সুনান নাসাঈ > না দাঁড়ানোর অনুমতি

সুনান নাসাঈ ১৯২৩

خبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، عن أبي معمر، قال: كنا عند علي فمرت به جنازة فقاموا لها، فقال علي: ما هذا؟ قالوا: أمر أبي موسى، فقال: «إنما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم لجنازة يهودية ولم يعد بعد ذلك»

আবূ মা’মার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা একদা আলী (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম। এমন সময় তাঁর কাছ দিয়ে একটি জানাযা গেলে তাঁরা (আলী (রাঃ) এর কাছে উপবিষ্ট লোকজন) দাঁড়িয়ে গেলেন। তখন আলী (রাঃ) বললেন, “এ কি?” তাঁরা বললেন, আবূ মুসা (রাঃ) এর নির্দেশ। তখন তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ইয়াহুদী মহিলার জানাযার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন। এরপর আর তা করেন নি।

আবূ মা’মার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা একদা আলী (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম। এমন সময় তাঁর কাছ দিয়ে একটি জানাযা গেলে তাঁরা (আলী (রাঃ) এর কাছে উপবিষ্ট লোকজন) দাঁড়িয়ে গেলেন। তখন আলী (রাঃ) বললেন, “এ কি?” তাঁরা বললেন, আবূ মুসা (রাঃ) এর নির্দেশ। তখন তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ইয়াহুদী মহিলার জানাযার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন। এরপর আর তা করেন নি।

خبرنا محمد بن منصور، قال: حدثنا سفيان، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، عن أبي معمر، قال: كنا عند علي فمرت به جنازة فقاموا لها، فقال علي: ما هذا؟ قالوا: أمر أبي موسى، فقال: «إنما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم لجنازة يهودية ولم يعد بعد ذلك»


সুনান নাসাঈ ১৯২৪

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا حماد، عن أيوب، عن محمد، أن جنازة مرت بالحسن بن علي وابن عباس، فقام الحسن ولم يقم ابن عباس، فقال الحسن: «أليس قد قام رسول الله صلى الله عليه وسلم لجنازة يهودي؟» قال ابن عباس: نعم، ثم جلس

মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাসান ইব্‌ন আলী এবং ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে একটি জানাযা গেলে হাসান (রাঃ) দাঁড়িয়ে গেলেন কিন্তু ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) দাঁড়ালেন না। তখন হাসান (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি ইয়াহুদীর জানাযার জন্য দাঁড়ান নি? ইব্‌ন আব্বাস বললেন, হ্যাঁ। তারপর তিনি দাঁড়ান নি।

মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাসান ইব্‌ন আলী এবং ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে একটি জানাযা গেলে হাসান (রাঃ) দাঁড়িয়ে গেলেন কিন্তু ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) দাঁড়ালেন না। তখন হাসান (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি ইয়াহুদীর জানাযার জন্য দাঁড়ান নি? ইব্‌ন আব্বাস বললেন, হ্যাঁ। তারপর তিনি দাঁড়ান নি।

أخبرنا قتيبة، قال: حدثنا حماد، عن أيوب، عن محمد، أن جنازة مرت بالحسن بن علي وابن عباس، فقام الحسن ولم يقم ابن عباس، فقال الحسن: «أليس قد قام رسول الله صلى الله عليه وسلم لجنازة يهودي؟» قال ابن عباس: نعم، ثم جلس


সুনান নাসাঈ ১৯২৫

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا هشيم، قال: أنبأنا منصور، عن ابن سيرين، قال: مر بجنازة على الحسن بن علي، وابن عباس، فقام الحسن، ولم يقم ابن عباس، فقال الحسن لابن عباس: «أما قام لها رسول الله صلى الله عليه وسلم؟» قال ابن عباس: «قام لها ثم قعد»

ইব্‌ন সীরীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হাসান ইব্‌ন আলী এবং ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে একটি জানাযা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তখন হাসান (রাঃ) দাঁড়িয়ে গেলেন কিন্তু ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) দাঁড়ালেন না। তখন হাসান (রাঃ) ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-কে বললেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি এর জন্য দাঁড়ান নি? ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) বললেন, এর জন্য দাঁড়িয়েছিলেন কিন্তু পরে তিনি বসে পড়েন।

ইব্‌ন সীরীন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হাসান ইব্‌ন আলী এবং ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে একটি জানাযা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তখন হাসান (রাঃ) দাঁড়িয়ে গেলেন কিন্তু ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) দাঁড়ালেন না। তখন হাসান (রাঃ) ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-কে বললেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি এর জন্য দাঁড়ান নি? ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) বললেন, এর জন্য দাঁড়িয়েছিলেন কিন্তু পরে তিনি বসে পড়েন।

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، قال: حدثنا هشيم، قال: أنبأنا منصور، عن ابن سيرين، قال: مر بجنازة على الحسن بن علي، وابن عباس، فقام الحسن، ولم يقم ابن عباس، فقال الحسن لابن عباس: «أما قام لها رسول الله صلى الله عليه وسلم؟» قال ابن عباس: «قام لها ثم قعد»


সুনান নাসাঈ ১৯২৬

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، عن ابن علية، عن سليمان التيمي، عن أبي مجلز، عن ابن عباس، والحسن بن علي، مرت بهما جنازة فقام أحدهما، وقعد الآخر، فقال الذي قام: «أما والله، لقد علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد قام»، قال له الذي جلس: «لقد علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد جلس»

আবূ মিজলায (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁদের নিকট দিয়ে একটি জানাযা যাওয়ার সময় তাঁদের একজন দাঁড়ালেন অন্যজন বসে রইলেন। তখন যিনি দাঁড়িয়েছিলেন তিনি বললেন, তুমি তো নিশ্চয় জানো যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে দাঁড়িয়েছিলেন? যিনি বসেছিলেন তিনি বললেন, আমি জানি যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসা ছিলেন।

আবূ মিজলায (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁদের নিকট দিয়ে একটি জানাযা যাওয়ার সময় তাঁদের একজন দাঁড়ালেন অন্যজন বসে রইলেন। তখন যিনি দাঁড়িয়েছিলেন তিনি বললেন, তুমি তো নিশ্চয় জানো যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ ব্যাপারে দাঁড়িয়েছিলেন? যিনি বসেছিলেন তিনি বললেন, আমি জানি যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসা ছিলেন।

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، عن ابن علية، عن سليمان التيمي، عن أبي مجلز، عن ابن عباس، والحسن بن علي، مرت بهما جنازة فقام أحدهما، وقعد الآخر، فقال الذي قام: «أما والله، لقد علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد قام»، قال له الذي جلس: «لقد علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد جلس»


সুনান নাসাঈ ১৯২৭

أخبرنا إبراهيم بن هارون البلخي، قال: حدثنا حاتم، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، أن الحسن بن علي كان جالسا فمر عليه بجنازة، فقام الناس حتى جاوزت الجنازة، فقال الحسن: «إنما مر بجنازة يهودي وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم على طريقها جالسا، فكره أن تعلو رأسه جنازة يهودي، فقام»

জাফরের পিতা মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, হাসান ইব্‌ন আলী (রাঃ) বসা ছিলেন, তখন তাঁর কাছ দিয়ে একটি জানাযা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সেই জানাযা চলে না যাওয়া পর্যন্ত লোকজন দন্ডায়মান ছিল। তখন হাসান (রাঃ) বললেন, একজন ইয়াহুদীর জানাযা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তথায় উপবিষ্ট ছিলেন। ইয়াহুদীর জানাযা তাঁর মাথার উপর দিয়ে যাবে তা তিনি অপছন্দ করার কারণে দাঁড়িয়েছিলেন।

জাফরের পিতা মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, হাসান ইব্‌ন আলী (রাঃ) বসা ছিলেন, তখন তাঁর কাছ দিয়ে একটি জানাযা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সেই জানাযা চলে না যাওয়া পর্যন্ত লোকজন দন্ডায়মান ছিল। তখন হাসান (রাঃ) বললেন, একজন ইয়াহুদীর জানাযা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তথায় উপবিষ্ট ছিলেন। ইয়াহুদীর জানাযা তাঁর মাথার উপর দিয়ে যাবে তা তিনি অপছন্দ করার কারণে দাঁড়িয়েছিলেন।

أخبرنا إبراهيم بن هارون البلخي، قال: حدثنا حاتم، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، أن الحسن بن علي كان جالسا فمر عليه بجنازة، فقام الناس حتى جاوزت الجنازة، فقال الحسن: «إنما مر بجنازة يهودي وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم على طريقها جالسا، فكره أن تعلو رأسه جنازة يهودي، فقام»


সুনান নাসাঈ ১৯২৮

أخبرنا محمد بن رافع، قال: حدثنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا ابن جريج، قال: أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابرا يقول: «قام النبي صلى الله عليه وسلم لجنازة يهودي مرت به حتى توارت» وأخبرني أبو الزبير أيضا، أنه سمع جابرا رضي الله عنه يقول: «قام النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه لجنازة يهودي حتى توارت»

আবূ যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট দিয়ে এক ইয়াহুদীর জানাযা যাচ্ছিল তখন তিনি তা অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত দাঁড়িয়ে ছিলেন। আবূ যুবাইর (রহঃ) ..... আমাদেরকে সংবাদ এ দিয়েছেন যে, তিনি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগন এক ইয়াহুদীর জানাযার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন তা অদৃশ্য হয়ে না যাওয়া পর্যন্ত।

আবূ যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট দিয়ে এক ইয়াহুদীর জানাযা যাচ্ছিল তখন তিনি তা অদৃশ্য না হওয়া পর্যন্ত দাঁড়িয়ে ছিলেন। আবূ যুবাইর (রহঃ) ..... আমাদেরকে সংবাদ এ দিয়েছেন যে, তিনি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগন এক ইয়াহুদীর জানাযার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন তা অদৃশ্য হয়ে না যাওয়া পর্যন্ত।

أخبرنا محمد بن رافع، قال: حدثنا عبد الرزاق، قال: أنبأنا ابن جريج، قال: أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابرا يقول: «قام النبي صلى الله عليه وسلم لجنازة يهودي مرت به حتى توارت» وأخبرني أبو الزبير أيضا، أنه سمع جابرا رضي الله عنه يقول: «قام النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه لجنازة يهودي حتى توارت»


সুনান নাসাঈ ১৯২৯

أخبرنا إسحق، قال: أنبأنا النضر، قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن قتادة، عن أنس، أن جنازة مرت برسول الله صلى الله عليه وسلم فقام، فقيل: إنها جنازة يهودي، فقال: «إنما قمنا للملائكة»

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছ দিয়ে একটি জানাযা যাওয়ার সময় তিনি দাঁড়িয়ে গেলে তাঁকে বলা হল যে, এটাতো এক ইয়াহুদীর জানাযা। তিনি বললেন, আমরা তো ফেরেশতাদের সম্মানার্থে দাঁড়িয়েছি।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছ দিয়ে একটি জানাযা যাওয়ার সময় তিনি দাঁড়িয়ে গেলে তাঁকে বলা হল যে, এটাতো এক ইয়াহুদীর জানাযা। তিনি বললেন, আমরা তো ফেরেশতাদের সম্মানার্থে দাঁড়িয়েছি।

أخبرنا إسحق، قال: أنبأنا النضر، قال: حدثنا حماد بن سلمة، عن قتادة، عن أنس، أن جنازة مرت برسول الله صلى الله عليه وسلم فقام، فقيل: إنها جنازة يهودي، فقال: «إنما قمنا للملائكة»


সুনান নাসাঈ > মৃত্যুতে মুমিনের নিষ্কৃতি প্রাপ্তি

সুনান নাসাঈ ১৯৩০

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن محمد بن عمرو بن حلحلة، عن معبد بن كعب بن مالك، عن أبي قتادة بن ربعي أنه كان يحدث: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر عليه بجنازة فقال: «مستريح ومستراح منه»، فقالوا: ما المستريح وما المستراح منه؟ قال: «العبد المؤمن يستريح من نصب الدنيا وأذاها، والعبد الفاجر يستريح منه العباد والبلاد والشجر والدواب»

আবূ কাতাদা ইব্‌ন রিবয়ী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে দিয়ে একটি জানাযা নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বললেন, হয়তো বা এ ব্যক্তি নিষ্কৃতি পাচ্ছে বা তার থেকে লোকজন নিষ্কৃতি পাচ্ছে। সাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করলেন যে, কেই বা নিজে নিষ্কৃতি পায় আর কার থেকেই বা লোকজন নিষ্কৃতি পায়? তিনি বললেন, যে মুমিন ব্যক্তি যখন মৃত্যুবরণ করে এখন সে দুনিয়ার দুঃখ কষ্ট থেকে নিষ্কৃতি পায় আর গুনাহগারের মৃত্যু হলে তার মৃত্যুতে অন্যান্য লোকজন, জনপদ, বৃক্ষরাজি এবং প্রাণীকুল তার থেকে নিষ্কৃতি পায়।

আবূ কাতাদা ইব্‌ন রিবয়ী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে দিয়ে একটি জানাযা নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বললেন, হয়তো বা এ ব্যক্তি নিষ্কৃতি পাচ্ছে বা তার থেকে লোকজন নিষ্কৃতি পাচ্ছে। সাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করলেন যে, কেই বা নিজে নিষ্কৃতি পায় আর কার থেকেই বা লোকজন নিষ্কৃতি পায়? তিনি বললেন, যে মুমিন ব্যক্তি যখন মৃত্যুবরণ করে এখন সে দুনিয়ার দুঃখ কষ্ট থেকে নিষ্কৃতি পায় আর গুনাহগারের মৃত্যু হলে তার মৃত্যুতে অন্যান্য লোকজন, জনপদ, বৃক্ষরাজি এবং প্রাণীকুল তার থেকে নিষ্কৃতি পায়।

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن محمد بن عمرو بن حلحلة، عن معبد بن كعب بن مالك، عن أبي قتادة بن ربعي أنه كان يحدث: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر عليه بجنازة فقال: «مستريح ومستراح منه»، فقالوا: ما المستريح وما المستراح منه؟ قال: «العبد المؤمن يستريح من نصب الدنيا وأذاها، والعبد الفاجر يستريح منه العباد والبلاد والشجر والدواب»


সুনান নাসাঈ > কাফির থেকে নিষ্কৃতি

সুনান নাসাঈ ১৯৩১

خبرنا محمد بن وهب بن أبي كريمة الحراني، قال: حدثنا محمد بن سلمة وهو الحراني، عن أبي عبد الرحيم، حدثني زيد، عن وهب بن كيسان، عن معبد بن كعب، عن أبي قتادة قال: كنا جلوسا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ طلعت جنازة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «مستريح ومستراح منه، المؤمن يموت فيستريح من أوصاب الدنيا ونصبها وأذاها، والفاجر يموت فيستريح منه العباد والبلاد والشجر والدواب»

আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বসা ছিলাম। এমতাবস্থায় একটি জানাযা দেখা গেল। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হয়তো বা সে নিষ্কৃতি পাচ্ছে বা তার থেকে মুমিনগণ নিষ্কৃতি পাচ্ছে। মুমিন ব্যক্তি যখন মৃত্যুবরণ করে তখন সে তার দুঃখ কষ্ট ও বালা-মুসীবত থেকে নিষ্কৃতি পায় আর গুনাহগার মৃত্যুবরন করলে তাঁর থেকে অন্যান্য লোকজন, জনপদ, বৃক্ষরাজি এবং প্রাণীকুল নিষ্কৃতি পায়।

আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বসা ছিলাম। এমতাবস্থায় একটি জানাযা দেখা গেল। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হয়তো বা সে নিষ্কৃতি পাচ্ছে বা তার থেকে মুমিনগণ নিষ্কৃতি পাচ্ছে। মুমিন ব্যক্তি যখন মৃত্যুবরণ করে তখন সে তার দুঃখ কষ্ট ও বালা-মুসীবত থেকে নিষ্কৃতি পায় আর গুনাহগার মৃত্যুবরন করলে তাঁর থেকে অন্যান্য লোকজন, জনপদ, বৃক্ষরাজি এবং প্রাণীকুল নিষ্কৃতি পায়।

خبرنا محمد بن وهب بن أبي كريمة الحراني، قال: حدثنا محمد بن سلمة وهو الحراني، عن أبي عبد الرحيم، حدثني زيد، عن وهب بن كيسان، عن معبد بن كعب، عن أبي قتادة قال: كنا جلوسا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ طلعت جنازة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «مستريح ومستراح منه، المؤمن يموت فيستريح من أوصاب الدنيا ونصبها وأذاها، والفاجر يموت فيستريح منه العباد والبلاد والشجر والدواب»


সুনান নাসাঈ > মৃত ব্যক্তির প্রশংসা করা

সুনান নাসাঈ ১৯৩২

أخبرني زياد بن أيوب، قال: حدثنا إسمعيل، قال: حدثنا عبد العزيز، عن أنس قال: مر بجنازة فأثني عليها خيرا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «وجبت»، ومر بجنازة أخرى فأثني عليها شرا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «وجبت»، فقال عمر: فداك أبي وأمي، مر بجنازة فأثني عليها خيرا، فقلت: وجبت، ومر بجنازة فأثني عليها شرا، فقلت: وجبت، فقال: «من أثنيتم عليه خيرا وجبت له الجنة، ومن أثنيتم عليه شرا وجبت له النار، أنتم شهداء الله في الأرض»

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একটি জানাযা যেতে লাগলে তার উত্তম প্রশংসা করা হল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তার জন্য জান্নাত নির্ধারিত হয়ে গেল। আর একটি জানাযা যাচ্ছিল, যার পাপের আলোচনা করা হচ্ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তার জন্য দোযখ সাব্যস্ত হয়ে গেল। তখন উমর (রাঃ) বললেন, আপনার উপর আমার মাতা-পিতা উৎসর্গীত হোক; একটি জানাযা যাচ্ছিল যার ভাল প্রশংসা করা হল, আর আপনি বললেন যে, তার জন্য জান্নাত সাব্যস্ত হয়ে গেল। অন্য আর একটি জানাযা যাচ্ছিল যার পাপের আলোচনা করা হচ্ছিল আর আপনি বললেন যে, তার জন্য দোযখ সাব্যস্ত হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা যার ভাল প্রশংসা কর তাঁর জন্য জান্নাত সাব্যস্ত হয়ে যায় আর তোমরা যার পাপের আলোচনা কর তার জন্য দোযখ সাব্যস্ত হয়ে যায়। কারন তোমরা জমীনে আল্লাহ্‌র সাক্ষী।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একটি জানাযা যেতে লাগলে তার উত্তম প্রশংসা করা হল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তার জন্য জান্নাত নির্ধারিত হয়ে গেল। আর একটি জানাযা যাচ্ছিল, যার পাপের আলোচনা করা হচ্ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তার জন্য দোযখ সাব্যস্ত হয়ে গেল। তখন উমর (রাঃ) বললেন, আপনার উপর আমার মাতা-পিতা উৎসর্গীত হোক; একটি জানাযা যাচ্ছিল যার ভাল প্রশংসা করা হল, আর আপনি বললেন যে, তার জন্য জান্নাত সাব্যস্ত হয়ে গেল। অন্য আর একটি জানাযা যাচ্ছিল যার পাপের আলোচনা করা হচ্ছিল আর আপনি বললেন যে, তার জন্য দোযখ সাব্যস্ত হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা যার ভাল প্রশংসা কর তাঁর জন্য জান্নাত সাব্যস্ত হয়ে যায় আর তোমরা যার পাপের আলোচনা কর তার জন্য দোযখ সাব্যস্ত হয়ে যায়। কারন তোমরা জমীনে আল্লাহ্‌র সাক্ষী।

أخبرني زياد بن أيوب، قال: حدثنا إسمعيل، قال: حدثنا عبد العزيز، عن أنس قال: مر بجنازة فأثني عليها خيرا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «وجبت»، ومر بجنازة أخرى فأثني عليها شرا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «وجبت»، فقال عمر: فداك أبي وأمي، مر بجنازة فأثني عليها خيرا، فقلت: وجبت، ومر بجنازة فأثني عليها شرا، فقلت: وجبت، فقال: «من أثنيتم عليه خيرا وجبت له الجنة، ومن أثنيتم عليه شرا وجبت له النار، أنتم شهداء الله في الأرض»


সুনান নাসাঈ ১৯৩৩

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا هشام بن عبد الملك، قال: حدثنا شعبة، قال: سمعت إبراهيم بن عامر، وجده أمية بن خلف قال: سمعت عامر بن سعد، عن أبي هريرة قال: مروا بجنازة على النبي صلى الله عليه وسلم فأثنوا عليها خيرا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «وجبت»، ثم مروا بجنازة أخرى فأثنوا عليها شرا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «وجبت»، قالوا: يا رسول الله، قولك الأولى والأخرى وجبت، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «الملائكة شهداء الله في السماء، وأنتم شهداء الله في الأرض»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লোকজন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট একটি জানাযা নিয়ে যাচ্ছিল এবং তাঁর ভাল প্রশংসা করছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাঁর জন্য জান্নাত সাব্যস্ত হয়ে গেল। অতঃপর অন্য একটি জানাযা নিয়ে যাচ্ছিল যার পাপের আলোচনা করছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তার জন্য দোযখ সাব্যস্ত হয়ে গেল। তারা বললো, প্রথম এবং দ্বিতীয় ব্যক্তির ব্যাপারে আপনার একই মন্তব্য “সাব্যস্ত হয়ে গেল?” নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ফেরেশতাগন আসমানে আল্লাহ্‌ তা’আলার সাক্ষী আর তোমরা যমীনে আল্লাহ্‌ তা’আলার সাক্ষী।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লোকজন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট একটি জানাযা নিয়ে যাচ্ছিল এবং তাঁর ভাল প্রশংসা করছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাঁর জন্য জান্নাত সাব্যস্ত হয়ে গেল। অতঃপর অন্য একটি জানাযা নিয়ে যাচ্ছিল যার পাপের আলোচনা করছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তার জন্য দোযখ সাব্যস্ত হয়ে গেল। তারা বললো, প্রথম এবং দ্বিতীয় ব্যক্তির ব্যাপারে আপনার একই মন্তব্য “সাব্যস্ত হয়ে গেল?” নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ফেরেশতাগন আসমানে আল্লাহ্‌ তা’আলার সাক্ষী আর তোমরা যমীনে আল্লাহ্‌ তা’আলার সাক্ষী।

أخبرنا محمد بن بشار، قال: حدثنا هشام بن عبد الملك، قال: حدثنا شعبة، قال: سمعت إبراهيم بن عامر، وجده أمية بن خلف قال: سمعت عامر بن سعد، عن أبي هريرة قال: مروا بجنازة على النبي صلى الله عليه وسلم فأثنوا عليها خيرا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «وجبت»، ثم مروا بجنازة أخرى فأثنوا عليها شرا، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «وجبت»، قالوا: يا رسول الله، قولك الأولى والأخرى وجبت، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «الملائكة شهداء الله في السماء، وأنتم شهداء الله في الأرض»


সুনান নাসাঈ ১৯৩৪

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا هشام بن عبد الملك، وعبد الله بن يزيد، قالا: حدثنا داود بن أبي الفرات، قال: حدثنا عبد الله بن بريدة، عن أبي الأسود الديلي، قال: أتيت المدينة فجلست إلى عمر بن الخطاب، فمر بجنازة فأثني على صاحبها خيرا، فقال عمر: وجبت، ثم مر بأخرى فأثني على صاحبها خيرا، فقال عمر: وجبت، ثم مر بالثالث فأثني على صاحبها شرا فقال عمر: وجبت، فقلت وما وجبت يا أمير المؤمنين؟ قال: قلت كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أيما مسلم شهد له أربعة قالوا خيرا أدخله الله الجنة»، قلنا: أو ثلاثة؟ قال: «أو ثلاثة»، قلنا: أو اثنان، قال: «أو اثنان»

আবূল আসওয়াদ দোয়ালী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একবার মদীনা শরীফে এসে উমর ইব্‌ন খাত্তাব (রাঃ)-এর পাশে বসেছিলাম। এমন সময়ে একটি জানাযা নিয়ে যাওয়া হচ্চিল আর তার সাথীরা তার সম্পর্কে ভাল প্রশংসা করছিল। তখন উমর (রাঃ) বললেন যে, তার জন্য (জান্নাত) সাব্যস্ত হয়ে গেল। তৃতীয়বার আরো একটি জানাযা নিয়ে যাওয়ার হচ্ছিল আর তার সম্পর্কে তার সাথীরা মন্দ আলোচনা করছিল। তখন উমর (রাঃ) বললেন যে, তার জন্য (দোযখ) সাব্যস্ত হয়ে গেল। আমি বললাম, কি সাব্যস্ত হয়ে গেছে ইয়া আমীরাল মু’মিনীন? তিনি বললেন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে রকম বলেছেন, আমি সে রকমই বলেছি যে, যে কোন মুসলমান সম্পর্কে চারজন মানুষ ভাল বলে সাক্ষ্য দেয়, আল্লাহ্‌ তা’আলা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আমরা বললাম, যদি তিনজন সাক্ষ্য দেয়? তিনি বললেন, তিনজন মানুষ সাক্ষ্য দিলেও। আমরা বললাম, যদি দুইজন মানুষ সাক্ষ্য দেয়? তিনি বললেন, দুইজন মানুষ সাক্ষ্য দিলেও।

আবূল আসওয়াদ দোয়ালী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি একবার মদীনা শরীফে এসে উমর ইব্‌ন খাত্তাব (রাঃ)-এর পাশে বসেছিলাম। এমন সময়ে একটি জানাযা নিয়ে যাওয়া হচ্চিল আর তার সাথীরা তার সম্পর্কে ভাল প্রশংসা করছিল। তখন উমর (রাঃ) বললেন যে, তার জন্য (জান্নাত) সাব্যস্ত হয়ে গেল। তৃতীয়বার আরো একটি জানাযা নিয়ে যাওয়ার হচ্ছিল আর তার সম্পর্কে তার সাথীরা মন্দ আলোচনা করছিল। তখন উমর (রাঃ) বললেন যে, তার জন্য (দোযখ) সাব্যস্ত হয়ে গেল। আমি বললাম, কি সাব্যস্ত হয়ে গেছে ইয়া আমীরাল মু’মিনীন? তিনি বললেন রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে রকম বলেছেন, আমি সে রকমই বলেছি যে, যে কোন মুসলমান সম্পর্কে চারজন মানুষ ভাল বলে সাক্ষ্য দেয়, আল্লাহ্‌ তা’আলা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আমরা বললাম, যদি তিনজন সাক্ষ্য দেয়? তিনি বললেন, তিনজন মানুষ সাক্ষ্য দিলেও। আমরা বললাম, যদি দুইজন মানুষ সাক্ষ্য দেয়? তিনি বললেন, দুইজন মানুষ সাক্ষ্য দিলেও।

أخبرنا إسحق بن إبراهيم، قال: حدثنا هشام بن عبد الملك، وعبد الله بن يزيد، قالا: حدثنا داود بن أبي الفرات، قال: حدثنا عبد الله بن بريدة، عن أبي الأسود الديلي، قال: أتيت المدينة فجلست إلى عمر بن الخطاب، فمر بجنازة فأثني على صاحبها خيرا، فقال عمر: وجبت، ثم مر بأخرى فأثني على صاحبها خيرا، فقال عمر: وجبت، ثم مر بالثالث فأثني على صاحبها شرا فقال عمر: وجبت، فقلت وما وجبت يا أمير المؤمنين؟ قال: قلت كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أيما مسلم شهد له أربعة قالوا خيرا أدخله الله الجنة»، قلنا: أو ثلاثة؟ قال: «أو ثلاثة»، قلنا: أو اثنان، قال: «أو اثنان»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00