সুনান নাসাঈ > রজমকৃত (পাথর নিক্ষেপিত) ব্যক্তিরদের উপর জানাযার সালাত আদায় করা
সুনান নাসাঈ ১৯৫৭
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا هشام، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي قلابة، عن أبي المهلب، عن عمران بن حصين، أن امرأة من جهينة أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت: إني زنيت، وهي حبلى، فدفعها إلى وليها فقال: «أحسن إليها، فإذا وضعت فأتني بها»، فلما وضعت جاء بها، فأمر بها فشكت عليها ثيابها، ثم رجمها، ثم صلى عليها، فقال له عمر: أتصلي عليها وقد زنت، فقال: «لقد تابت توبة لو قسمت بين سبعين من أهل المدينة لوسعتهم، وهل وجدت توبة أفضل من أن جادت بنفسها لله عز وجل»
ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ জুহায়না গোত্রের এক মহিলা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললো যে, আমি যিনা করেছি আর সে গর্ভবতী ছিল। তিনি তাকে স্বীয় আত্মীয়-স্বজনের নিকট সোপর্দ করে দিলেন এবং বললেনঃ এর সাথে সদ্ব্যবহার কর, আর যখন সে প্রসব করবে, তখন তাকে আমার কাছে নিয়ে আসবে। প্রসবের পর তাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে নিয়ে আসা হলে তিনি তাকে পাথর মারার নির্দেশ দিলেন। তার উপর কাপড় জড়ানো হল, পরে পাথর মারা হল। অতঃপর তিনি তার জানাযার সালাত আদায় করলেন। উমর (রাঃ) বললেন, আপনি তার উপর জানাযার সালাত আদায় করলেন অথচ সে যিনা করেছে। তিনি বললেন, সে এমন তওবা করেছে যে, তা যদি সত্তরজন মদীনাবাসীকে বণ্টন করে দেওয়া হত তবে তা তাদের জন্য পর্যাপ্ত হয়ে যেত তুমি কি এরচেয়ে উত্তম তওবা দেখেছ, যে নিজকে আল্লাহ্ তা’আলার জন্য উৎসর্গ করে দিয়েছে?
ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ জুহায়না গোত্রের এক মহিলা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললো যে, আমি যিনা করেছি আর সে গর্ভবতী ছিল। তিনি তাকে স্বীয় আত্মীয়-স্বজনের নিকট সোপর্দ করে দিলেন এবং বললেনঃ এর সাথে সদ্ব্যবহার কর, আর যখন সে প্রসব করবে, তখন তাকে আমার কাছে নিয়ে আসবে। প্রসবের পর তাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে নিয়ে আসা হলে তিনি তাকে পাথর মারার নির্দেশ দিলেন। তার উপর কাপড় জড়ানো হল, পরে পাথর মারা হল। অতঃপর তিনি তার জানাযার সালাত আদায় করলেন। উমর (রাঃ) বললেন, আপনি তার উপর জানাযার সালাত আদায় করলেন অথচ সে যিনা করেছে। তিনি বললেন, সে এমন তওবা করেছে যে, তা যদি সত্তরজন মদীনাবাসীকে বণ্টন করে দেওয়া হত তবে তা তাদের জন্য পর্যাপ্ত হয়ে যেত তুমি কি এরচেয়ে উত্তম তওবা দেখেছ, যে নিজকে আল্লাহ্ তা’আলার জন্য উৎসর্গ করে দিয়েছে?
أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا خالد، قال: حدثنا هشام، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي قلابة، عن أبي المهلب، عن عمران بن حصين، أن امرأة من جهينة أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت: إني زنيت، وهي حبلى، فدفعها إلى وليها فقال: «أحسن إليها، فإذا وضعت فأتني بها»، فلما وضعت جاء بها، فأمر بها فشكت عليها ثيابها، ثم رجمها، ثم صلى عليها، فقال له عمر: أتصلي عليها وقد زنت، فقال: «لقد تابت توبة لو قسمت بين سبعين من أهل المدينة لوسعتهم، وهل وجدت توبة أفضل من أن جادت بنفسها لله عز وجل»
সুনান নাসাঈ > ওসিয়্যতে অন্যায়কারীর উপর জানাযার সালাত আদায় করা
সুনান নাসাঈ ১৯৫৮
أخبرنا علي بن حجر، قال: أنبأنا هشيم، عن منصور وهو ابن زاذان، عن الحسن، عن عمران بن حصين، أن رجلا أعتق ستة مملوكين له عند موته، ولم يكن له مال غيرهم، فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم، فغضب من ذلك وقال: «لقد هممت أن لا أصلي عليه»، ثم دعا مملوكيه فجزأهم ثلاثة أجزاء، ثم أقرع بينهم، فأعتق اثنين وأرق أربعة
ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, এক ব্যক্তি তার মৃত্যুর সময় নিজের ছয়টি গোলাম মুক্ত করে দিয়েছিল। সেগুলো ছাড়া তার অন্য কোন সম্পত্তি ছিল না। এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে পৌছলে এ কারণে তিনি রাগান্বিত হয়ে গেলেন এবং বললেন, আমি ইচ্ছা করেছিলাম, তার জানাযার সালাত আদায় করব না। অতঃপর তিনি তার গোলামদের ডাকলেন এবং তিনটি ভাগ করে তাদের মধ্যে লটারী দিলেন এবং দুইজনকে মুক্ত করে দিয়ে বাকী চারজনকে গোলাম অবস্থায় রেখে দিলেন।
ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, এক ব্যক্তি তার মৃত্যুর সময় নিজের ছয়টি গোলাম মুক্ত করে দিয়েছিল। সেগুলো ছাড়া তার অন্য কোন সম্পত্তি ছিল না। এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে পৌছলে এ কারণে তিনি রাগান্বিত হয়ে গেলেন এবং বললেন, আমি ইচ্ছা করেছিলাম, তার জানাযার সালাত আদায় করব না। অতঃপর তিনি তার গোলামদের ডাকলেন এবং তিনটি ভাগ করে তাদের মধ্যে লটারী দিলেন এবং দুইজনকে মুক্ত করে দিয়ে বাকী চারজনকে গোলাম অবস্থায় রেখে দিলেন।
أخبرنا علي بن حجر، قال: أنبأنا هشيم، عن منصور وهو ابن زاذان، عن الحسن، عن عمران بن حصين، أن رجلا أعتق ستة مملوكين له عند موته، ولم يكن له مال غيرهم، فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم، فغضب من ذلك وقال: «لقد هممت أن لا أصلي عليه»، ثم دعا مملوكيه فجزأهم ثلاثة أجزاء، ثم أقرع بينهم، فأعتق اثنين وأرق أربعة
সুনান নাসাঈ > খিয়ানতকারীর উপর জানাযার সালাত আদায় করা
সুনান নাসাঈ ১৯৫৯
أخبرنا عبيد الله بن سعيد، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن يحيى بن سعيد الأنصاري، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن أبي عمرة، عن زيد بن خالد قال: مات رجل بخيبر، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «صلوا على صاحبكم إنه غل في سبيل الله»، ففتشنا متاعه فوجدنا فيه خرزا من خرز يهود ما يساوي درهمين
যায়দ ইব্ন খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খায়বারে এক ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, (গণীমতের মধ্যে) তোমাদের যে সাথী আল্লাহ্ তা’আলার রাস্তায় খিয়ানত করেছে তার উপর তোমরা জানাযার সালাত আদায় কর। আমরা তার মাল-সামান তল্লাশী চালিয়ে ইয়াহুদীদের মূল্যবান পাথর থেকে একটি পাথর পেলাম, যার মূল্য দুই দিরহাম সমতুল্য ছিল।
যায়দ ইব্ন খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খায়বারে এক ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, (গণীমতের মধ্যে) তোমাদের যে সাথী আল্লাহ্ তা’আলার রাস্তায় খিয়ানত করেছে তার উপর তোমরা জানাযার সালাত আদায় কর। আমরা তার মাল-সামান তল্লাশী চালিয়ে ইয়াহুদীদের মূল্যবান পাথর থেকে একটি পাথর পেলাম, যার মূল্য দুই দিরহাম সমতুল্য ছিল।
أخبرنا عبيد الله بن سعيد، قال: حدثنا يحيى بن سعيد، عن يحيى بن سعيد الأنصاري، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن أبي عمرة، عن زيد بن خالد قال: مات رجل بخيبر، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «صلوا على صاحبكم إنه غل في سبيل الله»، ففتشنا متاعه فوجدنا فيه خرزا من خرز يهود ما يساوي درهمين
সুনান নাসাঈ > ঋণগ্রস্থ ব্যক্তির উপর জানাযার সালাত আদায় করা
সুনান নাসাঈ ১৯৬০
أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا أبو داود، قال: حدثنا شعبة، عن عثمان بن عبد الله بن موهب، سمعت عبد الله بن أبي قتادة يحدث، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتي برجل من الأنصار ليصلي عليه فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «صلوا على صاحبكم فإن عليه دينا»، قال: أبو قتادة هو علي، قال النبي صلى الله عليه وسلم: «بالوفاء»، قال: بالوفاء، فصلى عليه
আবূ কাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে একজন আনসারী ব্যক্তির মৃত দেহ আনা হল জানাযার সালাত আদায় করার জন্য। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা নিজেরাই স্বীয় সাথীর উপর জানাযার সালাত আদায় কর, যেহেতু সে ঋণগ্রস্ত। আবূ কাতাদা (রহঃ) বললেন, সে ঋণ আমার উপর (সে ঋণ আদায়ের দায়িত্ব আমার) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা আদায় করার অঙ্গীকার চাইলেন। আদায় করার অঙ্গীকার করা হলে তিনি জানাযার সালাত আদায় করলেন।
আবূ কাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে একজন আনসারী ব্যক্তির মৃত দেহ আনা হল জানাযার সালাত আদায় করার জন্য। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা নিজেরাই স্বীয় সাথীর উপর জানাযার সালাত আদায় কর, যেহেতু সে ঋণগ্রস্ত। আবূ কাতাদা (রহঃ) বললেন, সে ঋণ আমার উপর (সে ঋণ আদায়ের দায়িত্ব আমার) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা আদায় করার অঙ্গীকার চাইলেন। আদায় করার অঙ্গীকার করা হলে তিনি জানাযার সালাত আদায় করলেন।
أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا أبو داود، قال: حدثنا شعبة، عن عثمان بن عبد الله بن موهب، سمعت عبد الله بن أبي قتادة يحدث، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتي برجل من الأنصار ليصلي عليه فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «صلوا على صاحبكم فإن عليه دينا»، قال: أبو قتادة هو علي، قال النبي صلى الله عليه وسلم: «بالوفاء»، قال: بالوفاء، فصلى عليه
সুনান নাসাঈ ১৯৬১
أخبرنا عمرو بن علي، ومحمد بن المثنى، قالا: حدثنا يحيى، قال: حدثنا يزيد بن أبي عبيد، قال: حدثنا سلمة يعني ابن الأكوع قال: أتي النبي صلى الله عليه وسلم بجنازة، فقالوا: يا نبي الله، صل عليها، قال: «هل ترك عليه دينا؟»، قالوا: نعم، قال: «هل ترك من شيء؟» قالوا: لا، قال: «صلوا على صاحبكم» قال رجل من الأنصار يقال له: أبو قتادة: صل عليه وعلي دينه، فصلى عليه
সালামা ইব্ন আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে একজনের মৃত দেহ আনা হলে সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্র নবী! আপনি এর উপর জানাযার সালাত আদায় করুন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন যে, সে কি ঋণগ্রস্ত? সাহাবীগণ বললেন, হাঁ। তিনি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন যে, সে কি কোন সম্পত্তি রেখে গেছে? সাহাবীগণ বললেন ‘না’। তিনি বললেন, তোমরা নিজেরাই স্বীয় সাথীর উপর জানাযার সালাত আদায় কর। একজন আনসারী সাহাবী বললেন, যাকে আবূ কাতাদাহ (রাঃ) বলা হয়, “আপনি তাঁর উপর জানাযার সালাত আদায় করুন যেহেতু তার ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব আমার উপর। অতঃপর রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উপর জানাযার সালাত আদায় করলেন।
সালামা ইব্ন আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে একজনের মৃত দেহ আনা হলে সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্র নবী! আপনি এর উপর জানাযার সালাত আদায় করুন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন যে, সে কি ঋণগ্রস্ত? সাহাবীগণ বললেন, হাঁ। তিনি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন যে, সে কি কোন সম্পত্তি রেখে গেছে? সাহাবীগণ বললেন ‘না’। তিনি বললেন, তোমরা নিজেরাই স্বীয় সাথীর উপর জানাযার সালাত আদায় কর। একজন আনসারী সাহাবী বললেন, যাকে আবূ কাতাদাহ (রাঃ) বলা হয়, “আপনি তাঁর উপর জানাযার সালাত আদায় করুন যেহেতু তার ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব আমার উপর। অতঃপর রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উপর জানাযার সালাত আদায় করলেন।
أخبرنا عمرو بن علي، ومحمد بن المثنى، قالا: حدثنا يحيى، قال: حدثنا يزيد بن أبي عبيد، قال: حدثنا سلمة يعني ابن الأكوع قال: أتي النبي صلى الله عليه وسلم بجنازة، فقالوا: يا نبي الله، صل عليها، قال: «هل ترك عليه دينا؟»، قالوا: نعم، قال: «هل ترك من شيء؟» قالوا: لا، قال: «صلوا على صاحبكم» قال رجل من الأنصار يقال له: أبو قتادة: صل عليه وعلي دينه، فصلى عليه
সুনান নাসাঈ ১৯৬৩
أخبرنا يونس بن عبد الأعلى، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، وابن أبي ذئب، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا توفي المؤمن وعليه دين سأل: «هل ترك لدينه من قضاء؟» فإن قالوا: نعم صلى عليه، وإن قالوا: لا، قال: «صلوا على صاحبكم»، فلما فتح الله عز وجل على رسوله صلى الله عليه وسلم، قال: «أنا أولى بالمؤمنين من أنفسهم، فمن توفي وعليه دين فعلي قضاؤه، ومن ترك مالا فهو لورثته»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন কোন ঋণগ্রস্ত মুমিন ব্যক্তি মারা যেত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞাসা করতেন, তার কি কোন ত্যাজ্য সম্পত্তি আছে? যদি সাহাবীগণ হাঁ বলতেন, তাহলে তার উপর জানাযার সালাত আদায় করতেন। আর যদি তারা না বলতেন, তাহলে তিনি বলতেন যে, তোমরা নিজেরাই স্বীয় সাথীর উপর জানাযার সালাত আদায় কর। যখন আল্লাহ্ তা’আলা স্বীয় রাসূলকে মক্কা বিজয় দান করলেন তখন তিনি বললেন, আমি মুমিনের নিকট তাদের নিজেদের অপেক্ষা ঘনিষ্ঠতর। যে ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত অবস্থায় মারা যায় তার ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব আমার আর যে ব্যক্তি ধন-সম্পদ রেখে যায় তা তার ওয়ারিসদের।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন কোন ঋণগ্রস্ত মুমিন ব্যক্তি মারা যেত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞাসা করতেন, তার কি কোন ত্যাজ্য সম্পত্তি আছে? যদি সাহাবীগণ হাঁ বলতেন, তাহলে তার উপর জানাযার সালাত আদায় করতেন। আর যদি তারা না বলতেন, তাহলে তিনি বলতেন যে, তোমরা নিজেরাই স্বীয় সাথীর উপর জানাযার সালাত আদায় কর। যখন আল্লাহ্ তা’আলা স্বীয় রাসূলকে মক্কা বিজয় দান করলেন তখন তিনি বললেন, আমি মুমিনের নিকট তাদের নিজেদের অপেক্ষা ঘনিষ্ঠতর। যে ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত অবস্থায় মারা যায় তার ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব আমার আর যে ব্যক্তি ধন-সম্পদ রেখে যায় তা তার ওয়ারিসদের।
أخبرنا يونس بن عبد الأعلى، قال: أنبأنا ابن وهب، قال: أخبرني يونس، وابن أبي ذئب، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا توفي المؤمن وعليه دين سأل: «هل ترك لدينه من قضاء؟» فإن قالوا: نعم صلى عليه، وإن قالوا: لا، قال: «صلوا على صاحبكم»، فلما فتح الله عز وجل على رسوله صلى الله عليه وسلم، قال: «أنا أولى بالمؤمنين من أنفسهم، فمن توفي وعليه دين فعلي قضاؤه، ومن ترك مالا فهو لورثته»
সুনান নাসাঈ ১৯৬২
أخبرنا نوح بن حبيب القومسي، قال: حدثنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن جابر قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم لا يصلي على رجل عليه دين، فأتي بميت، فسأل: «أعليه دين؟» قالوا: نعم، عليه ديناران، قال: «صلوا على صاحبكم»، قال أبو قتادة: هما علي يا رسول الله، فصلى عليه، فلما فتح الله على رسوله صلى الله عليه وسلم قال: «أنا أولى بكل مؤمن من نفسه، من ترك دينا فعلي، ومن ترك مالا فلورثته»
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির উপর জানাযার সালাত আদায় করতেন না। এক ব্যক্তির মৃতদেহ আনা হলে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন যে, এর উপর কোন ঋণ আছে? সাহাবীগণ বললেন, হাঁ, তার উপর দুই দীনার ঋণ রয়েছে। তিনি বললেন, তোমরা নিজেরাই স্বীয় সাথীর উপর জানাযার সালাত আদায় কর। আবূ কাতাদাহ (রাঃ) বললেন, সে দিরহাম আমার উপর হে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (উহা পরিশোধের দায়িত্ব আমার)। অতঃপর তিনি তার উপর জানাযার সালাত আদায় করলেন। যখন আল্লাহ্ তা’আলা স্বীয় রাসূল(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মক্কা বিজয় দান করলেন, তখন তিনি বললেন, আমি প্রত্যেক মুমিনের নিকট তার নিজ অপেক্ষা ঘনিষ্ঠতর। যে ব্যক্তি ঋণ রেখে যায় তা পরিশোধ করার দায়িত্ব আমার। আর যে ব্যক্তি ধন-সম্পদ রেখে যায় তা তার ওয়ারিসদের।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির উপর জানাযার সালাত আদায় করতেন না। এক ব্যক্তির মৃতদেহ আনা হলে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন যে, এর উপর কোন ঋণ আছে? সাহাবীগণ বললেন, হাঁ, তার উপর দুই দীনার ঋণ রয়েছে। তিনি বললেন, তোমরা নিজেরাই স্বীয় সাথীর উপর জানাযার সালাত আদায় কর। আবূ কাতাদাহ (রাঃ) বললেন, সে দিরহাম আমার উপর হে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (উহা পরিশোধের দায়িত্ব আমার)। অতঃপর তিনি তার উপর জানাযার সালাত আদায় করলেন। যখন আল্লাহ্ তা’আলা স্বীয় রাসূল(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মক্কা বিজয় দান করলেন, তখন তিনি বললেন, আমি প্রত্যেক মুমিনের নিকট তার নিজ অপেক্ষা ঘনিষ্ঠতর। যে ব্যক্তি ঋণ রেখে যায় তা পরিশোধ করার দায়িত্ব আমার। আর যে ব্যক্তি ধন-সম্পদ রেখে যায় তা তার ওয়ারিসদের।
أخبرنا نوح بن حبيب القومسي، قال: حدثنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن جابر قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم لا يصلي على رجل عليه دين، فأتي بميت، فسأل: «أعليه دين؟» قالوا: نعم، عليه ديناران، قال: «صلوا على صاحبكم»، قال أبو قتادة: هما علي يا رسول الله، فصلى عليه، فلما فتح الله على رسوله صلى الله عليه وسلم قال: «أنا أولى بكل مؤمن من نفسه، من ترك دينا فعلي، ومن ترك مالا فلورثته»