সুনান নাসাঈ > জানাযার সালাত দাঁড়িয়ে আদায় করা

সুনান নাসাঈ ১৯৭৬

أخبرنا حميد بن مسعدة، عن عبد الوارث، قال: حدثنا حسين، عن ابن بريدة، عن سمرة، قال: «صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على أم كعب ماتت في نفاسها، فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الصلاة في وسطها»

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উম্মে কা’ব-এর জানাযার সালাত আদায় করেছিলাম যিনি নিফাস অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানাযার সালাতে তাঁর ঠিক মাঝখানে বরাবর দাঁড়িয়েছিলেন।

সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে উম্মে কা’ব-এর জানাযার সালাত আদায় করেছিলাম যিনি নিফাস অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানাযার সালাতে তাঁর ঠিক মাঝখানে বরাবর দাঁড়িয়েছিলেন।

أخبرنا حميد بن مسعدة، عن عبد الوارث، قال: حدثنا حسين، عن ابن بريدة، عن سمرة، قال: «صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على أم كعب ماتت في نفاسها، فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الصلاة في وسطها»


সুনান নাসাঈ > মহিলা ও শিশুর জানযার সালাত একত্রিত করা

সুনান নাসাঈ ১৯৭৭

أخبرنا محمد بن عبد الله بن يزيد، قال: حدثنا أبي، قال: حدثنا سعيد، قال: حدثني يزيد بن أبي حبيب، عن عطاء بن أبي رباح، عن عمار قال: «حضرت جنازة صبي وامرأة، فقدم الصبي مما يلي القوم، ووضعت المرأة وراءه، فصلى عليهما»، وفي القوم أبو سعيد الخدري، وابن عباس، وأبو قتادة، وأبو هريرة فسألتهم عن ذلك، فقالوا: «السنة»

আম্মার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার শিশু ও মহিলার জানাযা একত্রিত হলে শিশুর জানাযা লোকজনের সম্মুখভাবে রাখা হল এবং মহিলার জানাযা শিশুটির পেছনে রাখা হল আর এবং তাদের উভয়ের উপরে জানাযার সালাত আদায় করা হল। উপস্থিত লোকজনের মধ্যে আবূ সাঈদ খুদ্‌রি, ইব্‌ন আব্বাস, আবূ কাতাদা এবং আবূ হুরায়রা (রাঃ) প্রমুখ ছিলেন। এ সম্পর্কে তাঁদের জিজ্ঞাসা করা হলে তাঁরা বললেন যে, এটাই সুন্নাত।

আম্মার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার শিশু ও মহিলার জানাযা একত্রিত হলে শিশুর জানাযা লোকজনের সম্মুখভাবে রাখা হল এবং মহিলার জানাযা শিশুটির পেছনে রাখা হল আর এবং তাদের উভয়ের উপরে জানাযার সালাত আদায় করা হল। উপস্থিত লোকজনের মধ্যে আবূ সাঈদ খুদ্‌রি, ইব্‌ন আব্বাস, আবূ কাতাদা এবং আবূ হুরায়রা (রাঃ) প্রমুখ ছিলেন। এ সম্পর্কে তাঁদের জিজ্ঞাসা করা হলে তাঁরা বললেন যে, এটাই সুন্নাত।

أخبرنا محمد بن عبد الله بن يزيد، قال: حدثنا أبي، قال: حدثنا سعيد، قال: حدثني يزيد بن أبي حبيب، عن عطاء بن أبي رباح، عن عمار قال: «حضرت جنازة صبي وامرأة، فقدم الصبي مما يلي القوم، ووضعت المرأة وراءه، فصلى عليهما»، وفي القوم أبو سعيد الخدري، وابن عباس، وأبو قتادة، وأبو هريرة فسألتهم عن ذلك، فقالوا: «السنة»


সুনান নাসাঈ > পুরুষ এবং মহিলার জানাযার সালাত একত্রিত করা

সুনান নাসাঈ ১৯৭৯

أخبرنا علي بن حجر، قال: أنبأنا ابن المبارك، والفضل بن موسى، ح وأخبرنا سويد، قال: أنبأنا عبد الله، عن حسين المكتب، عن عبد الله بن بريدة، عن سمرة بن جندب، «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى على أم فلان ماتت في نفاسها، فقام في وسطها»

সামুরা ইব্‌ন জুন্দুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অমুকের মাতার উপর জানাযার সালাত আদায় করেছিলেন যিনি নিফাসের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছিলেন, তাঁর জানাযার ঠিক মাঝখানে তিনি দাঁড়িয়েছিলেন।

সামুরা ইব্‌ন জুন্দুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অমুকের মাতার উপর জানাযার সালাত আদায় করেছিলেন যিনি নিফাসের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছিলেন, তাঁর জানাযার ঠিক মাঝখানে তিনি দাঁড়িয়েছিলেন।

أخبرنا علي بن حجر، قال: أنبأنا ابن المبارك، والفضل بن موسى، ح وأخبرنا سويد، قال: أنبأنا عبد الله، عن حسين المكتب، عن عبد الله بن بريدة، عن سمرة بن جندب، «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى على أم فلان ماتت في نفاسها، فقام في وسطها»


সুনান নাসাঈ ১৯৭৮

أخبرنا محمد بن رافع، قال: أنبأنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا ابن جريج، قال: سمعت نافعا يزعم، أن ابن عمر صلى على تسع جنائز جميعا «فجعل الرجال يلون الإمام، والنساء يلين القبلة، فصفهن صفا واحدا، ووضعت جنازة أم كلثوم بنت علي امرأة عمر بن الخطاب، وابن لها يقال له زيد وضعا جميعا والإمام يومئذ سعيد بن العاص، وفي الناس ابن عمر، وأبو هريرة، وأبو سعيد، وأبو قتادة، فوضع الغلام مما يلي الإمام»، فقال رجل: فأنكرت ذلك، فنظرت إلى ابن عباس، وأبي هريرة، وأبي سعيد، وأبي قتادة، فقلت: ما هذا؟ قالوا: «هي السنة»

ইব্‌ন জুরাইজ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নাফেকে বলতে শুনেছি, তাঁর ধারণামতে ইব্‌ন উমর (রাঃ) একত্রে নয়জনের জানাযার সালাত আদায় করেছিলেন, পুরুষদের জানযা ইমামের সম্মুখে আর মহিলাদের জানাযা কিবলার দিকে রেখেছিলেন, সমস্ত জানাযা এক কাতারে রাখা হয়েছিল। উম্মে কুলছুম বিন্‌ত আলী, উমর ইব্‌ন খাত্তাব (রাঃ)-এর স্ত্রী এবং তার এক ছেলে যাকে যায়দ বলা হত তাদের জানাযা একত্রে রাখা হয়েছিল। সে দিন ইমাম ছিলেন সাঈদ ইব্‌ন আস (রাঃ) আর উপস্থিত লোকদের মধ্যে ছিলেন ইব্‌ন উমর, আবূ হুরায়রা, আবূ সাঈদ এবং আবূ কাতাদা (রাঃ) প্রমুখ। ইমামের সম্মুখে পুরুষদের রাখা হয়েছিল। রাবী বলেন, এক ব্যক্তি বলল, (পুরুষদের জানাযা ইমামের সম্মুখে রাখা) আমি বিশ্বাস করতে পারলাম না। রাবী বলেন যে, আমি ইব্‌ন আব্বাস আবূ হুরায়রা, আবূ সাঈদ এবং আবূ কাতাদা (রাঃ)-এর দিকে তাকালাম এবং বললাম, এ ব্যাপারে আপনাদের অভিমত কি? তাঁরা বললেন, এটাই সুন্নাত।

ইব্‌ন জুরাইজ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নাফেকে বলতে শুনেছি, তাঁর ধারণামতে ইব্‌ন উমর (রাঃ) একত্রে নয়জনের জানাযার সালাত আদায় করেছিলেন, পুরুষদের জানযা ইমামের সম্মুখে আর মহিলাদের জানাযা কিবলার দিকে রেখেছিলেন, সমস্ত জানাযা এক কাতারে রাখা হয়েছিল। উম্মে কুলছুম বিন্‌ত আলী, উমর ইব্‌ন খাত্তাব (রাঃ)-এর স্ত্রী এবং তার এক ছেলে যাকে যায়দ বলা হত তাদের জানাযা একত্রে রাখা হয়েছিল। সে দিন ইমাম ছিলেন সাঈদ ইব্‌ন আস (রাঃ) আর উপস্থিত লোকদের মধ্যে ছিলেন ইব্‌ন উমর, আবূ হুরায়রা, আবূ সাঈদ এবং আবূ কাতাদা (রাঃ) প্রমুখ। ইমামের সম্মুখে পুরুষদের রাখা হয়েছিল। রাবী বলেন, এক ব্যক্তি বলল, (পুরুষদের জানাযা ইমামের সম্মুখে রাখা) আমি বিশ্বাস করতে পারলাম না। রাবী বলেন যে, আমি ইব্‌ন আব্বাস আবূ হুরায়রা, আবূ সাঈদ এবং আবূ কাতাদা (রাঃ)-এর দিকে তাকালাম এবং বললাম, এ ব্যাপারে আপনাদের অভিমত কি? তাঁরা বললেন, এটাই সুন্নাত।

أخبرنا محمد بن رافع، قال: أنبأنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا ابن جريج، قال: سمعت نافعا يزعم، أن ابن عمر صلى على تسع جنائز جميعا «فجعل الرجال يلون الإمام، والنساء يلين القبلة، فصفهن صفا واحدا، ووضعت جنازة أم كلثوم بنت علي امرأة عمر بن الخطاب، وابن لها يقال له زيد وضعا جميعا والإمام يومئذ سعيد بن العاص، وفي الناس ابن عمر، وأبو هريرة، وأبو سعيد، وأبو قتادة، فوضع الغلام مما يلي الإمام»، فقال رجل: فأنكرت ذلك، فنظرت إلى ابن عباس، وأبي هريرة، وأبي سعيد، وأبي قتادة، فقلت: ما هذا؟ قالوا: «هي السنة»


সুনান নাসাঈ > জানাযায় তাকবীরের সংখ্যা

সুনান নাসাঈ ১৯৮০

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد، عن أبي هريرة، «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى للناس النجاشي، وخرج بهم فصف بهم، وكبر أربع تكبيرات»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদের নাজাশীর মৃত্যু সংবাদ দিলেন এবং তাঁদের নিয়ে বের হয়ে কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং চারটি তাকবীর বললেন।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদের নাজাশীর মৃত্যু সংবাদ দিলেন এবং তাঁদের নিয়ে বের হয়ে কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং চারটি তাকবীর বললেন।

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد، عن أبي هريرة، «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى للناس النجاشي، وخرج بهم فصف بهم، وكبر أربع تكبيرات»


সুনান নাসাঈ ১৯৮২

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا شعبة، قال: حدثني عمرو بن مرة، عن ابن أبي ليلى، أن زيد بن أرقم صلى على جنازة فكبر عليها خمسا، وقال: «كبرها رسول الله صلى الله عليه وسلم»

ইব্‌ন আবী লায়লা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, যায়দ ইব্‌ন আরকাম (রাঃ) একবার জানাযার সালাত আদায় কালে পাঁচটি তাকবীর বললেন। এবং বললেন যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরকমই তাকবীর বলেছিলেন।[১]

ইব্‌ন আবী লায়লা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, যায়দ ইব্‌ন আরকাম (রাঃ) একবার জানাযার সালাত আদায় কালে পাঁচটি তাকবীর বললেন। এবং বললেন যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরকমই তাকবীর বলেছিলেন।[১]

أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا شعبة، قال: حدثني عمرو بن مرة، عن ابن أبي ليلى، أن زيد بن أرقم صلى على جنازة فكبر عليها خمسا، وقال: «كبرها رسول الله صلى الله عليه وسلم»


সুনান নাসাঈ ১৯৮১

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن أبي أمامة بن سهل قال: مرضت امرأة من أهل العوالي، وكان النبي صلى الله عليه وسلم أحسن شيء عيادة للمريض، فقال: «إذا ماتت فآذنوني»، فماتت ليلا، فدفنوها ولم يعلموا النبي صلى الله عليه وسلم، فلما أصبح سأل عنها، فقالوا: كرهنا أن نوقظك يا رسول الله، فأتى قبرها، فصلى عليها وكبر أربعا

আবূ উমামা ইব্‌ন সাহ্‌ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একজন গ্রাম্য মহিলা রোগাক্রান্ত হয়ে গেল। যেহেতু রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অত্যাধিক পছন্দনীয় কাজ ছিল রোগীর শুশ্রুষা করা, তাই তিনি বললেন, এই মহিলা যখন মৃত্যুবরণ করবে আমাকে সংবাদ দেবে। সে মহিলা রাত্রে মৃত্যুবরণ করল এবং সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অবগত না করেই তাকে কবরস্থ করলেন। যখন সকাল হল রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। সাহাবীগণ বললেন, আমরা আপনাকে ঘুম হতে জাগানো অশোভনীয় মনে করেছিলাম হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! অতঃপর তিনি তার কবরের নিকট আসলেন এবং তার জানাযার সালাত আদায় করলেন ও চারটি তাকবীর বললেন।

আবূ উমামা ইব্‌ন সাহ্‌ল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একজন গ্রাম্য মহিলা রোগাক্রান্ত হয়ে গেল। যেহেতু রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অত্যাধিক পছন্দনীয় কাজ ছিল রোগীর শুশ্রুষা করা, তাই তিনি বললেন, এই মহিলা যখন মৃত্যুবরণ করবে আমাকে সংবাদ দেবে। সে মহিলা রাত্রে মৃত্যুবরণ করল এবং সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অবগত না করেই তাকে কবরস্থ করলেন। যখন সকাল হল রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। সাহাবীগণ বললেন, আমরা আপনাকে ঘুম হতে জাগানো অশোভনীয় মনে করেছিলাম হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! অতঃপর তিনি তার কবরের নিকট আসলেন এবং তার জানাযার সালাত আদায় করলেন ও চারটি তাকবীর বললেন।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا سفيان، عن الزهري، عن أبي أمامة بن سهل قال: مرضت امرأة من أهل العوالي، وكان النبي صلى الله عليه وسلم أحسن شيء عيادة للمريض، فقال: «إذا ماتت فآذنوني»، فماتت ليلا، فدفنوها ولم يعلموا النبي صلى الله عليه وسلم، فلما أصبح سأل عنها، فقالوا: كرهنا أن نوقظك يا رسول الله، فأتى قبرها، فصلى عليها وكبر أربعا


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00