সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযান মাসে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করে এবং সাওম (রোযা) পালন করে তার সওয়াব এ বিষয়ে যুহ্‌রী (রহঃ) থেকে রেওয়ায়ত বর্ণনায় পার্থক্য

সুনান নাসাঈ ২১৯৪

أخبرنا الربيع بن سليمان، قال: حدثنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال: أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في رمضان: «من قامه إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রমাযানের ব্যাপারে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করে তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রমাযানের ব্যাপারে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করে তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।

أخبرنا الربيع بن سليمان، قال: حدثنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال: أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في رمضان: «من قامه إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»


সুনান নাসাঈ ২১৯৬

أخبرنا محمد بن خالد، قال: حدثنا بشر بن شعيب، عن أبيه، عن الزهري، قال: حدثنا أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: «لرمضان من قامه إيمانا واحتسابا، غفر له ما تقدم من ذنبه»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রমযানের ব্যাপারে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযানে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করে তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রমযানের ব্যাপারে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযানে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করে তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।

أخبرنا محمد بن خالد، قال: حدثنا بشر بن شعيب، عن أبيه، عن الزهري، قال: حدثنا أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن أبا هريرة، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: «لرمضان من قامه إيمانا واحتسابا، غفر له ما تقدم من ذنبه»


সুনান নাসাঈ ২১৯২

أخبرنا محمد بن جبلة، قال: حدثنا المعافى، قال: حدثنا موسى، عن إسحق بن راشد، عن الزهري، قال: أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم، أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يرغب الناس في قيام رمضان من غير أن يأمرهم بعزيمة أمر فيه، فيقول: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه» --- [حكم الألباني] حسن صحيح

উরওয়া ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মীনী আয়েশা (রাঃ) তাকে অবহিত করেছেন: রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরযের নির্দেশ দেওয়া ব্যতীতই লোকদেরকে তারাবীহ্‌র সালাতের ব্যাপারে উৎসাহিত করতেন এবং বলতেন, যে ব্যাক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করবে তার পূর্বের সমস্ত (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।

উরওয়া ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মীনী আয়েশা (রাঃ) তাকে অবহিত করেছেন: রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরযের নির্দেশ দেওয়া ব্যতীতই লোকদেরকে তারাবীহ্‌র সালাতের ব্যাপারে উৎসাহিত করতেন এবং বলতেন, যে ব্যাক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করবে তার পূর্বের সমস্ত (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।

أخبرنا محمد بن جبلة، قال: حدثنا المعافى، قال: حدثنا موسى، عن إسحق بن راشد، عن الزهري، قال: أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم، أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يرغب الناس في قيام رمضان من غير أن يأمرهم بعزيمة أمر فيه، فيقول: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه» --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ২১৯২

أخبرنا محمد بن جبلة، قال: حدثنا المعافى، قال: حدثنا موسى، عن إسحق بن راشد، عن الزهري، قال: أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم، أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يرغب الناس في قيام رمضان من غير أن يأمرهم بعزيمة أمر فيه، فيقول: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه» --- [حكم الألباني] حسن صحيح

উরওয়া ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মীনী আয়েশা (রাঃ) তাকে অবহিত করেছেন: রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরযের নির্দেশ দেওয়া ব্যতীতই লোকদেরকে তারাবীহ্‌র সালাতের ব্যাপারে উৎসাহিত করতেন এবং বলতেন, যে ব্যাক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করবে তার পূর্বের সমস্ত (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।

উরওয়া ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মীনী আয়েশা (রাঃ) তাকে অবহিত করেছেন: রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরযের নির্দেশ দেওয়া ব্যতীতই লোকদেরকে তারাবীহ্‌র সালাতের ব্যাপারে উৎসাহিত করতেন এবং বলতেন, যে ব্যাক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করবে তার পূর্বের সমস্ত (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।

أخبرنا محمد بن جبلة، قال: حدثنا المعافى، قال: حدثنا موسى، عن إسحق بن راشد، عن الزهري، قال: أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم، أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يرغب الناس في قيام رمضان من غير أن يأمرهم بعزيمة أمر فيه، فيقول: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه» --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ২১৯২

أخبرنا محمد بن جبلة، قال: حدثنا المعافى، قال: حدثنا موسى، عن إسحق بن راشد، عن الزهري، قال: أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم، أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يرغب الناس في قيام رمضان من غير أن يأمرهم بعزيمة أمر فيه، فيقول: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه» --- [حكم الألباني] حسن صحيح

উরওয়া ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মীনী আয়েশা (রাঃ) তাকে অবহিত করেছেন: রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরযের নির্দেশ দেওয়া ব্যতীতই লোকদেরকে তারাবীহ্‌র সালাতের ব্যাপারে উৎসাহিত করতেন এবং বলতেন, যে ব্যাক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করবে তার পূর্বের সমস্ত (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।

উরওয়া ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মীনী আয়েশা (রাঃ) তাকে অবহিত করেছেন: রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরযের নির্দেশ দেওয়া ব্যতীতই লোকদেরকে তারাবীহ্‌র সালাতের ব্যাপারে উৎসাহিত করতেন এবং বলতেন, যে ব্যাক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করবে তার পূর্বের সমস্ত (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।

أخبرنا محمد بن جبلة، قال: حدثنا المعافى، قال: حدثنا موسى، عن إسحق بن راشد، عن الزهري، قال: أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم، أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يرغب الناس في قيام رمضان من غير أن يأمرهم بعزيمة أمر فيه، فيقول: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه» --- [حكم الألباني] حسن صحيح


সুনান নাসাঈ ২১৯৩

أخبرنا زكريا بن يحيى، قال: أنبأنا إسحق، قال: أنبأنا عبد الله بن الحارث، عن يونس الأيلي، عن الزهري، قال: أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج في جوف الليل يصلي في المسجد، فصلى بالناس - وساق الحديث، وفيه قالت - فكان يرغبهم في قيام رمضان من غير أن يأمرهم بعزيمة، ويقول: «من قام ليلة القدر إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه» قال: فتوفي رسول الله صلى الله عليه وسلم والأمر على ذلك --- [حكم الألباني] صحيح الإسناد لكن قوله متوفى الخ مدرج إنما هو من قول الزهري

উরওয়া ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আয়েশা (রাঃ) তাঁকে খবর দিয়েছেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (একদা) গভীর রাত্রে বের হয়ে গেলেন এবং মসজিদে গিয়ে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। এটা দীর্ঘ হাদীস; এতে উল্লেখ রয়েছে যে, আয়েশা (রাঃ) বলেছেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের ফরযের নির্দেশ দেওয়া ব্যতীতই তারাবীহ্‌র সালাতের ব্যাপারে উৎসাহ দিতেন এবং বলতেন যে, যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাত্রিতে জাগরণ করে তার পূর্বাপর সমস্ত (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। রাবী বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইনতিকাল পর্যন্ত তাঁর আমল এরকমই ছিল।

উরওয়া ইব্‌ন যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আয়েশা (রাঃ) তাঁকে খবর দিয়েছেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (একদা) গভীর রাত্রে বের হয়ে গেলেন এবং মসজিদে গিয়ে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। এটা দীর্ঘ হাদীস; এতে উল্লেখ রয়েছে যে, আয়েশা (রাঃ) বলেছেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের ফরযের নির্দেশ দেওয়া ব্যতীতই তারাবীহ্‌র সালাতের ব্যাপারে উৎসাহ দিতেন এবং বলতেন যে, যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাত্রিতে জাগরণ করে তার পূর্বাপর সমস্ত (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। রাবী বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইনতিকাল পর্যন্ত তাঁর আমল এরকমই ছিল।

أخبرنا زكريا بن يحيى، قال: أنبأنا إسحق، قال: أنبأنا عبد الله بن الحارث، عن يونس الأيلي، عن الزهري، قال: أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج في جوف الليل يصلي في المسجد، فصلى بالناس - وساق الحديث، وفيه قالت - فكان يرغبهم في قيام رمضان من غير أن يأمرهم بعزيمة، ويقول: «من قام ليلة القدر إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه» قال: فتوفي رسول الله صلى الله عليه وسلم والأمر على ذلك --- [حكم الألباني] صحيح الإسناد لكن قوله متوفى الخ مدرج إنما هو من قول الزهري


সুনান নাসাঈ ২১৯৫

أخبرني محمد بن خالد، قال: حدثنا بشر بن شعيب، عن أبيه، عن الزهري، قال: أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج من جوف الليل، فصلى في المسجد - وساق الحديث، وقال فيه - وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يرغبهم في قيام رمضان من غير أن يأمرهم بعزيمة أمر فيه، فيقول: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»

উরওয়া ইব্‌ন যুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আয়েশা (রাঃ) তাঁকে খবর দিয়েছনঃ একদা রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গভীর রাত্রে বের হয়ে গেলেন এবং মসজিদে সালাত আদায় করলেন। এটি দীর্ঘ হাদীস। রাবী তাতে বলেছেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের ফরযের নির্দেশ দেওয়া ব্যতীতই তারাবীহ্‌র সালাতের ব্যাপারে উৎসাহিত করতেন এবং বলতেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযানে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করে তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।

উরওয়া ইব্‌ন যুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আয়েশা (রাঃ) তাঁকে খবর দিয়েছনঃ একদা রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গভীর রাত্রে বের হয়ে গেলেন এবং মসজিদে সালাত আদায় করলেন। এটি দীর্ঘ হাদীস। রাবী তাতে বলেছেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের ফরযের নির্দেশ দেওয়া ব্যতীতই তারাবীহ্‌র সালাতের ব্যাপারে উৎসাহিত করতেন এবং বলতেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযানে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করে তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।

أخبرني محمد بن خالد، قال: حدثنا بشر بن شعيب، عن أبيه، عن الزهري، قال: أخبرني عروة بن الزبير، أن عائشة، أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج من جوف الليل، فصلى في المسجد - وساق الحديث، وقال فيه - وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يرغبهم في قيام رمضان من غير أن يأمرهم بعزيمة أمر فيه، فيقول: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»


সুনান নাসাঈ ২১৯৭

أخبرنا أبو داود، قال: حدثنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أن أبا سلمة، أخبره أن أبا هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযানে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযানে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।

أخبرنا أبو داود، قال: حدثنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، أن أبا سلمة، أخبره أن أبا هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»


সুনান নাসাঈ ২১৯৮

أخبرنا نوح بن حبيب، قال: حدثنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يرغب في قيام رمضان من غير أن يأمرهم بعزيمة، قال: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরযের নির্দেশ দেওয়া ব্যতীতই তারাবীহ্‌র সালাতের ব্যাপারে উৎসাহিত করতেন। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারারীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরযের নির্দেশ দেওয়া ব্যতীতই তারাবীহ্‌র সালাতের ব্যাপারে উৎসাহিত করতেন। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারারীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

أخبرنا نوح بن حبيب، قال: حدثنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يرغب في قيام رمضان من غير أن يأمرهم بعزيمة، قال: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»


সুনান নাসাঈ ২১৯৯

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»


সুনান নাসাঈ ২২০০

أخبرنا محمد بن سلمة، قال: حدثنا ابن القاسم، عن مالك، قال: حدثني ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

أخبرنا محمد بن سلمة، قال: حدثنا ابن القاسم، عن مالك، قال: حدثني ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»


সুনান নাসাঈ ২২০১

أخبرني محمد بن إسمعيل، قال: حدثنا عبد الله بن محمد بن أسماء، قال: حدثنا جويرية، عن مالك، قال الزهري: أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، وحميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

أخبرني محمد بن إسمعيل، قال: حدثنا عبد الله بن محمد بن أسماء، قال: حدثنا جويرية، عن مالك، قال الزهري: أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن، وحميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»


সুনান নাসাঈ ২২০২

أخبرنا قتيبة، ومحمد بن عبد الله بن يزيد، قالا: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " من صام رمضان - وفي حديث قتيبة: أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: من قام شهر رمضان - إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه، ومن قام ليلة القدر إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه "

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি রমযান মাসের সাওম (রোযা) পালন করে। আবূ কুতায়বা (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদীসে আছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাত্রে জাগ্রত থাকে তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি রমযান মাসের সাওম (রোযা) পালন করে। আবূ কুতায়বা (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদীসে আছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাত্রে জাগ্রত থাকে তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

أخبرنا قتيبة، ومحمد بن عبد الله بن يزيد، قالا: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " من صام رمضان - وفي حديث قتيبة: أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: من قام شهر رمضان - إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه، ومن قام ليلة القدر إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه "


সুনান নাসাঈ ২২০৩

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من صام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযান মাসের সাওম (রোযা) পালন করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযান মাসের সাওম (রোযা) পালন করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من صام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»


সুনান নাসাঈ ২২০৪

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من صام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযান মাসের সাওম (রোযা) পালন করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযান মাসের সাওম (রোযা) পালন করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من صام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»


সুনান নাসাঈ ২২০৫

أخبرنا علي بن المنذر، قال: حدثنا ابن فضيل، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، رضي الله عنه، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من صام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযান মাসের সাওম (রোযা) পালন করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযান মাসের সাওম (রোযা) পালন করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

أخبرنا علي بن المنذر، قال: حدثنا ابن فضيل، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، رضي الله عنه، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من صام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»


সুনান নাসাঈ ২১৯১

أخبرنا محمد بن عبد الله بن عبد الحكم، عن شعيب، عن الليث، قال: أنبأنا خالد، عن ابن أبي هلال، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره

সাঈদ ইব্‌ন মুসায়্যাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি রমযান মাসে আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করবে তার পূর্বাপর সমস্ত (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।

সাঈদ ইব্‌ন মুসায়্যাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি রমযান মাসে আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত আদায় করবে তার পূর্বাপর সমস্ত (সগীরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।

أخبرنا محمد بن عبد الله بن عبد الحكم، عن شعيب، عن الليث، قال: أنبأنا خالد، عن ابن أبي هلال، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه» --- [حكم الألباني] صحيح لغيره


সুনান নাসাঈ > এ হাদীস বর্ণনায় ইয়াহ্‌য়া ইব্‌ন আবূ কাসীর ও নায্‌র ইব্‌ন শায়বান (রহঃ) –এর বর্ণনার পার্থক্যের উল্লেখ

সুনান নাসাঈ ২২০৭

أخبرني محمود بن خالد، عن مروان، أنبأنا معاوية بن سلام، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قام شهر رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه، ومن قام ليلة القدر إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাত্রে জাগ্রত থাকে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাত্রে জাগ্রত থাকে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

أخبرني محمود بن خالد، عن مروان، أنبأنا معاوية بن سلام، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قام شهر رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه، ومن قام ليلة القدر إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»


সুনান নাসাঈ ২২০৯

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا النضر بن شميل، قال: أنبأنا القاسم بن الفضل، قال: حدثنا النضر بن شيبان، عن أبي سلمة، فذكر مثله، وقال: «من صامه وقامه إيمانا واحتسابا»

আবূ সালামা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অতঃপর পূর্বের অনুরূপ হাদীস বর্ননা করলেন এবং বললেন যে, যে ব্যক্তি রমযান মাসে সাওম (রোযা) পালন করে এবং তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে এবং সওয়াবের নিয়তে।

আবূ সালামা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

অতঃপর পূর্বের অনুরূপ হাদীস বর্ননা করলেন এবং বললেন যে, যে ব্যক্তি রমযান মাসে সাওম (রোযা) পালন করে এবং তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে এবং সওয়াবের নিয়তে।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا النضر بن شميل، قال: أنبأنا القاسم بن الفضل، قال: حدثنا النضر بن شيبان، عن أبي سلمة، فذكر مثله، وقال: «من صامه وقامه إيمانا واحتسابا»


সুনান নাসাঈ ২২০৬

أخبرني محمد بن عبد الأعلى، ومحمد بن هشام، وأبو الأشعث، واللفظ له، قالوا: حدثنا خالد، قال: حدثنا هشام، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، قال: حدثني أبو هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه، ومن قام ليلة القدر إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাত্রে জাগ্রত থাকে, তার পূর্বাপৃর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দূঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, তার পূর্বাপর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাত্রে জাগ্রত থাকে, তার পূর্বাপৃর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

أخبرني محمد بن عبد الأعلى، ومحمد بن هشام، وأبو الأشعث، واللفظ له، قالوا: حدثنا خالد، قال: حدثنا هشام، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، قال: حدثني أبو هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه، ومن قام ليلة القدر إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»


সুনান নাসাঈ ২২০৮

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا الفضل بن دكين، قال: حدثنا نصر بن علي، قال: حدثني النضر بن شيبان، - أنه لقي أبا سلمة بن عبد الرحمن، فقال له: حدثني بأفضل شيء سمعته يذكر في شهر رمضان -، فقال أبو سلمة، حدثني عبد الرحمن بن عوف، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه ذكر شهر رمضان ففضله على الشهور، وقال: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا خرج من ذنوبه كيوم ولدته أمه»، قال أبو عبد الرحمن: «هذا خطأ والصواب أبو سلمة، عن أبي هريرة»،

নযর ইব্‌ন শায়বান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ সালামা ইব্‌ন আব্দুর রহমান (রহঃ)-এর সাথে সাক্ষাত করে তাঁকে বললেন, আপনি রমযান মাস সষ্পর্কে উত্তম যা কিছু আলোচনা শুনেছেন তা আমার কাছে বর্ননা করুন। তখন আবূ সালামা (রহঃ) বললেন যে, আব্দুর রহমান ইব্‌ন আউফ (রাঃ) আমার কাছে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ননা করেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমযান মাসের আলোচনা করলেন এবং রমযান মাসকে সকল মাসের উপর মর্যাদা দান করে বললেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, সে স্বীয় গুনাহসমূহ থেকে ঐ দিনের মত পবিত্র হয়ে যায় যে দিন তার মাতা তাকে প্রসব করেছিল।

নযর ইব্‌ন শায়বান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ সালামা ইব্‌ন আব্দুর রহমান (রহঃ)-এর সাথে সাক্ষাত করে তাঁকে বললেন, আপনি রমযান মাস সষ্পর্কে উত্তম যা কিছু আলোচনা শুনেছেন তা আমার কাছে বর্ননা করুন। তখন আবূ সালামা (রহঃ) বললেন যে, আব্দুর রহমান ইব্‌ন আউফ (রাঃ) আমার কাছে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ননা করেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমযান মাসের আলোচনা করলেন এবং রমযান মাসকে সকল মাসের উপর মর্যাদা দান করে বললেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, সে স্বীয় গুনাহসমূহ থেকে ঐ দিনের মত পবিত্র হয়ে যায় যে দিন তার মাতা তাকে প্রসব করেছিল।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا الفضل بن دكين، قال: حدثنا نصر بن علي، قال: حدثني النضر بن شيبان، - أنه لقي أبا سلمة بن عبد الرحمن، فقال له: حدثني بأفضل شيء سمعته يذكر في شهر رمضان -، فقال أبو سلمة، حدثني عبد الرحمن بن عوف، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه ذكر شهر رمضان ففضله على الشهور، وقال: «من قام رمضان إيمانا واحتسابا خرج من ذنوبه كيوم ولدته أمه»، قال أبو عبد الرحمن: «هذا خطأ والصواب أبو سلمة، عن أبي هريرة»،


সুনান নাসাঈ ২২১০

أخبرنا محمد بن عبد الله بن المبارك، قال: حدثنا أبو هشام، قال: حدثنا القاسم بن الفضل، قال: حدثنا النضر بن شيبان، قال: - قلت لأبي سلمة بن عبد الرحمن، حدثني بشيء سمعته من أبيك، سمعه أبوك من رسول الله صلى الله عليه وسلم، ليس بين أبيك وبين رسول الله صلى الله عليه وسلم أحد في شهر رمضان قال: نعم - حدثني أبي، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن الله تبارك وتعالى فرض صيام رمضان عليكم وسننت لكم قيامه، فمن صامه وقامه إيمانا واحتسابا خرج من ذنوبه كيوم ولدته أمه»

নযর ইব্‌ন শায়বান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আবূ সালামা ইবনু আব্দুর রহমান (রহঃ)-কে বললামঃ আপনি আমার কাছে রমযান মাস সম্পর্কে যা আপনি আপনার পিতা থেকে শুনেছেন। আর আপনার পিতা তা রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এমতাবস্হায় শুনেছিলেন যে, আপনার পিতা এবং রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মাঝখানে অন্য আর কেউ ছিল না। তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমার পিতা আমার কাছে বর্ননা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর রমযান মাসের সাওম (রোযা) ফরয করেছেন এবং আমি তোমাদের জন্য তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) কে সুন্নাত করে দিয়েছি। অতএব যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযান মাসে সাওম (রোযা) পালন করে এবং তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, সে স্বীয় গুনাহসমূহ থেকে সে দিনের মত পবিত্র হয়ে যায় যে দিন তার মাতা তাকে প্রসব করেছিল।

নযর ইব্‌ন শায়বান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আবূ সালামা ইবনু আব্দুর রহমান (রহঃ)-কে বললামঃ আপনি আমার কাছে রমযান মাস সম্পর্কে যা আপনি আপনার পিতা থেকে শুনেছেন। আর আপনার পিতা তা রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এমতাবস্হায় শুনেছিলেন যে, আপনার পিতা এবং রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মাঝখানে অন্য আর কেউ ছিল না। তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমার পিতা আমার কাছে বর্ননা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর রমযান মাসের সাওম (রোযা) ফরয করেছেন এবং আমি তোমাদের জন্য তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) কে সুন্নাত করে দিয়েছি। অতএব যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযান মাসে সাওম (রোযা) পালন করে এবং তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, সে স্বীয় গুনাহসমূহ থেকে সে দিনের মত পবিত্র হয়ে যায় যে দিন তার মাতা তাকে প্রসব করেছিল।

أخبرنا محمد بن عبد الله بن المبارك، قال: حدثنا أبو هشام، قال: حدثنا القاسم بن الفضل، قال: حدثنا النضر بن شيبان، قال: - قلت لأبي سلمة بن عبد الرحمن، حدثني بشيء سمعته من أبيك، سمعه أبوك من رسول الله صلى الله عليه وسلم، ليس بين أبيك وبين رسول الله صلى الله عليه وسلم أحد في شهر رمضان قال: نعم - حدثني أبي، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن الله تبارك وتعالى فرض صيام رمضان عليكم وسننت لكم قيامه، فمن صامه وقامه إيمانا واحتسابا خرج من ذنوبه كيوم ولدته أمه»


সুনান নাসাঈ > সিয়াম পালনের ফযীলত, এ প্রসঙ্গে আলী ইব্‌ন আবু তালিব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসে আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনায় পার্থক্য

সুনান নাসাঈ ২২১২

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا محمد، قال: حدثنا شعبة، عن أبي إسحق، عن أبي الأحوص، قال: عبد الله: " قال الله عز وجل: الصوم لي وأنا أجزي به، وللصائم فرحتان فرحة حين يلقى ربه، وفرحة عند إفطاره، ولخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك "

আবূল আহওয়াস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেছেন যে, আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ সাওম (রোযা) আমারই জন্য আর আমিই তার প্রতিদান দেব। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দুটি আনন্দের মুহূর্ত রয়েছে- একটি যখন সে তার রবের (প্রভুর) সাথে সাক্ষাৎ করবে আর দ্বিতীয়টি তার ইফতারের সময়। আর সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে নির্গত) মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ তা’আলার নিকট মিশকের সুগন্ধি থেকে অধিক পছন্দনীয়।

আবূল আহওয়াস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেছেন যে, আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ সাওম (রোযা) আমারই জন্য আর আমিই তার প্রতিদান দেব। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দুটি আনন্দের মুহূর্ত রয়েছে- একটি যখন সে তার রবের (প্রভুর) সাথে সাক্ষাৎ করবে আর দ্বিতীয়টি তার ইফতারের সময়। আর সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে নির্গত) মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ তা’আলার নিকট মিশকের সুগন্ধি থেকে অধিক পছন্দনীয়।

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا محمد، قال: حدثنا شعبة، عن أبي إسحق، عن أبي الأحوص، قال: عبد الله: " قال الله عز وجل: الصوم لي وأنا أجزي به، وللصائم فرحتان فرحة حين يلقى ربه، وفرحة عند إفطاره، ولخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك "


সুনান নাসাঈ ২২১১

أخبرني هلال بن العلاء، قال: حدثنا أبي، قال: حدثنا عبيد الله، عن زيد، عن أبي إسحق، عن عبد الله بن الحارث، عن علي بن أبي طالب، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " إن الله تبارك وتعالى، يقول: الصوم لي وأنا أجزي به، وللصائم فرحتان حين يفطر، وحين يلقى ربه، والذي نفسي بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك " --- [حكم الألباني] صحيح لغيره

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন যে, আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ সাওম (রোযা) আমারই জন্য আর আমিই তার প্রতিদান দেব। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দু’টি আনন্দের মুহূর্ত রয়েছে -যখন সে ইফতার করে এবং যখন সে তার রবের সাথে (আল্লাহ তা’আলার) সাথে সাক্ষাৎ করবে, ঐ সত্তার শপথ যাঁর কুদরতী হস্তে আমার জীবন রয়েছে সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে নির্শত) মুখের দূর্গ্নন্ধ আল্লাহ তা’আলার নিকট মিশকের সুগন্ধি থেকে অধিক পছন্দনীয়।

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন যে, আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ সাওম (রোযা) আমারই জন্য আর আমিই তার প্রতিদান দেব। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দু’টি আনন্দের মুহূর্ত রয়েছে -যখন সে ইফতার করে এবং যখন সে তার রবের সাথে (আল্লাহ তা’আলার) সাথে সাক্ষাৎ করবে, ঐ সত্তার শপথ যাঁর কুদরতী হস্তে আমার জীবন রয়েছে সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে নির্শত) মুখের দূর্গ্নন্ধ আল্লাহ তা’আলার নিকট মিশকের সুগন্ধি থেকে অধিক পছন্দনীয়।

أخبرني هلال بن العلاء، قال: حدثنا أبي، قال: حدثنا عبيد الله، عن زيد، عن أبي إسحق، عن عبد الله بن الحارث، عن علي بن أبي طالب، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " إن الله تبارك وتعالى، يقول: الصوم لي وأنا أجزي به، وللصائم فرحتان حين يفطر، وحين يلقى ربه، والذي نفسي بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك " --- [حكم الألباني] صحيح لغيره


সুনান নাসাঈ > এ হাদীসের বর্ণনায় আবূ সালিহ (রহঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনা পার্থক্যের উল্লেখ

সুনান নাসাঈ ২২১৩

أخبرنا علي بن حرب، قال: حدثنا محمد بن فضيل، قال: حدثنا أبو سنان ضرار بن مرة، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: " إن الله تبارك وتعالى، يقول: الصوم لي وأنا أجزي به. وللصائم فرحتان إذا أفطر فرح، وإذا لقي الله فجزاه فرح، والذي نفس محمد بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك "

আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন যে, সাওম (রোযা) আমারই জন্য আর আমিই তার প্রতিদান দেব। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দুটি আনন্দের মুহূর্ত রয়েছে- সে যখন ইফতার করে আনন্দ লাভ করে আর সে যখন আল্লাহ তা’আলার সাথে সাক্ষাৎ করবে এবং আল্লাহ তাকে প্রতিদান দিবেন তখনও সে আনন্দ লাভ করবে। ঐ সত্তার শপথ যার হাতে আমার জীবন, সাওম (রোযা) পালনকারীর মুখের দূর্গন্ধ আল্লাহ তা’আলার নিকট মিশকের সুগন্ধি থেকে বেশী পছন্দনীয়।

আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন যে, সাওম (রোযা) আমারই জন্য আর আমিই তার প্রতিদান দেব। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দুটি আনন্দের মুহূর্ত রয়েছে- সে যখন ইফতার করে আনন্দ লাভ করে আর সে যখন আল্লাহ তা’আলার সাথে সাক্ষাৎ করবে এবং আল্লাহ তাকে প্রতিদান দিবেন তখনও সে আনন্দ লাভ করবে। ঐ সত্তার শপথ যার হাতে আমার জীবন, সাওম (রোযা) পালনকারীর মুখের দূর্গন্ধ আল্লাহ তা’আলার নিকট মিশকের সুগন্ধি থেকে বেশী পছন্দনীয়।

أخبرنا علي بن حرب، قال: حدثنا محمد بن فضيل، قال: حدثنا أبو سنان ضرار بن مرة، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم: " إن الله تبارك وتعالى، يقول: الصوم لي وأنا أجزي به. وللصائم فرحتان إذا أفطر فرح، وإذا لقي الله فجزاه فرح، والذي نفس محمد بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك "


সুনান নাসাঈ ২২১৪

أخبرنا سليمان بن داود، عن ابن وهب، قال: أخبرني عمرو، أن المنذر بن عبيد، حدثه عن أبي صالح السمان، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «الصيام لي وأنا أجزي به، والصائم يفرح مرتين عند فطره، ويوم يلقى الله» وخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك "

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে,১ (আল্লাহ্‌ বলেন) সাওম (রোযা) আমারই জন্য। আমিই তার প্রতিদান দেব। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দু’টি আনন্দ রয়েছে; ইফতারের সময় এবং আল্লাহ তা’আলার সাথে সাক্ষাতের সময়। আর সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে) নির্গত মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ তা’আলার নিকট কস্তূরীর সুগন্ধি থেকেও অধিক পছন্দনীয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে,১ (আল্লাহ্‌ বলেন) সাওম (রোযা) আমারই জন্য। আমিই তার প্রতিদান দেব। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দু’টি আনন্দ রয়েছে; ইফতারের সময় এবং আল্লাহ তা’আলার সাথে সাক্ষাতের সময়। আর সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে) নির্গত মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ তা’আলার নিকট কস্তূরীর সুগন্ধি থেকেও অধিক পছন্দনীয়।

أخبرنا سليمان بن داود، عن ابن وهب، قال: أخبرني عمرو، أن المنذر بن عبيد، حدثه عن أبي صالح السمان، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «الصيام لي وأنا أجزي به، والصائم يفرح مرتين عند فطره، ويوم يلقى الله» وخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك "


সুনান নাসাঈ ২২১৫

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا جرير، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: " ما من حسنة عملها ابن آدم إلا كتب له عشر حسنات إلى سبع مائة ضعف، قال الله عز وجل: إلا الصيام فإنه لي، وأنا أجزي به يدع شهوته وطعامه من أجلي، الصيام جنة. للصائم فرحتان: فرحة عند فطره، وفرحة عند لقاء ربه. ولخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك "

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে কোন নেককাজ আদম সন্তান করে না কেন তার জন্য দশ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত বর্ধিত করে সওয়াব লিপিবদ্ধ করা হয়। কিন্তু আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ সাওম (রোযা) ব্যতীত, যেহেতু সাওম (রোযা) আমারই জন্য এবং আমিই তার প্রতিদান দিব। সাওম (রোযা) পালনকারী আমারই কারণে স্বীয় কামভাব এবং পানাহার পরিত্যাগ করে। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য সাওম (রোযা) ঢাল স্বরূপ। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে- তার ইফতারের সময় এবং তার রবের সাথে সাক্ষাতের সময়। আর সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে নির্গত) মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ তা’আলার কাছে কস্তূরীর সুগন্ধি থেকেও অধিক পছন্দনীয়।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে কোন নেককাজ আদম সন্তান করে না কেন তার জন্য দশ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত বর্ধিত করে সওয়াব লিপিবদ্ধ করা হয়। কিন্তু আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ সাওম (রোযা) ব্যতীত, যেহেতু সাওম (রোযা) আমারই জন্য এবং আমিই তার প্রতিদান দিব। সাওম (রোযা) পালনকারী আমারই কারণে স্বীয় কামভাব এবং পানাহার পরিত্যাগ করে। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য সাওম (রোযা) ঢাল স্বরূপ। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে- তার ইফতারের সময় এবং তার রবের সাথে সাক্ষাতের সময়। আর সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে নির্গত) মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ তা’আলার কাছে কস্তূরীর সুগন্ধি থেকেও অধিক পছন্দনীয়।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا جرير، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: " ما من حسنة عملها ابن آدم إلا كتب له عشر حسنات إلى سبع مائة ضعف، قال الله عز وجل: إلا الصيام فإنه لي، وأنا أجزي به يدع شهوته وطعامه من أجلي، الصيام جنة. للصائم فرحتان: فرحة عند فطره، وفرحة عند لقاء ربه. ولخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك "


সুনান নাসাঈ ২২১৬

أخبرني إبراهيم بن الحسن، عن حجاج، قال: قال ابن جريج: أخبرني عطاء، عن أبي صالح الزيات، أنه سمع أبا هريرة، يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " كل عمل ابن آدم له إلا الصيام هو لي، وأنا أجزي به، والصيام جنة، إذا كان يوم صيام أحدكم فلا يرفث ولا يصخب، فإن شاتمه أحد أو قاتله، فليقل: إني صائم. والذي نفس محمد بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله يوم القيامة من ريح المسك. للصائم فرحتان يفرحهما إذا أفطر فرح بفطره، وإذا لقي ربه عز وجل فرح بصومه "

আবূ সালিহ যায়্যাত (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, বনী আদমের প্রত্যেক নেক কাজ তার নিজের জন্য (কেননা সব কাজের প্রতিদান তাকে দেওয়া হয়) কিন্তু সাওম (রোযা) আমারই জন্য (আল্লাহর জন্য) এবং আমিই নিজে (আল্লাহ নিজে) তার প্রতিদান দিব। আর সাওম (রোযা) ঢাল স্বরূপ। তোমাদের মধ্যে কেহ যখন সাওম (রোযা) পালন করে, তখন সে যেন অশ্লীল বাক্য ব্যবহার না করে এবং উচ্চস্বরে কথা না বলে ও কারো উপর রাগান্বিত না হয়। যদি কেউ তাকে গালি দেয় বা গায়ে পড়ে ঝগড়া করতে আসে তখন সে যেন বলে, ‘আমি সাওম (রোযা) পালন করছি’। ঐ সত্তার শপথ যার পবিত্র হস্তে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রাণ, সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে) মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ তা’আলার কাছে কস্তূরীর সুগন্ধি থেকেও অধিক পছন্দনীয় হবে। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দু’টি আনন্দ রয়েছে- যার দ্বারা সে আনন্দিত হবে। স্বীয় ইফতারের সময় সে আনন্দিত হবে এবং তার রবের সাথে সাক্ষাত করার সময় তার সাওম (রোযা) পালনের কারণে আনন্দিত হবে।

আবূ সালিহ যায়্যাত (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, বনী আদমের প্রত্যেক নেক কাজ তার নিজের জন্য (কেননা সব কাজের প্রতিদান তাকে দেওয়া হয়) কিন্তু সাওম (রোযা) আমারই জন্য (আল্লাহর জন্য) এবং আমিই নিজে (আল্লাহ নিজে) তার প্রতিদান দিব। আর সাওম (রোযা) ঢাল স্বরূপ। তোমাদের মধ্যে কেহ যখন সাওম (রোযা) পালন করে, তখন সে যেন অশ্লীল বাক্য ব্যবহার না করে এবং উচ্চস্বরে কথা না বলে ও কারো উপর রাগান্বিত না হয়। যদি কেউ তাকে গালি দেয় বা গায়ে পড়ে ঝগড়া করতে আসে তখন সে যেন বলে, ‘আমি সাওম (রোযা) পালন করছি’। ঐ সত্তার শপথ যার পবিত্র হস্তে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রাণ, সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে) মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ তা’আলার কাছে কস্তূরীর সুগন্ধি থেকেও অধিক পছন্দনীয় হবে। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দু’টি আনন্দ রয়েছে- যার দ্বারা সে আনন্দিত হবে। স্বীয় ইফতারের সময় সে আনন্দিত হবে এবং তার রবের সাথে সাক্ষাত করার সময় তার সাওম (রোযা) পালনের কারণে আনন্দিত হবে।

أخبرني إبراهيم بن الحسن، عن حجاج، قال: قال ابن جريج: أخبرني عطاء، عن أبي صالح الزيات، أنه سمع أبا هريرة، يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " كل عمل ابن آدم له إلا الصيام هو لي، وأنا أجزي به، والصيام جنة، إذا كان يوم صيام أحدكم فلا يرفث ولا يصخب، فإن شاتمه أحد أو قاتله، فليقل: إني صائم. والذي نفس محمد بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله يوم القيامة من ريح المسك. للصائم فرحتان يفرحهما إذا أفطر فرح بفطره، وإذا لقي ربه عز وجل فرح بصومه "


সুনান নাসাঈ ২২১৭

أخبرنا محمد بن حاتم، قال: أنبأنا سويد، قال: أنبأنا عبد الله، عن ابن جريج، قراءة عليه، عن عطاء بن أبي رباح، قال: أخبرني عطاء الزيات، أنه سمع أبا هريرة، يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " قال الله عز وجل: كل عمل ابن آدم له إلا الصيام هو لي وأنا أجزي به، الصيام جنة، فإذا كان يوم صوم أحدكم فلا يرفث، ولا يصخب، فإن شاتمه أحد أو قاتله، فليقل: إني امرؤ صائم. والذي نفس محمد بيده، لخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك «وقد روي هذا الحديث عن أبي هريرة، وسعيد بن المسيب»

আতা যায়্যাত (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ বনী আদমের প্রত্যেক নেক কাজ তারই। (কেননা নেক কাজের প্রতিদান তাকে দিয়ে দেওয়া হয়)। কিন্তু সাওম (রোযা) একমাত্র আমারই জন্য এবং আমিই নিজে তার প্রতিদান দিব। আর সাওম (রোযা) ঢাল স্বরূপ। তোমাদের মধ্যে কেও যখন সাওম (রোযা) পালন করে, তখন সে যেন অম্লীল বাক্য ব্যবহার না করে এবং উচ্চস্বরে কথা না বলে ও কারো উপর রাগান্বিত না হয়। যদি কেউ তাকে গালি দেয় বা গায়ে পড়ে ঝগড়া করতে আসে তখন সে যেন বলে, ‘আমি সাওম (রোযা) পালন করছি’। ঐ সত্তার শপথ যার পবিত্র হস্তে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবন, আল্লাহ তা’আলার নিকট সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে নির্গত) মুখের দুর্গন্ধ কস্তূরীর সুগন্ধি থেকেও অধিক পছন্দনীয়।

আতা যায়্যাত (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ বনী আদমের প্রত্যেক নেক কাজ তারই। (কেননা নেক কাজের প্রতিদান তাকে দিয়ে দেওয়া হয়)। কিন্তু সাওম (রোযা) একমাত্র আমারই জন্য এবং আমিই নিজে তার প্রতিদান দিব। আর সাওম (রোযা) ঢাল স্বরূপ। তোমাদের মধ্যে কেও যখন সাওম (রোযা) পালন করে, তখন সে যেন অম্লীল বাক্য ব্যবহার না করে এবং উচ্চস্বরে কথা না বলে ও কারো উপর রাগান্বিত না হয়। যদি কেউ তাকে গালি দেয় বা গায়ে পড়ে ঝগড়া করতে আসে তখন সে যেন বলে, ‘আমি সাওম (রোযা) পালন করছি’। ঐ সত্তার শপথ যার পবিত্র হস্তে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবন, আল্লাহ তা’আলার নিকট সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে নির্গত) মুখের দুর্গন্ধ কস্তূরীর সুগন্ধি থেকেও অধিক পছন্দনীয়।

أخبرنا محمد بن حاتم، قال: أنبأنا سويد، قال: أنبأنا عبد الله، عن ابن جريج، قراءة عليه، عن عطاء بن أبي رباح، قال: أخبرني عطاء الزيات، أنه سمع أبا هريرة، يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " قال الله عز وجل: كل عمل ابن آدم له إلا الصيام هو لي وأنا أجزي به، الصيام جنة، فإذا كان يوم صوم أحدكم فلا يرفث، ولا يصخب، فإن شاتمه أحد أو قاتله، فليقل: إني امرؤ صائم. والذي نفس محمد بيده، لخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك «وقد روي هذا الحديث عن أبي هريرة، وسعيد بن المسيب»


সুনান নাসাঈ ২২১৮

أخبرنا الربيع بن سليمان، قال: حدثنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال: حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: " قال الله عز وجل: كل عمل ابن آدم له إلا الصيام هو لي، وأنا أجزي به. والذي نفس محمد بيده، لخلفة فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك "

সাঈদ ইব্‌ন মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন যে, আমি রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ বনী আদমের প্রত্যেক নেক কাজ তার নিজের। (কেননা সব নেক কাজের প্রতিদান তাকে দিয়ে দেওয়া হয়) কিন্তু সাওম (রোযা) ; একমাত্র আমারই জন্য এবং আমিই নিজে তার প্রতিদান দিব। ঐ সত্তার শপথ যার পবিত্র হস্তে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবন, সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে নির্গত) মুখের দু্র্গন্ধ আল্লাহ তা’আলার নিকট কস্তূরীর সুগন্ধি থেকেও অধিক পছন্দনীয়।

সাঈদ ইব্‌ন মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেছেন যে, আমি রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ বনী আদমের প্রত্যেক নেক কাজ তার নিজের। (কেননা সব নেক কাজের প্রতিদান তাকে দিয়ে দেওয়া হয়) কিন্তু সাওম (রোযা) ; একমাত্র আমারই জন্য এবং আমিই নিজে তার প্রতিদান দিব। ঐ সত্তার শপথ যার পবিত্র হস্তে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবন, সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে নির্গত) মুখের দু্র্গন্ধ আল্লাহ তা’আলার নিকট কস্তূরীর সুগন্ধি থেকেও অধিক পছন্দনীয়।

أخبرنا الربيع بن سليمان، قال: حدثنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال: حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: " قال الله عز وجل: كل عمل ابن آدم له إلا الصيام هو لي، وأنا أجزي به. والذي نفس محمد بيده، لخلفة فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك "


সুনান নাসাঈ ২২১৯

أخبرنا أحمد بن عيسى، قال: حدثنا ابن وهب، عن عمرو، عن بكير، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «كل حسنة يعملها ابن آدم فله عشر أمثالها، إلا الصيام لي وأنا أجزي به»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ (আল্লাহ্‌ বলেন) বনী আদম যে নেক কাজ করে তাকে তার দশ গুণ প্রতিদান দেওয়া হয়। কিন্তু সাওম (রোযা) আমারই জন্য এবং আমি নিজেই তার প্রতিদান দিব।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ (আল্লাহ্‌ বলেন) বনী আদম যে নেক কাজ করে তাকে তার দশ গুণ প্রতিদান দেওয়া হয়। কিন্তু সাওম (রোযা) আমারই জন্য এবং আমি নিজেই তার প্রতিদান দিব।

أخبرنا أحمد بن عيسى، قال: حدثنا ابن وهب، عن عمرو، عن بكير، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «كل حسنة يعملها ابن آدم فله عشر أمثالها، إلا الصيام لي وأنا أجزي به»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00