সুনান নাসাঈ > এ হাদীসের বর্ণনায় গায়লান ইব্‌ন জারীর (রহঃ) বর্ণনাভেদের উল্লেখ

সুনান নাসাঈ ২৩৮২

أخبرني هارون بن عبد الله، قال: حدثنا الحسن بن موسى، قال: أنبأنا أبو هلال، قال: حدثنا غيلان وهو ابن جرير، قال: حدثنا عبد الله وهو ابن معبد الزماني، عن أبي قتادة، عن عمر، قال: كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فمررنا برجل، فقالوا: يا نبي الله، هذا لا يفطر منذ كذا وكذا، فقال: «لا صام ولا أفطر» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره

উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা একবার রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। আমরা এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। সাহাবীরা বললেনঃ ইয়া নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এই ব্যক্তি দীর্ঘ দিন পর্যন্ত সাওম (রোযা) ভঙ্গ করে না। রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার সাওম (রোযা)ও গ্রহণযোগ্য নয় আর তার সাওম (রোযা) ভঙ্গও গ্রহণযোগ্য নয়।

উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা একবার রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। আমরা এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। সাহাবীরা বললেনঃ ইয়া নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এই ব্যক্তি দীর্ঘ দিন পর্যন্ত সাওম (রোযা) ভঙ্গ করে না। রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার সাওম (রোযা)ও গ্রহণযোগ্য নয় আর তার সাওম (রোযা) ভঙ্গও গ্রহণযোগ্য নয়।

أخبرني هارون بن عبد الله، قال: حدثنا الحسن بن موسى، قال: أنبأنا أبو هلال، قال: حدثنا غيلان وهو ابن جرير، قال: حدثنا عبد الله وهو ابن معبد الزماني، عن أبي قتادة، عن عمر، قال: كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فمررنا برجل، فقالوا: يا نبي الله، هذا لا يفطر منذ كذا وكذا، فقال: «لا صام ولا أفطر» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره


সুনান নাসাঈ ২৩৮৩

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا محمد، قال: حدثنا شعبة، عن غيلان، أنه سمع عبد الله بن معبد الزماني، عن أبي قتادة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن صومه فغضب، فقال عمر: رضينا بالله ربا، وبالإسلام دينا، وبمحمد رسولا، وسئل عمن صام الدهر، فقال: «لا صام ولا أفطر» أو «ما صام وما أفطر» --- [حكم الألباني] سكت عنه الشيخ

আবু কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তার সাওম (রোযা) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি রাগান্বিত হয়ে গেলেন, তখন উমর (রাঃ) বললেন যে, আমরা রব হিসাবে আল্লাহর উপর, ধর্ম হিসাবে ইসলামের উপর এবং রাসুল হিসাবে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর সন্তুষ্ট। আরেকবার সর্বদা সাওম (রোযা) পালনকারী ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হলে তিনি বললেনঃ তার সাওম (রোযা) পালনও গ্রহণযোগ্য নয়। তার সাওম (রোযা) ভঙ্গও গ্রহণযোগ্য নয়।

আবু কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তার সাওম (রোযা) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি রাগান্বিত হয়ে গেলেন, তখন উমর (রাঃ) বললেন যে, আমরা রব হিসাবে আল্লাহর উপর, ধর্ম হিসাবে ইসলামের উপর এবং রাসুল হিসাবে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর সন্তুষ্ট। আরেকবার সর্বদা সাওম (রোযা) পালনকারী ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হলে তিনি বললেনঃ তার সাওম (রোযা) পালনও গ্রহণযোগ্য নয়। তার সাওম (রোযা) ভঙ্গও গ্রহণযোগ্য নয়।

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا محمد، قال: حدثنا شعبة، عن غيلان، أنه سمع عبد الله بن معبد الزماني، عن أبي قتادة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن صومه فغضب، فقال عمر: رضينا بالله ربا، وبالإسلام دينا، وبمحمد رسولا، وسئل عمن صام الدهر، فقال: «لا صام ولا أفطر» أو «ما صام وما أفطر» --- [حكم الألباني] سكت عنه الشيخ


সুনান নাসাঈ > সর্বদা সাওম (রোযা) পালন করা

সুনান নাসাঈ ২৩৮৪

أخبرنا يحيى بن حبيب بن عربي، قال: حدثنا حماد، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، أن حمزة بن عمرو الأسلمي، سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: يا رسول الله، إني رجل أسرد الصوم، أفأصوم في السفر؟ قال: «صم إن شئت، أو أفطر إن شئت»

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হামযা ইব্‌ন আমর আসলামী (রাঃ) রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ্‌! আমি সর্বদা সাওম (রোযা) পালনকারী ব্যক্তি। তাই আমি কি সফরকালীন সময়ে সাওম (রোযা) পালন করব? তিনি বললেনঃ যদি তোমার ইচ্ছা হয় তবে সাওম (রোযা) পালন করবে আর যদি ইচ্ছা হয় তবে সাওম (রোযা) ভঙ্গ করে ফেলবে।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হামযা ইব্‌ন আমর আসলামী (রাঃ) রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ্‌! আমি সর্বদা সাওম (রোযা) পালনকারী ব্যক্তি। তাই আমি কি সফরকালীন সময়ে সাওম (রোযা) পালন করব? তিনি বললেনঃ যদি তোমার ইচ্ছা হয় তবে সাওম (রোযা) পালন করবে আর যদি ইচ্ছা হয় তবে সাওম (রোযা) ভঙ্গ করে ফেলবে।

أخبرنا يحيى بن حبيب بن عربي، قال: حدثنا حماد، عن هشام، عن أبيه، عن عائشة، أن حمزة بن عمرو الأسلمي، سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: يا رسول الله، إني رجل أسرد الصوم، أفأصوم في السفر؟ قال: «صم إن شئت، أو أفطر إن شئت»


সুনান নাসাঈ > সারা বছরের দুই-তৃতীয়াংশকাল সাওম (রোযা) পালন করা এবং এ বিষয়ে রেওয়ায়ত বর্ণনায় বর্ণনাকারীদের ইখতিলাফের উল্লেখ

সুনান নাসাঈ ২৩৮৫

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا عبد الرحمن، قال: حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن أبي عمار، عن عمرو بن شرحبيل، عن رجل، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، قال: قيل للنبي صلى الله عليه وسلم: رجل يصوم الدهر، قال: «وددت أنه لم يطعم الدهر»، قالوا: فثلثيه، قال: «أكثر»، قالوا: فنصفه، قال: «أكثر»، ثم قال: «ألا أخبركم بما يذهب وحر الصدر؟ صوم ثلاثة أيام من كل شهر»

মুহাম্মদ ইব্‌ন বাশ্‌শার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এক সাহাবী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলা হল যে, এক ব্যক্তি সর্বদা সাওম (রোযা) পালন করে। তিনি বললেনঃ আমার মনে চায় সে যেন কখনো কিছু আহার না করে।১ সাহাবীরা বললেন, তাহলে বছেরর দুই তৃতীয়াংশকালে সাওম (রোযা) পালন করুক? তিনি বললেন, তাও অধিক। সাহাবীরা বললেন, তাহলে সারা বছরের অর্ধেক? তিনি বললেন, তাও অধিক। অতঃপর তিনি বললেন, আমি কি তোমাদের অন্তরের ওয়াস্‌ওয়াসা বিদূরীত করার আমল সম্পর্কে অবহিত করব না? তা হল প্রত্যেক মাসের তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করা।

মুহাম্মদ ইব্‌ন বাশ্‌শার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এক সাহাবী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলা হল যে, এক ব্যক্তি সর্বদা সাওম (রোযা) পালন করে। তিনি বললেনঃ আমার মনে চায় সে যেন কখনো কিছু আহার না করে।১ সাহাবীরা বললেন, তাহলে বছেরর দুই তৃতীয়াংশকালে সাওম (রোযা) পালন করুক? তিনি বললেন, তাও অধিক। সাহাবীরা বললেন, তাহলে সারা বছরের অর্ধেক? তিনি বললেন, তাও অধিক। অতঃপর তিনি বললেন, আমি কি তোমাদের অন্তরের ওয়াস্‌ওয়াসা বিদূরীত করার আমল সম্পর্কে অবহিত করব না? তা হল প্রত্যেক মাসের তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করা।

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا عبد الرحمن، قال: حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن أبي عمار، عن عمرو بن شرحبيل، عن رجل، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، قال: قيل للنبي صلى الله عليه وسلم: رجل يصوم الدهر، قال: «وددت أنه لم يطعم الدهر»، قالوا: فثلثيه، قال: «أكثر»، قالوا: فنصفه، قال: «أكثر»، ثم قال: «ألا أخبركم بما يذهب وحر الصدر؟ صوم ثلاثة أيام من كل شهر»


সুনান নাসাঈ ২৩৮৬

أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو معاوية، قال: حدثنا الأعمش، عن أبي عمار، عن عمرو بن شرحبيل، قال: أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل، فقال: يا رسول الله، ما تقول في رجل صام الدهر كله، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «وددت أنه لم يطعم الدهر شيئا»، قال: فثلثيه، قال: «أكثر»، قال: فنصفه، قال: «أكثر»، قال: «أفلا أخبركم بما يذهب وحر الصدر؟» قالوا: بلى، قال: «صيام ثلاثة أيام من كل شهر» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره

আমর ইব্‌ন শুরাহবীল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এক ব্যক্তি আসল এবং জিজ্ঞাসা করল যে, ইয়া রাসুলল্লাহ্‌! আপনি এমন ব্যক্তি সস্পর্কে কি বলেন, যে সারা বছর সাওম (রোযা) পালন করে? রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমার মনে চায় সে যেন কখনো কিছু আহার করে। তখন আগত ব্যক্তি বলল, সারা বছরের দুই-তৃতীয়াংশকাল? রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন যে, তাও অধিক। সে বলল, তাহলে সারা বছরের অর্ধেক কাল? রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাও অধিক। অতঃপর তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাদের অন্তরের ওয়াসওয়াসা দূর করার আমল সষ্পর্কে অবহিত করব না? সাহাবীগণ বললেন, কেন নয়? তিনি বললেন, তা হল প্রত্যেক মাসের তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করা।

আমর ইব্‌ন শুরাহবীল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এক ব্যক্তি আসল এবং জিজ্ঞাসা করল যে, ইয়া রাসুলল্লাহ্‌! আপনি এমন ব্যক্তি সস্পর্কে কি বলেন, যে সারা বছর সাওম (রোযা) পালন করে? রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমার মনে চায় সে যেন কখনো কিছু আহার করে। তখন আগত ব্যক্তি বলল, সারা বছরের দুই-তৃতীয়াংশকাল? রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন যে, তাও অধিক। সে বলল, তাহলে সারা বছরের অর্ধেক কাল? রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাও অধিক। অতঃপর তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাদের অন্তরের ওয়াসওয়াসা দূর করার আমল সষ্পর্কে অবহিত করব না? সাহাবীগণ বললেন, কেন নয়? তিনি বললেন, তা হল প্রত্যেক মাসের তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করা।

أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو معاوية، قال: حدثنا الأعمش، عن أبي عمار، عن عمرو بن شرحبيل، قال: أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل، فقال: يا رسول الله، ما تقول في رجل صام الدهر كله، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «وددت أنه لم يطعم الدهر شيئا»، قال: فثلثيه، قال: «أكثر»، قال: فنصفه، قال: «أكثر»، قال: «أفلا أخبركم بما يذهب وحر الصدر؟» قالوا: بلى، قال: «صيام ثلاثة أيام من كل شهر» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره


সুনান নাসাঈ ২৩৮৭

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا حماد، عن غيلان بن جرير، عن عبد الله بن معبد الزماني، عن أبي قتادة، قال قال عمر: يا رسول الله، كيف بمن يصوم الدهر كله، قال: «لا صام ولا أفطر» أو «لم يصم ولم يفطر»، قال: يا رسول الله، كيف بمن يصوم يومين ويفطر يوما؟ قال: «أو يطيق ذلك أحد؟»، قال: فكيف بمن يصوم يوما ويفطر يوما؟ قال: «ذلك صوم داود عليه السلام»، قال: فكيف بمن يصوم يوما ويفطر يومين؟ قال: «وددت أني أطيق ذلك»، قال: ثم قال: «ثلاث من كل شهر، ورمضان إلى رمضان، هذا صيام الدهر كله»

আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমর (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ্‌! সারা বছর সাওম (রোযা) পালনকারী ব্যক্তির অবস্থা কেমন হবে? তিনি বলেন, তার সাওমও (রোযাও) গ্রহণযোগ্য হবে না, আর তার সাওম (রোযা) ভঙ্গও গ্রহণযোগ্য হবে না। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ্‌! দুইদিন সাওম (রোযা) পালনকারী এবং একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গকারীর অবস্থা কেমন হবে? (উত্তরে) তিনি বললেন, এও কি কারো দ্বারা সম্ভব? তিনি (উমর (রাঃ)) জিজ্ঞাসা করলেন যে, একদিন সাওম (রোযা) পালনকারী এবং একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গকারীর অবস্হা কেমন হবে? (উত্তরে) তিনি বললেন যে, এ হল দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাওম (রোযা)। তিনি (উমর (রাঃ)) বললেন একদিন সাওম (রোযা) পালনকারী এবং দূইদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গকারীর অবস্হা কেমন হবে? (উত্তরে) তিনি বললেন, আমার ইচ্ছা হয় আমি যেন সেই শক্তি পাই। উমর (রাঃ) বলেন যে, অতঃপর রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ রমযান মাসের সাওম (রোযা) এবং প্রত্যেক মাসে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করা, ইহাই সারা বছর সাওম (রোযা) পালন করার সমতৃল্য।

আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমর (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ্‌! সারা বছর সাওম (রোযা) পালনকারী ব্যক্তির অবস্থা কেমন হবে? তিনি বলেন, তার সাওমও (রোযাও) গ্রহণযোগ্য হবে না, আর তার সাওম (রোযা) ভঙ্গও গ্রহণযোগ্য হবে না। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ্‌! দুইদিন সাওম (রোযা) পালনকারী এবং একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গকারীর অবস্থা কেমন হবে? (উত্তরে) তিনি বললেন, এও কি কারো দ্বারা সম্ভব? তিনি (উমর (রাঃ)) জিজ্ঞাসা করলেন যে, একদিন সাওম (রোযা) পালনকারী এবং একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গকারীর অবস্হা কেমন হবে? (উত্তরে) তিনি বললেন যে, এ হল দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাওম (রোযা)। তিনি (উমর (রাঃ)) বললেন একদিন সাওম (রোযা) পালনকারী এবং দূইদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গকারীর অবস্হা কেমন হবে? (উত্তরে) তিনি বললেন, আমার ইচ্ছা হয় আমি যেন সেই শক্তি পাই। উমর (রাঃ) বলেন যে, অতঃপর রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ রমযান মাসের সাওম (রোযা) এবং প্রত্যেক মাসে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করা, ইহাই সারা বছর সাওম (রোযা) পালন করার সমতৃল্য।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا حماد، عن غيلان بن جرير، عن عبد الله بن معبد الزماني، عن أبي قتادة، قال قال عمر: يا رسول الله، كيف بمن يصوم الدهر كله، قال: «لا صام ولا أفطر» أو «لم يصم ولم يفطر»، قال: يا رسول الله، كيف بمن يصوم يومين ويفطر يوما؟ قال: «أو يطيق ذلك أحد؟»، قال: فكيف بمن يصوم يوما ويفطر يوما؟ قال: «ذلك صوم داود عليه السلام»، قال: فكيف بمن يصوم يوما ويفطر يومين؟ قال: «وددت أني أطيق ذلك»، قال: ثم قال: «ثلاث من كل شهر، ورمضان إلى رمضان، هذا صيام الدهر كله»


সুনান নাসাঈ > একদিন সাওম (রোযা) পালন করা এবং একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করা এবং এ প্রসঙ্গে আব্দুল্লাহ্‌ ইব্‌ন আমর (রাঃ)-এর বর্ণনায় রাবীদের শব্দ বর্ণনার পার্থক্যের উল্লেখ

সুনান নাসাঈ ২৩৮৮

قال: وفيما قرأ علينا أحمد بن منيع، قال: حدثنا هشيم، قال: أنبأنا حصين، ومغيرة، عن مجاهد، عن عبد الله بن عمرو، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أفضل الصيام صيام داود عليه السلام، كان يصوم يوما ويفطر يوما»

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সর্বোত্তম সাওম (রোযা) হল দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাওম (রোযা)। তিনি একদিন সাওম (রোযা) পালন করতেন আর একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করতেন।

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সর্বোত্তম সাওম (রোযা) হল দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাওম (রোযা)। তিনি একদিন সাওম (রোযা) পালন করতেন আর একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করতেন।

قال: وفيما قرأ علينا أحمد بن منيع، قال: حدثنا هشيم، قال: أنبأنا حصين، ومغيرة، عن مجاهد، عن عبد الله بن عمرو، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أفضل الصيام صيام داود عليه السلام، كان يصوم يوما ويفطر يوما»


সুনান নাসাঈ ২৩৮৯

أخبرنا محمد بن معمر، قال: حدثنا يحيى بن حماد، قال: حدثنا أبو عوانة، عن مغيرة، عن مجاهد، قال: قال لي عبد الله بن عمرو: أنكحني أبي امرأة ذات حسب، فكان يأتيها فيسألها عن بعلها، فقالت: نعم الرجل من رجل لم يطأ لنا فراشا، ولم يفتش لنا كنفا منذ أتيناه، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم، فقال: «ائتني به»، فأتيته معه، فقال: «كيف تصوم؟» قلت: كل يوم، قال: «صم من كل جمعة ثلاثة أيام»، قلت: إني أطيق أفضل من ذلك، قال: «صم يومين وأفطر يوما»، قال: إني أطيق أفضل من ذلك، قال: «صم أفضل الصيام، صيام داود عليه السلام، صوم يوم وفطر يوم»

আব্দুল্লাহ্‌ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমাকে আমার পিতা এক সম্ভ্রান্ত মহিলা বিবাহ করালেন। অতঃপর আমার পিতা তার কাছে এসে তার স্বামী সস্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন। আমার স্ত্রী বলত যে, আমার স্বামী খুবই ভাল মানুষ (তবে) তিনি কখনো আমার সাথে বিছানা মাড়ান নি এবং আমি তার কাছে আসা অবধি তিনি কখনো আমার পাশে আসেন নি। আমার পিতা তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উল্লেখ করলে তিনি বললেনঃ তুমি তাকে আমার কাছে নিয়ে এসো। অতঃপর আমি আমার পিতার সাথে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কিভাবে সাওম (রোযা) পালন কর? আমি বললাম, আমি প্রত্যেক দিন সাওম (রোযা) পালন করি। তিনি বললেনঃ তুমি প্রত্যেক সপ্তাহে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করবে। আমি বললাম, (ইয়া রাসুলুল্লাহ্‌!) আমি এর চেয়েও বেশী সাওম (রোযা) পালন করার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি দুইদিন সাওম (রোযা) পালন কর এবং একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গ কর। আমি বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ্‌! আমি এর চেয়েও বেশী সাওম (রোযা) পালন করার সামর্থ্য রাখি। রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে তুমি সর্বোত্তম সাওম (রোযা) অর্থাৎ দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) পালন কর; একদিন সাওম (রোযা) পালন কর আর একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গ কর।

আব্দুল্লাহ্‌ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমাকে আমার পিতা এক সম্ভ্রান্ত মহিলা বিবাহ করালেন। অতঃপর আমার পিতা তার কাছে এসে তার স্বামী সস্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন। আমার স্ত্রী বলত যে, আমার স্বামী খুবই ভাল মানুষ (তবে) তিনি কখনো আমার সাথে বিছানা মাড়ান নি এবং আমি তার কাছে আসা অবধি তিনি কখনো আমার পাশে আসেন নি। আমার পিতা তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উল্লেখ করলে তিনি বললেনঃ তুমি তাকে আমার কাছে নিয়ে এসো। অতঃপর আমি আমার পিতার সাথে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে গেলে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কিভাবে সাওম (রোযা) পালন কর? আমি বললাম, আমি প্রত্যেক দিন সাওম (রোযা) পালন করি। তিনি বললেনঃ তুমি প্রত্যেক সপ্তাহে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করবে। আমি বললাম, (ইয়া রাসুলুল্লাহ্‌!) আমি এর চেয়েও বেশী সাওম (রোযা) পালন করার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি দুইদিন সাওম (রোযা) পালন কর এবং একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গ কর। আমি বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ্‌! আমি এর চেয়েও বেশী সাওম (রোযা) পালন করার সামর্থ্য রাখি। রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে তুমি সর্বোত্তম সাওম (রোযা) অর্থাৎ দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) পালন কর; একদিন সাওম (রোযা) পালন কর আর একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গ কর।

أخبرنا محمد بن معمر، قال: حدثنا يحيى بن حماد، قال: حدثنا أبو عوانة، عن مغيرة، عن مجاهد، قال: قال لي عبد الله بن عمرو: أنكحني أبي امرأة ذات حسب، فكان يأتيها فيسألها عن بعلها، فقالت: نعم الرجل من رجل لم يطأ لنا فراشا، ولم يفتش لنا كنفا منذ أتيناه، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم، فقال: «ائتني به»، فأتيته معه، فقال: «كيف تصوم؟» قلت: كل يوم، قال: «صم من كل جمعة ثلاثة أيام»، قلت: إني أطيق أفضل من ذلك، قال: «صم يومين وأفطر يوما»، قال: إني أطيق أفضل من ذلك، قال: «صم أفضل الصيام، صيام داود عليه السلام، صوم يوم وفطر يوم»


সুনান নাসাঈ ২৩৯০

أخبرنا أبو حصين عبد الله بن أحمد بن عبد الله بن يونس، قال: حدثنا عبثر، قال: حدثنا حصين، عن مجاهد، عن عبد الله بن عمرو، قال: زوجني أبي امرأة فجاء يزورها، فقال: كيف ترين بعلك؟ فقالت: نعم الرجل من رجل لا ينام الليل، ولا يفطر النهار فوقع بي، وقال: زوجتك امرأة من المسلمين فعضلتها، قال: فجعلت لا ألتفت إلى قوله مما أرى عندي من القوة والاجتهاد، فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: «لكني أنا أقوم وأنام، وأصوم وأفطر، فقم ونم، وصم وأفطر» قال: «صم من كل شهر ثلاثة أيام»، فقلت: أنا أقوى من ذلك، قال: «صم صوم داود عليه السلام، صم يوما وأفطر يوما»، قلت: أنا أقوى من ذلك، قال: «اقرأ القرآن في كل شهر»، ثم انتهى إلى خمس عشرة وأنا أقول: أنا أقوى من ذلك

আব্দুল্লাহ্‌ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে এক মহিলা বিবাহ করালেন এবং তাকে দেখতে আসলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন যে, তুমি তোমার স্বামীকে কেমন পেলে? সে বলল খুবই ভাল লোক। তিনি রাত্রে নিদ্রাও যান না আর দিনেও সাওম (রোযা) ভঙ্গ করেন না। তখন আমার পিতা আমাকে তিরস্কার করে বললেন, আমি তোমাকে এক মুসলিম মহিলা বিবাহ করালাম আর তুমি তাকে এভাবে ঠেলে রাখলে। (আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি নিজের মধ্যে শক্তি অনুভব করার কারণে আমর পিতার তিরস্কারের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করছিলাম না। এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছালে তিনি বললেন, আমি তো সালাতও আদায় করি আবার নিদ্রাও যাই, সাওম (রোযা) পালনও করি আবার সাওম (রোযা) ভঙ্গও করি। তাই তুমিও সালাত আদায় কর, নিদ্রা যাও, সাওম (রোযা) পালন কর এবং সাওম (রোযা) ভঙ্গও কর। তিনি বললেন, তুমি প্রত্যেক মাসে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন কর। তখন আমি বললাম, আমি তো এরও অধিক সাওম (রোযা) পালনের সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) পালন কর। একদিন সাওম (রোযা) পালন কর আর একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গ কর। আমি বললাম আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালনের সামর্থ্য রাখি। রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে তুমি প্রতি মাসে এক খতম করে কুরআন তিলাওয়াত কর। অতঃপর তিনি তা পনের দিনে খতম করার অনুমতি দিলে আমি বলছিলাম, আমি এর চেয়েও অধিক এর চেয়ে অধিক সামর্থ্য রাখি।

আব্দুল্লাহ্‌ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে এক মহিলা বিবাহ করালেন এবং তাকে দেখতে আসলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন যে, তুমি তোমার স্বামীকে কেমন পেলে? সে বলল খুবই ভাল লোক। তিনি রাত্রে নিদ্রাও যান না আর দিনেও সাওম (রোযা) ভঙ্গ করেন না। তখন আমার পিতা আমাকে তিরস্কার করে বললেন, আমি তোমাকে এক মুসলিম মহিলা বিবাহ করালাম আর তুমি তাকে এভাবে ঠেলে রাখলে। (আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি নিজের মধ্যে শক্তি অনুভব করার কারণে আমর পিতার তিরস্কারের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করছিলাম না। এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছালে তিনি বললেন, আমি তো সালাতও আদায় করি আবার নিদ্রাও যাই, সাওম (রোযা) পালনও করি আবার সাওম (রোযা) ভঙ্গও করি। তাই তুমিও সালাত আদায় কর, নিদ্রা যাও, সাওম (রোযা) পালন কর এবং সাওম (রোযা) ভঙ্গও কর। তিনি বললেন, তুমি প্রত্যেক মাসে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন কর। তখন আমি বললাম, আমি তো এরও অধিক সাওম (রোযা) পালনের সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) পালন কর। একদিন সাওম (রোযা) পালন কর আর একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গ কর। আমি বললাম আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালনের সামর্থ্য রাখি। রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাহলে তুমি প্রতি মাসে এক খতম করে কুরআন তিলাওয়াত কর। অতঃপর তিনি তা পনের দিনে খতম করার অনুমতি দিলে আমি বলছিলাম, আমি এর চেয়েও অধিক এর চেয়ে অধিক সামর্থ্য রাখি।

أخبرنا أبو حصين عبد الله بن أحمد بن عبد الله بن يونس، قال: حدثنا عبثر، قال: حدثنا حصين، عن مجاهد، عن عبد الله بن عمرو، قال: زوجني أبي امرأة فجاء يزورها، فقال: كيف ترين بعلك؟ فقالت: نعم الرجل من رجل لا ينام الليل، ولا يفطر النهار فوقع بي، وقال: زوجتك امرأة من المسلمين فعضلتها، قال: فجعلت لا ألتفت إلى قوله مما أرى عندي من القوة والاجتهاد، فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: «لكني أنا أقوم وأنام، وأصوم وأفطر، فقم ونم، وصم وأفطر» قال: «صم من كل شهر ثلاثة أيام»، فقلت: أنا أقوى من ذلك، قال: «صم صوم داود عليه السلام، صم يوما وأفطر يوما»، قلت: أنا أقوى من ذلك، قال: «اقرأ القرآن في كل شهر»، ثم انتهى إلى خمس عشرة وأنا أقول: أنا أقوى من ذلك


সুনান নাসাঈ ২৩৯১

أخبرنا يحيى بن درست، قال: حدثنا أبو إسمعيل، قال: حدثنا يحيى بن أبي كثير، أن أبا سلمة، حدثه أن عبد الله، قال: دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم حجرتي، فقال: «ألم أخبر أنك تقوم الليل وتصوم النهار»، قال: بلى، قال: «فلا تفعلن، نم وقم، وصم وأفطر، فإن لعينك عليك حقا، وإن لجسدك عليك حقا، وإن لزوجتك عليك حقا، وإن لضيفك عليك حقا، وإن لصديقك عليك حقا، وإنه عسى أن يطول بك عمر، وإنه حسبك أن تصوم من كل شهر ثلاثا، فذلك صيام الدهر كله، والحسنة بعشر أمثالها»، قلت: إني أجد قوة، فشددت، فشدد علي، قال: «صم من كل جمعة ثلاثة أيام»، قلت: إني أطيق أكثر من ذلك، فشددت، فشدد علي، قال: «صم صوم نبي الله داود عليه السلام»، قلت: وما كان صوم داود، قال: «نصف الدهر»

আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কামরায় প্রবেশ করলেন এবং বললেন, আমাকে অবহিত করা হয়েছে যে, তুমি নাকি সারা রাত্র সালাত আদায় কর এবং সারাদিন সাওম (রোযা) পালন কর? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন তিনি [রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বললেন, তুমি কখনো এরুপ করবে না বরং কিছুক্ষণ নিদ্রা যাবে। আর কিছুক্ষন সালাত আদায় করবে এবং কখনো কখনো সাওম (রোযা) পালন করবে আবার কখনো সাওম (রোযা) ভঙ্গও করে ফেলবে। কেননা তোমার চক্ষুর জন্য তোমার উপর হক রয়েছে, তোমার শরীরের জন্য তোমার উপর হক রয়েছে, তোমার স্ত্রীর জন্য তোমার উপর হক রয়েছে, তোমার মেহমানের জন্য তোমার উপর হক রয়েছে, তোমার বন্ধুর জন্য তোমার হক রয়েছে। আশা করি, তুমি দীর্ঘজীবী হও! তোমার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, তুমি প্রত্যেক মাসে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করবে। ইহাই সারা বছর সাওম (রোযা) পালন করার সমান হবে, যেহেতূ প্রত্যেক ভাল কাজের জন্য তার দশ দশ গুন সওয়াব রয়েছে। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সামর্থ্য রাখি। আমি কঠোরতা অবলম্বন করতে চাইলে তিনি তার অনুমতি দিলেন। তিনি বললেন, তুমি প্রতি সপ্তাহে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করবে। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালনের সামর্থ্য রাখি। আমি কঠোরতা অবলম্বন করতে চাইলে তিনি তার অনুমাতি দিলেন। তিনি বললেন, তুমি আল্লাহর নাবী দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ন্যায় সাওম (রোযা) পালন কর। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) কিরুপ ছিল? রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বছরের অর্ধেক সময়।

আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একবার রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কামরায় প্রবেশ করলেন এবং বললেন, আমাকে অবহিত করা হয়েছে যে, তুমি নাকি সারা রাত্র সালাত আদায় কর এবং সারাদিন সাওম (রোযা) পালন কর? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন তিনি [রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বললেন, তুমি কখনো এরুপ করবে না বরং কিছুক্ষণ নিদ্রা যাবে। আর কিছুক্ষন সালাত আদায় করবে এবং কখনো কখনো সাওম (রোযা) পালন করবে আবার কখনো সাওম (রোযা) ভঙ্গও করে ফেলবে। কেননা তোমার চক্ষুর জন্য তোমার উপর হক রয়েছে, তোমার শরীরের জন্য তোমার উপর হক রয়েছে, তোমার স্ত্রীর জন্য তোমার উপর হক রয়েছে, তোমার মেহমানের জন্য তোমার উপর হক রয়েছে, তোমার বন্ধুর জন্য তোমার হক রয়েছে। আশা করি, তুমি দীর্ঘজীবী হও! তোমার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, তুমি প্রত্যেক মাসে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করবে। ইহাই সারা বছর সাওম (রোযা) পালন করার সমান হবে, যেহেতূ প্রত্যেক ভাল কাজের জন্য তার দশ দশ গুন সওয়াব রয়েছে। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সামর্থ্য রাখি। আমি কঠোরতা অবলম্বন করতে চাইলে তিনি তার অনুমতি দিলেন। তিনি বললেন, তুমি প্রতি সপ্তাহে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করবে। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালনের সামর্থ্য রাখি। আমি কঠোরতা অবলম্বন করতে চাইলে তিনি তার অনুমাতি দিলেন। তিনি বললেন, তুমি আল্লাহর নাবী দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ন্যায় সাওম (রোযা) পালন কর। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) কিরুপ ছিল? রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, বছরের অর্ধেক সময়।

أخبرنا يحيى بن درست، قال: حدثنا أبو إسمعيل، قال: حدثنا يحيى بن أبي كثير، أن أبا سلمة، حدثه أن عبد الله، قال: دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم حجرتي، فقال: «ألم أخبر أنك تقوم الليل وتصوم النهار»، قال: بلى، قال: «فلا تفعلن، نم وقم، وصم وأفطر، فإن لعينك عليك حقا، وإن لجسدك عليك حقا، وإن لزوجتك عليك حقا، وإن لضيفك عليك حقا، وإن لصديقك عليك حقا، وإنه عسى أن يطول بك عمر، وإنه حسبك أن تصوم من كل شهر ثلاثا، فذلك صيام الدهر كله، والحسنة بعشر أمثالها»، قلت: إني أجد قوة، فشددت، فشدد علي، قال: «صم من كل جمعة ثلاثة أيام»، قلت: إني أطيق أكثر من ذلك، فشددت، فشدد علي، قال: «صم صوم نبي الله داود عليه السلام»، قلت: وما كان صوم داود، قال: «نصف الدهر»


সুনান নাসাঈ ২৩৯২

أخبرنا الربيع بن سليمان، قال: حدثنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال: أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن، أن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال: ذكر لرسول الله صلى الله عليه وسلم أنه يقول: لأقومن الليل ولأصومن النهار ما عشت، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أنت الذي تقول ذلك؟» فقلت له: قد قلته يا رسول الله، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فإنك لا تستطيع ذلك، فصم وأفطر، ونم وقم، وصم من الشهر ثلاثة أيام، فإن الحسنة بعشر أمثالها وذلك مثل صيام الدهر»، قلت: فإني أطيق أفضل من ذلك، قال: «صم يوما وأفطر يومين»، فقلت: إني أطيق أفضل من ذلك يا رسول الله، قال: «فصم يوما وأفطر يوما، وذلك صيام داود، وهو أعدل الصيام»، قلت: فإني أطيق أفضل من ذلك، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا أفضل من ذلك» قال عبد الله بن عمرو: «لأن أكون قبلت الثلاثة الأيام التي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أحب إلي من أهلي ومالي»

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে তার সমন্ধে উল্লেখ করা হলে তিনি বলেনঃ আমি যতদিন বেঁচে থাকব ততদিন অবশ্যই সারা রাত্র সালাত আদায় করব এবং অবশ্যই সারা দিন সাওম (রোযা) পালন করব। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি কি এরুপ বলেছ? আমি তাঁকে বললাম ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি নিশ্চয়ই এরুপ বলেছি। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি এ রকম পারবে না। অতএব তুমি কখনো কখনো সাওম (রোযা) পালন কর-আর কখনো সাওম (রোযা) ভঙ্গ করে ফেল এবং কিছু সময় নিদ্রা যাও আর কিছু সময় সালাত আদায় কর। আর প্রতি মাসে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন কর। কেননা প্রত্যেক ভাল কাজের জন্য তার দশ দশ গুণ সওয়াব রয়েছে। আর এটাই বছর সাওম (রোযা) পালনের সমতুল্য। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালন করার সামর্থ্য রাখি। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি এক দিন সাওম (রোযা) পালন কর এবং দুই দিন সাওম (রোযা) ভঙ্গ কর। আমি বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালন করার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি একদিন সাওম (রোযা) পালন কর, একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গ কর। আর এটাই দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) এবং এটাই হলো সর্বোত্তম সাওম (রোযা)। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালন করার সামর্থ্য রাখি। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এর চেয়ে উত্তম সাওম (রোযা) আর হয় না। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) বলেন, যে তিন দিনের সাওম (রোযা) পালন করার কথা বলেছিলেন তা গ্রহণ করাই আমার নিকট আমার পরিবার-পরিজন ও আমার ধন-সম্পদ থেকে অধিকতর প্রিয় মনে হয়।

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে তার সমন্ধে উল্লেখ করা হলে তিনি বলেনঃ আমি যতদিন বেঁচে থাকব ততদিন অবশ্যই সারা রাত্র সালাত আদায় করব এবং অবশ্যই সারা দিন সাওম (রোযা) পালন করব। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি কি এরুপ বলেছ? আমি তাঁকে বললাম ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি নিশ্চয়ই এরুপ বলেছি। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি এ রকম পারবে না। অতএব তুমি কখনো কখনো সাওম (রোযা) পালন কর-আর কখনো সাওম (রোযা) ভঙ্গ করে ফেল এবং কিছু সময় নিদ্রা যাও আর কিছু সময় সালাত আদায় কর। আর প্রতি মাসে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন কর। কেননা প্রত্যেক ভাল কাজের জন্য তার দশ দশ গুণ সওয়াব রয়েছে। আর এটাই বছর সাওম (রোযা) পালনের সমতুল্য। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালন করার সামর্থ্য রাখি। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি এক দিন সাওম (রোযা) পালন কর এবং দুই দিন সাওম (রোযা) ভঙ্গ কর। আমি বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালন করার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি একদিন সাওম (রোযা) পালন কর, একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গ কর। আর এটাই দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) এবং এটাই হলো সর্বোত্তম সাওম (রোযা)। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালন করার সামর্থ্য রাখি। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এর চেয়ে উত্তম সাওম (রোযা) আর হয় না। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) বলেন, যে তিন দিনের সাওম (রোযা) পালন করার কথা বলেছিলেন তা গ্রহণ করাই আমার নিকট আমার পরিবার-পরিজন ও আমার ধন-সম্পদ থেকে অধিকতর প্রিয় মনে হয়।

أخبرنا الربيع بن سليمان، قال: حدثنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال: أخبرني سعيد بن المسيب، وأبو سلمة بن عبد الرحمن، أن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال: ذكر لرسول الله صلى الله عليه وسلم أنه يقول: لأقومن الليل ولأصومن النهار ما عشت، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أنت الذي تقول ذلك؟» فقلت له: قد قلته يا رسول الله، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فإنك لا تستطيع ذلك، فصم وأفطر، ونم وقم، وصم من الشهر ثلاثة أيام، فإن الحسنة بعشر أمثالها وذلك مثل صيام الدهر»، قلت: فإني أطيق أفضل من ذلك، قال: «صم يوما وأفطر يومين»، فقلت: إني أطيق أفضل من ذلك يا رسول الله، قال: «فصم يوما وأفطر يوما، وذلك صيام داود، وهو أعدل الصيام»، قلت: فإني أطيق أفضل من ذلك، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا أفضل من ذلك» قال عبد الله بن عمرو: «لأن أكون قبلت الثلاثة الأيام التي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أحب إلي من أهلي ومالي»


সুনান নাসাঈ ২৩৯৩

أخبرني أحمد بن بكار، قال: حدثنا محمد وهو ابن سلمة، عن ابن إسحق، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، قال: دخلت على عبد الله بن عمرو، قلت: أي عم حدثني عما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: يا ابن أخي، إني قد كنت أجمعت على أن أجتهد اجتهادا شديدا حتى قلت: لأصومن الدهر، ولأقرأن القرآن في كل يوم وليلة، فسمع بذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأتاني حتى دخل علي في داري، فقال: «بلغني أنك قلت لأصومن الدهر، ولأقرأن القرآن»، فقلت: قد قلت ذلك يا رسول الله، قال: «فلا تفعل، صم من كل شهر ثلاثة أيام»، قلت: إني أقوى على أكثر من ذلك، قال: «فصم من الجمعة يومين الاثنين والخميس»، قلت: فإني أقوى على أكثر من ذلك، قال: «فصم صيام داود عليه السلام، فإنه أعدل الصيام عند الله، يوما صائما ويوما مفطرا، وإنه كان إذا وعد لم يخلف، وإذا لاقى لم يفر» --- [حكم الألباني] منكر بزيادة الموعد

আবূ সালামা ইব্‌ন আব্দুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে বললাম, হে চাচা! রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাকে যা বলেছিলেন তা আমাকে বলুন। তিনি বললেন, হে আমার ভ্রাতূষ্পুত্র, আমি দৃঢ় সংকল্প করেছিলাম যে, আমি অত্যধিক পবিশ্রম করব, এমনকি মনে মনে বলেছিলাম যে, আমি অবশ্যই সারা জীবন সাওম (রোযা) পালন করব এবং প্রত্যেক দিবা রাত্রে একবার কুরআন খতম করব। এ খবর রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কানে ফেললে তিনি আমার কাছে আসলেন এবং ঘরে প্রবেশ করে বললেন যে, আমি শুনেছি- তুমি নাকি বলেছ যে, আমি অবশ্যই সারা জীবন সাওম (রোযা) পালন করব এবং সারাক্ষণ কুরআন তিলাওয়াত করব? আমি বললাম, ইয়া রাসুলল্লাহ্‌! আমি অবশ্যই বলেছি। তিনি বললেন, তুমি এরূপ কর না বরং তুমি প্রত্যেক মাসে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করবে। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালন করার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি প্রত্যেক সপ্তাহে দুই দিন সাওম (রোযা) পালন করবে সোমবার এবং বৃহষ্পতিবার। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালনের সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ন্যায় সাওম (রোযা) পালন করবে। কেননা সেটাই আল্লাহ তা’আলার নিকট সর্বোত্তম সাওম (রোযা)। একদিন সাওম (রোযা) পালন করবে আর একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করে ফেলবে। আর দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন ওয়াদা করতেন তা পূর্ণ করতেন আর যখন শক্রর মুখোমুখী হতেন পলায়ন করতেন না।

আবূ সালামা ইব্‌ন আব্দুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে বললাম, হে চাচা! রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাকে যা বলেছিলেন তা আমাকে বলুন। তিনি বললেন, হে আমার ভ্রাতূষ্পুত্র, আমি দৃঢ় সংকল্প করেছিলাম যে, আমি অত্যধিক পবিশ্রম করব, এমনকি মনে মনে বলেছিলাম যে, আমি অবশ্যই সারা জীবন সাওম (রোযা) পালন করব এবং প্রত্যেক দিবা রাত্রে একবার কুরআন খতম করব। এ খবর রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কানে ফেললে তিনি আমার কাছে আসলেন এবং ঘরে প্রবেশ করে বললেন যে, আমি শুনেছি- তুমি নাকি বলেছ যে, আমি অবশ্যই সারা জীবন সাওম (রোযা) পালন করব এবং সারাক্ষণ কুরআন তিলাওয়াত করব? আমি বললাম, ইয়া রাসুলল্লাহ্‌! আমি অবশ্যই বলেছি। তিনি বললেন, তুমি এরূপ কর না বরং তুমি প্রত্যেক মাসে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করবে। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালন করার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি প্রত্যেক সপ্তাহে দুই দিন সাওম (রোযা) পালন করবে সোমবার এবং বৃহষ্পতিবার। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালনের সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ন্যায় সাওম (রোযা) পালন করবে। কেননা সেটাই আল্লাহ তা’আলার নিকট সর্বোত্তম সাওম (রোযা)। একদিন সাওম (রোযা) পালন করবে আর একদিন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করে ফেলবে। আর দাঊদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন ওয়াদা করতেন তা পূর্ণ করতেন আর যখন শক্রর মুখোমুখী হতেন পলায়ন করতেন না।

أخبرني أحمد بن بكار، قال: حدثنا محمد وهو ابن سلمة، عن ابن إسحق، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، قال: دخلت على عبد الله بن عمرو، قلت: أي عم حدثني عما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: يا ابن أخي، إني قد كنت أجمعت على أن أجتهد اجتهادا شديدا حتى قلت: لأصومن الدهر، ولأقرأن القرآن في كل يوم وليلة، فسمع بذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأتاني حتى دخل علي في داري، فقال: «بلغني أنك قلت لأصومن الدهر، ولأقرأن القرآن»، فقلت: قد قلت ذلك يا رسول الله، قال: «فلا تفعل، صم من كل شهر ثلاثة أيام»، قلت: إني أقوى على أكثر من ذلك، قال: «فصم من الجمعة يومين الاثنين والخميس»، قلت: فإني أقوى على أكثر من ذلك، قال: «فصم صيام داود عليه السلام، فإنه أعدل الصيام عند الله، يوما صائما ويوما مفطرا، وإنه كان إذا وعد لم يخلف، وإذا لاقى لم يفر» --- [حكم الألباني] منكر بزيادة الموعد


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00