সুনান নাসাঈ > কাফনে কুর্তা ব্যবহার করা
সুনান নাসাঈ ১৯০১
أخبرنا عبد الجبار بن العلاء بن عبد الجبار، عن سفيان، عن عمرو، قال: سمعت جابرا يقول: «أتى النبي صلى الله عليه وسلم قبر عبد الله بن أبي وقد وضع في حفرته، فوقف عليه، فأمر به فأخرج له، فوضعه على ركبتيه، وألبسه قميصه، ونفث عليه من ريقه»، «والله تعالى أعلم»
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আব্দুল্লাহ ইব্ন উবাইর কবরের কাছে আসলেন, ইতিপূর্বে তাঁকে দাফন করা হয়েছিল। তিনি সেখানে দাঁড়ালেন এবং তাঁকে কবর থেকে বের করার নির্দেশ দিলেন। তাঁকে বের করা হল। তিনি তাঁকে স্বীয় হাঁটু দ্বয়ের উপর রাখলেন এবং তাঁকে নিজ কুর্তা পরিয়ে দিলেন এবং স্বীয় থুথু তাঁর শরীরের উপর ছিটিয়ে দিলেন। আল্লাহ তায়ালাই সর্বজ্ঞ।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আব্দুল্লাহ ইব্ন উবাইর কবরের কাছে আসলেন, ইতিপূর্বে তাঁকে দাফন করা হয়েছিল। তিনি সেখানে দাঁড়ালেন এবং তাঁকে কবর থেকে বের করার নির্দেশ দিলেন। তাঁকে বের করা হল। তিনি তাঁকে স্বীয় হাঁটু দ্বয়ের উপর রাখলেন এবং তাঁকে নিজ কুর্তা পরিয়ে দিলেন এবং স্বীয় থুথু তাঁর শরীরের উপর ছিটিয়ে দিলেন। আল্লাহ তায়ালাই সর্বজ্ঞ।
أخبرنا عبد الجبار بن العلاء بن عبد الجبار، عن سفيان، عن عمرو، قال: سمعت جابرا يقول: «أتى النبي صلى الله عليه وسلم قبر عبد الله بن أبي وقد وضع في حفرته، فوقف عليه، فأمر به فأخرج له، فوضعه على ركبتيه، وألبسه قميصه، ونفث عليه من ريقه»، «والله تعالى أعلم»
সুনান নাসাঈ ১৯০২
أخبرنا عبد الله بن محمد بن عبد الرحمن الزهري البصرى، قال: حدثنا سفيان، عن عمرو، سمع جابرا، يقول: «وكان العباس بالمدينة، فطلبت الأنصار ثوبا يكسونه، فلم يجدوا قميصا يصلح عليه إلا قميص عبد الله بن أبي فكسوه إياه»
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আব্বাস (রাঃ) মদীনাতে ছিলেন। আনসারগণ তাঁকে পরিধান করানোর জন্য একটি কাপড় তালাশ করে এমন কোন কুর্তা সংস্থান করতে পারলেন না যা তাঁর গায়ে লাগে আব্দুল্লাহ ইব্ন উবাইর কুর্তা ব্যতীত। অগত্যা সেটাই তাঁকে পরিধান করালেন।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আব্বাস (রাঃ) মদীনাতে ছিলেন। আনসারগণ তাঁকে পরিধান করানোর জন্য একটি কাপড় তালাশ করে এমন কোন কুর্তা সংস্থান করতে পারলেন না যা তাঁর গায়ে লাগে আব্দুল্লাহ ইব্ন উবাইর কুর্তা ব্যতীত। অগত্যা সেটাই তাঁকে পরিধান করালেন।
أخبرنا عبد الله بن محمد بن عبد الرحمن الزهري البصرى، قال: حدثنا سفيان، عن عمرو، سمع جابرا، يقول: «وكان العباس بالمدينة، فطلبت الأنصار ثوبا يكسونه، فلم يجدوا قميصا يصلح عليه إلا قميص عبد الله بن أبي فكسوه إياه»
সুনান নাসাঈ ১৯০০
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا عبيد الله، قال: حدثنا نافع، عن عبد الله بن عمر قال: لما مات عبد الله بن أبي جاء ابنه إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: اعطني قميصك حتى أكفنه فيه، وصل عليه، واستغفر له، فأعطاه قميصه ثم قال: «إذا فرغتم فآذنوني أصلي عليه»، فجذبه عمر وقال: قد نهاك الله أن تصلي على المنافقين، فقال: " أنا بين خيرتين، قال: استغفر لهم، أو لا تستغفر لهم "، فصلى عليه، فأنزل الله تعالى: {ولا تصل على أحد منهم مات أبدا ولا تقم على قبره} [التوبة: 84] فترك الصلاة عليهم
আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন আব্দুল্লাহ ইব্ন উবাই-এর মৃত্যু হল তাঁর ছেলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললেন, আপনি আমাকে স্বীয় কুর্তাটা দিয়ে দিন যাতে আমি তা দিয়ে তাঁকে দিতে পারি এবং তাঁর জানাযা পড়িয়ে দিন এবং তাঁর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে স্বীয় কুর্তা দিয়ে দিলেন। তারপর বললেন, যখন তোমরা অবসর হও আমাকে সংবাদ দিও আমি তাঁর জানাজা পড়াব। উমর (রাঃ) তাঁকে টেনে নিয়ে বললেন, আপনাকে তো আল্লাহ্ তা’য়ালা মুনাফিকদের জানাযা পড়াতে নিষেধ করেছেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মুনাফিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা বা না করার ব্যাপারে আমাকে এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। তারপর তিনি তাঁর জানাজা পড়ালেন। তারপর আল্লাহ তায়ালা অবতীর্ণ করলেন (তাদের মধ্যে কারো মৃত্যু হলে তুমি কখনো তাঁর জন্য জানাজা সালাত পড়বে না এবং তাঁর কবরের পার্শ্বে দাঁড়াবে না।) এরপর তিনি মুনাফিকের জন্য জানাজা পড়া ছেড়ে দিলেন।
আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন আব্দুল্লাহ ইব্ন উবাই-এর মৃত্যু হল তাঁর ছেলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললেন, আপনি আমাকে স্বীয় কুর্তাটা দিয়ে দিন যাতে আমি তা দিয়ে তাঁকে দিতে পারি এবং তাঁর জানাযা পড়িয়ে দিন এবং তাঁর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে স্বীয় কুর্তা দিয়ে দিলেন। তারপর বললেন, যখন তোমরা অবসর হও আমাকে সংবাদ দিও আমি তাঁর জানাজা পড়াব। উমর (রাঃ) তাঁকে টেনে নিয়ে বললেন, আপনাকে তো আল্লাহ্ তা’য়ালা মুনাফিকদের জানাযা পড়াতে নিষেধ করেছেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মুনাফিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা বা না করার ব্যাপারে আমাকে এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। তারপর তিনি তাঁর জানাজা পড়ালেন। তারপর আল্লাহ তায়ালা অবতীর্ণ করলেন (তাদের মধ্যে কারো মৃত্যু হলে তুমি কখনো তাঁর জন্য জানাজা সালাত পড়বে না এবং তাঁর কবরের পার্শ্বে দাঁড়াবে না।) এরপর তিনি মুনাফিকের জন্য জানাজা পড়া ছেড়ে দিলেন।
أخبرنا عمرو بن علي، قال: حدثنا يحيى، قال: حدثنا عبيد الله، قال: حدثنا نافع، عن عبد الله بن عمر قال: لما مات عبد الله بن أبي جاء ابنه إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: اعطني قميصك حتى أكفنه فيه، وصل عليه، واستغفر له، فأعطاه قميصه ثم قال: «إذا فرغتم فآذنوني أصلي عليه»، فجذبه عمر وقال: قد نهاك الله أن تصلي على المنافقين، فقال: " أنا بين خيرتين، قال: استغفر لهم، أو لا تستغفر لهم "، فصلى عليه، فأنزل الله تعالى: {ولا تصل على أحد منهم مات أبدا ولا تقم على قبره} [التوبة: 84] فترك الصلاة عليهم
সুনান নাসাঈ ১৯০৩
أخبرنا عبيد الله بن سعيد، قال: حدثنا يحيى، عن الأعمش، ح وأخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا يحيى بن سعيد القطان، قال: سمعت الأعمش، قال: سمعت شقيقا، قال: حدثنا خباب، قال: «هاجرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم نبتغي وجه الله تعالى، فوجب أجرنا على الله، فمنا من مات لم يأكل من أجره شيئا، منهم مصعب بن عمير قتل يوم أحد فلم نجد شيئا نكفنه فيه إلا نمرة، كنا إذا غطينا رأسه خرجت رجلاه، وإذا غطينا بها رجليه خرجت رأسه، فأمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نغطي بها رأسه، ونجعل على رجليه إذخرا، ومنا من أينعت له ثمرته فهو يهدبها» واللفظ لإسمعيل "
খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি কল্পে হিজরত করলাম। অতএব আমাদের প্রতিদান আল্লাহ্ তা’আলার যিম্মায় গেল। তাই আমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করল তারা স্বীয় প্রতিদান (গণীমতের সম্পদ) কিছুই ভোগ করতে পারল না যেমন মুসআব ইব্ন উমায়র (রাঃ), যিনি উহুদের জিহাদে শাহাদাতবরণ করেছিলেন। আমরা তাঁর কাফন উপযোগী কোন কাপড়ের সংস্থান রাতে পেরেছিলাম না। শুধুমাত্র একটি চাদর ছাড়া যা দিয়ে তাঁর মাথা কাফনে ঢাকলে পা বের হয়ে যেত আর পা ঢাকলে মাথা বের হয়ে যেত। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাদর দিয়ে তাঁর মাথা ঢেকে দিয়ে পাদ্বয়ে ঘাস দিয়ে দেওয়ার জন্য আমাদের নির্দেশ দিলেন। আর আমাদের মধ্যে কতেক এমনও আছে যারা স্বীয় প্রতিদান পেয়েছে এবং তা ভোগও করেছে।
খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি কল্পে হিজরত করলাম। অতএব আমাদের প্রতিদান আল্লাহ্ তা’আলার যিম্মায় গেল। তাই আমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করল তারা স্বীয় প্রতিদান (গণীমতের সম্পদ) কিছুই ভোগ করতে পারল না যেমন মুসআব ইব্ন উমায়র (রাঃ), যিনি উহুদের জিহাদে শাহাদাতবরণ করেছিলেন। আমরা তাঁর কাফন উপযোগী কোন কাপড়ের সংস্থান রাতে পেরেছিলাম না। শুধুমাত্র একটি চাদর ছাড়া যা দিয়ে তাঁর মাথা কাফনে ঢাকলে পা বের হয়ে যেত আর পা ঢাকলে মাথা বের হয়ে যেত। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাদর দিয়ে তাঁর মাথা ঢেকে দিয়ে পাদ্বয়ে ঘাস দিয়ে দেওয়ার জন্য আমাদের নির্দেশ দিলেন। আর আমাদের মধ্যে কতেক এমনও আছে যারা স্বীয় প্রতিদান পেয়েছে এবং তা ভোগও করেছে।
أخبرنا عبيد الله بن سعيد، قال: حدثنا يحيى، عن الأعمش، ح وأخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا يحيى بن سعيد القطان، قال: سمعت الأعمش، قال: سمعت شقيقا، قال: حدثنا خباب، قال: «هاجرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم نبتغي وجه الله تعالى، فوجب أجرنا على الله، فمنا من مات لم يأكل من أجره شيئا، منهم مصعب بن عمير قتل يوم أحد فلم نجد شيئا نكفنه فيه إلا نمرة، كنا إذا غطينا رأسه خرجت رجلاه، وإذا غطينا بها رجليه خرجت رأسه، فأمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نغطي بها رأسه، ونجعل على رجليه إذخرا، ومنا من أينعت له ثمرته فهو يهدبها» واللفظ لإسمعيل "
সুনান নাসাঈ > মুহরিম মৃত্যুবরণ করলে তাকে কিভাবে কাফন পরানো হবে?
সুনান নাসাঈ ১৯০৪
أخبرنا عتبة بن عبد الله، قال: حدثنا يونس بن نافع، عن عمرو بن دينار، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «اغسلوا المحرم في ثوبيه اللذين أحرم فيهما، واغسلوه بماء وسدر، وكفنوه في ثوبيه، ولا تمسوه بطيب، ولا تخمروا رأسه، فإنه يبعث يوم القيامة محرما»
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা ইহরাম পরিহিত ব্যক্তিকে তার পরিধানের কাপড়দ্বয়ে গোসল দেবে পানি এবং বরই পাতা দ্বারা আর তাকে তার কাপড়দ্বয় দ্বারা কাফন দেবে এবং তার শরীরে সুগন্ধি লাগাবে না আর তার জন্য মাথা ঢেকে দেবে না। কেননা, সে কিয়ামতের দিন ইহরাম পরিহিত অবস্থায় উত্থিত হবে।
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা ইহরাম পরিহিত ব্যক্তিকে তার পরিধানের কাপড়দ্বয়ে গোসল দেবে পানি এবং বরই পাতা দ্বারা আর তাকে তার কাপড়দ্বয় দ্বারা কাফন দেবে এবং তার শরীরে সুগন্ধি লাগাবে না আর তার জন্য মাথা ঢেকে দেবে না। কেননা, সে কিয়ামতের দিন ইহরাম পরিহিত অবস্থায় উত্থিত হবে।
أخبرنا عتبة بن عبد الله، قال: حدثنا يونس بن نافع، عن عمرو بن دينار، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «اغسلوا المحرم في ثوبيه اللذين أحرم فيهما، واغسلوه بماء وسدر، وكفنوه في ثوبيه، ولا تمسوه بطيب، ولا تخمروا رأسه، فإنه يبعث يوم القيامة محرما»
সুনান নাসাঈ > কস্তুরী
সুনান নাসাঈ ১৯০৫
أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا أبو داود، وشبابة، قالا: حدثنا شعبة، عن خليد بن جعفر، سمع أبا نضرة، عن أبي سعيد قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أطيب الطيب المسك»
আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সর্বোৎকৃষ্ট সুগন্ধির মধ্যে কস্তুরী অন্যতম।
আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সর্বোৎকৃষ্ট সুগন্ধির মধ্যে কস্তুরী অন্যতম।
أخبرنا محمود بن غيلان، قال: حدثنا أبو داود، وشبابة، قالا: حدثنا شعبة، عن خليد بن جعفر، سمع أبا نضرة، عن أبي سعيد قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أطيب الطيب المسك»
সুনান নাসাঈ ১৯০৬
أخبرنا علي بن الحسين الدرهمي، قال: حدثنا أمية بن خالد، عن المستمر بن الريان، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من خير طيبكم المسك»
আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের সর্বোৎকৃষ্ট সুগন্ধির মধ্যে কস্তুরী অন্যতম।
আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের সর্বোৎকৃষ্ট সুগন্ধির মধ্যে কস্তুরী অন্যতম।
أخبرنا علي بن الحسين الدرهمي، قال: حدثنا أمية بن خالد، عن المستمر بن الريان، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من خير طيبكم المسك»
সুনান নাসাঈ > জানাযার অনুমতি প্রদান করা
সুনান নাসাঈ ১৯০৭
أخبرنا قتيبة في حديثه، عن مالك، عن ابن شهاب، عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف أنه أخبره، أن مسكينة مرضت، فأخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم بمرضها، وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعود المساكين، ويسأل عنهم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا ماتت فآذنوني»، فأخرج بجنازتها ليلا، وكرهوا أن يوقظوا رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلما أصبح رسول الله صلى الله عليه وسلم أخبر بالذي كان منها، فقال: «ألم آمركم أن تؤذنوني بها»، قالوا: يا رسول الله، كرهنا أن نوقظك ليلا، فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى صف بالناس على قبرها، وكبر أربع تكبيرات
আবূ উসামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক অসহায় মহিলা অসুস্থ হলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে তার অসুস্থতা সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া হলো। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসহায়দের সেবা শুশ্রুষা করতেন এবং তাদের অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিতেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি সে (অসহায় মহিলা) মারা যায় তবে আমাকে সংবাদ দিও। রাত্রে তার জানাযা পড়া হলো আর সাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে জাগানো সমীচীন মনে করলেন না। যখন সকাল হল রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে ঘটনা জানানো হল। তিনি বললেন, আমি কি তোমাদের আমাকে সংবাদ দিতে বলিনি? তাঁরা বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমরা আপনাকে রাত্রে জাগানো সমীচীন মনে করিনি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কবরের পার্শ্বে নিয়ে লোকজন নিয়ে কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়ালেন এবং চারটি তাকবীর বললেন।
আবূ উসামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক অসহায় মহিলা অসুস্থ হলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে তার অসুস্থতা সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া হলো। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসহায়দের সেবা শুশ্রুষা করতেন এবং তাদের অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিতেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যদি সে (অসহায় মহিলা) মারা যায় তবে আমাকে সংবাদ দিও। রাত্রে তার জানাযা পড়া হলো আর সাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে জাগানো সমীচীন মনে করলেন না। যখন সকাল হল রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে ঘটনা জানানো হল। তিনি বললেন, আমি কি তোমাদের আমাকে সংবাদ দিতে বলিনি? তাঁরা বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আমরা আপনাকে রাত্রে জাগানো সমীচীন মনে করিনি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কবরের পার্শ্বে নিয়ে লোকজন নিয়ে কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়ালেন এবং চারটি তাকবীর বললেন।
أخبرنا قتيبة في حديثه، عن مالك، عن ابن شهاب، عن أبي أمامة بن سهل بن حنيف أنه أخبره، أن مسكينة مرضت، فأخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم بمرضها، وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعود المساكين، ويسأل عنهم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذا ماتت فآذنوني»، فأخرج بجنازتها ليلا، وكرهوا أن يوقظوا رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلما أصبح رسول الله صلى الله عليه وسلم أخبر بالذي كان منها، فقال: «ألم آمركم أن تؤذنوني بها»، قالوا: يا رسول الله، كرهنا أن نوقظك ليلا، فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى صف بالناس على قبرها، وكبر أربع تكبيرات