সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তির তিন সন্তান মৃত্যুবরণ করে

সুনান নাসাঈ ১৮৭৩

أخبرنا يوسف بن حماد، قال: حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز، عن أنس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من مسلم يتوفى له ثلاثة من الولد لم يبلغوا الحنث إلا أدخله الله الجنة بفضل رحمته إياهم»

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তির তিন সন্তান অপ্রাপ্ত বয়স্ক অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, আল্লাহ তা‘আলা সন্তানদের উপর স্বীয় রহমতের কারণে তাকে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তির তিন সন্তান অপ্রাপ্ত বয়স্ক অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, আল্লাহ তা‘আলা সন্তানদের উপর স্বীয় রহমতের কারণে তাকে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।

أخبرنا يوسف بن حماد، قال: حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز، عن أنس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من مسلم يتوفى له ثلاثة من الولد لم يبلغوا الحنث إلا أدخله الله الجنة بفضل رحمته إياهم»


সুনান নাসাঈ ১৮৭৪

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا بشر بن المفضل، عن يونس، عن الحسن، عن صعصعة بن معاوية، قال: لقيت أبا ذر، قلت: حدثني، قال: نعم، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من مسلمين يموت بينهما ثلاثة أولاد لم يبلغوا الحنث إلا غفر الله لهما بفضل رحمته إياهم»

সা’সাআ ইব্‌ন মুআবিয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ যর (রাঃ)- এর সাথে সাক্ষাত করে বললাম, আপনি আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, আচ্ছা, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে মুসলমান মাতা পিতার সম্মুখে তাদের তিন অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান মৃত্যুবরণ করবে আল্লাহ্‌ তা‘আলা সন্তানদের উপর নিজ রহমতের কারণে তাদের অবশ্যই ক্ষমা করে দেবেন।

সা’সাআ ইব্‌ন মুআবিয়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ যর (রাঃ)- এর সাথে সাক্ষাত করে বললাম, আপনি আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করুন। তিনি বললেন, আচ্ছা, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে মুসলমান মাতা পিতার সম্মুখে তাদের তিন অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান মৃত্যুবরণ করবে আল্লাহ্‌ তা‘আলা সন্তানদের উপর নিজ রহমতের কারণে তাদের অবশ্যই ক্ষমা করে দেবেন।

أخبرنا إسمعيل بن مسعود، قال: حدثنا بشر بن المفضل، عن يونس، عن الحسن، عن صعصعة بن معاوية، قال: لقيت أبا ذر، قلت: حدثني، قال: نعم، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من مسلمين يموت بينهما ثلاثة أولاد لم يبلغوا الحنث إلا غفر الله لهما بفضل رحمته إياهم»


সুনান নাসাঈ ১৮৭৫

أخبرنا قتيبة بن سعيد، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فتمسه النار إلا تحلة القسم»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন মুসলমান মাতা-পিতার তিনটি সন্তান মৃত্যুবরণ করলে তাদের কখনো দোযখের আগুন স্পর্শ করবে না। অবশ্য তাদেরকে তা অতিক্রম করতে হবে।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন মুসলমান মাতা-পিতার তিনটি সন্তান মৃত্যুবরণ করলে তাদের কখনো দোযখের আগুন স্পর্শ করবে না। অবশ্য তাদেরকে তা অতিক্রম করতে হবে।

أخبرنا قتيبة بن سعيد، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا يموت لأحد من المسلمين ثلاثة من الولد فتمسه النار إلا تحلة القسم»


সুনান নাসাঈ ১৮৭৬

أخبرنا محمد بن إسمعيل بن إبراهيم ابن علية، وعبد الرحمن بن محمد، قالا: حدثنا إسحق وهو الأزرق، عن عوف، عن محمد، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ما من مسلمين يموت بينهما ثلاثة أولاد لم يبلغوا الحنث إلا أدخلهما الله بفضل رحمته إياهم الجنة»، قال: " يقال لهم: ادخلوا الجنة، فيقولون: حتى يدخل آباؤنا، فيقال: ادخلوا الجنة أنتم وآباؤكم "

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন মুসলমান মাতা-পিতার সামনে তিনটি অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান মৃত্যুবরণ করলে সন্তানদের উপরে আল্লাহ্‌র রহমতের কারণে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। তিনি বলেন, সন্তানদের বলা হবে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ কর। তখন তারা বলবে, আমাদের মাতা-পিতা জান্নাতে প্রবেশ না করা পর্যন্ত আমরা জান্নাতে প্রবেশ করব না। তখন তাদের বলা হবে, তোমরা এবং তোমাদের মাতা-পিতা জান্নাতে প্রবেশ কর।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন মুসলমান মাতা-পিতার সামনে তিনটি অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান মৃত্যুবরণ করলে সন্তানদের উপরে আল্লাহ্‌র রহমতের কারণে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। তিনি বলেন, সন্তানদের বলা হবে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ কর। তখন তারা বলবে, আমাদের মাতা-পিতা জান্নাতে প্রবেশ না করা পর্যন্ত আমরা জান্নাতে প্রবেশ করব না। তখন তাদের বলা হবে, তোমরা এবং তোমাদের মাতা-পিতা জান্নাতে প্রবেশ কর।

أخبرنا محمد بن إسمعيل بن إبراهيم ابن علية، وعبد الرحمن بن محمد، قالا: حدثنا إسحق وهو الأزرق، عن عوف، عن محمد، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ما من مسلمين يموت بينهما ثلاثة أولاد لم يبلغوا الحنث إلا أدخلهما الله بفضل رحمته إياهم الجنة»، قال: " يقال لهم: ادخلوا الجنة، فيقولون: حتى يدخل آباؤنا، فيقال: ادخلوا الجنة أنتم وآباؤكم "


সুনান নাসাঈ > যে ব্যক্তির জীবদ্দশায় তিন সন্তানের মৃত্যু হয়

সুনান নাসাঈ ১৮৭৭

أخبرنا إسحق، قال: أنبأنا جرير، قال: حدثني طلق بن معاوية، وحفص بن غياث، قال: حدثني جدي طلق بن معاوية، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة قال: جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بابن لها يشتكي، فقالت: يا رسول الله، أخاف عليه وقد قدمت ثلاثة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لقد احتظرت بحظار شديد من النار»

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক মহিলা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে তার অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে আসল এবং বলল ইয়া রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি এর উপরে আশংকা করছি। ইতিপূর্বে আরও তিনজন মৃত্যুবরণ করেছে, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তো এক কঠিন প্রাচীর দ্বারা জাহান্নাম থেকে নিজেকে রক্ষা করেছো।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক মহিলা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে তার অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে আসল এবং বলল ইয়া রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি এর উপরে আশংকা করছি। ইতিপূর্বে আরও তিনজন মৃত্যুবরণ করেছে, তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি তো এক কঠিন প্রাচীর দ্বারা জাহান্নাম থেকে নিজেকে রক্ষা করেছো।

أخبرنا إسحق، قال: أنبأنا جرير، قال: حدثني طلق بن معاوية، وحفص بن غياث، قال: حدثني جدي طلق بن معاوية، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة قال: جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بابن لها يشتكي، فقالت: يا رسول الله، أخاف عليه وقد قدمت ثلاثة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لقد احتظرت بحظار شديد من النار»


সুনান নাসাঈ > মৃত্যু সংবাদ দেওয়া

সুনান নাসাঈ ১৮৭৮

أخبرنا إسحق، قال: أنبأنا سليمان بن حرب، قال: حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن حميد بن هلال، عن أنس، «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى زيدا وجعفرا قبل أن يجيء خبرهم، فنعاهم وعيناه تذرفان»

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়দ এবং জাফরের মৃত্যু সংবাদ দিলেন। তাঁদের মৃত্যু সংবাদ আসার পূর্বেই তখন তিনি তাঁদের জন্য ক্রন্দন করলেন এবং তার চক্ষুদ্বয় থেকে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছিল।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়দ এবং জাফরের মৃত্যু সংবাদ দিলেন। তাঁদের মৃত্যু সংবাদ আসার পূর্বেই তখন তিনি তাঁদের জন্য ক্রন্দন করলেন এবং তার চক্ষুদ্বয় থেকে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছিল।

أخبرنا إسحق، قال: أنبأنا سليمان بن حرب، قال: حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن حميد بن هلال، عن أنس، «أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى زيدا وجعفرا قبل أن يجيء خبرهم، فنعاهم وعيناه تذرفان»


সুনান নাসাঈ ১৮৭৯

أخبرنا أبو داود، قال: حدثنا يعقوب، قال: حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال: حدثني أبو سلمة، وابن المسيب، أن أبا هريرة أخبرهما، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى لهما النجاشي صاحب الحبشة اليوم الذي مات فيه، وقال: «استغفروا لأخيكم»

ইব্‌ন মুসায়্যাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাঁদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, হাবশার বাদশাহ্ নাজাশী যেদিন মৃত্যুবরণ করেন সেদিন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদেরকে তাঁর মৃত্যু সংবাদ দিয়ে বলেছিলেন, তোমরা তোমাদের ভাইয়ের গুনাহ মার্জনার প্রার্থনা কর।

ইব্‌ন মুসায়্যাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাঁদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, হাবশার বাদশাহ্ নাজাশী যেদিন মৃত্যুবরণ করেন সেদিন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদেরকে তাঁর মৃত্যু সংবাদ দিয়ে বলেছিলেন, তোমরা তোমাদের ভাইয়ের গুনাহ মার্জনার প্রার্থনা কর।

أخبرنا أبو داود، قال: حدثنا يعقوب، قال: حدثنا أبي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال: حدثني أبو سلمة، وابن المسيب، أن أبا هريرة أخبرهما، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نعى لهما النجاشي صاحب الحبشة اليوم الذي مات فيه، وقال: «استغفروا لأخيكم»


সুনান নাসাঈ ১৮৮০

أخبرنا عبيد الله بن فضالة بن إبراهيم، قال: حدثنا عبد الله هو ابن يزيد المقرئ، ح وأنبأنا محمد بن عبد الله بن يزيد المقريء، قال: حدثنا أبي، قال سعيد، حدثني ربيعة بن سيف المعافري، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو قال: بينما نحن نسير مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ بصر بامرأة لا تظن أنه عرفها، فلما توسط الطريق وقف حتى انتهت إليه، فإذا فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال لها: «ما أخرجك من بيتك يا فاطمة؟»، قالت: أتيت أهل هذا الميت، فترحمت إليهم، وعزيتهم بميتهم، قال: «لعلك بلغت معهم الكدى؟»، قالت: معاذ الله، أن أكون بلغتها وقد سمعتك تذكر في ذلك ما تذكر، فقال لها: «لو بلغتها معهم ما رأيت الجنة حتى يراها جد أبيك»، قال أبو عبد الرحمن: «ربيعة ضعيف»

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে সফর করছিলাম। এমতাবস্থায় এক মহিলাকে দেখা গেল। আমরা ধারণা করতে পারিনি যে, তিনি তাঁকে চিনতে পেরেছেন। যখন তিনি রাস্তার মাঝামাঝি আসলেন, তখন তিনি থেমে গেলেন এবং ঐ মহিলা তাঁর কাছে পৌঁছলেন, তখন আমরা দেখতে পেলাম যে, তিনি ফাতিমা বিন্‌ত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তিনি তাঁকে বললেন, হে ফাতিমা, তোমার ঘর থেকে তোমাকে কিসে বের করল? তিনি বললেন, আমি এ মৃত ব্যক্তির পরিজনদের কাছে গিয়ে তাদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ জ্ঞাপন করলাম এবং মৃত ব্যক্তির ব্যাপারে ধৈর্যধারণ করার জন্য তাদের উদ্বুদ্ধ করলাম। তিনি বললেন, সম্ভবত তুমি তাদের সাথে কুদা (কবরস্থান) পর্যন্ত গিয়েছিলে। ফাতিমা (রাঃ) বললেন, আমি সেখানে যাওয়া থেকে আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থনা করছি। কেননা এ বিষয়ে আপনি যা বলেছেন তা আমি শুনেছি। তিনি বললেন, যদি তুমি তাদের সাথে সেখানে যেতে তবে তোমার পিতার দাদা জান্নাত না দেখা পর্যন্ত তুমি জান্নাত পেতে না।

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে সফর করছিলাম। এমতাবস্থায় এক মহিলাকে দেখা গেল। আমরা ধারণা করতে পারিনি যে, তিনি তাঁকে চিনতে পেরেছেন। যখন তিনি রাস্তার মাঝামাঝি আসলেন, তখন তিনি থেমে গেলেন এবং ঐ মহিলা তাঁর কাছে পৌঁছলেন, তখন আমরা দেখতে পেলাম যে, তিনি ফাতিমা বিন্‌ত রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তিনি তাঁকে বললেন, হে ফাতিমা, তোমার ঘর থেকে তোমাকে কিসে বের করল? তিনি বললেন, আমি এ মৃত ব্যক্তির পরিজনদের কাছে গিয়ে তাদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ জ্ঞাপন করলাম এবং মৃত ব্যক্তির ব্যাপারে ধৈর্যধারণ করার জন্য তাদের উদ্বুদ্ধ করলাম। তিনি বললেন, সম্ভবত তুমি তাদের সাথে কুদা (কবরস্থান) পর্যন্ত গিয়েছিলে। ফাতিমা (রাঃ) বললেন, আমি সেখানে যাওয়া থেকে আল্লাহ্‌র আশ্রয় প্রার্থনা করছি। কেননা এ বিষয়ে আপনি যা বলেছেন তা আমি শুনেছি। তিনি বললেন, যদি তুমি তাদের সাথে সেখানে যেতে তবে তোমার পিতার দাদা জান্নাত না দেখা পর্যন্ত তুমি জান্নাত পেতে না।

أخبرنا عبيد الله بن فضالة بن إبراهيم، قال: حدثنا عبد الله هو ابن يزيد المقرئ، ح وأنبأنا محمد بن عبد الله بن يزيد المقريء، قال: حدثنا أبي، قال سعيد، حدثني ربيعة بن سيف المعافري، عن أبي عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو قال: بينما نحن نسير مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ بصر بامرأة لا تظن أنه عرفها، فلما توسط الطريق وقف حتى انتهت إليه، فإذا فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال لها: «ما أخرجك من بيتك يا فاطمة؟»، قالت: أتيت أهل هذا الميت، فترحمت إليهم، وعزيتهم بميتهم، قال: «لعلك بلغت معهم الكدى؟»، قالت: معاذ الله، أن أكون بلغتها وقد سمعتك تذكر في ذلك ما تذكر، فقال لها: «لو بلغتها معهم ما رأيت الجنة حتى يراها جد أبيك»، قال أبو عبد الرحمن: «ربيعة ضعيف»


সুনান নাসাঈ > পানি ও কুল পাতা দিয়ে মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেওয়া

সুনান নাসাঈ ১৮৮১

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن أيوب، عن محمد بن سيرين، أن أم عطية الأنصارية قالت: دخل علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم حين توفيت ابنته، فقال: «اغسلنها ثلاثا أو خمسا، أو أكثر من ذلك إن رأيتن ذلك، بماء وسدر، واجعلن في الآخرة كافورا أو شيئا من كافور، فإذا فرغتن فآذنني»، فلما فرغنا آذناه، فأعطانا حقوه وقال: «أشعرنها إياه»

উম্মে আতিয়া আনাসারিয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কন্যা ইন্তিকাল করলে তিনি আমাদের কাছে এলেন এবং বললেন, তোমরা তাকে পানি ও কুলপাতা দিয়ে গোসল দাও। তিন বা পাঁচবার কিংবা তোমরা ভাল মনে করলে আরো অধিকবার। আর শেষের বার তোমরা কর্পূর মিশ্রিত করবে। রাবী বলেন, কিংবা তিনি বলেছেন, কিছু কর্পূর মিশাবে। তোমরা গোসল সমাপ্ত করলে আমাকে জানাবে। আমরা গোসল সারার পর তাঁকে অবহিত করলাম। তিনি তাঁর একটি চাদর আমাদের দিলেন এবং বললেন, এটি তাঁর শরীরের সাথে জড়িয়ে দাও।

উম্মে আতিয়া আনাসারিয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কন্যা ইন্তিকাল করলে তিনি আমাদের কাছে এলেন এবং বললেন, তোমরা তাকে পানি ও কুলপাতা দিয়ে গোসল দাও। তিন বা পাঁচবার কিংবা তোমরা ভাল মনে করলে আরো অধিকবার। আর শেষের বার তোমরা কর্পূর মিশ্রিত করবে। রাবী বলেন, কিংবা তিনি বলেছেন, কিছু কর্পূর মিশাবে। তোমরা গোসল সমাপ্ত করলে আমাকে জানাবে। আমরা গোসল সারার পর তাঁকে অবহিত করলাম। তিনি তাঁর একটি চাদর আমাদের দিলেন এবং বললেন, এটি তাঁর শরীরের সাথে জড়িয়ে দাও।

أخبرنا قتيبة، عن مالك، عن أيوب، عن محمد بن سيرين، أن أم عطية الأنصارية قالت: دخل علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم حين توفيت ابنته، فقال: «اغسلنها ثلاثا أو خمسا، أو أكثر من ذلك إن رأيتن ذلك، بماء وسدر، واجعلن في الآخرة كافورا أو شيئا من كافور، فإذا فرغتن فآذنني»، فلما فرغنا آذناه، فأعطانا حقوه وقال: «أشعرنها إياه»


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00