সুনান নাসাঈ > সাদাকায়ে ফিতর আদায় করার উত্তম (মুস্তাহাব) সময় প্রসঙ্গে
সুনান নাসাঈ ২৫২১
أخبرنا محمد بن معدان بن عيسى، قال: حدثنا الحسن، حدثنا زهير، حدثنا موسى، ح قال: وأنبأنا محمد بن عبد الله بن بزيع، قال: حدثنا الفضيل، قال: حدثنا موسى، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم «أمر بصدقة الفطر، أن تؤدى قبل خروج الناس إلى الصلاة» قال ابن بزيع: بزكاة الفطر
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাদাকায়ে ফিতরের ব্যাপারে আদেশ দিয়েছেন যে, লোকজন ঈদগাহের দিকে বের হয়ে যাওয়ার পূর্বেই যেন তা আদায় করে দেওয়া হয়। ইব্ন বাযী এর বর্ণনায় ফিতরে ‘যাকাত’ শব্দ রয়েছে।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাদাকায়ে ফিতরের ব্যাপারে আদেশ দিয়েছেন যে, লোকজন ঈদগাহের দিকে বের হয়ে যাওয়ার পূর্বেই যেন তা আদায় করে দেওয়া হয়। ইব্ন বাযী এর বর্ণনায় ফিতরে ‘যাকাত’ শব্দ রয়েছে।
أخبرنا محمد بن معدان بن عيسى، قال: حدثنا الحسن، حدثنا زهير، حدثنا موسى، ح قال: وأنبأنا محمد بن عبد الله بن بزيع، قال: حدثنا الفضيل، قال: حدثنا موسى، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم «أمر بصدقة الفطر، أن تؤدى قبل خروج الناس إلى الصلاة» قال ابن بزيع: بزكاة الفطر
সুনান নাসাঈ > এক এলাকার যাকাত (ও সাদাকায়ে ফিতর) অন্য এলাকায় নিয়ে যাওয়া
সুনান নাসাঈ ২৫২২
أخبرنا محمد بن عبد الله بن المبارك، قال: حدثنا وكيع، قال: حدثنا زكريا بن إسحق، وكان ثقة، عن يحيى بن عبد الله بن صيفي، عن أبي معبد، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث معاذ بن جبل إلى اليمن فقال: " إنك تأتي قوما أهل كتاب فادعهم إلى شهادة أن لا إله إلا الله وأني رسول الله، فإن هم أطاعوك، فأعلمهم أن الله عز وجل افترض عليهم: خمس صلوات في كل يوم وليلة، فإن هم أطاعوك، فأعلمهم أن الله عز وجل قد افترض عليهم صدقة في أموالهم، تؤخذ من أغنيائهم، فتوضع في فقرائهم، فإن هم أطاعوك لذلك، فإياك وكرائم أموالهم، واتق دعوة المظلوم، فإنها ليس بينها وبين الله عز وجل حجاب "
ইব্ন আব্বাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু’আয ইব্ন জাবাল (রহঃ)- কে ইয়ামানে পাঠালেন এবং বললেন যে, তুমি আহলে কিতাব (আসমানী কিতাবধারী ইয়াহুদী ও খৃস্টান) সম্প্রদায়ের কাছে যাচ্ছ। “আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন মাবূদ নাই এবং আমি আল্লাহ্ তায়ালার প্রেরিত রাসূল”-এর সাক্ষ্য প্রধানের জন্য তুমি তাদেরকে আহবান জানাবে। যদি তারা তোমার আনুগত্য করে (এ আহবানে সাড়া দেয়) তাহলে তাদের জানিয়ে দেবে যে, মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তায়ালা তাদের উপর প্রত্যেক দিন-রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। এতে যদি তারা তোমার আনুগত্য করে তাহলে তাদের জানিয়ে দেবে যে, মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তায়ালা তাদের উপর তাদের মালে তাদের উপর যাকাত ফরয করেছেন যা (তাদের) স্বচ্ছল ব্যক্তিদের থেকে নিয়ে অস্বচ্ছল ব্যক্তিদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। এতে যদি তারা তোমার আনুগত্য করে তাহলে তুমি তাদের উৎকৃষ্ট মাল নেওয়া থেকে বিরত থাকবে। আর অত্যাচারিতের বদ দু’য়াকে ভয় করবে। কেননা, মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তায়ালা এবং তার তাদের (দু’য়ার) মধ্যে কোন পর্দা নেই।
ইব্ন আব্বাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু’আয ইব্ন জাবাল (রহঃ)- কে ইয়ামানে পাঠালেন এবং বললেন যে, তুমি আহলে কিতাব (আসমানী কিতাবধারী ইয়াহুদী ও খৃস্টান) সম্প্রদায়ের কাছে যাচ্ছ। “আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন মাবূদ নাই এবং আমি আল্লাহ্ তায়ালার প্রেরিত রাসূল”-এর সাক্ষ্য প্রধানের জন্য তুমি তাদেরকে আহবান জানাবে। যদি তারা তোমার আনুগত্য করে (এ আহবানে সাড়া দেয়) তাহলে তাদের জানিয়ে দেবে যে, মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তায়ালা তাদের উপর প্রত্যেক দিন-রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। এতে যদি তারা তোমার আনুগত্য করে তাহলে তাদের জানিয়ে দেবে যে, মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তায়ালা তাদের উপর তাদের মালে তাদের উপর যাকাত ফরয করেছেন যা (তাদের) স্বচ্ছল ব্যক্তিদের থেকে নিয়ে অস্বচ্ছল ব্যক্তিদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। এতে যদি তারা তোমার আনুগত্য করে তাহলে তুমি তাদের উৎকৃষ্ট মাল নেওয়া থেকে বিরত থাকবে। আর অত্যাচারিতের বদ দু’য়াকে ভয় করবে। কেননা, মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তায়ালা এবং তার তাদের (দু’য়ার) মধ্যে কোন পর্দা নেই।
أخبرنا محمد بن عبد الله بن المبارك، قال: حدثنا وكيع، قال: حدثنا زكريا بن إسحق، وكان ثقة، عن يحيى بن عبد الله بن صيفي، عن أبي معبد، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث معاذ بن جبل إلى اليمن فقال: " إنك تأتي قوما أهل كتاب فادعهم إلى شهادة أن لا إله إلا الله وأني رسول الله، فإن هم أطاعوك، فأعلمهم أن الله عز وجل افترض عليهم: خمس صلوات في كل يوم وليلة، فإن هم أطاعوك، فأعلمهم أن الله عز وجل قد افترض عليهم صدقة في أموالهم، تؤخذ من أغنيائهم، فتوضع في فقرائهم، فإن هم أطاعوك لذلك، فإياك وكرائم أموالهم، واتق دعوة المظلوم، فإنها ليس بينها وبين الله عز وجل حجاب "
সুনান নাসাঈ > অজ্ঞাতসারে কোন স্বচ্ছল ব্যক্তিকে যাকাত (ও সাদাকায়ে ফিতর) দিয়ে দিলে
সুনান নাসাঈ ২৫২৩
أخبرنا عمران بن بكار، قال: حدثنا علي بن عياش، قال: حدثنا شعيب، قال: حدثني أبو الزناد، مما حدثه عبد الرحمن الأعرج، مما ذكر أنه سمع أبا هريرة، يحدث به عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال: " قال رجل: لأتصدقن بصدقة فخرج بصدقته فوضعها في يد سارق، فأصبحوا يتحدثون تصدق على سارق، فقال: اللهم لك الحمد على سارق، لأتصدقن بصدقة، فخرج بصدقته فوضعها في يد زانية، فأصبحوا يتحدثون تصدق الليلة على زانية، فقال: اللهم لك الحمد على زانية، لأتصدقن بصدقة، فخرج بصدقته فوضعها في يد غني، فأصبحوا يتحدثون تصدق على غني، قال: اللهم لك الحمد على زانية، وعلى سارق، وعلى غني، فأتي فقيل له: أما صدقتك فقد تقبلت، أما الزانية فلعلها أن تستعف به من زناها، ولعل السارق أن يستعف به عن سرقته، ولعل الغني أن يعتبر فينفق مما أعطاه الله عز وجل "
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, (একবার) এক ব্যক্তি (বনী ইসরাইল-এর এক ব্যক্তি) (মনে মনে) বলল যে, আমি অবশ্যই কিছু সাদাকা করব। সে সাদাকা নিয়া বের হয়ে সেগুলো একজন চোরের হাতে দিয়ে দিল। সকালে লোকজন বলাবলি করতে লাগলো যে, একজন চোরকে সাদাকা দেওয়া হয়েছে। সে (সাদাকাদাতা) বলল, ইয়া আল্লাহ্! তোমার প্রশংসা একজন চোরের ব্যাপারে .....(আমি একজন চোরকে সাদাকা দিতে পেরেছি)। (সে বলল,) আমি অবশ্যই (আবারও) সাদাকা করব। সাদাকা নিয়ে বের হয়ে তা একজন ব্যভিচারিণীর হাতে দিয়া দিল। সকালে লোকজন বলাবলি করতে লাগলো যে, গত রাতে একজন ব্যভিচারিণীকে সাদাকা দেওয়া হয়েছে। সে (সাদাকাদাতা) বলল যে, ইয়া আল্লাহ্! তোমার প্রশংসা একজন ব্যভিচারিণীর জন্য .....(যে, একজন ব্যভিচারিণীকে সাদাকা দিতে পেরেছি)। আমি অবশ্যই (আবারও) সাদাকা করব। সে সাদাকা নিয়ে বের হয়ে তা একজন স্বচ্ছল ব্যক্তির হাতে দিয়ে দিল। সকালে লোকজন বলাবলি করতে লাগলো যে, একজন স্বচ্ছল ব্যক্তিকে সাদাকা দেওয়া হয়েছে। সে (সাদাকাদাতা) বলল, ইয়া আল্লাহ্! তোমার প্রশংসা যে, একজন চোর, একজন ব্যভিচারিণী এবং একজন স্বচ্ছল ব্যক্তি জন্য (তাদের সাদাকা দিতে পেরেছি)। তাকে স্বপ্নে দেখানো হল যে, তোমার সাদাকা কবুল করে নেয়া হয়েছে। ব্যভিচারিণী! সে হয়ত প্রাপ্ত সাদাকা দ্বারা ব্যভিচার থেকে বেঁচে থাকবে। চোর! সে হয়ত প্রাপ্ত সাদাকা দ্বারা চুরি করা হতে নিবৃত্ত থাকবে। আর স্বচ্ছল ব্যক্তি! সে হয়ত উপদেশ গ্রহন করবে এবং তাকে মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তা’য়ালা প্রদত্ত সম্পত্তি থেকে দান করবে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, (একবার) এক ব্যক্তি (বনী ইসরাইল-এর এক ব্যক্তি) (মনে মনে) বলল যে, আমি অবশ্যই কিছু সাদাকা করব। সে সাদাকা নিয়া বের হয়ে সেগুলো একজন চোরের হাতে দিয়ে দিল। সকালে লোকজন বলাবলি করতে লাগলো যে, একজন চোরকে সাদাকা দেওয়া হয়েছে। সে (সাদাকাদাতা) বলল, ইয়া আল্লাহ্! তোমার প্রশংসা একজন চোরের ব্যাপারে .....(আমি একজন চোরকে সাদাকা দিতে পেরেছি)। (সে বলল,) আমি অবশ্যই (আবারও) সাদাকা করব। সাদাকা নিয়ে বের হয়ে তা একজন ব্যভিচারিণীর হাতে দিয়া দিল। সকালে লোকজন বলাবলি করতে লাগলো যে, গত রাতে একজন ব্যভিচারিণীকে সাদাকা দেওয়া হয়েছে। সে (সাদাকাদাতা) বলল যে, ইয়া আল্লাহ্! তোমার প্রশংসা একজন ব্যভিচারিণীর জন্য .....(যে, একজন ব্যভিচারিণীকে সাদাকা দিতে পেরেছি)। আমি অবশ্যই (আবারও) সাদাকা করব। সে সাদাকা নিয়ে বের হয়ে তা একজন স্বচ্ছল ব্যক্তির হাতে দিয়ে দিল। সকালে লোকজন বলাবলি করতে লাগলো যে, একজন স্বচ্ছল ব্যক্তিকে সাদাকা দেওয়া হয়েছে। সে (সাদাকাদাতা) বলল, ইয়া আল্লাহ্! তোমার প্রশংসা যে, একজন চোর, একজন ব্যভিচারিণী এবং একজন স্বচ্ছল ব্যক্তি জন্য (তাদের সাদাকা দিতে পেরেছি)। তাকে স্বপ্নে দেখানো হল যে, তোমার সাদাকা কবুল করে নেয়া হয়েছে। ব্যভিচারিণী! সে হয়ত প্রাপ্ত সাদাকা দ্বারা ব্যভিচার থেকে বেঁচে থাকবে। চোর! সে হয়ত প্রাপ্ত সাদাকা দ্বারা চুরি করা হতে নিবৃত্ত থাকবে। আর স্বচ্ছল ব্যক্তি! সে হয়ত উপদেশ গ্রহন করবে এবং তাকে মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তা’য়ালা প্রদত্ত সম্পত্তি থেকে দান করবে।
أخبرنا عمران بن بكار، قال: حدثنا علي بن عياش، قال: حدثنا شعيب، قال: حدثني أبو الزناد، مما حدثه عبد الرحمن الأعرج، مما ذكر أنه سمع أبا هريرة، يحدث به عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال: " قال رجل: لأتصدقن بصدقة فخرج بصدقته فوضعها في يد سارق، فأصبحوا يتحدثون تصدق على سارق، فقال: اللهم لك الحمد على سارق، لأتصدقن بصدقة، فخرج بصدقته فوضعها في يد زانية، فأصبحوا يتحدثون تصدق الليلة على زانية، فقال: اللهم لك الحمد على زانية، لأتصدقن بصدقة، فخرج بصدقته فوضعها في يد غني، فأصبحوا يتحدثون تصدق على غني، قال: اللهم لك الحمد على زانية، وعلى سارق، وعلى غني، فأتي فقيل له: أما صدقتك فقد تقبلت، أما الزانية فلعلها أن تستعف به من زناها، ولعل السارق أن يستعف به عن سرقته، ولعل الغني أن يعتبر فينفق مما أعطاه الله عز وجل "
সুনান নাসাঈ > খিয়ানতের (আত্মসাৎকৃত) মাল থেকে সাদাকা করা
সুনান নাসাঈ ২৫২৪
أخبرنا الحسين بن محمد الذارع، قال: حدثنا يزيد وهو ابن زريع، قال: حدثنا شعبة، قال: وأنبأنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا بشر وهو ابن المفضل، قال: حدثنا شعبة - واللفظ لبشر - عن قتادة، عن أبي المليح، عن أبيه، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «إن الله عز وجل لا يقبل صلاة بغير طهور، ولا صدقة من غلول»
উসামাহ ইব্ন উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি বলতে শুনেছি যে আল্লাহ্ তা’য়ালা পবিত্রতা (তাহারাত) ছাড়া সালাত কবূল করেন না এবং খিয়ানতের (আত্মসাৎ, প্রতারনা, চুরি ইত্যাদির) মাল থেকেও সাদাকা কবূল করেন না।
উসামাহ ইব্ন উমায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি বলতে শুনেছি যে আল্লাহ্ তা’য়ালা পবিত্রতা (তাহারাত) ছাড়া সালাত কবূল করেন না এবং খিয়ানতের (আত্মসাৎ, প্রতারনা, চুরি ইত্যাদির) মাল থেকেও সাদাকা কবূল করেন না।
أخبرنا الحسين بن محمد الذارع، قال: حدثنا يزيد وهو ابن زريع، قال: حدثنا شعبة، قال: وأنبأنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا بشر وهو ابن المفضل، قال: حدثنا شعبة - واللفظ لبشر - عن قتادة، عن أبي المليح، عن أبيه، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «إن الله عز وجل لا يقبل صلاة بغير طهور، ولا صدقة من غلول»
সুনান নাসাঈ ২৫২৫
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن سعيد بن يسار، أنه سمع أبا هريرة، يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما تصدق أحد بصدقة من طيب، ولا يقبل الله عز وجل إلا الطيب، إلا أخذها الرحمن عز وجل بيمينه، وإن كانت تمرة، فتربو في كف الرحمن، حتى تكون أعظم من الجبل، كما يربي أحدكم فلوه، أو فصيله»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে কেউ পবিত্র (হালাল মাল) থেকে সাদাকা করলে – আর বস্তুতঃ মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তা’য়ালা পবিত্র (হালাল) ব্যতীত কবূল করেন না – তা (দান) আল্লাহ্ তা’য়ালা তাঁর ডান হাতে গ্রহণ করেন। যদিও তা একটি খেজুরই হোক না কেন এবং তা (সে দান ) ‘রহমান’–এর হাতে প্রবৃদ্ধি লাভ করতে থাকে। এমনকি তা পাহাড় থেকেও বিরাট আকার ধারণ করে। যেরূপ তোমাদের কেউ কেউ তার ঘোড়ার শাবক বা উটের শাবকের লালন-পালন করে থাক।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে কেউ পবিত্র (হালাল মাল) থেকে সাদাকা করলে – আর বস্তুতঃ মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তা’য়ালা পবিত্র (হালাল) ব্যতীত কবূল করেন না – তা (দান) আল্লাহ্ তা’য়ালা তাঁর ডান হাতে গ্রহণ করেন। যদিও তা একটি খেজুরই হোক না কেন এবং তা (সে দান ) ‘রহমান’–এর হাতে প্রবৃদ্ধি লাভ করতে থাকে। এমনকি তা পাহাড় থেকেও বিরাট আকার ধারণ করে। যেরূপ তোমাদের কেউ কেউ তার ঘোড়ার শাবক বা উটের শাবকের লালন-পালন করে থাক।
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن سعيد بن يسار، أنه سمع أبا هريرة، يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما تصدق أحد بصدقة من طيب، ولا يقبل الله عز وجل إلا الطيب، إلا أخذها الرحمن عز وجل بيمينه، وإن كانت تمرة، فتربو في كف الرحمن، حتى تكون أعظم من الجبل، كما يربي أحدكم فلوه، أو فصيله»