, এক সা’ গম হতে এবং এক সা’ খেজুর হতেও দান কর বলতে বলতে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ পর্যন্ত বললেন যে, এক টুকরা খেজুর হলেও (দান কর)। তখন একজন আনসারী (সাহাবী) একটি থলি নিয়ে আসলেন যেন তাঁর হাত তা বহন করতে অপারগ হয়ে পড়ছিল বরং অপারগ হয়েই গিয়েছিল। এরপর অন্যান্য লোকজনও তার অনুসরণ করল। আমি সেখানে কাপড় এবং খাদ্যের দু’টো স্তূপ দেখতে পেলাম। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেহারা মুবারক উজ্জ্বল (ও তাঁকে প্রফুল্ল দেখতে পেলাম)। যেন তা সোনালী প্রলেপযুক্ত। তখন তিনি বললেন: যে ব্যক্তি ইসলামে কোন উত্তম প্রথা প্রবর্তন করবে সে তার সওয়াব তো পাবেই, উপরন্তু সে অনুসারে আমলকারীদের সমপরিমান সওয়াবও পাবে। অথচ আমলকারীদের সওয়াব এর পরিমাণ কিছুমাত্র হ্রাস করা হবে না। আর যে ব্যক্তি ইসলামে কোন খারাপ প্রথার প্রচলন করবে, তার জন্য তার গুনাহ তো রয়েছেই, উপরন্তু সে (খারাপ প্রথার) অনুসারে আমলকারীদের সমপরিমাণ গুনাহ্ও তার জন্য (রয়েছে)। অবশ্য তাদের গুনাহ্ বিন্দুমাত্র হ্রাস করা হবে না (সূরাঃ ৫৯ হাশরঃ ২৮)।

أخبرنا أزهر بن جميل، قال: حدثنا خالد بن الحارث، قال: حدثنا شعبة، قال: وذكر عون بن أبي جحيفة قال: سمعت المنذر بن جرير، يحدث عن أبيه، قال: كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم، في صدر النهار، فجاء قوم عراة حفاة متقلدي السيوف، عامتهم من مضر، بل كلهم من مضر، فتغير وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم لما رأى بهم من الفاقة، فدخل ثم خرج، فأمر بلالا فأذن، فأقام الصلاة، فصلى ثم خطب، فقال: " يا أيها الناس اتقوا ربكم الذي خلقكم من نفس واحدة، وخلق منها زوجها، وبث منهما، رجالا كثيرا، ونساء، واتقوا الله الذي تساءلون به، والأرحام، إن الله كان عليكم رقيبا، واتقوا الله ولتنظر نفس ما قدمت لغد، تصدق رجل من ديناره من درهمه من ثوبه، من صاع بره من صاع تمره، حتى قال: ولو بشق تمرة "، فجاء رجل من الأنصار بصرة كادت كفه تعجز عنها، بل قد عجزت، ثم تتابع الناس حتى رأيت كومين من طعام، وثياب، حتى رأيت وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم يتهلل كأنه مذهبة، فقال: رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من سن في الإسلام سنة حسنة، فله أجرها، وأجر من عمل بها من غير أن ينقص من أجورهم شيئا، ومن سن في الإسلام سنة سيئة، فعليه وزرها، ووزر من عمل بها من غير أن ينقص من أوزارهم شيئا»


সুনান নাসাঈ > সাদাকা দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা

সুনান নাসাঈ ২৫৫৬

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا سفيان، قال: أخبرني أبو بردة بن عبد الله بن أبي بردة، عن جده أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «اشفعوا، تشفعوا، ويقضي الله عز وجل على لسان نبيه ما شاء»

আবু মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সুপারিশ কর, তোমাদের সুপারিশ গ্রহণ করা হবে। (তোমরা সুপারিশ করার জন্য সওয়াবের অধিকারী হবে।) মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তাঁর নবীর কথার মাধ্যমে যা ইচ্ছা তা পূর্ণ করেন।

আবু মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সুপারিশ কর, তোমাদের সুপারিশ গ্রহণ করা হবে। (তোমরা সুপারিশ করার জন্য সওয়াবের অধিকারী হবে।) মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তাঁর নবীর কথার মাধ্যমে যা ইচ্ছা তা পূর্ণ করেন।

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا سفيان، قال: أخبرني أبو بردة بن عبد الله بن أبي بردة، عن جده أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «اشفعوا، تشفعوا، ويقضي الله عز وجل على لسان نبيه ما شاء»


সুনান নাসাঈ ২৫৫৭

أخبرنا هارون بن سعيد، قال: أنبأنا سفيان، عن عمرو، عن ابن منبه، عن أخيه، عن معاوية بن أبي سفيان، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: إن الرجل ليسألني الشيء فأمنعه حتى تشفعوا فيه، فتؤجروا، وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «اشفعوا، تؤجروا»

মুআবিয়া ইব্‌ন্ আবূ সুফিয়ান(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেউ আমার কাছে কিছু চাইলে আমি তাকে নিষেধ করে দেই যাতে তোমরা তার ব্যাপারে সুপারিশ কর এবং তোমরা সওয়াব পাও। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেছেন, তোমরা সুপারিশ কর তাহলে তোমরাও সওয়াব পাবে।

মুআবিয়া ইব্‌ন্ আবূ সুফিয়ান(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেউ আমার কাছে কিছু চাইলে আমি তাকে নিষেধ করে দেই যাতে তোমরা তার ব্যাপারে সুপারিশ কর এবং তোমরা সওয়াব পাও। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেছেন, তোমরা সুপারিশ কর তাহলে তোমরাও সওয়াব পাবে।

أخبرنا هارون بن سعيد، قال: أنبأنا سفيان، عن عمرو، عن ابن منبه، عن أخيه، عن معاوية بن أبي سفيان، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: إن الرجل ليسألني الشيء فأمنعه حتى تشفعوا فيه، فتؤجروا، وإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «اشفعوا، تؤجروا»


সুনান নাসাঈ > সাদাকায় বাহাদুরী প্রকাশ করা প্রসঙ্গে

সুনান নাসাঈ ২৫৫৯

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال حدثنا يزيد، قال حدثنا همام، عن قتادة، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كلوا، وتصدقوا، والبسوا في غير إسراف، ولا مخيلة»

আমর ইবন্‌ শু’আয়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা অপব্যয় ও আত্মম্ভরিতা না করে খাও, দান কর এবং পরিধান কর।

আমর ইবন্‌ শু’আয়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা অপব্যয় ও আত্মম্ভরিতা না করে খাও, দান কর এবং পরিধান কর।

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال حدثنا يزيد، قال حدثنا همام، عن قتادة، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كلوا، وتصدقوا، والبسوا في غير إسراف، ولا مخيلة»


সুনান নাসাঈ ২৫৫৮

أخبرنا إسحق بن منصور، قال: حدثنا محمد بن يوسف، قال: حدثنا الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، قال: حدثني محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي، عن ابن جابر، عن أبيه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إن من الغيرة: ما يحب الله عز وجل، ومنها ما يبغض الله عز وجل، ومن الخيلاء: ما يحب الله عز وجل، ومنها ما يبغض الله عز وجل، فأما الغيرة التي يحب الله عز وجل: فالغيرة في الريبة، وأما الغيرة التي يبغض الله عز وجل: فالغيرة في غير ريبة، والاختيال الذي يحب الله عز وجل: اختيال الرجل بنفسه، عند القتال، وعند الصدقة، والاختيال الذي يبغض الله عز وجل: الخيلاء في الباطل "

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এমন কিছু আত্মসম্মানবোধ আছে যা মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলা পছন্দ করেন, আবার তা (আত্মসম্মানবোধ) এমনও কিছু আছে যা মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলা অপছন্দ করেন। অনুরূপ এমন কিছু অহং (বাহাদুরী) আছে যা মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলা পছন্দ করেন, এবং তা (বীরত্ব) এমনও কিছু আছে যা মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলা অপছন্দ করেন। মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলার পছন্দনীয় আত্মসম্মানবোধ হল সন্দেহ ও বদনামের ক্ষেত্রে (আত্মসম্মানবোধ)। আর মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলার অপছন্দনীয় আত্মসম্মানবোধ হল সন্দেহ ও বদনামের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যস্থানের (সম্মানবোধ)। মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলার পছন্দনীয় অহং হল জিহাদের সময় ও দান করার সময় বাহাদুরী করা। আর মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলার অপছন্দনীয় বাহাদুরী হল অন্যায় ক্ষেত্রে (বীরত্ব করা) [১]।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এমন কিছু আত্মসম্মানবোধ আছে যা মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলা পছন্দ করেন, আবার তা (আত্মসম্মানবোধ) এমনও কিছু আছে যা মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলা অপছন্দ করেন। অনুরূপ এমন কিছু অহং (বাহাদুরী) আছে যা মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলা পছন্দ করেন, এবং তা (বীরত্ব) এমনও কিছু আছে যা মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলা অপছন্দ করেন। মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলার পছন্দনীয় আত্মসম্মানবোধ হল সন্দেহ ও বদনামের ক্ষেত্রে (আত্মসম্মানবোধ)। আর মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলার অপছন্দনীয় আত্মসম্মানবোধ হল সন্দেহ ও বদনামের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যস্থানের (সম্মানবোধ)। মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলার পছন্দনীয় অহং হল জিহাদের সময় ও দান করার সময় বাহাদুরী করা। আর মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলার অপছন্দনীয় বাহাদুরী হল অন্যায় ক্ষেত্রে (বীরত্ব করা) [১]।

أخبرنا إسحق بن منصور، قال: حدثنا محمد بن يوسف، قال: حدثنا الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، قال: حدثني محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي، عن ابن جابر، عن أبيه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إن من الغيرة: ما يحب الله عز وجل، ومنها ما يبغض الله عز وجل، ومن الخيلاء: ما يحب الله عز وجل، ومنها ما يبغض الله عز وجل، فأما الغيرة التي يحب الله عز وجل: فالغيرة في الريبة، وأما الغيرة التي يبغض الله عز وجل: فالغيرة في غير ريبة، والاختيال الذي يحب الله عز وجل: اختيال الرجل بنفسه، عند القتال، وعند الصدقة، والاختيال الذي يبغض الله عز وجل: الخيلاء في الباطل "


সুনান নাসাঈ > মালিকের অনুমতিতে দান করলে খাজাঞ্চির সওয়াব প্রসঙ্গে

সুনান নাসাঈ ২৫৬০

أخبرني عبد الله بن الهيثم بن عثمان، قال حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، قال حدثنا سفيان، عن بريد بن أبي بردة، عن جده، عن أبي موسى، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «المؤمن للمؤمن كالبنيان، يشد بعضه بعضا» وقال: "الخازن الأمين: الذي يعطي ما أمر به طيبا بها نفسه أحد المتصدقين "

আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, এক মু’মিন অন্য মু’মিনের জন্য ঐ দেয়াল সমতুল্য, যার এক অংশ অন্য অংশকে মজবুত করে। তিনি আরও বলেছেনঃ বিশ্বস্ত খাজাঞ্চির (রক্ষণাবেক্ষণকারী) যে আদেশ প্রাপ্ত হয়ে সন্তুষ্টচিত্তে দান করে সেও দু’জন দানকারীর একজন।

আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, এক মু’মিন অন্য মু’মিনের জন্য ঐ দেয়াল সমতুল্য, যার এক অংশ অন্য অংশকে মজবুত করে। তিনি আরও বলেছেনঃ বিশ্বস্ত খাজাঞ্চির (রক্ষণাবেক্ষণকারী) যে আদেশ প্রাপ্ত হয়ে সন্তুষ্টচিত্তে দান করে সেও দু’জন দানকারীর একজন।

أخبرني عبد الله بن الهيثم بن عثمان، قال حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، قال حدثنا سفيان، عن بريد بن أبي بردة، عن جده، عن أبي موسى، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «المؤمن للمؤمن كالبنيان، يشد بعضه بعضا» وقال: "الخازن الأمين: الذي يعطي ما أمر به طيبا بها نفسه أحد المتصدقين "


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00