সুনান নাসাঈ > সাহারীকে সকালের খাদ্য বলে নামকরণ

সুনান নাসাঈ ২১৬৪

أخبرنا سويد بن نصر، قال: أنبأنا عبد الله، عن بقية بن الوليد، قال: أخبرني بحير بن سعد، عن خالد بن معدان، عن المقدام بن معد يكرب، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «عليكم بغداء السحور فإنه هو الغداء المبارك»

মিকদাম ইব্‌ন মা’দী কারিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ তোমরা ভোর রাত্রের খাদ্য অবশ্যই খাবে। কেননা সেটাই সকাল বেলার পবিত্র খাবার।

মিকদাম ইব্‌ন মা’দী কারিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ তোমরা ভোর রাত্রের খাদ্য অবশ্যই খাবে। কেননা সেটাই সকাল বেলার পবিত্র খাবার।

أخبرنا سويد بن نصر، قال: أنبأنا عبد الله، عن بقية بن الوليد، قال: أخبرني بحير بن سعد، عن خالد بن معدان، عن المقدام بن معد يكرب، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: «عليكم بغداء السحور فإنه هو الغداء المبارك»


সুনান নাসাঈ ২১৬৫

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا عبد الرحمن، قال: حدثنا سفيان، عن ثور، عن خالد بن معدان، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لرجل: «هلم إلى الغداء المبارك» - يعني السحور -

খালিদ ইব্‌ন মা’দান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলেছেনঃ তোমরা সকাল বেলার পবিত্র আহারের দিকে এসো অর্থাৎ সাহারীর দিকে এস।

খালিদ ইব্‌ন মা’দান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলেছেনঃ তোমরা সকাল বেলার পবিত্র আহারের দিকে এসো অর্থাৎ সাহারীর দিকে এস।

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا عبد الرحمن، قال: حدثنا سفيان، عن ثور، عن خالد بن معدان، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لرجل: «هلم إلى الغداء المبارك» - يعني السحور -


সুনান নাসাঈ > আমাদের সাওম (রোযা) এবং আহলে কিতাবের সাওমের মধ্যে পার্থক্য

সুনান নাসাঈ ২১৬৬

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن موسى بن علي، عن أبيه، عن أبي قيس، عن عمرو بن العاص، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن فصل ما بين صيامنا وصيام أهل الكتاب أكلة السحور»

আমর ইব্‌ন আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, আমাদের সাওম (রোযা) এবং আহলে কিতাব-এর সাওমের মধ্যে পার্থক্য হল সাহারী খাওয়া। (আমরা সাহারী খাই কিন্তু ইয়াহুদ ও খ্রিস্টানরা তা খায় না)।

আমর ইব্‌ন আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, আমাদের সাওম (রোযা) এবং আহলে কিতাব-এর সাওমের মধ্যে পার্থক্য হল সাহারী খাওয়া। (আমরা সাহারী খাই কিন্তু ইয়াহুদ ও খ্রিস্টানরা তা খায় না)।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن موسى بن علي، عن أبيه، عن أبي قيس، عن عمرو بن العاص، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن فصل ما بين صيامنا وصيام أهل الكتاب أكلة السحور»


সুনান নাসাঈ > ছাতু এবং খোরমা দ্বারা সাহারী খাওয়া

সুনান নাসাঈ ২১৬৯

أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا جرير، عن مطرف، عن الشعبي، عن عدي بن حاتم، أنه سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قوله تعالى: {حتى يتبين لكم الخيط الأبيض} [البقرة: 187] من الخيط الأسود، قال: «هو سواد الليل وبياض النهار»

আদি ইব্‌ন হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আল্লাহর বানীঃ (আরবী আছে) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, এ হল রাত্রের অন্ধকার এবং দিনের শুভ্রতা।

আদি ইব্‌ন হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আল্লাহর বানীঃ (আরবী আছে) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, এ হল রাত্রের অন্ধকার এবং দিনের শুভ্রতা।

أخبرنا علي بن حجر، قال: حدثنا جرير، عن مطرف، عن الشعبي، عن عدي بن حاتم، أنه سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قوله تعالى: {حتى يتبين لكم الخيط الأبيض} [البقرة: 187] من الخيط الأسود، قال: «هو سواد الليل وبياض النهار»


সুনান নাসাঈ ২১৬৭

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا معمر، عن قتادة، عن أنس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وذلك عند السحور: «يا أنس إني أريد الصيام، أطعمني شيئا»، فأتيته بتمر وإناء فيه ماء، وذلك بعد ما أذن بلال، فقال: «يا أنس، انظر رجلا يأكل معي»، فدعوت زيد بن ثابت، فجاء، فقال: إني قد شربت شربة سويق وأنا أريد الصيام، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «وأنا أريد الصيام»، فتسحر معه، ثم قام فصلى ركعتين، ثم خرج إلى الصلاة

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদা) রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহারীর সময় বললেন যে, হে আনাস! আমি সাওম (রোযা) পালন করার ইচ্ছা করেছি, তুমি আমাকে কিছু খাবার দাও। তখন আমি তাঁর কাছে কিছু খোরমা এবং পানীয় একটি পাত্র আনলাম। এগুলো আমি বেলাল (রাঃ)-এর (সাহারী) আযান দেওয়ার পর এনেছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ হে আনাস! একজন লোক তালাশ করে আন সে আমার সাথে আহার করবে। তখন আমি যায়দ ইব্‌ন ছাবিত (রাঃ)-কে ডাকলাম, তিনি এসে বললেনঃ আমি কিছু ছাতূর পানি পান করেছি এবং সাওম (রোযা) পালন করার ইচ্ছা করেছি। রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমিও তো সাওম (রোযা) পালন করার ইচ্ছা করেছি। অতঃপর তাঁর সাথে সাহারী খেলেন এবং দাঁড়িয়ে গিয়ে দু’রাকাআত সালাত (ফজরের সূন্নাত) আদায় করে ফজরের ফরয সালাত আদায় করার জন্য বের হয়ে গেলেন।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (একদা) রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহারীর সময় বললেন যে, হে আনাস! আমি সাওম (রোযা) পালন করার ইচ্ছা করেছি, তুমি আমাকে কিছু খাবার দাও। তখন আমি তাঁর কাছে কিছু খোরমা এবং পানীয় একটি পাত্র আনলাম। এগুলো আমি বেলাল (রাঃ)-এর (সাহারী) আযান দেওয়ার পর এনেছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ হে আনাস! একজন লোক তালাশ করে আন সে আমার সাথে আহার করবে। তখন আমি যায়দ ইব্‌ন ছাবিত (রাঃ)-কে ডাকলাম, তিনি এসে বললেনঃ আমি কিছু ছাতূর পানি পান করেছি এবং সাওম (রোযা) পালন করার ইচ্ছা করেছি। রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমিও তো সাওম (রোযা) পালন করার ইচ্ছা করেছি। অতঃপর তাঁর সাথে সাহারী খেলেন এবং দাঁড়িয়ে গিয়ে দু’রাকাআত সালাত (ফজরের সূন্নাত) আদায় করে ফজরের ফরয সালাত আদায় করার জন্য বের হয়ে গেলেন।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا معمر، عن قتادة، عن أنس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وذلك عند السحور: «يا أنس إني أريد الصيام، أطعمني شيئا»، فأتيته بتمر وإناء فيه ماء، وذلك بعد ما أذن بلال، فقال: «يا أنس، انظر رجلا يأكل معي»، فدعوت زيد بن ثابت، فجاء، فقال: إني قد شربت شربة سويق وأنا أريد الصيام، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «وأنا أريد الصيام»، فتسحر معه، ثم قام فصلى ركعتين، ثم خرج إلى الصلاة


সুনান নাসাঈ ২১৬৮

أخبرني هلال بن العلاء بن هلال، قال: حدثنا حسين بن عياش، قال: حدثنا زهير، قال: حدثنا أبو إسحق، عن البراء بن عازب: " أن أحدهم كان إذا نام قبل أن يتعشى لم يحل له أن يأكل شيئا ولا يشرب ليلته ويومه، من الغد حتى تغرب الشمس، حتى نزلت هذه الآية: {وكلوا واشربوا} [البقرة: 187] إلى {الخيط الأسود} [البقرة: 187]، قال: ونزلت في أبي قيس بن عمرو، أتى أهله وهو صائم بعد المغرب، فقال: هل من شيء؟ فقالت امرأته: ما عندنا شيء ولكن أخرج ألتمس لك عشاء، فخرجت ووضع رأسه فنام، فرجعت إليه فوجدته نائما وأيقظته، فلم يطعم شيئا وبات وأصبح صائما حتى انتصف النهار فغشي عليه، وذلك قبل أن تنزل هذه الآية فأنزل الله فيه "

বারা ইব্‌ন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ তাদের কেউ যদি রাত্রের আহার না করেই ঘুমিয়ে পড়ত তবে তার জন্য সেই রাত্রে এবং পরের দিন সূর্যাস্ত পর্যন্ত কিছু খাওয়া ও পান করা বৈধ ছিল না। (আরবী আছে) এই আয়াত অবতীর্ন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত (এ নিয়ম ছিল)। রাবী বলেন, এই আয়াত আবূ কায়স ইবনু আমর (রাঃ) সম্পর্কেও অবতীর্ণ হয়েছিল। তিনি সাওম (রোযা) পালন করে মাগরিবের পর নিজ স্ত্রীর কাছে এসে বললেন যে, আহার করার মত কিছু আছে কি? তার স্ত্রী বললেন, আমার কাছে তো আহার করার মত কিছু নেই। তবে আমি আপনার জন্য রাত্রের আহারের সন্ধানে বের হচ্ছি। তারপর তাঁর স্ত্রী বের হয়ে গেলেন। ইতিমধ্যে তিনি মাথা রেখে শুয়ে পড়লেন এবং ঘুমিয়ে গেলেন। কিছুক্ষণ পর স্ত্রী তাঁর কাছে ফিরে এসে তাকে নিদ্রিত অবস্থায় পেয়ে জাগিয়ে দিলেন কিন্তু তিনি কিছুই না খেয়েই রাত্র কাটিয়ে সকাল থেকে সাওম (রোযা) পালনরত থাকলেন। দুপুর হলে তিনি সংজ্ঞা হারিয়ে ফেললেন। এ ঘটনাটি এ আয়াত অবর্তীর্ন হওয়ার পূর্বেই সংঘটিত হয়েছিল। তার পরেই আল্লাহ তা’আলা এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অত্র আয়াত অবর্তীর্ন করেন।

বারা ইব্‌ন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ তাদের কেউ যদি রাত্রের আহার না করেই ঘুমিয়ে পড়ত তবে তার জন্য সেই রাত্রে এবং পরের দিন সূর্যাস্ত পর্যন্ত কিছু খাওয়া ও পান করা বৈধ ছিল না। (আরবী আছে) এই আয়াত অবতীর্ন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত (এ নিয়ম ছিল)। রাবী বলেন, এই আয়াত আবূ কায়স ইবনু আমর (রাঃ) সম্পর্কেও অবতীর্ণ হয়েছিল। তিনি সাওম (রোযা) পালন করে মাগরিবের পর নিজ স্ত্রীর কাছে এসে বললেন যে, আহার করার মত কিছু আছে কি? তার স্ত্রী বললেন, আমার কাছে তো আহার করার মত কিছু নেই। তবে আমি আপনার জন্য রাত্রের আহারের সন্ধানে বের হচ্ছি। তারপর তাঁর স্ত্রী বের হয়ে গেলেন। ইতিমধ্যে তিনি মাথা রেখে শুয়ে পড়লেন এবং ঘুমিয়ে গেলেন। কিছুক্ষণ পর স্ত্রী তাঁর কাছে ফিরে এসে তাকে নিদ্রিত অবস্থায় পেয়ে জাগিয়ে দিলেন কিন্তু তিনি কিছুই না খেয়েই রাত্র কাটিয়ে সকাল থেকে সাওম (রোযা) পালনরত থাকলেন। দুপুর হলে তিনি সংজ্ঞা হারিয়ে ফেললেন। এ ঘটনাটি এ আয়াত অবর্তীর্ন হওয়ার পূর্বেই সংঘটিত হয়েছিল। তার পরেই আল্লাহ তা’আলা এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অত্র আয়াত অবর্তীর্ন করেন।

أخبرني هلال بن العلاء بن هلال، قال: حدثنا حسين بن عياش، قال: حدثنا زهير، قال: حدثنا أبو إسحق، عن البراء بن عازب: " أن أحدهم كان إذا نام قبل أن يتعشى لم يحل له أن يأكل شيئا ولا يشرب ليلته ويومه، من الغد حتى تغرب الشمس، حتى نزلت هذه الآية: {وكلوا واشربوا} [البقرة: 187] إلى {الخيط الأسود} [البقرة: 187]، قال: ونزلت في أبي قيس بن عمرو، أتى أهله وهو صائم بعد المغرب، فقال: هل من شيء؟ فقالت امرأته: ما عندنا شيء ولكن أخرج ألتمس لك عشاء، فخرجت ووضع رأسه فنام، فرجعت إليه فوجدته نائما وأيقظته، فلم يطعم شيئا وبات وأصبح صائما حتى انتصف النهار فغشي عليه، وذلك قبل أن تنزل هذه الآية فأنزل الله فيه "


সুনান নাসাঈ > ফজর কখন হবে?

সুনান নাসাঈ ২১৭১

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا أبو داود، قال: حدثنا شعبة، أنبأنا سوادة بن حنظلة، قال: سمعت سمرة، يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا يغرنكم أذان بلال، ولا هذا البياض حتى ينفجر الفجر هكذا وهكذا - يعني معترضا -» قال أبو داود: «وبسط بيديه يمينا وشمالا مادا يديه»

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন যে, বিলাল (রাঃ)-এর আযান এবং এই শুভ্রতা যেন তোমাদেরকে বিভ্রান্তিতে ফেলে না দেয়, যতক্ষণ না এ রকম, এ রকমভাবে প্রভাতের আলোর রেখা প্রকাশ পায় অর্থাৎ দিগন্তে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন যে, এরপর তিনি স্বীয় হম্ভদ্বয় লম্বালম্বি ভাবে ডানে বামে ছড়িয়ে দিলেন।

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন যে, বিলাল (রাঃ)-এর আযান এবং এই শুভ্রতা যেন তোমাদেরকে বিভ্রান্তিতে ফেলে না দেয়, যতক্ষণ না এ রকম, এ রকমভাবে প্রভাতের আলোর রেখা প্রকাশ পায় অর্থাৎ দিগন্তে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন যে, এরপর তিনি স্বীয় হম্ভদ্বয় লম্বালম্বি ভাবে ডানে বামে ছড়িয়ে দিলেন।

أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا أبو داود، قال: حدثنا شعبة، أنبأنا سوادة بن حنظلة، قال: سمعت سمرة، يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا يغرنكم أذان بلال، ولا هذا البياض حتى ينفجر الفجر هكذا وهكذا - يعني معترضا -» قال أبو داود: «وبسط بيديه يمينا وشمالا مادا يديه»


সুনান নাসাঈ ২১৭০

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا التيمي، عن أبي عثمان، عن ابن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: " إن بلالا يؤذن بليل لينبه نائمكم ويرجع قائمكم، وليس الفجر أن يقول: هكذا - وأشار بكفه -، ولكن الفجر أن يقول: هكذا - وأشار بالسبابتين - "

ইব্‌ন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিত। তিনি বলেছেন যে, তোমাদের মধ্যে যারা নিদ্রিত তাদের জাগ্রত করার জন্য এবং তোমাদের মধ্যে যারা তাহাজ্জ্বুদের সালাত আদায়রত আছে তাদেরকে বিরত করার জন্য বিলাল (রাঃ) রাত্রে আযান দেয়। অতঃপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উভয় হাতের কব্জি দ্বারা ইঙ্গিত করে দেখালেন যে এরূপ চিহ্ন প্রকাশ পাওয়া ফজর হওয়ার লক্ষণ নয়। বরং ফজর হওয়ার লক্ষণ হল এরকম চিহ্ন প্রকাশ পাওয়া। এই বলে তিনি স্বীয় তর্জনী অঙ্গূলিদ্বয় দ্বারা ইঙ্গিত করলেন।

ইব্‌ন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিত। তিনি বলেছেন যে, তোমাদের মধ্যে যারা নিদ্রিত তাদের জাগ্রত করার জন্য এবং তোমাদের মধ্যে যারা তাহাজ্জ্বুদের সালাত আদায়রত আছে তাদেরকে বিরত করার জন্য বিলাল (রাঃ) রাত্রে আযান দেয়। অতঃপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উভয় হাতের কব্জি দ্বারা ইঙ্গিত করে দেখালেন যে এরূপ চিহ্ন প্রকাশ পাওয়া ফজর হওয়ার লক্ষণ নয়। বরং ফজর হওয়ার লক্ষণ হল এরকম চিহ্ন প্রকাশ পাওয়া। এই বলে তিনি স্বীয় তর্জনী অঙ্গূলিদ্বয় দ্বারা ইঙ্গিত করলেন।

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا التيمي، عن أبي عثمان، عن ابن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: " إن بلالا يؤذن بليل لينبه نائمكم ويرجع قائمكم، وليس الفجر أن يقول: هكذا - وأشار بكفه -، ولكن الفجر أن يقول: هكذا - وأشار بالسبابتين - "


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00