সুনান নাসাঈ > উটের যাকাত থেকে অব্যাহতি- যদি তা তার মালিকদের দুধের জন্য এবং পরিবহণের জন্য হয়

সুনান নাসাঈ ২৪৪৯

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا معتمر، قال: سمعت بهز بن حكيم، يحدث عن أبيه، عن جده، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: «في كل إبل سائمة من كل أربعين ابنة لبون، لا تفرق إبل عن حسابها، من أعطاها مؤتجرا له أجرها، ومن منعها فإنا آخذوها، وشطر إبله عزمة من عزمات ربنا، لا يحل لآل محمد صلى الله عليه وسلم منها شيء»

বাহয্ ইব্‌ন হাকীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : প্রত্যেক অবাধে বিচরণকারী উটের যাকাত হল প্রত্যেক চল্লিশে একটি বিনত্ লাবুন (তিন বছর বয়সী উটনী)। উটের হিসাব থেকে কোন উটকে বাদ দেওয়া হবে না। যে ব্যক্তি সওয়াবের নিয়্যতে তা দান করবে তার জন্য তার সওয়াব রয়েছে আর যে ব্যক্তি তা আদায় করতে অস্বীকার করবে আমরা অবশ্যই তার থেকে তা এবং সাথে সাথে তার অর্ধেক উট নিয়ে নেব। এটা আমার আল্লাহ্‌র অবশ্য পালনীয় বিধানসমূহ থেকে একটি বিধান। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বংশধরদের জন্য এর কোন কিছু বৈধ নয়।

বাহয্ ইব্‌ন হাকীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : প্রত্যেক অবাধে বিচরণকারী উটের যাকাত হল প্রত্যেক চল্লিশে একটি বিনত্ লাবুন (তিন বছর বয়সী উটনী)। উটের হিসাব থেকে কোন উটকে বাদ দেওয়া হবে না। যে ব্যক্তি সওয়াবের নিয়্যতে তা দান করবে তার জন্য তার সওয়াব রয়েছে আর যে ব্যক্তি তা আদায় করতে অস্বীকার করবে আমরা অবশ্যই তার থেকে তা এবং সাথে সাথে তার অর্ধেক উট নিয়ে নেব। এটা আমার আল্লাহ্‌র অবশ্য পালনীয় বিধানসমূহ থেকে একটি বিধান। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বংশধরদের জন্য এর কোন কিছু বৈধ নয়।

أخبرنا محمد بن عبد الأعلى، قال: حدثنا معتمر، قال: سمعت بهز بن حكيم، يحدث عن أبيه، عن جده، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: «في كل إبل سائمة من كل أربعين ابنة لبون، لا تفرق إبل عن حسابها، من أعطاها مؤتجرا له أجرها، ومن منعها فإنا آخذوها، وشطر إبله عزمة من عزمات ربنا، لا يحل لآل محمد صلى الله عليه وسلم منها شيء»


সুনান নাসাঈ > গরুর যাকাত

সুনান নাসাঈ ২৪৫০

أخبرنا محمد بن رافع، قال: حدثنا يحيى بن آدم، قال: حدثنا مفضل وهو ابن مهلهل، عن الأعمش، عن شقيق، عن مسروق، عن معاذ: «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثه إلى اليمن وأمره أن يأخذ من كل حالم دينارا أو عدله معافر، ومن البقر من ثلاثين تبيعا أو تبيعة، ومن كل أربعين مسنة»

মু‘আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ইয়ামানে পাঠালেন এবং তাঁকে আদেশ দিলেন যেন, তাদের প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি থেকে এক দীনার করে আদায় করেন অথবা তার সমমূল্যের মা‘আফির ইয়ামানী চাদর আদায় করেন। আর গরুর যাকাত হিসেবে প্রত্যেক ত্রিশে একটি তাবী (দুই বছর বয়সী) বৃষ বা গাভী এবং প্রত্যেক চল্লিশে একটি ‘মুসিন্না’ (তিন বছর বয়সী গাভী) আদায় করেন।

মু‘আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ইয়ামানে পাঠালেন এবং তাঁকে আদেশ দিলেন যেন, তাদের প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি থেকে এক দীনার করে আদায় করেন অথবা তার সমমূল্যের মা‘আফির ইয়ামানী চাদর আদায় করেন। আর গরুর যাকাত হিসেবে প্রত্যেক ত্রিশে একটি তাবী (দুই বছর বয়সী) বৃষ বা গাভী এবং প্রত্যেক চল্লিশে একটি ‘মুসিন্না’ (তিন বছর বয়সী গাভী) আদায় করেন।

أخبرنا محمد بن رافع، قال: حدثنا يحيى بن آدم، قال: حدثنا مفضل وهو ابن مهلهل، عن الأعمش، عن شقيق، عن مسروق، عن معاذ: «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثه إلى اليمن وأمره أن يأخذ من كل حالم دينارا أو عدله معافر، ومن البقر من ثلاثين تبيعا أو تبيعة، ومن كل أربعين مسنة»


সুনান নাসাঈ ২৪৫২

أخبرنا أحمد بن حرب، قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن مسروق، عن معاذ، قال: «لما بعثه رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليمن أمره أن يأخذ من كل ثلاثين من البقر تبيعا أو تبيعة، ومن كل أربعين مسنة، ومن كل حالم دينارا أو عدله معافر»

মু‘আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ইয়ামানে পাঠান তখন তাঁকে আদেশ করেন যেন, তিনি প্রত্যেক ত্রিশটি গরুতে একটি তাবী’ (দুই বছর বয়সী গরু বা গাভী) এবং প্রত্যেক চল্লিশটি গরুতে একটি ‘মুসিন্না’ (তিন বছর বয়সী গাভী) আর প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি থেকে এক দীনার অথবা তার ‘মা‘আফির’ সমমূল্যের (ইয়ামানী চাদর) আদায় করেন।

মু‘আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে ইয়ামানে পাঠান তখন তাঁকে আদেশ করেন যেন, তিনি প্রত্যেক ত্রিশটি গরুতে একটি তাবী’ (দুই বছর বয়সী গরু বা গাভী) এবং প্রত্যেক চল্লিশটি গরুতে একটি ‘মুসিন্না’ (তিন বছর বয়সী গাভী) আর প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি থেকে এক দীনার অথবা তার ‘মা‘আফির’ সমমূল্যের (ইয়ামানী চাদর) আদায় করেন।

أخبرنا أحمد بن حرب، قال: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن مسروق، عن معاذ، قال: «لما بعثه رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليمن أمره أن يأخذ من كل ثلاثين من البقر تبيعا أو تبيعة، ومن كل أربعين مسنة، ومن كل حالم دينارا أو عدله معافر»


সুনান নাসাঈ ২৪৫১

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا يعلى وهو ابن عبيد، قال: حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن مسروق، والأعمش، عن إبراهيم، قالا: قال معاذ: «بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليمن فأمرني أن آخذ من كل أربعين بقرة ثنية، ومن كل ثلاثين تبيعا، ومن كل حالم دينارا أو عدله معافر» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره

মু‘আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়ামানে পাঠালেন এবং আমাকে আদেশ দিলেন যেন, আমি প্রত্যেক চল্লিশটি গরু থেকে একটি তিন বছর বয়সী গাভী এবং প্রত্যেকটি ত্রিশটি থেকে একটি তাবী (দুই বছর বয়সী) গরু আর প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি থেকে এক দীনার অথবা তার সমমূল্যের মা‘আফির (ইয়ামানী কাপড়) আদায় করি।

মু‘আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়ামানে পাঠালেন এবং আমাকে আদেশ দিলেন যেন, আমি প্রত্যেক চল্লিশটি গরু থেকে একটি তিন বছর বয়সী গাভী এবং প্রত্যেকটি ত্রিশটি থেকে একটি তাবী (দুই বছর বয়সী) গরু আর প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি থেকে এক দীনার অথবা তার সমমূল্যের মা‘আফির (ইয়ামানী কাপড়) আদায় করি।

أخبرنا أحمد بن سليمان، قال: حدثنا يعلى وهو ابن عبيد، قال: حدثنا الأعمش، عن شقيق، عن مسروق، والأعمش، عن إبراهيم، قالا: قال معاذ: «بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليمن فأمرني أن آخذ من كل أربعين بقرة ثنية، ومن كل ثلاثين تبيعا، ومن كل حالم دينارا أو عدله معافر» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره


সুনান নাসাঈ ২৪৫৩

أخبرنا محمد بن منصور الطوسي، قال: حدثنا يعقوب، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، قال: حدثني سليمان الأعمش، عن أبي وائل بن سلمة، عن معاذ بن جبل، قال: «أمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم حين بعثني إلى اليمن أن لا آخذ من البقر شيئا حتى تبلغ ثلاثين، فإذا بلغت ثلاثين ففيها عجل تابع جذع أو جذعة حتى تبلغ أربعين، فإذا بلغت أربعين ففيها بقرة مسنة» --- [حكم الألباني] حسن صحيح

মু‘আয ইব্‌ন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়ামানে পাঠানোর সময় আদেশ দিয়েছিলেন যেন, আমি গরুর সংখ্যা ত্রিশ না হওয়া পর্যন্ত তার থেকে কিছু (যাকাত) আদায় না করি। যখন ত্রিশ হয়ে যাবে তখন একটি তাবী’ (দুই বছর বয়সী) পুরুষ অথবা স্ত্রী বাছুর (এঁড়ে বা বকনা দিতে হবে)। এ হুকুম চল্লিশ পর্যন্ত (ত্রিশের বেশী কিন্তু চল্লিশের কম)। চল্লিশ হয়ে গেলে তাতে একটি ‘মুসিন্না’ (তিন বছর বয়সী গাভী ওয়াজিব হবে)।

মু‘আয ইব্‌ন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়ামানে পাঠানোর সময় আদেশ দিয়েছিলেন যেন, আমি গরুর সংখ্যা ত্রিশ না হওয়া পর্যন্ত তার থেকে কিছু (যাকাত) আদায় না করি। যখন ত্রিশ হয়ে যাবে তখন একটি তাবী’ (দুই বছর বয়সী) পুরুষ অথবা স্ত্রী বাছুর (এঁড়ে বা বকনা দিতে হবে)। এ হুকুম চল্লিশ পর্যন্ত (ত্রিশের বেশী কিন্তু চল্লিশের কম)। চল্লিশ হয়ে গেলে তাতে একটি ‘মুসিন্না’ (তিন বছর বয়সী গাভী ওয়াজিব হবে)।

أخبرنا محمد بن منصور الطوسي، قال: حدثنا يعقوب، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، قال: حدثني سليمان الأعمش، عن أبي وائل بن سلمة، عن معاذ بن جبل، قال: «أمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم حين بعثني إلى اليمن أن لا آخذ من البقر شيئا حتى تبلغ ثلاثين، فإذا بلغت ثلاثين ففيها عجل تابع جذع أو جذعة حتى تبلغ أربعين، فإذا بلغت أربعين ففيها بقرة مسنة» --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ২৪৫৩

أخبرنا محمد بن منصور الطوسي، قال: حدثنا يعقوب، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، قال: حدثني سليمان الأعمش، عن أبي وائل بن سلمة، عن معاذ بن جبل، قال: «أمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم حين بعثني إلى اليمن أن لا آخذ من البقر شيئا حتى تبلغ ثلاثين، فإذا بلغت ثلاثين ففيها عجل تابع جذع أو جذعة حتى تبلغ أربعين، فإذا بلغت أربعين ففيها بقرة مسنة» --- [حكم الألباني] حسن صحيح

মু‘আয ইব্‌ন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়ামানে পাঠানোর সময় আদেশ দিয়েছিলেন যেন, আমি গরুর সংখ্যা ত্রিশ না হওয়া পর্যন্ত তার থেকে কিছু (যাকাত) আদায় না করি। যখন ত্রিশ হয়ে যাবে তখন একটি তাবী’ (দুই বছর বয়সী) পুরুষ অথবা স্ত্রী বাছুর (এঁড়ে বা বকনা দিতে হবে)। এ হুকুম চল্লিশ পর্যন্ত (ত্রিশের বেশী কিন্তু চল্লিশের কম)। চল্লিশ হয়ে গেলে তাতে একটি ‘মুসিন্না’ (তিন বছর বয়সী গাভী ওয়াজিব হবে)।

মু‘আয ইব্‌ন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়ামানে পাঠানোর সময় আদেশ দিয়েছিলেন যেন, আমি গরুর সংখ্যা ত্রিশ না হওয়া পর্যন্ত তার থেকে কিছু (যাকাত) আদায় না করি। যখন ত্রিশ হয়ে যাবে তখন একটি তাবী’ (দুই বছর বয়সী) পুরুষ অথবা স্ত্রী বাছুর (এঁড়ে বা বকনা দিতে হবে)। এ হুকুম চল্লিশ পর্যন্ত (ত্রিশের বেশী কিন্তু চল্লিশের কম)। চল্লিশ হয়ে গেলে তাতে একটি ‘মুসিন্না’ (তিন বছর বয়সী গাভী ওয়াজিব হবে)।

أخبرنا محمد بن منصور الطوسي، قال: حدثنا يعقوب، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، قال: حدثني سليمان الأعمش، عن أبي وائل بن سلمة، عن معاذ بن جبل، قال: «أمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم حين بعثني إلى اليمن أن لا آخذ من البقر شيئا حتى تبلغ ثلاثين، فإذا بلغت ثلاثين ففيها عجل تابع جذع أو جذعة حتى تبلغ أربعين، فإذا بلغت أربعين ففيها بقرة مسنة» --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ২৪৫৩

أخبرنا محمد بن منصور الطوسي، قال: حدثنا يعقوب، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، قال: حدثني سليمان الأعمش، عن أبي وائل بن سلمة، عن معاذ بن جبل، قال: «أمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم حين بعثني إلى اليمن أن لا آخذ من البقر شيئا حتى تبلغ ثلاثين، فإذا بلغت ثلاثين ففيها عجل تابع جذع أو جذعة حتى تبلغ أربعين، فإذا بلغت أربعين ففيها بقرة مسنة» --- [حكم الألباني] حسن صحيح

মু‘আয ইব্‌ন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়ামানে পাঠানোর সময় আদেশ দিয়েছিলেন যেন, আমি গরুর সংখ্যা ত্রিশ না হওয়া পর্যন্ত তার থেকে কিছু (যাকাত) আদায় না করি। যখন ত্রিশ হয়ে যাবে তখন একটি তাবী’ (দুই বছর বয়সী) পুরুষ অথবা স্ত্রী বাছুর (এঁড়ে বা বকনা দিতে হবে)। এ হুকুম চল্লিশ পর্যন্ত (ত্রিশের বেশী কিন্তু চল্লিশের কম)। চল্লিশ হয়ে গেলে তাতে একটি ‘মুসিন্না’ (তিন বছর বয়সী গাভী ওয়াজিব হবে)।

মু‘আয ইব্‌ন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়ামানে পাঠানোর সময় আদেশ দিয়েছিলেন যেন, আমি গরুর সংখ্যা ত্রিশ না হওয়া পর্যন্ত তার থেকে কিছু (যাকাত) আদায় না করি। যখন ত্রিশ হয়ে যাবে তখন একটি তাবী’ (দুই বছর বয়সী) পুরুষ অথবা স্ত্রী বাছুর (এঁড়ে বা বকনা দিতে হবে)। এ হুকুম চল্লিশ পর্যন্ত (ত্রিশের বেশী কিন্তু চল্লিশের কম)। চল্লিশ হয়ে গেলে তাতে একটি ‘মুসিন্না’ (তিন বছর বয়সী গাভী ওয়াজিব হবে)।

أخبرنا محمد بن منصور الطوسي، قال: حدثنا يعقوب، قال: حدثنا أبي، عن ابن إسحق، قال: حدثني سليمان الأعمش، عن أبي وائل بن سلمة، عن معاذ بن جبل، قال: «أمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم حين بعثني إلى اليمن أن لا آخذ من البقر شيئا حتى تبلغ ثلاثين، فإذا بلغت ثلاثين ففيها عجل تابع جذع أو جذعة حتى تبلغ أربعين، فإذا بلغت أربعين ففيها بقرة مسنة» --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ > গরুর যাকাত প্রদানে অস্বীকারকারী প্রসঙ্গে

সুনান নাসাঈ ২৪৫৪

خبرنا واصل بن عبد الأعلى، عن ابن فضيل، عن عبد الملك بن أبي سليمان، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من صاحب إبل ولا بقر ولا غنم لا يؤدي حقها، إلا وقف لها يوم القيامة بقاع قرقر تطؤه ذات الأظلاف بأظلافها، وتنطحه ذات القرون بقرونها، ليس فيها يومئذ جماء ولا مكسورة القرن». قلنا: يا رسول الله، وماذا حقها؟ قال: " إطراق فحلها، وإعارة دلوها، وحمل عليها في سبيل الله، ولا صاحب مال لا يؤدي حقه، إلا يخيل له يوم القيامة شجاع أقرع يفر منه صاحبه وهو يتبعه يقول له: هذا كنزك الذي كنت تبخل به، فإذا رأى أنه لا بد له منه أدخل يده في فيه، فجعل يقضمها كما يقضم الفحل "

জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি উট, গরু এবং ছাগলের ‘প্রাপ্য’ আদায় না করবে তাকে কিয়ামতের দিন একটি সমতল ভূমিতে থামিয়ে (স্থির করে) রাখা হবে। তাকে ক্ষুর বিশিষ্ট (জন্তু)রা ক্ষুর দ্বারা দলন করতে থাকবে এবং শিং বিশিষ্ট (জন্তু)রা শিং দ্বারা আঘাত করতে থাকবে। সে দিন সেগুলোর মধ্যে কোন শিং বিহীন বা ভগ্ন শিং বিশিষ্ট থাকবে না। আমরা প্রশ্ন করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! জন্তুতে (মুস্তাহাব) ‘প্রাপ্য’ কি ? তিনি বললেন, প্রজননের জন্য ষাঁড় গরু ধার দেওয়া, ডোল (বালতি) পানি সেচের জন্য ধার দেওয়া এবং পশুর উপর আল্লাহ্‌র রাস্তায় ভার বহন করা।[১] (আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করার জন্য পশু ধার দেওয়া) আর যে ধনবান ব্যক্তি ধন সম্পদের যাকাত আদায় না করবে কিয়ামতের দিন ঐ সমস্ত ধন-সম্পদ তার সামনে বিষাক্ত সাপের আকৃতিতে উপস্থিত হবে। তার মালিক তার থেকে পলায়ন করবে কিন্তু তা (সাপ) তার পশ্চাদ্ধাবন করতে থাকবে এবং বলবে যে, এতো তোমার ধন-সম্পদ যা থেকে তুমি কৃপণতা করতে (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ব্যয় করতে না)। যখন সে ব্যক্তি দেখবে যে, তার (সাপের) হাত থেকে বাঁচার কোন উপায় নেই তখন সে তার হাত তার মুখে প্রবেশ করিয়ে দেবে আর সাপ তা কামড়াতে থাকবে যে রূপ ষাঁড় কামড়াতে থাকে।

জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি উট, গরু এবং ছাগলের ‘প্রাপ্য’ আদায় না করবে তাকে কিয়ামতের দিন একটি সমতল ভূমিতে থামিয়ে (স্থির করে) রাখা হবে। তাকে ক্ষুর বিশিষ্ট (জন্তু)রা ক্ষুর দ্বারা দলন করতে থাকবে এবং শিং বিশিষ্ট (জন্তু)রা শিং দ্বারা আঘাত করতে থাকবে। সে দিন সেগুলোর মধ্যে কোন শিং বিহীন বা ভগ্ন শিং বিশিষ্ট থাকবে না। আমরা প্রশ্ন করলাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! জন্তুতে (মুস্তাহাব) ‘প্রাপ্য’ কি ? তিনি বললেন, প্রজননের জন্য ষাঁড় গরু ধার দেওয়া, ডোল (বালতি) পানি সেচের জন্য ধার দেওয়া এবং পশুর উপর আল্লাহ্‌র রাস্তায় ভার বহন করা।[১] (আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করার জন্য পশু ধার দেওয়া) আর যে ধনবান ব্যক্তি ধন সম্পদের যাকাত আদায় না করবে কিয়ামতের দিন ঐ সমস্ত ধন-সম্পদ তার সামনে বিষাক্ত সাপের আকৃতিতে উপস্থিত হবে। তার মালিক তার থেকে পলায়ন করবে কিন্তু তা (সাপ) তার পশ্চাদ্ধাবন করতে থাকবে এবং বলবে যে, এতো তোমার ধন-সম্পদ যা থেকে তুমি কৃপণতা করতে (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ব্যয় করতে না)। যখন সে ব্যক্তি দেখবে যে, তার (সাপের) হাত থেকে বাঁচার কোন উপায় নেই তখন সে তার হাত তার মুখে প্রবেশ করিয়ে দেবে আর সাপ তা কামড়াতে থাকবে যে রূপ ষাঁড় কামড়াতে থাকে।

خبرنا واصل بن عبد الأعلى، عن ابن فضيل، عن عبد الملك بن أبي سليمان، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من صاحب إبل ولا بقر ولا غنم لا يؤدي حقها، إلا وقف لها يوم القيامة بقاع قرقر تطؤه ذات الأظلاف بأظلافها، وتنطحه ذات القرون بقرونها، ليس فيها يومئذ جماء ولا مكسورة القرن». قلنا: يا رسول الله، وماذا حقها؟ قال: " إطراق فحلها، وإعارة دلوها، وحمل عليها في سبيل الله، ولا صاحب مال لا يؤدي حقه، إلا يخيل له يوم القيامة شجاع أقرع يفر منه صاحبه وهو يتبعه يقول له: هذا كنزك الذي كنت تبخل به، فإذا رأى أنه لا بد له منه أدخل يده في فيه، فجعل يقضمها كما يقضم الفحل "


সুনান নাসাঈ > ছাগলের যাকাত

সুনান নাসাঈ ২৪৫৬

أخبرنا محمد بن عبد الله بن المبارك، قال: حدثنا وكيع، قال: حدثنا الأعمش، عن المعرور بن سويد، عن أبي ذر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من صاحب إبل ولا بقر ولا غنم لا يؤدي زكاتها، إلا جاءت يوم القيامة أعظم ما كانت وأسمنه، تنطحه بقرونها، وتطؤه بأخفافها، كلما نفدت أخراها أعادت عليه أولاها، حتى يقضى بين الناس»

আবু যর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসূ্লুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি উট, গরু এবং ছাগলের মালিক হয়েও তার যাকাত আদায় না করবে, কিয়ামতের দিন ঐ সমস্ত পশু পূর্বাপেক্ষা বিশালদেহী এবং মোটা-তাজা আকারে তার কাছে উপস্থিত হবে তারা তাকে তাদের শিং দ্বারা আঘাত এবং তাদের ক্ষুর দ্বারা (চক্রাকারে) দলন করতে থাকবে। যখনই তাদের শেষেরটি পার হয়ে যাবে তখনই পূর্বেরটা ফিরিয়ে আনা হবে। এ রকমই চলতে থাকবে লোকজনের বিচার কার্য সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত।

আবু যর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসূ্লুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি উট, গরু এবং ছাগলের মালিক হয়েও তার যাকাত আদায় না করবে, কিয়ামতের দিন ঐ সমস্ত পশু পূর্বাপেক্ষা বিশালদেহী এবং মোটা-তাজা আকারে তার কাছে উপস্থিত হবে তারা তাকে তাদের শিং দ্বারা আঘাত এবং তাদের ক্ষুর দ্বারা (চক্রাকারে) দলন করতে থাকবে। যখনই তাদের শেষেরটি পার হয়ে যাবে তখনই পূর্বেরটা ফিরিয়ে আনা হবে। এ রকমই চলতে থাকবে লোকজনের বিচার কার্য সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত।

أخبرنا محمد بن عبد الله بن المبارك، قال: حدثنا وكيع، قال: حدثنا الأعمش، عن المعرور بن سويد، عن أبي ذر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من صاحب إبل ولا بقر ولا غنم لا يؤدي زكاتها، إلا جاءت يوم القيامة أعظم ما كانت وأسمنه، تنطحه بقرونها، وتطؤه بأخفافها، كلما نفدت أخراها أعادت عليه أولاها، حتى يقضى بين الناس»


সুনান নাসাঈ ২৪৫৫

أخبرنا عبيد الله بن فضالة بن إبراهيم النسائي، قال: أنبأنا سريج بن النعمان، قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن ثمامة بن عبد الله بن أنس بن مالك، عن أنس بن مالك: أن أبا بكر، رضي الله عنه كتب له أن هذه فرائض الصدقة التي فرض رسول الله صلى الله عليه وسلم على المسلمين التي أمر الله بها رسوله صلى الله عليه وسلم، فمن سئلها من المسلمين على وجهها فليعطها، ومن سئل فوقها فلا يعطه «فيما دون خمس وعشرين من الإبل في خمس ذود شاة، فإذا بلغت خمسا وعشرين ففيها بنت مخاض إلى خمس وثلاثين، فإن لم تكن ابنة مخاض فابن لبون ذكر، فإذا بلغت ستة وثلاثين ففيها بنت لبون إلى خمس وأربعين، فإذا بلغت ستة وأربعين ففيها حقة طروقة الفحل إلى ستين، فإذا بلغت إحدى وستين ففيها جذعة إلى خمسة وسبعين، فإذا بلغت ستة وسبعين ففيها ابنتا لبون إلى تسعين، فإذا بلغت إحدى وتسعين ففيها حقتان طروقتا الفحل إلى عشرين ومائة، فإذا زادت على عشرين ومائة ففي كل أربعين ابنة لبون وفي كل خمسين حقة، فإذا تباين أسنان الإبل في فرائض الصدقات فمن بلغت عنده صدقة الجذعة وليست عنده جذعة وعنده حقة، فإنها تقبل منه الحقة ويجعل معها شاتين إن استيسرتا له أو عشرين درهما، ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده إلا جذعة، فإنها تقبل منه ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين، ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده وعنده ابنة لبون، فإنها تقبل منه ويجعل معها شاتين إن استيسرتا له أو عشرين درهما، ومن بلغت عنده صدقة بنت لبون وليست عنده إلا حقة، فإنها تقبل منه ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين، ومن بلغت عنده صدقة بنت لبون وليست عنده بنت لبون وعنده بنت مخاض، فإنها تقبل منه ويجعل معها شاتين إن استيسرتا له أو عشرين درهما، ومن بلغت عنده صدقة ابنة مخاض وليست عنده إلا ابن لبون ذكر فإنه يقبل منه وليس معه شيء، ومن لم يكن عنده إلا أربعة من الإبل فليس فيها شيء إلا أن يشاء ربها، وفي صدقة الغنم في سائمتها إذا كانت أربعين ففيها شاة إلى عشرين ومائة، فإذا زادت واحدة ففيها شاتان إلى مائتين، فإذا زادت واحدة ففيها ثلاث شياه إلى ثلاث مائة، فإذا زادت واحدة ففي كل مائة شاة، ولا تؤخذ في الصدقة هرمة ولا ذات عوار ولا تيس الغنم إلا أن يشاء المصدق، ولا يجمع بين متفرق، ولا يفرق بين مجتمع خشية الصدقة، وما كان من خليطين فإنهما يتراجعان بينهما بالسوية، وإذا كانت سائمة الرجل ناقصة من أربعين شاة واحدة فليس فيها شيء إلا أن يشاء ربها، وفي الرقة ربع العشر، فإن لم يكن المال إلا تسعين ومائة فليس فيه شيء إلا أن يشاء ربها»

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবু বকর (রাঃ) তাঁকে লিখেছিলেন: এ হলো ফরয যাকাত যা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র নির্দেশে মুসলমানদের উপর ধার্য করেছেন। তাই যে কোন মুসলমানের কাছে তা নিয়ম মাফিক চাওয়া হবে সে তা দিয়ে দেবে। আর যার কাছে অধিক দাবী করা হবে সে তাকে দিবে না। উট, পঁচিশের কম হলে প্রত্যেক পাঁচ উটে একটি বকরী। পঁচিশ হয়ে গেলে পঁয়ত্রিশ পর্যন্ত একটি ‘বিনত্ মাখায’ (দুই বছর বয়সী উটনী ওয়াজিব)। ‘বিনত্ মাখায’ (দুই বছর বয়সী উটনী) না পেলে ‘ইব্‌ন লাবুন’ (তিন বছর বয়সী ) পুরুষ উট দিতে হবে। ছত্রিশ হয়ে গেলে পঁয়তাল্লিশ পর্যন্ত একটি ‘বিনত্ লাবুন’ (তিন বছর বয়সী উটনী ওয়াজিব)। ছেচল্লিশ থেকে ষাট পর্যন্ত উটে ‘হিককা’ (চার বছর বয়সী) আরোহণের উপযোগ্য একটি উটনী ওয়াজিব। একষট্টি থেকে পঁচাত্তর পর্যন্ত উটে একটি ‘জায‘আ’ (পাঁচ বছর বয়সী উটনী দিতে হবে)। উটের সংখ্যা ছিয়াত্তর থেকে নব্বই পর্যন্ত হলে তাতে দুটি ‘বিনত্ লাবুন’ (তিন বছর বয়সী উটনী ওয়াজিব হবে)। উটের সংখ্যা একানব্বই থেকে একশত বিশ পর্যন্ত হলে তাতে আরোহণের উপযোগী (চার বছর বয়সী) দুটি (উটনী ওয়াজিব হবে)। একশত বিশের অধিক হয়ে গেলে প্রত্যেক চল্লিশে একটি ‘বিনত্ লাবুন’ (তিন বছর বয়সী উটনী) এবং প্রত্যেক পঞ্চাশে একটি ‘হিককা’ (চার বছর বয়সী উটনী দিতে হবে)। যদি ফরয যাকাত আদায়কালে উটের বয়সের তারতম্য হয়ে যায়- যেমন, কারো উপর একটি জায‘আ (পাঁচ বছর বয়সী উট) ওয়াজিব হয়ে গেল অথচ তার কাছে জায‘আ (পাঁচ বছর বয়সী উট) নেই বরং (চার বছর বয়সী) উট রয়েছে তাহলে তার কাছ থেকে তাই আদায় করা হবে এবং তার সাথে যদি সহজ সাধ্য হয় দুটি ছাগল দিয়ে দিবে অথবা বিশটি দিরহাম দিয়ে দিবে। আর কারো উপর একটি হিক্কা (চার বছরের উটনী)-র যাকাত ওয়াজিব হল, কিন্তু তার কাছে জাযা‘আ (পাঁচ বছরের) ব্যতীত অন্যটি নেই তবে তার কাছ থেকে তা (জায‘আ)-ই গ্রহন করা হবে এবং যাকাত উসূলকারী তাকে বিশ দিরহাম দিবে, অথবা দুটি ছাগল। আর যার উপর একটি ‘হিককা’ যাকাত ওয়াজিব হল, কিন্তু তা তার কাছে নেই, বরং তার কাছে ‘বিনত্ লাবুন’ (তিন বছরের মাদী) আছে তবে তা-ই তার কাছ থেকে গ্রহন করা হবে এবং সে তার সংগে দুটি ছাগল দিবে। যদি তা সহজ সাধ্য হয়। অন্যথা বিশ দিরহাম (দিবে)। আর যার উপর একটি ‘বিনত্ লাবুন’ যাকাত ওয়াজিব হল, কিন্তু তার কাছে ‘হিককা’ ব্যতীত অন্য কিছু নেই তবে তার কাছ থেকে তা-ই গ্রহন করা হবে এবং যাকাত উসূলকারী তাকে (যাকাতদাতাকে) বিশ দিরহাম অথবা দুটি ছাগল (ফিরিয়ে) দিবে। আর কারো উপর একটি ‘বিনত্ লাবুন’ (তিন বছর বয়সী উটনী) ওয়াজিব হয়ে গেলে কিন্তু তার কাছে ‘বিনত্ লাবুন’ (তিন বছর বয়সী উটনী) নেই এবং ‘বিনত্ মাখায’ (দুই বছর বয়সী উটনী) আছে, তাহলে তার কাছ থেকে তাই আদায় করা হবে এবং তার সাথে (যাকাত প্রদানকারী যাকাত উসূলকারীকে) যদি সহজ সাধ্য হয় দুটি ছাগল দিবে অথবা বিশটি দিরহাম (দিয়ে দিবে)। আর কারো উপর ‘বিনত্ মাখায’ (দু বছর বয়সী উটনী) ওয়াজিব হয়ে গেল। অথচ তার কাছে শুধুমাত্র ‘ইব্‌ন লাবুন’ (তিন বছর বয়সী উট) রয়েছে তাহলে তার থেকে তাই গ্রহন করা হবে এবং তার সাথে আর কিছু লেনদেন করতে হবে না। আর যার কাছে শুধুমাত্র চারটি উট রয়েছে তার উপর কোন যাকাত ওয়াজিব হবে না। অবশ্য তার মালিক যদি কিছু আদায় করতে ইচ্ছে করে (তবে সেটা ভিন্ন কথা)। ছাগলের যাকাত অবাধে চরে বেড়ানো চল্লিশটি হতে একশত বিশটি পর্যন্ত একটি ছাগল। যদি (একশত বিশটির উপর) একটি ছাগলও বেশী হয় তবে দুটি ছাগল (ওয়াজিব হবে) দুইশত পর্যন্ত। যদি তার থেকে একটি বেশী হয়ে যায় তাহলে তিনশত পর্যন্ত তিনটি ছাগল (দিতে হবে)। যদি তার থেকে একটিও বেশী হয়ে যায় তবে প্রতি একশতে একটি করে ছাগল ওয়াজিব হবে। আর যাকাত আদায়কালে অতি বৃদ্ধ এবং ত্রুটিযুক্ত ও পাঁঠা ছাগল গ্রহন করা হবে না। অবশ্য যাকাত উসূলকারী যদি ভাল মনে করে (তবে তা গ্রহন করতে পারবে)। যাকাত আদায়ের ভয়ে বিচ্ছিন্ন পশু একত্রিত করা যাবে না আর একত্রিত পশুও বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। শরীকী মালে দু‘জন (শরীকরা) সমহারে লেনদেন করে নিবে। কারো বিচরণকারী যদি চল্লিশটি ছাগলের থেকে একটিও কম হয় তবে তাতে যাকাত ওয়াজিব হবে না,অবশ্য তার মালিক যদি আদায় করতে ইচ্ছা করে (তবে সেটা ভিন্ন কথা)। আর রূপার যাকাত হল (দুশ দিরহাম হলে) চল্লিশ ভাগের এক ভাগ। (প্রতি শতে আড়াই ভাগ) যদি কারো কাছে একশত নব্বইটি দিরহাম (দু‘শ-এর কম) থাকে তাহলে তাতে যাকাত ওয়াজিব হবে না, অবশ্য তার মালিক যদি আদায় করতে ইচ্ছা করে (তবে সেটা ভিন্ন কথা)।

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবু বকর (রাঃ) তাঁকে লিখেছিলেন: এ হলো ফরয যাকাত যা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র নির্দেশে মুসলমানদের উপর ধার্য করেছেন। তাই যে কোন মুসলমানের কাছে তা নিয়ম মাফিক চাওয়া হবে সে তা দিয়ে দেবে। আর যার কাছে অধিক দাবী করা হবে সে তাকে দিবে না। উট, পঁচিশের কম হলে প্রত্যেক পাঁচ উটে একটি বকরী। পঁচিশ হয়ে গেলে পঁয়ত্রিশ পর্যন্ত একটি ‘বিনত্ মাখায’ (দুই বছর বয়সী উটনী ওয়াজিব)। ‘বিনত্ মাখায’ (দুই বছর বয়সী উটনী) না পেলে ‘ইব্‌ন লাবুন’ (তিন বছর বয়সী ) পুরুষ উট দিতে হবে। ছত্রিশ হয়ে গেলে পঁয়তাল্লিশ পর্যন্ত একটি ‘বিনত্ লাবুন’ (তিন বছর বয়সী উটনী ওয়াজিব)। ছেচল্লিশ থেকে ষাট পর্যন্ত উটে ‘হিককা’ (চার বছর বয়সী) আরোহণের উপযোগ্য একটি উটনী ওয়াজিব। একষট্টি থেকে পঁচাত্তর পর্যন্ত উটে একটি ‘জায‘আ’ (পাঁচ বছর বয়সী উটনী দিতে হবে)। উটের সংখ্যা ছিয়াত্তর থেকে নব্বই পর্যন্ত হলে তাতে দুটি ‘বিনত্ লাবুন’ (তিন বছর বয়সী উটনী ওয়াজিব হবে)। উটের সংখ্যা একানব্বই থেকে একশত বিশ পর্যন্ত হলে তাতে আরোহণের উপযোগী (চার বছর বয়সী) দুটি (উটনী ওয়াজিব হবে)। একশত বিশের অধিক হয়ে গেলে প্রত্যেক চল্লিশে একটি ‘বিনত্ লাবুন’ (তিন বছর বয়সী উটনী) এবং প্রত্যেক পঞ্চাশে একটি ‘হিককা’ (চার বছর বয়সী উটনী দিতে হবে)। যদি ফরয যাকাত আদায়কালে উটের বয়সের তারতম্য হয়ে যায়- যেমন, কারো উপর একটি জায‘আ (পাঁচ বছর বয়সী উট) ওয়াজিব হয়ে গেল অথচ তার কাছে জায‘আ (পাঁচ বছর বয়সী উট) নেই বরং (চার বছর বয়সী) উট রয়েছে তাহলে তার কাছ থেকে তাই আদায় করা হবে এবং তার সাথে যদি সহজ সাধ্য হয় দুটি ছাগল দিয়ে দিবে অথবা বিশটি দিরহাম দিয়ে দিবে। আর কারো উপর একটি হিক্কা (চার বছরের উটনী)-র যাকাত ওয়াজিব হল, কিন্তু তার কাছে জাযা‘আ (পাঁচ বছরের) ব্যতীত অন্যটি নেই তবে তার কাছ থেকে তা (জায‘আ)-ই গ্রহন করা হবে এবং যাকাত উসূলকারী তাকে বিশ দিরহাম দিবে, অথবা দুটি ছাগল। আর যার উপর একটি ‘হিককা’ যাকাত ওয়াজিব হল, কিন্তু তা তার কাছে নেই, বরং তার কাছে ‘বিনত্ লাবুন’ (তিন বছরের মাদী) আছে তবে তা-ই তার কাছ থেকে গ্রহন করা হবে এবং সে তার সংগে দুটি ছাগল দিবে। যদি তা সহজ সাধ্য হয়। অন্যথা বিশ দিরহাম (দিবে)। আর যার উপর একটি ‘বিনত্ লাবুন’ যাকাত ওয়াজিব হল, কিন্তু তার কাছে ‘হিককা’ ব্যতীত অন্য কিছু নেই তবে তার কাছ থেকে তা-ই গ্রহন করা হবে এবং যাকাত উসূলকারী তাকে (যাকাতদাতাকে) বিশ দিরহাম অথবা দুটি ছাগল (ফিরিয়ে) দিবে। আর কারো উপর একটি ‘বিনত্ লাবুন’ (তিন বছর বয়সী উটনী) ওয়াজিব হয়ে গেলে কিন্তু তার কাছে ‘বিনত্ লাবুন’ (তিন বছর বয়সী উটনী) নেই এবং ‘বিনত্ মাখায’ (দুই বছর বয়সী উটনী) আছে, তাহলে তার কাছ থেকে তাই আদায় করা হবে এবং তার সাথে (যাকাত প্রদানকারী যাকাত উসূলকারীকে) যদি সহজ সাধ্য হয় দুটি ছাগল দিবে অথবা বিশটি দিরহাম (দিয়ে দিবে)। আর কারো উপর ‘বিনত্ মাখায’ (দু বছর বয়সী উটনী) ওয়াজিব হয়ে গেল। অথচ তার কাছে শুধুমাত্র ‘ইব্‌ন লাবুন’ (তিন বছর বয়সী উট) রয়েছে তাহলে তার থেকে তাই গ্রহন করা হবে এবং তার সাথে আর কিছু লেনদেন করতে হবে না। আর যার কাছে শুধুমাত্র চারটি উট রয়েছে তার উপর কোন যাকাত ওয়াজিব হবে না। অবশ্য তার মালিক যদি কিছু আদায় করতে ইচ্ছে করে (তবে সেটা ভিন্ন কথা)। ছাগলের যাকাত অবাধে চরে বেড়ানো চল্লিশটি হতে একশত বিশটি পর্যন্ত একটি ছাগল। যদি (একশত বিশটির উপর) একটি ছাগলও বেশী হয় তবে দুটি ছাগল (ওয়াজিব হবে) দুইশত পর্যন্ত। যদি তার থেকে একটি বেশী হয়ে যায় তাহলে তিনশত পর্যন্ত তিনটি ছাগল (দিতে হবে)। যদি তার থেকে একটিও বেশী হয়ে যায় তবে প্রতি একশতে একটি করে ছাগল ওয়াজিব হবে। আর যাকাত আদায়কালে অতি বৃদ্ধ এবং ত্রুটিযুক্ত ও পাঁঠা ছাগল গ্রহন করা হবে না। অবশ্য যাকাত উসূলকারী যদি ভাল মনে করে (তবে তা গ্রহন করতে পারবে)। যাকাত আদায়ের ভয়ে বিচ্ছিন্ন পশু একত্রিত করা যাবে না আর একত্রিত পশুও বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। শরীকী মালে দু‘জন (শরীকরা) সমহারে লেনদেন করে নিবে। কারো বিচরণকারী যদি চল্লিশটি ছাগলের থেকে একটিও কম হয় তবে তাতে যাকাত ওয়াজিব হবে না,অবশ্য তার মালিক যদি আদায় করতে ইচ্ছা করে (তবে সেটা ভিন্ন কথা)। আর রূপার যাকাত হল (দুশ দিরহাম হলে) চল্লিশ ভাগের এক ভাগ। (প্রতি শতে আড়াই ভাগ) যদি কারো কাছে একশত নব্বইটি দিরহাম (দু‘শ-এর কম) থাকে তাহলে তাতে যাকাত ওয়াজিব হবে না, অবশ্য তার মালিক যদি আদায় করতে ইচ্ছা করে (তবে সেটা ভিন্ন কথা)।

أخبرنا عبيد الله بن فضالة بن إبراهيم النسائي، قال: أنبأنا سريج بن النعمان، قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن ثمامة بن عبد الله بن أنس بن مالك، عن أنس بن مالك: أن أبا بكر، رضي الله عنه كتب له أن هذه فرائض الصدقة التي فرض رسول الله صلى الله عليه وسلم على المسلمين التي أمر الله بها رسوله صلى الله عليه وسلم، فمن سئلها من المسلمين على وجهها فليعطها، ومن سئل فوقها فلا يعطه «فيما دون خمس وعشرين من الإبل في خمس ذود شاة، فإذا بلغت خمسا وعشرين ففيها بنت مخاض إلى خمس وثلاثين، فإن لم تكن ابنة مخاض فابن لبون ذكر، فإذا بلغت ستة وثلاثين ففيها بنت لبون إلى خمس وأربعين، فإذا بلغت ستة وأربعين ففيها حقة طروقة الفحل إلى ستين، فإذا بلغت إحدى وستين ففيها جذعة إلى خمسة وسبعين، فإذا بلغت ستة وسبعين ففيها ابنتا لبون إلى تسعين، فإذا بلغت إحدى وتسعين ففيها حقتان طروقتا الفحل إلى عشرين ومائة، فإذا زادت على عشرين ومائة ففي كل أربعين ابنة لبون وفي كل خمسين حقة، فإذا تباين أسنان الإبل في فرائض الصدقات فمن بلغت عنده صدقة الجذعة وليست عنده جذعة وعنده حقة، فإنها تقبل منه الحقة ويجعل معها شاتين إن استيسرتا له أو عشرين درهما، ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده إلا جذعة، فإنها تقبل منه ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين، ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده وعنده ابنة لبون، فإنها تقبل منه ويجعل معها شاتين إن استيسرتا له أو عشرين درهما، ومن بلغت عنده صدقة بنت لبون وليست عنده إلا حقة، فإنها تقبل منه ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين، ومن بلغت عنده صدقة بنت لبون وليست عنده بنت لبون وعنده بنت مخاض، فإنها تقبل منه ويجعل معها شاتين إن استيسرتا له أو عشرين درهما، ومن بلغت عنده صدقة ابنة مخاض وليست عنده إلا ابن لبون ذكر فإنه يقبل منه وليس معه شيء، ومن لم يكن عنده إلا أربعة من الإبل فليس فيها شيء إلا أن يشاء ربها، وفي صدقة الغنم في سائمتها إذا كانت أربعين ففيها شاة إلى عشرين ومائة، فإذا زادت واحدة ففيها شاتان إلى مائتين، فإذا زادت واحدة ففيها ثلاث شياه إلى ثلاث مائة، فإذا زادت واحدة ففي كل مائة شاة، ولا تؤخذ في الصدقة هرمة ولا ذات عوار ولا تيس الغنم إلا أن يشاء المصدق، ولا يجمع بين متفرق، ولا يفرق بين مجتمع خشية الصدقة، وما كان من خليطين فإنهما يتراجعان بينهما بالسوية، وإذا كانت سائمة الرجل ناقصة من أربعين شاة واحدة فليس فيها شيء إلا أن يشاء ربها، وفي الرقة ربع العشر، فإن لم يكن المال إلا تسعين ومائة فليس فيه شيء إلا أن يشاء ربها»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00