সুনান নাসাঈ > যে মৃত ব্যক্তির উপর একশত জন ব্যক্তি জানাযার সালাত আদায় করে তার ফযীলত
সুনান নাসাঈ ১৯৯২
أخبرنا عمرو بن زرارة، قال: أنبأنا إسمعيل، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن عبد الله بن يزيد، رضيع لعائشة رضي الله عنها، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «لا يموت أحد من المسلمين فيصلي عليه أمة من الناس فيبلغوا أن يكونوا مائة، فيشفعوا إلا شفعوا فيه»
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুসলমানদের মধ্যে এমন কোন মৃত ব্যক্তি নেই যার উপর এমন একদল মানুষ জানাযার সালাত আদায় করে যাদের সংখ্যা একশতে পৌঁছে যায় আর যারা তার সম্পর্কে সুপারিশ করে তাদের সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুসলমানদের মধ্যে এমন কোন মৃত ব্যক্তি নেই যার উপর এমন একদল মানুষ জানাযার সালাত আদায় করে যাদের সংখ্যা একশতে পৌঁছে যায় আর যারা তার সম্পর্কে সুপারিশ করে তাদের সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না।
أخبرنا عمرو بن زرارة، قال: أنبأنا إسمعيل، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن عبد الله بن يزيد، رضيع لعائشة رضي الله عنها، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «لا يموت أحد من المسلمين فيصلي عليه أمة من الناس فيبلغوا أن يكونوا مائة، فيشفعوا إلا شفعوا فيه»
সুনান নাসাঈ ১৯৯১
أخبرنا سويد، قال: حدثنا عبد الله، عن سلام بن أبي مطيع الدمشقي، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن عبد الله بن يزيد، رضيع عائشة، عن عائشة رضي الله عنهما، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ما من ميت يصلي عليه أمة من المسلمين يبلغون أن يكونوا مائة يشفعون إلا شفعوا فيه»، قال سلام: فحدثت به شعيب بن الحبحاب فقال: حدثني به أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এমন কোন মৃত ব্যক্তি নেই যার উপর এমন একদল মুসলমান জানাযার সালাত আদায় করে যাদের সংখ্যা একশত পৌছে যায় এবং যারা তার সম্পর্কে করে তাদের সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না। হাদীসের অন্যতম রাবী সাল্লাম ইব্ন আবূ মূতী বলেন, পরবর্তীতে আমি এই হাদীস শুআয়ব ইব্ন হাবহাব-এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে আমার কাছে এই হাদীস বর্ণনা করেছেন।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এমন কোন মৃত ব্যক্তি নেই যার উপর এমন একদল মুসলমান জানাযার সালাত আদায় করে যাদের সংখ্যা একশত পৌছে যায় এবং যারা তার সম্পর্কে করে তাদের সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না। হাদীসের অন্যতম রাবী সাল্লাম ইব্ন আবূ মূতী বলেন, পরবর্তীতে আমি এই হাদীস শুআয়ব ইব্ন হাবহাব-এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে আমার কাছে এই হাদীস বর্ণনা করেছেন।
أخبرنا سويد، قال: حدثنا عبد الله، عن سلام بن أبي مطيع الدمشقي، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن عبد الله بن يزيد، رضيع عائشة، عن عائشة رضي الله عنهما، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ما من ميت يصلي عليه أمة من المسلمين يبلغون أن يكونوا مائة يشفعون إلا شفعوا فيه»، قال سلام: فحدثت به شعيب بن الحبحاب فقال: حدثني به أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم
সুনান নাসাঈ ১৯৯৩
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا محمد بن سواء أبو الخطاب، قال: حدثنا أبو بكار الحكم بن فروخ، قال: صلى بنا أبو المليح على جنازة فظننا أنه قد كبر، فأقبل علينا بوجهه، فقال: أقيموا صفوفكم ولتحسن شفاعتكم، قال أبو المليح، حدثني عبد الله وهو ابن سليط، عن إحدى أمهات المؤمنين وهي ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، قالت: أخبرني النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ما من ميت يصلي عليه أمة من الناس إلا شفعوا فيه»، فسألت أبا المليح عن الأمة: فقال: أربعون
আবূ বাক্কার হাকাম ইব্ন ফাররুখ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদের নিয়ে আবূল মালীহ (রহঃ) এক মৃত ব্যক্তির জানাযার সালাত আদায় করছিলেন। আমরা ধারণা করলাম যে তিনি হয়ত তাকবীর বলে ফেলেছেন। ইত্যবসরে তিনি আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন, তোমরা কাতারবন্দী হয়ে দাড়িয়ে যাও এবং উত্তমরুপে সুপারিশ কর। আবূল মালিহ (রহঃ) বলেন যে, আমার কাছে আব্দুল্লাহ ইব্ন সালীত (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী উম্মুল মুমিনিন মায়মুনা (রাঃ) থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবহিত করেছেন যে, এমন কোন মৃত ব্যক্তি নাই যার ওপর একদল মানুষ জানাযার সালাত আদায় করে, তার ব্যাপারে তাদের সুপারিশ গ্রহন করা হয় না। রাবী বলেন, আমি আবূল মালিহ কে দলে লোকের সংখ্যা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, চল্লিশজন।
আবূ বাক্কার হাকাম ইব্ন ফাররুখ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদের নিয়ে আবূল মালীহ (রহঃ) এক মৃত ব্যক্তির জানাযার সালাত আদায় করছিলেন। আমরা ধারণা করলাম যে তিনি হয়ত তাকবীর বলে ফেলেছেন। ইত্যবসরে তিনি আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন, তোমরা কাতারবন্দী হয়ে দাড়িয়ে যাও এবং উত্তমরুপে সুপারিশ কর। আবূল মালিহ (রহঃ) বলেন যে, আমার কাছে আব্দুল্লাহ ইব্ন সালীত (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী উম্মুল মুমিনিন মায়মুনা (রাঃ) থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবহিত করেছেন যে, এমন কোন মৃত ব্যক্তি নাই যার ওপর একদল মানুষ জানাযার সালাত আদায় করে, তার ব্যাপারে তাদের সুপারিশ গ্রহন করা হয় না। রাবী বলেন, আমি আবূল মালিহ কে দলে লোকের সংখ্যা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, চল্লিশজন।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا محمد بن سواء أبو الخطاب، قال: حدثنا أبو بكار الحكم بن فروخ، قال: صلى بنا أبو المليح على جنازة فظننا أنه قد كبر، فأقبل علينا بوجهه، فقال: أقيموا صفوفكم ولتحسن شفاعتكم، قال أبو المليح، حدثني عبد الله وهو ابن سليط، عن إحدى أمهات المؤمنين وهي ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، قالت: أخبرني النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ما من ميت يصلي عليه أمة من الناس إلا شفعوا فيه»، فسألت أبا المليح عن الأمة: فقال: أربعون
সুনান নাসাঈ ১৯৯৩
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا محمد بن سواء أبو الخطاب، قال: حدثنا أبو بكار الحكم بن فروخ، قال: صلى بنا أبو المليح على جنازة فظننا أنه قد كبر، فأقبل علينا بوجهه، فقال: أقيموا صفوفكم ولتحسن شفاعتكم، قال أبو المليح، حدثني عبد الله وهو ابن سليط، عن إحدى أمهات المؤمنين وهي ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، قالت: أخبرني النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ما من ميت يصلي عليه أمة من الناس إلا شفعوا فيه»، فسألت أبا المليح عن الأمة: فقال: أربعون
আবূ বাক্কার হাকাম ইব্ন ফাররুখ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদের নিয়ে আবূল মালীহ (রহঃ) এক মৃত ব্যক্তির জানাযার সালাত আদায় করছিলেন। আমরা ধারণা করলাম যে তিনি হয়ত তাকবীর বলে ফেলেছেন। ইত্যবসরে তিনি আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন, তোমরা কাতারবন্দী হয়ে দাড়িয়ে যাও এবং উত্তমরুপে সুপারিশ কর। আবূল মালিহ (রহঃ) বলেন যে, আমার কাছে আব্দুল্লাহ ইব্ন সালীত (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী উম্মুল মুমিনিন মায়মুনা (রাঃ) থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবহিত করেছেন যে, এমন কোন মৃত ব্যক্তি নাই যার ওপর একদল মানুষ জানাযার সালাত আদায় করে, তার ব্যাপারে তাদের সুপারিশ গ্রহন করা হয় না। রাবী বলেন, আমি আবূল মালিহ কে দলে লোকের সংখ্যা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, চল্লিশজন।
আবূ বাক্কার হাকাম ইব্ন ফাররুখ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদের নিয়ে আবূল মালীহ (রহঃ) এক মৃত ব্যক্তির জানাযার সালাত আদায় করছিলেন। আমরা ধারণা করলাম যে তিনি হয়ত তাকবীর বলে ফেলেছেন। ইত্যবসরে তিনি আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন, তোমরা কাতারবন্দী হয়ে দাড়িয়ে যাও এবং উত্তমরুপে সুপারিশ কর। আবূল মালিহ (রহঃ) বলেন যে, আমার কাছে আব্দুল্লাহ ইব্ন সালীত (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী উম্মুল মুমিনিন মায়মুনা (রাঃ) থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবহিত করেছেন যে, এমন কোন মৃত ব্যক্তি নাই যার ওপর একদল মানুষ জানাযার সালাত আদায় করে, তার ব্যাপারে তাদের সুপারিশ গ্রহন করা হয় না। রাবী বলেন, আমি আবূল মালিহ কে দলে লোকের সংখ্যা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, চল্লিশজন।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا محمد بن سواء أبو الخطاب، قال: حدثنا أبو بكار الحكم بن فروخ، قال: صلى بنا أبو المليح على جنازة فظننا أنه قد كبر، فأقبل علينا بوجهه، فقال: أقيموا صفوفكم ولتحسن شفاعتكم، قال أبو المليح، حدثني عبد الله وهو ابن سليط، عن إحدى أمهات المؤمنين وهي ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، قالت: أخبرني النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ما من ميت يصلي عليه أمة من الناس إلا شفعوا فيه»، فسألت أبا المليح عن الأمة: فقال: أربعون
সুনান নাসাঈ ১৯৯৩
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا محمد بن سواء أبو الخطاب، قال: حدثنا أبو بكار الحكم بن فروخ، قال: صلى بنا أبو المليح على جنازة فظننا أنه قد كبر، فأقبل علينا بوجهه، فقال: أقيموا صفوفكم ولتحسن شفاعتكم، قال أبو المليح، حدثني عبد الله وهو ابن سليط، عن إحدى أمهات المؤمنين وهي ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، قالت: أخبرني النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ما من ميت يصلي عليه أمة من الناس إلا شفعوا فيه»، فسألت أبا المليح عن الأمة: فقال: أربعون
আবূ বাক্কার হাকাম ইব্ন ফাররুখ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদের নিয়ে আবূল মালীহ (রহঃ) এক মৃত ব্যক্তির জানাযার সালাত আদায় করছিলেন। আমরা ধারণা করলাম যে তিনি হয়ত তাকবীর বলে ফেলেছেন। ইত্যবসরে তিনি আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন, তোমরা কাতারবন্দী হয়ে দাড়িয়ে যাও এবং উত্তমরুপে সুপারিশ কর। আবূল মালিহ (রহঃ) বলেন যে, আমার কাছে আব্দুল্লাহ ইব্ন সালীত (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী উম্মুল মুমিনিন মায়মুনা (রাঃ) থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবহিত করেছেন যে, এমন কোন মৃত ব্যক্তি নাই যার ওপর একদল মানুষ জানাযার সালাত আদায় করে, তার ব্যাপারে তাদের সুপারিশ গ্রহন করা হয় না। রাবী বলেন, আমি আবূল মালিহ কে দলে লোকের সংখ্যা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, চল্লিশজন।
আবূ বাক্কার হাকাম ইব্ন ফাররুখ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাদের নিয়ে আবূল মালীহ (রহঃ) এক মৃত ব্যক্তির জানাযার সালাত আদায় করছিলেন। আমরা ধারণা করলাম যে তিনি হয়ত তাকবীর বলে ফেলেছেন। ইত্যবসরে তিনি আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন, তোমরা কাতারবন্দী হয়ে দাড়িয়ে যাও এবং উত্তমরুপে সুপারিশ কর। আবূল মালিহ (রহঃ) বলেন যে, আমার কাছে আব্দুল্লাহ ইব্ন সালীত (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী উম্মুল মুমিনিন মায়মুনা (রাঃ) থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবহিত করেছেন যে, এমন কোন মৃত ব্যক্তি নাই যার ওপর একদল মানুষ জানাযার সালাত আদায় করে, তার ব্যাপারে তাদের সুপারিশ গ্রহন করা হয় না। রাবী বলেন, আমি আবূল মালিহ কে দলে লোকের সংখ্যা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, চল্লিশজন।
أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: أنبأنا محمد بن سواء أبو الخطاب، قال: حدثنا أبو بكار الحكم بن فروخ، قال: صلى بنا أبو المليح على جنازة فظننا أنه قد كبر، فأقبل علينا بوجهه، فقال: أقيموا صفوفكم ولتحسن شفاعتكم، قال أبو المليح، حدثني عبد الله وهو ابن سليط، عن إحدى أمهات المؤمنين وهي ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، قالت: أخبرني النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ما من ميت يصلي عليه أمة من الناس إلا شفعوا فيه»، فسألت أبا المليح عن الأمة: فقال: أربعون
সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তির ওপর জানাযা সালাত আদায় করে তার সওয়াব
সুনান নাসাঈ ১৯৯৪
أخبرنا نوح بن حبيب، قال: أنبأنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا معمر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من صلى على جنازة فله قيراط، ومن انتظرها حتى توضع في اللحد فله قيراطان، والقيراطان مثل الجبلين العظيمين»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তির ওপর জানাযার সালাত আদায় করে তার জন্য এক কীরাত সওয়াব। আর যে ব্যক্তি লাশ কবরস্থ করা পর্যন্ত অপেক্ষা করে তার জন্য দুই কীরাত সওয়াব, দুই কীরাত সওয়াব এর পরিমাণ হল দুইটি বিরাট কীরাত পাহাড়ের সমপরিমাণ।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তির ওপর জানাযার সালাত আদায় করে তার জন্য এক কীরাত সওয়াব। আর যে ব্যক্তি লাশ কবরস্থ করা পর্যন্ত অপেক্ষা করে তার জন্য দুই কীরাত সওয়াব, দুই কীরাত সওয়াব এর পরিমাণ হল দুইটি বিরাট কীরাত পাহাড়ের সমপরিমাণ।
أخبرنا نوح بن حبيب، قال: أنبأنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا معمر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من صلى على جنازة فله قيراط، ومن انتظرها حتى توضع في اللحد فله قيراطان، والقيراطان مثل الجبلين العظيمين»
সুনান নাসাঈ ১৯৯৭
أخبرنا الحسن بن قزعة، قال: حدثنا مسلمة بن علقمة، قال: أنبأنا داود، عن عامر، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من تبع جنازة فصلى عليها ثم انصرف فله قيراط من الأجر، ومن تبعها فصلى عليها ثم قعد حتى يفرغ من دفنها فله قيراطان من الأجر، كل واحد منهما أعظم من أحد»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তির অনুগমন করে এবং তার জানাযার সালাত আদায় করে ফিরে যায় তার জন্য রয়েছে এক কীরাত সওয়াব। আর যে ব্যক্তি তার অনুগমন করে এবং তার জানাযার সালাত আদায় করে অতঃপর অপেক্ষমাণ থাকে তাকে কবরস্থ করা পর্যন্ত তার জন্য রয়েছে দুই কীরাত সওয়াব। প্রত্যেক কীরাত সওয়াব উহুদ পাহাড়ের চেয়েও বৃহৎ।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তির অনুগমন করে এবং তার জানাযার সালাত আদায় করে ফিরে যায় তার জন্য রয়েছে এক কীরাত সওয়াব। আর যে ব্যক্তি তার অনুগমন করে এবং তার জানাযার সালাত আদায় করে অতঃপর অপেক্ষমাণ থাকে তাকে কবরস্থ করা পর্যন্ত তার জন্য রয়েছে দুই কীরাত সওয়াব। প্রত্যেক কীরাত সওয়াব উহুদ পাহাড়ের চেয়েও বৃহৎ।
أخبرنا الحسن بن قزعة، قال: حدثنا مسلمة بن علقمة، قال: أنبأنا داود، عن عامر، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من تبع جنازة فصلى عليها ثم انصرف فله قيراط من الأجر، ومن تبعها فصلى عليها ثم قعد حتى يفرغ من دفنها فله قيراطان من الأجر، كل واحد منهما أعظم من أحد»
সুনান নাসাঈ ১৯৯৬
أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا محمد بن جعفر، عن عوف، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من تبع جنازة رجل مسلم احتسابا فصلى عليها ودفنها فله قيراطان، ومن صلى عليها ثم رجع قبل أن تدفن فإنه يرجع بقيراط من الأجر»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, যে ব্যক্তি পুণ্যের আশায় কোন মুসলিম ব্যক্তির জানাযায় অনুগমন করে এবং তার জানাযার সালাত আদায় করে এবং তাকে কবরস্থ করে তার জন্য দুই কীরাত সওয়াব রয়েছে। আর যে ব্যক্তি তার জানাযার সালাত আদায় করে অতঃপর ফিরে যায় কবরস্থ করার পূর্বেই সে ব্যক্তি এক কীরাত সওয়াব নিয়ে ফিরে যায়।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, যে ব্যক্তি পুণ্যের আশায় কোন মুসলিম ব্যক্তির জানাযায় অনুগমন করে এবং তার জানাযার সালাত আদায় করে এবং তাকে কবরস্থ করে তার জন্য দুই কীরাত সওয়াব রয়েছে। আর যে ব্যক্তি তার জানাযার সালাত আদায় করে অতঃপর ফিরে যায় কবরস্থ করার পূর্বেই সে ব্যক্তি এক কীরাত সওয়াব নিয়ে ফিরে যায়।
أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا محمد بن جعفر، عن عوف، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من تبع جنازة رجل مسلم احتسابا فصلى عليها ودفنها فله قيراطان، ومن صلى عليها ثم رجع قبل أن تدفن فإنه يرجع بقيراط من الأجر»
সুনান নাসাঈ ১৯৯৫
أخبرنا سويد، قال: أخبرنا عبد الله، عن يونس، عن الزهري، قال: أنبأنا عبد الرحمن الأعرج، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من شهد جنازة حتى يصلى عليها فله قيراط، ومن شهد حتى تدفن فله قيراطان»، قيل: وما القيراطان يا رسول الله؟ قال: «مثل الجبلين العظيمين»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তির জানাযায় উপস্থিত হয়ে তার জানাযার সালাত আদায় করে তার জন্য এক কীরত সওয়াব। আর যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তির জানাযায় শরীক হয়ে লাশ দাফন করা পর্যন্ত থাকে তার জন্য দুই কীরাত সওয়াব। প্রশ্ন করা হলঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! দুই কীরাতের পরিমাণ কতটুকু? তিনি বললেন, দুইটি বিরাট পাহাড়ের সমতুল্য।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তির জানাযায় উপস্থিত হয়ে তার জানাযার সালাত আদায় করে তার জন্য এক কীরত সওয়াব। আর যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তির জানাযায় শরীক হয়ে লাশ দাফন করা পর্যন্ত থাকে তার জন্য দুই কীরাত সওয়াব। প্রশ্ন করা হলঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! দুই কীরাতের পরিমাণ কতটুকু? তিনি বললেন, দুইটি বিরাট পাহাড়ের সমতুল্য।
أخبرنا سويد، قال: أخبرنا عبد الله، عن يونس، عن الزهري، قال: أنبأنا عبد الرحمن الأعرج، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من شهد جنازة حتى يصلى عليها فله قيراط، ومن شهد حتى تدفن فله قيراطان»، قيل: وما القيراطان يا رسول الله؟ قال: «مثل الجبلين العظيمين»
সুনান নাসাঈ > জানাযা রাখার পূর্বে বসে পড়া
সুনান নাসাঈ ১৯৯৮
أخبرنا سويد بن نصر، قال: أنبأنا عبد الله، عن هشام، والأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي سعيد قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا رأيتم الجنازة، فقوموا ومن تبعها فلا يقعدن حتى توضع»
আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন তোমরা কোন জানাযা দেখবে দাঁড়িয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তি তার অনুগমন করবে সে জানাযা না রাখা পর্যন্ত বসবে না।
আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন তোমরা কোন জানাযা দেখবে দাঁড়িয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তি তার অনুগমন করবে সে জানাযা না রাখা পর্যন্ত বসবে না।
أخبرنا سويد بن نصر، قال: أنبأنا عبد الله، عن هشام، والأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي سعيد قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا رأيتم الجنازة، فقوموا ومن تبعها فلا يقعدن حتى توضع»
সুনান নাসাঈ > জানাযার জন্য দাঁড়ানো
সুনান নাসাঈ ১৯৯৯
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن يحيى، عن واقد، عن نافع بن جبير، عن مسعود بن الحكم، عن علي بن أبي طالب، أنه ذكر القيام على الجنازة حتى توضع، فقال علي بن أبي طالب: «قام رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قعد»
আলী ইব্ন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে জানাযা না রাখা পর্যন্ত তাঁর জন্য দাঁড়ানোর ব্যপারে উল্লেখ করলে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়েছিলেন, অতঃপর বসে গিয়েছিলেন।
আলী ইব্ন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে জানাযা না রাখা পর্যন্ত তাঁর জন্য দাঁড়ানোর ব্যপারে উল্লেখ করলে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়েছিলেন, অতঃপর বসে গিয়েছিলেন।
أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا الليث، عن يحيى، عن واقد، عن نافع بن جبير، عن مسعود بن الحكم، عن علي بن أبي طالب، أنه ذكر القيام على الجنازة حتى توضع، فقال علي بن أبي طالب: «قام رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قعد»
সুনান নাসাঈ ২০০০
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا شعبة، قال: أخبرني محمد بن المنكدر، عن مسعود بن الحكم، عن علي قال: «رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قام فقمنا ورأيناه قعد فقعدنا»
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখলাম তিনি দাঁড়ালেন আমরাও দাঁড়ালাম আমরা তাকে দেখলাম যে, তিনি বসে গেলেন আমরাও বসে গেলাম।
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখলাম তিনি দাঁড়ালেন আমরাও দাঁড়ালাম আমরা তাকে দেখলাম যে, তিনি বসে গেলেন আমরাও বসে গেলাম।
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا شعبة، قال: أخبرني محمد بن المنكدر، عن مسعود بن الحكم، عن علي قال: «رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قام فقمنا ورأيناه قعد فقعدنا»
সুনান নাসাঈ ২০০১
أخبرنا هارون بن إسحق، قال: حدثنا أبو خالد الأحمر، عن عمرو بن قيس، عن المنهال بن عمرو، عن زاذان، عن البراء قال: «خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في جنازة، فلما انتهينا إلى القبر ولم يلحد، فجلس وجلسنا حوله كأن على رءوسنا الطير»
বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে একটি জানাযায় বের হলাম, যখন কবরস্থান পর্যন্ত পৌঁছলাম তখনও দাফন শেষ হয়নি। তিনি বসে গেলেন তো আমরাও তাঁর পাশে বসে গেলাম, যেন আমাদের মাথার উপর পাখি রয়েছিল।
বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে একটি জানাযায় বের হলাম, যখন কবরস্থান পর্যন্ত পৌঁছলাম তখনও দাফন শেষ হয়নি। তিনি বসে গেলেন তো আমরাও তাঁর পাশে বসে গেলাম, যেন আমাদের মাথার উপর পাখি রয়েছিল।
أخبرنا هارون بن إسحق، قال: حدثنا أبو خالد الأحمر، عن عمرو بن قيس، عن المنهال بن عمرو، عن زاذان، عن البراء قال: «خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في جنازة، فلما انتهينا إلى القبر ولم يلحد، فجلس وجلسنا حوله كأن على رءوسنا الطير»