সুনান নাসাঈ > ফজর কখন হবে?
সুনান নাসাঈ ২১৭১
أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا أبو داود، قال: حدثنا شعبة، أنبأنا سوادة بن حنظلة، قال: سمعت سمرة، يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا يغرنكم أذان بلال، ولا هذا البياض حتى ينفجر الفجر هكذا وهكذا - يعني معترضا -» قال أبو داود: «وبسط بيديه يمينا وشمالا مادا يديه»
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন যে, বিলাল (রাঃ)-এর আযান এবং এই শুভ্রতা যেন তোমাদেরকে বিভ্রান্তিতে ফেলে না দেয়, যতক্ষণ না এ রকম, এ রকমভাবে প্রভাতের আলোর রেখা প্রকাশ পায় অর্থাৎ দিগন্তে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন যে, এরপর তিনি স্বীয় হম্ভদ্বয় লম্বালম্বি ভাবে ডানে বামে ছড়িয়ে দিলেন।
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন যে, বিলাল (রাঃ)-এর আযান এবং এই শুভ্রতা যেন তোমাদেরকে বিভ্রান্তিতে ফেলে না দেয়, যতক্ষণ না এ রকম, এ রকমভাবে প্রভাতের আলোর রেখা প্রকাশ পায় অর্থাৎ দিগন্তে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন যে, এরপর তিনি স্বীয় হম্ভদ্বয় লম্বালম্বি ভাবে ডানে বামে ছড়িয়ে দিলেন।
أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا أبو داود، قال: حدثنا شعبة، أنبأنا سوادة بن حنظلة، قال: سمعت سمرة، يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا يغرنكم أذان بلال، ولا هذا البياض حتى ينفجر الفجر هكذا وهكذا - يعني معترضا -» قال أبو داود: «وبسط بيديه يمينا وشمالا مادا يديه»
সুনান নাসাঈ ২১৭০
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا التيمي، عن أبي عثمان، عن ابن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: " إن بلالا يؤذن بليل لينبه نائمكم ويرجع قائمكم، وليس الفجر أن يقول: هكذا - وأشار بكفه -، ولكن الفجر أن يقول: هكذا - وأشار بالسبابتين - "
ইব্ন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিত। তিনি বলেছেন যে, তোমাদের মধ্যে যারা নিদ্রিত তাদের জাগ্রত করার জন্য এবং তোমাদের মধ্যে যারা তাহাজ্জ্বুদের সালাত আদায়রত আছে তাদেরকে বিরত করার জন্য বিলাল (রাঃ) রাত্রে আযান দেয়। অতঃপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উভয় হাতের কব্জি দ্বারা ইঙ্গিত করে দেখালেন যে এরূপ চিহ্ন প্রকাশ পাওয়া ফজর হওয়ার লক্ষণ নয়। বরং ফজর হওয়ার লক্ষণ হল এরকম চিহ্ন প্রকাশ পাওয়া। এই বলে তিনি স্বীয় তর্জনী অঙ্গূলিদ্বয় দ্বারা ইঙ্গিত করলেন।
ইব্ন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিত। তিনি বলেছেন যে, তোমাদের মধ্যে যারা নিদ্রিত তাদের জাগ্রত করার জন্য এবং তোমাদের মধ্যে যারা তাহাজ্জ্বুদের সালাত আদায়রত আছে তাদেরকে বিরত করার জন্য বিলাল (রাঃ) রাত্রে আযান দেয়। অতঃপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উভয় হাতের কব্জি দ্বারা ইঙ্গিত করে দেখালেন যে এরূপ চিহ্ন প্রকাশ পাওয়া ফজর হওয়ার লক্ষণ নয়। বরং ফজর হওয়ার লক্ষণ হল এরকম চিহ্ন প্রকাশ পাওয়া। এই বলে তিনি স্বীয় তর্জনী অঙ্গূলিদ্বয় দ্বারা ইঙ্গিত করলেন।
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا التيمي، عن أبي عثمان، عن ابن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: " إن بلالا يؤذن بليل لينبه نائمكم ويرجع قائمكم، وليس الفجر أن يقول: هكذا - وأشار بكفه -، ولكن الفجر أن يقول: هكذا - وأشار بالسبابتين - "
সুনান নাসাঈ > রমযান মাস আসার পুর্বেই সাওম (রোযা) পালন শুরু করে দেওয়া
সুনান নাসাঈ ২১৭২
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا الوليد، عن الأوزاعي، عن يحيى، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «لا تقدموا قبل الشهر بصيام، إلا رجل كان يصوم صياما أتى ذلك اليوم على صيامه»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিত। তিনি বলেছেন যে, তোমরা রমযান মাস আগমন করার পূর্বেই সাওম (রোযা) পালন শুরু করে দেবে না। তবে হ্যাঁ, ঐ ব্যক্তি শুরু করতে পারবে, যে সর্বদা নিয়মিত সাওম (রোযা) পালন করত এবং তার নিয়মিত সাওম (রোযা) পালনকালীন দিনটি রমযান মাস আগমনের পূর্বের দিন হয়।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিত। তিনি বলেছেন যে, তোমরা রমযান মাস আগমন করার পূর্বেই সাওম (রোযা) পালন শুরু করে দেবে না। তবে হ্যাঁ, ঐ ব্যক্তি শুরু করতে পারবে, যে সর্বদা নিয়মিত সাওম (রোযা) পালন করত এবং তার নিয়মিত সাওম (রোযা) পালনকালীন দিনটি রমযান মাস আগমনের পূর্বের দিন হয়।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا الوليد، عن الأوزاعي، عن يحيى، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «لا تقدموا قبل الشهر بصيام، إلا رجل كان يصوم صياما أتى ذلك اليوم على صيامه»
সুনান নাসাঈ > ইয়াহ্য়া ইব্ন আবূ কাসীর ও মুহাম্মাদ ইব্ন আমর (রহঃ) কর্তৃক আবূ সালামা (রহঃ) সূত্রে হাদীস বর্ণনায় পার্থক্যের উল্লেখ
সুনান নাসাঈ ২১৭৩
أخبرني عمران بن يزيد بن خالد، قال: حدثنا محمد بن شعيب، قال: أنبأنا الأوزاعي، عن يحيى، قال: حدثني أبو سلمة، قال: أخبرني أبو هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا يتقدمن أحد الشهر بيوم ولا يومين، إلا أحد كان يصوم صياما قبله فليصمه»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কখনো রমযান মাস আগমনের একদিন বা দুই দিন পূর্বেই সাওম (রোযা) পালন শুরু করে দেবে না। তবে হ্যাঁ, ঐ ব্যক্তি শুরু করতে পারবে, যে ইতিপূর্বেও ঐ সময় নিয়মিত সাওম (রোযা) পালন করত। সে তার সাওম (রোযা) পালন করতে পারবে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কখনো রমযান মাস আগমনের একদিন বা দুই দিন পূর্বেই সাওম (রোযা) পালন শুরু করে দেবে না। তবে হ্যাঁ, ঐ ব্যক্তি শুরু করতে পারবে, যে ইতিপূর্বেও ঐ সময় নিয়মিত সাওম (রোযা) পালন করত। সে তার সাওম (রোযা) পালন করতে পারবে।
أخبرني عمران بن يزيد بن خالد، قال: حدثنا محمد بن شعيب، قال: أنبأنا الأوزاعي، عن يحيى، قال: حدثني أبو سلمة، قال: أخبرني أبو هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا يتقدمن أحد الشهر بيوم ولا يومين، إلا أحد كان يصوم صياما قبله فليصمه»
সুনান নাসাঈ ২১৭৪
أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن ابن عباس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تتقدموا الشهر بصيام يوم أو يومين إلا أن يوافق ذلك يوما كان يصومه أحدكم»، قال أبو عبد الرحمن: «هذا خطأ» --- [حكم الألباني] حسن صحيح
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা রমযান মাস আগমনের একদিন বা দুই দিন আগে সাওম (রোযা) পালন শুরু করে দেবে না। তবে হ্যাঁ, তোমাদের কেউ যদি পূর্ব থেকেই নিয়মিত সাওম (রোযা) পালন করত এবং তার সাথে এই সময়ের মিল হয়ে যায় তবে সেটা স্বতন্ত্র ব্যাপার।
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা রমযান মাস আগমনের একদিন বা দুই দিন আগে সাওম (রোযা) পালন শুরু করে দেবে না। তবে হ্যাঁ, তোমাদের কেউ যদি পূর্ব থেকেই নিয়মিত সাওম (রোযা) পালন করত এবং তার সাথে এই সময়ের মিল হয়ে যায় তবে সেটা স্বতন্ত্র ব্যাপার।
أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن ابن عباس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تتقدموا الشهر بصيام يوم أو يومين إلا أن يوافق ذلك يوما كان يصومه أحدكم»، قال أبو عبد الرحمن: «هذا خطأ» --- [حكم الألباني] حسن صحيح
সুনান নাসাঈ ২১৭৪
أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن ابن عباس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تتقدموا الشهر بصيام يوم أو يومين إلا أن يوافق ذلك يوما كان يصومه أحدكم»، قال أبو عبد الرحمن: «هذا خطأ» --- [حكم الألباني] حسن صحيح
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা রমযান মাস আগমনের একদিন বা দুই দিন আগে সাওম (রোযা) পালন শুরু করে দেবে না। তবে হ্যাঁ, তোমাদের কেউ যদি পূর্ব থেকেই নিয়মিত সাওম (রোযা) পালন করত এবং তার সাথে এই সময়ের মিল হয়ে যায় তবে সেটা স্বতন্ত্র ব্যাপার।
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা রমযান মাস আগমনের একদিন বা দুই দিন আগে সাওম (রোযা) পালন শুরু করে দেবে না। তবে হ্যাঁ, তোমাদের কেউ যদি পূর্ব থেকেই নিয়মিত সাওম (রোযা) পালন করত এবং তার সাথে এই সময়ের মিল হয়ে যায় তবে সেটা স্বতন্ত্র ব্যাপার।
أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن ابن عباس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تتقدموا الشهر بصيام يوم أو يومين إلا أن يوافق ذلك يوما كان يصومه أحدكم»، قال أبو عبد الرحمن: «هذا خطأ» --- [حكم الألباني] حسن صحيح
সুনান নাসাঈ ২১৭৪
أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن ابن عباس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تتقدموا الشهر بصيام يوم أو يومين إلا أن يوافق ذلك يوما كان يصومه أحدكم»، قال أبو عبد الرحمن: «هذا خطأ» --- [حكم الألباني] حسن صحيح
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা রমযান মাস আগমনের একদিন বা দুই দিন আগে সাওম (রোযা) পালন শুরু করে দেবে না। তবে হ্যাঁ, তোমাদের কেউ যদি পূর্ব থেকেই নিয়মিত সাওম (রোযা) পালন করত এবং তার সাথে এই সময়ের মিল হয়ে যায় তবে সেটা স্বতন্ত্র ব্যাপার।
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা রমযান মাস আগমনের একদিন বা দুই দিন আগে সাওম (রোযা) পালন শুরু করে দেবে না। তবে হ্যাঁ, তোমাদের কেউ যদি পূর্ব থেকেই নিয়মিত সাওম (রোযা) পালন করত এবং তার সাথে এই সময়ের মিল হয়ে যায় তবে সেটা স্বতন্ত্র ব্যাপার।
أخبرنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا أبو خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن ابن عباس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تتقدموا الشهر بصيام يوم أو يومين إلا أن يوافق ذلك يوما كان يصومه أحدكم»، قال أبو عبد الرحمن: «هذا خطأ» --- [حكم الألباني] حسن صحيح
সুনান নাসাঈ > এ প্রসঙ্গে আবূ সালামা (রহঃ) কর্তৃক হাদীস বর্ণনার উল্লেখ
সুনান নাসাঈ ২১৭৫
أخبرنا شعيب بن يوسف، ومحمد بن بشار، واللفظ له، قالا: حدثنا عبد الرحمن، قال: حدثنا سفيان، عن منصور، عن سالم، عن أبي سلمة، عن أم سلمة، قالت: «ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم شهرين متتابعين إلا أنه كان يصل شعبان برمضان»
উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, আমি রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কখনো একাধারে দুই মাস সাওম (রোযা) পালন করতে দেখিনি। তবে হ্যাঁ, তিনি শা’বান মাসকে রমযান মাসের সাথে মিলাতেন (সাওম (রোযা) পালনসহ) অর্থাৎ তিনি একাধারে শা’বান ও রমযান মাসের সাওম (রোযা) পালন করতেন।
উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, আমি রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কখনো একাধারে দুই মাস সাওম (রোযা) পালন করতে দেখিনি। তবে হ্যাঁ, তিনি শা’বান মাসকে রমযান মাসের সাথে মিলাতেন (সাওম (রোযা) পালনসহ) অর্থাৎ তিনি একাধারে শা’বান ও রমযান মাসের সাওম (রোযা) পালন করতেন।
أخبرنا شعيب بن يوسف، ومحمد بن بشار، واللفظ له، قالا: حدثنا عبد الرحمن، قال: حدثنا سفيان، عن منصور، عن سالم، عن أبي سلمة، عن أم سلمة، قالت: «ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم شهرين متتابعين إلا أنه كان يصل شعبان برمضان»