সুনান নাসাঈ > সাদাকা করার ফযীলত

সুনান নাসাঈ ২৫৪১

أخبرنا أبو داود، قال: حدثنا يحيى بن حماد، قال: أنبأنا أبو عوانة، عن فراس، عن عامر، عن مسروق، عن عائشة رضي الله عنها، أن أزواج النبي صلى الله عليه وسلم اجتمعن عنده فقلن: أيتنا بك أسرع لحوقا، فقال: «أطولكن يدا» فأخذن قصبة، فجعلن يذرعنها، فكانت سودة أسرعهن به لحوقا، فكانت أطولهن يدا، فكان ذلك من كثرة الصدقة

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর স্ত্রীগণ (একবার) তাঁর কাছে একত্রিত হয়ে বললেনঃ আমাদের মধ্যে কে সর্বাগ্রে আপনার সাথে মিলিত হবে? (মৃত্যুবরণ করবে?) তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে যার হাত দীর্ঘ। তখন তাঁরা একটি কঞ্চি নিয়ে সবার হাত মাপতে লাগলেন (আমরা ধারনা করলাম) সাওদা (রাঃ) সর্বাগ্রে তাঁর সাথে মিলিত হবেন। যেহেতু তাঁর হাত সর্বাধিক দীর্ঘ ছিল। “অথচ যার হাত দীর্ঘ” এর অর্থ ছিল যে অত্যাধিক সাদাকা করে।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর স্ত্রীগণ (একবার) তাঁর কাছে একত্রিত হয়ে বললেনঃ আমাদের মধ্যে কে সর্বাগ্রে আপনার সাথে মিলিত হবে? (মৃত্যুবরণ করবে?) তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে যার হাত দীর্ঘ। তখন তাঁরা একটি কঞ্চি নিয়ে সবার হাত মাপতে লাগলেন (আমরা ধারনা করলাম) সাওদা (রাঃ) সর্বাগ্রে তাঁর সাথে মিলিত হবেন। যেহেতু তাঁর হাত সর্বাধিক দীর্ঘ ছিল। “অথচ যার হাত দীর্ঘ” এর অর্থ ছিল যে অত্যাধিক সাদাকা করে।

أخبرنا أبو داود، قال: حدثنا يحيى بن حماد، قال: أنبأنا أبو عوانة، عن فراس، عن عامر، عن مسروق، عن عائشة رضي الله عنها، أن أزواج النبي صلى الله عليه وسلم اجتمعن عنده فقلن: أيتنا بك أسرع لحوقا، فقال: «أطولكن يدا» فأخذن قصبة، فجعلن يذرعنها، فكانت سودة أسرعهن به لحوقا، فكانت أطولهن يدا، فكان ذلك من كثرة الصدقة


সুনান নাসাঈ > সর্বোত্তম সাদাকা কোনটি ?

সুনান নাসাঈ ২৫৪২

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا وكيع، قال: حدثنا سفيان، عن عمارة بن القعقاع، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال: قال رجل: يا رسول الله أي الصدقة أفضل؟ قال: «أن تصدق، وأنت صحيح شحيح، تأمل العيش، وتخشى الفقر»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, এক ব্যক্তি (রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে) বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্। সর্বোত্তম সাদাকা কোনটি? তিনি বললেনঃ তুমি যখন সুস্থ থাক, মালের প্রতি তোমার লোভ থাকে, অনেক দিন বেঁচে থাকার আশা কর এবং দারিদ্র্যকে ভয় কর তখন তোমার সাদাকা করা (সর্বোত্তম সাদাকা)।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, এক ব্যক্তি (রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে) বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্। সর্বোত্তম সাদাকা কোনটি? তিনি বললেনঃ তুমি যখন সুস্থ থাক, মালের প্রতি তোমার লোভ থাকে, অনেক দিন বেঁচে থাকার আশা কর এবং দারিদ্র্যকে ভয় কর তখন তোমার সাদাকা করা (সর্বোত্তম সাদাকা)।

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا وكيع، قال: حدثنا سفيان، عن عمارة بن القعقاع، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال: قال رجل: يا رسول الله أي الصدقة أفضل؟ قال: «أن تصدق، وأنت صحيح شحيح، تأمل العيش، وتخشى الفقر»


সুনান নাসাঈ ২৫৪৩

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا عمرو بن عثمان، قال: سمعت موسى بن طلحة، أن حكيم بن حزام، حدثه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أفضل الصدقة، ما كان عن ظهر غنى، واليد العليا، خير من اليد السفلى، وابدأ بمن تعول»

হাকীম ইব্‌ন হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সর্বোত্তম সাদাকা হল, যা স্বচ্ছল অবস্থায় (সাদাকা) করা হয়। আর উপরের হাত নিম্নের হাত থেকে শ্রেয়। তুমি নিজের পোষ্যদের থেকে (দান-সাদাকা) শুরু করবে।

হাকীম ইব্‌ন হিযাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সর্বোত্তম সাদাকা হল, যা স্বচ্ছল অবস্থায় (সাদাকা) করা হয়। আর উপরের হাত নিম্নের হাত থেকে শ্রেয়। তুমি নিজের পোষ্যদের থেকে (দান-সাদাকা) শুরু করবে।

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا عمرو بن عثمان، قال: سمعت موسى بن طلحة، أن حكيم بن حزام، حدثه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أفضل الصدقة، ما كان عن ظهر غنى، واليد العليا، خير من اليد السفلى، وابدأ بمن تعول»


সুনান নাসাঈ ২৫৪৪

أخبرنا عمرو بن سواد بن الأسود بن عمرو، عن ابن وهب، قال: أنبأنا يونس، عن ابن شهاب، قال: حدثنا سعيد بن المسيب، أنه سمع أبا هريرة، يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «خير الصدقة ما كان عن ظهر غنى، وابدأ بمن تعول»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘সর্বোত্তম সাদাকা হল; যা স্বচ্ছল অবস্থায় (সাদাকা) করা হয়। আর তুমি নিজের পোষ্যদের থেকে (সাদাকা) শুরু করবে।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘সর্বোত্তম সাদাকা হল; যা স্বচ্ছল অবস্থায় (সাদাকা) করা হয়। আর তুমি নিজের পোষ্যদের থেকে (সাদাকা) শুরু করবে।

أخبرنا عمرو بن سواد بن الأسود بن عمرو، عن ابن وهب، قال: أنبأنا يونس، عن ابن شهاب، قال: حدثنا سعيد بن المسيب، أنه سمع أبا هريرة، يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «خير الصدقة ما كان عن ظهر غنى، وابدأ بمن تعول»


সুনান নাসাঈ ২৫৪৫

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا محمد، قال: حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، قال: سمعت عبد الله بن يزيد الأنصاري، يحدث عن أبي مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إذا أنفق الرجل على أهله وهو يحتسبها، كانت له صدقة»

আবূ মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি স্বীয় পরিবার-পরিজনের জন্য সওয়াবের নিয়্যতে খরচ করলে তা তার জন্য সাদাকারূপে গণ্য হবে।

আবূ মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি স্বীয় পরিবার-পরিজনের জন্য সওয়াবের নিয়্যতে খরচ করলে তা তার জন্য সাদাকারূপে গণ্য হবে।

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا محمد، قال: حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، قال: سمعت عبد الله بن يزيد الأنصاري، يحدث عن أبي مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إذا أنفق الرجل على أهله وهو يحتسبها، كانت له صدقة»


সুনান নাসাঈ ২৫৪৬

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، قال: أعتق رجل من بني عذرة عبدا له عن دبر، فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «ألك مال غيره» قال: لا؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من يشتريه مني»، فاشتراه نعيم بن عبد الله العدوي بثمان مائة درهم، فجاء بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فدفعها إليه، ثم قال: " ابدأ بنفسك، فتصدق عليها، فإن فضل شيء فلأهلك، فإن فضل شيء عن أهلك، فلذي قرابتك، فإن فضل عن ذي قرابتك شيء، فهكذا، وهكذا يقول: بين يديك، وعن يمينك، وعن شمالك "

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, উযরা গোত্রের এক ব্যক্তি তার এক গোলামকে তার মৃত্যুর পর মুক্ত (আযাদ) হওয়ার ঘোষণা দিল। এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে পৌছলে তিনি তাকে বললেন, তোমার কি এ (গোলাম) ছাড়া অন্য কোন সম্পত্তি আছে? সে বলল, না। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ গোলামকে আমার কাছ থেকে কে খরিদ করবে? তখন নুআয়ম ইব্‌ন আবদুল্লাহ আদাবী (রাঃ) তাকে আটশত দিরহাম দিয়ে খরিদ করে নিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উক্ত দিরহাম নিয়ে এসে ঐ লোকটিকে দিয়ে দিলেন এবং বললেন, তুমি নিজের থেকে (ব্যয়) শুরু কর (অর্থাৎ) নিজের জন্য সাদাকা কর। কিছু উদ্বৃত্ত থাকলে তা তোমার পরিবার-পরিজনের জন্য (খরচ কর)। তারপর কিছু উদ্বৃত্ত থাকলে তা তোমার আত্মীয়-স্বজনের জন্য (খরচ কর।) তারপরও কিছু উদ্বৃত্ত থাকলে তা এরকম এরকমভাবে (খরচ করবে) অর্থাৎ ইশারা করলেন যে, তোমার সামনে, তোমার ডানে ও তোমার বামে (ব্যয় করবে)।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, উযরা গোত্রের এক ব্যক্তি তার এক গোলামকে তার মৃত্যুর পর মুক্ত (আযাদ) হওয়ার ঘোষণা দিল। এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে পৌছলে তিনি তাকে বললেন, তোমার কি এ (গোলাম) ছাড়া অন্য কোন সম্পত্তি আছে? সে বলল, না। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ গোলামকে আমার কাছ থেকে কে খরিদ করবে? তখন নুআয়ম ইব্‌ন আবদুল্লাহ আদাবী (রাঃ) তাকে আটশত দিরহাম দিয়ে খরিদ করে নিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উক্ত দিরহাম নিয়ে এসে ঐ লোকটিকে দিয়ে দিলেন এবং বললেন, তুমি নিজের থেকে (ব্যয়) শুরু কর (অর্থাৎ) নিজের জন্য সাদাকা কর। কিছু উদ্বৃত্ত থাকলে তা তোমার পরিবার-পরিজনের জন্য (খরচ কর)। তারপর কিছু উদ্বৃত্ত থাকলে তা তোমার আত্মীয়-স্বজনের জন্য (খরচ কর।) তারপরও কিছু উদ্বৃত্ত থাকলে তা এরকম এরকমভাবে (খরচ করবে) অর্থাৎ ইশারা করলেন যে, তোমার সামনে, তোমার ডানে ও তোমার বামে (ব্যয় করবে)।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن أبي الزبير، عن جابر، قال: أعتق رجل من بني عذرة عبدا له عن دبر، فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «ألك مال غيره» قال: لا؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من يشتريه مني»، فاشتراه نعيم بن عبد الله العدوي بثمان مائة درهم، فجاء بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فدفعها إليه، ثم قال: " ابدأ بنفسك، فتصدق عليها، فإن فضل شيء فلأهلك، فإن فضل شيء عن أهلك، فلذي قرابتك، فإن فضل عن ذي قرابتك شيء، فهكذا، وهكذا يقول: بين يديك، وعن يمينك، وعن شمالك "


সুনান নাসাঈ > কৃপণের সাদাকা করা

সুনান নাসাঈ ২৫৪৮

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا عفان، قال: حدثنا وهيب، قال: حدثنا عبد الله بن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «مثل البخيل، والمتصدق، مثل رجلين عليهما جنتان من حديد، قد اضطرت أيديهما إلى تراقيهما، فكلما هم المتصدق بصدقة، اتسعت عليه، حتى تعفي أثره، وكلما هم البخيل بصدقة، تقبضت كل حلقة إلى صاحبتها، وتقلصت عليه»، وانضمت يداه إلى تراقيه، وسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «فيجتهد أن يوسعها فلا تتسع»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, কৃপণ এবং দানশীল ব্যক্তির দৃষ্টান্ত এমন দু’জন ব্যক্তির ন্যায় যাদের গায়ে দু’টি লোহার বর্ম রয়েছে। (যার দরুন) তাদের হাত গলার হাঁসুলীর (কণ্ঠনালীর) সাথে লেগে রয়েছে। যখন দানশীল ব্যক্তি কোন কিছু দান করতে চায় তখন তা সম্প্রসারিত হয়ে যায় এবং এমন কি (তা এত লম্বা হয়) যে, তার পদচিহ্নকে মুছে ফেলে। আর কৃপণ যখন কোন কিছু দান করতে ইচ্ছা করে তখন প্রতিটি কড়া (আংটী) তার পার্শ্ববর্তীটির সংগে সংকুচিত হয়ে যায় এবং আঁটসাঁট হয়ে যায় এবং তার দুই হাত তার কণ্ঠনালীর সংগে সংযুক্ত হয়ে যায়। আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে বলতে শুনেছি যে, সে তা সম্প্রসারিত করতে চায় কিন্তু সম্প্রসারিত হয় না।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, কৃপণ এবং দানশীল ব্যক্তির দৃষ্টান্ত এমন দু’জন ব্যক্তির ন্যায় যাদের গায়ে দু’টি লোহার বর্ম রয়েছে। (যার দরুন) তাদের হাত গলার হাঁসুলীর (কণ্ঠনালীর) সাথে লেগে রয়েছে। যখন দানশীল ব্যক্তি কোন কিছু দান করতে চায় তখন তা সম্প্রসারিত হয়ে যায় এবং এমন কি (তা এত লম্বা হয়) যে, তার পদচিহ্নকে মুছে ফেলে। আর কৃপণ যখন কোন কিছু দান করতে ইচ্ছা করে তখন প্রতিটি কড়া (আংটী) তার পার্শ্ববর্তীটির সংগে সংকুচিত হয়ে যায় এবং আঁটসাঁট হয়ে যায় এবং তার দুই হাত তার কণ্ঠনালীর সংগে সংযুক্ত হয়ে যায়। আর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে বলতে শুনেছি যে, সে তা সম্প্রসারিত করতে চায় কিন্তু সম্প্রসারিত হয় না।

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا عفان، قال: حدثنا وهيب، قال: حدثنا عبد الله بن طاوس، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «مثل البخيل، والمتصدق، مثل رجلين عليهما جنتان من حديد، قد اضطرت أيديهما إلى تراقيهما، فكلما هم المتصدق بصدقة، اتسعت عليه، حتى تعفي أثره، وكلما هم البخيل بصدقة، تقبضت كل حلقة إلى صاحبتها، وتقلصت عليه»، وانضمت يداه إلى تراقيه، وسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «فيجتهد أن يوسعها فلا تتسع»


সুনান নাসাঈ ২৫৪৭

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، عن ابن جريج، عن الحسن بن مسلم، عن طاوس، قال: سمعت أبا هريرة، ثم قال: حدثناه أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن مثل المنفق المتصدق، والبخيل كمثل رجلين عليهما جبتان - أو جنتان - من حديد، من لدن ثديهما إلى تراقيهما، فإذا أراد المنفق أن ينفق اتسعت عليه الدرع أو مرت حتى تجن بنانه، وتعفو أثره، وإذا أراد البخيل أن ينفق قلصت ولزمت كل حلقة موضعها، حتى إذا أخذته بترقوته - أو برقبته -»، يقول أبو هريرة: أشهد أنه رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم يوسعها، فلا تتسع، قال طاوس: سمعت أبا هريرة يشير بيده وهو يوسعها ولا تتوسع

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসূ্লুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দানশীল ব্যয়কারী এবং কৃপণের উদাহরণ ঐ দুই ব্যক্তির ন্যায় যাদের বুক থেকে গলার হাঁসুলী পর্যন্ত (লম্বা) দুটি লোহার বর্ম বা জুব্বা রয়েছে (পরিধান করেছে)। (রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুব্বা বলেছেন না লোহার বর্ম বলেছেন রাবী তা নিশ্চয়তার সাথে বলতে পারেন নি) দানশীল ব্যক্তি দান করার ইচ্ছা করলে বর্ম সম্প্রসারিত হয়ে যায় অথবা প্রলম্বিত হয়ে যায়। (এখানেও রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্প্রসারিত হয়ে যায় বলেছেন, না প্রলম্বিত হয়ে যায় বলেছেন রাবী সেটা নিশ্চয়তার সাথে বলতে পারেন নাই।) সম্প্রসারিত হয়ে তার আঙ্গুল ঢেকে ফেলে এবং তার পদচিহ্ন মুছে দেয়। আর কৃপণ যখন ব্যয় করতে ইচ্ছা করে তখন বর্মটি আরো সংকুচিত হয়ে যায় এবং প্রত্যেকটি কড়া নিজ নিজ স্থানে আঁটসাঁট হয়ে লেগে থাকে এবং তাকে তার হাঁসুলী অথবা ঘাড়ের সাথে আটকিয়ে দেয়। [১] আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, বিষয়টি বুঝিয়ে দেয়ার জন্য রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি তা সম্প্রসারিত করতে দেখেছি। কিন্তু তা সম্প্রসারিত হচ্ছিল না। তাউস (রহঃ) বলেন, আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর ব্যাপারে শুনেছি যে, তিনি স্বীয় হাত দ্বারা ইশারা করে দেখিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা সম্প্রসারিত করতে চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তা সম্প্রসারিত হয়নি।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসূ্লুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দানশীল ব্যয়কারী এবং কৃপণের উদাহরণ ঐ দুই ব্যক্তির ন্যায় যাদের বুক থেকে গলার হাঁসুলী পর্যন্ত (লম্বা) দুটি লোহার বর্ম বা জুব্বা রয়েছে (পরিধান করেছে)। (রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুব্বা বলেছেন না লোহার বর্ম বলেছেন রাবী তা নিশ্চয়তার সাথে বলতে পারেন নি) দানশীল ব্যক্তি দান করার ইচ্ছা করলে বর্ম সম্প্রসারিত হয়ে যায় অথবা প্রলম্বিত হয়ে যায়। (এখানেও রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্প্রসারিত হয়ে যায় বলেছেন, না প্রলম্বিত হয়ে যায় বলেছেন রাবী সেটা নিশ্চয়তার সাথে বলতে পারেন নাই।) সম্প্রসারিত হয়ে তার আঙ্গুল ঢেকে ফেলে এবং তার পদচিহ্ন মুছে দেয়। আর কৃপণ যখন ব্যয় করতে ইচ্ছা করে তখন বর্মটি আরো সংকুচিত হয়ে যায় এবং প্রত্যেকটি কড়া নিজ নিজ স্থানে আঁটসাঁট হয়ে লেগে থাকে এবং তাকে তার হাঁসুলী অথবা ঘাড়ের সাথে আটকিয়ে দেয়। [১] আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, বিষয়টি বুঝিয়ে দেয়ার জন্য রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি তা সম্প্রসারিত করতে দেখেছি। কিন্তু তা সম্প্রসারিত হচ্ছিল না। তাউস (রহঃ) বলেন, আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর ব্যাপারে শুনেছি যে, তিনি স্বীয় হাত দ্বারা ইশারা করে দেখিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা সম্প্রসারিত করতে চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তা সম্প্রসারিত হয়নি।

أخبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، عن ابن جريج، عن الحسن بن مسلم، عن طاوس، قال: سمعت أبا هريرة، ثم قال: حدثناه أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن مثل المنفق المتصدق، والبخيل كمثل رجلين عليهما جبتان - أو جنتان - من حديد، من لدن ثديهما إلى تراقيهما، فإذا أراد المنفق أن ينفق اتسعت عليه الدرع أو مرت حتى تجن بنانه، وتعفو أثره، وإذا أراد البخيل أن ينفق قلصت ولزمت كل حلقة موضعها، حتى إذا أخذته بترقوته - أو برقبته -»، يقول أبو هريرة: أشهد أنه رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم يوسعها، فلا تتسع، قال طاوس: سمعت أبا هريرة يشير بيده وهو يوسعها ولا تتوسع


সুনান নাসাঈ > হিসাব করে সাদাকা করা প্রসঙ্গে

সুনান নাসাঈ ২৫৫০

أخبرنا محمد بن آدم، عن عبدة، عن هشام بن عروة، عن فاطمة، عن أسماء بنت أبي بكر، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لها: «لا تحصي، فيحصي الله عز وجل عليك»

আসমা বিন্‌ত আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলেছেনঃ তুমি হিসাব করে খরচ (দান) করবে না নতুবা আল্লাহ্‌ তা’আলাও তোমাকে হিসাব করে দিবেন।

আসমা বিন্‌ত আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলেছেনঃ তুমি হিসাব করে খরচ (দান) করবে না নতুবা আল্লাহ্‌ তা’আলাও তোমাকে হিসাব করে দিবেন।

أخبرنا محمد بن آدم، عن عبدة، عن هشام بن عروة، عن فاطمة، عن أسماء بنت أبي بكر، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لها: «لا تحصي، فيحصي الله عز وجل عليك»


সুনান নাসাঈ ২৫৪৯

أخبرنا محمد بن عبد الله بن عبد الحكم، عن شعيب، حدثني الليث، قال: حدثنا خالد، عن ابن أبي هلال، عن أمية بن هند، عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف، قال: كنا يوما في المسجد جلوسا، ونفر من المهاجرين والأنصار فأرسلنا رجلا إلى عائشة ليستأذن، فدخلنا عليها، قالت: دخل علي سائل مرة، وعندي رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأمرت له بشيء، ثم دعوت به، فنظرت إليه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أما تريدين أن لا يدخل بيتك شيء، ولا يخرج، إلا بعلمك» قلت: نعم، قال: «مهلا يا عائشة، لا تحصي، فيحصي الله عز وجل عليك»

আবূ উসামা ইব্‌ন সাহল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, একদিন আমরা কিছু সংখ্যক মুজাহির ও আনসারসহ মসজিদে বসা ছিলাম। আমরা আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে একজন লোককে অনুমতি নেওয়ার জন্য পাঠালাম। এরপর আমরা তাঁর খিদমতে উপস্থিত হলাম। তিনি বললেন যে, একবার আমার কাছে একজন ভিক্ষুক আসল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে ছিলেন। আমি তাকে কিছু দেওয়ার জন্য (খাদিমকে) আদেশ করলাম। এরপর তাঁকে ডেকে তা দেখলাম। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি কি চাও যে, তোমার ঘরে তোমার অবগতি ব্যতীত কোন কিছু প্রবেশ না করুক এবং কিছু বেরও না হোক? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, হে আয়েশা, তুমি কখনও এরূপ করো না; তুমি কখনও হিসাব (কষাকষি) করে খরচ করবে না; নয়তো মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলাও তোমাকে হিসাব করে করে দেবেন।

আবূ উসামা ইব্‌ন সাহল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, একদিন আমরা কিছু সংখ্যক মুজাহির ও আনসারসহ মসজিদে বসা ছিলাম। আমরা আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে একজন লোককে অনুমতি নেওয়ার জন্য পাঠালাম। এরপর আমরা তাঁর খিদমতে উপস্থিত হলাম। তিনি বললেন যে, একবার আমার কাছে একজন ভিক্ষুক আসল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে ছিলেন। আমি তাকে কিছু দেওয়ার জন্য (খাদিমকে) আদেশ করলাম। এরপর তাঁকে ডেকে তা দেখলাম। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি কি চাও যে, তোমার ঘরে তোমার অবগতি ব্যতীত কোন কিছু প্রবেশ না করুক এবং কিছু বেরও না হোক? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, হে আয়েশা, তুমি কখনও এরূপ করো না; তুমি কখনও হিসাব (কষাকষি) করে খরচ করবে না; নয়তো মহান মহিয়ান আল্লাহ্‌ তা’আলাও তোমাকে হিসাব করে করে দেবেন।

أخبرنا محمد بن عبد الله بن عبد الحكم، عن شعيب، حدثني الليث، قال: حدثنا خالد، عن ابن أبي هلال، عن أمية بن هند، عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف، قال: كنا يوما في المسجد جلوسا، ونفر من المهاجرين والأنصار فأرسلنا رجلا إلى عائشة ليستأذن، فدخلنا عليها، قالت: دخل علي سائل مرة، وعندي رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأمرت له بشيء، ثم دعوت به، فنظرت إليه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أما تريدين أن لا يدخل بيتك شيء، ولا يخرج، إلا بعلمك» قلت: نعم، قال: «مهلا يا عائشة، لا تحصي، فيحصي الله عز وجل عليك»


সুনান নাসাঈ ২৫৫১

أخبرنا الحسن بن محمد، عن حجاج، قال: قال ابن جريج: أخبرني ابن أبي مليكة، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، عن أسماء بنت أبي بكر، أنها جاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت: يا نبي الله ليس لي شيء إلا ما أدخل علي الزبير، فهل علي جناح في أن أرضخ مما يدخل علي؟ فقال: «ارضخي ما استطعت، ولا توكي فيوكي الله عز وجل عليك»

আসমা বিন্‌ত আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (একবার) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলেন এবং বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আমার কাছে তো (আমার স্বামী) যুবায়র (রাঃ)-এর দেয়া কিছু (সম্পদ) ছাড়া অন্য কিছু নেই। অতএব তার দেয়া সম্পদ থেকে আমি কি কিছু দান করলে দোষ হবে কি? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি অল্প-স্বল্প দান করবে এবং আটকে রাখবে (কৃপণতা করবে) না; নয়তো আল্লাহ্‌ তা’আলাও তোমাকে (প্রদান করা) আটকে দেবেন।

আসমা বিন্‌ত আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (একবার) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলেন এবং বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আমার কাছে তো (আমার স্বামী) যুবায়র (রাঃ)-এর দেয়া কিছু (সম্পদ) ছাড়া অন্য কিছু নেই। অতএব তার দেয়া সম্পদ থেকে আমি কি কিছু দান করলে দোষ হবে কি? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি অল্প-স্বল্প দান করবে এবং আটকে রাখবে (কৃপণতা করবে) না; নয়তো আল্লাহ্‌ তা’আলাও তোমাকে (প্রদান করা) আটকে দেবেন।

أخبرنا الحسن بن محمد، عن حجاج، قال: قال ابن جريج: أخبرني ابن أبي مليكة، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، عن أسماء بنت أبي بكر، أنها جاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت: يا نبي الله ليس لي شيء إلا ما أدخل علي الزبير، فهل علي جناح في أن أرضخ مما يدخل علي؟ فقال: «ارضخي ما استطعت، ولا توكي فيوكي الله عز وجل عليك»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00