সুনান নাসাঈ > মৃত্যু সংবাদ দেওয়া
সুনান নাসাঈ ১৮৭৮
أخبرنا إسحق، قال: أنبأنا سليمان بن حرب، قال: حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن حميد بن هلال، عن أنس، «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى زيدا وجعفرا قبل أن يجيء خبرهم، فنعاهم وعيناه تذرفان»
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়দ এবং জাফরের মৃত্যু সংবাদ দিলেন। তাঁদের মৃত্যু সংবাদ আসার পূর্বেই তখন তিনি তাঁদের জন্য ক্রন্দন করলেন এবং তার চক্ষুদ্বয় থেকে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছিল।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়দ এবং জাফরের মৃত্যু সংবাদ দিলেন। তাঁদের মৃত্যু সংবাদ আসার পূর্বেই তখন তিনি তাঁদের জন্য ক্রন্দন করলেন এবং তার চক্ষুদ্বয় থেকে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছিল।
أخبرنا إسحق، قال: أنبأنا سليمان بن حرب، قال: حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن حميد بن هلال، عن أنس، «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى زيدا وجعفرا قبل أن يجيء خبرهم، فنعاهم وعيناه تذرفان»
সুনান নাসাঈ ১৮৭৯
أخبرنا أبو داود، قال: حدثنا يعقوب، قال: حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال: حدثني أبو سلمة، وابن المسيب، أن أبا هريرة أخبرهما، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى لهما النجاشي صاحب الحبشة اليوم الذي مات فيه، وقال: «استغفروا لأخيكم»
ইব্ন মুসায়্যাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাঁদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, হাবশার বাদশাহ্ নাজাশী যেদিন মৃত্যুবরণ করেন সেদিন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদেরকে তাঁর মৃত্যু সংবাদ দিয়ে বলেছিলেন, তোমরা তোমাদের ভাইয়ের গুনাহ মার্জনার প্রার্থনা কর।
ইব্ন মুসায়্যাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাঁদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, হাবশার বাদশাহ্ নাজাশী যেদিন মৃত্যুবরণ করেন সেদিন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদেরকে তাঁর মৃত্যু সংবাদ দিয়ে বলেছিলেন, তোমরা তোমাদের ভাইয়ের গুনাহ মার্জনার প্রার্থনা কর।
أخبرنا أبو داود، قال: حدثنا يعقوب، قال: حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال: حدثني أبو سلمة، وابن المسيب، أن أبا هريرة أخبرهما، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى لهما النجاشي صاحب الحبشة اليوم الذي مات فيه، وقال: «استغفروا لأخيكم»
সুনান নাসাঈ ১৮৮০
أخبرنا عبيد الله بن فضالة بن إبراهيم، قال: حدثنا عبد الله هو ابن يزيد المقرئ، ح وأنبأنا محمد بن عبد الله بن يزيد المقريء، قال: حدثنا أبي، قال سعيد، حدثني ربيعة بن سيف المعافري، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو قال: بينما نحن نسير مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ بصر بامرأة لا تظن أنه عرفها، فلما توسط الطريق وقف حتى انتهت إليه، فإذا فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال لها: «ما أخرجك من بيتك يا فاطمة؟»، قالت: أتيت أهل هذا الميت، فترحمت إليهم، وعزيتهم بميتهم، قال: «لعلك بلغت معهم الكدى؟»، قالت: معاذ الله، أن أكون بلغتها وقد سمعتك تذكر في ذلك ما تذكر، فقال لها: «لو بلغتها معهم ما رأيت الجنة حتى يراها جد أبيك»، قال أبو عبد الرحمن: «ربيعة ضعيف»
আব্দুল্লাহ ইব্ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে সফর করছিলাম। এমতাবস্থায় এক মহিলাকে দেখা গেল। আমরা ধারণা করতে পারিনি যে, তিনি তাঁকে চিনতে পেরেছেন। যখন তিনি রাস্তার মাঝামাঝি আসলেন, তখন তিনি থেমে গেলেন এবং ঐ মহিলা তাঁর কাছে পৌঁছলেন, তখন আমরা দেখতে পেলাম যে, তিনি ফাতিমা বিন্ত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তিনি তাঁকে বললেন, হে ফাতিমা, তোমার ঘর থেকে তোমাকে কিসে বের করল? তিনি বললেন, আমি এ মৃত ব্যক্তির পরিজনদের কাছে গিয়ে তাদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ জ্ঞাপন করলাম এবং মৃত ব্যক্তির ব্যাপারে ধৈর্যধারণ করার জন্য তাদের উদ্বুদ্ধ করলাম। তিনি বললেন, সম্ভবত তুমি তাদের সাথে কুদা (কবরস্থান) পর্যন্ত গিয়েছিলে। ফাতিমা (রাঃ) বললেন, আমি সেখানে যাওয়া থেকে আল্লাহ্র আশ্রয় প্রার্থনা করছি। কেননা এ বিষয়ে আপনি যা বলেছেন তা আমি শুনেছি। তিনি বললেন, যদি তুমি তাদের সাথে সেখানে যেতে তবে তোমার পিতার দাদা জান্নাত না দেখা পর্যন্ত তুমি জান্নাত পেতে না।
আব্দুল্লাহ ইব্ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে সফর করছিলাম। এমতাবস্থায় এক মহিলাকে দেখা গেল। আমরা ধারণা করতে পারিনি যে, তিনি তাঁকে চিনতে পেরেছেন। যখন তিনি রাস্তার মাঝামাঝি আসলেন, তখন তিনি থেমে গেলেন এবং ঐ মহিলা তাঁর কাছে পৌঁছলেন, তখন আমরা দেখতে পেলাম যে, তিনি ফাতিমা বিন্ত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তিনি তাঁকে বললেন, হে ফাতিমা, তোমার ঘর থেকে তোমাকে কিসে বের করল? তিনি বললেন, আমি এ মৃত ব্যক্তির পরিজনদের কাছে গিয়ে তাদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ জ্ঞাপন করলাম এবং মৃত ব্যক্তির ব্যাপারে ধৈর্যধারণ করার জন্য তাদের উদ্বুদ্ধ করলাম। তিনি বললেন, সম্ভবত তুমি তাদের সাথে কুদা (কবরস্থান) পর্যন্ত গিয়েছিলে। ফাতিমা (রাঃ) বললেন, আমি সেখানে যাওয়া থেকে আল্লাহ্র আশ্রয় প্রার্থনা করছি। কেননা এ বিষয়ে আপনি যা বলেছেন তা আমি শুনেছি। তিনি বললেন, যদি তুমি তাদের সাথে সেখানে যেতে তবে তোমার পিতার দাদা জান্নাত না দেখা পর্যন্ত তুমি জান্নাত পেতে না।
أخبرنا عبيد الله بن فضالة بن إبراهيم، قال: حدثنا عبد الله هو ابن يزيد المقرئ، ح وأنبأنا محمد بن عبد الله بن يزيد المقريء، قال: حدثنا أبي، قال سعيد، حدثني ربيعة بن سيف المعافري، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو قال: بينما نحن نسير مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ بصر بامرأة لا تظن أنه عرفها، فلما توسط الطريق وقف حتى انتهت إليه، فإذا فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال لها: «ما أخرجك من بيتك يا فاطمة؟»، قالت: أتيت أهل هذا الميت، فترحمت إليهم، وعزيتهم بميتهم، قال: «لعلك بلغت معهم الكدى؟»، قالت: معاذ الله، أن أكون بلغتها وقد سمعتك تذكر في ذلك ما تذكر، فقال لها: «لو بلغتها معهم ما رأيت الجنة حتى يراها جد أبيك»، قال أبو عبد الرحمن: «ربيعة ضعيف»
সুনান নাসাঈ > পানি ও কুল পাতা দিয়ে মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেওয়া
সুনান নাসাঈ ১৮৮১
أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن أيوب، عن محمد بن سيرين، أن أم عطية الأنصارية قالت: دخل علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم حين توفيت ابنته، فقال: «اغسلنها ثلاثا أو خمسا، أو أكثر من ذلك إن رأيتن ذلك، بماء وسدر، واجعلن في الآخرة كافورا أو شيئا من كافور، فإذا فرغتن فآذنني»، فلما فرغنا آذناه، فأعطانا حقوه وقال: «أشعرنها إياه»
উম্মে আতিয়া আনাসারিয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কন্যা ইন্তিকাল করলে তিনি আমাদের কাছে এলেন এবং বললেন, তোমরা তাকে পানি ও কুলপাতা দিয়ে গোসল দাও। তিন বা পাঁচবার কিংবা তোমরা ভাল মনে করলে আরো অধিকবার। আর শেষের বার তোমরা কর্পূর মিশ্রিত করবে। রাবী বলেন, কিংবা তিনি বলেছেন, কিছু কর্পূর মিশাবে। তোমরা গোসল সমাপ্ত করলে আমাকে জানাবে। আমরা গোসল সারার পর তাঁকে অবহিত করলাম। তিনি তাঁর একটি চাদর আমাদের দিলেন এবং বললেন, এটি তাঁর শরীরের সাথে জড়িয়ে দাও।
উম্মে আতিয়া আনাসারিয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কন্যা ইন্তিকাল করলে তিনি আমাদের কাছে এলেন এবং বললেন, তোমরা তাকে পানি ও কুলপাতা দিয়ে গোসল দাও। তিন বা পাঁচবার কিংবা তোমরা ভাল মনে করলে আরো অধিকবার। আর শেষের বার তোমরা কর্পূর মিশ্রিত করবে। রাবী বলেন, কিংবা তিনি বলেছেন, কিছু কর্পূর মিশাবে। তোমরা গোসল সমাপ্ত করলে আমাকে জানাবে। আমরা গোসল সারার পর তাঁকে অবহিত করলাম। তিনি তাঁর একটি চাদর আমাদের দিলেন এবং বললেন, এটি তাঁর শরীরের সাথে জড়িয়ে দাও।
أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن أيوب، عن محمد بن سيرين، أن أم عطية الأنصارية قالت: دخل علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم حين توفيت ابنته، فقال: «اغسلنها ثلاثا أو خمسا، أو أكثر من ذلك إن رأيتن ذلك، بماء وسدر، واجعلن في الآخرة كافورا أو شيئا من كافور، فإذا فرغتن فآذنني»، فلما فرغنا آذناه، فأعطانا حقوه وقال: «أشعرنها إياه»
সুনান নাসাঈ > গরম পানি দিয়ে মৃত ব্যক্তির গোসল দেওয়া
সুনান নাসাঈ ১৮৮২
أخبرنا قتيبة بن سعيد، قال: حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الحسن، مولى أم قيس بنت محصن، عن أم قيس قالت: توفي ابني فجزعت عليه، فقلت للذي يغسله: لا تغسل ابني بالماء البارد فتقتله، فانطلق عكاشة بن محصن إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبره بقولها، فتبسم، ثم قال: «ما قالت طال عمرها »، فلا نعلم امرأة عمرت ما عمرت
উম্মে কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার পুত্র ইন্তিকাল করল। আমি তাতে মর্মাহত হলাম। আর যে গোসল দিচ্ছিল আমি তাকে বললাম, আমার পুত্রকে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল দিয়ে মেরে ফেল না। উসামা ইব্ন মিহসান রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে গিয়ে মহিলার কথা তাঁকে অবহিত করলেন, তিনি মুচকি হাসলেন, এরপর বললেন, কী বলেছে সে? তার আয়ু দীর্ঘ হোক। ফলে এ মহিলার মত অন্য কোন মহিলা এত দীর্ঘ আয়ু পেয়েছেন বলে আমরা জানি না।
উম্মে কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার পুত্র ইন্তিকাল করল। আমি তাতে মর্মাহত হলাম। আর যে গোসল দিচ্ছিল আমি তাকে বললাম, আমার পুত্রকে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল দিয়ে মেরে ফেল না। উসামা ইব্ন মিহসান রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে গিয়ে মহিলার কথা তাঁকে অবহিত করলেন, তিনি মুচকি হাসলেন, এরপর বললেন, কী বলেছে সে? তার আয়ু দীর্ঘ হোক। ফলে এ মহিলার মত অন্য কোন মহিলা এত দীর্ঘ আয়ু পেয়েছেন বলে আমরা জানি না।
أخبرنا قتيبة بن سعيد، قال: حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الحسن، مولى أم قيس بنت محصن، عن أم قيس قالت: توفي ابني فجزعت عليه، فقلت للذي يغسله: لا تغسل ابني بالماء البارد فتقتله، فانطلق عكاشة بن محصن إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبره بقولها، فتبسم، ثم قال: «ما قالت طال عمرها »، فلا نعلم امرأة عمرت ما عمرت
সুনান নাসাঈ > মৃতের মাথার চুল খুলে দেওয়া
সুনান নাসাঈ ১৮৮৩
أخبرنا يوسف بن سعيد، قال: حدثنا حجاج، عن ابن جريج، قال أيوب، سمعت حفصة، تقول: حدثتنا أم عطية، أنهن «جعلن رأس ابنة النبي صلى الله عليه وسلم ثلاثة قرون»، قلت: نقضنه وجعلنه ثلاثة قرون؟ قالت: «نعم»
হাফসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মে আতিয়্যা (রাঃ) আমাদের কাছে বর্ণনা করেন যে, তাঁরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কন্যার চুলকে তিন অংশে বিভক্ত করেছিলেন। আমি বললাম, তাঁরা কি তা খুলে তিন ভাগ করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
হাফসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মে আতিয়্যা (রাঃ) আমাদের কাছে বর্ণনা করেন যে, তাঁরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কন্যার চুলকে তিন অংশে বিভক্ত করেছিলেন। আমি বললাম, তাঁরা কি তা খুলে তিন ভাগ করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
أخبرنا يوسف بن سعيد، قال: حدثنا حجاج، عن ابن جريج، قال أيوب، سمعت حفصة، تقول: حدثتنا أم عطية، أنهن «جعلن رأس ابنة النبي صلى الله عليه وسلم ثلاثة قرون»، قلت: نقضنه وجعلنه ثلاثة قرون؟ قالت: «نعم»